Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • West Bengal Assembly Election: ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর পৃথক সংকল্পপত্র, চার দফা প্রতিশ্রুতিতে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

    West Bengal Assembly Election: ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর পৃথক সংকল্পপত্র, চার দফা প্রতিশ্রুতিতে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) রাজ্যের হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে লড়াইয়ের উত্তাপ বাড়িয়ে দিলেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার এই কেন্দ্রে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে ভবানীপুরের ভোটারদের জন্য একটি পৃথক ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করেছেন তিনি। দলের রাজ্যভিত্তিক ইস্তাহার প্রকাশের আগেই এই পদক্ষেপকে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কৌশলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাঁর সংকল্পপত্রে যা যা রয়েছে তা হল–

    জলমগ্নতা থেকে মুক্তি (West Bengal Assembly Election)

    বর্ষাকালে ভবানীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার জমা জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। শুভেন্দু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

    নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন আবাসন

    ঘিঞ্জি এলাকা ও বস্তি অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ জোর দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের জন্য উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা

    স্থানীয় স্তরে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও নির্ভয়ে বাস করার পরিবেশ তৈরি করার অঙ্গীকার করেছেন বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Assembly Election) ।

    নাগরিক পরিষেবার আধুনিকীকরণ

    পানীয় জল থেকে শুরু করে রাস্তার আলো, পুর-পরিষেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

    এলাকার উন্নয়ন চান শুভেন্দু

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই ‘চার দফা’ কৌশল মূলত স্থানীয় সমস্যাগুলোকে হাতিয়ার করে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা। শুভেন্দু বলেছেন, “ভবানীপুর কেবল ভিআইপি কেন্দ্র নয়, এখানকার (West Bengal Assembly Election)  সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলোও দীর্ঘদিনের অবহেলিত। আমি সেই বঞ্চনার অবসান ঘটাতেই এই বিশেষ সংকল্প গ্রহণ করেছি।”

    রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রমাণ করতে চাইছেন যে, তিনি কেবল বড় বড় রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং তৃণমূল স্তরের নাগরিক সমস্যা নিয়েও সমানভাবে সরব। আগামী ৪মে ভোটের ফলাফলেই স্পষ্ট হবে, ভবানীপুরের জনতা এই চার দফা প্রতিশ্রুতিতে কতটা আস্থা রাখল।

  • Kolkata Metro: মেট্রো প্রকল্পের জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে, মমতা সরকারের প্রতি চরম ক্ষোভ, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হচ্ছে কাজ

    Kolkata Metro: মেট্রো প্রকল্পের জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে, মমতা সরকারের প্রতি চরম ক্ষোভ, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হচ্ছে কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত সংযোগস্থল চিংড়িঘাটায় মেট্রো (Kolkata Metro) প্রকল্পের কাজ শুরু হতে চলেছে। সুপ্রিম কোর্টের সবুজ সংকেত মেলার পর আগামী ১৫ মে থেকে এই এলাকায় নির্মাণ কাজের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত করতে কলকাতা পুলিশ এবং মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের (Chingrighata) একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো করিডোরে কাজ শুরু (Kolkata Metro)

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিরসন হওয়ায় নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো (Kolkata Metro) করিডোরের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ পুনরায় শুরু করার পথ প্রশস্ত হলো। প্রশাসন সূত্রে খবর, কাজের গুরুত্ব এবং যানজটের আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে পর্যায়ক্রমে ট্রাফিক ডাইভারশনের ব্যবস্থা করা হবে। আরভিএনএল জানিয়েছে, আগামী ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটা মোড়ে (Chingrighata) মেট্রো পিলারের কাজ শুরু হবে। চিংড়িঘাটায় ট্রাফিক ব্লক করে দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। এরপর ধীরে ধীরে অনুমতি দেওয়া হবে। তবে বর্ষা আসার আগেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে হবে।

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “আমরা প্রথমবার দেখছি কোনও রাজ্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। মামলা এতোদূর পর্যন্ত গড়িয়েছে যে এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ আগে?”

    বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন ও গৌরকিশোর ঘোষ সংযুক্ত

    ৩৬৬ মিটার অংশে পিলারের উপরে গার্ড বাসানো হবে। যার উপরে মেট্রোর লাইন বাসানো হবে। এই কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন ও গৌরকিশোর ঘোষ সংযুক্ত হয়ে যাবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ও আইনি বাধা দূর হয়েছে। চিংড়িঘাটা (Chingrighata) সংলগ্ন ইএম বাইপাস এবং সল্টলেক অভিমুখী রাস্তায় যানজট এড়াতে ট্রাফিক ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই অংশের কাজ সম্পন্ন হলে সল্টলেক ও বিমানবন্দরের সঙ্গে মেট্রো সংযোগের ক্ষেত্রে বড় বাধা দূর হবে।

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে এই গুরুত্বপূর্ণ করিডোরটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে। শহরের পূর্ব প্রান্তের পরিবহন ব্যবস্থায় এই পদক্ষেপ এক মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

  • West Bengal Assembly Election: শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ শুভেন্দুর, বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে কালীঘাটে ধুন্ধুমার

    West Bengal Assembly Election: শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ শুভেন্দুর, বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে কালীঘাটে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন আগেই। তার পর বৃহস্পতিবার দুুপুরে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেও মনোনয়নপত্র জমা দিলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন পেশ করলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ছিলেন রাসবিহারী ও  বালিগঞ্জ কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীরাও। মনোনয়নপত্র (West Bengal Assembly Election) জমা দিয়েই শাহকে প্রণাম করে এই কেন্দ্রে জয়ের জন্য আশীর্বাদ চেয়ে নেন শুভেন্দু৷

    হাজরা মোড় থেকে শুরু রোড-শো

    এদিন শুভেন্দুর মনোনয়নপত্র পেশ উপলক্ষে রোড-শো শুরু হয় হাজরা মোড় থেকে। রোড-শোয়ের গাড়িতে শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন অমিত শাহ-ও। তার আগে, হাজরা মোড়ে দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে বক্তৃতা দেন শাহ। ভবানীপুরবাসীর উদ্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো পরিবর্তন হবেই। ভবানীপুরে পরিবর্তন করতে হবে কি হবে না? আমি হাতজোড় করে আপনাদের বলছি, পুরো রাজ্যের মুক্তির জন্য আমাদের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করুন।” বক্তৃতার পর হাজরা মোড় থেকে শুরু হয় বিজেপির এই মেগা রোড শো৷

    বিজয় সংকল্প সভা

    শোভাযাত্রার নাম দেওয়া হয় বিজয় সংকল্প সভা৷ বিরাট ট্যাবলো গাড়ি করে তাতে সওয়ার হন শুভেন্দু অধিকারী৷ তাঁর পাশে আগাগোড়া ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ তাঁরা গোলাপ ফুল ছড়াতে ছড়াতে এগিয়ে যান আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ের দিকে৷ ট্যাবলোয় ছিলেন রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রর বিজেপি প্রার্থী শতরূপাও৷ শুভেন্দু অধিকারীর এই মনোনয়ন পেশকে কেন্দ্র করে হাজরা মোড়ে এদিন ছিল উপচে পড়া ভিড়৷ গেরুয়া ঝান্ডায় ছেয়ে যায় এলাকা৷ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো৷ ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান সহযোগে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে রোড শো এগিয়ে যায়৷

    কালীঘাটে রোড-শো পৌঁছোতেই উত্তেজনা 

    শুভেন্দুর মনোনয়ন পেশ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে আলিপুর ও ভবানীপুর চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে মোতায়েন ছিল র‍্যাফ ও প্রচুর সংখ্যক পুলিশ কর্মী (West Bengal Assembly Election)। তা সত্ত্বেও, কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে বিজেপির মিছিল যাওয়ার সময় তৈরি হয় উত্তেজনা। বিজেপির রোড শোকে লক্ষ্য করে পাল্টা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা৷ স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা৷ যদিও পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন ছিল পুলিশ৷

    প্রচারগাড়ি থেকে নেমে পড়েন অমিত শাহ

    বিজেপির দাবি, অমিত শাহ-শুভেন্দুর রোড-শো যে পথ দিয়ে এগোনোর কথা, কালীঘাটে সেই পথের ধারে জড়ো হন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির মুখে জমায়েতও করেন তাঁরা। মুহুর্মুহু দেওয়া হয় স্লোগান। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের  সঙ্গে বচসা, তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। হাতাহাতিও হয়। তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সংঘাত এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে রোড শোয়ের প্রচারগাড়ি থেকে নেমে অন্য গাড়িতে চেপে সার্ভে বিল্ডিংয়ের দিকে রওনা দেন শাহ এবং শুভেন্দু। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। এর পর সার্ভে  বিল্ডিংয়ের কাছে মাইক বাজানো নিয়েও শুরু হয় বিবাদ। জানা গিয়েছে, এদিন সার্ভে বিল্ডিংয়ের কাছে জড়ো হওয়া তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা আচমকাই হামলা চালায় বিজেপির মিছিলে। জখম হন এক বিজেপি কর্মী। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে।  সেখানেও পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই ভবানীপুরের এই উত্তাপ বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, আগামী দিনগুলোতে এই কেন্দ্রে লড়াই হতে চলেছে অত্যন্ত সেয়ানে সেয়ানে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম দুই কেন্দ্রেই (West Bengal Assembly Election) লড়ছেন শুভেন্দু। তিনি কি আরও একবার ‘জায়ান্ট কিলারে’র তকমা পাবেন? উঠছে প্রশ্ন।

  • Amit Shah: “মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে”, হাজরার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

    Amit Shah: “মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে”, হাজরার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ভোট প্রচারে (West Bengal Elections 2026) ভবানীপুরে নেমে পড়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন বিজেপির হাইভোল্টেজ পদপ্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন করেছেন। একই ভাবে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের পক্ষে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর লড়াই বেশ জমজমাট। বিজেপির তরফে অবশ্য জয় নিয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। বৃহস্পতিবার হাজরা মোড়ে রাজ্যের তৃণমূলের শাসনের একাধিক বঞ্চনার কথা তুলে ধরে তোপ দেগেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো পরিবর্তন হবেই। ভবানীপুরে পরিবর্তন করতে হবে কি হবে না? আমি হাত জোড় করে আমাদের বলছি, পুরো রাজ্যের মুক্তির জন্য আমাদের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল জনমতে জয়ী করুন।”

    মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেন (Amit Shah)

    এদিন সকাল ১১ টা ৫০ মিনিটে হাজরায় সভা করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। আপাতত নির্বাচনের জন্য ১৫ দিন সময় দেবেন বিজেপির এই প্রবীণ নেতা। বাংলাকে জয় করতেই হজবে। তিনি তাই জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি শুভেন্দুদাকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। আর ওনার তো রেকর্ড আছেই। গত ভোটে মমতা পশ্চিমবঙ্গে সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু নন্দীগ্রামে শুভেন্দুদার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এ বার মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেনই, ভবানীপুরেও হারবেন (West Bengal Elections 2026)।”

    উল্লেখ্য গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে প্রার্থী হিসেবে হারলেও ক্ষমতায় বসে দল তৃণমূল। এই বার মমতার কেন্দ্রে হারিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে চাইছে বিজেপি। মমতাকে নিজের কেন্দ্রে ব্যাস্ত করে বাকি বিধানসভাগুলিতে বাজিমাত করা বিজেপির এখন বিশেষ কৌশল। তাই তৃণমূলকে শাসন ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গঠনের জন্যই ভোট চাইতে ময়দানে নেমে পড়েছেন শুভেন্দু।

    আমরা ১৭০ আসনে পৌঁছোব

    এই নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) ১৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা আগেই বেঁধে দিয়েছিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন মমতার পাড়ায় সভা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “একটা একটা করে আসন জিতে আমরা ১৭০ আসনে পৌঁছোব। তবেই তো পরিবর্তন হবে। কিন্তু আমার কাছে শর্টকাট আছে। ভবানীপুরবাসী একটি আসন জেতালেই পরিবর্তন নিজে থেকেই হয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হতে হবে। মোদিজির নেতৃত্বে এখানে বিজেপির সরকার তৈরি করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তকে সিল করে এ রাজ্য এবং গোটা দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে দেশ থেকে তাড়াতে হবে।”

    মমতাকে টাটা বাইবাই করে দিন

    হাজরার মঞ্চ থেকে বক্তৃতা করছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভোটে ১৫ দিন আমি এ রাজ্যেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার অনেক সুযোগ পাব। আজ আমাদের প্রার্থীদের, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নের জন্য আমি এসেছি। আজ এসেছি মনোনয়ন পত্র জমা করতে। মমতাকে টাটা বাইবাই করে দিন। যারা তৃণমূল শাসনে তোলাবাজি, গুণ্ডাগিরি, নারী সুরক্ষা, অনুপ্রবেশ, গোলা বন্দুক বোমাবাজির শিকার হয়েছেন তাঁদের বলব এই সব ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিতে হবে। বাংলার মানুষের পরিবর্তন দরকার। ভাবানীপুর (West Bengal Elections 2026) থেকে শুভেন্দু অধিকারী, রাসবিহারী থেকে ডক্টর স্বপ্ন দাসগুপ্ত, বালিগঞ্জএ শতরূপা বোস, চৌরঙ্গী থেকে সন্তোষ পাঠককে বিশেষ ভাবে শুভেচ্ছা জানাই।

    কেন পাখির চোখ ভবানীপুর? 

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের চারণভূমি হওয়ায় এই কেন্দ্রটিকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। শাহের এই মন্তব্য মূলত দলের নিচুতলার কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি করার একটি কৌশল। তিনি কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, যেন প্রতিটি বুথ স্তরে পৌঁছে মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল এবং রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়। রাজ্য রাজনীতির এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে ভবানীপুর যে আগামী দিনে মূল কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বার্তায় তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে পাখির চোখ করে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে এক বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি। শাহের দাবি, বিজেপি যদি ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়লাভ করতে পারে, তবে পশ্চিমবঙ্গ দখল করা কেবল সময়ের অপেক্ষা।

  • Supreme Court: কালিয়াচক নিয়ে কড়া সুপ্রিম কোর্ট, সিবিআই বা এনআইএকে দিয়ে তদন্ত, শোকজ মুখ্যসচিব সহ চারজনকে

    Supreme Court: কালিয়াচক নিয়ে কড়া সুপ্রিম কোর্ট, সিবিআই বা এনআইএকে দিয়ে তদন্ত, শোকজ মুখ্যসচিব সহ চারজনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভের নামে মালদার কালিয়াচকে গ্রামবাসীর হাতে তিন মহিলা সহ সাত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের বন্দি হওয়ার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। সাত বিচারককে প্রায় ১০ ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মালদার ঘটনাকে বিচার ব্যবস্থার ওপর ‘নির্লজ্জ হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে, বিষয়টিকে ‘কর্তব্যে গাফিলতির চরম নির্দশন’ উল্লেখ করে সিবিআই বা এনআইএকে দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। পাশাপাশি, রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, মালদার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে শোকজও করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    ঠিক কী ঘটেছিল কালিয়াচকে?

    এসআইআর- এর তালিকায় নাম নেই, এর প্রতিবাদে বুধবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল মালদার কালিয়াচকের মোথাবাড়ি। কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। জনরোষ আছড়ে পড়ে এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের উপর। যার জেরে রাতদুপুরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে মালদার কালিয়াচক। বিক্ষোভকারী জনতা দীর্ঘক্ষণ ধরে কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে আটকে রাখেন সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত কালিয়াচকে দীর্ঘক্ষণ ধরে আটকে রাখা হয়েছিল তিন মহিলা সহ সাত বিচারককে। বেলা যত গড়াতে থাকে (Kaliachak Incident), ততই লোকে-লোকারণ্য হয়ে পড়ে এলাকা। প্রায় ১০ ঘণ্টা পর মধ্যরাতের পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে ওই বিচারকদের। এমনকী, উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও পুলিশের কনভয়ে হামলার চেষ্টা করা হয়ে বিডিও অফিসের গেট আটকে দেয় আন্দোলনকারীরা। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, লাগানো হয় আগুনও। ঘটনাটি কমিশন কলকাতা হাইকোর্টকে জানালে, হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টকে অবগত করে।

    “নির্লজ্জ হামলা’, সুপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”

    আজ, বৃহস্পতিবার বিষয়টি আনা হয় সুপ্রিম কোর্টের গোচরে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চেই উত্থাপিত হয় এই বিষয়টি। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই ঘটনাকে বিচার ব্যবস্থার ওপর একটি ‘নির্লজ্জ হামলা’ এবং আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানানোর চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় জানান, এটি কোনও সাধারণ ঘটনা নয়, বরং বিচারাধীন অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া থামিয়ে দিতে এবং বিচারকদের মনোবল ভেঙে দিতে এটি একটি সুপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ। বেঞ্চের অপর সদস্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর মন্তব্য, “আরও নজরদারির প্রয়োজন ছিল।” সুপ্রিম কোর্ট সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বিচারকদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক হামলা চালিয়ে আইনের শাসনকে বুড়ো আঙুল দেখানো কাউকেই বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে একে ‘ক্রিমিনাল কনটেম্পট’ বা ফৌজদারি আদালত অবমাননা হিসেবে গণ্য করা হবে।

    প্রশাসনের আচরণে অত্যন্ত বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    কালিয়াচকের ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের আচরণে অত্যন্ত বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে আমরা একটি চিঠি পেয়েছি। গতকাল রাতে আমাদের মধ্যে কয়েকজনকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানানো হয় যে, মালদা জেলার কালিয়াচক এলাকায় তিন মহিলা-সহ মোট সাতজন বিচারককে দুষ্কৃতীরা ঘেরাও করে রেখেছিল। ঘেরাও শুরু হয়েছিল বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে।” ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন (Supreme Court), “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তাঁর চিঠিতে জানান, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার—কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে ফোন করতে হয়েছিল।”

    “সব থেকে পোলারাইজড রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ”

    প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “এই ঘটনা কোনও অপরাধের থেকে কম নয়। আমরা কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেব না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজের দায়িত্ব পালন করেনি। তাদের গাফিলতির প্রমাণ এতে রয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের যোগাযোগ করার পরেও কেন তারা কোনও পদক্ষেপ করলেন না সে বিষয়ে তাদের জবাব দিতে হবে।” শুধু তাই নয়, পশ্চিমবঙ্গকে ‘মোস্ট পোলারাইজড স্টেট’ বলে উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷ প্রধান বিচারপতি বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত আপনার রাজ্যে সবাই রাজনীতির ভাষায় কথা বলেন। সব থেকে পোলারাইজড রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। আপনি কী ভাবছেন কারা এসব করছে আমরা বুঝি না? আমরা রাত দুটো পর্যন্ত সব কিছুর উপর নজর রেখেছি। খুব খুব দুঃখজনক ঘটনা।”

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি 

    প্রধান বিচারপতি এও বলেন, “অন্যান্য সিনিয়র বিচারপতিরা যোগাযোগ রাখছিলেন। রাত বারোটার পর তাঁরা মুক্ত হন। পরে যখন তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন, তখনও তাঁদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে মারা হয়, ছোড়া হয় পাথরও।” নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ডিস্ট্রিক্ট জাজদের নির্দেশও দেন প্রধান বিচারপতি (Kaliachak Incident)। এদিন বিরক্ত প্রকাশ করে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারির প্রয়োজন ছিল।”  গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমিশনের ওপরই আস্থা রাখে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বাগচী বলেন, “কমিশনকে প্রয়োজনীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।”  নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে শীর্ষ আদালতের পরামর্শ, রাজ্য প্রশাসনকে এই জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ যাতে মসৃণভাবে হয় তা সুনিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ করতে হবে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন এই ঘটনা জুডিশিয়াল অফিসারদের ওপর ব্যাপক ভয়ের প্রভাব ফেলবে। আমরা প্রধান বিচারপতির চিঠি দেখে অত্যন্ত হতাশ (Supreme Court)।”

    রাজ্য সরকারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার উদাহরণ

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “এর আগে নির্দেশ দিয়ে আমরা বলেছিলাম, এসআইআর প্রক্রিয়ায় আপত্তি নিষ্পত্তির দায়িত্ব বিচারকদের দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই ঘটনা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার উদাহরণ। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের জানাতে হবে, কেন বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও তাঁরা বিচারকদের নিরাপদে সরিয়ে (Kaliachak Incident) নেওয়ার ব্যবস্থা করেননি?” পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত, মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কপূর, মালদা পুলিশ সুপার অনুপম সিংকে শোকজের নির্দেশ দিল সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। তাঁর বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হবে না, সেই কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। আগামী সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলাটি ফের শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। ওই দিন শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাজির থাকতে হবে এই চারজনকে। পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ— ঘটনার তদন্ত সিবিআই কিংবা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র মতো স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে করাতে হবে। যে সংস্থার উপর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তারা সরাসরি এই আদালতে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে বাধ্য থাকবে। শুধু তাই নয়। পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে সেগুলি সেই সব জায়গায় মোতায়েন করতে হবে, যেখানে বিচারকেরা আপত্তি নিষ্পত্তির কাজ করছেন।

  • Bangladeshi: ভোট আবহে জলপাইগুড়িতে ১৪ বাংলাদেশিকে ধরল আরপিএফ, উদ্ধার জাল আধার ও বিদেশি মুদ্রা

    Bangladeshi: ভোট আবহে জলপাইগুড়িতে ১৪ বাংলাদেশিকে ধরল আরপিএফ, উদ্ধার জাল আধার ও বিদেশি মুদ্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে দিল্লিগামী নর্থ-ইস্ট এক্সপ্রেস থেকে চারজন মহিলা এবং চারজন শিশুসহ মোট ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল আধার (Fake Aadhaar Card) এবং আরও নথি। উদ্ধার হয়েছে বিদেশি মুদ্রাও।

    ট্রেনের রুটিন তল্লাশির সময় আটক (Bangladeshi)

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধৃত বাংলাদেশিদের (Bangladeshi) কাছ থেকে জাল আধার কার্ড এবং মালয়েশিয়ান মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। আরপিএফ ইন্সপেক্টর বিপ্লব দত্ত জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এবং ট্রেনের রুটিন তল্লাশির সময় এই ব্যক্তিদের আটক করা হয়। সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এবং নথিপত্র পরীক্ষা করলে দেখা যায় যে তাদের আধার কার্ডগুলো জাল। তদন্তে জানা গেছে, ধৃতরা সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক এবং কাজের সন্ধানে কাশ্মীর যাচ্ছিলেন। এই ঘটনায় ৫ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা এবং ৪ জন শিশুকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আধার কার্ডগুলো আসল নাকি বেআইনিভাবে (Fake Aadhaar Card) তৈরি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ভুয়ো মেডিকেল ভিসা ব্যবহার

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। গত ১৩ মার্চ ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশের ফরেনার্স সেল, যারা ভুয়ো মেডিক্যাল ভিসা ব্যবহার করে ভারতে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জলপাইগুড়িতে ধৃত এই ১৪ জনের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অভিযানের জন্য ফরেনার সেলের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছিল। একটি বিশেষ যাচাই অভিযান চলাকালে দলটি কিছু বাংলাদেশি নাগরিক (Bangladeshi) সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়, যারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। আরও জানা গেছে যে, ভারতে থাকার জন্য কোনও বৈধ কাগজপত্র (Fake Aadhaar Card) না থাকা সত্ত্বেও এই ব্যক্তিরা বুলগেরিয়ার জন্য মেডিক্যাল ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

  • ED Raid In Kolkata: ভোটের আগে শহরে সক্রিয় ইডি! সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র, ব্যবসায়ীর ঘরে নগদ কোটি টাকা উদ্ধার

    ED Raid In Kolkata: ভোটের আগে শহরে সক্রিয় ইডি! সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র, ব্যবসায়ীর ঘরে নগদ কোটি টাকা উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশিতে খাস কলকাতায় মিলল বিপুল নগদ টাকা। বুধবার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে নগদ ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি (ED Raid In Kolkata )। জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। বুধবার সকাল থেকে ইডি হানা দেয় নির্মাণ সংস্থার অফিসে। একসঙ্গে ছয় জায়গায় তল্লাশি চালানো হয় এদিন। তল্লাশি চালানো হয় বালিগঞ্জের ‘ত্রাস’ সোনা পাপ্পু বাড়িতেও।

    ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই তল্লাশির মূল লক্ষ ছিল আর্থিক প্রতারণা মামলার (Money Laundering Case) ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়ি। জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পুর ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র। কিছুদিন আগে, গোলপার্কের (Golpark) কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় সোনা পাপ্পুকে। রাসবিহারির বিধায়ক দেবাশিষ কুমারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই সোনা পাপ্পু। ঘটনাচক্রে, সোমবার ইডি ডেকে পাঠায় দেবাশিষ কুমারকে। তারপরেই এই তল্লাশি অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অভিযোগ, নির্মাণকাজের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছে সোনা পাপ্পু আর সেই টাকা তিনি পৌঁছে দিতেন প্রভাবশালীদের কাছে।

     তৃণমূলের নির্বাচনে খরচ, অভিযোগ শুভেন্দুর

    সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ রাহুল দাসের বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডি। কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে তল্লাশি চলে দীর্ঘক্ষণ। তল্লাশি চলে নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের বেহালার বাড়িতেও। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই টাকার উৎস কী, তা জানাতে পারেননি ওই ব্যবসায়ী। জয় কামদার সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ বলেই জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে শাসক দলের নেতাদের যোগও সামনে আসছে। বিভিন্ন সময়ে একাধিক শাসক দলের অনুষ্ঠানেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, দেবাশিষ কুমার, জাভেদ খানকে অ্যারেস্ট করতে হবে। এই টাকা তৃণমূলের নির্বাচনে খরচ করার জন্য রাখা ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ নম্বর ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের কাজ করে সোনা পাপ্পু।

  • SIR: এসআইআরে নাম নেই, মালদায় তাণ্ডব, সাত বিচারককে আটকে রেখে বিক্ষোভ, গভীর রাতে উদ্ধার

    SIR: এসআইআরে নাম নেই, মালদায় তাণ্ডব, সাত বিচারককে আটকে রেখে বিক্ষোভ, গভীর রাতে উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরে (SIR) নাম না থাকায় বুধবার কার্যত তাণ্ডব চলল মালদার (Malda) কালিয়াচকে। সাত বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পরে মধ্যরাতে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও পুলিশের কনভয়ে হামলার চেষ্টা করা হয়ে বিডিও অফিসের গেট আটকে দেয় আন্দোলনকারীরা। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, লাগানো হয় আগুনও। পরে, পুলিশ গিয়ে বিচারকদের উদ্ধার করে।

    সাত বিচারককে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার অভিযোগ (SIR)

    বুধবার সকাল থেকেই কালিয়াচক ২ নম্বর বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ চলছিল। এসআইআরে নাম বাদ পড়ায় এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শন চলছিল। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভের পাশাপাশি, বিডিও অফিসের গেট আটকেও দিয়ে চলে বিক্ষোভ। জেলার একাধিক জায়গায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় বুধবার দুপুর থেকেই। এর মধ্যেই খবর আসে, সাত বিচারক দুপুর থেকে দীর্ঘক্ষণ আটকে পড়েছেন বিডিও অফিসেই। ওই বিচারকরা ট্রাইবুনালের কাজে সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ওই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। সেই সময় উন্মত্ত জনতা ইট-পাটকেল ছোড়ে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে। পুরো ঘটনাটির একটি ভিডিও পোস্ট করেছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। তাতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের গাড়ির সিটে পড়ে রয়েছে কাচের টুকরো। জানা গিয়েছে, বিকেল ৪টে থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আটকে ছিলেন বিচারকরা।

    পুলিশের কনভয়েও হামলার চেষ্টা

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, জুডিশিয়াল অফিসারদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের কনভয়েও হামলার চেষ্টা করা হয়। রাস্তায় বাঁশ ফেলে চেষ্টা করা হয় পুলিশের কনভয় আটকানোর। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছে শুধু তাই নয়, বিচারকদের যখন উদ্ধার করে আনা হচ্ছিল সেই সময় রাস্তায় বাঁশ ফেলে কনভয় আটকানোর চেষ্টা করা হয়। মহিলা বিচারকদের শারীরিকভাবে হেনস্থার চেষ্টা করা হয়েছে। সবটাই তৃণমূলের উস্কানি (SIR)।”

     রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    প্রসঙ্গত, প্রায় একদিন ছাড়া সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট বের করছে নির্বাচন কমিশন। এখনও অবধি প্রায় ২২ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে সূত্রের খবর। তারই প্রতিবাদে ধীরে-ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদায়। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, মূলত তাঁরাই প্রথম পথে নামেন। কালিয়াচকের ওই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কমিশন (SIR)। কমিশন সূত্রে খবর, পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালকেও। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, গত ২৩ মার্চ জেলা প্রশাসনের কাছে গন্ডগোলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। নিষ্পত্তির কাজ ব্লক অফিস থেকে জেলাশাসকের অফিসে সরানোর জন্য আগেই জেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছিল। অভিযোগ, জানানোর পরেও জেলা প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

  • Suvendu Adhikari: “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই, দিনকাল বদলে গিয়েছে”, নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই, দিনকাল বদলে গিয়েছে”, নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে নির্বাচনী প্রচারের সময়ে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) লক্ষ্য করে করা কটূক্তিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, শাসক (West Bengal Elections 2026) শিবিরের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি নির্দিষ্ট স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী— উভয় পক্ষের মধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।

    পরিস্থিতিকে কিছুটা উত্তেজিত করে (Suvendu Adhikari)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যখন নন্দীগ্রামের একটি নির্দিষ্ট এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এই স্লোগানটি বর্তমানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে পরিচিত। বিরোধী দলনেতার উপস্থিতিতে এই ধরণের স্লোগান প্রদান পরিস্থিতিকে কিছুটা উত্তেজিত (West Bengal Elections 2026) করে তোলে।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। স্লোগান শুনে তিনি গাড়ি থেকে নেমে পড়েন এবং যারা স্লোগান দিচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই। দিনকাল বদলে গিয়েছে। এই রকম করবেন না। সবার কাছে যাওয়ার অধিকার আমার আছে। আমাকে দেখে এমন করবেন না। আমি সব মুসলিম বাড়িতে যাব। আমার এমএলএ অফিস থেকে সবাই সাহায্য পেয়েছে।” এই ধরণের স্লোগান প্রদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বিষয়টিকে (West Bengal Elections 2026) গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, নন্দীগ্রামের মানুষই এর উপযুক্ত জবাব দেবেন। তাঁর মতে, পরিকল্পিতভাবেই তাঁর যাত্রাপথে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ‘জয় বাংলা’ কোনও নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং এটি বাঙালির আবেগের প্রতিফলন। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই স্লোগান দিয়েছেন এবং এতে অন্যায়ের কিছু নেই। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, পুলিশের উপস্থিতিতেই বিরোধী দলনেতাকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে এই জমায়েত করা হয়েছিল। এটি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতারই বহিঃপ্রকাশ (West Bengal Elections 2026)।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার পর থেকে নন্দীগ্রামের ওই এলাকায় পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের (West Bengal Elections 2026) মাটি যে পুনরায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, এই ঘটনা তারই ইঙ্গিতবাহী।

  • West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) উপলক্ষে কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত জনসভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রশাসনিক এবং কৌশলগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ১ এপ্রিল আলিপুরদুয়ার শহরে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা এবং ৫ এপ্রিল কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জনসভা। পদ্ম শিবির দুই কর্মসূচিতেই বড়সড়ো জমায়েতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোট প্রচারে উত্তরবঙ্গে বিজেপির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। যদিও উত্তরবঙ্গে বিজেপি গত লোকসভা ভোটেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ (West Bengal Elections 2026)

    প্রাথমিকভাবে কোচবিহারের একটি নির্দিষ্ট মাঠে এই সভার পরিকল্পনা করা হলেও, দর্শক সমাগম এবং নিরাপত্তার খাতিরে এখন অন্য একটি বড় প্রাঙ্গণ বেছে নেওয়া হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের মতে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভায় যে পরিমাণ মানুষের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তা সামাল দিতে আরও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন ছিল। নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ এবং সভার প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

    প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা

    বিজেপির রাজ্য ও জেলা স্তরের শীর্ষ নেতারা নিয়মিত সভাস্থল পরিদর্শন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি (SPG) আধিকারিকরাও ইতিমধ্যে কোচবিহারে পৌঁছেছেন এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছেন। সভাস্থলের চারপাশ সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে এবং ড্রোন নজরদারির পরিকল্পনাও রয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, ১ এপ্রিল বিজেপির পাঁচ প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) একসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ১০ হাজার মানুষের জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই পাঁচ হাজার জমায়েতের কথা বলা হয়েছে। জেলা সদর এই বিধানসভার মধ্যেই রয়েছে। জেলা সভাপতি মিঠু দাস বলেন, “দুটো কর্মসূচিই আমাদের কাছে বড়। সেগুলো সফল করতে বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা চলছে। দুটো কর্মসূচিই সফল হবে।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে মোদির (PM Modi) এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সভায় প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই দুই জেলার প্রার্থীদের সমর্থনে কোচবিহার রাসমেলার মাঠে বিজেপির জনসভা হবে। সেখানে আলিপুরদুয়ার থেকে ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে যাওয়ার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। সেইমতো বিভিন্ন মণ্ডলে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাবুলাল সাহা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় জেলার সব বুথ থেকেই মানুষজন যাবে। সমস্ত বুথ থেকে ২০-২৫ জন করে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।”

    মনোনয়ন জমা ও রোড শো

    দলীয় পরিকল্পনানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভার ঠিক পরেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে মহকুমা শাসকের দফতরে মনোনয়ন জমা দেবেন। এই মিছিলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের জনসমর্থন তুলে ধরাই এই ‘মেগা প্ল্যান’-এর মূল উদ্দেশ্য।

    প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক বৈঠক

    কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যেই জেলা কমিটির পক্ষ থেকে একাধিক ব্লক ও বুথ স্তরের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সুশৃঙ্খলভাবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করা হয়। পুলিশের সঙ্গেও প্রয়োজনীয় সমন্বয় রক্ষা করা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

    বুধবার বিজেপির পাঁচ প্রার্থী নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শহরের চৌপথি এলাকায় বিএম ক্লাবের মাঠে একত্রিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেখান থেকে মিছিল করে নেতা কর্মীরা আসবেন ডুয়ার্সকন্যায়। মনোনয়নপত্র দেওয়ার মিছিলে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ থাকবেন না। তবে রাজ্যের নেতাদের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হাতে সময় কম থাকায় এই কর্মসূচি সফল করতে বিজেপিতে কাজের বিভাজন করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিজেপি এই ধরণের বড় মাপের কর্মসূচি গ্রহণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরের ঠিক পরেই এই মনোনয়ন জমা দেওয়ার কৌশলটি জনমানসে বাড়তি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share