Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Jalpaiguri: দু’ফোঁটার বদলে গোটা শিশি! শিশুকে পোলিও খাওয়ানো ঘিরে তোলপাড়

    Jalpaiguri: দু’ফোঁটার বদলে গোটা শিশি! শিশুকে পোলিও খাওয়ানো ঘিরে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’ফোঁটার বদলে গোটা শিশি! শিশুকে পোলিও খাওয়ানো ঘিরে তোলপাড়। গতকাল রবিবার দুই ফোঁটার বদলে পুরো শিশি পোলিও শিশুকে খাইয়ে দিল এক স্বাস্থ্য কর্মী। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে শিশুকে। ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঘটনা কোথায় ঘটল (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) মাল মহকুমার ক্রান্তি ব্লক এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। চার বছরের এক শিশুকে তার মা পোলিও খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। মূল অভিযোগ হল, কর্তব্যরত এক স্বাস্থ্য কর্মী এক শিশি পোলিও খাইয়ে দেয়। এরপর মা, তাঁর স্বামীকে ফোন করে বিষয়টি জানান। ইতিমধ্যে শিশুর জ্বর চলে আসে। বাবা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বাস্থ্য কর্মীদের জিজ্ঞেস করলে উত্তর পান শিশুর কিছুই হবে না। কিন্তু তত সময়ে মারাত্মক হয়ে ওঠে শিশুর অবস্থা। এরপর মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে শিশুকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক ভাবে একসঙ্গে অনেকটা পরিমাণে পোলিও খাওয়ানোর জন্য এই অসুস্থাতা বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

    পরিবারের বক্তব্য (Jalpaiguri)

    পরিবার সূত্রে শিশুর বাবা তপন রায় বলেন,“এক শিশি সমস্ত পোলিও খাওয়ানোর ফলে সঙ্গে সঙ্গে জ্বর চলে আসে আমার সন্তানের। স্বাস্থ্য কর্মীদের জিজ্ঞেস করলে ওরা বলে কিছুই হবে না। কিন্তু আমার সন্তান দারুণ ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর বেগতিক বুঝে মালবাজার (Jalpaiguri) হাসপাতালে নিয়ে যাই। দোষী ওই স্বাস্থ্য কর্মীদের কঠোর শাস্তি চাই।”

    থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

    ঘটনায় ইতিমধ্যে ক্রান্তি থানার (Jalpaiguri) ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শিশুর বাবা তপন রায়। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার অসীম হালদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সংবাদ মাধ্যমের ফোন ধরেননি। জেলা শাসক শামা পারভিন বলেছেন, “বিষয়টি নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।”

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করা হয়, কমিশনের কাছে দাবি বিজেপির

    Loksabha Vote: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করা হয়, কমিশনের কাছে দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করে কমিশন, সোমবার এমনই দাবি জানাল রাজ্য বিজেপি। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে এই দাবি জানান বিজেপির প্রতিনিধিরা (Loksabha Vote)। আগেই ঠিক ছিল ৪ মার্চ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা বৈঠক করবেন রাজনৈতিক দলগুলি সঙ্গে। সেইমতো এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। বিজেপির তরফ থেকে বৈঠকে হাজির ছিলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্যজুড়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, ভোট পরবর্তী হিংসা এবং ভোটের দিন সন্ত্রাস- এই সমস্ত কিছুকেই তুলে ধরা হয়েছে কমিশনের সামনে।

    কী বললেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    বিজেপির প্রতিনিধি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, “সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট (Loksabha Vote) দিতে পারে, আমরা তাই বলেছি।” জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির প্রসঙ্গও তোলা হয়েছে ফুল বেঞ্চের সামনে। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় আরও বলেন, “২০২১, পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা দেখেছে সাধারণ মানুষ। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারের ঘটনা প্রমাণ করেছে পুলিশ ক্রিমিনালদের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করাতে এসে যেন পর্যবেক্ষকরা নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করে।রাজ্য পুলিশের কথায় যেন তারা বিশ্বাস না করেন। তারা যেন বিরোধী দলের ইনপুট, নিজেদের ইনপুট -এর উপর ভরসা করে।”

    পুলিশের ওপর ভরসা না করতে আবেদন কমিশনকে 

    সোমবার সকাল সাড়ে ন’টা থেকে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে একের পর এক বৈঠক সারতে থাকে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। নির্বাচন কমিশনের সামনে এক দফায় পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Loksabha Vote) করানোর প্রস্তাব রাখে তৃণমূল কংগ্রেস। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। সারা দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন পশ্চিমবঙ্গে। এখানকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সেখানে সারা রাজ্যে এক দফায় ভোট করানোর দাবি একেবারেই অযৌক্তিক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এরিয়া ডমিনেশনের কাজে যেন লোকাল আইসিদের কথায় ভরসা না করে কমিশন, এমন আবেদনও করেছে বিজেপি। পাশাপাশি অবজারভারদের সঙ্গে আধা সেনার সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো ভোটারদের কথাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, ইস্তফা বিধায়ক পদেও, ওগরালেন একরাশ ক্ষোভ

    Tapas Roy: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, ইস্তফা বিধায়ক পদেও, ওগরালেন একরাশ ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সঙ্গে ২৩ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন বরানগরের বিধায়ক তাপস রায় (Tapas Roy)। ছাড়লেন বিধায়ক পদও। সোমবার বিধানসভায় পৌঁছে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিলেন ইস্তফাপত্র। দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তাপস। বলেন, “৫২ দিন হয়ে গেল। ইডি অভিযানে বিধ্বস্ত আমি ও আমার পরিবার। ভেবেছিলাম, মুখ্যমন্ত্রী পাশে দাঁড়াবেন। অন্য কারও বাড়িতে গেলে বলেন ইডি কৌটো নাড়াল। আমারও স্ত্রী-পুত্র রয়েছে। এগুলো হৃদয়কে নাড়াচাড়া করে।” তাপস বলেন, “বিধানসভায় মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শেখ শাহজাহানকে ইডি টার্গেট করেছে বললেন, অথচ আমার বাড়িতে ইডির হানার কথা উল্লেখই করলেন না। আমি আহত, আঘাতপ্রাপ্ত।”

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তাপসের

    পোড়খাওয়া এই রাজনীতিবিদ (Tapas Roy) বলেন, “কেউ আমাকে বা আমার পরিবারকে ফোন করেনি। এর পেছনে আমার দলের কেউ কেউ রয়েছে। আজ কুণাল ঘোষ আমায় বোঝাতে এসেছিল। ও আমার সামনে শোকজ হয়েছিল।” তিনি বলেন, “যাঁদের শোকজ বা সাসেপেন্ড হওয়ার কথা, তারা বহাল তবিয়তে রয়েছে।” তাপস বলেন, “বাহান্ন দিন আমি মুখ্যমন্ত্রীর ডাক পাইনি। আমার স্ত্রী, কন্যাও ডাক পায়নি। উনি সকলের পাশে দাঁড়িয়ে যান। আমিও আশা করেছিলাম, ক্রিয়েটেড ইডি রেইডের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবেন। কিন্তু তা হয়নি।”

    আরও পড়ুন: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করা হয়, কমিশনের কাছে দাবি বিজেপির

    ব্যর্থ চেষ্টা, হাতছাড়া তাপস

    তাপসকে দলে ধরে রাখতে চেষ্টার কম কসুর করেনি তৃণমূল। এদিন সাতসকালে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন বরানগর পুরসভার কাউন্সিলররা। তাঁদের সঙ্গে দলের তরফে ছিলেন কুণাল ঘোষ ও ব্রাত্য বসু। ঘণ্টাখানেক ধরে বোঝানো হলেও, তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত থেকে এক চুলও সরেননি ঘাসফুল শিবিরের এই প্রাক্তন সেনানী। এক সময় কংগ্রেস করতেন তাপস (Tapas Roy)। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ভেঙে যখন তণমূল কংগ্রেস তৈরি করলেন, তখন যাঁরা মমতার সঙ্গে ছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন তাপসও। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইদানিং তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছিল তাপসের। উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতির পদ থেকে তাপসকে সরিয়ে দিতেই হতাশ হন তাঁর অনুগামীরা। বাড়িতে ইডি কর্তারা হানা দিলে সরাসরি আক্রমণ করে বসেন তৃণমূল নেতা তথা সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বলেন, “আমার বাড়িতে ইডি আসার পিছনে হাত রয়েছে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।” এরপর অবশ্য চুপচাপই হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। শেষমেশ এদিন ছাড়লেন তৃণমূল-সঙ্গ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব”, বিজেপি প্রার্থী হয়ে বললেন লকেট

    Hooghly: “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব”, বিজেপি প্রার্থী হয়ে বললেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার টিকিট পেয়েই সক্রিয় বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। লোকসভার পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি নেত্রী। হুগলি (Hooghly) লোকসভার ১৮ লক্ষ মানুষের আওয়াজ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো লোকসভায় যেতে বদ্ধপরিকর লকেট। তাঁর নাম গত শনিবার প্রেস কনফারেন্সে প্রকাশিত হতেই দলীয় পার্টি অফিসে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্য, আসন্ন লোকসভা উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় বিজেপি প্রথম দফায় সারা দেশে ১৯৫ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে এই রাজ্যের রয়েছেন ২০ জন প্রার্থী। এই ২০ জনের মধ্যে দেখা যায় হুগলি থেকে লকেট চট্টোপাধ্যায় পুনরায় টিকিট পেয়েছেন।

    কী বললেন লকেট (Hooghly)?

    হুগলিতে (Hooghly) প্রেসমিট করে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব। তৃণমূল রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আমরা সেই ধাক্কা সামলে নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিয়েছি। আমাদের কর্মীরা এলাকায় ভীষণ ভাবে সক্রিয় রয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রী এবং দলের নেতৃত্বকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। আমরা এবার ৩৫টি আসন বাংলা থেকে উপহার দেবো। আমি আমার রাজ্যের কথা সংসদে বলতে সক্ষম হয়েছি। লোকসভার আগে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল শুরু হয়েছে, সরকার ভেঙে যেতে পারে। এলাকায় তৃণমূলের মদতে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে কিন্তু আমাদের সংগঠন অনেক মজবুত রয়েছে। এই বারে সংসদে ৪০০ আসন পাবে বিজেপি।”

    শুরু দেওয়াল লেখন

    রবিবার দুপুর থেকেই হুগলীতে (Hooghly) লকেটের সমর্থনে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। লকেটের সমর্থনে এলাকায় বিজপি কর্মীরা নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এদিন চুঁচুড়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পিপুলপাতি এলাকায় দেওয়াল লেখার সূচনা করেন খোদ প্রার্থী। পাশাপাশি কর্মীসভা, চায়ে পে চর্চার মাধ্যমে সারাদিনই ব্যস্ত থাকেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। জনসংযোগের মাধ্যমে অন্য দলগুলির তুলনায় প্রথম রাউন্ডে এগিয়ে থাকাই যে তাঁর লক্ষ্য তা তিনি এদিন বুঝিয়ে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মমতার সভার আগেই শুভেন্দু গড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল, সমবায় বোর্ড দখল বিজেপির

    BJP: মমতার সভার আগেই শুভেন্দু গড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল, সমবায় বোর্ড দখল বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমোর পূর্ব মেদিনীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা করার আগেই তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিল বিজেপি (BJP)। সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচনে জিতল বিজেপি। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুর ব্লকের বৃন্দাবনপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এড়াশাল সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচনে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে বিজেপি। লোকসভা ভোটের আগে শুভেন্দুর গড়ে জোর ধাক্কা খেল তৃণমূল।

    সমবায়ের ৬টি আসনে জয়লাভ করে বিজেপি (BJP)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চণ্ডীপুর ব্লকের বৃন্দাবনপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এড়াশাল সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ভোটকে ঘিরে সকাল থেকে উত্তেজনা ছিল। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয় চণ্ডীপুর থানার পুলিশ। ওই সমিতিতে মোট ৯টি আসন। সব আসনেই প্রার্থী দেয় দুইপক্ষ। সমবায় সমিতি নির্বাচনে কোনও প্রতীক না থাকলেও সকাল থেকে লড়াই ও উত্তেজনা ছিল চরমে। ৯টি আসনের মধ্যে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি (BJP) ৬টি আসন পায়। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ৩টি আসনে জয়লাভ করে। জয়ের পর আবির খেলায় মেতে উঠেন জয়ী সমবায় সমিতির সদস্যরা থেকে বিজেপি কর্মীরা। আবির ও বাজি ফাটিয়ে উল্লাস করেন তাঁরা। এই জয় লোকসভা নির্বাচনের আগে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতি তরজা

    স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এখানে কোনও প্রতীক থাকে না। বিজেপি অহেতুক উল্লাস করছে। প্রতীক থাকে না, তাই ব্যক্তি কেন্দ্রিক ভোট হয়। তাই, লোকসভায় এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির (BJP) সহ- সভাপতি পুলক কুমার গুড়িয়া বলেন, “সব থেকে পুরনো সমবায় সমিতি। ১০৪ বছরের বেশি পুরনো। সেখানেই তৃণমূল ও সিপিএম যেভাবে দুর্নীতি করে গিয়েছে তা বাঁচানোর জন্য এলাকার নেতৃত্ব থেকে ও স্থানীয় বাসিন্দারা গর্জে উঠেছেন। মানুষ তৃণমূলকে মেনে নিতে পারছেন না। তাই, লোকসভা ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের কাছে এই ফল বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর হাতেই সূচনা, গভীরতম মেট্রো স্টেশন এবার হাওড়ায় 

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর হাতেই সূচনা, গভীরতম মেট্রো স্টেশন এবার হাওড়ায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া থেকে ধর্মতলা মাত্র ৮ মিনিটে। হাওড়া থেকে শিয়ালদা মাত্র ১১ মিনিটে। সৌজন্যে কলকাতা মেট্রো রেল (Metro Rail)। দীর্ঘ অপেক্ষার পর উদ্বোধন হতে চলেছে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড মেট্রো রুট। সব ঠিক থাকলে আগামী ৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে চালু হবে সংশ্লিষ্ট রুট। মেট্রো সূত্রের খবর, আগামী বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এসপ্ল্যানেড স্টেশন থেকে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তবে এখনই গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো সফর করবেন না তিনি।

    মেট্রো সফর এখন নয়

    সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সূত্রের দাবি, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) মেট্রো সফর না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল, শুধু উদ্বোধন নয়, গঙ্গার ২৮ মিটার নীচ দিয়ে ঐতিহাসিক মেট্রো সফরেরও সাক্ষী থাকতে চান প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শুধু পতাকা নেড়েই তাঁকে ফিরে যেতে হবে। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) কর্তারা এসপ্ল্যানেড স্টেশন পরিদর্শনে যান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন লালবাজার, পূর্ত, কলকাতা পুরসভা, দমকল সহ একাধিক রাজ্য সরকারি দফতরের আধিকারিকরা। তাঁরাই নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রধানমন্ত্রীকে এখনই গঙ্গার নীচে মেট্রো সফর করতে বারণ করেছেন।

    মোদির হাতেই সূচনা

    আগামী বুধবার, এসপ্ল্যানেড স্টেশনে নেমে মেট্রো উদ্বোধন সারবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। সেখান থেকেই গড়িয়া-এয়ারপোর্ট রুটের অন্তর্গত কবি সুভাষ-হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবির মোড়) এবং জোকা-বিবাদী বাগ রুটের অন্তর্গত তারাতলা থেকে মাঝেরহাট মেট্রোর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। রাস্তা থেকে লিফ্ট কিংবা এসক্যালেটর চড়ে চারটি প্ল্যাটফর্ম বিশিষ্ট এসপ্ল্যানেড স্টেশনে মেট্রোয় ওঠার জায়গায় পৌঁছতেই প্রধানমন্ত্রীকে প্রায় ২০০ মিটার হাঁটতে হবে। মেট্রোর উদ্বোধনের পরই মোদি রেসকোর্স থেকে বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে বারাসতে একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাবেন। সেক্ষেত্রে মেট্রো চড়ে হাওড়া ময়দানে পৌঁছে তাঁকে সময়ে ফিরিয়ে আনা যথেষ্ট কঠিন। তাই শুধুমাত্র উদ্বোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত? 

    গভীরতম মেট্রো স্টেশন

     ধীরে ধীরে সেজে উঠছে দেশের সবচেয়ে গভীরে তৈরি হওয়া মেট্রো স্টেশন (Metro Rail)। হুগলি নদীর পাশে, অন্যতম ব্যস্ত রেল স্টেশনের সঙ্গে জুড়ে তৈরি হওয়া হাওড়া মেট্রো স্টেশনের শেষ অধ্যায়ের কাজ হয়েছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। ৩০ মিটার নদীর গভীর দিয়ে দৌড়বে এই মেট্রো। নদীর তলায় দু’টি টানেল ৫২০ মিটারের। যার এক প্রান্তে হাওড়া, অন্যদিকে মহাকরণ। হাওড়া মেট্রো স্টেশনের গঠন কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। জমি থেকে ১০৫ ফুট নীচে এই স্টেশন। নীচে নামতে চারটি লেবেল ও পাঁচটি স্ল্যাব পেরতে হবে। সিঁড়ি ভাঙতে যাঁদের অসুবিধা তাঁরা চলমান সিঁড়ি ব্যবহার করবেন। থাকছে লিফটের ব্যবস্থাও। এর জন্য মেট্রো রেল সব ব্যবস্থাই রেখেছে আধুনিকভাবে। এই মেট্রো স্টেশনে থাকছে ২৬টি এসক্যালেটর। থাকছে ৭টি লিফট। চার তলা এই স্টেশনের দুই ও তিন তলায় আছে কন্ট্রোল ও মেকানিক্যাল রুম। মোট ৪টি প্ল্যাটফর্ম থাকছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Elections 2024: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত?

    Loksabha Elections 2024: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনকে (Loksabha Elections 2024) সামনে রেখে ফের বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বারাসতের সভার পর আগামী শনিবার উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে ৯ মার্চ শিলিগুড়িতে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরামবাগ, কৃষ্ণনগরের মতো শিলিগুড়িতেও কিছু সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন তিনি। এছাড়াও ওই দিন সেখানে একটি জনসভা করার কথা তাঁর। উল্লেখ্য, বারাসতে সভার আগে মঙ্গলের রাতেই কলকাতায় পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi in Bengal)। তিনি রাজভবনে রাত কাটাবেন।

    শিলিগুড়িতে মোদি!

    রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফর আপাতত ৬ মার্চ শেষ হচ্ছে না। আগামী মঙ্গলবার কলকাতায় চলে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজভবনে রাত্রীবাস করার কথা তাঁর। তারপর আগামী ৯ মার্চ উত্তরবঙ্গ সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। শিলিগুড়িতে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি চব্বিশের লোকসভা ভোটের প্রচারে রাজনৈতিক জনসভাও করবেন নরেন্দ্র মোদি। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে বা তৃতীয় সপ্তাহের শুরুতেই লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বলা যায়, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই বাংলায় অন্তত হাফ ডজন সভা করে ফেলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শনিবার শিলিগুড়ির সভা হলে নয় দিনে চারটি সভা করে ফেলবেন তিনি। 

    বারাসতে মোদি

    আগামিকাল, মঙ্গলবার রাতেই ফের কলকাতা আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ তিনি থাকবেন রাজভবনে। রাত্রিবাসের পর বুধবার, ৬ মার্চ সকালে কলকাতায় সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে বারাসতের উদ্দেশে রওনা দেবেন। সূত্রের খবর, ওড়িশায় কর্মসূচি সেরে বিমানে করে দমদম আসবেন মোদি ৷ সেখান থেকেই রাজভবনে যাবেন তিনি। এসপিজির কড়া নিরাপত্তায় গাড়ি চেপে রাত আটটা নাগাদ তাঁর ঢোকার কথা। বারাসতের সভায় সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতা’ মহিলাদের সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলতে পারেন মোদি। এদিনই প্রধানমন্ত্রী নদীর তলা দিয়ে দেশের প্রথম মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: “মঙ্গলবার বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করব”, বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: “মঙ্গলবার বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করব”, বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে শেষ দিন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay)। রবিবার নিজের মুখেই তিনি জানালেন, পদত্যাগ করবেন।

    কী বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমি বিচারপতি পদ থেকে মঙ্গলবার পদত্যাগ করব। আগামিকাল বিচারপতি হিসেবে আমার শেষ দিন। আমি সেদিন কোনও বিচারের কাজ করব না। কতগুলি মামলা অর্ধেক হয়ে রয়েছে, সেগুলি আমার লিস্ট থেকে রিলিজ করতে হবে। এরপর আমাদের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে মৌখিকভাবে জানাব। মঙ্গলবার আমাদের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে জানিয়ে দেব। যে মুহূর্তে আমি চিঠিটা পোস্ট করব, সেই মুহূর্ত থেকে আমার রেজিগনেশন কার্যকর হবে। এটাই কনস্টিটিউশন ও কনস্টিটিউশন ল’ এর প্রবিশন। সেটা মঙ্গলবার হবে। এরপর আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেব।”

    “মাথা আমি এখনও নত করিনি”

    তিনি বলেন, “মঙ্গলবার দেড়টার সময় কোর্টে মাস্টারদা সূর্যসেন মূর্তির নীচে আমি আসব, সব প্রশ্নের উত্তর দেব।” বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “মাথা আমি এখনও নত করিনি।” তিনি বলেন, “কোনও ইঙ্গিতই আমি এখন দেব না। সংবাদ মাধ্যমের অকুণ্ঠ সমর্থন আমি পেয়েছি কাজের সময়। আমি ঋণী। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেভাবে মিডিয়া ক্রমাগত কথা বলে গিয়েছে, আমার কাজের যে সমর্থন পেয়েছি, আমি প্রণাম জানাতে চাই। মিডিয়ার কাছে আমি কিছু লুকাবো না।”

    আরও পড়ুুন: নদিয়ায় দুর্ঘটনার কবলে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির কনভয়, তদন্তের দাবি জানালেন সুকান্ত

    কেন সূর্য সেনের মূর্তির নীচে (Justice Abhijit Gangopadhyay) দাঁড়িয়ে সব কথা বলবেন, এদিন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মাস্টারদার পায়ের নীচে দাঁড়িয়েই সব জবাব দেব। কারণ মাস্টারদার ফাঁসির যে অর্ডার হয়েছিল, তা এক সময় সই করেছিলেন হাইকোর্টের জজ। তিনি ব্রিটিশ ছিলেন। ক্ষুদিরামও তাই। হাইকোর্ট ভুল করেছিল। একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে ফাঁসি দেওয়া উচিত হয়নি।” তিনি বলেন, “মাস্টারদার অবশ্য ফাঁসি হয়নি, ওঁকে আগেই মেরে ফেলা হয়েছিল বলে জানা যায়। যার স্বপক্ষে ডক্টর রাধাবিনোদ পাল টোকিও ট্রায়ালে বলেছিলেন, মাতৃভূমিকে রক্ষা করা কোনও ক্রাইম নয়। যে কারণে ডক্টর রাধাবিনোদ পালের মূর্তি আছে টোকিওয়। জাপানে তাঁর নামে রাস্তাও রয়েছে (Justice Abhijit Gangopadhyay)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: “মঙ্গলবার বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করব”, বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: “মঙ্গলবার বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করব”, বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে শেষ দিন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay)। রবিবার নিজের মুখেই তিনি জানালেন, পদত্যাগ করবেন।

    কী বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমি বিচারপতি পদ থেকে মঙ্গলবার পদত্যাগ করব। আগামিকাল বিচারপতি হিসেবে আমার শেষ দিন। আমি সেদিন কোনও বিচারের কাজ করব না। কতগুলি মামলা অর্ধেক হয়ে রয়েছে, সেগুলি আমার লিস্ট থেকে রিলিজ করতে হবে। এরপর আমাদের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে মৌখিকভাবে জানাব। মঙ্গলবার আমাদের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে জানিয়ে দেব। যে মুহূর্তে আমি চিঠিটা পোস্ট করব, সেই মুহূর্ত থেকে আমার রেজিগনেশন কার্যকর হবে। এটাই কনস্টিটিউশন ও কনস্টিটিউশন ল’ এর প্রবিশন। সেটা মঙ্গলবার হবে। এরপর আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেব।”

    “মাথা আমি এখনও নত করিনি”

    তিনি বলেন, “মঙ্গলবার দেড়টার সময় কোর্টে মাস্টারদা সূর্যসেন মূর্তির নীচে আমি আসব, সব প্রশ্নের উত্তর দেব।” বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “মাথা আমি এখনও নত করিনি।” তিনি বলেন, “কোনও ইঙ্গিতই আমি এখন দেব না। সংবাদ মাধ্যমের অকুণ্ঠ সমর্থন আমি পেয়েছি কাজের সময়। আমি ঋণী। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেভাবে মিডিয়া ক্রমাগত কথা বলে গিয়েছে, আমার কাজের যে সমর্থন পেয়েছি, আমি প্রণাম জানাতে চাই। মিডিয়ার কাছে আমি কিছু লুকাবো না।”

    আরও পড়ুুন: নদিয়ায় দুর্ঘটনার কবলে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির কনভয়, তদন্তের দাবি জানালেন সুকান্ত

    কেন সূর্য সেনের মূর্তির নীচে (Justice Abhijit Gangopadhyay) দাঁড়িয়ে সব কথা বলবেন, এদিন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মাস্টারদার পায়ের নীচে দাঁড়িয়েই সব জবাব দেব। কারণ মাস্টারদার ফাঁসির যে অর্ডার হয়েছিল, তা এক সময় সই করেছিলেন হাইকোর্টের জজ। তিনি ব্রিটিশ ছিলেন। ক্ষুদিরামও তাই। হাইকোর্ট ভুল করেছিল। একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে ফাঁসি দেওয়া উচিত হয়নি।” তিনি বলেন, “মাস্টারদার অবশ্য ফাঁসি হয়নি, ওঁকে আগেই মেরে ফেলা হয়েছিল বলে জানা যায়। যার স্বপক্ষে ডক্টর রাধাবিনোদ পাল টোকিও ট্রায়ালে বলেছিলেন, মাতৃভূমিকে রক্ষা করা কোনও ক্রাইম নয়। যে কারণে ডক্টর রাধাবিনোদ পালের মূর্তি আছে টোকিওয়। জাপানে তাঁর নামে রাস্তাও রয়েছে (Justice Abhijit Gangopadhyay)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মোদির দূত হিসেবে বাড়ি বাড়ি যাবেন বিজেপি কর্মীরা

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মোদির দূত হিসেবে বাড়ি বাড়ি যাবেন বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১০০ দিন প্রতিটি গ্রামে যেতে হবে, প্রতিটি বাড়িতে যেতে হবে। গিয়ে বলতে হবে নরেন্দ্র মোদি আপনাদের প্রণাম পাঠিয়েছেন, আপনাদের আশীর্বাদ চাইছেন। শনিবার নদিয়ার  কৃষ্ণনগরে জনসভা থেকে বিজেপি কর্মীদের এই বার্তা দিয়েছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই বার্তা মাথায় রেখে রবিবার থেকেই জেলায় শুরু হচ্ছে সেই কর্মসূচি।

    বাড়ি বাড়ি যাবেন মোদির দূত (PM Modi)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা জেলা জুড়ে প্রতিটি বুথে বুথে এই কর্মসূচি চলবে। শনিবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে একটি প্রকাশ্য জনসভা করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লোকসভা ভোটের আগে তাঁর এই রাজনৈতিক কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্য ছিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। মূলত এই কর্মসূচি থেকে দলীয় কর্মীদের কি বার্তা দেন পাশাপাশি রাজ্যের জন্য কি কি বরাদ্দ করেন সেদিকে তাকিয়ে ছিলেন রাজ্যবাসী এবং বিজেপি কর্মীরা। জনসভা থেকে নরেন্দ্র মোদি বেশ কিছু আর্থিক বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যবাসীকে। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্প রাজ্যে বাস্তবায়িত হতে দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। অন্যদিকে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প গুলি নিজেদের নামে প্রচার করার চেষ্টা করছে এই সরকার। তিনি বলেন, লোকসভা ভোটের আগের দিন পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে যাবেন। বলবেন, নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আপনাদের প্রণাম এবং আশীর্বাদ চেয়েছেন। এবার সেই বার্তা নিয়ে মাঠে নামতে চলেছে বিজেপির জেলা স্তর থেকে শুরু করে বুথ স্তরের কর্মীরা। রবিবার নদিয়ার উত্তর সাংগঠনিক জেলার একটি মিটিং হতে পারে। সেখানেই এই কর্মসূচি নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলবে। এদিন থেকে এই জেলার মোদির দূত হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে যাবেন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি-র জেলা সভাপতি কী বললেন?

    নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি-র সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা বিস্তর আলোচনা করেছি এই বিষয় নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর বার্তাকে সামনে রেখে আমরা প্রতিটি বুথ স্তরে কর্মীদের নিয়ে প্রতিটি গ্রামে এবং বাড়িতে বাড়িতে যাব। প্রধানমন্ত্রী এই বার্তা আমরা সকলের কাছে পৌঁছে দেব এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।  প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) জনসভার পরেই দিল্লি থেকে বিভিন্ন রাজ্যে লোকসভার প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। নদিয়ার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা না হলেও রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র সহ বেশ কয়েকটি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। তাই লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা এবং তাঁর এই বার্তা অনেকটা কর্মীদের উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share