Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • BJP: ভোটে হার তৃণমূল প্রার্থী স্ত্রীর, বিজেপি কর্মী বাবাকে খুন করার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

    BJP: ভোটে হার তৃণমূল প্রার্থী স্ত্রীর, বিজেপি কর্মী বাবাকে খুন করার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল ঘোষণার পর স্ত্রী হেরে যেতেই বাবাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার বামনগোলা ব্লকের মদনাবতীর কয়নাদিঘি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম বুরন মুর্মু। তিনি বিজেপি (BJP) কর্মী হিসেবে পরিচিত। অভিযুক্ত ছেলের নাম বিপ্লব মুর্মু। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    বাবাকে কেন খুন করল ছেলে?

    অভিযুক্ত বিপ্লবের বউ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। পঞ্চায়েত ভোটে বউয়ের হারের পর যাবতীয় রাগ গিয়ে পড়ে বাবার উপর। আর তার জেরেই বাবাকে গলায় দড়ি দিয়ে  ঝুলিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে।  এই ঘটনায় জানাজানি হতেই কয়নাদিঘি গ্রামে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিপ্লব মুর্মুর স্ত্রী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৯ নম্বর বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। কিন্তু, বাবা বিজেপি (BJP) প্রার্থীর হয়েই খাটছিলেন। বউমাকে জেতানোর জন্য কোনও চেষ্টা করেননি বলে অভিযোগ। প্রকাশ্যে বিজেপি প্রার্থীকে জেতানোর জন্য় সবরকম চেষ্টা করেন। ফলে, ভোটের আগে থেকেই বাবার এই আচরণ ভালভাবে মেনে নেননি বিপ্লব। তবুও, ভোটের ফলাফলের জন্য তিনি অপেক্ষা করেছিলেন। আর ভোটের ফলাফল ঘোষণা হলে দেখা যায় ওই বুথে জয়লাভ করেছেন বিজেপি প্রার্থী। তারপর থেকেই বাবা বুরন মুর্মুর ওপর যাবতীয় আক্রোশ গিয়ে পড়ে ছেলে বিপ্লবের। অভিযোগ, সেই আক্রোশের বশেই নিজের বাবাকে খুন করে দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়েছে। যদিও খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Paschim Medinipur: রাতের অন্ধকারে পরকীয়া! তৃণমূল নেতাকে গাছে বেঁধে মার, মাথায় ঢালা হল ঘোল

    Paschim Medinipur: রাতের অন্ধকারে পরকীয়া! তৃণমূল নেতাকে গাছে বেঁধে মার, মাথায় ঢালা হল ঘোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরকীয়া করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) এক তৃণমূল নেতা। গভীর রাতে, গ্রামের মানুষজন এই তৃণমূল নেতা এবং গৃহবধূ যুগলকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার মাথায় ঘোল ঢালা হয়েছে বলে জানা যায়। দীর্ঘক্ষণ পর খবর পেয়ে দাসপুর থানার পুলিশ এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায় ওই যুগলকে।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Paschim Medinipur)?

    ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার (Paschim Medinipur) দাসপুর ১ নম্বর ব্লকের নিজনাড়াজোল গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্ডীপুর এলাকায়। জানা যায়, চন্ডীরপুর এলাকার তৃণমূল নেতা অনন্ত দোলই, গ্রামের এক বছর ২৬ এর গৃহবধুর সাথে পরকীয়া করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দু’জনই পরিবার থাকা সত্ত্বেও এই পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে!। এরপর সেই পরকীয়ার জন্য গ্রামে এক গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রথমে উত্তম-মধ্যম দেওয়া হয় এবং এরপর তৃণমূল নেতার মাথায় ঘোল ঢেলে দেয় গ্রামের মানুষজন। আর সেই দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করে অনেকেই ছবি সহ ভিডিও সামজিক মাধ্যমে আপলোড করে দেয়। মুহূর্তেই সেই ভিডিও ভাইরাল হতে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়াতে। শাসক দলের নেতার এই আচরণে এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়ে গেছে।

    ভিডিওতে কী রয়েছে?

    ভিডিওটি ৪৮ সেকেন্ডের। গোটা ভিডিওটি রাতের অন্ধকারে করা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে গাছের এক দিকে তৃণমূলের ওই নেতাকে দড়ি দিয়ে বাঁধা রয়েছে এবং ঠিক গাছের উল্টো দিকে আরেকটি দড়ি দিয়ে বিবাহিত ওই মহিলাকে বাঁধা রয়েছে। মহিলা নিজের মুখ চুল দিয়ে ঢেকে রেখেছে এবং তৃণমূল নেতার মাথায়, শরীরে ঘোলের অবশেষ লেগে রয়েছে। পাশ থেকে এক গ্রামবাসীকে বলতে শোনা যায়, কেন অন্যের বৌকে নিয়ে পরকীয়া করছো! উত্তরে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার (Paschim Medinipur) কোনও বক্তব্য শোনা যায়নি। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: ভিডিও কলে আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল, চাপে পড়ে আত্মঘাতী যুবক

    Raiganj: ভিডিও কলে আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল, চাপে পড়ে আত্মঘাতী যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও কলের ফাঁদে পা। তারপরই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার নাম করে ব্ল্যাকমেল। এই ব্ল্যাকমেলের চাপেই আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। এমনই অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকা জুড়ে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ (Raiganj) শহর লাগোয়া শীতগ্রাম পঞ্চায়েতের ইকর গ্রামে। পুলিশের কাছে ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন গ্রামবাসীরা। ইতিমধ্যেই একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করার পাশাপাশি ওই যুবকের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত যুবকের নাম সুশান্তচন্দ্র দাস। তিনি রায়গঞ্জের (Raiganj) একটি শপিং মলে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার কাজ থেকে বাড়ি ফিরে রাতের খাবার খেয়ে সাধারণ ভাবেই শুতে গিয়েছিলেন। শনিবার শোওয়ার ঘরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সুশান্তর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। খবর দেওয়া হয় রায়গঞ্জ থানার পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবার লোকজনের বক্তব্য, মৃত ওই যুবকের ফোনে এদিন সকাল সাড়ে ৮ টার পর থেকে লাগাতার অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসতে থাকে। সেই ফোন ওই মৃত যুবকের পরিবারের লোকেরা ধরলে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে হিন্দিভাষী কেউ ৪-৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলে। অন্যথায় এক মহিলার নগ্ন ভিডিও কলের সঙ্গে ওই যুবকের ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই মৃত যুবকের মোবাইল ঘেঁটে ওই রকম একটি ফেক এডিট করা ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। যেই ভিডিও যুবককে একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে কেউ পাঠিয়েছিল। এর পরেই আরও দেখা যায় মৃত যুবক দেড় হাজার টাকা ওই নম্বর পাঠিয়েছিলেন। এই সব কিছু দেখেই আমাদের মনে হচ্ছে, ভিডিও কলের মাধ্যমেই ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল যুবককে। আর ব্ল্যাকমেলের চাপে পড়েই আত্মহত্যা করেছে ওই যুবক।

    এই ঘটনা নিয়ে কী বললেন এক সমাজকর্মী?

    রায়গঞ্জের (Raiganj) সমাজকর্মী তথা শিক্ষক মৃণালকান্তি সিংহ বলেন, এই ধরনের ঘটনা মাঝে মাঝেই সামনে আসছে৷ বেশিরভাগ সময় লজ্জায় কেউ মুখ ফুটে কারও সাহায্য চাইতে পারেন না। ফলে, এইরকম সব মর্মান্তিক ঘটনা সামনে আসে। আমরা বলব, এই রকম ফাঁদ এড়িয়ে চলাই ভালো। আর যদি কেউ ভুল করে ফাঁদে পা দিয়েও ফেলেন, তবে দ্রুত পুলিশ-প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া উচিত। এখন সব জায়গায় সাইবার ক্রাইম থানা আছে। আর সাইবার ক্রাইম পুলিশ এই বিষয়গুলিতে ভালো কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: অভিষেকের কাছে নালিশের জন্য দলীয় কর্মীকে বেধড়ক মার, গ্রেফতার অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    TMC: অভিষেকের কাছে নালিশের জন্য দলীয় কর্মীকে বেধড়ক মার, গ্রেফতার অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) কর্মী ও তাঁর স্বামীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশিস দে ও তাঁর অনুগামী আর এক তৃণমূল নেতা দোলন প্রামাণিকের বিরুদ্ধে। বাঁকুড়ার ওন্দা থানা এলাকার রামসাগরের ঘটনা। আক্রান্ত কর্মীরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল নেতা আশিস দে সহ  দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শনিবার আদালতে তোলা হলে বিচারক দুজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    তৃণমূল (TMC) নেতার হামলা চালানোর কারণ কী?

    প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী নামে আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মী ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিস দে-কে করোনা মহামারির সময় ‘কাজ দেওয়ার নাম করে প্রায় ৯৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। তারপর সেখানে তিনি প্রতারিত হন। এবিষয়ে তিনি পুলিশেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনা তিনি বৃদ্ধার ছদ্মবেশে ওন্দায় গত ১২ এপ্রিল মাসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আশিস দে কে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার এবং শাস্তির দাবি জানিয়েছিলেন। সেই নালিশের বদল নিতেই পরে গত ১২ জুলাই ওন্দার রামসাগর বাজারে তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী ও বন্ধুরা মিলে পিকনিক করছিলেন। সেই সময় তৃণমূল নেতা আশিস দে, দোলন প্রামাণিক সহ অন্যান্যরা তাদের উপর হামলা চালায়। পরে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মী?

    প্রিয়ঙ্কা গোস্বামী বলেন, আশিস দে অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ। এই ধরনের মানুষ দলে থাকলে মানুষ আমাদের দল করবে না। অভিষেকের কাছেই সেটা নালিশ জানিয়েছিলাম। তাই, ওরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।

    কী বললেন ধৃত তৃণমূল (TMC) নেতা?

    ধৃত ওন্দা ব্লক তৃণমূলের (TMC) সাধারণ সম্পাদক আশিস দে’ বলেন, প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী ও তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন। ওই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনভাবেই যুক্ত নই। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক ?

    প্রসঙ্গত, এই আশিস দে এবার ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতির  রামসাগরের ৩৫ নম্বর আসনে ভোটে তৃণমূল (TMC) প্রার্থী হিসেবে লড়াই করে বিজেপি অঞ্জন নাগ চৌধুরির কাছে ৭৮৯ ভোটে হেরেছেন। এই দুর্নীতিবাজ নেতার ওপর মানুষের আস্থা নেই তা প্রমাণ হতেই আশিস দে কে গ্রেফতারের পথে হাঁটল বলে এলাকার রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। এদিকে ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা বলেন এই আশিস দে- কে আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল। এতদিন পর প্রশাসনের শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “আমতাকে বগটুই করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আমতাকে বগটুই করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় তৃণমূলের তাণ্ডব দেখল হাওড়ার আমতার মানুষ। শনিবার আমতা সেই কাঁকরোল গ্রামে তৃণমূলের সন্ত্রাসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এক সপ্তাহের মধ্যে জয়পুর থানা ঘেরাও করার ডাক দিলেন তিনি। দলের দুই প্রার্থীদের সঙ্গে তিনি কথা বললেন। একইসঙ্গে পরিবারের বাচ্চাদের বই কেনার জন্য এবং কিছুটা পরিবারের আর্থিক সমস্যা সামলে নেওয়ার জন্য তাঁদের কিছুটা আর্থিক সাহায্য করলেন তিনি।

    বিরোধী দলনেতাকে (Suvendu Adhikari) কী বললেন আক্রান্তরা?

    প্রসঙ্গত,বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আমতার  জয়পুর থানার অমরাগোড়ী অঞ্চলের  কাঁকরোল গ্রামে দুই মহিলা বিজেপি প্রার্থীর ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। একটি দোকান সহ মোট ৬টি ঘর সম্পূর্ণ  ভস্মীভূত হয়ে যায়। ভোটের ফল বের হওয়ার পর পরই শুরু হয় তৃণমূলীদের তাণ্ডব। ঘটনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে রয়েছেন আক্রান্ত পরিবারের লোকজন। এদিন গ্রামে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আক্রান্ত পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করতে যান। তাঁকে সামনে পেয়ে পায়ে ধরে বিচারের আকুতি জানান আক্রান্তরা। আক্রান্তদের সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

    আমতাকে বগটুই করার চেষ্টা তৃণমূলের, অভিযোগ বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari)?

    বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, আমতায় আরও একটা বগটুই করার চেষ্টা হয়েছে। কপাল ভাল, তাই অত বড় ক্ষতি হয়নি। শীঘ্রই এ নিয়ে আইনি লড়াইয়েও নামা হবে। সুর চড়ালেন শাসকদলের বিরুদ্ধে। আওয়াজ তুললেন ছাপ্পা ভোট, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়েও। তিনি বলেন, বিজেপি করার অপরাধে কী করেছে দেখুন। আমি এদের নিয়ে সোমবার রিট-পিটিশন দাখিল করব।

    গ্রামবাসীদের নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    এদিকে শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari)  কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন আক্রান্ত পরিবারের লোকজনেরা। ছুটে আসেন গ্রামবাসীরাও। তাঁদের দেখিয়েই শুভেন্দু বলেন, গোটা গ্রাম আজ এসেছে। আমরা কাউকে ডাকিনি। এদের ভোট লুট হয়ে গিয়েছে। এদের কাউকে কাউন্টিংয়ের দিন ঢুকতে দেয়নি। প্রহসনের ছাপ্পার পঞ্চায়েত ভোট হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: বাড়ি কিনে তোলাবাজির মুখে শিক্ষক, ৫ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় বাড়িতে তাণ্ডব, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলার

    TMC: বাড়ি কিনে তোলাবাজির মুখে শিক্ষক, ৫ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় বাড়িতে তাণ্ডব, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বাড়ি কিনেছেন। আর কাউন্সিলারের কাছে নজরানা পাঠাননি। এটাই পানিহাটি পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোমনাথ সর্দারের অপরাধ। পেশায় শিক্ষক সোমনাথবাবু এত সব নিয়ম জানতেন না। তাই, বাড়ি কেনার পর পরই স্থানীয় তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারের কাছে থেকে তাঁর কাছে ৫ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে ফোন আসে বলে অভিযোগ। সেই টাকা না দিলে তার বাড়িতে তাণ্ডব চালায় হয় বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  সোমনাথ সর্দারের বাবা অসুস্থ। বাড়িতে সদ্যোজাত সন্তান রয়েছে। পরিবারের আরও অনেক সদস্যদের সামনে তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারের অনুগামীরা চড়াও হন। এর আগে ১০ জুলাই কাউন্সিলারের ছেলেরা চড়াও হয়েছিলেন। এবার চড়াও হয়ে বাড়ির লোকজনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। ৫ লক্ষ টাকা অবিলম্বে কাউন্সিলারে কাছে পৌঁছে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। পরে, সোমনাথবাবু থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    কী বললেন অভিযোগকারী শিক্ষক?

    সোমনাথবাবু বলেন, নতুন বাড়ি কেনা কী আমার অপরাধ? আমার কাছে থেকে ৫ লক্ষ কাউন্সিলারের লোকজন দাবি করছে। তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার নিজে ফোন করে দেখা করতে বলছে। আর দাবি মতো ৫ লক্ষ টাকা দিতে রাজি হয়নি বলে ওরা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। বাড়ির ভিতরে তাণ্ডব চালায়। আমার ভাইকে মারধর করেছে। আমার অসুস্থ বাবাকে শারীরীকভাবে হেনস্থা করা হয়। এই ঘটনার পর চরম আতঙ্কে রয়েছি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারের কী বক্তব্য?

    অন্যদিকে, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার হিমাংশু দেব। তিনি উল্টে অভিযোগ করেন, সোমনাথবাবু তাঁর শ্বশুর ও শালির কাছ থেকে ১৭ লক্ষ টাকা নিয়ে না দেয়নি। শুধু তাই নয় একজন বিধবা মহিলার কাছ থেকে স্থানীয় ক্লাবের নাম করে ৫ লাখ টাকা তিনি নিয়েছেন। সকলেই আমার কাছে জানিয়েছে। অখন তিনি নিজে এসব ঘটনা জড়িয়ে রয়েছেন বলে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির  উত্তর কলকাতা শহরতলির জেলার সহ-সভাপতি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়  বলেন, এই ঘটনা নতুন নয়। গোটা রাজ্যজুড়েই এমন চলছে। মানুষকে  ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষ যেন ভয় না পেয়ে প্রতিবাদ করে, রাস্তায় বেড়িয়ে এসে সকলকে একসঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Soil Smuggling: আরামবাগে অবৈধ মাটি পাচার! সব জেনেও চুপ প্রশাসন, অভিযোগ স্থানীয়দের

    Soil Smuggling: আরামবাগে অবৈধ মাটি পাচার! সব জেনেও চুপ প্রশাসন, অভিযোগ স্থানীয়দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাটি মাফিয়াদের (Soil Smuggling) দৌরাত্ম আরামবাগে। কখনও রাতের অন্ধকারে আবার কখনও প্রকাশ্য দিবালোকে জেসিবি মেশিন দিয়ে পুকুর থেকে কাটা হচ্ছে মাটি। আর সেই মাটি পাচার হয়ে যাচ্ছে অন্যত্র।
    এমনকি মাফিয়াদের (Soil Smuggling) দৌরাত্ম্যর কারণে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন এলাকার মানুষ। ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাননি পুলিশ ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরাও। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখা ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন আরামবাগ এসডিও। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সব কিছু জানা সত্ত্বেও পুলিশ কেন চুপ রয়েছে? 

    সব জানা সত্ত্বেও কেন চুপ প্রশাসন? প্রশ্ন স্থানীয়দের

    আরামবাগের মাধবপুর পঞ্চায়েতের পাশেই একটি বিশালাকার পুকুর। সেই পুকুর থেকেই দিনের পর দিন মাটি (Soil Smuggling) কেটে পাচার করার অভিযোগ গ্রামবাসীদের। সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই চলছে অবৈধ পাচার কাজ। শনিবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকরা যেতেই মাটি মাফিয়ারা হুমকি দিতে শুরু করে। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে শুরু করলে, প্রথমে দূর থেকেই ছবি না তোলার হুমকি আসতে থাকে। তাও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। ছবি তোলা শুরু হতেই এলাকা থেকে ট্রাক্টর ও জেসিবি মেশিন নিয়ে পালাতে শুরু করে মাফিয়ারা। যদিও এক মাটি পাচারকারী, অভিযোগ স্বীকার করে নেয়। মাটি কাটার কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলেও সব দফতরই নাকি এই অবৈধ মাটি পাচারের কথা জানে বলে জানান তিনি। বিরোধীরা এখানেই প্রশ্ন তুলছে, সব জেনেও কেন কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না ভূমি সংস্কার দপ্তর?

    কী বলছে বিজেপি-তৃণমূল?

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক তথা পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, ‘‘তৃণমূলের ঝুড়িতে অনেক শিরোপা দেখেছেন এটাও একটা শিরোপা! এর আগে দেখেছেন গরু চুরি, কয়লা চুরি, বালি চুরি, পাথর চুরি এবার মাটি চুরি (Soil Smuggling)। মাধবপুর থেকে তৃণমূলের নেতাদের মদতে মাটি চুরি চলছে আর এই চুরির টাকায় বিরোধী বিজেপি নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। এলাকার সন্ত্রাস করছে।’’ তৃণমূলের আরামবাগ ব্লক সভাপতি পিসি সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘বিষয়টি আপনাদের মুখ থেকে শুনছি আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।’’ এবিষয়ে আরামবাগ এসডিও শুভাষিনী ই বলেন, ‘‘এই অভিযোগটা আগেও এসেছিল আমি ভূমি দফতরকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Diarrhea: ডায়রিয়ার থাবায় গোটা গ্রাম! মৃত ১, অপরিশ্রুত পানীয় জলকেই দূষছেন স্থানীয়রা

    Diarrhea: ডায়রিয়ার থাবায় গোটা গ্রাম! মৃত ১, অপরিশ্রুত পানীয় জলকেই দূষছেন স্থানীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের মধ্যেই  ডায়রিয়ার (Diarrhea) হানা। আক্রান্ত আস্ত একটি গ্রাম। বোলপুর সংলগ্ন সিয়ান- মুলুক আদিবাসী অধ্যুষিত বেরুগ্রামে ডায়রিয়ার প্রকোপে কমবেশি ২৫০ জন অসুস্থ বলে জানা গিয়েছে। আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। তাঁদের মধ্যে ৩০ জনের বেশি বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ডায়রিয়ার (Diarrhea) প্রকোপে মৃত ১

    গ্রামবাসীদের দাবি, পানীয় জলের কোনও ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে জার্মান প্রকল্প এবং টিউবওয়েলের বেশ কয়েকটি কল থাকলেও সেগুলি অচল। পানীয় জল নিয়ে আসতে হয় তিন কিলোমিটার দূর থেকে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই জিবা কিস্কু (৬০) নামের এক গ্রামবাসী মারা গিয়েছেন। অপরিশ্রুত পানীয় জল থেকেই এই রোগ ছড়িয়েছে বলে ধারনা গ্রামবাসীদের। সোলার সিস্টেমের একটি জলের ব্যবস্থা থাকলেও প্রায় দিনই খারাপ হয়ে থাকে। স্থানীয় প্রশাসনকে বারংবার জানানো সত্বেও মেলেনি কোনও সুরাহা, এমনটাই অভিযোগ গ্রামবাসীদের। গ্রামবাসীদের অধিকাংশ আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এলাকা জুড়ে।

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বাড়তে থাকে প্রকোপ

    বৃহস্পতিবার সকালের পর থেকেই ক্রমশ গ্রামে ডায়রিয়ার (Diarrhea) প্রকোপ বাড়তে থাকে বলে খবর। কারও বমি, মাথাব্যথা, কারও আবার পেট ব্যথা। চিকিৎসা চললেও প্রতিদিনই কোনও না কোনও আক্রান্তের খবর আসছেই।
    জনৈক গ্রামবাসী সুকুল সাহানি, সোমাই সোরেনরা বলছেন, ‘‘পানীয় জল থেকেই সমস্যা তৈরি হয়েছে। একাধিক জার্মান প্রকল্পের কল থাকা সত্ত্বেও সেগুলি অচল। টিউবওয়েল ব্যবহার করা অযোগ্য। বাধ্য হয়েই পাশের গ্রামে তিন কিলোমিটার অতিক্রম করে জল আনতে হয়। গোটা গ্রামই এখন আতঙ্কিত।’’ অন্যদিকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী রীতা কর্মকার বলেন, ‘‘২৭৪ নম্বর কেন্দ্রেও জল না থাকার কারণেই অসুবিধা সম্মুখীন হতে হচ্ছে। পাশের গ্রাম থেকে জল নিয়ে আসতে হয়। গোটা গ্রামই এখন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত।’’

    কী বলছেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক?

    যদিও মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রি আড়ি বলেন, ‘‘আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণ অথবা পানীয় জল থেকে এই ধরনের রোগ হতে পারে। অবশ্যই খবর নিয়ে দেখা হবে। ঘাবড়ানোর কিছু নেই। প্রয়োজনে আশা কর্মীদের দিয়ে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বোর্ড মিটিংয়ে ডাকেনি তৃণমূল, গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে বিজেপি কাউন্সিলারের অভিনব প্রতিবাদ

    BJP: বোর্ড মিটিংয়ে ডাকেনি তৃণমূল, গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে বিজেপি কাউন্সিলারের অভিনব প্রতিবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভার একমাত্র বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার। তাই, বোর্ড মিটিংয়ে না ডাকার প্রয়োজন মনে করেনি তৃণমূল। তৃণমূলের এই অপমান মুখ বুজে সহ্য করেননি আরামবাগ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ ঘোষ। তিনি অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানান। যা নিয়ে আরামবাগ শহর জুড়ে ব্যাপত চর্চা শুরু হয়েছে।

    কীভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি (BJP)  কাউন্সিলার?

    পুরসভার বোর্ড মিটিং এ ডাকা হয়নি তাঁকে বলে দাবি বিজেপির (BJP) এই কাউন্সিলারের। গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে পুরসভা চত্বরে ঘুরে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন তিনি। পুরসভায় বোর্ড মিটিং চলাকালীন গলায় প্ল্যাকার্ড পড়ে সারা পুরসভার বিভিন্ন দফতর ঘুরে ঘুরে তাঁর ক্ষোভের কথা সকলের কাছে তিনি পৌঁছে দেন তিনি। প্ল্যাকার্ডে লেখা রয়েছে, ‘বিরোধী দলের কাউন্সিলর হওয়ার সুবাদে আরামবাগ পুরসভার বোর্ড মিটিং-এ ডাকা হয়নি কেন? জবাব চাই জবাব দাও।’

    কী বললেন বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার?

    এবারের পুর নির্বাচনে ১৯ টি ওয়ার্ডের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১৮ টি এবং বিজেপি পেয়েছে ১ টি ওয়ার্ড। বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, পুর বোর্ড যেদিন থেকে গঠন করা হয়েছে, তারপর থেকে যত বোর্ড মিটিং হয়েছে কোনওটাতেই আমাকে ডাকা হয়নি। পাশাপাশি পুরসভার সভাকক্ষে  শুক্রবার বোর্ড মিটিং হয়েছে। সেখানে ১৮ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা থাকলেও আমাকে ডাকা হয়নি।  তারই প্রতিবাদে এদিন অভিনব প্রতিবাদ জানালাম।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এই প্রসঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। ডাকা হয়নি নয়, তিনি আসেন না বোর্ড মিটিংয়ে। না এসে আপনাদের কাছে যাচ্ছে, গিয়ে এইসব বলছে। প্রসঙ্গত, পুরবোর্ড গঠনের পর অনেক ক্ষেত্রেই পুরসভার কাজ থেকে বিরোধী কাউন্সিলারদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠে আসে বিভিন্ন জেলা থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই পুরসভার কোনও জনহিতকর না গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিরোধী কাউন্সিলরের মতামত নেওয়া হয় না, বিরোধীদের বোর্ড মিটিংয়ে ডাকা হয়না বলে অভিযোগ করা হয়। সেরকমই এক অভিযোগ এবার দেখা গেল আরামবাগ পুরসভাতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: খেলনা ভেবে খেলতে গিয়ে সালারে বোমা বিস্ফোরণে জখম দুই শিশু

    Bomb Blast: খেলনা ভেবে খেলতে গিয়ে সালারে বোমা বিস্ফোরণে জখম দুই শিশু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেলনা ভেবে একটি কৌটো নিয়ে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) জখম হল হল দুই শিশু। শনিবার সকালে ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার সালার থানার কাগ্রাম অঞ্চলের বাবলা গ্রামে। জখমদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ওই গ্রামেরই বাসিন্দা সাহিল শেখ এবং সাকিব শেখ নামে দুই শিশু বাড়ির কাছেই খেলা করছিল। রাস্তার পাশেই প্লাস্টিকে মোড়া কৌটো বোমা ছিল। তবে, কতগুলি বোমা ছিল তা জানা যায়নি। দুই শিশু সেটিকে খেলনা ভেবে কৌটো বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। বিস্ফোরণের  জেরে গুরুতরভাবে দুজন জখম হয়। দুজনকেই চিকিৎসার জন্য সালার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বাবলা গ্রামে প্রায় পাঁচটি কৌটো বোমা পড়েছিল। আর সেই কৌটো বোমাকে খেলনা ভেবে খেলতে যাই দুই শিশু। একটি কৌটো বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। বোমা বিস্ফোরণের পর থেকে ওই এলাকায় আরও চারটি কৌটো বোমা পড়ে আছে। ঘটনায় উত্তেজনা রয়েছে গোটা এলাকায়। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছই সালার থানার পুলিশ। সামগ্রিক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে ওই বোমাগুলি মজুত করে রেখেছিল তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    জখম শিশুর এক পরিবারের সদস্য বলেন, আক্রান্ত শিশু আমার ভাইপো। এভাবে যেখানে  সেখানে বোমা ফেলে রাখা অন্যায়। আরও হয়তো অনেক বোমা গ্রামে পড়ে রয়েছে। পুলিশ তল্লাশি করলে খুঁজে পাবে। আমাদের দাবি, যে বা যাদের জন্য আমাদের বাড়ির দুই সন্তান এভাবে জখম হল, তাদের আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share