Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Recruitment Scam: ‘‘হচ্ছেটা কী?’’ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের রাজ্যকে ভর্ৎসনা বিচারপতি বসুর

    Recruitment Scam: ‘‘হচ্ছেটা কী?’’ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের রাজ্যকে ভর্ৎসনা বিচারপতি বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে ফের বিচারপতির তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য সরকার ৷ সোমবার গোথা হাইস্কুল মামলায় তদন্তকারী সিটের সদস্যরা কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হাজিরা দেন। কিন্তু সকল ডিআই-দের রিপোর্ট জমা দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। এরপরই নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে রাজ্যের উদাসীনতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এদিন এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হতে তুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিচারপতি।

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    শিক্ষকের নিয়োগে (Recruitment Scam) বেনিয়মের অভিযোগ যাচাই করতে তদন্ত করছে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট)। এদিন সংশ্লিষ্ট মামলাটিতে রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু প্রশ্ন তোলেন, “সিআইডি কী তদন্ত করছে? তিনজনের সিট গঠিত হয়েছে। সুতি সহ আরও যে অভিযোগ জমা পড়েছে সেই তদন্ত কতদূর এগিয়েছে? স্কুল সার্ভিস কমিশনের পশ্চিমাঞ্চলের চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন শেখ কি গ্রেফতার হয়েছেন?” উত্তরে রাজ্য সরকারের আইনজীবী রুদ্র নন্দী জানান, “সিটের সদস্যদের কাছে অভিযোগের ভিত্তিতে তারা তদন্ত করছে। গোথা হাই স্কুলে বাবা ও ছেলে গ্রেফতার হয়েছে। আব্দুল রাকিবকে সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে। সকলেই এই স্কুলের শিক্ষক ও ক্লার্ক হিসাবে কাজ করতেন। এছাড়াও জাসমিনা খাতুন নামে আর একজন গ্রেফতার হয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, আজ তিন রাজ্যের ১৫ আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন

    ক্ষোভ প্রকাশ বিচারপতির

    বিচারপতি বসু বলেন, “সমস্ত জেলার ডিআইদের রিপোর্ট কোথায়? আদালত জানতে চায় তারা কী তথ্য দিচ্ছে?” রাজ্যের তরফে জানানো হয়, রিপোর্ট তৈরি হলেও এই মুহূর্তে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আরও সময় দেওয়া হোক। রাজ্যের বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, “কী অদ্ভুত! আমি কীভাবে অ্যাডভোকেট জেনারেলকে আমার প্রশ্নগুলো করব? আজ সেই রিপোর্ট নিয়ে এলে মামলাটা এগিয়ে যেত। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম এত উদাসীন! হচ্ছেটা কী?” এরপর রাজ্যকে সতর্ক করে রাজ্যের আবেদনে সাড়া দিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সময় দিয়েছে আদালত (Calcutta High Court)। আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিন ডিআই-দের রিপোর্টের সঙ্গে রাজ্যকে মামলার কেস ডায়েরি জমা দিতে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দির ভাঙচুরের দাবি করে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় বিজেপি নেতা শুভেন্দুর অভিযোগ, হিন্দু সনাতনী মন্দিরে ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ গা ছাড়া ভাবের জন্যই সনাতনীদের উপর বারবার আক্রমণ করার সাহস দেখাচ্ছে দুস্কৃতীরা। খবর জানাজানি হতেই প্রতিবাদে এলাকার মানুষ তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

    উল্লেখ্য হাওড়া শহর অঞ্চলে গত বছর রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এবং আইনের শাসন নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিল বিজেপি। এই মামলা পরবর্তীকালে হাইকোর্টে গড়ায় এবং তারপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। একবার ফের হাওড়ায় হিন্দু সমাজ আক্রান্ত হল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    সোমবার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ায় মোট ৫টি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে হাওড়ায় রেল অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে ঘটনার ছবি এবং সিসিটিবি ফুটেজ প্রকাশ করে এই ঘটনার সত্যতার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিককের কাছে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন তিনি।

    সামজিক মধ্যমে কী বললেন শুভেন্দু?

    হাওড়ায় হিন্দু মন্দিরের ভাঙচুরের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন শুভেন্দু। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মন্দির পুরোপুরি লন্ডভণ্ড হয়ে আছে। অপর দিকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কম বয়সী কিশোর ও যুবক মাথায় সাদা টুপি পড়ে মন্দিরে ভাঙচুর চালাচ্ছে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় প্রচুর পুলিশ এসে পৌঁছায়। ঘটনার কথা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গতকাল রাতে হাওড়ার বাঁকড়ায় ৫টি মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। প্রতিবাদে স্থানীয়রা রাস্তায় নামেন। হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে অনুরোধ করেছি। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা দেশজুড়ে ৫৫৪টি রেল স্টেশন এবং ১৫৮৫টি রোড ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাশের পুনর্বিকাশ-এর জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন। প্রধানমন্ত্রীর ‘অমৃত ভারত’ (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পের অধীনেই স্টেশনগুলি তৈরি হবে। পুনর্বিকাশ কর্মসূচির মধ্যে এই রাজ্যে মোট ৪৫টি স্টেশন রয়েছে। তার মধ্যে হুগলির (Hooghly) ব্যান্ডেল জংশনের জন্য সবচেয়ে বেশি মোট ৩০৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানা গিয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার ব্যান্ডেলে যান রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।

    পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন (Amrit Bharat Rail Station)

    অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে গোটা দেশে ১২৭৫টি স্টেশন আধুনিকীকরণরের পরিকল্পনা নিয়েছে রেলমন্ত্রক। সোমবার ৫৫০টি অমৃত ভারত স্টেশন নির্মাণ ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন হবে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে। তার মধ্যে হাওড়া মেইন শাখার ব্যান্ডেল-সহ ৮টি স্টেশন এই প্রকল্পের আওতায়। এদিন ব্যান্ডেল শরৎচন্দ্র রেলওয়ে ইনস্টিটিউট-এ রেলের তরফে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ডিজিটাল মাধ্যমে দেখানো হয়। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশন অমৃত ভারত প্রকল্পে উন্নয়নে বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৭০৪ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর শিলান্যাস অনুষ্ঠান শুরুর আগে ব্যান্ডেল স্টেশনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    বাংলায় আর কোন কোন স্টেশন তালিকায় (Hooghly) 

    বাংলার যে গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনগুলি অমৃত ভারতের (Amrit Bharat Rail Station) আওতায় আসবে তা হল, চন্দননগর, ডানকুনি, নৈহাটি, গেদে, বনগাঁ, বালুরঘাট, সহ একাধিক স্টেশন। সবকটি স্টেশনকে আধুনিকতার মোড়কে মুড়ে ফেলা হবে। হুগলির (Hooghly) চন্দননগর স্টেশনের আধুনিকীকরণের খরচ হবে ১৮ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ডানকুনি স্টেশন নতুন করে সাজাতে খরচ হবে ১৫ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। আবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় নদিয়ার গেদে স্টেশনকে সাজিয়ে তোলা হবে। এই স্টেশনের জন্য খরচ হবে ১৮ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। একই ভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ স্টেশনের জন্য সাজিয়ে তুলতে খরচ করা হবে মোট ২৮ কোটি টাকা। আবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট স্টেশন সাজাতে খরচ হবে ২৪ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা। স্টেশনে থাকবে চলমান সিড়ি থেকে শুরু করে ফুড কোর্ট, স্টেশন চত্বরে ঢোকা বেরনোর জন্য আলাদা যাতায়াতের পথ-সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হবে। এর পাশাপাশি উন্নতমানের পার্কিং-এর ব্যবস্থাও থাকবে।

    কী বললেন রাজ্যপাল

    অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার সকালেই কলকাতা থেকে ‘স্পেশাল ট্রেন’-এ ব্যান্ডেলে (Hooghly) যান রাজ্যপাল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেলের জিএম মিলিন্দ কে দেওস্কর। অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে সেজে উঠবে ব্যান্ডেল স্টেশন। রাজ্যপাল আগে কলকাতা থেকে দার্জিলিংয়ের রাজভবনে অতিথিদের নিয়ে যাতায়াতের জন্য ‘শান্তি এবং সম্প্রীতি’ ট্রেন চালু করার আবেদন করেছিলেন। ব্যান্ডেলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘প্রতি বছর দার্জিলিংয়ে চা উৎসব হয়। সেই উপলক্ষে সেখানে শিশু, যুবক, মহিলা খেলোয়াড় থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ কলকাতার রাজভবন থেকে দার্জিলিং রাজভবনের অতিথি হন। তাঁদের জন্য প্রতি বছর একটি বিশেষ ট্রেন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি রেল কর্তৃপক্ষকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lion Akbar Lioness Sita: সিংহ-সিংহীর নামকরণ করার দায়ে সাসপেন্ড ত্রিপুরার বনকর্তা

    Lion Akbar Lioness Sita: সিংহ-সিংহীর নামকরণ করার দায়ে সাসপেন্ড ত্রিপুরার বনকর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহ-সিংহীর নামকরণ করার দায়ে সাসপেন্ড করা হল ত্রিপুরার এক বনকর্তাকে। সিংহ-সিংহীর নামকরণ (Lion Akbar Lioness Sita) বিতর্কের জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। কেন সিংহের নাম আকবর রাখা হয়েছে, কেনই বা সিংহীর নাম সীতা, একই এনক্লোজারে কেন রাখা হয়েছে তাদের এসব প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    ভিএইচপির দাবি

    তাদের দাবি, রাজ্যের বন দফতর সিংহ ও সিংহীর নামকরণ করেছে। একই এনক্লোজারে রেখে অবমাননা করেছে ধর্মের। হাইকোর্টে করা মামলায় যুক্ত করা হয়েছে রাজ্যের বন দফতর ও জলপাইগুড়ি সাফারি পার্কের ডিরেক্টরকে। বিতর্ক এড়াতে রাজ্যকে নাম বদলের পরামর্শ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ।

    কী বলছে আদালত?

    শুনানি চলাকালীন বিচারপতি ভট্টাচার্যের বেঞ্চের মন্তব্য, “কারা (Lion Akbar Lioness Sita) এই নাম রেখেছেন? এত বিতর্ক কারা তৈরি করছেন? কোনও পশুর নাম কি কোনও দেবতা, পৌরাণিক নায়ক, স্বাধীনতা সংগ্রামী অথবা নোবেলজয়ী ব্যক্তির নামে রাখা যায়? সিংহ ও সিংহীর নাম আকবর ও সীতা রেখে শুধু শুধু বিতর্ক ডেকে আনা হয়েছে। এই বিতর্ক এড়ানো যেত। শুধু সীতা নয়, আকবর নামটিও রাখা উচিত নয়। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের মহান সম্রাট ছিলেন। অত্যন্ত দক্ষ ও ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলেন। রাজ্যের উচিত ছিল এই ধরনের নামের বিরোধিতা করা।”

    আরও পড়ুুন: “স্বপ্ন পূরণে দিনরাত কাজ করে চলেছে ভারত”, রেলের অনুষ্ঠানে বললেন মোদি

    প্রসঙ্গত, ১৩ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরার বিশালগড়ের সিপাহিজলা জুলজিক্যাল পার্ক থেকে শিলিগুড়ির সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হয় ওই সিংহ দম্পতিকে। বাংলার বন দফতর জানিয়ে দেয়, ওই সিংহ-সিংহীর নামকরণ করা হয়েছে ত্রিপুরায়ই। এমতাবস্থায় শনিবার ত্রিপুরার মুখ্য বন সংরক্ষণবিদ (বন্যপ্রাণ ও পর্যটন) প্রবীণ লাল আগরওয়ালকে সাসপেন্ড করেছে ত্রিপুরা সরকার। সাসপেন্ডেড ওই বনকর্তার কাছে সিংহ-সিংহীর এমনতর নামকরণের কারণ জানতে চেয়েছে ত্রিপুরা সরকার। যদিও সিংহ যুগলের (Lion Akbar Lioness Sita) এহেন নাম দেননি বলেই দাবি তাঁর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: “অত লোকের সামনে আমাকে উলঙ্গ করে দিল সিরাজেরা”, বিস্ফোরক নির্যাতিতা

    Sandeshkhali: “অত লোকের সামনে আমাকে উলঙ্গ করে দিল সিরাজেরা”, বিস্ফোরক নির্যাতিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সবার সামনে আমাকে উলঙ্গ করল, শাহজাহান-শিবু-উত্তম-সিরাজ-শঙ্কর সামনে রেখে চলত অত্যাচার।’ ঠিক এই ভাবে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নির্যাতিতা। ইতিমধ্যে সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি গ্রেফতার হয়েছেন। একই ভাবে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা শঙ্কর সর্দার। প্রতিবাদী মহিলাদের আন্দোলনে ফের একবার উত্তাল গোটা এলাকা।

    উলঙ্গ করার অভিযোগ (Sandeshkhali)

    সোমাবার সকাল থেকে আবার উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। বেড়মজুর এলাকায় ফের মহিলারা হাতে লাঠি, বাঁশ নিয়ে রাস্তায় নামেন। নির্যাতিতা, নিগৃহীত মহিলাদের ক্ষোভ ছিল শঙ্কর সর্দারের বিরুদ্ধে। যে কোনও সমস্যা মেটাতে গেলে যেতে হতো শাহজাহানের ভাই সিরাজের কাছে। তারপর চলত সেখানে যৌননিগ্রহ। গ্রামের এক নির্যাতিতার বক্তব্য, “গত বেশ কয়েক মাস আগের ঘটনা, আমাদের পরিবারে সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সিরাজের কাছে। সঙ্গে ছিল অজিত মাইতি। কোষাধ্যক্ষ এবং আরও অনেক মহিলা ছিল। অত লোকের সামনে আমাকে উলঙ্গ করে দিল সিরাজেরা। সেই সময় আমি একা হয়ে গিয়েছিলাম। ভয়ে কাউকে জানাতে পারিনি। আমার পাশে কেউ এসে দাঁড়ায়নি। আমার কোলে বাচ্চা ছিল দিদির কাছে। সেই বাচ্চাকেও ব্যাপক মারধর করা হয়। পারিবারিক বিবাদ মেটানোর নাম করে আমার শ্লীতাহানি করে শঙ্কর-সিরাজেরা।”

    শঙ্করের বাড়িতে জনরোষ

    শঙ্করের গ্রেফতারে পর ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। নির্যাতিত মহিলাদের ক্ষোভের উত্তাপ গিয়ে পড়ে শঙ্করের পরিবারের উপর। বাড়িতে চলে ব্যাপক ভাঙচুর। খড়ের গাদায় লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। শঙ্করের পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এলাকার নিগৃহীতদের বক্তব্য, “আমাদের উপর যখন আক্রমণ হয় সেই সময় ওঁরা বুঝতে পারেনি অত্যাচার কাকে বলে। এবার বুঝুক।”

    অপর দিকে গতকাল বজবজে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন শাজাহানকে গ্রেফতারে হাইকোর্টের স্থাগিতাদেশ রয়েছে। অপরে আজ সোমবার হাইকোর্ট একটি মামলার শুনানিতে স্পষ্ট হয় করে গ্রেফতারে কোনও স্থগিতাদেশ নেই। এরপর রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুনাল ঘোষ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে জানিয়েছেন আগামী ৭ দিনের মধ্যে শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সুন্দরবনে অবৈধভাবে ম্যানগ্রোভ অরণ্য কেটে চলছে ট্রলারঘাট নির্মাণ

    South 24 Parganas: সুন্দরবনে অবৈধভাবে ম্যানগ্রোভ অরণ্য কেটে চলছে ট্রলারঘাট নির্মাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে অবৈধভাবে ম্যানগ্রোভ অরণ্য কেটে নদীর গতিপথ রুদ্ধ করে চলছে ট্রলারঘাট তৈরির কাজ। এলাকার মানুষের অভিযোগ এই অবৈধ কাজে নির্বিকার প্রশাসন। এলাকায় এই নিয়ে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ শাসক দল, প্রশাসনের মদতে চোরাচালানের কাজ করছে।

    ম্যানগ্রোভ কেটে হচ্ছে নদীর গতিপথ রুদ্ধ (South 24 Parganas)

    সুন্দরবনকে (South 24 Parganas) রক্ষার্থে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে যখন প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা খরচা করে ম্যানগ্রোভ চারা বসানোর কাজ করছে, ঠিক তখনই এক অন্য ছবি ধরা পরল কাকদ্বীপের প্রতাপাদিত্য নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর গোবিন্দপুর গয়লার চক এলাকায়। নির্বিচারে ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর গতিপথ রুদ্ধ করে তৈরি করা হচ্ছে ট্রলারঘাট। এই অবৈধ নির্মাণে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী উজ্জ্বল দাস বলেন, “আমি ম্যানগ্রোভ কাটিনি। আমার কাছে জায়গার সঠিক কাগজপত্র রয়েছে।” তবে এই বিষয়ে এই জায়গার বর্তমান মালিক ও স্থানীয় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজি হননি।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    ওই এলাকায় (South 24 Parganas) পাশ থেকেই বয়ে গেছে কালনাগিনী নদী। এলাকার স্থানীয় শোভন নায়েক বলেন, “এইভাবে যদি নির্বিচারে ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর গতিপথ রুদ্ধ করা হয় তাহলে আগামী বর্ষার মরশুমে জলমগ্ন হয়ে পড়বে গোটা এলাকা। মূলত এলাকা থেকে ঢিল ছড়া দূরত্বই রয়েছে স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে প্রশাসনিক আধিকারিকদের অফিস। কিন্তু তারপরেও কীভাবে দিনের পর দিন এইভাবে ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর গতিপথ রুদ্ধ করা হচ্ছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    তবে এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক মন্টু রাম পাখিরা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা বলেন, “কোনও রকম অবৈধ কাজ হয়ে থাকলে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয়া হবে।” তবে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী উজ্জ্বল দাস বলেন, “কোথায় পদক্ষেপ! প্রশাসনকে তো বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে রীতিমতো কাজ করে চলেছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে মথুরাপুর সাংগঠনিক (South 24 Parganas) জেলা বিজেপির সম্পাদক কৌশিক দাস বলেন, “শাসকদল ও প্রশাসনের মদত না থাকলে এমন কাজ করা যায় না, পরিকল্পিত ভাবেই টাকার বিনিময়ে চলছে। এই অবৈধ কাজকর্ম অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: “শাহজাহানকে পুলিশ ধরতে না পারলে কেন্দ্রের সাহায্য নিন মমতা”, তোপ নিশীথের

    Nisith Pramanik: “শাহজাহানকে পুলিশ ধরতে না পারলে কেন্দ্রের সাহায্য নিন মমতা”, তোপ নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে এখনও অধরা মূল চক্রী তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি তাঁকে ধরতে ব্যর্থ হন, তবে  তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য চান।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। তিনি বলেন, “তৃণমূলের এই পলাতক নেতাকে গ্রেফতার করতে এক ঘণ্টা সময় লাগবে কেন্দ্রের।”

    অধরা শাহজাহান

    সন্দেশখালিকাণ্ডে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি শাহজাহানকে। অথচ এলাকায় তাঁর এবং তাঁর শাগরেদদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর। তার পরেও গ্রেফতার করা হয়নি শাহজাহানকে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূল নেতা হওয়ায় এলাকায় শাহজাহানের বেশ দাপট রয়েছে। এলাকা ছেড়ে পালালেও, রাশ আলগা হয়ে যায়নি তার। অদূরে লোকসভা নির্বাচন। সেখানে জিততে তৃণমূলের প্রয়োজন হবে শাহজাহান বাহিনীর। মুসলিম ভোট তৃণমূলের ঝুলিতে ফেলতেও ভরসা সেই শাহাজাহান। তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।

    কী বললেন নিশীথ?

    মূলচক্রী শাহজাহান গ্রেফতার না (Nisith Pramanik) হওয়ায় স্থানীয়দের পাশাপাশি ক্ষুব্ধ বিরোধীরাও। নিশীথ বলেন, “আমি আগেও বলেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যদি শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য নেওয়া। কেন্দ্র তো রাজ্য সরকারকে সাহায্য করতে সর্বদাই প্রস্তুত। ফোর্সও প্রস্তুত রয়েছে। এক ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে খুঁজে বের করার ক্ষমতা আমাদের রয়েছে। এ ব্যাপারে রাজ্যকে সাহায্য করতেও আমরা প্রস্তুত।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আজও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে এলাকায় (সন্দেশখালিতে) ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু যখনই কোনও তৃণমূল নেতা এলাকায় যেতে চাইছেন, তাঁদের যেতে দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের কাছে আইন-শৃঙ্খলার কোনও মানে নেই। যা কিছু রয়েছে, সবই বিরোধী দলের নেতাদের জন্য।”

    আরও পড়ুুন: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ঝাঁটা হাতে মহিলারা, জ্বলল খড়ের গাদা, ভাঙচুর তৃণমূল নেতার বাড়ি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও তুলনাই হয় না, এদিন তাও জানিয়ে দিয়েছেন নিশীথ। বলেন, “এক দিকে রয়েছেন মোদিজি, যিনি নিরন্তর দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। আর অন্যদিকে রয়েছেন পিসি-ভাইপো। মোদির সঙ্গে মমতার তুলনা টানা হলে বিশ্ব ভাববে মোদির কথাই।” তিনি (Nisith Pramanik) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এই এলাকায় আসবেন। তামাম বঙ্গবাসী তাঁকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীকে তাঁরা স্বাগত জানাবেন উৎসাহের সঙ্গেই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Abhishek Banerjee: অভিষেককে ডেকে বজবজের এলাকাবাসী দেখালেন জমা জলের সমস্যা

    Abhishek Banerjee: অভিষেককে ডেকে বজবজের এলাকাবাসী দেখালেন জমা জলের সমস্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরম হোক বা শীতকাল, সারা বছর বাড়ির সামনে জল জমে থাকে। বৃষ্টির দিনে তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মানুষের পায়ে হাঁটার মতো পরিস্থিতি থাকেনা। অনেকদিনের এই সমস্যার কথা অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। অবশেষে গতকাল রবিবার তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ডেকে দেখালেন জল জমার সমস্যার কথা। তবে গাড়ি থেকেই দেখলেন অভিষেক এবং সেইসঙ্গে দ্রুত সুরাহার আশ্বাস দিলেন।

    মূল অভিযোগ কী (Abhishek Banerjee)?

    পেশায় স্কুল শিক্ষিকা ইন্দ্রানী মণ্ডল সমস্যার কথা জানিয়ে বলেন, “প্রায় ১৫-২০ বছরের সমস্যা। পাশের যে ট্যাঙ্ক আছে তা থেকে উপচে পড়ে জল জমে থাকে। আর এই জমা জল থেকে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃষ্টির দিনে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে যাচ্ছে। এলাকার কাউন্সিলরকে জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। সামনে ভোট তবুও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। যখন জানলাম এখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) যাচ্ছেন, সেটা ভেবেই সমস্যার কথা জানিয়ে বললাম দেখুন কী অবস্থা। এরপর গাড়ি করে এসে দেখেন তিনি। আমাদের কথা শুনলেন। আমরাও দেখালাম সবটা। তবে তিনি আশ্বাস দিলেন সবটাই সমাধান হবে।”

    তৃণমূল কাউন্সিল কী বলেন?

    মহেশতলা স্থানীয় ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিল গোপাল সাহাকে ওই বাড়িতে যাওয়ার নির্দেশ দেন অভিষেক। তৃণমূলের সেকেন্ড ইনকমান্ডের নির্দেশ পেতেই কাউন্সিল ওই বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর বলেন, “আমাদের নেতা (Abhishek Banerjee) বলেছেন দ্রুত যাতে সমস্যার সমাধান হয়। আমাদের সাংসদ কথা দিলে কথা রাখেন।”

    গতকাল বজবজ ট্রাঙ্ক রোড এবং মহেশতলায় ৪০ মিলিয়ন গ্যালন পানীয় জল সরবরাহের প্রকল্প উদ্বোধন করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর উড়াল পুলের নিচ দিয়ে ফিরছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় ডাকঘরের কাছে একটি বাড়ি থেকে হাত দেখালে অভিষেক থামেন এবং এরপর অনুরোধে এলাকার মানুষের কথা শোনেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালির প্রতিবাদে বিজেপির ধর্নায় ‘না’ কলকাতা পুলিশের, ফের হাইকোর্টে সুকান্ত

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালির প্রতিবাদে বিজেপির ধর্নায় ‘না’ কলকাতা পুলিশের, ফের হাইকোর্টে সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শাসকদলের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ দানা বাঁধছে। শেখ শাহজাহান এবং তাঁর দলবদলের বিরুদ্ধে সরব স্থানীয় মানুষ। প্রতিদিন সেখানে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মহিলারা। আজ তাঁরা রুখে দাঁড়িয়েছেন। পাশে পেয়েছেন বিরোধী দল বিজেপিকে। কিন্তু পুলিশ-প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে মানুষের প্রতিবাদ রুখতে চাইছে রাজ্য সরকার। সন্দেশখালির ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বিজেপির তিন দিনের ধর্না কর্মসূচিতে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। এবার ধর্নায় বসতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। 

    আদালতের দ্বারস্থ

    সন্দেশখালি নিয়ে কলকাতার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। অনুমতি মেলেনি। এরপরই হাইকোর্টে গিয়েছে গেরুয়া শিবির। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। আদালত সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শুনানি হতে পারে। গত শুক্রবার বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব স্থির করেন, সন্দেশখালির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে খাস কলকাতায় টানা তিন দিন ধর্না কর্মসূচি পালন করবে দল। ধর্না কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি সূত্রে খবর ছিল, আগামী মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত টানা তিন দিন কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সেই ধর্না চলবে। পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে তা দেওয়া হয়নি। অবশ্য সেনার তরফে ধর্নার অনুমতি পেয়েছিল বলে দাবি বিজেপির। 

    আরও পড়ুন: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    ময়দান এলাকা সেনার অধীন

    উল্লেখ্য, ময়দান এলাকার মালিক সেনা। তাই সেখানে ধর্না করতে গেলে সেনার অনুমতি প্রয়োজন পড়ে। তবে বিজেপির দাবি, সেনার অনুমতি থাকলেও পুলিশি ছাড়পত্র মেলেনি। পুলিশ নাকি বিজেপিকে বলেছে, সেই এলাকায় লাউডস্পিকার বাজানো মানা। তাই ধর্নার অনুমতি দেওয়া যাবে না। তবে বিজেপির পালটা যুক্তি, কয়েকদিন আগেই সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্না করেন। এই আবহে ধর্নার অনুমতি চেয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: “লাল কালিতে লিখুন কবে মিটবে জলের সমস্যা”, মহিলাদের ক্ষোভের মুখে মেয়র

    Asansol: “লাল কালিতে লিখুন কবে মিটবে জলের সমস্যা”, মহিলাদের ক্ষোভের মুখে মেয়র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লাল কালিতে লিখুন কবে মিটবে জলের সমস্যা” ঠিক এইভাবেই এলাকার মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের তৃণমূল মেয়রকে। জানা গিয়েছে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলারা, মেয়র বিধান উপাধ্যায়কে পেয়ে এদিন ক্ষোভ উগরে দেন। এলাকায় দীর্ঘ দিনের একটা প্রধান সমস্যা হল জলের সমস্যা। যদিও মেয়র আস্বস্ত করেছেন জলের সঙ্কট মিটে যাবে।

    রক্তদান শিবিরে ক্ষোভের মুখে মেয়র (Asansol)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রবিবার আসানসোলের (Asansol) সার্থকপুর এলাকায় একটি রক্তদানব শিবিরে যোগদান করেছিলেন মেয়র বিধান উপাধ্যায়। কিন্তু এলাকার মানুষ পানীয় জলের সমস্যার মধ্যে অনেকদিন ছিলেন আর তাই তৃণমূল মেয়রকে কাছে পেয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু মেয়র, এলাকার মানুষকে পানীয় জলের সমস্যার সমাধানের কথা বললেও মানুষের রাগকে প্রশমিত করা যায়নি। এলাকার মানুষ তীব্র স্বরে চেঁচামেচি শুরু করেন এবং বিক্ষোভ দেখান। এরপর মহিলারা বলেন, “লাল কালিতে কাগজে লিখে দিন। তারিখ লিখে দিলে তবেই বিশ্বাস করব।” একই সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও এক বাসিন্দা বলেন, “এলাকায় অনেক দিন ধরে জলের সমস্যা। অনেক অভিযোগ জানিয়েও লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না। আমরা দ্রুত এলাকার সমস্যার সমাধান চাই।”

    তৃণমূল মেয়রের বক্তব্য

    মেয়র (Asansol) মানুষের ক্ষোভের মুখে নিজের মেজাজ হারিয়ে বিক্ষোভকারীদের বলেন, “সিপিএমের আমলে এই ভাষায় এভাবে মেয়র বিধায়কদের সরাসরি বলতে পারতেন? আমরা মানুষের সঙ্গে মাটির সঙ্গে মিশে থাকি তাই এই ভাবে বলতে পারছেন। তাছাড়া জামুড়িয়া এলাকায় জলের সমস্যা আজকের নতুন নয়। বহু পুরাতন। বর্তমানে জলের ট্যাঙ্কারে করে জল এনে মানুষকে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জলের প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। এই কাজ দ্রুত শেষ হলেই এলাকার সমস্যা মিটে যাবে।” এই প্রসঙ্গে মেয়র আরও বলেন, “আমিও এলাকার মানুষ, গ্রামীণ এলাকার বিধায়ক। ফলে গ্রামের সমস্যা আমি খুব ভালো ভাবে জানি। তবে এটা কোনও ক্ষোভ নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share