Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Recruitment Scam: চার পুরসভায় মিলল ১ হাজার ওএমআর শিট! চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের

    Recruitment Scam: চার পুরসভায় মিলল ১ হাজার ওএমআর শিট! চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় অভিযান চালানো হয়েছে ১৪টি পুরসভায়। তবে ৪টি পুরসভার নথিতে মিলেছে ১ হাজার ওএমআর শিট। এমনই দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের। ২০১৪ সালের পর থেকে পুরসভাগুলির বিভিন্ন পদে যেসব নিয়োগ হয়েছে, তার ওএমআর শিটের কপি রয়েছে এই নথিতে। ওএমআর শিট ধরে চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই তালিকা থেকে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, প্রয়োজনে তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই।

    সিবিআইয়ের তল্লাশি

    পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার শেকড়ে পৌঁছতে ১৪টি পুরসভায় তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। যদিও ৫টি পুরসভায় নিয়োগ (Recruitment Scam) সংক্রান্ত কোনও নথিই মেলেনি। সেই কারণে ওই পুরসভাগুলিকে নোটিশ পাঠায় সিবিআই। তাতে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের পর থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাঠাতে হবে। কোন পদে নিয়োগ, কীভাবে নিয়োগ করা হয়েছে, বেতন কত এবং পুরসভার কাউন্সিলরদের বোর্ড মিটিং সংক্রান্ত তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। বাকি পুরসভাগুলি থেকে যেসব নথিপত্র মিলেছে, নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে সেগুলি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই খবর সিবিআই সূত্রে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই তদন্তের রায়ই বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বহাল রয়েছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চের নির্দেশও। আদালতের পর্যবেক্ষণ, শিক্ষা থেকে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরও বড় রূপ নিয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়ের জেরে আপাতত স্বস্তি পেল না রাজ্য সরকার। দুই সিঙ্গল বেঞ্চের পর এবার ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খেল তারা। এদিনও খারিজ হয়ে গেল তাদের আবেদন।

    আরও পড়ুুন: “কোরান নিয়ে যদি এমন ভুল দেখান,” ‘আদিপুরুষ’ মামলায় আদালতের ভর্ৎসনা নির্মাতাদের

    প্রসঙ্গত, জুন মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষের দিকে কলকাতা থেকে জেলা সহ মোট ১৪টি জায়গায় হানা দেয় সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থার একটি দল প্রথমে যায় সল্টলেকের পুর ও নগরোন্নয়ন (Recruitment Scam) দফতরে। পরে একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা হানা দেন দমদম, দক্ষিণ ও উত্তর দমদম পুরসভা, বারাকপুর, পানিহাটি, কাঁচড়াপাড়া, টিটাগড়, চুঁচুড়া এবং শান্তিপুর সহ বিভিন্ন পুরসভায়। পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল অয়ন শীলকে। তাঁর চুঁচুড়ার ফ্ল্যাটে এবং বাড়িতেও তল্লাশি চালান সিবিআই আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম। বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইলে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই মন্তব্য করেন। এদিন তিনি জেলা পরিষদের ১১ নম্বর আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাতোর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।এই ক্যান্সার আক্রান্ত শুভঙ্করবাবুকে দুদিন আগে থানার ওসি মারধর করেন। আক্রান্ত পরিবারের পাশে থাকার তিনি বার্তা দেন।

    দলীয় প্রার্থীকে হামলা প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু(Suvendu Adhikari)?

    আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার পর শুভেন্দু বলেন, বিষয়টি খুবই নিন্দনীয়। দেশ জুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। দলীয় প্রার্থী দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগী। এই ওসি যেভাবে একজন জেলা পরিষদের প্রার্থীকে আক্রমণ করেছে, তাতে প্রমাণিত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পুলিশ নিরপেক্ষ নয়। তারা পার্টির ক্যাডারের থেকেও অধম। শুভঙ্কর মাহাতোকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিতে এখানে চাপ দেওয়া হয়েছিল। সাঁকরাইল ব্লকের ২০১৮ সালে বিজেপি পঞ্চায়েত সমিতি এবং অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছিল। এখানে বিজেপির জনসমর্থন অনেক বেশি। কিন্তু, এই একজন দলদাস ওসিকে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো যে গুন্ডামি করাচ্ছে,  সেটা এখানে আমরা দেখেছি। এই তোলামূলের ওসি, মমতা পুলিশ দুটো মিথ্যে মামলা করেছে। আমি জেলা সভাপতিকে দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি মামলার কপিগুলো তুলবে এবং বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী হাইকোর্টে রিট পিটিশন করবে। মমতা পুলিশের বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে। শুভঙ্কর মাহাতো একজন কুড়মি সমাজের মানুষ। তার উপর পুলিশের এই হামলা চালানোর ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্ত ওসিকে শুধু সাসপেন্ড নয় যাতে গ্রেফতার করা হয় তারজন্য যা যা  করা দরকার তা করা হবে।

    জঙ্গলমহলে পুলিশি অত্যাচার নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    তপসিয়ায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, পুলিশ দিয়ে অত্যাচার করছে। মিথ্যা মামলা করছে। এভাবে জঙ্গলমহলকে দমিয়ে রাখা যায় না। জঙ্গলমহল প্রতিবাদী মানুষের জায়গা।  জঙ্গলমহলে যত অত্যাচার হবে তত প্রতিরোধ হবে। নয়াগ্রামে বিজেপির সভায় শুভেন্দু অধিকারি বলেন,‘সিপিএমের তিনতলা পাকা বাড়ি। তার সঙ্গে কম্পিটেশন করে চোর তৃণমূলও তিনতলা পার্টি অফিস বানিয়েছে। ছাদ থেকে পতাকা নাড়াচ্ছেন। নয়াগ্রামের আইসি দাঁড়িয়েছেন। পুলিশের আসকারায় এসব হচ্ছে। জঙ্গলমহলে পুলিশিরাজ চলবে না।’

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু ?

    মাওবাদী তকমা দিয়ে সাধারণ মানুষের উপর পুলিশি অত্যাচারের বামফ্রন্টের আমলের সেই দিন ফিরিয়ে আনতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, তাঁর সঙ্গে মানুষ নেই। কর্মসংস্থান দিতে পারেননি। মানুষের পেটে ভাত, হাতে কাজ দিতে পারেননি। ৫০০ টাকা দিয়ে কারো সংসার চলে না। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এর থেকে অনেক বেশি মহিলারা টাকা পান। সেই জায়গায় ভোটের জেতার জন্য অত্যাচার একমাত্র রাস্তা। একটা পানীয় জলের কাছে আড়াইশো মহিলা বালতি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। জল দিতে পারেনি, গ্রাম দখল করা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। জঙ্গলমহলের ছেলেরা ওড়িশা এবং ঝাড়খন্ডে গিয়ে  কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী কাজ দিতে পারেনি। জঙ্গলমহলের কোনও বাড়িতে পুরুষ মানুষ থাকে না। পুরো পঞ্চায়েত চুরি করেছে। শৌচালয়ের টাকা মেরেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার এত হকদার একটাও প্রকৃত লোক পায়নি।

    পঞ্চায়েতে  ক্ষমতায় আসলে বিজেপির পদক্ষেপ নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    বিরোধী দলনেতা বলেন, জঙ্গলমহলে আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যদের জয়ী করুন। মানুষের পঞ্চায়েত হবে। গ্রাম সংসদের সভায় বসে উপভোক্তা কারা হবেন তা ঠিক করা হবে। সে যদি তৃণমূল, সিপিএমের লোক পাওয়ার যোগ্য হয়, তবে তিনিও পাবেন। পঞ্চায়েতে কোনও রাজনীতি হবে না। আমরা সেটা নিশ্চিত করব। গতবারে মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল। এসপিকে দিয়ে ফলাফল বদলে দেওয়া হয়েছে। ভাঙা গড়ার খেলা করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Forecast: উত্তরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, কেমন থাকবে দক্ষিণের আকাশ?

    Weather Forecast: উত্তরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, কেমন থাকবে দক্ষিণের আকাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মুখভার (Weather Forecast) দক্ষিণবঙ্গের আকাশের। ভোর থেকে কোথাও কোথাও ঝিরঝিরে বৃষ্টি (Rain) হয়েছে। এদিন দিনভর বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। জেলার কোথাও কোথাও হালকা, কোথাও কোথাও আবার মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে হতে পারে ভারী বৃষ্টি। তবে এদিন বিকেল থেকে কমতে পারে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ।

    বৃষ্টির প্রকোপ

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমলে কী হবে, বৃষ্টির প্রকোপ বাড়বে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলায়ই। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে। ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। এই জেলাগুলিতে জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। উত্তরের জেলাগুলিতে বৃষ্টি চলবে রবিবার পর্যন্ত। প্রবল বর্ষণের (Weather Forecast) জেরে জলস্তর বেড়ে গিয়েছে তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা ও সংকোষ নদীর।

    ধসের আশঙ্কা

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় নিম্নচাপ অবস্থান করছে ছত্তিশগড়ের কাছে। তা ক্রমশ এগোচ্ছে মধ্যপ্রদেশের দিকে। তার জেরেই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে উত্তরবঙ্গে। উত্তরের তিন জেলা কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে এদিন বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত। প্রবল বর্ষণের জেরে ধস নামতে পারে পাহাড়ে। নিচু এলাকাগুলি প্লাবিত হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস। তবে শুক্রবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমবে। অবশ্য ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে।

    আরও পড়ুুন: ইডির নোটিস মেলার পর থেকেই ‘ভ্যানিশ’ সায়নী! শুক্রবার হাজিরা দেবেন কি?

    শনিবার থেকে ফের ধারা বর্ষণ হতে পারে উত্তরবঙ্গে। আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত। জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে বৃষ্টি হতে পারে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত। পয়লা জুলাই থেকে ফের বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের (Weather Forecast) তাপমাত্রা। জলীয় বাষ্প থাকায় বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯২ থেকে ৯৭ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ১৫.২ মিলিমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sukanta Majumdar : ‘‘পশ্চিমবঙ্গকে এই রাহু থেকে উদ্ধার করুন’’! প্রভু জগন্নাথের কাছে প্রার্থনা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar : ‘‘পশ্চিমবঙ্গকে এই রাহু থেকে উদ্ধার করুন’’! প্রভু জগন্নাথের কাছে প্রার্থনা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার উল্টোরথ থেকেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে নামল বিজেপি। এদিন বরানগরের নোয়াপাড়ায় রথযাত্রার অনুষ্ঠানে এসে পরোক্ষে তৃণমূল কংগ্রেসকে ‘রাহু’ বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন মহামণ্ডলেশ্বর আশ্রমের উল্টো রথ যাত্রায় অংশ নেন তিনি। 

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    উল্টো রথের দিন নিজের হাতে আরতি করা থেকে নিষ্ঠা ভরে জগন্নাথ দেবের আরাধনা করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে সাংবিদকরদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনের নামে প্রহসন হচ্ছে। বিরোধীদের আটকানো হচ্ছে, কোথাও কোথাও শোনা যাচ্ছে ফেক ব্যালট পেপার তৈরি করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মাইক্রোস্কোপ দিয়েও খুঁজে পাচ্ছি না। আপনারা দেখলে আমাদের জানাবেন। এই পরিস্থিতির মধ্যে ভোট হচ্ছে। ভোট হবে না ঘোঁট হবে সেটা ভোটের দিন বোঝা যাবে।’

    রাহু-মুক্তির প্রার্থনা

    শীতলকুচিতে ফের হিংসার ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে যাবেন সেখানেই গুলি চলবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওখানে গিয়ে ইনস্টিগেট করে এসেছেন ভায়োলেন্স। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়া মানেই ওখানে অশান্তি হবে।’ সব শেষে জগন্নাথের কাছে কি প্রার্থনা করলেন সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রভু জগন্নাথ পশ্চিমবঙ্গকে এই রাহু থেকে উদ্ধার করুন, মুক্তি দিন।’

    আরও পড়ুন: অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা

    প্রধানমন্ত্রীর কথা প্রসঙ্গে

    রাজ্যে দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণ, প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোনও মিথ্যে কথা বলেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এত বড় বড় কথা বলছেন। কই বিজেপি-র তো কোনও মন্ত্রী জেলে নেই। তার প্রাক্তন মন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রী জেলে। অথচ মুখ্যমন্ত্রীর লজ্জা লাগে না, লজ্জা পান না। পার্থ নামটা মুখে একবারও আনেন না। তার নামটা নিয়ে এসে বলুন, পার্থ খুব ভালো ছেলে ছিল।’

    রাজ্যপাল সংবিধানের কাস্টডিয়ান

    রাজ্যপালকে বারবার আক্রমণ করছে তৃণমূল। সে প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘ভালো কাজ যিনি করবেন তাঁকেই তৃণমূল আক্রমণ করবে। রাজ্যপাল যেখানে যেতে চান সেখানে যাবেন। রাজ্যপালের পদক্ষেপ সংবিধানসম্মত, উনি সংবিধানের কাস্টডিয়ান। সংবিধান আমাদের সকলকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে অংশগ্রহণ করার অধিকার দিয়েছে। সেই অধিকার রক্ষা করার জন্য কারোর যদি প্রাণ যায়, কেউ যদি আহত হন, তাঁকে দেখতে রাজ্যপাল যেতে পারেন। তিনি উচিত কাজই করছেন বলে আমাদের মনে হয়।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সংরক্ষিত আসনে টেটে পাশ মার্ক নিয়ে ভিন্ন মত ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতির  

    Calcutta High Court: সংরক্ষিত আসনে টেটে পাশ মার্ক নিয়ে ভিন্ন মত ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেটের (TET) সংরক্ষিত প্রার্থীদের পাশ নম্বর নিয়ে ভিন্ন মত কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতি। তাই মামলাটি গেল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। সেখান থেকে যাবে তৃতীয় বেঞ্চে। সেখানেই নির্ধারিত হবে সংরক্ষিত প্রার্থীদের পাশ নম্বর কত।

    এনসিটিই-র নিয়ম

    সংরক্ষিত প্রার্থীদের টেট পাশের জন্য পেতে হবে ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর। যার অর্থ, ১৫০ নম্বরের পরীক্ষায় পেতে হবে ৮২.৫। এনসিটিই-র নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা ৮২ নম্বর পেলেই পাশ বলে ধরা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের যুক্তি, ১৫০-র মধ্যে ৮২ নম্বর পাওয়া মানে ৫৪.৬৭ শতাংশ নম্বর। অর্থাৎ ৫৫ শতাংশ নম্বর হচ্ছে না। ১ নম্বর বেশি হলে তবেই তা শতাংশের বিচারে হত ৫৫.৩৪। কেবল সেক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হত ৫৫ শতাংশের নিয়ম। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় অবশ্য ৮২ নম্বর পাওয়া টেট প্রার্থীদের মান্যতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। রায়দানকালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ এবং এনসিটিই-র রিপোর্টেরও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিলেন কয়েকজন প্রার্থী।

    ডিভিশন বেঞ্চে ভিন্ন মত

    বুধবার সেই মামলা ওঠে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই ভিন্ন মত পোষণ করেন দুই বিচারপতি। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়কে সঠিক বলে মত দেন। কিন্তু বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের দাবি, ৮২.৫ নম্বর পেলেই উত্তীর্ণ বলে ধরা হবে। সেক্ষেত্রে তা ৮৩-ও হতে পারে। নম্বরের ক্ষেত্রে পিছিয়ে যেতে রাজি নন তিনি। ডিভিশন বেঞ্চের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতি ভিন্ন মত পোষণ করায় মামলাটি গিয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে। তিনি সেটি পাঠাবেন তৃতীয় বেঞ্চে। সেখানেই নির্ধারিত হবে উত্তীর্ণ মান কত – ৮২ না ৮৩?

    আরও পড়ুুন: ‘‘এমন পদক্ষেপ করুন যাতে মানুষ ভরসা পায়’’, কমিশনকে হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, সারা দেশেই ৮২ নম্বরকেই উত্তীর্ণ মান ধরা হয়। এই বিষয়টি নজরে রেখেই যাতে সিঙ্গল বেঞ্চ নম্বরের বিষয়টি বিবেচনা করে, এমনই আবেদন করেছিলেন আবেদনকারীরা। ৮২ নম্বরকেই পাশ মার্ক হিসেবে মান্যতা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তার পরেই মামলা যায় ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: হাইকোর্টে সশরীরে রাজীব সিনহা, কেন আদালতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার?

    Panchayat Election 2023: হাইকোর্টে সশরীরে রাজীব সিনহা, কেন আদালতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এদিন পঞ্চায়েত  নির্বাচন (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি রয়েছে হাইকোর্টে। তাই রাজীব আদালতে উপস্থিত হওয়ায় দানা বাঁধে জল্পনা। রাজীব জানান, একটি হলফনামা দাখিলের জন্য আদালতে এসেছিলেন তিনি। তবে আদালত সূত্রে খবর, পঞ্চায়েতে আদালত অবমাননা সংক্রান্ত মামলায় একটি হলফনামায় সই করতে আদালতে এসেছিলেন রাজীব। হাইকোর্ট থেকে বেরনোর সময় পঞ্চায়েত নির্বাচনের দফা বৃদ্ধি নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয় রাজীবকে। তিনি জানান, দফা নিয়ে আদালতে কোনও কথা হয়নি। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে রাজীব বলেন, বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে বাহিনী আসবে। মাঝে কয়েকদিন ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী নিয়ে জট পেকেছিল। তা খুলেছে।

    পঞ্চায়েত সংক্রান্ত মামলা

    এদিন পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি রয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে। এরই একটি হল কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ পালন করা হয়নি। এই অভিযোগ তুলে কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেছিলেন বিরোধীরা। মামলাটি ওঠে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে।

    প্রধান বিচারপতির মন্তব্য

    শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, “বলতে বাধ্য হচ্ছি, এত কিছুর পরেও কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ থাকছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করতে হচ্ছে। আপনারা দয়া করে হাইকোর্টের নির্দেশ পালন করুন। চাপ সামলাতে না পারলে রাজ্যপালের কাছে গিয়ে বলুন, আর পদ ছেড়ে দিন। অন্য কাউকে তিনি ওই পদে বসাবেন। ওই পদের অনেক গুরুত্ব আছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘এমন পদক্ষেপ করুন যাতে মানুষ ভরসা পায়’’, কমিশনকে হাইকোর্ট

    নির্বাচন (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি চলছে উচ্চ আদালতে। এরই একটি হল, দফা বাড়িয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার দাবি সংক্রান্ত মামলা। মামলাটি দায়ের করেছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি। এদিন সে প্রসঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখনও পর্যন্ত যা নির্ঘণ্ট তাতে এক দফায়ই পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) বাকি আর মাত্র নয়দিন। তবু মামলা যেন মিটছে না। এবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করেছিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সোমবার শুনানির সম্ভবনা রয়েছে। 

    কেন পর্যবেক্ষক প্রয়োজন

    অতীতের ভোটে হিংসার কথা বিবেচনা করে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করতে চেয়েছিল। দাবি জানিয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে। তাদের বক্তব্য ছিল, এর আগের ভোটগুলিতে বাংলায় ভয়ঙ্কর ছবি দেখা গিয়েছিল। তার জন্য়ই পর্যবেক্ষকের প্রয়োজন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মামলায় দাবি করা হয়, একটি বিধিবদ্ধ সংস্থার ওপর আরেকটি বিধিবদ্ধ সংস্থা এভাবে নজরদারি করতে পারে না। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করেন বিচারপতি ভট্টাচার্য। 

    আরও পড়ুন: ‘৩ মাসের মধ্যে বিদায় দেব চোরেদের সরকারকে’, ভোটপ্রচারে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    এর আগে ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের পর রাজ্যে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। ফল প্রকাশের দিনই কলকাতার বেলেঘাটায় বিজেপি কর্মী অভিজিত সরকারকে শাসকদলের লোকজন বাড়ি থেকে টেনে এনে খুন করে বলে অভিযোগ। সেই খুনের সিবিআই তদন্ত এখনও চলছে। সেই সময় রাজ্যে আরও বেশ কয়েকটি হিংসার ঘটনা ঘটে। বিজেপি তা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়। হাইকোর্ট হয়ে সেই জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হিংসার তদন্তে প্রতিনিধিদল পাঠায় রাজ্যে। তা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ করে রাজ্য সরকার। এবার পঞ্চায়েত ভোটেই (Panchayat Election 2023) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পর্যবেক্ষক পাঠাতে চেয়েছে। বিরোধিতা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য সরকার। এবার আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ কমিশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Panchayat Election 2023: ‘‘এমন পদক্ষেপ করুন যাতে মানুষ ভরসা পায়’’, কমিশনকে হাইকোর্ট

    Panchayat Election 2023: ‘‘এমন পদক্ষেপ করুন যাতে মানুষ ভরসা পায়’’, কমিশনকে হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) বাহিনী কীভাবে, কোথায় মোতায়েন হবে তার কোন পরিকল্পনা কেন্দ্রকে জানায়নি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বাহিনীকে বুথে পাঠানো হবে নাকি অন্য কাজে লাগানো হবে তার কোন উত্তর কমিশন দেয়নি। শুধু কোন জেলায়, কত বাহিনী মোতায়েন হবে তার একটা তালিকা দেওয়া হয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জানালেন কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী।  বাহিনীর পরিবহণ ও থাকার জায়গা নিয়ে রাজ্যের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তার কোন উত্তর মেলেনি বলেও অভিযোগ তাঁর। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দাবি, বাহিনী মোতায়েন করার পরিকল্পনা আমরা কেন্দ্রকে দিয়েছি  এবং কেন্দ্র তার উত্তরও দিয়েছে।

    প্রধান বিচারপতির মন্তব্য

    দু পক্ষের সওয়াল শেষে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, এখানে কেন্দ্রের যে নোডাল অফিসার আছেন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না কেন?  তাঁর সঙ্গে বৈঠক করুন, ইতিবাচক (Panchayat Election 2023) সিদ্ধান্ত নিন। তিনি বলেন, শুধু আদালত আশ্বস্থ হলে হবে না, মানুষ যেন ভরসা পায় যে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে গেলে কিছু হবে না। সেই ধরনের কিছু পদক্ষেপ করুন। প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা এই আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্যের হাত ধরে সুপ্রিম কোর্ট চলে গেলেন। কিন্তু এই কমিশনই আগে রাজ্যের বিরোধিতায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরাও বারবার হস্তক্ষেপ করতে চাই না। কিন্তু এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যে আমাদের হস্তক্ষেপ করতেই হচ্ছে।

    ‘আমরা বিরক্ত’

    প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা বিরক্ত।  ছোটখাটো সব হিসাব করার জন্য আমরা বসে নেই। পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা ভালভাবে করা সহজ কাজ নয়,  রাজ্য এবং কমিশন একসঙ্গে কাজ করলে তবেই সেটা সম্ভব। আপনাদের নিজেদের সম্মান এবং মর্যাদা রক্ষার জন্য এমন পদক্ষেপ করুন যাতে সাধারণ মানুষ আপনাদের(কমিশনকে) ভরসা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভোটের (Panchayat Election 2023) আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের কাজে নিযুক্ত করা যাবে না বলেও এদিন ফের মনে করিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্য,  মনে হচ্ছে আমাদের(বিচারপতিদের) এখান থেকে সরোজিনী নাইডু সরণিতে স্থানান্তরিত হতে হবে।  নির্বাচন কমিশনকে ২০০ শতাংশ সহযোগিতা করুন বলে রাজ্যকেও পরামর্শ প্রধান বিচারপতির।

    আরও পড়ুুন: শেষ হাসি হাসলেন রাজ্যপাল! অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ বৈধ, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    তিনি বলেন,  আপনারা এক দফায় ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পাঁচ দফায় নয়। তাই আপনাদের তরফ থেকে আরও সহযোগিতা লাগবে।  রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে রিপোর্ট পেশের নির্দেশও দিয়েছে আদালত। কমিশন কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সেই সংক্রান্ত রিপোর্টও চেয়েছে আদালত। এর পাশাপাশি রাজকেও রিপোর্ট পেশের নির্দেশ আদালতের। যদি আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ভোটকর্মী নিয়োগ করা না হয়ে থাকে তবে অবিলম্বে তা করতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: আইসি, এসডিপিও-ওর বিরুদ্ধে এফআইআর! বিচারপতি মান্থার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের

    Panchayat Elections 2023: আইসি, এসডিপিও-ওর বিরুদ্ধে এফআইআর! বিচারপতি মান্থার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যানিংয়ের আইসি, এসডিপিও-র বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করল রাজ্য। ক্যানিংয়ের হাটপুখুরিয়া পঞ্চায়েতের (Panchayat Elections 2023) তৃণমূল উপপ্রধান সিরাজুল ইসলাম ঘরামির অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যানিংয়ের আইসি, এসডিপিও এবং বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।

    সন্ত্রাসের অভিযোগ

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Elections 2023) মনোনয়ন পর্বের একেবারে শুরু থেকেই বারবার সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়েই চলছে সন্ত্রাস। অভিযোগ, ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকে বিভিন্ন পঞ্চায়েতের মোট ২৭৪টি আসনে বিরোধীরা মনোনয়নপত্রই জমা দিতে পারেনি। এই আবহে মামলাকারী সিরাজুলের বক্তব্য, গত ১১ জুন ২৭৪ জনকে নিয়ে নির্দল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেখানে স্থানীয় বিধায়ক পরেশ নাথ দাসের মদতে কয়েকশো দুষ্কৃতী তাঁদের ঘিরে ধরেন। মনোনয়ন জমা দিতে যেতে বাধা দেন। অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে এসডিপিও দিবাকর দাস ও ক্যানিংয়ের আইসি দুষ্কৃতীদের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েই গুলি চালান। 

    আরও পড়ুন: ‘গ্রেফতার করা হতে পারে’! রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র

    আদালতে সিরাজুলের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী সৌরভ চট্টোপাধ্যায় ও সৌম্য নাগ। বিচারপতি মান্থার এজলাসে গোটা বিষয়টি উল্লেখ করেন আইনজীবীরা। ওই ঘটনায় সাত জন আহত হয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের না করে, যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদেরই মধ্যে ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। যদিও মান্থার এজলাসে রাজ্য সরকারের আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বেশিরভাগ অভিযোগই মিথ্যা। দু’পক্ষের সওয়াল শুনে বিচারপতি মান্থা বিধায়ক ও দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন। দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: শেষ হাসি হাসলেন রাজ্যপাল! অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ বৈধ, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: শেষ হাসি হাসলেন রাজ্যপাল! অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ বৈধ, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ফের একবার মুখ পুড়ল রাজ্যের! এবার অবশ্য নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও মামলায় নয়, রাজ্যের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের মামলায়। বুধবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপালের (C V Anand Bose) সিদ্ধান্তই বৈধ। তিনি যে অস্থায়ী উপাচার্যদের নিয়োগ করেছেন, তাঁদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। উপাচার্যদের বকেয়া বেতনও মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়, সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়, কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, বাবাসাহেব আম্বেদকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়, ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় এই মোট ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এর পরেই শুরু হয় (Calcutta High Court) রাজভবন-নবান্ন বিরোধ।

    একতরফা নিয়োগের অভিযোগ ব্রাত্যর

    রাজ্যের তরফে জানানো হয়, এই উপাচার্যদের মানে না শিক্ষা দফতর। কারণ রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই ১১ জন উপাচার্যকে নিয়োগ করা হয়েছে। একতরফা নিয়োগের অভিযোগ তোলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর ঘোষণা, শিক্ষা দফতর এই উপাচার্যদের স্বীকৃতি দিচ্ছে না। ওই উপাচার্যরা যাতে পদ প্রত্যাহার করেন, সেই মর্মে উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে তাঁদের সসম্মান অনুরোধও জানান ব্রাত্য। তবে তাঁর আবেদনে কান দেননি ১০ জন উপাচার্যই। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে একজন অবশ্য গ্রহণ করেননি নিয়োগপত্র। এর পরেই রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই উপাচার্যরা বেতন পাবেন না।

    আরও পড়ুুন: ১০ দিন ধরে বঙ্গ বিজেপির মেগা প্রচার! উল্টো রথেই পথে শুভেন্দু, সুকান্তরা

    গত ৫ জুন রাজ্যপালের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। মামলা দায়ের করেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সনৎকুমার ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যপাল যাঁদের নিয়োগ করেছেন, সেখানে শিক্ষামন্ত্রীর কোনও পরামর্শ নেওয়া হয়নি। মানা হয়নি আইনও। মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে। বুধবার এই মামলাটি খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্য যেভাবে এই আবেদনকে সমর্থন করেছিল, সেই বিষয়টিও ঠিক নয় বলে মন্তব্য আদালতের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share