Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • BJP Murder: দিনহাটায় বাড়িতে ঢুকে মায়ের সামনেই বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন!

    BJP Murder: দিনহাটায় বাড়িতে ঢুকে মায়ের সামনেই বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভর দুপুরে বাড়িতে ঢুকে মায়ের সামনে গুলি করে খুন করা হল বিজেপি নেতাকে (BJP Murder)। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের দিনহাটায়। নিহত বিজেপি নেতার নাম প্রশান্ত রায় বসুনিয়া। তিনি বিজেপির দিনহাটা-১ ব্লকের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি। জানা গেছে, প্রশান্তর বাড়ি পুঁটিমারি পঞ্চায়েতের শিমুলতলায়। প্রসঙ্গত, গত মাসেই কালিয়াগঞ্জে পুলিশের ছোড়া গুলিতে খুন হন বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় বর্মন। তারপর উত্তরবঙ্গে ফের খুন বিজেপি নেতা। এতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিজেপির কোচবিহার সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, ‘‘প্রশান্ত আমাদের দলের ২৩ নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কোচবিহার জেলা জুড়ে শাসকদলের সন্ত্রাস নতুন কিছু নয়। মারধর, হত্যা বাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি কর্মীদের এলাকাছাড়া করা- এসব প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’’

    কীভাবে ঘটল এই ঘটনা?

    জানা গেছে, শুক্রবার বেলার দিকে বাড়িতে খাটে বসেছিলেন প্রশান্ত। ঘরের সামনে বারান্দা। বারান্দার গেট তখন খোলা ছিল। আচমকাই কয়েকজন যুবক ঘরে ঢুকে মায়ের সামনেই তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে। গুলির শব্দে পরিবারের সদস্য এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। ততক্ষণে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রশান্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে সেখানেই মৃত (BJP Murder) বলে ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন: কালীঘাটের কাকু গ্রেফতার হতেই শহরে ইডি প্রধান! বড় কোনও অপারেশনের প্রস্তুতি?

    প্রশ্নের মুখে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা

    রাজ্যে বিজেপি কর্মী হত্যার (BJP Murder) ঘটনা বেড়েই চলেছে। গত মাসে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মী মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে বিনা অপরাধে খুন করার অভিযোগ ওঠে। পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জে গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিজেপি নেতার দেহ। এরপর আবার দিনহাটায় শুক্রবার ফের খুন করা হল বিজেপি নেতাকে। অর্থাৎ গত ১ মাসে খুন হলেন চার বিজেপি নেতা। প্রতি ক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসক দল।

    ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

     

    তিনি লেখেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুরোপুরি ব্যর্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে। এর দায় তাঁকে নিতেই হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nadia: অবাক কাণ্ড! অদৃশ্য ইটবৃষ্টি একাধিক বাড়িতে, ভয়ে সিঁটিয়ে বাসিন্দারা

    Nadia: অবাক কাণ্ড! অদৃশ্য ইটবৃষ্টি একাধিক বাড়িতে, ভয়ে সিঁটিয়ে বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলৌকিক ঘটনা, না এর পিছনে রয়েছে কোনও রহস্য? বুঝতে পারছেন না বাড়ির আবাসিকরা। কারণ, কারও বাড়ির টালির চালে, কারও আবার কাচের জানালায় ঢিল পড়ছে। কিন্তু, ঘর থেকে বেরিয়ে কারও হদিশ পাওয়া যাচ্ছে না। গত কয়েক দিন ধরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বল্লভি আচার্যপাড়া লেনে।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুরের এই পাড়ায় বহু বছর ধরে আট ঘর আচার্য পরিবার বসবাস করছে। যার সদস্য সংখ্যা প্রায় ৪০ জন। অভিযোগ, গত তিন-চারদিন ধরে ওই ৮টি বাড়ি লক্ষ্য করে কেউ বা কারা ইট ছুড়ছে। মাঝে মধ্যেই হচ্ছে ইটবৃষ্টি, তাও আবার দিনের বেলায়। ইটের আঘাতে এক শিশু সহ দুজন জখম হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, কে ইট ছুড়ছে, তা বোঝা যাচ্ছে না। বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হচ্ছে, সেটাই শুনতে পাচ্ছি। আশপাশের সব বাড়িতেই এই ঘটনা ঘটছে। বাড়ির ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের অন্যত্র রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। আমাদের দাবি, যে বা যারা এই কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নাহলে পরিবার নিয়ে বাড়িতে বসবাস করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠবে।

    কী বললেন স্থানীয় কাউন্সিলার?

    বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে যান এলাকার কাউন্সিলার পম্পা বিশ্বাস রাজবংশী। তিনি বলেন, “এটা অলৌকিক ঘটনা। আশ্চর্যজনক ভাবে আমি ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর আমার সামনেও হয় এই ইটবৃষ্টি। সবাইকে সাবধানে থাকতে বলেছি। কারও সঙ্গে শত্রুতার জন্য এই ঘটনা কি না, তা বুঝতে পারছি না। পুলিশ-প্রশাসনকে বলা হয়েছে। তারা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।” জানা গিয়েছে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছতেই পুলিশকে লক্ষ্য করেও ছোড়া হয় ইট। ইটের আঘাতে আহত হয় এক পুলিশ কর্মীও।

    কী বললেন শান্তিপুর বিজ্ঞান ক্লাবের সদস্য?

    শান্তিপুর বিজ্ঞান ক্লাবের সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। তবে, এতে অলৌকিক কিছু নেই। যেভাবে কয়েকটি বাড়ি লক্ষ্য করে এই ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে, তাতে পরিষ্কার, পরিকল্পিত ভাবেই এটা করা হচ্ছে। এর পিছনে কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে। পরিবারের লোকজন সঠিকভাবে বলতে পারবে। পরিবারের লোকজন সহযোগিতা করলে আমরা রহস্য উদঘাটন করতে পারব।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Missing: পুলিশ ব্যস্ত অভিষেকের নিরাপত্তায়, নাবালিকা মেয়ের খোঁজ না পেয়ে বুক চাপড়াচ্ছে হতভাগ্য বাবা-মা

    Missing: পুলিশ ব্যস্ত অভিষেকের নিরাপত্তায়, নাবালিকা মেয়ের খোঁজ না পেয়ে বুক চাপড়াচ্ছে হতভাগ্য বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিষাদল থানা এলাকার গোপালপুর গ্রামের গণেশ অধিকারীর ১৪ বছরের নাবালিকা কন্যা নিখোঁজ (Missing)। গোপালপুর হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। কিন্তু এখন তার সন্ধান করবে কে? জেলার সব পুলিশ তো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার যাত্রায় সুরক্ষার কাজে ব্যস্ত। পুলিশ সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা না ভেবে কেবল রাজনৈতিক নেতাদের সুরক্ষা দিচ্ছে, এমনই অভিযোগ তুলছে পরিবার। এলাকায় এ নিয়ে সরগরম রাজনীতির ময়দানও।

    অভিষেকের সুরক্ষার ফলে কী ঘটেছে (Missing)?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ। ফলে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার মা-বাবা। পরিবার থানায় গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলাতে আছেন, তাই সমস্ত পুলিশ এখন তাঁর নিরাপত্তার কাজে ব্যস্ত। পুলিশ জানিয়ে দেয়, তিনি জেলা থেকে চলে গেলে তারপর খোঁজখবর (Missing) নিয়ে দেখা হবে। আর এই কথাতেই পরিবার মনে করছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ আদৌ চিন্তিত নয়। তারা চিন্তিত কেবল শাসক দলের নেতার সুরক্ষা নিয়ে। নিখোঁজ নাবালিকার সন্ধান পাওয়া নিয়ে পরিবার এখন খুবই চিন্তিত।  

    কেন পুলিশ নিখোঁজ (Missing) কন্যার সন্ধান করতে ব্যর্থ

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে নবোজোয়ার কর্মসূচি করছেন। জন্য জেলা প্রশাসনকে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করতে হয়েছে। এর কারণ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুরে সভা করতে এলে, তাঁকে চড় মেরেছিল এক যুবক। আর তারপর থেকেই তিনি এই জেলাতে এলেই কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে থাকে জেলার পুলিশ প্রশাসন। যেহেতু তিনি জেলাতে আছেন, তাই প্রত্যেকটি থানার পুলিশ নিরাপত্তার কাজে ব্যস্ত। জেলা পুলিশ বর্তমানে অন্য বাকি কাজ (Missing) করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। কিন্তু নাবালিকাকে অপহরণের পর যদি কোনও অঘটন ঘটে, তাহলে কী হবে? এই প্রশ্নে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের লোকজন।

    পুলিশের বক্তব্য

    এই বিষয়ে মহিষাদল থানার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়েছে, নিখোঁজ (Missing) নাবালিকার বিষয়ে মিসিং ডায়েরি করা হয়েছে। আপাতত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করবে পুলিশ। নিখোঁজ মেয়েটিকে উদ্ধারে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: এমনিতেই চিকিৎসক নেই, তারপরে আবার ট্রমা কেয়ার সেন্টার!

    Balurghat: এমনিতেই চিকিৎসক নেই, তারপরে আবার ট্রমা কেয়ার সেন্টার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেরার তকমা জুটলেও চিকিৎসক সংকটের জেরে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে চালু থাকা নানা পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। এবার গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো সেখানে ট্রমা কেয়ার ইউনিট চালুর প্রস্তাব দিল রাজ্য। কিন্তু সেই একই প্রশ্ন, চিকিৎসক কই? বালুরঘাট হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার ইউনিট চালু হলে জেলায় চিকিৎসা পরিষেবার আরও উন্নতি ঘটবে। পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত কোনও রোগীকে নিয়ে আর কলকাতা, মালদা বা শিলিগুড়ি ছুটতে হবে না। ওই ইউনিট চালু হলে বালুরঘাট হাসপাতালেই আহতদের চিকিৎসা মিলবে। সম্প্রতি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বালুরঘাট হাসপাতালে এই ট্রমা কেয়ার ইউনিট চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    সংশয় কোথায়?

    কিন্তু ট্রমা কেয়ার ইউনিট চালুর জন্য প্রয়োজন নতুন পরিকাঠামোর। নতুন ট্রমা ভবন নির্মাণ, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার ইত্যাদি। পরিকাঠামোর জন্য অর্থ বরাদ্দ হবে রাজ্য থেকে। তাই ভবন সহ নানা পরিকাঠামো হয়তো সহজে করেও ফেলবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ট্রমা কেয়ার ইউনিটের জন্য প্রয়োজন নিউরো সার্জারি, প্লাস্টিক সার্জারি সহ নানা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞের।প্রশ্ন উঠেছে, চিকিৎসক কোথায়? উল্লেখ্য, চিকিৎসকের অভাবে ধুঁকছে বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালের চেস্ট মেডিসিন, মাইক্রোবায়োলজি, মেডিকো লিগ্যাল, পিপি ইউনিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলি। একজন চিকিৎসকও নেই ওই বিভাগগুলিতে। মেডিকো লিগ্যালের অভাবে তো হাসপাতাল মর্গে আসা মৃতদেহ মালদা মেডিক্যালে রেফার করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রমা কেয়ার ইউনিট হলে তা কার্যত খাতায়-কলমে থেকে যাবে বলেই মনে করছেন জেলার মানুষ। কারণ, তথ্য অনুযায়ী এখনও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকের সংখ্যা অত্যন্ত কম। বিশেষ করে জেনারেল ডিউটি মেডিসিন অফিসারের অনেক পদ ফাঁকা রয়েছে।

    চিকিৎসকের মোট পদ ১০২, রয়েছেন মাত্র ৪০ জন

    পাশাপাশি বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ বিভাগেও মোট শূন্যপদের তুলনায় কিছুটা কম সংখ্যক চিকিৎসক রয়েছেন। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট হাসপাতালে চিকিৎসকের মোট পদ ১০২। কিন্তু রয়েছেন মাত্র ৪০ জন চিকিৎসক। সামান্য চিকিৎসক নিয়েই চলছে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালের ইন্ডোর ও আউটডোর। পাশাপাশি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ইন্ডোর ও আউটডোর সামলাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে৷ এরই মধ্যে সম্প্রতি সিসিইউয়ের ২৪ বেড বাড়িয়ে নতুন ইউনিট খোলা হয়েছে। আরও অতিরিক্ত ৫০ বেডের ব্লক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি হাসপাতালে শুরু হয়েছে উন্নত ক্যানসার চিকিৎসার জন্য টিউমার বোর্ড। সেখানে ১৬ জন চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের সপ্তাহে অন্তত একদিন করে অতিরিক্ত কাজ করতে হবে। এমন অবস্থায় ট্রমা কেয়ার ইউনিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এমন পরিষেবা আদৌ চালু করা যাবে কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে হাসপাতালেই।

    কী বলছেন হাসপাতালের সুপার (Balurghat)?

    বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালে সুপার কৃষ্ণেন্দুবিকাশ বাগ বলেন, “বালুরঘাট হাসপাতালের মূল সমস্যা চিকিৎসকের ঘাটতি। আমরা রাজ্যের কাছে বারবার চিকিৎসক চেয়ে যাচ্ছি। আর এরই মধ্যে রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বালুরঘাট হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার ইউনিট করতে চেয়ে প্রস্তাব দিয়েছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা, এবার দোসর আর্দ্রতা! কবে থেকে বৃষ্টি?

    Weather Report: রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা, এবার দোসর আর্দ্রতা! কবে থেকে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়েই বেড়ে চলেছে গরম। চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝির সেই হাঁসফাঁস গরম যেন ফের ফিরে এসেছে। সপ্তাহ শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও শোনাচ্ছে না হাওয়া অফিস (Weather Report)। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই চড়চড়িয়ে বাড়ছে পারদ। কাঠফাটা রোদে বেলা দশটার পরে বাইরে পা রাখাই কঠিন হয়ে পড়ছে। ইতিমধ্যে আরও কয়েকদিন স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার।

    হাওয়া অফিস (Weather Report) জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের মতে, ২ জুন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ রয়েছে ৪৫ শতাংশ। সাধারণভাবে জুন মাসের ৪ তারিখে দেশে ঢোকে বর্ষা এবং ৮ অথবা ৯ জুন রাজ্যে ঢোকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। তবে প্রতি বছর এই হিসাব মেলে না। কোনও বছর আগে, কোনও বছর পরে বর্ষা ঢুকতে দেখা যায়। সেই মতো রাজ্যে বর্ষা কবে আসবে, তা নিয়েই উৎসুক হয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজসাক্ষী কারা? আদালতে কী জানাল সিবিআই?

    কতদিন চলবে তাপপ্রবাহ

    হাওয়া অফিস (Weather Report) জানাচ্ছে, বুধবার পর্যন্ত গরম এবং এই অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে লু বওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিসের সতর্কতা, আর্দ্রতাজনিত এই অস্বস্তি আগামী কয়েকদিন চরমে উঠবে।

    দক্ষিণবঙ্গ

    শুক্র ও শনিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনি ও রবিবার বিকেলের পরে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে উপকূলের জেলাগুলিতে। অর্থাৎ পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় হালকা সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গ

    উত্তরবঙ্গের গরম আপাতত কমবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাপমাত্রা বাড়বে দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ। এছাড়া তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার আলিপুরদুয়ারে অস্বস্তিজনক আবহাওয়া (Weather Report) বজায় থাকবে।

    কলকাতার তাপমাত্রা

    কলকাতাতেও সারা রাজ্যের মতোই বাড়বে গরম এবং আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা শোনাননি হাওয়া অফিসের কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় তিন ডিগ্রি বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের বুথ সভাপতিকে খুঁটিতে বেঁধে মারধর করলেন গ্রামবাসীরা, কেন জানেন?

    TMC: তৃণমূলের বুথ সভাপতিকে খুঁটিতে বেঁধে মারধর করলেন গ্রামবাসীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম শিস মহম্মদ ওরফে ডালিম। তিনি তৃণমূলের (TMC) বুথ সভাপতি। আর তাঁকেই কিনা বিদ্যুতের খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে চলছে মারধর। গ্রামবাসীরা সকলেই সেই দৃশ্য তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের ইলামবাজার থানার ভগবতী বাজার এলাকায়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। শাসক দলের নেতাকে মারধর করার ঘটনা নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক চর্চা।

    তৃণমূল (TMC) নেতাকে বেঁধে রেখে কেন এমনটা করলেন গ্রামবাসীরা?

    বীরভূমের ইলামবাজারের নানাশোল অঞ্চলের খাদিমপুকুর গ্রামে তৃণমূলের বুথ সভাপতি হচ্ছেন ডালিম। তাঁর সঙ্গে ইলামবাজারের ভগবতী বাজার এলাকার এক মহিলার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই গ্রামবাসীদের মধ্যে চর্চা হচ্ছিল। কিন্তু, কেউ তাঁদের একসঙ্গে দেখতে পাননি বলে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেননি। আর শাসক দলের নেতার নামে কোনও অপবাদ দেওয়ার পর তা মিথ্যা প্রমাণিত হলে তার পরিণাম খারাপ হতে পারে, সেটা এলাকাবাসী জানতেন। তাই এলাকার মানুষ এতদিন ওৎ পেতে ছিলেন। বৃহস্পতিবার তাঁদের একসঙ্গে দেখতে পেয়ে এলাকার লোকজন ঘিরে ধরেন। এরপরই বিদ্যুতের খুঁটিতে ওই তৃণমূল নেতা ও মহিলাকে বেঁধে রেখে চলে মারধর। গ্রামবাসীদের অনেক বলেন, ওই মহিলার সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হোক। ১৬ লক্ষ টাকা জরিমানা করার কথাও বলা হয়। যদিও আপাতত তাঁরা সেই পথে যাননি। বেশ কিছুক্ষণ পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    এই ঘটনা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    এই ঘটনা জানাজানি হতে চরম বিড়ম্বনায় পড়ে তৃণমূল (TMC)  নেতৃত্ব। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব। দলগতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, দলই তা নেবে। এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarpara: সাত সকালেই উত্তরপাড়ায় ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

    Uttarpara: সাত সকালেই উত্তরপাড়ায় ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে বারাকপুর শহরে সোনার দোকানে ঢুকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলেকে গুলি করে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় এখনও সব অভিযুক্ত ধরা পড়েনি। এর জের মিটতে না মিটতেই ফের গুলিবিদ্ধ হলেন এক ব্যবসায়ী। শুক্রবার সাত সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপাড়া (Uttarpara) থানা এলাকায়। গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীর নাম রাজীব সরকার। বাড়ি হিন্দমোটরের রবীন্দ্রনগর এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজীববাবু ডিমের পাইকারি কারবারি। উত্তরপাড়ার (Uttarpara) ঘোষপাড়া এলাকায় গঙ্গার ধারে প্রতিদিন ভোরে ট্রাকে করে আনা পেটি পেটি ডিম নামানো হয়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী সেখান থেকে ডিমের পেটি নিয়ে যান। এদিন ভোরে রাজীববাবু স্কুটি করে সেখানে যান। সূত্রের খবর, সেই সময় পাঁচ-ছজন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে। তাদের প্রত্যেকের মুখ ঢাকা ছিল। তাঁকে সামনে পেয়েই প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। রাজীববাবু মাটিতে পড়ে গেলে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এরপরই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে স্থানীয় নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। তবে, সাত সকালে এমন দুষ্কৃতী হামলার ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কী বললেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী?

    হাসপাতালের বেডে শুয়ে রাজীববাবু বলেন, বহু আগে একজনের সঙ্গে ব্যবসায়িক কারণে শত্রুতা তৈরি হয়েছিল। তবে, এখন আর সে সব নেই। আমি নিজের মতো করে ব্যবসা করি। তবে, আমি কোনওদিন ভোরে ব্যবসার কাজে বের হই না। গত দুদিন ধরে আমি ভোরে ডিম নিতে আসছিলাম। এতে কেউ নজরদারি চালাচ্ছিল। আমি ঘটনাস্থলে আসতেই পাঁচ-ছজন আমাকে ঘিরে ধরে। প্রত্যেকের মুখ গামছা দিয়ে ঢাকা ছিল। কোনও টাকাপয়সা না চেয়ে ওরা আমার শরীরে ধারালো অস্ত্র চালাতে শুরু করে। আমি মাটিতে পড়ে যাই। এরপরই ওদের মুখে সার্চ লাইট মারতে ওরা আমাকে গুলি চালায়। আমার স্কুটি নিয়ে ওরা চম্পট দেয়।

    কী বললেন পুলিশ কমিশনার?

    চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি বলেন, কয়েকজন দুষ্কৃতী উত্তরপাড়ায় (Uttarpara) ওই ব্যবসায়ীর ওপর হামলা চালায়। তারা ওই ব্যবসায়ীকে গুলি করে পালিয়েছে। তাদের খুব তাড়াতাড়ি ধরে ফেলা হবে। ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে পড়েছে পুলিশ। ব্যবসায়িক কারণ না পুরোনো শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: শান্তিনিকেতনের কলা ভবনের ছাদে তুলির টানে আস্ত একটি পুকুর!

    Visva Bharati: শান্তিনিকেতনের কলা ভবনের ছাদে তুলির টানে আস্ত একটি পুকুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃতির মাঝে সৃষ্টির আনন্দই বোধহয় আলাদা। তা যেমন নিজেকে পরিতৃপ্ত করে, তেমনই আনন্দ দেয় আপামর মানুষকে। শান্তিনিকেতনের (Visva Bharati) কলা ভবনের ছাদে তুলির টানে আস্ত একটি পুকুর বানিয়ে পদ্ম ফোটালেন বিশ্বভারতীর ছাত্র। নীল জলে ফুটে রয়েছে শালুক-পদ্মফুল৷ কৃত্রিম এই পুকুরে ছবি তোলার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে চাইছেন না৷ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে ছড়িয়ে পড়েছে এই অনবদ্য শিল্পকর্মের ছবি৷ প্রশংসিত হয়েছেন শিল্পী সুমন দে।

    দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি ছবির পদ্মপুকুর

    বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দা সুমন। বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) কলা ভবনের স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের ছাত্র৷ পরীক্ষার জন্য যখন প্রত্যেক ছাত্র নিজ নিজ শিল্পকর্ম তৈরিতে ব্যস্ত, তখন সুমনের মাথায় আসে এক অভিনব ভাবনা। শান্তিনিকেতনের বিভিন্ন জায়গা থেকে পদ্ম পুকুরের ছবি তিনি মোবাইলে লেন্সবন্দি করে আনেন৷ পরে সঙ্গীত-কলা ভবনের ছাদটাকেই তুলির টানে আস্ত একটি পুকুর বানিয়ে পদ্ম ফোটান শিক্ষানবীশ শিল্পী। জলও রয়েছে তাতে৷ উঁচু জায়গা থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি ছবির পদ্মপুকুর৷ তাঁর এই শিল্পকর্ম সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে প্রচুর প্রশংসা কুড়চ্ছে। অন্যান্য পড়ুয়াদের মধ্যেও এই পুকুরের ছবি তোলার হিড়িক কম নয়।

    কী বললেন শিল্পী?

    সুমন (Visva Bharati) জানান, প্রায় ১০ দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তিনি এই পদ্মপুকুর বানিয়েছেন। অ্যাক্রেলিক ও ওয়েদার কোট রং ব্যবহার করা হয়েছে। প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে কৃত্রিম পদ্মপুকুরের জন্য৷ পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় শিল্পকলার কাজ করে উপার্জিত অর্থ সঞ্চয় করেই তিনি এই নজরকাড়া পুকুরটি বানিয়েছেন৷ শিল্পী বলেন, “ছাদটি পুকুরের মতো আকারের৷ তাই পরীক্ষার আগে এটিকেই পদ্মপুকুর বানিয়ে ফেললাম৷ এই কাজটি করার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল৷ সেটাকেও আমি শিল্পের অঙ্গ হিসাবেই নিয়েছিলাম৷ সবাই খুব প্রশংসা করছে। কতজন এসে এসে ছবি তুলছে৷ এটাই আমার পরম প্রাপ্তি৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের মিছিলে হাঁটছেন পুলিশ সুপার! ভিডিও পোস্ট করে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের মিছিলে হাঁটছেন পুলিশ সুপার! ভিডিও পোস্ট করে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেকের নবজোয়ারে উর্দি পরে হাঁটছেন জেলার পুলিশ সুপার। এমনই চাঞ্চল্যকর ভিডিও ট্যুইট করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ছিল অভিষেকের নবজোয়ার যাত্র। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটে নাগাদ চণ্ডীপুর থেকে যাত্রা শুরু হয়। নন্দীগ্রাম পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার পদযাত্রায় উর্দি পরে হাঁটতে দেখা যায় পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার আইপিএস অমরনাথকে। যা নিয়ে শুভেন্দু বলেন, তৃণমূল ক্যাডারের মতোই কাজ করছেন পুলিশ সুপার।

    ট্যুইটে কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক তাঁর ট্যুইটে লেখেন, ‘‘এই ভিডিওটা না দিলে অনেকেই হয়তো বিশ্বাস করতেন না, চণ্ডীপুরে তৃণমূলের রাজনৈতিক পদযাত্রায় দলের কর্মীদের সঙ্গে হাঁটছেন একজন আইপিএস আধিকারিক মিস্টার অমরনাথ। তৃণমূল দলের কর্মীরা দয়া করে বলবেন না, উনি নিরাপত্তা দিতে মিছিলে ছিলেন। এক কথায় পুলিশের পোশাক পরে তিনি তৃণমূলের ক্যাডারের মতো কাজ করছেন।’’

    এই ভিডিওতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনকেও ট্যাগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    তাঁর যাত্রাপথে নজরদারি চালাচ্ছে মমতার সিভিক পুলিশ! অভিযোগ বিরোধী দলনেতার

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, তাঁর যাত্রাপথে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। স্পিড ক্যামেরা নিয়ে তাঁর কোনও সমস্যা নেই। তবে নন্দীগ্রামের বিধায়কের প্রশ্ন, ‘‘বিরোধী দলনেতার কনভয় চলে যাওয়ার পর কেন তা লুকিয়ে ফেলা বা সরিয়ে ফেলা হচ্ছে?’’ তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর যাত্রাপথে ট্রাফিক জ্যাম ইচ্ছাকৃতভাবে করার জন্যই মমতার সরকার এই অপচেষ্টা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আরও অভিযোগ, রাজ্য জুড়ে তাঁর যাত্রাপথে সিভিক ভলান্টিয়ারদের সাদা পোশাকে মোতায়ন করিয়ে তাদের দিয়ে ভিডিওগ্রাফি করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কালীঘাটের কাকু গ্রেফতার হতেই শহরে ইডি প্রধান! বড় কোনও অপারেশনের প্রস্তুতি?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Education: অব্যবস্থার জের, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা

    West Bengal Education: অব্যবস্থার জের, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অচলাবস্থার জেরে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা। প্রায় আড়াই মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ও কন্ট্রোলার না থাকায় রেজাল্ট আটকে রয়েছে। তেমনই আটকে কর্মীদের বেতন। জেলার শিক্ষা মহলের (West Bengal education) দাবি, অব্যবস্থা ও অচলাবস্থার জেরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সঙ্কটের মুখে। সেজন্যই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ার হিড়িক শুরু হয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই ভর্তি হওয়া প্রায় ৪০ শতাংশ পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গিয়েছেন। দ্রুত অচলাবস্থা না কাটলে আগামীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসে তালা ঝুলবে বলে আশঙ্কা জেলার শিক্ষা মহলের।

    কী জানালেন বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) কর্তা?

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডিশনাল রেজিস্ট্রার পঙ্কজ কুণ্ডু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিকাঠামোগত ও অন্যান্য একাধিক সমস্যায় পড়ুয়ারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন বলে মনে হয়। উপাচার্য না থাকায় ওই সমস্যা হচ্ছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় সমস্যা রাজ্যপালকে জানিয়েছি। এছাড়াও উচ্চ শিক্ষা দফতরে (West Bengal education) সব জানানো হয়েছে। তবে এখনও কোনও সুরাহা মেলেনি। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে সঞ্চারি রায় মুখোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর ভাড়া নেওয়া ক্যাম্পাসেই ২০২১-এর সেপ্টেম্বর মাসে পঠনপাঠন শুরু হয়। কিন্তু চলতি বছরের ১৪ মার্চ উপাচার্যের পদ থেকে সঞ্চারি রায় মুখোপাধ্যায়কে সরানো হয়। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও স্থায়ীভাবে উপাচার্য পদে কাউকে নিয়োগ করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আপাতত ১৬ জন কর্মী রয়েছেন।

    কী বলছেন ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকরা (West Bengal education)?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্ক বিভাগের চতুর্থ সেমেস্টারের ছাত্রী অর্পিতা কর্মকার বলেন, নবদ্বীপ থেকে এসে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। এখনও পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাস হল না। হস্টেলের সুবিধাও নেই। বাধ্য হয়ে ভাড়ায় থাকতে হচ্ছে। এদিকে, উপাচার্য ও কন্ট্রোলার না থাকায় তৃতীয় সেমেস্টারের ফল প্রকাশ হচ্ছে না। ফলে চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষাও পিছিয়ে যাবে। অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি। বালুরঘাট শহরের শিক্ষক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন,দীর্ঘ আন্দোলনের জেরে জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ সঙ্কটে। পড়ুয়ারা চলে যাচ্ছেন। এই হাল দেখে আগামীতে কেউ ভর্তি হবে না। অবিলম্বে এই সমস্যাগুলির সমাধান হোক। ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি সৌরভ প্রসাদ বলেন, রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর উদাসীনতার জেরেই আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়ছেন। আমি শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছি। আজও সদুত্তর পাইনি।

    কী বলছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ?

    জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি অমরনাথ ঘোষ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) ছেড়ে যাওয়ার কোনও খবর আমাদের কাছে নেই। তবে রাজ্যপাল উপাচার্য নিয়োগ করছেন না বলেই এই সমস্যাগুলি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে প্রথম সেমেস্টারে ইংরেজি, অঙ্ক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এই তিনটি বিষয়ে ১৫০টি সিটের মধ্যে ১৪২ জন ভর্তি হয়। চতুর্থ সেমেস্টার আসতেই পড়ুয়ার সংখ্যা একের পর এক কমে বর্তমানে তা ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সেশনে আবার তিনটি বিষয়ের ১৫০টি সিটের মধ্যে ভর্তি হয়েছিল ১২৬ জন। এক বছর পর পড়ুয়ার সেই সংখ্যা মাত্র ৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দুই সেমেস্টার মিলিয়ে মোট পড়ুয়া থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ চলে গিয়েছে। বর্তমানে ৬০ শতাংশ পড়ুয়া থাকলেও, পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের আগে তা আরও কমে যাবে বলে মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share