Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Rath Yatra: ভোগের পদ আড়াইশো! ইসকনে মাসির বাড়িতে পরম আদরে প্রভু জগন্নাথ

    Rath Yatra: ভোগের পদ আড়াইশো! ইসকনে মাসির বাড়িতে পরম আদরে প্রভু জগন্নাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার মায়াপু্রের ইসকন মন্দিরে অস্থায়ী মাসির বাড়িতে রয়েছেন জগন্নাথ দেব। উল্টোরথের দিন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা ফিরবেন রাজাপুরের মন্দিরে। আপাতত শতাধিক পদে মহা আনন্দে খাওয়া-দাওয়ায় দিন কাটছে ভগবান জগন্নাথ দেব সহ ভ্রাতা বলরাম ও ভগিনী সুভদ্রার।

    পদ সংখ্যা আড়াইশো ছাড়িয়েছে

    নামেই ছাপ্পান্ন ভোগ। কিন্তু সংখ্যায় পদ ছাড়িয়েছে প্রায় আড়াইশো। মাসির বাড়িতে এমনই বিপুল আয়োজন। কী নেই মেনুতে? ফলমূল, শাক-সবজি থেকে শুরু করে চাউমিন, পিঠেপুলি, লুচি, পায়েস এবং বিভিন্ন রকমারী মিষ্টি। দেশি-বিদেশি মেনুতে জনা পঞ্চাশেক রাঁধুনি ও তাদের সহযোগীরা দিনভর দুবেলা জগৎপতি জগন্নাথের আতিথেয়তায় ব্যস্ত। আর ঠিক এভাবেই উল্টো রথ বুধবার পর্যন্ত মহা আনন্দে রকমারী পদ দিয়ে খাওয়াদাওয়া করে পুনরায় নিজের স্থায়ী নিবাসে ফিরে যাবেন প্রভু। প্রতিদিন জগন্নাথ দেবকে ভোগ নিবেদনের পর প্রসাদ পাচ্ছেন কয়েক হাজার ভক্ত। মায়াপুর ইসকন মন্দির পরিচালিত এই রথযাত্রা উৎসব জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মেলবন্ধনে এক  মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে।

    কী বলছেন ইসকনের আধিকারিক?

    এ বিষয়ে ইসকন মায়াপুর মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস মহারাজ বলেন, ‘‘গত মঙ্গলবার রথযাত্রার দিন ভগবান জগন্নাথ দেব সহ বলদেব ও সুভদ্রা দেবী রাজাপুর জগন্নাথ মন্দির থেকে সুসজ্জিত তিনটি রথে (Rath Yatra) চেপে দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পর  ইসকন মন্দির সংলগ্ন ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী অস্থায়ী মাসীর বাড়ি গুন্ডিচায় এসে পৌঁছেছেন। এই সাতদিন আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করি তাঁদের বিভিন্ন রকমারী পদ দিয়ে ভোগ নিবেদন করার।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘জগতের নাথ যে কদিন মাসির বাড়িতে থাকবেন, ততদিন তাঁর পছন্দের সব ধরনের খাবার তৈরি করে তাঁকে সন্তুষ্টি করার চেষ্টা করেন ভক্তরা। বছরে একটি বার ভ্রাতা ও ভগিনীকে নিয়ে মাসির বাড়ি আসেন জগতের নাথ জগন্নাথ। তাঁর যত্নআত্তিতে যাতে কোনও রকম খামতি না থাকে, তার জন্য সর্বদা খেয়াল রেখে চলেছেন ইসকনের ভক্তরা।’’ ভগবান জগন্নাথ দেব বুধবার উল্টো রথের (Rath Yatra) দিন দুপুরের পর নিজগৃহ রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে ফিরে যাবেন। ততদিন ইসকনে অস্থায়ী মাসির বাড়িতে তৈরি সুসজ্জিত গুন্ডিচায় বিভিন্ন ধর্মীয় সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে পুলিশকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে পুলিশকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী ও নেতা কর্মীদের পুলিশ কিছু করলে ২০০৭ যা দেখেছিলেন তার থেকেও বেশি দেখবেন। রবিবার নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়াতে প্রার্থী পরিচিতি সভায় এসে এমনই মন্তব্য করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। মনোনয়নের দিন আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। তৃণমূলের তিনটে-চারটে করে গোষ্ঠী রয়েছে। ওদের সঙ্গে কেউ নেই। শুধু পুলিশ ভরসা। কিন্তু, ওরা কিছু করতে পারবে না। ভোটের দিন নন্দীগ্রামে থাকবো। ভোট দেবো। রাত জাগবো। নিজেরা সিসি টিভি লাগাবো। গনণার দিনও সুরক্ষা দেব। মমতা হেরে বাড়ি গিয়েছে। আপনারাও জিতবেন। এরাও (তৃণমূল) এপাং ওপাং ঝপাং হবে।

    অভিষেকের মিছিলে পা মেলানো পুলিশ সুপারকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মিছিলে হেঁটেছিলেন পুলিশ সুপার। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা হয়েছিল। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ভাইপোর সঙ্গে মিছিলে হাঁটা পুলিশ সুপারের নামে হাইকোর্টে কেস করবো। এই পুলিশ সুপারকে দিয়ে কি করে ভোট করানো যায়? যদি রাজ্য নির্বাচন কমিশন তাকে না সরায় তাহলে মঙ্গলবার মিছিলে হাঁটা ছবি নিয়ে কোর্টে যাব।

    লক্ষ্ণীর ভান্ডার নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়়ে এক তৃণমূল প্রার্থী লক্ষ্ণীর ভান্ডার নিয়ে বিতর্কিত দেওয়াল করেছেন। লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতে হলে তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা বলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার সরকারের টাকা। আপনার আমার করের টাকা। এভাবে কেউ বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলতে পারে না। একটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ হলে আমাকে জানাবেন। রাজ্য সভাপতি বলেছেন। আমি আবারও বলছি, বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে ৫০০ টাকা নয়, ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Birbhum: যাঁদের ঘর রয়েছে, তাঁদেরই আবাস যোজনার বাড়ি! শতাব্দীর সামনে প্রবল বিক্ষোভ

    Birbhum: যাঁদের ঘর রয়েছে, তাঁদেরই আবাস যোজনার বাড়ি! শতাব্দীর সামনে প্রবল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে ‘দিদির দূত’ হয়ে বেরিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। এবার পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে বেরিয়েও ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তৃণমূলের এই নেত্রীকে। বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি ১ নম্বর ব্লকের বড়গ্রামের ঘটনা। মেজাজ হারালেন শতাব্দী! এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা।

    কী ঘটেছে (Birbhum)?

    রবিবার সকালে সিউড়িতে (Birbhum) প্রচারে বের হন তৃণমূলের এই তারকা সাংসদ। সেই সময় কয়েকজন মহিলা এসে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ করতে শুরু করেন তাঁকে। আবাস দুর্নীতি থেকে শুরু হয় অভিযোগের তালিকা। তারপর রাস্তা খারাপ থেকে শুরু করে পানীয় জলের সমস্যা, প্রতিটি বিষয় তাঁরা তুলে ধরেন শতাব্দীর সামনে। চলে বিক্ষোভ। অধিকাংশ মানুষ বলেন, যাঁদের ঘর রয়েছে তাঁদেরকেই আবাসের বাড়ি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ত্রিপল চাইলেও তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের কাছে পাওয়া যায় না। বৃষ্টির জল যাওয়ার জন্য নেই ড্রেন, জমা জলে এলাকায় দারুণ সমস্যা। আসছে বর্ষা, কীভাবে সমস্যার সমাধান হবে জানতে চান এলাকার মানুষ।

    তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রেগে গিয়ে বীরভূমের এই তৃণমূল সাংসদ (Birbhum) বলেন, বিক্ষোভ কাকে বলে? মিডিয়া জোর করে দেখাচ্ছে! বিরোধীদের কোনও প্রশ্নের উত্তর আমি দেব না। দিতে বাধ্য নই। এলাকার মানুষের মধ্যে এক-দুজন কিছু বললে সেটাকে বিক্ষোভ বলা যাবে না। জনজোয়ারে কোথাও বিক্ষোভ হয়েছে বলতে পারবেন? সুতরাং বিরোধীরা কখনই বলবেন না শতাব্দী রায় ভালো কাজ করছে। তাই কোনও উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না আমি। পরে অবশ্য এলাকাবাসীকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন শতাব্দী। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, “সরকারের নির্দিষ্ট বাজেট থাকে। একটি পরিবারের একাধিক ছেলে। তাঁদের পৃথক পৃথক বাড়ি চাওয়া হচ্ছে। সে কারণেই এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে।”

    রাজ্যপাল সম্পর্কে মন্তব্য

    রাজ্যপাল সম্পর্কে শতাব্দী রায় (Birbhum) বলেন, রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে কাজ বেশি করছেন। নিজের প্রটোকল ভেঙে বিজেপির হয়ে কাজ করছেন তিনি। বিজেপির কর্মীদের মৃত্যু হলেই রাজ্যপাল পৌঁছে যাচ্ছেন। উনি মনে প্রাণে একজন বিজেপি কর্মী, এমনটাই মন্তব্য করেন শতাব্দী রায়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: তৃণমূল প্রার্থীর নামের পাশে লেখা ‘চোর’, ছবিতে কালি, হাওড়ায় শোরগোল

    Howrah: তৃণমূল প্রার্থীর নামের পাশে লেখা ‘চোর’, ছবিতে কালি, হাওড়ায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার (Howrah) বাঁকড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর নির্বাচনী পোস্টারের ছবিতে লেখা ‘চোর চোর’। কিন্তু কে বা কারা লিখে দিল ‘চোর চোর’? যা নিয়ে রবিবার সকালে হাওড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে চোর লেখা ছাড়াও তৃণমূল প্রার্থীর ছবির মুখে লাগানো হয়েছে কালো কালি। নির্বাচনী প্রচারে এলাকা বেশ সরগরম।

    কী ঘটনা ঘটেছে?

    হাওড়ার (Howrah) বাঁকড়া দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১৮ ও ১৯২ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সামসুল আলম তরফদারের ছবিতে মুখে কালি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তলায় লেখা হয়েছে চোর চোর চোর শব্দ। আর তাই নিয়েই চাঞ্চল্য হাওড়া জেলার রাজনীতিতে। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কারা? তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও পুলিশ তদন্ত করছে, উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানাচ্ছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে। অন্যদিকে যার ছবিতে ‘চোর’ লেখা হয়েছে, তিনি অবশ্য বিষটিতে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

    ফেস্টুনে কী লেখা ছিল?

    তৃণমূল প্রার্থীদের (Howrah) প্রচারে লাগানো হয় ফেস্টুন। তাতে লেখা ছিল রুপালি বেগম, নাজিয়া খাতুন ও সামসুল আলম তরফদারের নাম। গ্রাম সভায় দাঁড়িয়েছেন রুপালি। নাজিয়া লড়ছেন পঞ্চায়েত সমিতিতে। আর জেলা পরিষদের প্রার্থী হয়েছেন সামসুল আলম তরফদার। ফেস্টুনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দু’জনের ছবিও ছিল। কিন্তু সামসুল আলম তরফদারের নাম এবং ছবির সামনে লেখা ‘চোর চোর চোর চোর’।

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে সামসুল আলম তরফদার বলছেন, ‘প্রচার তুঙ্গে আছে। পরিস্থিতিই বলে দিচ্ছে প্রচার কী ভাবে চলছে! কোনও অসুবিধা নেই। কিছু নিন্দুক থাকে, যাদের ভালোটা সহ্য হয় না। আসলে আমরা চোরই! আমি ক্যামেরাতে স্বীকার করে নিচ্ছি যে আমরা চোর, আমরা মানুষের মন চুরি করতে বের হয়েছি। এখানে বিরোধী শূন্য এলাকা। তারপরেও কিছু লোক আছে, যাদের ২০২১-সালে দল বাদ দিয়েছে। এবারে তারা পঞ্চায়েতে দাঁড়াতে পারেনি। হয়তো এইরকম কোনও ব্যক্তি এই কাজ করেছ।’ অন্যদিকে হাওড়া (Howrah) জেলা সদর তৃণমূল সভাপতি কল্যাণ ঘোষ বলেন, ‘কোনও দুষ্কৃতী হয়তো রাত্রিবেলা এই রমক কাজ করেছে। বিরোধী দলের তরফ থেকে হয়ত এইরকম করে থাকলেও থাকতে পারে। পুলিশ তদন্ত করে দেখবে, যা উপযুক্ত ব্যবস্থা হয় তারা গ্রহণ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েতে বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল বিজেপি

    BJP: পঞ্চায়েতে বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন উলট পুরাণ। জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন ব্লকে যখন তৃণমূলের ২৯ জন পঞ্চায়েত সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন, সেখানে মেটেলি ব্লকের সামসিং পঞ্চায়েতে উল্টো চিত্র ধরা পড়ল। মেটেলি ব্লকের মাটিয়ালি হাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১/৮ নম্বর বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল। এই বুথে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত প্রার্থী ধনরাজ তামাং। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির এই জয়ের জন্য গেরুয়া আবির দিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বাস পালন করলেন বিজেপির নেতাকর্মীরা।

    বিজেপির বিরুদ্ধে কেউ প্রার্থী দেয়নি

    জানা যায়, সামসিং ইয়ংটং টিজির বড়ি লাইনের বাসিন্দা ধনরাজ তামাং। মাটিয়ালি হাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর আসনে তিনি এবার বিজেপির (BJP) প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা করেন। এই আসনটি তফশিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। কিন্তু এই আসনে তৃণমূল সহ অন্য কোনও দলেই আর মনোনয়ন জমা দেয়নি। তাই বিজেপি প্রার্থী ধনরাজ তামাং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। বিজেপির এই বিজয় উল্লাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মেটেলি আপার মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সার্কি, সহ-সভাপতি ঋতুরাজ শর্মা, নিলম প্রধান,পুনম রানা, বিজেপির শ্রমিক নেতা জমির ওরাও সহ বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা।

    কী বললেন জয়ী বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে ধনরাজ তামাং জানান, গোটা রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের যে দুর্নীতি সামনে এসেছে, তার বিরুদ্ধে মানুষ সরব হয়েছে। তাছাড়া এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল কোনও উন্নয়নই করেনি। মানুষ তেমনভাবে পরিষেবা শেবনি। এই সমস্ত কারণে এই বুথে তৃণমূল প্রার্থী দিতে আর সাহস করেনি। পাশাপাশি তিনি জানান, এই গ্রাম পঞ্চায়েত গতবার তৃণমূলের দখলে ছিল, কিন্তু এবার মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে নেই বুঝেই তারা প্রার্থী দেয়নি। যদিও বা দিত তাহলে তার জমানত বাজেয়াপ্ত হত।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জেলা নেতৃত্ব?

    জেতার পর মেটেলি ব্লকের বিজেপির (BJP) সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সার্কি জানান, তাঁরা একটি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন। মানুষের ভোটে তাঁরাই এবার ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতই দখল  করবেন। আগামী দিনে লোকসভা ভোটেও মানুষ বিজেপির সাথেই থাকবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের মেটেলি ব্লক সভাপতি জোসেফ মুন্ডা বলেন, দলীয় প্রার্থীকে আমরা মনোনয়ন জমা করার জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু, কেন আমাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন জমা করেননি সেটা ভোটের পর আমরা দলগতভাবে দেখব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে বোমা, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Murshidabad: রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে বোমা, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। বোমাবাজি, গোলাগুলি, রাজনৈতিক হত্যা-সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে হয়েছে মনোনয়ন জমা, মনোনয়ন প্রত্যাহারও। আর এরপর প্রচার অভিযান শুরু হতেই দিকে দিকে শাসকের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের কর্মী, প্রার্থী, সমর্থকদের লক্ষ্য করে আক্রমণের অভিযোগ থামছে না। নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আগেই ফের উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগর।

    কী ঘটেছে (Murshidabad)?

    রানিনগরে (Murshidabad) ব্লক ২ এর মালিবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মরিচা গ্রামে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক আতাউর রহমানের বাড়ির লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার মধ্যরাতে। রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক আতাউর রহমান পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ। সিপিএম জোট প্রার্থী-কর্মীদের সঙ্গে তাঁর অসুস্থ ছেলেকেও পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ তোলেন।

    রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, গতকাল রাতে আমার বাড়ির সামনে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা এসে বোমাবাজি করে গেছে। এখানে মূলত সিপিএম সমর্থিত জোট এবং শাসক দল তৃণমূলের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছে। দিনের বেলায় বাচ্চা ছেলেদের বিষয় নিয়ে গোলমাল হয়, আর তারপরেই রাতের বেলায় এই বোমাবাজি হয়। তৃণমূলের গুণ্ডারা বোমা নিয়ে আঘাত করলে জোটের ছেলেরা আমার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। আর এরপর পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ উল্টো আমার বাড়িতে তল্লাশি করে জোটের কর্মীদের তুলে নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, সেই সঙ্গে আমার ছেলেকেও তুলে নিয়ে যায়। রাজ্যে স্বৈরাচারী আর দুষ্কৃতীদের শাসন চলছে বলে মন্তব্য করেন এই রাষ্ট্রপতি পুরুস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপরদিকে শিক্ষকের অভিযোগ অস্বীকার করেন ব্লকের তৃণমূল নেতৃত্ব। রানিনগর (Murshidabad) টু-এর তৃণমূল কংগ্রেস ব্লক সভাপতি শাহ আলম সরকার বলেন, গ্রামে অশান্তির মূল কারণ হচ্ছেন শিক্ষক আতাউর রহমান। পরিকল্পনা মাফিক এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করেছেন শিক্ষক। তিনি আরও বলেন, আমাদের তিন-চারজন কর্মীকে মেরে আহত করেছেন ওই শিক্ষক। আমাদের বেশ কিছু কর্মী বহরমপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক সমাজের কলঙ্ক বলে মন্তব্য করেন ব্লক সভাপতি। বয়স্ক শিক্ষক মানুষ। আগে সিপিএম করতেন, কিন্তু ভালোমন্দের জ্ঞান নেই তাঁর। শিক্ষক আতাউর রহমান গ্রাম ছেড়ে অন্য কোথাও চলে গেলে গ্রামে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হবে, এমনটাই দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb: বোমা বাঁধার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ল দুজন, কাঠগড়ায় বিক্ষুব্ধ তৃণমূল

    Bomb: বোমা বাঁধার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ল দুজন, কাঠগড়ায় বিক্ষুব্ধ তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের ফতোয়াকে ফুৎকারে উড়িয়ে তৃণমূলের অফিসিয়াল প্রার্থীর বিরুদ্ধে গোঁজ দাঁড়িয়েছে। রাজ্যের সব জেলায় এটাই চেনাচিত্র। এই নির্দল প্রার্থীরাই এখন তৃণমূলের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৫৬ জনকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবার বোমা (Bomb) তৈরির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি-২ ব্লকের বসন্তিয়া এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    এদিন বসন্তিয়ায় বাদামের জঙ্গলের ভিতরে একটি ঘরের মধ্যে বোমা (Bomb) তৈরির কাজ চলছিল। স্থানীয় লোকজন দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে বোমা তৈরির সরঞ্জাম সহ দুজনকে আটক করে। বেশ কয়েকটি বোমা ও তার সরঞ্জাম পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। পুলিশের হাতে আটক হওয়ার আগে অভিযুক্তরা বলেন, ২০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হবে বলে নিয়ে এসেছিল। তৃণমূলের জন্য বোমা তৈরির কথা বলা হয়েছিল। এদিন ২০০ টাকা অগ্রিম দিয়েছিল। আমরা বোমা তৈরির কাজ করছিলাম। এরমধ্যেই পুলিশ আমাদের ধরে নিয়ে যায়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের স্থানীয় নেতা তপন কুমার সামন্ত বলেন, আমাদের পঞ্চায়েত এলাকায় বেশ কয়েকটি বুথে নির্দল প্রার্থী দিয়েছে। বিরোধীরা সমর্থন করেছে। আসলে তৃণমূলে হারানো তাদের লক্ষ্য। তাই, নির্দলের লোকজন বোমা তৈরির কাজ করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা চড়াও হই। হাতে নাতে ধরে বোমা (Bomb) তৈরির কারবারিদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। বিজেপি সহ বিরোধীদের এই কাজে মদত রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি অসীম মিশ্র বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ব্যাপক আকার নিয়েছে। তৃণমূলকে হারাতে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী বোমা (Bomb) তৈরি করছে। তৃণমূল বলেই এটা সম্ভব। বিজেপি বোমাবাজির রাজনীতির পছন্দ করে না। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: পূর্ব বর্ধমানে বিরোধী প্রার্থীর বাড়িতে ছোড়া হল বোমা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Purba Bardhaman: পূর্ব বর্ধমানে বিরোধী প্রার্থীর বাড়িতে ছোড়া হল বোমা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে মনোনয়নের পর থেকেই শুরু বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি, আক্রমণ, বোমাবাজি। সর্বত্র চলছে এই চিত্র। শাসক দল সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করেছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। বনগাঁয় বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে যেমন রাতের বেলায় বোমা ছুড়েছিল শাসক দলের দুষ্কৃতীরা, ঠিক তেমনি এবার সিপিএম প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলেরই বিরুদ্ধে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman)।

    পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) কোথায় ঘটল ঘটনা?

    উত্তর মোহনপুর এলাকার জামালপুর (Purba Bardhaman) ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩৯ নম্বর বুথে সিপিএম প্রার্থী  হয়েছেন দেবিকা দেবনাথ। পাশাপাশি ১৪১ নম্বর বুথের সিপিএম প্রার্থী হয়েছেন সুশান্ত মণ্ডল। এরা দু’জনে স্বামী-স্ত্রী। দেবিকা দেবনাথের অভিযোগ, রবিবার ভোর ৩ টে ১৮ মিনিট নাগাদ তাঁদের বাড়ি লক্ষ্য করা বোমা ছোড়া হয়। এরপরেই একটি বোম ফাটে ঘটনাস্থলে। আর দু’টি বোম বাড়ির ভিতরে পড়ে ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশকে খবর দিলে দেড় ঘন্টা পরে পুলিশ আসে। তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই বারে বারে হুমকি দেওয়া হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। অপর দিকে দেবিকা দেবীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রূপালী বিশ্বাস। তৃণমূল প্রার্থীর স্বামী তারক বিশ্বাস রীতিমত প্রায় প্রতিদিনই তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ তোলেন সিপিএম প্রার্থী। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছায় জামালপুর থানার পুলিশ। এরপর বাড়ির পাশ থেকে পড়ে থাকা বোমা দু’টি উদ্ধার করে পুলিশ।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই ঘটনায় অভিযোগ অস্বীকার শাসকদলের। জামালপুর (Purba Bardhaman) ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খান বলেন, মিথ্যা অভিযোগ। এর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও যোগ নেই। একই কথা বলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাসও। তিনি বলেন, তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য এই সব অভিযোগ করা হচ্ছে। তবে কোনও অভিযোগ থাকলে পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার কথা বলেন প্রসেনজিৎ দাস।

    সিপিএমের বক্তব্য

    জেলা (Purba Bardhaman) সিপিএমের সম্পাদক সৈয়দ হোসেন বলেন, মনোনয়ন দাখিল করার পর থেকেই হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আজ ভোরে তাঁদের দলীয় প্রার্থীর বাড়িতে বোমা ছোড়া হয়। আসলে ভোটে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই ভয় পেয়ে তৃণমূল এসব করছে। তিনি আরও জানান, গতকালই টেলিফোনে হুমকি দেওয়া হয় দেবিকা দেবনাথ ও সুশান্ত মণ্ডলকে। ৮ই জুলাই  নির্বাচন কেমন কাটে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: চুরির তদন্ত বন্ধ করতে কেন্দ্রীয় সরকারে পরিবর্তন চায় তৃণমূল, বললেন শুভেন্দু

    Paschim Medinipur: চুরির তদন্ত বন্ধ করতে কেন্দ্রীয় সরকারে পরিবর্তন চায় তৃণমূল, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপার সানডে-তে পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ভীমপুরে বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে প্রচার কর্মসূচিতে যোগ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় বিজেপির পক্ষে ব্যাপক উন্মাদনা এদিন লক্ষ্য করা গেল।

    কেমন প্রচার চলছে (Paschim Medinipur)?

    নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী প্রথমে ভীমপুরে পদযাত্রায় যোগদান করেন। এরপর তিনি দীর্ঘ রাস্তায় টোটো করে জনসংযোগ সারেন। শেষে পিড়াকাঠায় (Paschim Medinipur) এসে পৌঁছান। দলীয় কর্মীদের সাথে পিড়াকাঠায়ও যোগ দেন একটি নির্বাচনী পদযাত্রায়। এরপরই একাধিক ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকার তথা শাসক শিবিরকে নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। আজ জঙ্গলমহলে শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচিকে ঘিরে দলীয় কর্মীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার অভিযানে (Paschim Medinipur) যোগদান করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সীতারাম ইয়েচুরি, রাহুল গান্ধীর পায়ে পড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূল উদ্দেশ্য কেন্দ্রের সরকারকে পরিবর্তন করতে হবে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সিবিআই, ইডি, এনআইএ যাতে তদন্ত আর না করতে পারে! তৃণমূল শাসকদের বড় বড় নেতামন্ত্রী এখন জেলে রয়েছেন। আরও হয়তো অনেকে যাবেন। নিজের ভাইপোকে বাঁচাতে পাটনায় সব চোরেরা এক হয়েছেন। কিন্তু লাভ হবে না। কার্যত চুরির তদন্ত বন্ধ করতেই তৃণমূল দিল্লির কেন্দ্র সরকারের পরিবর্তন চায়। শুভেন্দু আরও বলেন, তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে সিপিএমকে ভোট দেওয়া আবার সিপিএমকে ভোট দেওয়া মানে তৃণমূলকেই ভোট দেওয়া। তাই তিনি বলেন, এই গোপন বোঝাপড়া এবং সেটিংকে বুঝে নিতে হবে।

    আরও কী বললেন?

    সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেন, রাজ্যে রাজ্যপাল সমান্তরাল শাসন চালাচ্ছেন বলে তৃণমূল অভিযোগ করছে। উত্তরে শুভেন্দু বলেন, সময়ে সময়ে রাজ্যপাল ভালো হয়ে যা্‌ আবার সময়ে সময়ে তৃণমূলের কাছে খারাপ হয়ে যান। সবই নাটক! এক কথায় তৃণমূল শাসক সংবিধানকে মানে না। কয়েকদিন আগে বিচারপতি কৌশিক চন্দ এবং রাজাশেখর মান্থার বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেছে তৃণমূল। তিনি আরও বলেন, আমি যখন তৃণমূলে ছিলাম তখন ভালো ছিলাম। এখন বিজেপিতে আসায় খারপ হয়েগেছি। তৃণমূলের জনজোয়ার যাত্রাকে তিহার যাত্রা বলেও সমালোচনা করেন শুভেন্দু অধিকারী।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: জেলা নেতৃত্বের অপসারণের দাবিতে বহরমপুরে জনসভা হুমায়ুনের, তৃণমূলের কোন্দল তুঙ্গে

    TMC: জেলা নেতৃত্বের অপসারণের দাবিতে বহরমপুরে জনসভা হুমায়ুনের, তৃণমূলের কোন্দল তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের টেক্সটাইল মোড়ে তৃণমূলের (TMC) ভরতপুরের বিধায়কের নেতৃত্বে বিশাল জনসভার ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে, সেটা পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীদের হারানোর জন্য কোনও প্রস্তুতি সভা নয়। এটা তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের লড়াই। দলের জেলা সভানেত্রী শাওনি সিংহরায় এবং দলের জেলার চেয়ারম্যান অপূর্ব সরকারকে পদ থেকে অপসারণের ডাক দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েতের আগেই এই জনসভাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) বিক্ষুব্ধ বিধায়ক?

    তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে শাসক দলের ছন্নছাড়়া অবস্থা। দলের নির্দেশকে অমান্য করেই তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ভরতপুর বিধানসভার অধিকাংশ পঞ্চায়েতে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন। কয়েকদিন আগেই সালারে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিধায়ক প্রকাশ্যে নির্দল প্রার্থীদের হয়ে লড়াই করার কথা বলেছিলেন। নির্দল প্রার্থীদের জয়ী করার তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, বিধায়ক নিজের বিধানসভার চেয়ারম্যান। অথচ এই নির্বাচনে আমার কোনও গুরুত্ব নেই। তাই, দলের জেলা সভানেত্রী শাওনি সিংহরায় এবং দলের জেলার চেয়ারম্যান অপূর্ব সরকারকে পদ থেকে অপসারণের ডাক দিয়ে জনসভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আহ্বায়ক হিসেবে এই জনসভার আয়োজন করছি। হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত সেখ প্রধান বক্তা। আর জলঙ্গির বিধায়ক ছাড়াও অনেকে সেই সভায় উপস্থিত থাকবেন। সেখানেই আমরা আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি আরও ভালোভাবে তুলে ধরব। জমায়েতে প্রচুর কর্মী, সমর্থকের যে ভিড় হবে তার তিনি আগাম ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভানেত্রী?

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এই ধরনের সভা নিয়ে শাসক দলের জেলা নেতৃত্ব বেশ বিড়ম্বনার মধ্যে রয়েছে। এতে দলের আখের ক্ষতি হবে বলে দলের মধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কিন্তু, এই ধরনের দল বিরোধী সভা বন্ধ করার ক্ষমতা কারও নেই জেনে দলের কর্মীরাও হতবাক। তৃণমূলের (TMC) জেলা সভানেত্রী শাওনি সিংহরায় বলেন, যে যা খুশি করতেই পারে। তাতে আমার কিছু বলার নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share