Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Jhargram: বছরে ১২ লাখ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে এবার বঙ্গসন্তান ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে

    Jhargram: বছরে ১২ লাখ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে এবার বঙ্গসন্তান ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বার্ক’ (ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার)-এর বিজ্ঞানী হলেন ঝাড়গ্রামের (Jhargram) ভূমিপুত্র সোহম মহাপাত্র। বেসরকারি সংস্থায় বাৎসরিক ১২ লাখ টাকার সফটওয়্যার ডেভেলপারের চাকরি ছেড়ে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন। কারণ মোটা মাইনের চাকরি হলেও কাজে মন বসছিল না তাঁর। বিজ্ঞানী হয়ে দেশের জন্য কিছু করার ইচ্ছে তাঁকে কুরে কুরে খাচ্ছিল।

    ঝাড়গ্রামের (Jhargram) ভুমিপুত্রের পরিচয়?

    ঝাড়গ্রাম (Jhargram) শহরের মধুবন মোড়ের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহম। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। মা সেবা ভারতী মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রাজশ্রী রায় মহাপাত্র এবং বাবা ঝাড়গ্রাম জেলা আদালতের আইনজীবী সীতাংশু মহাপাত্র। ছেলে চাকরি ছেড়ে দেওয়ায় বাবা-মা প্রথমে খানিকটা অবাক হলেও ছেলের ওপর কিছু চাপিয়ে দেননি। আর ছেলের সেই ইচ্ছে সাফল্য হিসেবে ধরা দিল মাত্র দশ মাসেই। মাত্র ২৩ বছর ৯ মাসেই বিজ্ঞানী হলেন ছেলে সোহম! কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ বি-টেক করা তরুণ বিজ্ঞানী হিসেবে চলতি মাসের শেষের দিকে যোগ দিতে চলেছেন মুম্বইয়ের পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারে।

    কোথায় পড়াশুনা করেছিলেন?

    ঝাড়গ্রাম (Jhargram) লায়েন্স মডেল স্কুল থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত, তারপর ঝাড়গ্রাম কুমুদকুমারী ইনস্টিটিউশন থেকে ২০১৫ সালে মাধ্যমিক ও ২০১৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন সোহম। তারপর রাজ্যের জয়েন্ট পরীক্ষা পাশ করে কলকাতার বেলেঘাটায় অবস্থিত গভর্নমেন্ট কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সেরামিক টেকনোলজি থেকে ২০২১ সালে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে বি-টেক পাশ করেন। ওই বছরই সর্বভারতীয় ‘গেট’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও এম টেক করেন সোহম। ২০২১ সালের জুন মাসে একটি বেসরকারি সংস্থায় সফটওয়্যার ডেভেলাপার ইঞ্জিনিয়ারিং-এর বছরে ১২ লাখ টাকা বেতনের চাকরি পেয়ে সেখানে চলে যান। দেড় বছর চাকরি করার পরেও কাজে মন না বসায় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চাকরি ছেড়ে সোজা ঝাড়গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন সোহম।

    লড়াই কতটা কঠিন ছিল?

    কোনও কোচিং ছাড়াই নিজে ঝাড়গ্রামের (Jhargram) বাড়িতে শুরু করেন ‘গেট’-এর প্রস্তুতি। সঙ্গী শুধু বই ও ইন্টারনেট। মাত্র দশ মাসের মধ্যে প্রস্তুতির পর ‘গেট’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের একাধিক আইআইটিতে ভর্তির সুযোগ পান। এমনকি পাটনা আইআইটিতে ভর্তিও হয়ে যান। ওই সময়ই মুম্বইয়ের পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে বিজ্ঞানী পদে লিখিত পরীক্ষায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। তারপর ইন্টারভিউ দেওয়ার পর তাঁর কাছে ই-মেলের মাধ্যমে যোগদানের অফার লেটার আসে। যেদিন তাঁর দিদিমা প্রয়াত হলেন, সেদিনই নাতি হাতে পেলেন বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেওয়ার সুযোগ। মাসে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বেতনে চলতি মাসের শেষে মুম্বইয়ে গিয়ে কাজে যোগ দেবেন সোহম।

    সোহম মহাপাত্রের বক্তব্য

    সোহম মহাপাত্র বলেন, ‘আমার লক্ষ্য সুপার কম্পিউটার তৈরি করা।’ সোহম বলেন,‘যখন চাকরি ছেড়ে বাড়ি (Jhargram) এসেছিলাম তখন অনেকেই ভেবেছিল আমাকে চাকরি থেকে হয়তো বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ১২ লাখ টাকার চাকরি ছাড়াটা আমার অনেক আত্মীয়-স্বজনরাও মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু আমি লক্ষ্যে স্থির ছিলাম, তাই বাড়িতে শুধুমাত্র টেক্স বই পড়েই কোচিং ছাড়াই নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: পাঁচ মাসের সন্তান বিক্রি দম্পতির, তীব্র উত্তেজনা খড়দায়

    North 24 Parganas: পাঁচ মাসের সন্তান বিক্রি দম্পতির, তীব্র উত্তেজনা খড়দায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানিহাটি (North 24 Parganas) পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের গান্ধীনগর অঞ্চলে নিজের পাঁচ মাসের শিশুপুত্রকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে। খড়দা থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত বাবা জয়দেব চৌধুরী, মা সাথী চৌধুরী ও ঠাকুরদা কানাই চৌধুরী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে। ঘটনার কথা এলাকায় জানাজানি হতেই সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এলাকার মানুষের দাবি, এই ধরনের দম্পতিকে অঞ্চলে রাখা যাবে না।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য (North 24 Parganas)

    সন্তান বিক্রির ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় (North 24 Parganas) বাসিন্দা পম্পা বিশ্বাস বলেন, অভিযুক্ত জয়দেবের স্ত্রীকে আগেও বলেছি বাড়িতে অচেনা, অপরিচিত মানুষের আনাগোনা চলে! পাড়ায় থাকো, এমন কাজ বন্ধ করো! কেন এইভাবে বাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম বয়সী ছেলেমেয়েরা আসে! উত্তর মেলেনি। তবে পরিবার যে আর্থিক ভাবে খুব একটা স্বচ্ছল ছিল না তাও স্পষ্ট। নানান অসামাজিক কাজকর্মও চলত বলে জানিয়েছেন তিনি । তিনি আরও বলেন, গতকালই  শুনেছি টাকার জন্য নিজের সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছে। পুলিশ এসে গ্রেফতার করেছে। আরেক বাসিন্দা কৃষ্ণা দত্ত বলেন, শুনে খুব খারাপ লেগেছে! কিন্তু নিজের কোলের বাচ্চাকে বিক্রি করে টাকা নিয়ে জীবন চালাতে হচ্ছে কেন? আমরাও গরীব মানুষ, কাজকর্ম করেই নিজেদের পেট চালাই। তাই বলে নিজের সন্তান বিক্রি! অত্যন্ত নিম্নরুচির কাজ। শাস্তি চাই। এলাকার প্রবীণ বৃদ্ধ সুকান্ত দে বলেন, এই ঘটনা দেখা তো দূরের কথা শোনাই পাপ। সন্তানের বাবা একটা কুলাঙ্গার। বাচ্চার বাবা-মা দুই জনেই দোষী। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের বাবা স্টেশন থেকে কষ্ট করে খাবার জোগাড় করে আনেন, আর ছেলে-বৌমা অপকর্ম করেন। অত্যন্ত লজ্জার ঘটনা। এলাকা থেকে চলে গেলেই ভালো।

    স্থানীয় পৌরপিতার বক্তব্য

    স্থানীয় (North 24 Parganas) পৌরপিতা তারক গুহ জানালেন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া এই পরিবারটির পাশে সব সময় দাঁড়িয়েছেন। তিনি আরও বলেন আমি এবং আমার পৌরসভা সব সময় সরকারি সাহায্য করতে প্রস্তুত। কিন্তু নিজের সন্তান বিক্রি করার মতো জঘন্য ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ঢোলাহাটে বিজেপি নেতার ধানের জমিতে বিষ দেওয়ার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: ঢোলাহাটে বিজেপি নেতার ধানের জমিতে বিষ দেওয়ার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) নেতার জমিতে বিষ দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানার রামগোপালপুর অঞ্চলের হরেন্দ্রনগর ঠাকুরচক গ্রামে। বিজেপি নেতার নাম হরেন্দ্রনাথ কামিলা। তিনি বিজেপির স্থানীয় অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রয়েছে। ইতিমধ্যে বিজেপি নেতার পরিবারের লোকজনের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    বিজেপি (BJP) নেতা হরেন্দ্রনাথবাবুদের যৌথ পরিবার। অন্যান্য ভাইয়ের সঙ্গে তাঁদের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বিঘা জমি রয়েছে। সেই জমিতেই হরেন্দ্রনাথবাবু সহ অন্যরা ধান চাষ করেছিলেন। বিঘার পর বিঘা জমিতে ঘাস মারার বিষ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যার জেরে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বিঘা চাষের জমি এখন নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সকাল বেলা স্থানীয় বাসিন্দারা জমির এমন অবস্থা দেখে তড়িঘড়ি খবর দেন বিজেপি নেতা ও তাঁর দাদা বাদল কামিলাকে। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে পৌঁছে তাঁদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। ৪০ থেকে ৫০ বিঘা জমিতে  ধান চাষের বীজ চাষ করেছিল ওই কামিলা পরিবার। সারাবছর চাষবাসের ওপর নির্ভর করেই সংসার চলে ওই চাষি পরিবারের। কিন্তু কীভাবে চলবে সারাটা বছর অঝর নয়নে কেঁদে চলেছেন বিজেপি নেতার ৯০ বছরের বৃদ্ধ মা দ্রৌপদী কামিলা।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতা?

    বিজেপি (BJP) নেতা হরেন্দ্রনাথ কামিলা বলেন, আমি বিজেপির এই অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক। পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের হয়ে কাজ করেছি। ভোট শেষ হওয়ার পরই বিঘার পর বিঘা জমির ধান নষ্ট করে দেওয়া হল। পরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এই কাজ করেছে। এই ঘটনায় ঢোলাহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চলের সহ-সভাপতি সত্যেন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, যারা দোষ করেছে তারা উপযুক্ত শাস্তি পাবে। তবে, শাসক দল এমন ঘটনায় কোনওভাবেই যুক্ত নয়। তবে, প্রশ্ন উঠছে পঞ্চায়েতে বিজেপি করার জন্যই কী পরিকল্পিতভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হল, না এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ। তদন্ত শুরু করেছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দুর্গাপুর পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ, ১৪ জনের দেহে মিলল জীবাণু

    Durgapur: দুর্গাপুর পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ, ১৪ জনের দেহে মিলল জীবাণু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুম সবে শুরু। আর তাতেই খারাপ খবর শহর দুর্গাপুরের জন্য। ইতিমধ্যেই শহরে ১৪ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে ডেঙ্গির জীবাণু। দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশডিহা এলাকার এই ঘটনা চিন্তা বাড়িয়েছে শহরের। চলছে এলাকায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সংখ্যা আরও কিছু বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

    কীভাবে ডেঙ্গির প্রকোপ (Durgapur)?

    বর্ষার জল জমে ডেঙ্গির থাবা। ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার তরফ থেকে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে সার্ভে করার কাজ। কোথাও জল জমে রয়েছে কিনা, সেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন ধরে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। যে সমস্ত জায়গায় ডেঙ্গির মশার লার্ভা জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেই জায়গাগুলিকে নষ্ট করা হচ্ছে এই অভিযানে। পাশাপাশি যাঁদের এই সময় জ্বর হচ্ছে, তাঁদেরকে সাবধানে থাকতে বলা হচ্ছে। বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে সঠিক সময় ডেঙ্গি চিহ্নিত করা যায়।

    সতর্কতা

    জানা গিয়েছে, যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন অর্থাৎ সেই ১৪ জন আপাতত অনেকটাই সুস্থ। তবে তাঁদের সব সময় মশারির ভেতরে থাকতে বলা হয়েছে। যাতে করে ডেঙ্গির জীবাণু আর ছড়াতে না পারে। স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্টের পতঙ্গবিদ বিশ্বরূপ মিত্র ছিলেন এই সার্ভেতে। তিনি জানান, বর্ষার সময় ডেঙ্গি নিয়ে সচেতন থাকতে বলা হচ্ছে শহরবাসীকে (Durgapur)। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সে বিষয়ে আবেদন করা হচ্ছে। অন্যদিকে শহরে একসঙ্গে ১৪ জনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা চিন্তা বাড়িয়েছে মানুষ এবং প্রশাসনের।

    পুরসভার বক্তব্য

    অন্যদিকে এই বিষয়ে দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখার্জি বলেছেন, ডেঙ্গির খবর পাওয়ার পর থেকেই দুর্গাপুরর পুরসভা অত্যন্ত তৎপর হয়েছে। SUDA (state urban development authority) অত্যন্ত বিচলিত। সুডার প্রতিনিধি এসেছেন। বিভিন্ন নর্দমা থেকে শুরু করে অন্যান্য অপরিষ্কার জায়গাগুলিকে পরিষ্কার করানো হচ্ছে। পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর থেকে আশা কর্মী, সাফাই কর্মীরা সকলে ডেঙ্গি মোকাবিলায় মাঠে নেমেছেন। যাঁরা ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের একটি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ দিন তাঁদের শারীরিক অগ্রগতি, অবনতির রিপোর্ট সেখানে দেওয়া থাকবে। আপাতত ১৪ জনের রিপোর্টে ডেঙ্গি ধরা পড়লেও, শহরে আরও দু এক জায়গায় আশঙ্কা রয়েছে বলেও খবর। তবে সাধারণ মানুষকে সাবধান থাকা এবং ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য বিশেষ আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dog: পঞ্চায়েত অফিসে ঘরবন্দি সারমেয়, ফোন করে ডাকল উপপ্রধানকে, তারপর কী ঘটল?

    Dog: পঞ্চায়েত অফিসে ঘরবন্দি সারমেয়, ফোন করে ডাকল উপপ্রধানকে, তারপর কী ঘটল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গল্পের গরু গাছে ওঠে। কিন্তু, কখনও কোনও সারমেয়কে মোবাইলে ফোন করতে শুনেছেন। এটা গল্প মনে হলেও সত্যি। বাস্তবে এমনটাও ঘটে! ঘরের ভিতরে আটকে পড়ে শেষ পর্যন্ত ফোন করে কান্নাকাটি করে নিজেকে মুক্তির আর্জি জানাল ঘরবন্দি এক সারমেয় (Dog)। শনিবার সন্ধ্যায় এমনই এক অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকল হুগলির গুপ্তিপাড়া- ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস। বিষয়টি জানাজানি হতেই পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে তালা খুলে সারমেয়কে উদ্ধার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    এমনিতেই এই পঞ্চায়েত অফিস জুড়ে কয়েকটি সারমেয় (Dog) রাজ করে। পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ হয়ে গেলে তারা আবার রাস্তায় নেমে পড়ে। তাদের রোজকার রুটিন এটাই। শনিবার সমস্ত কাজকর্ম শেষে এই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বজিত নাগ অফিস বন্ধ করে সাটার নামিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পঞ্চায়েত অফিস থেকে কিছুটা দূরেই তাঁর বাড়ি।  সন্ধ্যা ৬ টার কিছুটা পরেই পঞ্চায়েত অফিসের তাঁর অফিস রুমে থাকা ল্যান্ড লাইন থেকে উপপ্রধানের মোবাইলে ফোন আসে। মোবাইলে অফিসের ল্যান্ড লাইনের নম্বর দেখে তিনি চমকে ওঠেন। কারণ, ঘণ্টাখানেক আগেই নিজের ওই অফিস রুমে তালা মেরে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। তাহলে অফিস রুমে আবার কে ঢুকল, কে মোবাইল নম্বরে তাঁকে ফোন করছে, এসব কথা ভেবে তিনি খানিকক্ষণ হ্যালো হ্যালো করেন। এরপর কিছুক্ষণ চুপ থাকেন। কয়েক সেকেন্ড পর অপর প্রান্ত থেকে ভেসে আসে সারমেয়র করুণ আর্তি। বিশ্বজিতবাবু পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পেরে পঞ্চায়ত অফিসে চলে আসেন। এলাকার উৎসুকরাও আসেন। খোলা হয় তালা। দেখা যায় সত্যি সত্যি একটি সারমেয় অফিসে ঢুকে বসে কাঁদছে। মুক্তি পেয়ে এক ছুটে বাইরে। আসলে বাইরে তার পরিবারের সদস্যরা তার জন্য অপেক্ষা করছে।

    সারমেয়কে উদ্ধার করার পর কী বললেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান?

    পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বজিৎ নাথ বলেন, অফিসের ল্যান্ড ফোন থেকে মোবাইলে ফোন আসায় প্রথমে চমকে উঠেছিলাম। তারপর সারমেয়র (Dog) করুণ ডাক শুনে মনে হচ্ছে, ‘আমি আটকে পড়েছি, আমায় রক্ষা করো।’ আমি ব্যাপারটা খানিকটা আন্দাজ করেই পঞ্চায়েত অফিসে যাই। আমি অফিসে গিয়ে দেখি, ফোনের রিসিভার যথাস্থানেই আছে। কিন্তু, কিভাবে এটা সম্ভব? আসল কারণটা ততক্ষণে আমি বুঝতে পারি। আমি অফিস থেকে চলে যাওয়ার সময় ল্যান্ড লাইনটা নিজের মোবাইলে ডাইভার্ট করে দিয়েছিলাম। যাতে কারও প্রয়োজনে আমাকে পাওয়া যায়। আমার ফোনে এমন একটি ব্যবস্থা করা রয়েছে, যে কেউ ল্যান্ড ফোনের রিসিভারটা তুলে কিছুক্ষণ কথা না বললে ল্যান্ড ফোনের নম্বর থেকে সরাসরি আমার মোবাইলে কল চলে আসে। আমার মনে হয়, কোনওভাবে সারমেয়র পা তারে লেগেই হোক রিসিভারটা সরে যায়। আর ওই ল্যান্ড ফোন থেকে আমার মোবাইলে কল চলে আসে। ফোন আসার পর অপরপ্রান্ত থেকে সারমেয়র কান্নার আওয়াজ পাই। এরপরই আমি এসে দেখি ফোনের রিসিভাররা ল্যান্ড লাইনে রাখা রয়েছে। সম্ভবত ওই সারমেয়টি ফোন তোলার পর আবার রিসিভারে সেটি রেখে  দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: সেপটিক ট্যাঙ্কে তলিয়ে গিয়ে মৃত ৩, এলাকায় শোকের ছায়া

    Birbhum: সেপটিক ট্যাঙ্কে তলিয়ে গিয়ে মৃত ৩, এলাকায় শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটা নাগাদ এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তিন জনের প্রাণ গেল বেঘোরে। ঘটনাটি বীরভূম (Birbhum) জেলার হজরতপুর গ্রামে ঘটেছে। জানা যায়, কাঁকরতলা থানার হজরতপুর গ্রামের সনাতন ধীবরের বাড়িতে পায়খানার সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিনজনের। মৃতদের মধ্যে দুজন শ্রমিক এবং একজন বাড়ির মালিক। বাড়ির ম্যানহোল খোলার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গ্রামে শোকের ছায়া। 

    কীভাবে ঘটেছে ঘটনা (Birbhum)?

    নির্মাণ শ্রমিক স্বপন বাদ্যকর (৪৬) ম্যানহোল খোলা মাত্রই গ্যাসে অজ্ঞান হয়ে গিয়ে প্রথমে চেম্বারের (Birbhum) মধ্যে তলিয়ে যান। ঠিক এরপরই তাঁকে দেখতে গিয়ে বাড়ির মালিক সনাতন ধীবর (৪৯) প্রচণ্ড গ্যাসে অচৈতন্য হয়ে তলিয়ে যান। একটু পরেই নির্মাণ শ্রমিকের সহকারী কর্মী অমৃত বাদ্যকর (৩২), টর্চের আলো জ্বেলে দেখতে গিয়ে তিনিও চেম্বারে তলিয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে কোনও কিছু বোঝার আগেই পরপর তিনজনের তলিয়ে যাওয়া এক বিষ্ময়কর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। সূত্রে জানা গেছে, আসলে গ্যাসের তীব্রতা এতটাই ছিল যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবরে এলাকাবাসী হয়ে যান। নেমে আসে শোকের ছায়া।

    পুলিশের ভূমিকা

    ঘটনা ঘটার পরপরই খবর দেওয়া হয় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের (Birbhum) কাছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ সহ দমকল বিভাগে কর্মীরা এসে উপস্থিত হন। খবর পেয়ে ডিএসপি মোতাসিম আক্তার, দুবরাজপুর সার্কেল ইন্সপেক্টর মাধবচন্দ্র মন্ডল, স্থানীয় থানার ওসি সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এদিকে দমকল বিভাগের লোকজন এসে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় নাকড়াকোন্দা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহগুলি সিউড়ি মর্গে পাঠানো হয় বলে সূত্রের খবর। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটল পুলিশ তার তদন্ত শুরু করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ঘাটালে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ঘাটালে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে ঢিল, তারপর বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইতিচক গ্রামে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কাকলি কুড়েল নামে বিজেপি (BJP)  প্রার্থী জয়ী হন। জয়ী হওয়ার পর থেকেই শাসক দলের পক্ষ থেকেই হুমকি দেওয়া হয়। ঘাটাল ব্লকের ২১ টি আসন বিশিষ্ট এই সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটের ফলাফল ত্রিশঙ্কু হয়। তৃণমূল-১০ টি,বিজেপি-১০ টি ও নির্দল-১ টি করে আসনে জয়ী হয়। ফল, ঘোষণার পরই ঘাটাল ব্লকে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের গোপন ডেরায় রেখেছিল বিজেপি। দিন দুয়েক আগে সুতলানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইতিচক গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন বিজেপির এই জয়ী প্রার্থী কাকলি কুড়েল। আর তারপরই শনিবার সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে বেশ কয়েকবার ঢিল ছোঁড়া হয়। তারপরই রাত নাগাদ বোমা ছোঁড়া হয় বোম ফাটার আওয়াজ পাওয়া যায়। বোমার আওয়াজ পেয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসে পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে প্রতিবেশীরা। ঢিল ছোঁড়ার জেরে প্রার্থীর টালির ছাউনির কিছু অংশ ভেঙে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে প্রার্থীর বাড়িতে যান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থী?

    বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থী কাকলি কুড়েল বলেন, ভোটে জয়ী হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল লাগাতার হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। এতদিন বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলাম। গ্রামে ফিরতেই বাড়ি লক্ষ্য করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করে। আসলে ওরা সন্ত্রাস করে আমাদের এলাকা ছাড়া করতে চাইছে। এই ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যদিও এবিষয়ে স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্ব পুরো ঘটনা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda Incident: মালদাকাণ্ডে রাজ্যে আসছে জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধি দল

    Malda Incident: মালদাকাণ্ডে রাজ্যে আসছে জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই মহিলাকে নগ্ন করে বেধড়ক মারধরের ভিডিও সামনে এসেছে মালদায় (Malda Incident) (যদিও এর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। মধ্যযুগীয় বর্বরতার এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দায় সরব হয়েছে সব মহল। এবার এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে ট্য়ুইট প্রকাশ্যে জাতীয় মহিলা কমিশনের (National Commission for Women)। অন্যদিকে মহিলা কমিশনের টিমও মালদায় (Malda Incident) আসবে বলে জানিয়েছেন এনসিডাব্লু-এর প্রধান রেখা শর্মা। অন্যদিকে শনিবার থেকেই মালদা জেলা পুলিশ সুপারের দফতরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিজেপি। রবিবার সকালে বিক্ষোভস্থলে ত্রিপল লাগানোর ব্যবস্থা করে বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগ, সেসময় পুলিশ ব্যাপকভাবে লাঠিচার্জ করে। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ সুপার যতক্ষণ না দফতরে আসছেন ততক্ষণ এই বিক্ষোভ চলবে। সাংসদ খগেন মুর্মুর নেতৃত্বে চলছে ধর্না কর্মসূচি।

    কমিশনের ট্যুইট

    কমিশনের ট্য়ুইটার হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করা হয়েছে শনিবার। সেখানে বলা হয়েছে, ‘পশ্চিমবঙ্গের মালদায় (Malda Incident) আদিবাসী মহিলার উপর যে নির্মম অত্যাচার হয়েছে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। এনসিডব্লু দ্রুত ব্যবস্থা চায়। পুলিশকে আইপিসি মেনে দোষীদের গ্রেফতার করার জন্য বলা হচ্ছে।’

    কী বললেন মহিলা কমিশনের প্রধান?

    এনসিডব্লু প্রধান রেখা শর্মা বলেন, “গত কয়েকদিনে এরকম একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। এক মহিলাকে নগ্ন করে মারধর করা হয়েছে। পুরুষ মহিলা সকলে ছিলেন সেখানে। আমি একটি দলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। ওরা বলছে ওই দুই মহিলার কোনও খবর নেই। ওনারা কোথায় আছেন জানা নেই। পুলিশ ওনাদের মেডিক্যাল করেনি। যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারের কোনও উদ্যোগও নেই। পরিবার চিন্তিত। জাতীয় মহিলা কমিশন সুয়োমোটো নিচ্ছে। আমার টিম ওখানে যাবে। সমস্যা একটাই ওখানে পুলিশ কিছু করছে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: দলীয় নেতা খুনে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি, কেমন প্রভাব পড়ল?

    BJP: দলীয় নেতা খুনে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি, কেমন প্রভাব পড়ল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় শনিবার দুষ্কৃতীদের হামলায় খুন হন বিজেপি যুব মোর্চার নগর মণ্ডল কমিটির সম্পাদক অসীম সাহা। এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের দাবি, অসীম সাহাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ইচ্ছাকৃতভাবে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতেই বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার?

    ইসলামপুরে বিজেপির বনধ ডাকার পরই শনিবার রাতে তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দেয় ইসলামপুর জেলার পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে ইসলামপুর থানায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল থানার আইসি সন্দীপ চক্রবর্তীকে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইসলামপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে টাকা-পয়সা লেনদেনের ঘটনা থেকেই তর্ক শুরু হয়, তারপরেই এই ঘটনা ঘটে। যদিও এখনও পর্যন্ত লিখিত কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। ঘটনা ঘটার প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই অভিযুক্ত মহঃ সাহিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাকে ইসলামপুর আদালতে পেশ করা হবে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। অপরদিকে, বিজেপির আনা তোলাবাজি ও তৃণমূলের মদতের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগ। এই ঘটনার সাথে রাজনৈতিক কোনও ব্যাপার নেই। টাকাপয়সা লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় থাকতে পারে। তা আমরা তদন্ত করে দেখছি। পাশাপাশি, এদিন বিজেপির ডাকা ১২ ঘন্টা ইসলামপুর বনধের বিষয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জোরপূর্বক বনধ কোথাও করতে দেওয়া হবে না।”

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    ইসলামপুর শহরের বীজহাট্টি এলাকায় রতন সাহা নামে এক বস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছে দীর্ঘদিন ধরে মহঃ তফিক নামে এক যুবক মিথ্যা গল্প সাজিয়ে বকেয়া টাকার নাম করে ওই ব্যবসায়ীকে চাপ দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ। ওই যুবক কিছুদিন আগে তার কিছু বন্ধুবান্ধবকে নিয়ে ওই বস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছে টাকা আদায়ের জন্য দোকানে এসে ঝামেলা সৃষ্টি করে। ওই বস্ত্র  ব্যবসায়ীকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেয় অভিযুক্তরা। শনিবার  সকালে ওই বস্ত্র ব্যবসায়ীর দোকানে মহঃ সাহিল নামে অপর এক যুবক তোলা চাইতে আসে। তোলা নিয়ে ঝামেলার সৃষ্টি করে। তখন দোকান মালিকের ভাগ্নে তথা বিজেপি নেতা অসীম সাহা সেখানেই ছিলেন। তিনি তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁকে চাকু দিয়ে একাধিক জায়গায় আঘাত করে বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গেলে এই ঘটনায় স্থানীয় অপর এক যুবক আহত হয়। এরপর ওই অভিযুক্ত ওই যুবক ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। আহতদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আহত অসীমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় অসীম সাহার। শনিবার বিজেপির পক্ষ থেকে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির সহ-সভাপতি সুরজিৎ সেন জানিয়েছেন, যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে দলীয় নেতাকে খুন হতে হল তা অত্যন্ত দুঃখের। আমরা সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেছিলাম বনধ সফল করার জন্য। মানুষ আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে। গভীর রাতে বনধের নোটিশ দেওয়ার কারণে অনেকেই হয়তো বনধের খবর জানে না। তাই তারা রাস্তায় নেমেছে। আমরা সাধারণ মানুষের দাবিতে ও তাদের সুরক্ষার দাবিতে শান্তিপূর্ণ বনধ ডেকেছি। আমরা রাস্তা অবরোধ করে পিকেটিং করে বনধ আরও জোরালো করতে পারতাম। কিন্তু সাধারণ মানুষের কথা ভেবে আমরা তা করছি না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘বাড়ি ঘেরাও’ কর্মসূচি! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বাড়ি ঘেরাও’ কর্মসূচি! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ থেকে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও-এর নিদান দিয়েছিলেন মমতা-অভিষেক। এবার এই ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় শনিবার এফআইআর করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অভিযোগপত্রে বিরোধী দলনেতার দাবি, তৃণমূলের ওই কর্মসূচিতে বিজেপি নেতাদের প্রাণহানি হতে পারে। এমনকি, তাঁরও। অভিযোগপত্রে তিনি মমতা এবং অভিষেকের বক্তৃতার অংশও তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, এই ধরনের বক্তব্য ‘ঘৃণাভাষণ’।

    হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে দুর্নীতি সামনে আসায় তাতে অনুদান বন্ধ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই ইস্যুতে আগামী ২ অক্টোবর দিল্লি অভিযানের কর্মসূচি ঘোষণা করেন অভিষেক। পাশাপাশি তিনি, আগামী ৫ অগাস্ট বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও-এর কথাও বলেন। তিনি বলেন, ‘‘সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করে রাখবেন! একদম গণঘেরাও! বাড়ির কেউ বয়স্ক থাকলে তাঁকে ছেড়ে দেবেন। আর কাউকে ঢুকতেও দেবেন না, বেরোতেও দেবেন না।’’ এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ওই কর্মসূচিতে সামান্য বদল করেন। তিনি বলেন, বুথে নয়, প্রতি ব্লকে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও হবে। তৃণমূলের এহেন কর্মসূচিকে ‘উস্কানিমূলক’ বলে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ওয়াকিবহাল মহলও বলছে, এতে নিশ্চিতভাবে হিংসা ছড়াবে। তৈরি হবে অশান্তির বাতাবরণ।

    রবীন্দ্র সরোবর থানাতেও অভিযোগ দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

    এই ইস্য়ুতে রবীন্দ্র সরোবর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা রাজর্ষি লাহিড়ীও। রাজর্ষির অভিযোগ, ‘‘তৃণমূলের শহিদ দিবসের সভা চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ৫ অগাস্ট সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বাংলার বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাওয়ের কথা বলেন। এই বক্তব্য শুধুমাত্র গণতন্ত্র বিরোধী নয়, আইনেরও লঙ্ঘন। ভারতের পবিত্র সংবিধানে দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে চলাফেরার করার মৌলিক অধিকার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ধরনের বক্তব্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত।’’ ঘটনাক্রমে অভিষেকের ঘোষণার পরেই রাজু হালদার নামে যুবমোর্চার এক কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রাজর্ষি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share