Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Hooghly: পেটে লাথি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল খানাকুল

    Hooghly: পেটে লাথি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল খানাকুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) তৃণমূলের বিদায়ী প্রধানের সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মারা হল গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে। ভাঙচুর করা হল বাড়ি। তৃণমূলের ব্লক সভাপতির অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূলের বিদায়ী প্রধানের পরিবারের। কিন্তু ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেন তিনি। গোষ্ঠী কোন্দলে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে জেলায়।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Hooghly)?  

    ঘটনা ঘটেছে খানাকুলের (Hooghly) ঘোষপুর এলাকায়। আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা মহিলার নাম সুমাইয়া পারভিন। বর্তমানে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, রবিবার ঘোষপুর এলাকায় খানাকুল ১ নং তৃণমূল ব্লক সভাপতি ইলিয়াস চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বাইক মিছিল করা হয়। সেই মিছিলেই ওই এলাকার বিদায়ী পঞ্চায়েত প্রধান হায়দার আলিকে যোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু তিনি সেই মিছিলে যোগ না দেওয়ায় হঠাৎ হামলা চালানো হয় তাঁর বাড়িতে। সোমবার বাড়িতে ঢুকেই ব্লক সভাপতি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর চালায় এবং বিদায়ী প্রধানের সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকেও মারধর করে। শুধু তাই নয়, তাঁকে লাথি মারা হয় বলেও অভিযোগ। পুরো ঘটনায় অভিযোগের তীর তৃণমূলেরই ব্লক সভাপতি এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের ব্লক সভাপতির ছেলের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে খানাকুল থানায়। যদিও ক্যামেরার সামনে মুখ না খুললেও বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী।

    আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা কী বললেন?

    আক্রান্ত সুমাইয়া পারভিন (Hooghly) বলেন, আমার স্বামী তৃণমূল করে, আর যারা এসেছিল তারাও তৃণমূলই করে। গতকাল একটা বাইক মিছিলে না যোগদান করার জন্য আমার বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করে। শেখ আক্তার, শেখ আক্রম, শেখ আরাবুলরা এসে আক্রমণ করে। তিনি আরও বলেন, আমাকে প্রচুর মারধর করে, লাথি মারে। আমার স্বামী এবং মেয়েকে মারধর করে। ঘটনায় ইলিয়াস এবং ওয়াসিম আক্রামের ছেলেরা এসে আমাকে লাথি মারে এবং এরপর মাটিতে ফেলে মারধর করে। আমার পেটে সাত মাসের বাচ্চা, আমি খুব অসুস্থ বোধ করছি। দোষীদের অবিলম্বে শাস্তি চান বলে দাবি করেছেন সুমাইয়া। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: জেলাশাসকের দফতরের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির, উত্তাল বীরভূম

    Birbhum: জেলাশাসকের দফতরের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির, উত্তাল বীরভূম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনঃনির্বাচনের দিনই বীরভূম (Birbhum) জেলাশাসকের দফতরের সামনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হল। ভোট লুঠ-সন্ত্রাস-ছাপ্পা-হত্যালীলার প্রতিবাদে আগুন জ্বালিয়ে বীরভূম পুলিশ সুপারের উদ্দেশে লজ্জাজনক স্লোগান উঠল “হায়-হায়”। এভাবেই প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাল বীরভূম বিজেপি। নির্বাচনে হিংসার বিরুদ্ধে বিজেপির কর্মীরা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে খালি গায়ে মাটিতে বসে বিক্ষোভ দেখান। ৮ ই জুলাই রাজ্যের জেলায় জেলায় যে সন্ত্রাস হয়ছে, তার জন্য একমাত্র দায়ী নির্বাচন কমিশন। কমিশনকে এই হিংসার দায়িত্ব নিতে হবে বলে দাবি করে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে খুনী এবং মুখ্যমন্ত্রীকে খুনীর প্রধান সঞ্চালক বলে দাবি করা হয়।

    বিজেপি জেলা সভাপতির বক্তব্য

    বিজেপির জেলা (Birbhum) সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, ১৪ টি বুথে রিপোলিং হচ্ছে, সেখানে তৃণমূল নিশ্চিত হারছে বলে! অন্যান্য জায়গায় ১০০-১৫০ টি বুথে রিপোলিং হচ্ছে। কিন্তু বীরভূমে হচ্ছে না। এর কারণ হল তৃণমূল হেরে যাবে ভোটে। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের নামে একটা প্রহসন চলছে। আমরা বীরভূমবাসীরা সেই প্রহসনের ভাগীদার। বীরভূমের পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। দুবরাজপুরে বিজেপির ১০০ জনকে সরকারি কাজে বাধার অজুহাত দেখিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় এলাকায় মহিলা, শিশুদের উপর তৃণমূলের গুন্ডারা সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ময়নাডাল গ্রামের ভোট পড়ার সংখ্যা শূন্য দেখিয়ে প্রহসনের নির্বাচন করছে কমিশন। এই বুথের মহিলা-পুরুষ শূন্য করে নির্বাচন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্য জুড়ে যেভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, তার প্রতিবাদে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করা হল। এই আগুন ছোট, এরপর বড় আগুন জ্বলবে। অভিনব ভাবে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। গণতন্ত্রকে হত্যা করে প্রশাস যেমন উলঙ্গ হয়েছে ঠিক সেইভাবেই বিজেপি কর্মীরা গায়ের জামা খুলে প্রতীকী প্রতিবাদ করলেন। রাজ্যের ভোট জুড়ে সকল হিংসার দায়িত্ব এই প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। আজ নির্বাচনের নামে যে প্রহসন চলছে তাকে অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। 

    আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী

    হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভয়ে গৃহবন্দি হয়ে বসে রয়েছেন সিপিএম প্রার্থী। এরকমই ঘটনার দেখা মিলল বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে। সেখানেও হচ্ছে উপ নির্বাচন। সেখানকার সিপিএমের মহিলা প্রার্থীর অভিযোগ, রবিবার রাতে এসে হুমকি দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। তাঁর স্বামীর হাতে শনিবার চাকু মেরেছে গুন্ডারা। ভোটকেন্দ্রে গেলে, মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এর জেরে মহিলা প্রার্থী ও তাঁর স্বামী যেতে পারছেন না ভোটকেন্দ্রে। যদিও এ নিয়ে পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ করেননি সিপিএম প্রার্থী। তাঁর ভয়, অভিযোগ করলে ভোটের পর ঘরবাড়ি আর আস্ত থাকবে না! তাঁদেরও প্রাণ সংশয়ের মুখে পড়তে হবে। যদিও হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেছন স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী।

    তৃণমূল প্রার্থী সঞ্জয় দাস বলেছেন, “সিপিএম প্রার্থীর সঙ্গে লোক নেই। তিনি মিথ্যা অভিযোগ করছেন। খুব শান্তিতে ভোট হচ্ছে এখানে। কোনও অসুবিধা হয়নি।” এদিকে ময়ূরেশ্বরের ভোটাররাও ভয় দেখানোর অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে সেন্ট্রাল ফোর্স ওই এলাকায় পৌঁছেছে এবং তারপরই ভোটাররাও ভোট দিতে বের হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুনর্নির্বাচনেও ভোটে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ, বাইক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা

    TMC: পুনর্নির্বাচনেও ভোটে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ, বাইক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনের দিনেও অশান্তি। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার বার্নিয়ায়। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ। তাঁরা এদিন জোটবদ্ধ হয়ে শ্রীকৃষ্ণপুরে তেহট্ট ঘাট থেকে দেবগ্রাম রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    ৮ জুলাই তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের কারণে তেহট্টের বার্নিয়া এলাকায় বহু মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এরপর এই এলাকায় ফের ভোট করার দাবি জানানো হয়। সেই মতো প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করে। কিন্তু, গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এদিন সকালে ভোট দিতে গেলে তাদের ভয় দেখিয়ে ফিরিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এরপর কয়েকজন গ্রামে ঢুকে গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। এমনিতেই এর আগে ভোট দিতে না পারার রাগ ছিল। তৃণমূলের ওই দুষ্কৃতীদের সামনে পেয়ে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করেন। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গ্রামবাসীরা প্রতিরোধ করলে তৃণমূলের এক দুষ্কৃতীকে তাঁরা ধরে ফেলেন। যদিও সে বাইক রেখে পালিয়ে যায়। এরপরই উত্তেজিত জনতা তার বাইক ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরে, পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে বোঝানোর পর অবরোধ ওঠে। ভোটদানের ব্যবস্থা হয়।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এর আগেও আমরা তৃণমূলের (TMC)  সন্ত্রাসের কারণে ভোট দিতে পারিনি। আমাদের দাবি মেনে ফের এলাকায় ভোট হচ্ছে। এদিনও তৃণমূল এলাকায় সন্ত্রাসের চেষ্টা করে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC)  কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কল্লোল খাঁ বলেন, ওই এলাকায় সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। কিন্তু বিরোধীরা একজোট হয়ে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করেছে। আমাদের দলীয় কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমরা চাই, সুস্থ এবং শান্তিতে নির্বাচন হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: কাঁথির বুথে নেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, ভোট বয়কট ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা

    Purba Medinipur: কাঁথির বুথে নেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, ভোট বয়কট ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন ব্যাপক গন্ডগোলের জেরে আজ পুনরায় ভোট ঘোষণা করা হয়েছে কাঁথি (Purba Medinipur) দেশপ্রাণ ব্লকের আমতলীয়া পশ্চিম বুথে। কিন্তু বুথে পর্যাপ্ত বাহিনী না থাকায় ভোটাররা ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন। মহিলারাও লাঠি-বঁটি নিয়ে প্রতিবাদ করেন। অপর দিকে এগরায় স্ট্রং রুমের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশকে লক্ষ্য করে চলল ইটবৃষ্টি! পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের লাঠিচার্জ। এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য। 

    কাঁথিতে (Purba Medinipur) কী ঘটল?

    ভোট কর্মী এবং পুলিশ কর্মীরা উপস্থিত হলেও বুথে হাজির হননি কোনও ভোটার। কারণ নিরাপত্তার অভাব অনুভব করছেন সাধারণ ভোটাররা। বুথে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ভোট বয়কটের পথে হেঁটেছেন দলমত নির্বিশেষে গ্রামের মানুষজন। বঁটি-ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদে গ্রামের রাস্তায় দেখা গেল এলাকার মহিলাদের। নির্বাচনের দিনে তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।

    এগরায় (Purba Medinipur) কী হয়েছে?

    ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোট মিটলেও অশান্তি থামছে না। স্ট্রং রুম পাহারাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম ঘটনা ঘটে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এগরাতে। রাতের অন্ধকারে ব্যালট বাক্সে কারচুপির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ফলে এগরা দু’নম্বর ব্লকের বালিঘাই হাইস্কুলে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। এখানে প্রধান অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কর্মীরা স্ট্রং রুমের মধ্যে যায়। কিন্তু বিজেপি কর্মীদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। স্ট্রং রুমের মধ্যে তৃণমূল ঢুকে ব্যালট বাক্সে কারচুপি করছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের ওপর শুরু হয় ইটবর্ষণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কার্যত রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে কেন্দ্র। ভোটের পরে ব্যালট পরিবর্তন যাতে না করতে পারে তৃণমূল, সেই জন্য এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুনর্নির্বাচনের দিনও বোমাবাজি, ভোটারদের ভোট দিতে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: পুনর্নির্বাচনের দিনও বোমাবাজি, ভোটারদের ভোট দিতে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনের দিনও বোমাবাজি। সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের মাটিকুন্ডা- ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২০ নম্বর বুথে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ইসলামপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বোমাবাজির ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। ধৃতদের ইসলামপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরে ভোটাররা ভোট দিতে আসে।

    বোমাবাজি করে বুথে আসতে ভোটারদের বাধা দিল কারা?

    এই জেলার ইসলামপুর মহকুমার বিভিন্ন জায়গায় গত ৮ জুলাই শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোট লুট, মারামারি, বোমাবাজি সহ ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ ওঠে। একইসঙ্গে মাটিকুন্ডা- ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২০ নম্বর বুথেও ভোটলুট হয় বলে অভিযোগ। বিরোধী দলগুলি এই বুথে পুনরায় নির্বাচনের দাবি তুললে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বুথে ফের ভোটের ব্যবস্থা করা হয়। তবে, সোমবার সকাল থেকেই তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলাকায় দাপাদাপি করে এবং ভোটারদের ভোট দিতে যেতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। ভোটারদের ভয় দেখাতে এলাকায় বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে সাধারণ ভোটাররা ভোট দিতে আসেন। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    কী বললেন নির্দল প্রার্থী?

    নির্দল প্রার্থী আমিরুদ্দিন বলেন, রবিবার রাত থেকেই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল (TMC) আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখিয়েছে। সোমবার সকালে এলাকায় বোমাবাজি করেছে। ফলে, ভোটাররা ব্যাপক আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে, পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমরা অভিযোগ জানাই। এখন ভোট দেওয়া শুরু হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। তৃণমূল প্রার্থী আনন্দ সিংহ বলেন, কোথাও কোনও বোমাবাজি, ভয় দেখানো হয়নি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে ভালই ভোট হচ্ছে। তৃণমূলের নামে অকারণে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কর্মীকে মারধর করল প্রার্থী, মুরারইতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তীব্র

    Birbhum: কর্মীকে মারধর করল প্রার্থী, মুরারইতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তীব্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে। তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রী আবার নির্দল প্রার্থী হয়েছেন পাশের বুথে। ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর স্ত্রীকে মুরারই (Birbhum) গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্ত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর নাম রমজান আলি ও স্ত্রীর নাম রুকসানা খাতুন। তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  

    কোথায় ঘটনা ঘটল (Birbhum)?

    ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) মুরারই থানার পানিয়ারা গ্রামে। অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর নাম রেজাউল দফাদার। তিনি এবার মুরারই গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫৭ নম্বর পানিয়ারা গ্রামের প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর স্ত্রী শিল্পী বেগম আবার পাশের ৫৬ নম্বর বুথে নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়ছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়াই করলেও রেজাউল দফাদার নিজের স্ত্রীকে জয়ী করতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্দল গোঁজ প্রার্থী দিয়েছেন। এই নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। অপর দিকে তৃণমূল কর্মী রমজান আলি ৫৬ নম্বর বুথে তৃণমূলের হয়ে ভোট করাতে গিয়েছিলেন। তৃণমূলের হয়ে ভোট করাতেই রেজাউল দফাদারের রোষানলে পড়েন। দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়। মূল অভিযোগ, রেজাউল দফাদার তাঁর লোকজনদের নিয়ে এসে রমজান আলির বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। মারধরে আহত হয় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী রমজান আলি ও তাঁর স্ত্রী রুকসানা খাতুন। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে মুরারই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

    আক্রান্ত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বক্তব্য

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী রমজান আলি (Birbhum) বলেন, তৃণমূলের ভোট করাতে গিয়েছিলেন বলে নির্দল প্রার্থীর দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর করে। যদিও দুষ্কৃতীরা নির্দল প্রার্থীর স্বামীর প্রার্থীর অনুগামী। রামজান আলি আরও বলেন, বুথে পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের হয়ে ভোট করাতে গিয়েছিলাম বলে ব্যাপক মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকেও খুব মারধর করে এবং কাপড়জামা ছিড়ে দিয়ে ধর্ষণ করারও চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন। হামলার সময় দুষ্কৃতীদের হাতে বন্দুক এবং বোমা ছিল বলে অভিযোগ করেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস, রানিনগরে ফের তৃণমূল কর্মী খুন

    Panchayat Poll: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস, রানিনগরে ফের তৃণমূল কর্মী খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার বলি হলেন আরও  এক তৃণমূল (Panchayat Poll) কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের রানিনগর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সিরাজুল শেখ। তিনি এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ভোটের দিন গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    গত ৮ জুলাই ভোটের দিন রানিনগরে ভোট (Panchayat Poll)  দিয়ে আসার পথে তৃণমূল কর্মী সিরাজুলের উপর হামলা চালানো হয়। কংগ্রেস, সিপিএম ও বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে।  হামলাকারীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলে গুরুতর জখম হন ওই তৃণমূল কর্মী। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। তাঁর অবস্থা সেখানে আরও অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে বেলডাঙায় কংগ্রেসের রাস্তা অবরোধের জেরে ফের বহরমপুরে ফিরে আসে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ফের নিয়ে এলে রবিবার চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের আত্মীয় আসারুদ্দিন মণ্ডল বলেন, সিরাজুল এলাকায় তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ভোট (Panchayat Poll) দিয়ে ফেরার পথেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। সিপিএম সহ বিরোধীরা জোটবদ্ধ হয়ে এই হামলা চালিয়েছে। আমরা ঘটনার পূর্ণ দাবি করছি। যে বা যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা বলেন,  এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে আমরা কোনওভাবেই জড়িত নয়। আসলে বোমাবাজি, খুনখারাপির সঙ্গে তৃণমূল জড়িত। নিজেদের কোনও গণ্ডগোলের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। এখন আমাদের উপর তার দায় চাপাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: পুনর্নির্বাচনের আগের রাতে বেলডাঙায় পুকুর থেকে প্রচুর বোমা উদ্ধার

    Murshidabad: পুনর্নির্বাচনের আগের রাতে বেলডাঙায় পুকুর থেকে প্রচুর বোমা উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনের আগের রাতেই বেলডাঙার (Murshidabad) খাগরবাড়ি এলাকায় একটি পুকুর থেকে প্রচুর সকেট বোমা উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। বিরোধীরা বলছেন, শাসক দলের দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস করতে এই বোমা রেখেছিল। রাজ্য পুরো বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন এলাকার কংগ্রেস নেতা।

    কংগ্রেসের বক্তব্য (Murshidabad)?

    কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি নাজিরুদ্দিন সেখ বলেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গ এবং বেলডাঙা (Murshidabad) বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। নির্বাচনে কংগ্রেস কর্মীদের ভোটদান থেকে বিরত করতে বোমার ব্যবহার করছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তিনি আরও বলেন, শুধু খাগরবাড়ি নয়, বেগুনবাড়ি, শঙ্করপাড়ায় প্রচুর বোমাবাজি হয়েছে। রীতিমতো কংগ্রেস কর্মীর বাড়িতেই বোমা মারে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শাসক তৃণমূল একক ভাবে সন্ত্রাস চালাতে বোমার আমদানি করছে।

    পুকুরের মালিক কী বললেন?

    পুকুরের (Murshidabad) মালিক নওশেদ শেখ বলেন, পুকুরের পাড়ে তিনজন বাচ্চা খেলা করছিল। তারপর পুকুরে হাত ধুতে গেলে কামাল বলে এক ব্যক্তি বলে, নামিস না পুকুরে বোমা আছে! তারপর বাচ্চারা এসে আমাকে খবর দেয়। এরপর এলাকার মানুষ ডেকে বলি, আমি তো পুকুরে মাছ ধরব আগামী কাল! এখন এই বোমা নিয়ে কী করি! উত্তরে ইলিয়াস বলেন, পুলিশকে খবর দাও, পুলিশ এসে উদ্ধার করবে। নওশেদ আরও বলেন, শেষে আমি নিজে পুকুরে নেমে ৩৫ টা বোমা উদ্ধার করি। তবে কে বা কারা বোমা ফেলেছে, তিনি জানেন না।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বেলডাঙার (Murshidabad) বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা হাসানুজ্জামান শেখ বলেন, আমাদের কাছে কোনও খবর নেই। কীভাবে বোমা উদ্ধার হয়েছে আমার জানা নেই। 

    খড়গ্ৰাম থানার নগরের স্ট্রং রুমে তীব্র উত্তেজনা

    পুনর্নির্বাচনের আগের রাতেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্ৰাম থানার নগরের স্ট্রং রুম। কংগ্রেসের অভিযোগ, ব্যালট বাক্স থেকে ব্যালট বের করে আবার নতুন করে ব্যালট ভরে দেওয়া হচ্ছে। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছিল তীব্র উত্তেজনা। তারপর ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটবৃষ্টি চালায় সিপিআইএম ও কংগ্রেস। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র উত্তেজনা বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে দিল্লি যাচ্ছি”! তির্যক মন্তব্য রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে দিল্লি যাচ্ছি”! তির্যক মন্তব্য রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, আজ সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই জেলায় জেলায় ঘুরছেন রাজ্যপাল। ভোটে নিহত বা আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। গিয়েছেন হাসপাতালেও। জানা যাচ্ছে, সেই রিপোর্টই তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে জমা দিতে পারেন। 

    কেন হঠাৎ দিল্লি যাত্রা?

    নির্বাচনের আগে থেকেই সক্রিয় দেখা গিয়েছে রাজ্যপালকে। নিজেকে গ্রাউন্ড জিরো রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলে অভিহিত করেছেন সিভি আনন্দ বোস। নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন ভোট সন্ত্রাসের করুণ কাহিনি। ভোটের দিনেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। তার আগে আরও ১৯ জনের প্রাণ গিয়েছে এই ভোটকে কেন্দ্র করে। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোটের বলি হিসেবে উল্লেখ করেছে মাত্র ১০ জনকে। আর ভোটের দিন প্রাণ হারিয়েছেন মাত্র ৩ জন। ময়দানে নেমে এই বৈপরীত্যও প্রত্যক্ষ করছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল বলেছেন, “এই হিংসাশ্রয়ী ভোট দেখার পর রাজ্যপাল হিসেবে যা করার করব।” একই সঙ্গে দিল্লি রওনা হওয়ার আগে রাজ্যপালের তির্যক মন্তব্য “একটু মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে আমি দিল্লি যাচ্ছি।” রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিতে পারেন রাজ্যপাল। 

    আরও পড়ুন: আজ গান্ধীনগর থেকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন এস জয়শঙ্কর

    রবিবার সন্ধ্যায় রাজভবন থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছয় রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কনভয়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন সাংবাদিকরা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেন রাজ্যপাল। মুখে ছিল স্মিত হাসি। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, আপনি কি রাজ্যে ৩৬৫ ধারা জারির সুপারিশ করতে দিল্লি যাচ্ছেন? রাষ্ট্রপতি শাসন জারির আবেদন জানাবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে? জবাবে রাজ্যপাল বলেন, তিনি একটু মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে চান, তাই দিল্লি পাড়ি। নিজের ব্যক্তিগত কিছু কাজও রয়েছে বলে জানান তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: ভোটের দুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ভোটের দুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিল। আর সেটাই সত্যি প্রমাণিত হল। নির্বাচনের দুদিন আগে থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে বিজেপি কর্মীর দেহ মিলল বাড়ির কিছুটা দূরে পাটের জমিতে। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার ধুবুলিয়া থানার পণ্ডিতপুর গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত বিজেপি (BJP) কর্মীর নাম অষ্টম মণ্ডল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কীভাবে নিখোঁজ হয়ে যান ওই বিজেপি (BJP) কর্মী?

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর বউদি ১০১ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী। তিনি এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। বউদি দলের প্রার্থী হওয়ায় তিনি এলাকায় চুটিয়ে প্রচার করছিলেন। নির্বাচনের দুদিন আগে সন্ধ্যায় প্রচার করতে বেরিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন অষ্টম। পরিবারের পক্ষ থেকে ধুবুলিয়া থানায় তাঁর নিখোঁজ থাকার একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। সোমবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা পাটের জমি থেকে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার করেন। পরে, পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    মৃত বিজেপি (BJP) কর্মীর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, অষ্টম যাতে নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে কাজ না করতে পারে, সেই কারণে আগে থেকেই তাঁকে সরিয়ে দিয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনার জন্য তৃণমূল দায়ী। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    এ বিষয়ে নদিয়া উত্তর বিজেপি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ঘোষ বলেন, নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসের ছবি আমরা দেখেছি। বিজেপিকে যাতে দমিয়ে রাখা হয়, সেই কারণে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের কর্মীকে খুন করেছে। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কল্লোল খাঁ বলেন, এটি বিজেপির (BJP) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই হয়েছে। সব কিছুতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠবে, এটা তো হতে পারে না। এই ঘটনা নিয়েও প্রশাসনকে আমরা জানিয়েছি। পুলিশ-প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share