Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • CV Ananda Bose: দিল্লি থেকে ফিরে আজ ভোট গণনার দিনেও জেলায় জেলায় রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: দিল্লি থেকে ফিরে আজ ভোট গণনার দিনেও জেলায় জেলায় রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (PANCHAYAT ELECTION 2023) দিনের মতোই আজ, মঙ্গলবার ভোট গণনার সময়েও জেলায় জেলায় ঘুরবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, দিল্লিতে শাহি-সাক্ষাত সেরে ফেরার পর আজ তিনি জেলা পরিদর্শনে বেরোবেন। কোন কোন জেলায় যাবেন তা এখনও অবধি জানা যায়নি। তবে প্রথমে তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যেতে পারেন বলে খবর।

    রাজপথে রাজ্যপাল

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) সঙ্গে দেখা করতে নয়াদিল্লিতে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেছিলেন রাজ্যপাল। তার পর রবিবার সন্ধেয় দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন। বাংলার পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিতেই তাঁর দিল্লি সফর বলে অনুমান। সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ পর্ব শেষে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘ভোরের ঠিক আগের মুহূর্তটাই সবচেয়ে অন্ধকার সময়। তবে, এই অন্ধকার টানেলের শেষ প্রান্তে আলো থাকবে।’’ শাহের সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরিয়ে রাজ্যপাল আরও বলেন, ‘‘কনকনে শীত যদি এসেই থাকে, তবে বুঝতে হবে বসন্ত খুব বেশি দূরে নেই। আগামী দিন ভাল হবে।’’ সাংবাদিকরা রাজ্যপালকে প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি কি বাংলায় সংবিধানের ৩৫৫ ধারা প্রয়োগের সুপারিশ করবেন। সেই প্রশ্নের কোনও জবাব রাজ্যপাল দেননি। 

    আরও পড়ুন: আজ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, নজরে কমিশনের ভূমিকা!

    ভোটগণনার দিনেও সতর্ক

    ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৩৩৯ কেন্দ্রে পঞ্চায়েত ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে থাকছে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সিসিটিভি। ভোট গণনাকে (Panchayat Election 2023 Result ) কেন্দ্র করে আজ আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা গণনাকেন্দ্রগুলিতে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে চলবে গণনা। জেলায় জেলায় এই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। ভোট গণনার সময় ব্যালট পেপারের সত্যতা যাচাইয়ের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে থাকবেন একজন করে অবজার্ভার। প্রতিটি জেলায় একজন করে বিশেষ অবজার্ভার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে থাকবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। এর দায়িত্বে থাকবে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে থাকবে প্রয়োজন মতো রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। এরপরেও ভোট-পরবর্তী হিংসা এড়াতে রাজপথে নামতে চলেছেন সদা সতর্ক রাজ্যপাল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Elections 2023: চলছে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, গ্রাম বাংলা থাকবে কার দখলে?

    Panchayat Elections 2023: চলছে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, গ্রাম বাংলা থাকবে কার দখলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ পঞ্চায়েত ভোটগণনা (Panchayat Elections 2023)। নির্ধারিত সময় মেনেই সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে গণনার প্রক্রিয়া। রাজ্যের ২২টি জেলায় ৩৩৯টি কেন্দ্রের ৩,৫৯৪ কক্ষে একযোগে চলছে গণনার কাজ। গণনার জন্য কেন্দ্রগুলিতে মোট ৭৬৭টি স্ট্রংরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোট ৩,৫৯৪টি ঘরের ৩০,৩৯৬টি টেবিলে চলবে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল (Bengal Panchayat Polls)। 

    ব্যালটে ভোট, গণনায় লাগবে সময়

    প্রথমে গ্রাম পঞ্চায়েত, তার পর পঞ্চায়েত সমিতি এবং সব শেষে জেলা পরিষদের আসনে গণনা হবে। পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের ফল প্রকাশ করার কথা সংশ্লিষ্ট ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের। এদিকে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রকাশ করবেন কাউন্টিং আধিকারিকই। প্রত্যেক স্তরে দু’রাউন্ড করে অর্থাৎ মোট ৬ রাউন্ড গণনা হবে। এদিকে যেহেতু পঞ্চায়েতে (Panchayat Elections 2023) ব্যালটে ভোট হয়, তাই গণনায় অনেকটাই সময় লাগে। কোথও যদিও আজ ভোট গণনা শেষ না হয়, তাহলেও আগামিকালও ভোট গণনা চলবে। 

    সব আসনে গণনা হচ্ছে না

    রাজ্যের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত (Panchayat Elections 2023) ব্যবস্থায় মোট গ্রাম পঞ্চায়েত আসনের সংখ্যা ৬৩,২২৯। পঞ্চায়েত সমিতির আসন সংখ্যা ৯,৭৩০। আর জেলা পরিষদ আসন সংখ্যা ৯২৮। তবে সব আসনের গণনা হচ্ছে না। গ্রাম পঞ্চায়েতে ৬৩ হাজার ২২৯ আসনের মধ্যে আট হাজার দু’টি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন প্রার্থীরা। এর মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৭,৯৪৪টি আসনে। দু’টি আসনে জয়ী বিজেপি। তিনটি আসনে জয়ী সিপিএম। অন্য প্রার্থীরা জয়ী ৫৩টি আসনে। পঞ্চায়েত সমিতিতে ৯,৭৩০ আসনের মধ্যে ৯৯১টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। এর মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৯৮১টি আসনে। অন্যরা জিতেছে ১০টি আসনে। আবার জেলা পরিষদে ৯১২টি আসনে গণনা হবে। কারণ ১৬টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। 

    একাধিক নির্দেশ কমিশনের

    নির্বাচন কমিশন (Panchayat Elections 2023) সূত্রে জানা গেছে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের গননার সময় থাকবেন একজন করে কাউন্টিং অফিসার এবং একজন কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট। সঙ্গে থাকবেন প্রতি প্রার্থীর একজন করে কাউন্টিং এজেন্ট। প্রতি গণনা কেন্দ্রে ব্লক পিছু একজন করে অবজারভার ও জেলা পিছু একজন করে স্পেশাল অবজার্ভার থাকবেন। গ্রাম পঞ্চায়েতে এবং জেলা পরিষদের প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট থাকতে পারলেও পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রার্থী থাকতে পারবেন কোনও এজেন্ট থাকতে পারবেন না।

    কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    গণনাকেন্দ্রগুলিকে (Bengal Panchayat Polls) নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে থাকবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। এর দায়িত্বে থাকবে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে থাকবে প্রয়োজন মতো রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। থাকছে সিসিটিভির নজরদারি। গণনা কেন্দ্রের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক হিংসা! তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক হিংসা! তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নির্বাচনের নামে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে তৃণমূল। এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) নজিরবিহীন হিংসা দেখেছে গোটা বাংলা। দিকে দিকে ছাপ্পাভোট, ব্যালটবক্স ছিনতাই, ভাঙচুর, আগুন তো ছিলই, মুড়ি-মুড়কির মতো প্রাণ গিয়েছে সাধারণ মানুষের। সোমবার রাজ্যের ৬৯৬ বুথে পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এদিনই নিউটাউনের ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, “কোথাও যদি মেরেই থাকে ঠিকই আছে। তৃণমূলের লোক মানেই গুন্ডা। যেখানেই শক্তি দেখাতে এসেছিল আমরা আটকেছি। সাধারণ মানুষ তো ওদের তাড়া করেছে। তবে পুলিশ আমাদেরই আটকেছে। সাধারণ মানুষ মার খায়। প্রতিবাদ করলে পুলিশ তাদের উপরেই লাঠি চালায়। গুণ্ডারা লুঠপাট করে খুন খারাপি করে চলে যায়, তাদের কেউ আটকায় না।” এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “রাজ্যে নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) নামে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। এই সরকারের আর থাকার অধিকার নেই। দরকার নেই এই সরকারের”।

    আরও পড়ুন: “মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে দিল্লি যাচ্ছি”! তির্যক মন্তব্য রাজ্যপালের

    ফল নিয়ে আশাবাদী

    আজ রাজ্য়ের যে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন (Panchayat Election 2023) হচ্ছে, তা নিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি বলেন, “পুনর্নির্বাচন নিয়ে আমরা আশাবাদী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন অনেক বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায়নি। গোটা রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা আরও অনেক বুথে ভোট করাতে পারতাম, কিন্তু তা করতে দেওয়া হয়নি।” ভোটের ফল নিয়ে আশাবাদী দিলীপ আরও বলেন, “বেশ কয়েকটি জেলা পরিষদ পাব আমরা। উত্তর ও দক্ষিণ-দুই বঙ্গেই আশা করি বেশ কিছু জেলা পরিষদ পাব আমরা।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: “পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রহসন”, কটাক্ষ শুভেন্দুর, দিলেন ‘প্রমাণ’ও

    Panchayat Election 2023: “পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রহসন”, কটাক্ষ শুভেন্দুর, দিলেন ‘প্রমাণ’ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election 2023) নির্বাচন নয়, প্রহসন” বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী। বিস্ফোরক একটি ভিডিও-ও পোস্ট করেছেন তিনি। যাতে দেখা যাচ্ছে, কীভাবে বুথ জ্যাম করে ভোট লুঠ হচ্ছে। শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল মানেই চোর! এই চোর তকমা আঞ্চলিক দল তোলামুলের অস্তিস্তের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এরা সব পারে।“

    শুভেন্দুর বাণ

    ফেসবুকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, “২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পঞ্চায়েত ‘প্রহসন’ থুড়ি ‘নির্বাচন’: প্রথম ধাপ– মক্কা থেকে মনোনয়ন: সর্বশক্তি দিয়ে বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা, কিন্তু গিনিস বুকে নাম উঠিয়ে ৮ ঘণ্টায় ৭০ হাজার তোলামুলি মনোনয়ন দাখিল করা।

    দ্বিতীয় ধাপ- সাদা থান (Panchayat Election 2023) করো দান: খুন, অপহরণ, ভাঙচুর, ধমকি দিয়ে বিরোধীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করানো। তৃতীয় ধাপ- ভোটের নামে পুকুর চুরি: এতদিন বাংলার মানুষ ভোটের নামে পুকুর চুরি দেখতে অভ্যস্ত ছিলেন। এবার দেখলেন ছাপ্পা মেরে পুকুর চুরি করার ফল, ব্যালট বাক্স সোজা পুকুরে।

    ভোট নয়, প্রহসন!

    চতুর্থ ধাপ- বাক্স বদল: গতকাল পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নামে মানুষ খুন, লুঠ, চুরি, ছাপ্পা দেদার চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অবহেলায় এবং অদক্ষতায়। প্রায় বেশিরভাগ বুথেই লুঠ হয়েছে। বাকি (Panchayat Election 2023) যে কটা বুথে গ্রামবাসীদের প্রতিরোধে ভোট লুঠ ঠেকানো গেছে সেগুলোও জিততে হবে তোলামুলকে।

    শুভেন্দু লিখেছেন, বহরমপুরের বিডিও অভিনন্দন ঘোষ, সঙ্গে জয়েন্ট বিডিও এবং অবজারভারের ওপর গুরুতর অভিযোগ আনছেন স্থানীয় লোকজন। আজ ভোর ৩টা থেকে নাকি বহরমপুর, মুর্শিদাবাদের স্ট্রংরুম থেকে ব্যালট বাক্স চুরি হয়েছে অনেক লোক লাগিয়ে। সারারাত একটা টিম যথারীতি কাজ শেষ করে দিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, এই বাক্সগুলি নিয়ে গিয়ে রাজ্যের শাসক দলের রেডি করা ব্যালট বাক্স (Panchayat Election 2023) গণনার আগে স্ট্ররুমে রেখে দেওয়া হয়েছে। এক কথায়, বাক্স বদল। দলদাস প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মদতে।

    আরও পড়ুুন: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আসানসোলে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা

    এরপর অন্তিম ধাপ- জাল শংসাপত্র ছাপিয়ে হেরে যাওয়া আসনে জয়ী হয়ে যাওয়া। এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এই পোস্টেই ভিডিও আপলোড করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, তোলামুল কর্তৃক অভিনীত বাক্স বদল। চিত্রনাট্য পিসি-ভাইপো। পরিচালনা রাজীব সিনহা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: নির্বাচন কমিশনারের দফতরে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক, কী দাবি জানালেন?

    Panchayat Elections 2023: নির্বাচন কমিশনারের দফতরে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক, কী দাবি জানালেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Elections 2023) ব্যাপক হিংসার প্রতিবাদে শনিবারই রাজ্য নির্বাচন কমিশনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারি। প্রতীকী ওই প্রতিবাদের পর রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।

    বিজেপির দাবি

    কমিশনারের ঘর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন জগন্নাথ। বলেন, যেখানে যেখানে ছাপ্পা হয়েছে, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেননি, সেখানে সেখানে আমরা পুনর্নির্বাচন চাইছি। ১০-১২ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে। পুনর্নির্বাচন না হলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করব। ১১ তারিখ ভোট গণনা হবে। সেখানেও জোরদার নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছি।

    ভোট উৎসবে রক্তের হোলি

    শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Elections 2023) দিন সকাল থেকেই অশান্তির খবর মিলেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। কোথাও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের খুন করা হয়েছে। কোথাও আবার তৃণমূলেরই দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ের বলি হয়েছেন কেউ। সব মিলিয়ে দিনের শেষে দেখা গেল এই একদিনেই রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ১৯ জন। এর মধ্যে রয়েছেন এক ভোটারও। (অবশ্য নির্বাচন কমিশনারের দাবি মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।) এছাড়াও বোমাবাজি, গুলি চালানো, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শাসক দলের কর্মীদের দাপাদাপি, দেদার ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তার পরেই প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে ভোটের দিনই সন্ধেয় নির্বাচন কমিশনারের দফতরে তালা ঝুলিয়ে দেন শুভেন্দু। তার ঠিক পরের দিনই নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে গুচ্ছ দাবি জানালেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক।

    আরও পড়ুুন: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গেলেন সুকান্ত

    এদিকে, শনিবার নির্বাচনের (Panchayat Elections 2023) দিন রাজ্যের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনের পর রবিবার দিল্লির বিমান ধরেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ভোট শেষে শনিবার হিংসা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, একজন রাজ্যপালের যা করণীয়, তা-ই করব। তার পর রবিবার দিল্লি যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই দানা বেঁধেছে নানা জল্পনা। রাজ্যপাল দিল্লিতে যাওয়ার পরেই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। তবে রাজ্যপাল নিজে উদ্যোগী হয়ে দিল্লিতে যাচ্ছেন, নাকি তাঁকে তলব করা হয়েছে, তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের একটি বুথে শনিবার ভোটাধিকার (Panchayat election 2023) প্রয়োগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে খুন, জখম, ভোট লুঠ, শাসকের অবাধ ছাপ্পার ছবি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সম্প্রচারিত হওয়া সত্ত্বে ঠুঁটো হয়ে বসেছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। তার প্রেক্ষিতেই শুভেন্দু নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে তালা ঝোলাবেন তিনি।

    হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    তাঁর ওই হুঁশিয়ারির ঘণ্টা চারেক পরেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার প্রতিবাদে কমিশনের অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিলেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে যান শুভেন্দু। তারপরেই দেন তালা ঝুলিয়ে। তিনি বলেন, “গোটা পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ মানুষ আজ ভোট (Panchayat election 2023) দিতে পারেননি। এই ভোটগুলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবস্থাপনায় রাজীব সিনহার উদ্যোগে লুঠ হয়ে গিয়েছে। আমার এই নিয়ে চারবার আসা হল। আমাদের ইলেকশন কো-অর্ডিনেটর শিশির বাজোরিয়ার ১০ বার আসা হল। বারে বারে প্রতিবাদ করেছেন সবাই। এই নির্বাচনের যে সব ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে, তা দেখিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব এ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির। তাই আমরা সারাদিন মাঠে-ময়দানে লড়াই করেছি।”

    শুভেন্দুর দাবি

    তিনি বলেন, “সাংবিধানিক বডির কাছে আমাদের আসতে হয়েছে। মহামান্য উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল, সিসিটিভি মনিটরিং করতে হবে। রাজ্যে ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। আমরা নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রস্তাব দিচ্ছি। সিসি ক্যামেরায় যদি ছাপ্পা (Panchayat election 2023) হয়েছে দেখা যায়, তবে ফের ভোট করতে হবে। যেখানে সিসি ক্যামেরা দেখা গিয়েছে গতকাল (শুক্রবার) ব্যালটে ছাপ মারা হয়েছে, সেই প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে হবে। যখন ব্যালট বাক্স সিল করা হচ্ছে, তখন বিজেপি প্রার্থীকে রাখা হয়নি, এমন ঘটনা যেখানে ঘটেছে সেখানে আবার ভোট করাতে হবে।” এদিন শুভেন্দুর তালা ঝোলানোর পরপরই অবশ্য তালা খুলে ফেলে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ঝরল রক্ত, পড়ল লাশ, সি-ভোটারের সমীক্ষায় তৃণমূলের সর্বনাশের ইঙ্গিত!

    Panchayat Election 2023: ঝরল রক্ত, পড়ল লাশ, সি-ভোটারের সমীক্ষায় তৃণমূলের সর্বনাশের ইঙ্গিত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের উৎসবে কান্নার রোল। আক্ষরিক অর্থেই শোকের আবহে শনিবার শেষ হল ১০ম পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। অকালে খালি হয়ে গেল রাজ্যের ১৫টি মায়ের কোল। গুলি-বোমা-বারুদের গন্ধে দিনভর ভারী হয়ে রইল রাজ্যের আষাঢ়ের আকাশ। ভোটারের লাল টকটকে রক্তের দাগ লেগে রইল রাজ্যেরই একটি বুথে। নির্বাচন কমিশন রইল ঠুঁটো। যার জেরে কোথাও হাতজোড় করে প্রাণ বাঁচানোর আর্তি জানাতে দেখা গিয়েছে পুলিশ কর্মীকে।

    কাঁদছেন খোদ প্রিসাইডিং অফিসার!

    সংবাদ মাধ্যমের সামনে কাঁদতে দেখা গিয়েছে খোদ প্রিসাইডিং অফিসারকে। প্রশাসনকে ঠুঁটো করে কোথাও দেদার ছাপ্পা ভোট দিয়েছে তৃণমূল। কোথাও আবার আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছোটাছুটি করতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের। ব্যালট লুঠ হওয়ার গুচ্ছ অভিযোগও (Panchayat Election 2023) এসেছে বিরোধীদের কাছ থেকে।

    শাসককে টক্কর বিরোধীদের!

    এহেন আবহেও রাজ্যের শাসক দলকে ভোটের ফলে টক্কর দিতে চলেছেন বিরোধীরা। অন্তত এবিপি আনন্দ সি-ভোটারের সমীক্ষা তা-ই বলছে। ওই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, রাজ্যের ২০টি জেলা পরিষদের বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। কোথাও আবার শাসককে টক্কর নিচ্ছে বাম-কংগ্রেস জোট। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, জেলা পরিষদের সম্ভাব্য চিত্র।

     

      জেলা জেলা পরিষদ মোট আসন টি এম সি বি জে পি  অন্যান্য
    কোচবিহার ৩৪ ১১-১৭   ১৮-২২ ০-১
    জলপাইগুড়ি ২৪ ১৬-২০ ৪-৮ ০-১
    আলিপুরদুয়ার ১৮ ৪-৮ ১০-১৪ ০-১
    উত্তর দিনাজপুর ২৬ ১৯-২৫ ০-৪ ০-৩
    দক্ষিণ দিনাজপুর ২১ ১১-১৫ ৬-১০ ০-১
    মালদহ ৪৩ ১৮-২৬ ৩-৭ ১৫-১৭
    মুর্শিদাবাদ ৭৮ ৩৯-৪৯ ০-৪ ২৬-৩৬
    নদীয়া ৫২ ৩০-৪০ ১২-১৮ ০-৪
    বীরভূম ৫২ ৩৪-৪৪ ৬-১২ ০-৫
    ১০ পশ্চিম বর্ধমান ১৮ ১১-১৫ ২-৬ ০-১
    ১১ পূর্ব বর্ধমান ৬৬ ৪৩-৫৩ ১১-১৭ ০-৫
    ১২ হুগলী ৫৩ ৩৬-৪৬ ৭-১৩ ০-৪
    ১৩ উত্তর ২৪ পরগণা ৬৬ ৪৪-৫৪ ৫-১১ ৬-১০
    ১৪ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৮৫ ৫৯-৬৯ ১৪-২০ ১-৫
    ১৫ বাঁকুড়া ৫৬ ৩৭-৪৭ ৯-১৫ ০-৩
    ১৬ পুরুলিয়া ৪৫ ২২-৩২ ১০-১৬ ০-৪
    ১৭ পশ্চিম মেদিনীপুর ৬০ ৩১-৪১ ১৯-২৫ ০-৪
    ১৮ পূর্ব মেদিনীপুর ৭০ ৩৫-৪৫ ২৬-৩২ ০-২
    ১৯ ঝাড়গ্রাম ১৯ ১৩-১৭ ২-৬ ০-১
    ২০ হাওড়া ৪২ ২৭-৩৫ ৭-১১ ১-৩

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুচ্ছ অভিযোগ। উন্নয়নের বুলি যে নিছকই ফাঁকা আওয়াজ মাত্র, তাও স্পষ্ট। এসবের জেরে এবার ভোটের হাওয়া ছিল বিরোধীদের (Panchayat Election 2023) পালেই। বিরোধীদের অভিযোগ, সেই কারণেই জনগণের মতের ওপর ভরসা করতে পারেনি শাসক। চালিয়েছে লুঠতরাজ, গুলি, বোমা। তা সত্ত্বেও জেলা পরিষদে যে ফল হতে চলেছে, তা তৃণমূলের পক্ষে অশনি সংকেত বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।  

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Elections 2023: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

    Panchayat Elections 2023: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Elections 2023) নির্ঘণ্ট হওয়া থেকে শুরু করে শুক্রবার অর্থাৎ, ভোটের আগের সন্ধে পর্যন্ত গত ৩০ দিনে রাজ্যে ভোট–পূর্ববর্তী হিংসার বলি হয়েছিলেন ১৮ জন। ফলে, শনিবার অর্থাৎ আজ ভোটগ্রহণের দিন কী হতে চলেছে তার একটা পূর্বাভাস পাওয়া গিয়েছিল। আর সেই আশঙ্কা সত্যিও হলো। 

    এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোট হিংসার (Bengal Poll Violence) খবর আসতে শুরু করে। উত্তর হোক বা দক্ষিণ— রাজ্যের সর্বত্র রক্ত ঝরেছে। বিভিন্ন প্রান্তে মৃত্যু হয়েছে। শাসক হোক বা বিরোধী— সব দল, সব রঙের কর্মী-সমর্থকরা এই হিংসার শিকার হয়েছেন। কোচবিহার থেকে বর্ধমান, উত্তর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা থেকে মুর্শিদাবাদ— বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছে মৃত্যুর খবর। আগের দিন যে সংখ্যা ১৮ ছিল, শনিবার সন্ধে পর্যন্ত সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৩। অর্থাৎ, শুক্রবার রাত থেকে শুরু করে শনিবার সন্ধে পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ১৫ জন। গুলিবিদ্ধি হয়ে চিকিৎসাধীন অনেক। এছাড়া, বোমার ঘায়ে বা মারধরে জখমের সংখ্যা বহু। 

    ভোট হানাহানিতে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। সমস্যা শুরু হয়েছিল মনোনয়নের প্রথম দিন থেকেই। তবে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Elections 2023) আগের রাত থেকে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার ভোটের দিন দুপুর পর্যন্ত সেই জেলায় পাঁচ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে শুধুমাত্র শাসকদলেরই তিন জন কর্মী খুন হয়েছেন। এক কংগ্রেস কর্মী এবং এক জন সিপিএম সমর্থককেও খুনের অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় দু’নম্বরে কোচবিহার। একই সময়ে এই জেলায় তিনজন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জন বিজেপির এবং একজন তৃণমূলের। 

    আরও পড়ুন: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    একবার দেখে নেওয়া যাক এই ১৫ জনের মধ্যে কে কোথায় মারা গিয়েছেন (Bengal Poll Violence)—

    কোচবিহার

    কোচবিহার-১ নম্বর ব্লকের ফলিমারী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি পোলিং এজেন্ট মাধব বিশ্বাসকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বুথ কেন্দ্রে ঢুকতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়। তারপরে উত্তেজনা ছড়ালে তাঁকে গুলি করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী মায়া ভৌমিক সরকারও। 

    তুফানগঞ্জে তৃণমূলের বুথ চেয়ারম্যানকে খুনের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল এলাকায়। শুক্রবার রাতে গণেশ সরকারের (৫০) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। গণেশ কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের রামপুরের ৯/৬৪ নম্বর বুথের চেয়ারম্যান ছিলেন। স্থানীয় টোটো ইউনিয়নের সভাপতিও ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

    দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকে গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হল দিনহাটা হাসপাতালে। মৃতের নাম চিরঞ্জিত কার্জি। শনিবার সকালে দিনহাটার কালীরপাট গ্রামে ভোট ঘিরে তুমুল অশান্তি শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে তাণ্ডব শুরু করে। বাধা দেওয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় তারা। বুথের মধ্যেই গুলি চলে। মারা যান চিরঞ্জিত। গুলিবিদ্ধ রাধিকা বর্মন নামে আরেক বিজেপি কর্মী।

    দক্ষিণ দিনাজপুর

    ভোট চলাকালীন বুথের মধ্যেই খুন হলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর-১ ব্লকের চাকুলিয়া থানার ২ নম্বর বিদ্যানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেবরা গ্রামের ১৯২ বুথে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন মহম্মদ শাহেনশা। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়েন তিনি। পরে, হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।

    মুর্শিদাবাদ

    বেলডাঙায় ভোট (Panchayat Elections 2023) হিংসার বলি হন তৃণমূলের কর্মী বাবর আলি (৪০)। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত কাপাসডাঙা ষষ্ঠীতলা এলাকায়।  শুক্রবার সন্ধেয় বেলডাঙা কাপাসডাঙ্গা এলাকায় বাড়ির সামনে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন বাবর আলি। অভিযোগ, আচমকাই স্থানীয় কংগ্রেস নেতা শফিকুল শেখ ও মুরসালিম শেখের নেতৃত্বে কিছু দুষ্কৃতী বাবরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে শুরু করে। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবরকে উদ্ধার করে বেলডাঙা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

    রেজিনগরে তৃণমূল কর্মীকে বোমা মেরে খুন করার অভিযোগ। শনিবার সকালে রেজিনগর থানার নাজিরপুরে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিন শেখ নামে এক শাসকদলের কর্মীর। অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমের আঘাতে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিনের। নিহত ওই ব্যক্তি স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী কবিতা বিবির আত্মীয়। অভিযোগ, গভীর রাতে ওই এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হয়। বাড়ির ছাদ থেকে বোমা ছোড়া হয়। সেই বোমা ফেটেই নিহত হন ইয়াসিন শেখ। 

    খড়গ্রামেও একটি ফাঁকা জমি থেকে শনিবার সকালে তৃণমূল কর্মী সাত্তারউদ্দিন শেখের দেহ উদ্ধার হয়। খড়গ্রামের রতনপুরেই মনোনয়নের প্রথম দিন খুন হন কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখ। স্থানীয় সূত্রে খবর, সাত্তারউদ্দিনই সেই খুনের মূল অভিযুক্ত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, সেই খুনের বদলা নেওয়ার জন্যই শনিবার ভোট শুরুর ঠিক আগে তৃণমূল কর্মী সাত্তারুদ্দিনকে খুন করা হয়েছে।

    বহরমপুরের নওদাতে কংগ্রেস কর্মীকে মারধর বুথের সামনে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

    লালগোলায় বুথে সংঘর্ষ হয় বাম-তৃণমূলের। সেই সংঘর্ষে মৃত্যু হয় বাম সমর্থকের। একটি বুথে শাসকদলের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে সিপিএমের। ভোট দিতে এসে সেই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান রওশন আলি নামে ওই সিপিএম সমর্থক। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    মালদা

    মানিকচকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের এক কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। দাবি, কংগ্রেসের হামলায় নিহত হয়েছেন তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি মহম্মদ নাসিরের কাকা শেখ মালেক। পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন নাসিরও।

    নদিয়া

    চাপড়ার কল্যাণদহে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। শাসক দলের দাবি, দলবদ্ধ ভাবে ভোট দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালান কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। আমজাদ হোসেন নামে এক তৃণমূল কর্মীকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

    উত্তর ২৪ পরগনা

    বারাসত-১ ব্লকের কদম্বগাছিতে এক নির্দল প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। আবদুল্লা আলি নামে এক নির্দল প্রার্থীকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। বয়স ৪১ বছর৷ অভিযোগের আঙুল উঠেছে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ভোটের আগের দিন রাতে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। গভীর রাতে তাঁকে বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে আচমকা ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মীর। শনিবার এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে। নিহতের নাম আনিসুল ওস্তাগর। তিনি স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থীর আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। ওই ঘটনায় বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় নির্দল প্রার্থীর দলবলের বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 

    পূর্ব বর্ধমান

    কাটোয়ায় খুন হয়েছেন তৃণমূল কর্মী গৌতম রায়। অভিযোগ, সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলার নেপথ্যে। অভিযোগ, কাটোয়ার সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বুথের (Panchayat Elections 2023) বাইরে বার করে এনে পিটিয়ে খুন করা হয় গৌতমকে। 

    আউশগ্রামে তৃণমূল ও সিপিএম সংঘর্ষে এক সিপিএম কর্মী নিহত হন (Bengal Poll Violence)৷ মৃতের নাম রাজিবুল হক৷ গতকাল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের অমরপুর পঞ্চায়েতের বিষ্ণুপুরে ভোটকর্মীদের সামনেই দুই গোষ্ঠীর বচসা শুরু হয়৷ এরপর তা মারামারিতে পৌঁছয়৷ এই ঘটনায় দু’পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    Panchayat election 2023: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলের ভোটারদের সন্ত্রস্ত করে ভোট লুঠের ছক কষেছিল তৃণমূল (TMC)। অভিযোগ, সেই কারণে শনিবার সকাল থেকে নদিয়ার হাতিশালা গ্রাম পঞ্চায়েত (Panchayat election 2023) এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। মুহূর্মুহূ কান ফাটানো বোমার আওয়াজে আর বুথমুখো হননি ভোটাররা। এনিয়ে বুথের মধ্যেই গন্ডগোল শুরু হয় তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে।

    অশান্তি থামানোর চেষ্টা কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    অশান্তি থামানোর চেষ্টা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওই সময় ফের বোমাবাজি করতে শুরু করে তৃণমূলের দুর্বৃত্তরা। এর পরেই ভোটারদের আস্থা ফেরাতে শূন্যে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালান কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। হতাহতের কোনও খবর অবশ্য নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উগ্রমূর্তি দেখে পিঠটান দেয় তৃণমূলের হার্মাদরা। তার পরেই ফের শুরু হয় ভোটগ্রহণ-পর্ব। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এদিন সব মিলিয়ে ২০টিরও বেশি বোমা ছোড়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

    বোমাবাজি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    হাতিশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat election 2023) একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৈরি হয়েছে বুথ। যথারীতি ভোট গ্রহণ শুরু হয় সকাল ৭টায়। তার ঢের আগে থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন বেশ কিছু ভোটার। অভিযোগ, ভোট গ্রহণ-পর্ব শুরু হওয়ার পরে পরেই নানাভাবে সন্ত্রাসের চেষ্টা করে তৃণমূল। ভোটারদের সাহস জোগানোর চেষ্টা করে বিজেপির নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, এর পরেই ভোটারদের লাইন ফাঁকা করতে বোমাবাজি করতে শুরু করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভয়ে লাইন ফেলে বাড়ির দিকে ছুটতে শুরু করেন লাইনে দাঁড়ানো ভোটাররা। এই বুথের প্রহরায় ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করে ২০টিরও বেশি বোমা ছুড়েছে। পদ্ম শিবিরের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাদের পাল্টা দাবি, অশান্তি ছড়িয়েছে বিজেপিই।

    আরও পড়ুুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    এদিকে, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে (Panchayat election 2023) গিয়ে মৃত্যু হল এক ভোটারের। নদিয়ার চাপড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য। এদিন চাপড়ার একটি বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ঝামেলা বাঁধে ভোটারদের। রুখে দাঁড়ান এক ভোটার। আচমকাই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন ওই ভোটার। চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। বর্তমানে দেহটি রাখা হয়েছে ওই হাসপাতালেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: অশান্তি থামছে না দিনহাটায়, ভোটের মধ্যেই গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, আহত দুই

    Panchayat Election 2023: অশান্তি থামছে না দিনহাটায়, ভোটের মধ্যেই গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, আহত দুই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) ঘিরে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে রইল দিনহাটা। প্রিসাইডিং অফিসার ও বিরোধী প্রার্থীর মাথায় বন্দুক তাক করে যেখানে চলেছে অবাধ ভোট লুট। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ দেখেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দিনহাটার অচিনতলায় ১৮০ ও ১৮১ নম্বর বুথে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দিনহাটায় তিন বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ, এর মধ্যে মৃত ১, বাকি দুজন হাসপাতালে। আরেকটি ঘটনায় বিজেপি কর্মীকে মারধরও করা হয়। 

    গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী

    শনিবার সকাল দশটা নাগাদ দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের ভাংগি পার্ট ১ এলাকায় বিজেপির দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। অপরদিকে দিনহাটার ঘুঘুমারিতেও গুলি চলার ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও এক ব্যক্তি। শনিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ নিউ গিতালদহ সংলগ্ন এলাকায় গুলিবিদ্ধ রেজাউল করিম নামে এক বিজেপি কর্মী এবং গুরুতর আহত বিজেপি প্রার্থীর স্বামী গৌতম সরকার। একদল দুষ্কৃতী এসে তাদের এক কর্মীকে এলোপাথাড়ি মারধর করে ও গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী চিরঞ্জিত কার্জির মৃত্যু হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বুথে (Panchayat Election 2023) ঢুকে তাণ্ডব শুরু করে। বাধা দেওয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় তারা। বুথের মধ্যেই গুলি চলে। বিজেপি নেতারা দাবি করেন, তৃণমূল আশ্রিত দু্কৃতীদের মারে তাঁদের বেশ কয়েকজন মহিলা কর্মীও জখম হন। দিনহাটা হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। আহত রাধিকা বর্মনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। তারা বলেন, “দিনহাটা ভিলেজ ওয়ানের ওই বুথে দেদার ছাপ্পা ভোট পড়ছিল। পুরো ভোটকেন্দ্র চলে গিয়েছিল দুষ্কৃতীদের দখলে।”

    নির্দল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি

    শুধু বিজেপি কর্মীরাই আক্রান্ত নন, এদিন সকালে কোচবিহারের দিনহাটায় নির্দল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গুলিবিদ্ধ পুঁটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্দল প্রার্থী ভোলা বর্মনকে কোচবিহারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর পেটে গুলি লাগে। নির্দল প্রার্থীর এক অনুগামীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, আরেক সমর্থকের হাত ভেঙে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।

    তৃণমূল বনাম বিক্ষুব্ধ তৃণমূল

    অন্যদিকে এই কোচবিহারের দিনহাটার খাটামারির ১৯১ নম্বর বুথে দেদার ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম বেঁধে যায়। এখানে আবার শাসকদল ও তার বিক্ষুব্ধদের মধ্যে সংঘর্ষ।  তৃণমূল ও বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের সংঘর্ষে ভয়ঙ্কর চেহারা নিল বুথ। অভিযোগ, প্রিসাইডিং অফিসারকে বেধড়ক মারধর করে ছাপ্পা ভোট দেয় বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা। পাল্টা তৃণমূল কর্মীরা এসে ব্যালট পেপার ফেলে দেয়। বুথ ভাঙচুর করে। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের মেরে তাড়ানো হয় বলে অভিযোগ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share