Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বিরুদ্ধে ট্রায়াল চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কিন্তু হঠাৎ রাজ্যপালের অনুমোদনের প্রয়োজন কেন? সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যে কোনও মন্ত্রী বা আইন প্রণেতা বা সরকারি ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া চালাতে অনুমোদন প্রয়োজন হয়। ভারতীয় সংবিধানের ১৬৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, নিজের ক্ষমতাবলে এই অনুমোদন দিলেন রাজ্যপাল।’’ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন মমতার মন্ত্রিসভায়। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। আবার পার্থ যেহেতু বিধানসভারও সদস্য, তাই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে বিধানসভার অধ্যক্ষেরও সম্মতি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়া হল সিভি আনন্দ বোসের। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাজ্যপালের অনুমোদনে সিবিআই তদন্তের অগ্রগতিতে আর কোনও বাধা রইল না।

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে গ্রেফতার হন পার্থ (Partha Chatterjee) 

    প্রসঙ্গত, এক বছর আগে নিজের নাকতলার বাড়ি থেকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তখনই তাঁর বান্ধবী অর্পিতার বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে মেলে ২২ কোটি টাকা। পরে আবারও অর্পিতার অন্য ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া যায় ২৮ কোটি টাকা। ইডি গ্রেফতার করলেও পরে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করে সিবিআই। পার্থর বিচারের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমোদন জরুরি ছিল। সিবিআইয়ের সেই আবেদনেই সিলমোহর দিলেন রাজ্যপাল। বিচার প্রক্রিয়ায় আর কোনও বাধা রইল না।

    প্রেসিডেন্সি জেল যেন তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়কদের পর্যটন কেন্দ্র 

    প্রেসিডেন্সি জেল যেন তৃণমূলের নেতাদের কাছে পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ছাড়াও জেলে আছেন আরও দুই তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা। রয়েছেন স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরাও। এঁদের সবাই গ্রেফতার হয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। পার্থর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে তারা, এমনটাই দাবি সিবিআইয়ের। তা আদালতে ইতিমধ্যে পেশও করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ইয়েচুরি-মমতা বৈঠককে ঘৃণা করি, জানিয়ে দিল নিহত সিপিএম কর্মীর পরিবার

    Uttar Dinajpur: ইয়েচুরি-মমতা বৈঠককে ঘৃণা করি, জানিয়ে দিল নিহত সিপিএম কর্মীর পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল চোপড়ার (Uttar Dinajpur) সিপিআইএম কর্মী মনসুর আলমের। মনসুরের পরিবারের সেই ক্ষত আজও দগদগে। এরই মধ্যে বেঙ্গালুরুতে এক টেবিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিকে দেখে মর্মাহত মনসুরের পরিবার।

    কেন মর্মাহত (Uttar Dinajpur)?

    সাধারণ নিচু তলার রাজনৈতিক কর্মীরা বোঝেন না জাতীয় রাজনীতি। তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতেই খুন হয়েছেন সিপিআইএম কর্মী মনসুর আলম। তাই এই মৃত্যুতে নিহত মনসুরের (Uttar Dinajpur) দাদু মহঃ গিয়াসুদ্দিন বলেন, সিপিআইএম-তৃণমূলের জোটকে কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছি না। সর্বভারতীয় স্তরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কোনও মুখকে তুলে না ধরে, মানুষকে ভাঁওতা দেবার জন্য বৈঠক করছেন। তিনি আরও বলেন, এই বৈঠককে নিচু তলার সিপিআইএম কর্মীরা মেনে নিতে পারছেন না। তৃণমূলের সঙ্গে সিপিআইএমের এই বৈঠক আমাদের কাছে লজ্জার। যেভাবে তৃণমূল ভোট দিতে দিল না, রাজ্যে সন্ত্রাস চালাল, ভোট লুট করল, গুলি করল, বোমা মারল, মানুষ খুন করে মায়ের কোল খালি করল, তা আমরা কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারছি না। সিপিআইএম-তৃণমূলের এক টেবিলে বৈঠক! একসঙ্গে চা পান! এটাকে অত্যন্ত ঘৃণা করি।

    প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন পরিবারের

    অপর দিকে বেঙ্গালুরুতে বিরোধী ২৭টি দলের জোটের বৈঠককে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের হামলায় সিপিএম এবং কংগ্রেসের কর্মীরা মারা যাচ্ছেন। আর এই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের নেতারা বৈঠক করছেন। মোদির এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন নিহত মনসুরের (Uttar Dinajpur) দাদু মহঃ গিয়াসুদ্দিন।

    কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল ভোটে

    উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় চোপড়া (Uttar Dinajpur) ব্লকের কাঠালবাড়ি গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুস্কৃতীদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিল মনসুর আলম নামে এক সিপিআইএম কর্মী। এরপর আহত মনসুরকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে গত ২২ জুন শিলিগুড়িতে মৃত্যু হয়। শাসক দলের নেতারা এই ঘটনায় যুক্ত থাকায় পুলিশ ঘটনার তদন্তে অনিহা দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করে পরিবার। পরিবার ছেলেকে হত্যার ঘটনায় বিচার থেকে বঞ্চিত। ঘটনার একমাস কাটতে না কাটতে সর্বভারতীয় নেতারা ঘাতক তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের নিয়ে বৈঠককে ভাল ভাবে নিতে পারছে না এই মৃতের পরিবার। সিপিএমের নিহত কর্মীর পরিবার জাতীয় নেতৃত্বের জোটের বিরুদ্ধে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: আন্দুলে তৃণমূল-আইএসএফ ব্যাপক সংঘর্ষ, লাঠি, রড, ভোজালি নিয়ে হামলা

    Panchayat Election 2023: আন্দুলে তৃণমূল-আইএসএফ ব্যাপক সংঘর্ষ, লাঠি, রড, ভোজালি নিয়ে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে হাওড়া জেলার আন্দুলের আরগোড়িতে তৃণমূল এবং আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ (Panchayat Election 2023) হয়। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, আইএসএফ কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এই ঘটনায় চার জন আহত হয়েছে। সাঁকরাইল থানার পুলিশ এই ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করেছে। আইএসএফের পক্ষ থেকে অবশ্য হামলার কথা অস্বীকার করা হয়।

    কী ঘটনা ঘটেছে?

    গতকাল রাতে আন্দুলের আড়গোড়িতে স্থানীয় একটি ক্লাবে ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। উপলক্ষ্য আন্দুল পঞ্চায়েতের ৪৬ নম্বর বুথে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর জয় (Panchayat Election 2023)। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, তাঁরা যখন ক্লাবের বাইরে রান্নাবান্না করছিলেন, সেই সময় আইএসএফের ছেলেরা দল বেঁধে এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি, রড, কাটারি এবং ভোজালি নিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয়। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা বাধা দিলে তাদের মারধর করে ওই আইএসএফ কর্মীরা। এই ঘটনায় চারজন তৃণমূল কর্মী আহত হয়। তাদের সাঁকরাইলের হাজি এস টি মল্লিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে সাঁকরাইল থানার পুলিশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার ছবি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যার সত্যতা সংবাদ মাধ্যম যাচাই করেনি।

    কী বলল বিবদমান দুই দল

    তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, ভোটে জেতার কারণে আইএসএফ কর্মীরা বাইরে থেকে ছেলে এনে পরিকল্পনামাফিক তাদের ওপর হামলা করেছে। যদিও আইএসএফ নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে। আইএসএফ জানিয়েছে, ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন নিয়ে গন্ডগোল। এতে রাজনৈতিক (Panchayat Election 2023) রং লাগানো হচ্ছে। এর সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই। তারা সব এলাকারই ছেলে। পুলিশ সূত্রে খবর, হামলার ঘটনায় মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের আজ হাওড়া আদালতে তোলা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত”, আমতা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    Howrah: “মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত”, আমতা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে মহিলাদের উপর হিংসার তথ্য নিতে উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার পর এবার হাওড়ার আমতা (Howrah)। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এখানে ভোটের পর ব্যাপক সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়ি। রেহাই পাননি মহিলারাও। এদিন ওই গ্রামে পৌঁছে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বললেন বিজেপির মহিলা তথ্যানুসন্ধান দলের পাঁচ সাংসদ। উল্লেখ্য, শুধু আমতা নয়, পঞ্চায়েত ভোটের পরে গোটা হাওড়া জেলা জুড়েই বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। এমনকী বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে তাদের এলাকা ছাড়া করারও অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন দলের প্রতিনিধিরা (Howrah)?

    এইসব জিনিস খতিয়ে দেখতে আজ বুধবার সকালে আমতায় (Howrah) যান রমা দেবী, কবিতা পাতিদার, অপরাজিতা ষড়ঙ্গী, সন্ধ্যা রায় এবং সরোজ পাণ্ডে। উপদ্রুত এলাকা ঘুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন কমিটির সদস্যারা। তাঁরা জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত, কীভাবে গ্রামীণ গরিব মানুষদের উন্নয়ন করেছেন তিনি। কীভাবে তাঁদের রুজি রোজগারের উপায় করেছেন। কীভাবে বাড়িঘর, পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর এখানে গরিব মানুষদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মহিলারাও আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না। তাঁদের  অভিযোগ, বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটের নামে কেবল হিংসা হয়েছে। বিরোধী রাজনীতি করলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর ধেয়ে আসছে আক্রমণ। শুধু ওই ব্যক্তিই নয়, তাঁর পরিবারের উপরও হিংসার আঁচ এসে পড়ছে। তাঁদের বাড়িতে আগুন ধরানো হচ্ছে। মহিলাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে এক জন মহিলা, সেখানে এমন ঘটনা একেবারেই অনভিপ্রেত বলে কটাক্ষ করেছে এই তথ্যানুসন্ধান দল। এদিন প্রতিনিধিদলের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতা মহিলারা।

    রিপোর্ট দেবেন নাড্ডাকে

    তাঁরা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঙ্গালুরু গিয়ে ইন্ডিয়ার কথা বলছেন। অথচ তাঁর প্রদেশে (Howrah) কী ঘটছে, তা তিনি চোখে পটি বেঁধে আছেন না দেখার জন্য। দলের সদস্যেরা জানিয়েছেন, দিল্লি ফিরে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাকে এ নিয়ে রিপোর্ট দেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের ধুলাউড়ি (Murshidabad) অঞ্চলের যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগ উঠল সিপিএমের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে তুলসীপুর গ্রামে ধুলাউড়ি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি আঞ্জারুলের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয় বলে জানা গেছে। পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ হয়। বাড়ির লোকজন ঘটনায় ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

    কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ হল (Murshidabad)?

    তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হওয়ায়, তাঁর বাড়ি (Murshidabad) লক্ষ্য করে বোমা মারে দুষ্কৃতীরা। এরপর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্জারুল, সিপিএমের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ সরজমিনে গিয়ে তদন্ত শুরু করে দেখে, কে বা কারা এই বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই  তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যাচারে সিপিএম কর্মীরা এলাকাছাড়া রয়েছেন। সিপিএম কর্মীদের নামে মিথ্যে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    আক্রান্ত পরিবারের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা আঞ্জারুলের মা মঞ্জুরা বিবি বলেন, ভোটের দিন থেকেই আমাদের উপর অত্যাচার চলছে। গতকাল রাতে পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা। আমার ছেলে আঞ্জারুল, রানা প্রত্যেকেই ঘরছাড়া সিপিএমের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে। ভোটের দিনেই বাড়িতে ঢুকে মারামারি করে ছেলেদের সঙ্গে। প্রাণের ভয়ে ছেলেরা বাড়িতে ঢুকতে পারছে না। গতকাল রাতে ১০ টার পর আমি এবং আমার বৌমা বাড়িতে (Murshidabad) ছিলাম। রাতের খাবার খেয়ে নমাজ পড়ার পর হঠাৎ দেখি ঘর ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এরপর বাইরে বেরিয়ে দেখি বোমা বিস্ফোরণ করেছে দুষ্কৃতীরা। যারা করেছে তাদের চিনি না। তবে সকলেই সিপিএম করে। আমরা দুই মহিলা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসে এবং এসে উল্টে আমদের বিরুদ্ধেই বোমা মারার অভিযোগ করে। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি!

    সিপিএমের বক্তব্য

    সিপিএমের ডোমকল (Murshidabad) লোকাল কমিটির সম্পাদক মস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিপিএমের কর্মীরা এলাকায় তৃণমূলের অত্যাচারে ঘর ছাড়া। তৃণমূলের এই অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের কর্মীরা নিজেরাই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে মিথ্যা কেস দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ফের উত্তপ্ত ভাঙড়! পঞ্চায়েত প্রার্থীর কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি

    Panchayat Vote: ফের উত্তপ্ত ভাঙড়! পঞ্চায়েত প্রার্থীর কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে অশান্তি যেন কিছুতেই থামছে না। জুন মাসে মনোনয়ন পর্ব (Panchayat Vote) শুরু হতেই মুড়ি মুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে। ঝরে বেশ কতগুলি তাজা প্রাণ। ভোটের দিনও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ভাঙড়ের পরিস্থিতি। আবার ভোট গণনার দিনও বদলায়নি চিত্র। সপ্তাহখানেক আগে ভোটের ফলাফলের দিন বোমা-গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল ভাঙড়। সেই ঘটনার রেশ কাটার আগেই আবারও গুলি চলল ভাঙড়ে। ব্যাপক বোমাবাজিতে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ।

    উত্তপ্ত ভাঙড়

    মঙ্গলবার রাত দশটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বিজয়গঞ্জ বাজার সংলগ্ন পানাপুকুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে খবর, চালতাবেড়িয়া গ্রামসভার পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী হাতেম মোল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পানাপুকুরের বাসিন্দা হাতেম যখন বাড়ি ফিরছিলেন তখন তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চলে। হাতেমের ডান কান ছুঁয়ে গুলি বেরিয়ে যায়। কোনও রকমে প্রাণে বাঁচেন হাতেম। একইসঙ্গে ওই এলাকার পঞ্চায়েত সমিতিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী এক তৃণমূল প্রার্থীর (Panchayat Vote)র বাড়ি লক্ষ্য করেও ব্যাপক বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ। দুটি ঘটনাতেই নাম জড়িয়েছে আইএসএফ-এর। হাতেমকে উদ্ধার করে জিরেনগাছা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। ঘটনার খবর পেয়েই কাশীপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। যদিও এই ঘটনার দায় অস্বীকার করেছেন আইএসএফ নেতারা। রাজ্যে লাগামছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে উঠলেও ভাঙড়ে আবার উলট পুরাণ! এখানে খোদ শাসকদল অভিযোগ করছে আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জহিরুল মোল্লা বলেন, ‘‘হাতেমের কান ছুঁয়ে গুলি বেরিয়ে গিয়েছে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।’’ আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগও তোলেন জহিরুল।

    ভাঙড় নিয়ে কী বলছেন নওশাদ?

    অন্যদিকে, মঙ্গলবার বারুইপুর সংশোধনাগার থেকে জামিনে মুক্ত ১২ জন আইএসএফ সমর্থককে স্বাগত জানাতে যান নওশাদ সিদ্দিকি। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, ‘‘১৪৪-এর অজুহাতে আমাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমাকে আটকে রাখতে পারবে না। আমি ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালতের মাধ্যমে আমি সেখানে ছাড়পত্র পাব।’’ নওশাদের কথায়, ‘‘আমায় ১৪৪ ধারার কথা বলে যে ভাবে আটকাচ্ছে (পুলিশ), তাতে আমি রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, স্পিকার স্যার (বিধানসভার স্পিকার)—সমস্ত দফতরকে জানিয়েছি। এর পর যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মেনে আমি কেন্দ্রের দ্বারস্থ হব। আমার লক্ষ্য, ভাঙড়ে শান্তিপ্রতিষ্ঠা করা।’’ ভাঙড়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে নওশাদ বলেন,‘‘ভাঙড়ের মানুষকে যে ভাবে অশান্তির মধ্যে রাখার চেষ্টা হচ্ছে সেটাকে প্রতিহত করে, সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন যাতে ভাঙড়বাসী করতে পারেন সেটা ব্যবস্থা করব আমি। যারা শান্ত ভাঙড়বাসীকে অশান্তির মধ্যে রেখেছিল, আতঙ্কের মধ্যে রেখেছিল, যারা ভাঙড়কে রাজনৈতিক উত্তাপের (Panchayat Vote) শিরোনামে নিয়ে গেল, সেই সমস্ত রাজনীতির কারবারীদের আমি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ঘুমোতে দেব না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: “এই হিংসা পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা”! দেগঙ্গা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    North 24 Parganas: “এই হিংসা পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা”! দেগঙ্গা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের পর দিনই দিল্লি যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেখানে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন। ভোট গণনার দিন সকালেই রাজ্যে ফিরে আসেন রাজ্যপাল। ভোট-হিংসার বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে একের পর এক সন্ত্রাসের ঘটনার পর এবার রাজ্যে এল বিজেপির ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি’ বা তথ্য অনুসন্ধানকারী দলের ৫ মহিলা সাংসদ। মঙ্গলবার আক্রান্ত উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলা পরিদর্শন করলেন টিমের সদস্যরা।

    ৫ মহিলা সাংসদের টিম

    ভোটে বেলাগাম সন্ত্রাস দেখতে মঙ্গলবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন বিজেপির ৫ মহিলা সাংসদ। বিজেপির মহিলা কর্মীদের উপর অত্যাচারের ‘তদন্তে’ এবার তাঁরা। বাংলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ৫ মহিলা সাংসদ রিপোর্ট দেবেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডাকে। ভোটে বিজেপি কর্মীদের উপরে অত্যাচারের চিত্র আজ দেগঙ্গায় (North 24 Parganas) খতিয়ে দেখল এই মহিলা টিম।

    তথ্য অনুসন্ধানকারী মহিলা টিমের বক্তব্য

    ৫ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম দেগঙ্গার (North 24 Parganas) গিলাবাড়ি, দাসপাড়া, হাদিপুর কলোনি এবং কালীতলা অঞ্চলের আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের গ্রাম পরিদর্শন করেন। সেখানে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন আক্রান্তদের সঙ্গে। এই পাঁচ সদস্যের টিমকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিজেপির আক্রান্ত পরিবারের লোকজন। দীর্ঘক্ষণ পরিবারের সাথে কথা বলার পর টিমের সদস্যরা বলেন, বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে এই রাজ্যের মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই টিমের পক্ষ থেকে বলা হয়, পঞ্চায়েতে মানুষের ভোটে তৃণমূল ক্ষমতায় আসেনি, ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করে ক্ষমতায় এসেছে। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছি আমরা। এই বিষয়ে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে রিপোর্ট পেশ করব। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখালে পার্টি বরদাস্ত করবে না। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে টিম জানায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে কাজের কোনও মিল নেই। পশ্চিমবঙ্গের এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি রয়েছে তা গোটা দেশে নেই। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। প্রত্যেকটি বিজেপি কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করে সন্ত্রাস চালানো হয়েছে। বাদ যায়নি বাড়ির মহিলারা পর্যন্ত। এই হিংসা পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ভোটার ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, তৃণমূল প্রার্থী জিতলেন ১০৮৬ ভোট পেয়ে!

    Panchayat Election 2023: ভোটার ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, তৃণমূল প্রার্থী জিতলেন ১০৮৬ ভোট পেয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারের পঞ্চায়েত ভোট (Panchayet Election 2023) নানা মজার ঘটনার সাক্ষী। ভোট লুট করার জন্য যে কত অভিনব পন্থা অবলম্বন করা যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। সিপিএমের সায়েন্টিফিক রিগিংকে তৃণমূল নিয়ে গিয়েছে উন্নততর রিগিংয়ে। তাই তো ভোটের পরও বিভিন্ন জায়গায় মিলছে গোছা গোছা ব্যালট। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, মঙ্গলবার সিল করা ব্যালট বাক্সও পাওয়া গেছে, যেখানে তৃণমূল প্রার্থীকে ইতিমধ্যেই জয়ী ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, ভোট গণনাই যেখানে হয়নি, সেখানে একজন প্রার্থী জয়ী হলেন কী করে? এসব নিয়ে একাধিক মামলাও হচ্ছে হাইকোর্টে। এবার এমন ঘটনা সামনে এল, যা রীতিমতো অবাক করার মতো। সোনারপুরে একটি বুথে মোট ভোটারের থেকে প্রায় দেড়গুণ ভোট পেয়ে জিতে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী। এ নিয়ে ফের হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

    কী ঘটেছে (Panchayet Election 2023)?

    দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সোনারপুর ব্লকের প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের একের পর এক বুথের ব্যালট বক্সের ব্যালট পেপারের (Panchayet Election 2023) হিসাব মিলছে না বলে অভিযোগ তুললেন বিরোধীরা। তার মধ্যে ২০১ এ ২০১ বি- এই দুটি বুথের দুজন বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, বুথের যা মোট ভোটার, তার চেয়ে প্রায় দেড়গুণের মতো ভোট কীভাবে পেয়ে জিতে গেল শাসকদলের প্রার্থী? তাই ওই বুথে পুনরায় ভোটের দাবি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা প্রথম জিতে গিয়েছিলেন। পরে তাঁদের মেরেধরে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। পরে ঘোষণা করা হল, ওই দুটি বুথে তৃণমূল প্রার্থী বিজয়ী।

    কী অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীদের (Panchayet Election 2023)?

    ২০১ এ-র বিজেপি প্রার্থী আলোমতি হালদার (সরদার) জানান, তাঁর বুথের (Panchayet Election 2023) ভোটার সংখ্যা হল ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, সেখানে ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল প্রার্থী ১০৮৬ ভোট পেয়ে জিতে গিয়েছেন। অন্যদিকে ২০১ বি বুথের বিজেপির প্রার্থী অষ্টম কুমার নস্কর জানান, তাঁর বুথের ভোটার ৭২০, ভোট পড়েছে ৬১৪ সেখানে তৃণমূল প্রার্থী ১০৮৪ ভোট পেয়ে জিতে গেছেন। এই দুই প্রার্থীর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে বাইরে থেকে ব্যালট পেপারে ছাপ মেরে ব্যালট বক্সে দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁরা আদালতের শরণাপন্ন হবেন নতুন করে ভোটের দাবি নিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি হারাতে পারলে আপনারাও পারবেন, বললেন শুভেন্দু

    South 24 Parganas: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি হারাতে পারলে আপনারাও পারবেন, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় মগরাহাট (South 24 Parganas) উড়াল চাঁদপুর এলাকায় দলীয় কর্মীদের সাথে দেখা করতে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মগরাহাটের একাধিক জায়গায় বিজেপির দলীয় কর্মীদেরকে মারধর করা হয়েছে, বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এলাকায় আক্রান্ত সমস্ত দলীয় কর্মীদের সাথেই আজ দেখা করার পাশাপাশি তাঁদের আশ্বস্ত করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।

    মগরাহাটে কী বললেন শুভেন্দু (South 24 Parganas)?

    রাজ্যে শাসক দল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোট যেমন লুট করেছে, তেমনি লুটের পর গণনায় চুরি করে হুমকি দিয়ে সন্ত্রাস চালিয়েছে সমগ্র রাজ্যে। বিজেপি প্রার্থী এবং কর্মীদের বাড়িতে রাজনৈতিক হিংসাত্মক আক্রমণ করেছে বলে অভিযোগ। শুভেন্দু অধিকারী আজ সকালে মগরাহাটে (South 24 Parganas) গিয়ে, এই এলাকার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সেলিম লস্কর, মগরাহাট থানার ওসি আব্দুল সামাদ আনসারী এবং বিডিও শেখ আব্দুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি আরও বলেন, গোটা মগরাহাট জুড়ে ভোটের সন্ত্রাস চলেছে, ভোট লুট করা হয়েছে। এই লুণ্ঠনে সরকারি আমলারা তৃণমূলের এজেন্ট হয়ে কাজ করেছেন।

    শুভেন্দু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি যখন হারাতে পেরেছি আপনারাও পারবেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে লড়াই করতে হবে। অত্যাচারীদের ভয় সারা জীবন থাকবে না! এই হিংস্র সরকারের পতন অবশ্যম্ভাবী। ওরা বাইক বাহিনী নিয়ে আক্রমণ করবে, মাথায় বন্দুক, পিস্তল ঠেকাবে। কিন্তু আমাদের সাহস রাখতে হবে। সাহস আর বিশ্বাস রাখুন, বিজেপি আপনাদের পাশে আছে। কেন্দ্র কোনও টাকা আটকায়নি, কেন্দ্র তৃণমূলের চুরি আটকেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সিপিএম এখানে শাসক দলের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আর অপর দিকে এই সিপিএমের পলিটব্যুরো নেতৃত্ব সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মিটিং করছেন। সিপিএম এবং তৃণমূল পয়সার এপিঠ আর ওপিঠ। আর তাই রাজ্যে এই সন্ত্রাসকে মুক্ত করতে গেলে একমাত্র দল বিজেপিকেই ক্ষমতায় আসতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সামশেরগঞ্জে গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ উদ্ধার ব্যালট!

    Murshidabad: সামশেরগঞ্জে গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ উদ্ধার ব্যালট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই সর্বত্র গণনার ব্যালট পড়ে থাকার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিরোধীরা বার বার গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। এবার সামশেরগঞ্জের (Murshidabad) গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ ব্যালট পেপার উদ্ধার হওয়ায় জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য।

    কীভাবে পাওয়া গেল ব্যালট (Murshidabad)?

    মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জ থানার জয়কৃষ্ণপুর এবিএস বিদ্যাপীঠ সংলগ্ন এলাকায়। স্কুলের পিছনে পাটের জমি থেকে ব্যালট পেপার উদ্ধার হয়। সেই সঙ্গে স্কুলের ভিতরের ডাস্টবিন থেকে কিছু আগুনে পোড়া ব্যালট উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

    ঘটনাস্থলে কংগ্রেস কর্মীরা

    ব্যালট উদ্ধারের খবর পেয়ে বিদ্যাপীঠে ছুটে আসেন সামশেরগঞ্জ (Murshidabad) ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি ইমাম শেখ, চার নম্বর জেলা পরিষদের কংগ্রেসের সদস্য আনারুল হক বিপ্লব, ৬ নম্বর জেলা পরিষদের কংগ্রেসের পরাজিত প্রার্থী আয়েশা জুলেখা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই নির্বাচনে তৃণমূলকে জয়ী করতে নকল ব্যালট পেপার ছাপিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে সকল দুর্নীতির মধ্যে ভোট চুরিও একটা বিশেষ দুর্নীতি। নির্বাচনে বিডিওরা পুরোপুরি তৃণমূলের এজেন্ট হয়ে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেসের এই নেতারা। এই ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিডিও’র বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কংগ্রেসের এই নেতৃবৃন্দ।

    গণনার পরেও কীভাবে যত্রতত্র ব্যালট?

    ফলাফল ঘোষণা হয়ে গেছে। কিন্তু গণনা কেন্দ্রগুলিতে এখনও ব্যালট পেপার পড়ে থাকার ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। শুধু তাই নয়, হাইকোর্ট পর্যন্ত জল গড়িয়েছে। হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় এই ধরনের গণনার ব্যালট পেপার পড়ে থাকা নিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন আধিকারিক বিডিওর বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি। অপর দিকে গতকাল এবং আজ নদিয়ার ধানতলা ও কৃষ্ণগঞ্জের নির্বাচনী বুথের স্কুলেও গণনার ব্যালট উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিরোধীরা বলেছেন, যেখানেই ব্যালট উদ্ধার হবে সেখানেই অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share