Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Weather Update: জারি ‘হলুদ’ সতর্কতা, ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস কোন কোন জেলায়?

    Weather Update: জারি ‘হলুদ’ সতর্কতা, ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস কোন কোন জেলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই গুমোট ভাব, মেঘলা আকাশ। দিনভর অস্বস্তিকর আবহাওয়া (Weather Update) থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে হাওয়া অফিস। বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও বাড়বে গরম। বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। বৃষ্টি হতে পারে বিভিন্ন জেলায়। আজ হালকা বৃষ্টি হতে পারে কলকাতাতেও।  ররিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর আরও চড়বে তাপমাত্রার পারদ।

    কলকাতার আবহাওয়া

    কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ৬ ডিগ্রি বেড়েছে। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৭। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। মার্চেই ৩৬ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়বে। বৃহস্পতিবার মেঘলা আকাশ ও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। থাকতে পারে হালকা ঝোড়ো হাওয়া। শনি-রবিবারেও বৃষ্টির (Rain fall in Kolkata) সম্ভাবনা। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৩৭ থেকে ৯৫ শতাংশ।  আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শহরে শুক্র ও শনিবারও হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

    আরও পড়ুন: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

    জেলায় জেলায় বৃষ্টি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) তরফে বলা হয়েছে, উপকূলের দুই জেলায় মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা। বৃষ্টির বেশি সম্ভাবনা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে। এছাড়াও কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়াতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার কমবে বৃষ্টির পরিমাণ। শনিবার ফের বাড়বে বৃষ্টি। রবিবারেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাতে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই এই বৃষ্টির (Rainfall) সম্ভাবনা বেড়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর। সপ্তাহের শেষে শনি ও রবিবার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে অল্প বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায় বৃষ্টি নেই বললেই চলে। মনোরম আবহাওয়ায় পরীক্ষার শেষে পাহাড়ে পর্যটকের ঢল নেমেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মমতার ভাই বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপি নেবে না, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মমতার ভাই বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপি নেবে না, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে তাঁর ভাই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বাবুনের (Babun Banerjee) ‘ব্যক্তিগত কাজিয়া’য় বিজেপিকে যাতে না জড়ানো হয়, তা নিয়ে ‘সতর্ক’ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার বিকেলে নদিয়ার রানাঘাটে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের সমর্থনে প্রচার সভা শেষে শুভেন্দু জানান, বাবুনের জন্য কখনওই বিজেপির দরজা খোলা ছিল না। বাবুন চাইলেও তাঁকে দলে নেবে না বিজেপি৷ 

    কী বললেন শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায় গত দু’দিন ধরে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে চলছিলেন। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই সঙ্গে তিনি দাবি করলেন, বাবুনের বিজেপি যোগের সব প্রমাণ তাঁর মোবাইল ফোনে আছে। বিজেপির বিরুদ্ধে বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও মন্তব্য করলেই তিনি সেই প্রমাণ ফাঁস করে দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, ‘‘চোরেদের পরিবারের কাউকেই বিজেপি নেবে না! বাবুন বলছে, আমি বিজেপিতে যাব না। আমি বলছি, বিজেপি (BJP) আপনাকে নেবে না। বিজেপি ওই পরিবারকে চোর বলেছে, ওই পরিবারের কাউকে বিজেপি নেবে না। গত দু’দিন বিজেপির সঙ্গে আপনি যা করেছেন, তার সবই আমার মোবাইল ফোনে রয়েছে। আপনি যদি বিজেপিকে নিয়ে কোনও কথা বলেন, হাটে এমন হাঁড়ি ভাঙব, পরের দিন আর মুখ দেখাতে পারবেন না।’’

    বাবুন-মমতা বিরোধ

    হাওড়া কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে পছন্দ নয়, বলে প্রকাশ্যে মত দেন বাবুন। তিনি বলেন, সেখানে অনেক যোগ্য প্রার্থী ছিল। তাই হাওড়া কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়াবেন তিনি। বাবুনের এই মন্তব্যের পরই তাঁর দিদি এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ভাইয়ের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করছেন তিনি৷ বাবুনের বিরুদ্ধে তাঁর কাছে অতীতেও অভিযোগ এসেছে বলেও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থানের পর অবশ্য সুর বদলায় বাবুনের৷ এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বাবুনকে বলেছিল, ভাই তোকে এমপি (সাংসদ) করব! ভাইয়ের সঙ্গে চুক্তি ছিল, ২০২১ সালে তাঁকে এমপি করবে। ২০২৪ সালে ভাইকে এমপি টিকিট দেয়নি। একটু ভাগ বাটোয়ারায় কম পড়েছে। তাই এ সব বলছে। আর বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটা কথা বলে দিই— পিসিকে যা বলার বলুন। মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন আর দিদি নেই। যখন দিদি ছিলেন তখন আমি ওঁর দলে ছিলাম, এখন উনি পিসি। ঠগি পিসিকে যা পারেন বলুন, বিজেপির কথা তুলবেন না।’’

    আরও পড়ুন: শেখ শাহজাহানের ডেরায় ইডি, সকাল থেকেই সন্দেশখালির নানা প্রান্তে চলছে তল্লাশি

    মমতার পরিবারতন্ত্র

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পরিবারতন্ত্রকে প্রশ্রয় দেন তার উদাহরণ দিয়ে এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘২০১১ সালের (Lok Sabha Election 2024) পরে কালীঘাট রোড ও হরিশ মুখার্জির স্ট্রিট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার দখল করেছে। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের কেউ কোনও পদে ছিলেন না। একে একে কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ পদে জায়গা পেয়েছেন। তৃণমূলের স্পোর্টস সেলের সভাপতি দায়িত্ব পেয়েছেন বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাউন্সিলর করেছে, ভাইপোকে দিল্লি থেকে উড়িয়ে নিয়ে এসে প্রথমে সাংসদ, পরে মালিক করে দিয়েছে, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর অফ কোম্পানি করে দিয়েছে। এর সঙ্গে যত স্পোর্টসের জায়গা আছে, মোহনবাগান ক্লাব বলুন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাব বলুন, বেঙ্গল হকি অ্যাসোসিয়েশন বলুন, অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে প্রত্যেককে বসিয়েছে। খেলাধুলার মানুষদের সরিয়ে দিয়েছে। হকির মাঠ থেকে শুরু করে এমন কোনও জায়গা নেই, যেখানে দখল করেনি এই পরিবার এবং সম্পূর্ণ হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্রয় এবং প্রশ্রয়ে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: শেখ শাহজাহানের ডেরায় ইডি, সকাল থেকেই সন্দেশখালির নানা প্রান্তে চলছে তল্লাশি

    ED Raid: শেখ শাহজাহানের ডেরায় ইডি, সকাল থেকেই সন্দেশখালির নানা প্রান্তে চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) ডেরায় চলছে ইডির তল্লাশি (ED Raid)। বৃহস্পতিবার সকালে সন্দেশখালির একাধিক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন ইডি অফিসাররা। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি মামলার তদন্তের জন্যই নাকি এই তল্লাশি অভিযান বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে সন্দেশখালির ধামাখালিতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা (Enforcement Directorate)। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনজনের বাড়িতে ইডি আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। প্রথমজন রিন্টু মোল্লা, দ্বিতীয় জন হলেন আইনুর মোল্লা ও তৃতীয় জন জামালউদ্দিন মোল্লা। জানা গিয়েছে, আইনুর ও জামালউদ্দিন মোল্লা সম্পর্কে দু’জন ভাই। অপরদিকে, রিন্টু হলেন শেখ শাহজাহানের মাছের ব্যবসার ম্যানেজারের শ্যালক।  শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ী নজরুল মোল্লার বাড়িতেও তল্লাশি চলছে। 

    কোথায় কোথায় তল্লাশি

    বৃহস্পতিবার সকালে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) একাধিক জায়গায় পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। সন্দেশখালির রাস্তাঘাট, দোকান বাজার ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, তিনটি জায়গায় তল্লাশি চলছে। ‘শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ’ বেশ কয়েকজন মাছ ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি অফিসাররা (ED Raid)। শাহজাহান উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। মাছের ভেড়ির ব্যবসাও ছিল তাঁর। ধামাখালির কাছে একটি মাছের পাইকারি বাজার ঘিরে রেখে এদিন তল্লাশি চলছে। এই বাজারের অন্যতম অংশীদার নজরুল মোল্লার বাড়িও পৌঁছে গিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। এদিন, প্রথম থেকেই সতর্ক ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইডি-র তল্লাশি অভিযান শুরুর আগে থেকেই সন্দেশখালির মূল রাস্তা ঘিরে ফেলে বাহিনী। নদীর পাড়ও ঘিরে ফেলেন বিএসএফ জওয়ানেরা। 

    আরও পড়ুন: সিএএ-র প্রভাব পড়বে ৮ আসনে! রাজ্যের উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে, দাবি রিপোর্টে

    কেন ইডির তল্লাশি

    ইডি (ED Raid) সূত্রে জানা যাচ্ছে, শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত একটি মামলায় তদন্তের জন্যই নাকি সেখানে হানা দিয়েছেন গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন মামলাতেও শাহজাহানের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, এই ব্যবসায়ীদের কয়েক জন শাহজাহানের সঙ্গে চিংড়ি মাছের ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ, মাছের ব্যবসায় দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। কিছুদিন আগেই হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা মিলিয়ে মোট ছ’টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। শাহজাহানের সূত্র ধরেই এই জায়গার সন্ধান মিলেছে বলে খবর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: রাজ্যের সব দুর্নীতির মধ্যে যোগ সূত্র রয়েছে! হাইকোর্টে বিস্ফোরক দাবি সিবিআই-এর

    Recruitment Scam: রাজ্যের সব দুর্নীতির মধ্যে যোগ সূত্র রয়েছে! হাইকোর্টে বিস্ফোরক দাবি সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি সুতোর জট ছাড়াতে গেলে অন্যটিতে টান পড়ছে। একটা দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে আর একটা দুর্নীতি বেরিয়ে আসছে। বুধবার প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়ে এমনটাই দাবি করেছে সিবিআই এবং ইডি। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্ত দ্রুত শেষ হবে কি না, তা আদালতকে জানাতে গিয়েই এই দাবি করে সিবিআই। এসএসসি থেকে প্রাথমিক এবং পুর নিয়োগ দুর্নীতি একে অপরের সঙ্গে জড়িত, বলে জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    প্যান্ডোরার বাক্স

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে সিবিআই এবং ইডি প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্ত রিপোর্ট পেশ করে। বিচারপতি সিবিআইয়ের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, টাকার উৎস নিয়ে কিছু জানা গেল কি না। আইনজীবী বলেন, “কখনওই শেষ না হওয়ার মতো উৎস। আমরা ইতিমধ্যে অনেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছি। আসলে এটা প্যান্ডোরার বাক্স। একটা দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে আরেকটা দুর্নীতি উঠে আসছে। গোটাটাই একটা দুর্নীতির চক্র। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র। গত জানুয়ারিতে আচমকাই একদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেই কণ্ঠ স্বরের নমুনার রিপোর্ট সম্পর্কেও বুধবার জানতে চায় আদালত। সিবিআই জানায়, সেই রিপোর্ট এখনও আসেনি তাঁদের হাতে। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। ২ মাস হয়ে গেছে। ওটা ব্যবহার না করতে পারলে তদন্তে কি সহযোগিতা হবে? প্রশ্ন করেন তিনি।  

    আরও পড়ুন: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

     এসএসসিতে দুর্নীতি

    এদিকে এসএসসির দুর্নীতি মামলায় এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক বলেন, নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) প্রমাণিত হলে নিয়োগ সম্পূর্ণ বাতিল হয়ে যেতে পারে কিংবা গোটা নিয়োগের অংশ বিশেষ বাতিল হতে পারে। এই দুটি বিকল্পই আমাদের কাছে রয়েছে। যদিও এটা একেবারে প্রাথমিক পর্যায়। এখনও অনেক কিছু আদালত খতিয়ে দেখবে। সবটা বেআইনি হলে পরিণতি যা হওয়ার তাই হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kajal Sheikh: লোকসভা ভোটের সময় কীভাবে ভোট করাবে তৃণমূল? কেষ্টকেই কি অনুসরণ কাজল শেখের?

    Kajal Sheikh: লোকসভা ভোটের সময় কীভাবে ভোট করাবে তৃণমূল? কেষ্টকেই কি অনুসরণ কাজল শেখের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট করানোর কৌশলে কাজল শেখ (Kajal Sheikh) কি অনুব্রতকেই অনুসরণ করবেন? ব্যক্তি বদলে গেলেও তৃণমূলের কৌশলের কোনও বদল হচ্ছে না। গরু পাচারকাণ্ডে তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। ভোটের মুখে তাঁর মুখেই শোনা যেতো ‘উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে, চড়াম চড়াম ঢাক বাজবে।’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বীরভূমে ভোট হবে এই নিয়ে জেলার রাজনীতির আঙ্গিনায় শোরগোল পড়ছে। তবে কেষ্ট বিহনে দলের দায়িত্ব কাজল শেখের হাতেই যে থাকবে এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাই নির্বাচন কমিশন দিনক্ষণ ঘোষণা না করলেও কীভাবে ভোট হবে তার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন কাজল। আজ কঙ্কালিতলায় তৃণমূল কর্মীদের নিদান দিলেন ঠিক কী কী করতে হবে।

    কী বললেন কাজল (Kajal Sheikh)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের আসন ভোট প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কাজল শেখ (Kajal Sheikh) বলেন, “ভোটের সময় আমাদের টার্গেট কী হবে আপনারা শুনুন। কীভবে ভোট করতে হবে আগের দিন আমরা জানিয়ে দেবো। এই বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের তুলানায় ১০ হাজার করে লিড বেশি লাগবে। সকলে প্রস্তুত থাকুন। সকলকে এক ছাতার তলায় এসে থাকতে হবে।” ফলে এই মন্তব্যে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন ২০২১ সালের বিধান সভার নির্বাচনের পর রাজ্যে যে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল সেই পরিবেশ তৈরি হবে না তো! অবশ্য বিজেপি মনে করছে তৃণমূল অঞ্চলে অঞ্চলে সন্ত্রাস না চালালে ১০ হাজার করে লিড দেওয়া সম্ভব নয় তৃণমূলের পক্ষে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমে নির্বাচনকে ঘিরে শাসক দলের দৃষ্টিভঙ্গির যে অবস্থান বদল হচ্ছে না তা বিজেপি বুঝতেই পেরেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এক নেতা বলেন, “আগের দিন আর পরের দিন সম্পর্কে স্পষ্ট করে বুঝুন। ওঁর (Kajal Sheikh) ক্ষমতা মমতা বুঝে গিয়েছেন। তাই দলের কোর কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। মানুষ ওঁদের যোগ্য জবাব দেবে। জেলায় বিজেপি বিরাট মার্জিনে জয়ী হবে। ভোটাররা যদি বুথে যেতে না পারে, তার জন্য কী করতে হবে বিজেপি খুব ভালো করেই জানে। ওঁদের সন্ত্রাসকে মোকাবেলা করবে সাধারণ মানুষ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ-র প্রভাব পড়বে ৮ আসনে! রাজ্যের উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে, দাবি রিপোর্টে

    CAA: সিএএ-র প্রভাব পড়বে ৮ আসনে! রাজ্যের উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে, দাবি রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব আইন বরাবরই পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। গত ১১ মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছে সিএএ। নাগরিকত্ব আইনের (CAA) বাস্তবায়নের প্রয়োজন ঠিক কতটা— এনিয়ে একাধিক সমীক্ষা করা হয় কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপির পক্ষ থেকে। প্রতিটি সমীক্ষাতেই উঠে আসে নাগরিক আইনের বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা। সম্প্রতি, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তরফে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। তাতে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। সমীক্ষা অনুযায়ী, কেন্দ্রের মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের ৮ লোকসভা আসনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে এবং তা বিজেপিকে বিপুল অক্সিজেন জোগাবে।

    কেন সিএএ-র প্রয়োজন ছিল?

    এই আইনকে বাস্তবায়নের প্রয়োজন কেন হল? তার কারণ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিভিন্ন সমীক্ষা চালায় পশ্চিমবঙ্গের শরণার্থী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। ওই সমীক্ষায় উঠে আসে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যাচারিত হয়ে আসা সেদেশের সংখ্যালঘু শরণার্থীরা অসম এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করছেন। তাঁদের কাছে সবচেয়ে অগ্রাধিকার পায় নিজেদের নাগরিকত্বের বিষয়টি। মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী, মূলত এই তিন উদ্বাস্তু সমাজের কাছে জীবন-জীবিকার মতোই গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকত্ব (CAA)।

    মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশীরা সমর্থন করবে বিজেপিকে

    গেরুয়া শিবিরের আভ্যন্তরীণ সমীক্ষা অনুযায়ী, নদিয়া এবং উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রভাব ফেলবে মোদি সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের ২টি লোকসভার আসনে বিপুল প্রভাব পড়বে এই আইনের বাস্তবায়ন। এর প্রতিফলন ভোট বাক্সে যে দেখা যাবে তাও ওই অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায় উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশীরা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে দু’হাত তুলে ভোট দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার ১০ থেকে ১৫ শতাংশই মতুয়া

    দেশভাগের সময় থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যাচারিত হয়ে দলে দলে মতুয়া সমাজ এবং নমঃশূদ্র সমাজ পশ্চিমবঙ্গে আসতে শুরু করে। ভিটেমাটি ছেড়ে আসা মানুষগুলোর জন্য বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় প্রমথ রঞ্জন ঠাকুর তৈরি করেন ঠাকুরনগর। সে সময় উদ্বাস্তু হয়ে আসা মানুষজনদেরকে সীমান্ত অঞ্চলগুলিতে থাকার জায়গার বন্দোবস্ত করতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন (CAA) প্রমথ রঞ্জন ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও তথ্য এখনও পর্যন্ত নেই যে কত সংখ্যায় মতুয়া ও নমঃশূদ্ররা পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান জনসংখ্যার ১০ থেকে ১৫ শতাংশই হল মতুয়া সমাজের। ৫টি লোকসভা আসনে মতুয়া ভোট নির্ণায়ক শক্তি বলে মনে করা হয়। এর প্রত্যেকটিই দক্ষিণবঙ্গে অবস্থিত। যার মধ্যে ২০১৯ সালে রাণাঘাট ও বনগাঁ আসন ২টি জিততে সমর্থ হয় বিজেপি। অন্যদিকে, মতুয়াদের সাপেক্ষে কম সংখ্যায় বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে এসেছিলেন রাজবংশী এবং নমঃশূদ্র সমাজ। বিগত নির্বাচনগুলিতে এই দুই সমাজও বিজেপিকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছে। মূলত শরণার্থীদের সমর্থনে ভর করেই উত্তরবঙ্গের তিনটি মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী অধুষ্যিত লোকসভা আসন জেতে বিজেপি। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং বালুরঘাট এই তিন লোকসভা কেন্দ্রে উদ্বাস্তুদের মোট জনসংখ্যা হল ৪০ লাখ।

    ২০২৪ সালে বাংলার উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাব থাকা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ব্যাপক ফলাফল করে বিজেপি। এবং যার কারণ একটাই ছিল, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিশ্রুতি। দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া জেলাতেও মতুয়া ভোট (CAA) হল বড় ফ্যাক্টর। তৃণমূল কংগ্রেস এই জেলার ১৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে মাত্র ৬টিতে এগিয়ে থাকতে পেরেছিল। অন্যদিকে, বিজেপি বাকিগুলিতে এগিয়ে যায়। এর পাশাপাশি মতুয়ারা উত্তর চব্বিশ পরগনার এবং নদিয়া মিলিয়ে মোট ছ’টি লোকসভা আসনে নির্ণায়ক শক্তি। মনে করা হচ্ছে, ২০২৪ সালের বেশিরভাগ মতুয়া ভোট বিজেপির ঝুলিতেই যেতে চলেছে।

    কী বলছেন কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আধিকারিক

    এই ৩ উদ্বাস্তু সমাজই দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের নাগরিকত্বের দাবি তুলে আসছিল। বলে রাখা প্রয়োজন, ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে কে নাগরিক তা ঠিক করা হয় ভারতের সংবিধান এবং ১৯৫৫ সালের নাগরিক আইন অনুসারে। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড কিংবা রেশন কার্ড- এর কোনওটাই নাগরিকত্বের পরিচয় বহন করে না। একজন শীর্ষ বিজেপি নেতা উদ্বাস্তু অধ্যুষ্যিত (CAA) এই আসনগুলিতে সমীক্ষা চালান। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের ৩০ থেকে ৩৩টি বিধানসভার এমন আসন রয়েছে, যেগুলোতে মতুয়া ভোট ৪০ শতাংশের উপরে রয়েছে। এর বেশিরভাগটাই উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়াতে। এই বিধানসভার আসনগুলিকে যোগ করলে মোট পাঁচ থেকে ছয়টি লোকসভার আসন হয়। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিকের মতে, ‘‘মাঝখানে অনেকটা সময় কেটে গিয়েছে কিন্তু তবুও নির্বাচনী ইস্তাহারে বিজেপি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ২০১৯ সালে, তা বাস্তবায়ন করেছে।’’ 

    করোনা মহামারীর কারণে বাস্তবায়নে দেরী

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসেই সংসদের উভয়কক্ষে পাশ হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ওই আইনে স্বাক্ষরও করেন। কিন্তু তার পরবর্তীকালে করোনা মহামারী চলে আসে। এ কারণে বাস্তবায়ন হতে বেশ কিছুটা বিলম্ব হয় এই আইনের। চলতি সপ্তাহের সোমবারই নাগরিকত্ব আইনকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রত্যাশা মতোই এই আইন বাস্তবায়িত হতেই বিরোধিতা শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিরোধী শক্তি। নাগরিক আইনের সঙ্গে নাগরিকত্ব হারানোর কোনও সম্পর্ক না থাকলেও, সেকথাই বারবার উঠে আসছে বিরোধীদের ভাষণে। যদিও আইন (CAA) অনুযায়ী, ৩ প্রতিবেশী দেশ – আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যারিত হয়ে আসা ৬ সংখ্যালঘু (হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিস্টান) সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব প্রদানের কথা বলা হয়েছে এখানে।

    ২০১৯ সালে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে ছিল নাগরিকত্ব আইন

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ইস্তাহারে ভারতীয় জনতা পার্টি নাগরিকত্ব আইন চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে সেই প্রতিশ্রুতিতেই ভর করে পশ্চিমবঙ্গের মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী অধ্যুষিত আসনগুলিতে বিজেপি ব্যাপক ভোট পায়। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় তৎকালীন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদি আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতিই পূরণ হল নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে। ২০১৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘পাসপোর্ট আইন’ ও ‘বিদেশি আইন’ সংশোধন করে। এর ফলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে উদ্বাস্তু হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব লাভের পথ অনেকটাই প্রশস্ত হয়ে যায়। উদ্বাস্তু মানুষরা যাতে ভারতের নাগরিকত্ব পেতে পারেন তার প্রচেষ্টা করে বিজেপি।

    ২০১৬ সালে সংসদে পেশ হয় সিএএ

    ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই ভারতের সংসদে ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৬’ পেশ করে মোদি সরকার। লোকসভায় এই বিল পাশ হলেও তা রাজ্যসভায় আটকে যায়। এরই মাঝে বিজেপি সরকার আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত ৬ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান করার সুবিধার্থে একটি ‘অধ্যাদেশ’ জারি করে। যদিও ছয় মাস পরে নিয়ম অনুসারে ওই ‘অধ্যাদেশ’-এর কার্যকাল শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে বিলটিকে আলোচনার জন্য সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি সংসদে কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে। পরে ২০১৯ সালের ৮ জানুয়ারি লোকসভায় ফের পাশ হয় ওই বিল। কিন্তু তা থমকে যায় রাজ্যসভায়। এরই মাঝে ১৬তম লোকসভা ভেঙে যায় এবং দেশে নির্বাচন ঘোষণা হয়। নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় আসে বিজেপি সরকার এবং পাশ করে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। অর্থাৎ ২০১৯ সালের নির্বাচনে লড়তে যাওয়ার আগে বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা নির্বাচনে জেতার পরেই পূরণ করতে সক্ষম হয় মোদি সরকার। প্রয়োজন ছিল নাগরিকত্ব আইনের বাস্তবায়নের এবং ঠিক সেই মতো ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট ঘোষণার আগেই তা কার্যকর করল বিজেপি সরকার (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidbad: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়! প্রতিবাদ করায় পড়ুয়াদের পুলিশ দিয়ে মারধর, অভিযুক্ত ওসি

    Murshidbad: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়! প্রতিবাদ করায় পড়ুয়াদের পুলিশ দিয়ে মারধর, অভিযুক্ত ওসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়, ছাত্রদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা নিয়ে মঙ্গলবার স্কুলে আন্দোলন শুরু করেছিল পড়ুয়ারা। প্রতিবাদ জানিয়ে স্কুল তালাবন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায় পড়ুয়ারা। আর সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidbad) জলঙ্গি থানার ওসি কৌশিক পালের বিরুদ্ধে। ছাত্রদের দাবি “স্কুলে আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করছিলাম। সেই সময় স্কুলে পুলিশ ডেকে আমাদের উপর অত্যাচার চালানো হয়।” এই ঘটনায় স্কুলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ছাত্রদের অভিযোগ (Murshidbad)

    স্কুলের (Murshidbad) পড়ুয়াদের দাবি, “আমরা শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখেই অবরোধ চালাচ্ছিলাম। সেই সময় প্রধান শিক্ষক পুলিশ ডেকে বেধড়ক মারধর করায়। ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ওসি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বহুদিন ধরে টাকা-পয়সা নিয়ে দুর্নীতি করছিলেন। ছাত্রছাত্রীদের মিড-ডে মিলের খাবার না দিয়ে বঞ্চনা করা হচ্ছিল। অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছিল। আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করলে আমাদের উপর পুলিশ দিয়ে আক্রমণ করা হয়। আমাদের অনেককে ব্যাপক মারধর করা হয়। আমরা যাতে বাইরে এই মারধরের কথা না জানাই, তাই আমাদের দিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে কোনও মারধর করা হয়নি বলে বক্তব্যকে ভিডিও করে নেওয়া হয়।” এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আহত ছাত্রদেরকে চিকিৎসার জন্য গ্রামীণ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

    অভিভাবকের বক্তব্য

    স্কুল পড়ুয়াদের এক অভিভাবক বলেন, “গতকাল আমাদের ছাত্ররা স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের প্রকল্পের টাকা নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। এরপর সন্ধ্যায় তিন গাড়ি পুলিশ আসে। ছাত্রদের ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে মারধর করা হয়। ছাত্রদের উপর এই পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই। স্কুলের প্রধান শিক্ষক একজন দুর্নীতিগ্রস্থ লোক। পুলিশ ঘটনার তদন্ত না করে উল্টে ছাত্রদের ভয় দেখায়। এটা রক্ষকের ভক্ষক সুলভ আচরণ। দুর্নীতির কথা যাতে বাইরে না যায়, তাই ছাত্রদের উপর অত্যাচার করে আন্দোলনকে দমন করতে চাইছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murder Case: ভবানীপুরের ব্যবসায়ী খুন নিমতায়, জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে গাঁথা হচ্ছিল ইট!

    Murder Case: ভবানীপুরের ব্যবসায়ী খুন নিমতায়, জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে গাঁথা হচ্ছিল ইট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার নিমতায় জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার ভবানীপুরের বাসিন্দা এক ওষুধ ব্যবসায়ীর দেহ। তাঁকে খুন (Murder Case) করে জলের ট্যাঙ্কের মধ্যে রেখে ইট গাঁথা হচ্ছিল। আর এই দৃশ্য দেখে ফেলেন এলাকার এক ব্যক্তি। এরপর নিমতা থানায় খবর দিলে পুলিশ তদন্তে নামে। হাজার চেষ্টা করেও ধামাচাপা দেওয়া গেল না। প্রতিবেশীদের তৎপরতায় উঠে এল খুনের ঘটনার চিত্র। পুলিশ তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে দেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে অনির্বাণ গুপ্তা, সুমন দাস নামে দু’জন। এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    কীভাবে করা হল খুন (Murder Case)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ মার্চ ভবানীপুরের বাসিন্দা ভব্য লাখানিয়া তাঁর সহযোগী ব্যবসায়ী নিমতার বাসিন্দা অনির্বাণ গুপ্তার সঙ্গে দেখা করতে নিমতারই প্রমোদ মিত্র লেনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চলার সময় বিবাদ হয়। এরপর আচমকাই অনির্বাণ, ভব্য লাখানিয়ার ওপর হামলা চালায়। একটি উইকেট দিয়ে মাথায় বাড়ি মারে ভব্যের। সেই ঘটনাতেই মৃত্যু (Murder Case) হয় ভব্য লাখানিয়া নামে ওই ব্যবসায়ীর। এরপরে তাঁর দেহ লোপাট করতে মৃতদেহকে বস্তায় বন্দি করে বাড়ির জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে দেওয়া হয়। তারপরেই সেখানে দেওয়াল তুলে প্লাস্টার করা হচ্ছিল বলে জানা যায়।

    জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার দেহ

    এদিকে ভব্য লাখানিয়া বাড়ি না ফেরায় তাঁর পরিবারের তরফ থেকে ভবানীপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। অপরে নিমতা থানার পুলিশ তদন্ত নেমে পুলিশ অনির্বাণ গুপ্তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর জেরায় সে স্বীকার করে নেয় খুন (Murder Case) করেছে। তার কাছে নিমতার প্রমোদ মিত্র লেনের ঠিকানা পায় পুলিশ। সেখানে হানা দিয়ে জলের ট্যাঙ্ক নীচে থেকে ভব্য লাখানিয়ার দেহ উদ্ধার করে। পাশাপাশি খুনে ব্যবহৃত উইকেট উদ্ধার করা হয়। এর সাথেই বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কাছ থেকে রক্ত মাখা জামা সহ বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ। সেগুলো সব ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ভব্য লাখানিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই খুনের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: মমতার পরিবারে ‘বিদ্রোহ’! ‘‘নির্দল হয়ে লড়ব’’, টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর ভাই 

    Lok Sabha Election 2024: মমতার পরিবারে ‘বিদ্রোহ’! ‘‘নির্দল হয়ে লড়ব’’, টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর ভাই 

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: টিকিট না পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন তাঁরই ছোট ভাই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বাবুন। হুঁশিয়ারি দিলেন, নির্দল প্রার্থী হয়ে হাওড়াতে দাঁড়াবেন। আগেই মুখ্যমন্ত্রীর ভাই অভিযোগ করেছিলেন, বারবার তাঁকে টিকিটের (Lok Sabha Election 2024) বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও দল তাঁকে গুরুত্ব দেয়নি। বাবুনের মতে, ‘‘দিদির যাঁরা বেশি কান ভাঙায় তাঁদের মধ্যে অনেকেই টিকিট পেয়েছেন।’’ বাবুনের গলায় ক্ষোভ শোনা গিয়েছে হাওড়ার তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও। বিজেপির নেতাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বাবুন। এই মুহূর্তে তিনি দিল্লিতে রয়েছেন তাঁর দাদার অসুস্থতার কারণে। তবে তাঁর এও দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকাকালীন তিনি দলবদল করবেন না।

    বিস্ফোরক বাবুন

    বুধবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘আমি হাওড়া থেকে নির্দল হয়ে দাঁড়াতে চাইছি। তাও আমি দিদির সঙ্গে আলোচনা করব। দিদি যা বলবেন আমি অক্ষরে-অক্ষরে পালন করব।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘প্রথম দিন থেকে যারা দলের পাশে ছিল, তাঁদের ভাল জায়গা দিলে আমি আরও খুশি হতাম। হাওড়ায় অনেক লোক ছিল, অরূপ রায়, কল্যাণ ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, রানা চট্টোপাধ্যায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম চৌধুরীর মতো ভাল প্রার্থী ছিল। তাঁদের মধ্যে কাউকে বেছে নেওয়া যেত (Lok Sabha Election 2024)। আপত্তি থাকত না আমার। কারণ ওঁরা রাজনৈতিক লোকজন।’’

    ২০২২ সালেই হাওড়ার ভোটার হন বাবুন

    বাবুনের অভিযোগ, প্রসূনের (Lok Sabha Election 2024) সঙ্গে হাওড়ার সাধারণ মানুষের কোনও যোগাযোগই নেই। সাধারণ মানুষ থেকে মন্ত্রী– সকলেই নাকি ফোন করে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের। স্বপন বলেন, ‘‘২০১৯ সাল থেকে চেয়েছিলাম উনি যেন হাওড়ায় প্রার্থী না হন। অন্য যে কেউ হতে পারেন। ওখানে তো অনেক ভালো ভালো মানুষ রয়েছেন। জনসংযোগ বিহীন সাংসদ না হওয়াই পার্টির পক্ষে ভালো। আমরা তৃণমূল কংগ্রেস দলটা করি তো তাই বুঝি।’’ বাবুনের দাবি, বারবার এ নিয়ে দলকেও আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। 

    আগামী দিনে হাওড়ায় নির্দল প্রার্থী হয়ে দলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তিনি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বাবুন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালেই কালীঘাট ছেড়ে হাওড়ার শিবপুরের ভোটার তালিকায় নাম তোলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন, জমি কি আদৌ ফেরত পাবেন সন্দেশখালির সর্বহারারা?

    Sandeshkhali: অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন, জমি কি আদৌ ফেরত পাবেন সন্দেশখালির সর্বহারারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি ফিরে পেতে বিএলআরও অফিসে শত শত মানুষ অভিযোগ নিয়ে লাইনে। আন্দোলনের চাপে সময় বদলাচ্ছে সন্দেশখালির (Sandeshkhali)। আগে এলাকার মানুষের কোনও অভিযোগ প্রশাসনের কর্তারা শুনতেন না। এমনকী বিএলআরও অফিসের আধিকারিকের কাছে জমি নিয়ে অভিযোগ জানালে সেসব গ্রাহ্যই করা হত না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল। এবার বিএলআরও অফিসে অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন পড়তে শুরু করেছে। ফলে এখন মানুষের অভিযোগ-সমস্যা জানানোর অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ। সন্দেশখালির ত্রিমণি বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভূমি রাজস্ব দফতরে জমিহারা মানুষ জমি ফেরত পেতে অভিযোগপত্র জমা করছেন। ফলে রাজস্ব দফতরের অফিসের পাশে থাকা ফটোকপির দোকানে ব্যাপক ভিড়।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    এলাকার জমিহারা এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, “প্রত্যেক বছর যতবার দুয়ারে সরকার করা হয়েছে, তাতে হাঁটু পরিমাণ ধূলো জমে গিয়েছে কিন্তু একটাও ফাইল খুলে কাজ করেনি সরকারের আধিকারিকেরা। কোনও পাট্টা দেওয়া হয়নি। এমনকী টাকা দিয়েও কোনও কাজ করা যায়নি।” এলাকার আরও এক ভুক্তভোগী বলেন, “বিএলআরও নিজেই ঠিক করে কাজ করে না। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোনও খাজনার রশিদ দেওয়া হয়নি আমাদের। আমি নিজে ২ বিঘা জমি বিক্রি করেছি। কিন্তু আমার রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে ৪ বিঘা জমি বাদ দেওয়া হয়েছে। আসলে সরষের মধ্যেই ভূত রয়েছে।”

    জমি ফিরে পাওয়ার আশা!

    একই ভাবে এলাকার (Sandeshkhali) আরও এক ব্যক্তি বলেন, “বিরাট দুর্নীতি এবং জবরদখল হয়েছে এলাকায়। ১৪৩ বিঘা জমির মালিক আলমগীর কীভাবে হলেন? শেখ শাহজাহান এবং তাঁর মেয়ে সুমায়ার নামে কীভাবে বিপুল পরিমাণ জমি রেকর্ড হল? ঝুপখালি এবং বেড়মজুর এলাকার অনেক মানুষের জমির রেকর্ড বদলে গিয়েছে। অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হত না। কিন্তু এখন কিছুটা হলেও বদল ঘটছে। ফলে জমি ফিরে পাওয়ার একটা আশা রয়েছে।”

    বিডিও-র বক্তব্য

    ত্রিমণি বাজারে গেলেই দেখা যাচ্ছে বিএলআরও অফিসের পাশে বসে এলাকার মানুষেরা নিজেদের অভিযোগ জানাচ্ছেন। জমি ফিরে পাওয়ার আশা দেখতে পাচ্ছেন এলাকার একাংশের মানুষ। কিন্তু কবে এই প্রক্রিয়ার কাজ শেষ হবে তা এখনও প্রশাসন জানায়নি। অপর দিকে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিডিও বলেছেন, “বিএলআরও অন্যায় করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি সব রিপোর্ট করে দিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share