Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • BJP: ‘‘রাতে বাড়িতে ঢুকছে পুলিশ, মেয়েদের গায়ে হাত তুলছে’’, বিস্ফোরক বিজেপি নেত্রী

    BJP: ‘‘রাতে বাড়িতে ঢুকছে পুলিশ, মেয়েদের গায়ে হাত তুলছে’’, বিস্ফোরক বিজেপি নেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি ছিল সন্দেশখালিতে। পরে, পুলিশের পক্ষ থেকে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। রাতে এলাকায় পুলিশ অত্যাচার করে বলে অভিযোগ। শনিবার বিজেপি-র প্রতিনিধি দল সন্দেশখালি যায়। প্রতিনিধি দলে রাজ্য বিজেপি (BJP) সদস্য কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়, মহিলা নেত্রী অর্চনা মজুমদার সহ বসিরহাট বিজেপি সংগঠনিক জেলা বিজেপির নেতৃত্বরা ছিলেন। ধামাখালি থেকে কিছুটা দূরে রামপুর নস্কর পাড়া এলাকায় আটকে দেওয়া হয় বিজেপি নেতা কর্মীদের। দুপক্ষের মধ্যে বচসা হয়।

    পুলিশের বিরুদ্ধে কী বললেন বিজেপি নেত্রী? (BJP)

    পুলিশের বক্তব্য, ১৪৪ ধারা জারি থানার কারণে এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না বিজেপি (BJP) কর্মীরা। অপরদিকে, বিজেপি নেতাদের দাবি, তাঁরা চারজন রয়েছেন। প্রয়োজনে পুলিশও তাঁদের সঙ্গে যেতে পারে। কোথাও আইন ভাঙা হবে না বলেও আশ্বাস দেন তাঁরা। বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার বলেন, “পুলিশ শেখ শাহজাহানকে ধরতে পারছে না। অথচ যে দিন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এলেন, পুলিশ কেস দিয়ে দিল। আমরা নাকি পুলিশ পিটিয়েছি। আমরা শুধু কর্মীদের পাশে থাকতে চাইছি। আমরা বন্দুক-বোম নিয়ে আসিনি। মাত্র চারজন এসেছি। একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। গ্রামবাসীরা যাঁদের নামে অভিযোগ করল পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করছে না। উল্টে সাধারণ গ্রামবাসী সহ বিজেপি কর্মীদের ওপর রাতের অন্ধকারে পুলিশ অত্যাচার করছে। আমরা শুধু অত্যাচারিত কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। এখানে রাতে আমাদের কর্মীদের বাড়িতে পুলিশ ঢুকছে। মারধর করছে। মেয়েদের গায়ে হাত তুলছে। আমাদের কর্মীদের উপর কোনও ভাবেই অত্যাচার আর সহ্য করব না।”

    বিজেপি প্রতিনিধি দলকে বাধা নিয়ে উত্তেজনা

    শুক্রবার কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সন্দেশখালিতে। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা, উত্তম সর্দারদের বিরুদ্ধে রাগে ফুঁসছেন সন্দেশখালির এক অংশের মানুষ। পাল্টা শিবু হাজরার দলকেও এলাকার দখল নিতে দেখা গিয়েছে। এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। প্রচুর পুলিশ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে সন্দেশখালিতে। এর মধ্যে এলাকায় প্রবেশে বাধা পেলেন বিজেপি-র (BJP) প্রতিনিধি দল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: ধানীর মতো অনাহার-অপুষ্টির শিকার আরও অনেক চা শ্রমিক, দাবি মজদুর কমিটির

    Alipurduar: ধানীর মতো অনাহার-অপুষ্টির শিকার আরও অনেক চা শ্রমিক, দাবি মজদুর কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু মৃত ধানী ওরাওঁ বা তাঁর স্ত্রী নন আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) কালচিনি ব্লকের মধু চা বাগানের খাদ্যসঙ্কট এবং অপুষ্টিতে ভুগছেন আরও অনেক চা শ্রমিক। এইরকম চা শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩০ জন। গতকাল শুক্রবার এমনই অভিযোগ করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গ চা মজদুর কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য বিনয় কেরকাট্টা।

    উল্লখ্য, সম্প্রতি অনাহারে মৃত্যর ঘটনায় রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়েছে। রাজ্য প্রশাসনের এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের চূড়ান্ত নির্মমতার অভিযোগ করেছেন ওই বাগানের শ্রমিকদের একাংশের মানুষ। ২০০৪ সালে বাম আমলে ঝাড়গ্রামের আমলাশোলে একই রকম অনাহার, অপুষ্টিতে বেশ কিছু শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। এই রাজ্যে ২০১১ সালে রাজনৈতিক পালা পরিবর্তনের পর থেকেও চিত্রটা একদম বদলায়নি। রাজ্যের উন্নয়নের জোয়ারে এখন মা-মাটি সরকারের ঘুম কবে ভাঙবে উঠছে প্রশ্ন।

    কী বলেন মজদুর সংগঠন (Alipurduar)?

    কয়েকদিন আগে কালচিনিতে (Alipurduar) অনাহারে অপুষ্টিতে চা বাগানে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিনয় কেরাকাট্টা বলেছেন, “ধানী ও তাঁর স্ত্রী ছাড়াও মধু বাগানে আরও ৩০ জন স্থায়ী, অস্থায়ী এবং অবসর প্রাপ্ত শ্রমিক অপুষ্টির সমস্যায় ভুগছেন। আবার অনেকে রেশন পেলেও পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছেন না। সঠিক সময়ে বেতন না পাওয়ায়, খাবার কিনে খাওয়ার মতো পরিস্থিতির মধ্যে নেই তাঁরা। বাধ্য হয়ে অনেকে ফুল, গাছের পাতা তুলে রান্না করে খাচ্ছেন। নেতারা কেবল ভোটের সমানে এসে প্রতিশ্রুতি দিলে সমস্যা সমাধান নিয়ে কেউ ভাবেন না। ভোট চাইতে আসেন আবার ভোট মিটে গেলে ভুলে যান। শ্রমিকদের জীবন জীবিকা নিয়ে কেউ চিন্তিত নন।”

    ইউনাইটেড ট্রেড ইউনিয়ান কংগ্রেসের বক্তব্য

    শুধু কালচিনির (Alipurduar) মধু বাগান নয় উত্তরের আরও অনেক বাগানের অনাহারে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইউনাইটেড ট্রেড ইউনিয়ান কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি নির্মল দাস এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “অনেক বাগানের শ্রমিকেরা নানান দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ খুব করুণ অবস্থায় রয়েছেন। রাজ্যের তৃণমূল সরকার চা শ্রমিকদের নিয়ে কিছু ভাবছে না। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা পথে নামবো।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই সমস্ত অভিযোগের কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা সাতালি গ্রাম পঞ্চায়েত (Alipurduar) উপপ্রধান ইসদর খারিয়া পালটা বক্তব্য দিয়ের জানিয়েছেন, “গত ৮ বছর ধরে বাগান বন্ধ। করোনার জন্য লকডাউন ছিল। সেই সময়ে কোনও শ্রমিকের মৃত্যু হয়নি। এখনও তেমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। অনেকে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কে চরিতার্থ করতে এই রকম অভিযোগ করছেন। আমরা শ্রমিকদের সঙ্গে আছি। ধানীবাবুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সমস্যা ছিল, আমরা তাঁকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: শ্যুটিং চলাকালীনই স্ট্রোকে আক্রান্ত ‘বাঙালিবাবু’, আইসিইউতে ভর্তি মিঠুন

    Mithun Chakraborty: শ্যুটিং চলাকালীনই স্ট্রোকে আক্রান্ত ‘বাঙালিবাবু’, আইসিইউতে ভর্তি মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্যুটিং চলাকালীনই অসুস্থ হয়ে পড়লেন ‘বাঙালিবাবু’ মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ হঠাৎই বুকে ব্যথা অনুভব করেন অভিনেতা। সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই এমআরআই করানো হয়। তখনই জানা যায়, শ্যুটিং ফ্লোরে অ্যাকিউট স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শারীরিক অবস্থা অতি সঙ্কটজনক হওয়ায় আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে ‘অন্যায় অবিচারে’র নায়ককে। বাইপাসের একটি হাসপাতালের ১২৮ নম্বর বেডে ভর্তি রয়েছেন তিনি। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় ভৌমিকের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিজেপির তারকা নেতা বছর চুয়াত্তরের মিঠুন।

    ‘কাবুলিওয়ালা অসুস্থ’

    গত দুর্গাপুজোয় মুক্তি পেয়েছিল মিঠুনের ‘কাবুলিওয়ালা’। রবীন্দ্রনাথের কাহিনি অবলম্বনে তৈরি সেই ছবি ব্যাপক সমাদৃত হয়। তার পর ফের ছবি করতে এসেছিলেন কলকাতায়। অভিনেতা তথা তৃণমূল নেতা সোহম চক্রবর্তীর প্রযোজনায় ‘শাস্ত্রী’ ছবিতে অভিনয় করছেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরে এই ছবিরই শ্যুটিং উপলক্ষে তিনি রয়েছেন কলকাতায়। এই ছবিতে তাঁর নায়িকা দেবশ্রী রায়। ছবির প্রধান আকর্ষণ মিঠুন-দেবশ্রী জুটি (Mithun Chakraborty)। শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, রজতাভ দত্ত, অনির্বাণ চক্রবর্তী, কৌশিক সেন, কাঞ্চন মল্লিক, সৌরসেনী মৈত্র এবং অম্বরীশ ভট্টাচার্যের মতো অভিনেতারাও রয়েছেন ছবিটিতে। ছবিতে অভিনয় করবেন সোহম স্বয়ংও।

    ছবির গল্প

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের গল্প অবলম্বনে তৈরি এই ছবিতে জ্যোতিষচর্চা ও বিজ্ঞানের চিরন্তন দ্বন্দ্বকে তুলে ধরা হবে। এদিন অভিনয় চলাকালীন আচমকাই বুকে ব্যথা অনুভব করেন ‘কাবুলিওয়ালা’। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। গত বছরই মাকে হারিয়েছিলেন মিঠুন। দিন কয়েক আগে পদ্ম-পুরস্কার প্রাপকদের তালিকায় নাম উঠেছিল তাঁর। তার মধ্যেই ঘটে গেল বিপত্তি।

    আরও পড়ুুন: ‘রাতে বাড়িতে ঢুকছে পুলিশ, মেয়েদের গায়ে হাত তুলছে’, বিস্ফোরক বিজেপি নেত্রী

    লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি যে প্রচারকের তালিকা তৈরি করেছিল, তাতে নাম রয়েছে মিঠুনের। এক পদ্ম নেতা বলেন, “মিঠুনদার ফিটনেস অসাধারণ। বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। লোকসভা নির্বাচনে তাঁর থাকা মানেই কলিজার জোর বাড়ানোর টনিক। রাজনীতিবিদ হিসেবে শুধু নয়, একজন ভক্ত হিসেবেও চাই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন এবং বাংলার মানুষকে সঠিক দিশা দেখান।” মিঠুনের আরোগ্য কামনা করেছেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যও। তিনি বলেন, “তাঁর (মিঠুনের) দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। মিঠুনদার অসুস্থতা খুব সিরিয়াস নয়। সামান্য অসুস্থতা এসেছে। খুব শীঘ্রই নিজের ঘরে ফিরে আসবেন তিনি (Mithun Chakraborty)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘‘হাত ধরে টানল আমার, ছুড়ে ফেলে দিল মেয়েকে’’, পুলিশের বিরুদ্ধে সরব নির্যাতিতা

    Sandeshkhali: ‘‘হাত ধরে টানল আমার, ছুড়ে ফেলে দিল মেয়েকে’’, পুলিশের বিরুদ্ধে সরব নির্যাতিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) লাগাম টানতে জারি করা হল ১৪৪ ধারা। শুক্রবার রাত থেকে ত্রিমোহিনী বাজার-সহ সন্দেশখালি থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করল পুলিশ। এমনিতেই জনতার প্রতিরোধে শেখ শাহজাহান বাহিনী কার্যত এলাকা ছাড়া। পুলিশ গ্রামে ঢুকে অত্যাচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।

    বাচ্চা ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ! (Sandeshkhali)

    শুক্রবার রাতে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার খুলনা পঞ্চায়েতের শিতলিয়া গ্ৰামে একাধিক ঘর ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকী মহিলার শ্লীলতাহানি করা হয়। নির্যাতিতা এক মহিলা বলেন, মদ্যপ অবস্থায় পুলিশ এসে আমার স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এরপর বাড়ির জানলা ভেঙে  আমার হাত ধরে টানে। আমার হাতে পলা ভেঙে যায়। আমার মেয়েকে ছুড়ে ফেলে দেয়। বাড়ির দরজা- জানলা ভেঙে দেয়। পুলিশ বাড়িতে চড়াও হয়ে এসব করেছে। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। সমাজবিরোধীদের মতো করে পুলিশ গালিগালাজ করছে। বাড়ি ভাঙচুর করছে। এভাবে গ্রামে ঢুকে পুলিশি অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। এলাকার মানুষ পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান। এমনিতেই শাহজাহান বাহনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এবার ১৪৪ জারি জারি হওয়ার পর এবার পুলিশি অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।

    শুক্রবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এলাকা

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার বেলার দিকে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) জেলিয়াখালিতে শাহজাহান বাহিনীর মাতব্বর এবং মূল অভিযুক্ত শিবু হাজরার পোল্ট্রি ফার্মে এদিন উত্তেজিত জনতা আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা। হামলা চালানো হয় শিবু হাজরার পৈতৃক বাড়িতেও। সব মিলিয়ে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশখালি। এদিকে ওই খবর সংগ্রহে গেলে শিবু হাজরার দলের লোকজনের হাতে আক্রান্ত হন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি। পোল্ট্রি ফার্মের আগুনের ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয় এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে পুকুরের জলে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ৭ ফেব্রুয়ারি রাতের দিকে তৃণমূল নেতাদের পোলট্রি ফার্মে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরার লোকজন নিজেদের পোল্ট্রি ফার্মে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়, এমনই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। আর এই হামলার দায় ঠেলে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। তারই প্রতিবাদে ৮ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা। বৃহস্পতিবার লাঠি, বাঁশ হাতে সন্দেশখালি থানা ঘেরাও করার চেষ্টা করেন মহিলারা। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়েন মহিলারা। পর পর দুদিন তৃণমূল বিরোধী যে ক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়েছে তা এর আগে দেখেননি সন্দেশখালির মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: শীতের শেষ স্পেল! পারদ নামল কয়েক ধাপ, শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা রাজ্যে 

    Weather Update: শীতের শেষ স্পেল! পারদ নামল কয়েক ধাপ, শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা রাজ্যে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদায় নেওয়ার মুখে ফের ফিরল শীত। আবার ফেব্রুয়ারিতে সক্রিয় উত্তুরে হাওয়ার দাপট। শুক্রবার রাজ্যের সর্বত্রই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমেছে। সঙ্গে চলছে কনকনে হাওয়া। পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও কোথাও শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পারদ পতন হয়েছে কলকাতাতেও। আলিপুরের হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই সপ্তাহের শুরুতে যেখানে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রির উপরে উঠে গিয়েছিল, সেখানে সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৬ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। 

    ফের কাঁপন পুরুলিয়া থেকে কলকাতা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী সোমবার পর্যন্ত শীতের এই আমেজ থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ফের বাড়তে পারে মঙ্গলবার থেকে। অর্থাৎ সরস্বতী পুজো থেকে হাওয়া বদলের সম্ভাবনা রয়েছে।  শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে সবচেয়ে কম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পুরুলিয়ায় ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস শনিবার পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূম এবং দুই বর্ধমানে শৈত্যপ্রবাহ চলতে পারে। কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় কাঁপতে পারে এই জেলাগুলির মানুষ। পুরুলিয়া জেলায় রবিবারও শৈত্যপ্রবাহ চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আজ শনিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও খানিকটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২  ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৪.৬ ডিগ্রি। আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকেই তাপমাত্রার পারদ ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়বে। এরপর পারদ ঊর্ধ্বমুখী হবে হবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। 

    আরও পড়ুন: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    কবে শীত বিদায়

    উত্তরবঙ্গেও কয়েক দিন শীত জাঁকিয়েই পড়বে বলে জানিয়েছেন আবহবিদেরা।  উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালের দিকে কুয়াশা থাকতে পারে। শুক্রবার পাহাড় লাগোয়া শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের সমতলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে ছিল। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এদিন ছিল ২.৪ ডিগ্রি। গোটা রাজ্যেই মোটের উপর শুকনো আবহাওয়া থাকবে। সরস্বতী পুজোর পর থেকে বিদায় নেবে শীত, এমনই পূর্বাভাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি নিয়ে পদক্ষেপের আবেদন, অমিত শাহকে চিঠি দিলেন সুকান্ত

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি নিয়ে পদক্ষেপের আবেদন, অমিত শাহকে চিঠি দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন বঙ্গ বিজেপি। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিন দিন ধরে অশান্ত সন্দেশখালিতে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে পুলিশ ব্যর্থ বলে চিঠিতে জানান সুকান্ত। চিঠিতে সুকান্ত অভিযোগ করেছেন যে সন্দেশখালির আদিবাসীদের উপর তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অনুগামীর আক্রমণ করছে ৷ সেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে ৷ 

    সুকান্তর চিঠির বয়ান

    চিঠিতে সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, ‘‘আমি পশ্চিমবঙ্গে, বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি অঞ্চলে ঘটে চলা হিংসার উদ্বেগজনক পরিস্থিতি আপনার অবিলম্বে নজরে আনতে এই চিঠি লিখছি। শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার এবং অন্যান্য তৃণমূলী গুন্ডাদের দ্বারা স্থানীয় আদাবাসী সম্প্রদায়ের উপর জঘন্য হামলার জেরে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের কাছ থেকে জরুরি পদক্ষেপ দাবি করে।’’ সুকান্তর অভিযোগ, শাহজাহানের জন্য সন্দেশখালির ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে৷ স্থানীয় মানুষকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ রাজ্য সরকার৷ অমিত শাহের কাছে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের আবেদন, ‘‘আমি আপনাকে, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে, পশ্চিমবঙ্গে, বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে ব্যাপক অনাচার মোকাবিলায় দ্রুত এবং সিদ্ধান্তমূলকভাবে হস্তক্ষেপ করার জন্য অনুরোধ করছি। নাগরিকদের নিরাপত্তা ও মঙ্গলকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং এই অঞ্চলে হিংসা ও সন্ত্রাস অব্যাহত রাখার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    সন্দেশখালিতে জনজাগরণ 

    তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে লাগাতার অত্যাচারের অভিযোগ তুলে বুধবার থেকে কার্যত জনজাগরণ হয়েছে সন্দেশখালিতে। আক্রান্ত হয়েছেন এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য উত্তম সরদার। জনরোষের মুখে ভাঙচুর হয়েছে তাঁর বাড়ি, পোল্ট্রি ফার্ম ও বাগানবাড়ি। বাদ যাননি সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি শিবু হাজরাও। ভাঙচুর করা হয় শিবু হাজরার মদের দোকানে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় শিবু হাজরার বাড়ি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, উত্তম আর শিবু এলাকায় শয়ে শয়ে বিঘা জমি দখল করেছে। সেই জমিতে মাছের ভেড়ি করেছে তারা। মাছ চাষের লভ্যাংশ চাইতে গেলে মারধর করে শিবু ও উত্তমের লোকেরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘বিধানসভায় ‘খুন’ হয়ে যেতে পারি আমরা’’, কী কারণে এমন আশঙ্কা শুভেন্দুর?

    Suvendu Adhikari: ‘‘বিধানসভায় ‘খুন’ হয়ে যেতে পারি আমরা’’, কী কারণে এমন আশঙ্কা শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভায় ‘খুন’ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর পাশাপাশি তিনি জানান যে শুধু তিনি নন বিজেপির যেকোনও বিধায়কই খুন হয়ে যেতে পারেন। নন্দীগ্রামের বিধায়কের দাবি, ‘‘এরা আমাদের মুখ বন্ধ না করতে পেরে আমাদের শারীরিকভাবে নিগ্রহ এমনকি খুনও করতে পারে।’’ সংবাদ মাধ্যমের সামনে শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান যে, তাঁরা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    বৃহস্পতিবার বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই রাজ্যের বাজেট অধিবেশন ছিল সে সময়েই বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। বিধানসভার ভিতরে জাতীয় সঙ্গীতের বদলে রাজ্য সঙ্গীত গাইতে থাকেন শাসকদলের বিধায়করা। এতেই পাল্টা জাতীয় সঙ্গীত শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। হই হট্টগোল শুরু হয়ে যায় বিধানসভার অন্দরে। এরপরে বিধানসভার বাইরে এক বিজেপি বিধায়কের গাড়ি আটকে যায় মুখ্যমন্ত্রী বের হওয়ার সময়। সে নিয়ে কলকাতা পুলিশকে ধমক দেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এমন সময় মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। অভিযোগ, তৃণমূলপন্থী সরকারি কর্মচারীরা হামলার উদ্দেশ্যে তেড়ে যান বিজেপি বিধায়কদের উদ্দেশ্যে। এই সমস্ত কিছু নিয়েই শুভেন্দুর অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আশঙ্কা, তাঁরাও আক্রান্ত হতে পারেন অথবা যেকোনও সময় খুন হতে পারেন। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘আমরাও আক্রান্ত হতে পারি, মার্ডার হতে পারি। এরা আমাদের মুখ বন্ধ করতে না পেরে আমাদের শারীরিকভাবে নিগ্রহ, এমনকী খুনও করতে পারে।’’

    শুক্রবার বিধানসভায় নিজের ঘরে বসে ফেসবুক লাইভে শুভেন্দু

    শুক্রবার দুপুরে বিধানসভায় নিজের ঘরে বসে ফেসবুক লাইভে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। সেইসঙ্গে যে সমস্ত তৃণমূলপন্থী কর্মী সেদিন বিজেপি বিধায়দের দিকে তেড়ে যায়, তাদের ছবি, পরিচয় এবং ভিডিও ফুটেজ সামনে আনেন তিনি। এ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘অধিকাংশ বিধানসভার কর্মী তৃণমূলের ক্যাডার। তাদেরকে দিয়ে পরিকল্পনা করে এই কাণ্ড ঘটানো হয়।’’ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ, ‘‘নিরাপত্তা রক্ষীদের নামে স্পিকারের এলাকার নিয়োগপ্রাপ্ত তৃণমূল ক্যাডাররাই বিজেপির উপরে আক্রমণ করেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    Arabul Islam: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আরাবুল ‘কারাবুলে’র (আগেও কারাবাস ভোগ করায় আরাবুলকে এই নামেই চেনেন স্থানীয়দের একটা বড় অংশ)। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি পাকানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূলের তাজা নেতা আরাবুল ইসলামকে। পরে পাঠানো হয় গারদে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২১ ফেব্রুয়ারি। 

    আরাবুলের নামে খুনের অভিযোগ

    শুক্রবার বারুইপুর আদালতে হাজির করানো হয় আরাবুলকে। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে পাঠানো হয় পুলিশি হেফাজতে। গত বছর জুন মাসে হয় পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই সময় খুন হন জনৈক মহম্মদ মহিউদ্দিন মোল্লা। তিনি আইএসএফের সদস্য ছিলেন। ১৫ জুন ভাঙড়-২ বিডিও অফিসে মনোনয়নপত্র পেশ করতে গেলে গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। মৃত আইএসএফ কর্মীর বাবা কুতুবউদ্দিন খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। আরাবুলের (Arabul Islam) নামে দায়ের হয় এফআইআর। আরাবুলের ছেলে হাকিমুল এবং আরও ২০ জনের নামেও অভিযোগ দায়ের হয়। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় আইএসএফ কর্মী খুনে অভিযুক্ত আরাবুলকে। মাসখানেক আগে ভাঙড় কলকাতা পুলিশের আওতায় আসে। তার পরেই গ্রেফতার হন আরাবুল। পুলিশ জানিয়েছে, জুন মাসে খুনের ঘটনায় নাম জড়ানোয় গ্রেফতার করা হয়েছে আরাবুলকে।

    লজ্জা ঢাকতে সাদা কাপড়!

    এদিন সাদা কাপড়ে মুখ ঢেকে আদালতে ঢোকেন আরাবুল। বিরোধীদের একাংশের মতে, লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে আরাবুল তৃণমূলের ঝান্ডা নয়, মুখ লুকিয়েছেন সাদা কাপড়ের আড়ালে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তর কাশীপুর থানায় তলব করা হয় আরাবুলকে। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। নিয়ে আসা হয় লালবাজারে। আদালতে তোলা হলে ঠাঁই হয় জেলে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘হাজার বার বলব জয় শ্রীরাম’’, ধর্মান্ধদের কড়া জবাব মহম্মদ শামির

    তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগ থাকা সত্ত্বেও মমতার পুলিশ যেভাবে গ্রেফতার করল আরাবুলকে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন সন্দেশখালির শেখ জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। অভিযোগ, বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও ঘণ্টাখানেক ধরে তালা খোলা হয়নি জাহাঙ্গিরের বাড়ির ফটকের। তার পর আচমকাই বেশ কিছু তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী (যারা জাহাঙ্গিরের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত) হামলা চালায় ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের ওপর। তাদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। তার পর থেকে বেপাত্তা জাহাঙ্গির। আরাবুলের (Arabul Islam) গ্রেফতারির খবর পেয়ে আদৌ তিনি আর প্রকাশ্যে আসেন কিনা, আপাতত সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • 100 Days Job Corruption: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, বোনকে নিয়ে ইডি দফতরে রথীন্দ্রকুমার দে

    100 Days Job Corruption: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, বোনকে নিয়ে ইডি দফতরে রথীন্দ্রকুমার দে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি অফিসে হাজিরা দিলেন একশো দিনের কাজে ‘দুর্নীতি’র দায়ে অভিযুক্ত প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী রথীন্দ্রকুমার দে। ইডির তলবে সাড়া দিয়ে বোন ইতি চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন রথীন্দ্রকুমার। একশো দিনের কাজের টাকা নয়ছয় করার মামলা দায়ের হয়েছে মুর্শিদাবাদের দুই সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে। তাঁদের মধ্যে এক জন প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী রথীন্দ্রকুমার এবং অন্য জন, মুর্শিদাবাদ জেলার মনরেগা প্রকল্পের বর্তমান নোডাল অফিসার সঞ্চয়ন পান। 

    ইডির জিজ্ঞাসাবাদ

    শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ ইডি দফতরে যান মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন নির্বাহী সহায়ক রথীন্দ্রকুমার দে ও তাঁর বোন ইতি চট্টোপাধ্যায় ৷ এদিন তাঁরা ইডি অধিকারিকদের হাতে কিছু নথি তুলে দেন। রথীন্দ্রকুমার দে-র আইনজীবীর অভিযোগ, সেই নথিতেই প্রমাণ রয়েছে যে, দুর্নীতি হয়েছে বুঝতে পেরে উপরমহলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন রথীন্দ্র ৷ তবে তাঁর কথায় আমলই দেওয়া হয়নি ৷ ইডি সূত্রে খবর, ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    দুর্নীতির অভিযোগ

    মঙ্গলবার সকালে একশো দিনের কাজে দুর্নীতির তদন্তে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের মধুপুরের কালীবাড়ি এলাকায় দুই সরকারি কর্মীর বাড়িতে ইডি কর্তারা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসেন। তাঁদের বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি চালানোর পর বুধবার ইডি দফতরে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয় রথীন্দ্রকে। তাঁর বোনকেও সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়। সেই নির্দেশ মেনেই কলকাতার ইডি দফতরের হাজিরা দিলেন রথীন্দ্র এবং তাঁর বোন। ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বেলডাঙা ১ ব্লকের বিডিও বিরূপাক্ষ মিত্র এই পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তখন রথীন্দ্র বেলডাঙা ১ এর সুজাপুর-কুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এগ্‌‌জিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত। সেই অভিযোগের তদন্ত শেষে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয় রথীন্দ্রকে। এমনটাই দাবি ইডি কর্তাদের। 

    আরও পড়ুুন: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    রথীন্দ্রকুমারের দাবি

    প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী রথীন্দ্রকুমারের দাবি, চাকরি করার সময় তিনি বেশ কিছু দুর্নীতি হতে দেখেন। এই নিয়ে জেলা প্রশাসন ও রাজ্যের আমলাকে লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হলেও তৎকালীন জেলা প্রশাসন এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি । উলটে দুর্নীতিগ্রস্ত জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি ও তৎকালীন এডিএম, জেলা পরিষদ ক্ষমতার অপব্যবহার করেন ৷ নওদা ও বেলডাঙা এক ব্লকের বিডিও এবং পুলিশের সহায়তায় গ্রামের মানুষকে ভয় দেখিয়ে সই নকল করে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিয়ে নেওয়া হয় ৷ কোনও শোকজ ছাড়াই মিথ্যা মামলায় তাঁকে অভিযুক্ত করে চাকরি থেকে বিতাড়িত করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে বিয়ে করতে চান? নিয়ম না মানলে কিন্তু ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

    Tarapith: তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে বিয়ে করতে চান? নিয়ম না মানলে কিন্তু ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠ (Tarapith) হল সতীর ৫১টি পীঠের একটি। এই পীঠস্থানে অনেক পাত্র-পাত্রীর বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকে। এবার থেকে এই তারামায়ের মন্দিরে বিবাহ অনুষ্ঠানের নিয়ম-রীতি আরও কড়া করা হল। শুধু শাঁখা-পলা, সিঁদুর কৌটো নিয়ে হাজির হলে হবে না। নতুন নিয়মাবলীকে মান্যতা দিতে হবে। মা তারার মন্দিরে বিয়ে করার কী কী নিয়ম ঠিক করা হয়েছে, আসুন জেনে নিই।

    নতুন কী কী নিয়ম করা হল (Tarapith)?

    তারাপীঠে (Tarapith) এই নিয়ম নির্ধারণের পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। সেগুলি স্পষ্ট করে জানিয়েছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি। বিবাহের ক্ষেত্রে করোনাকাল থেকেই অনেক নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বিবাহবন্ধন যেন অটুট থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। যাঁরা দম্পতি হচ্ছেন, তাঁরা সারা জীবন যাতে সুখে সংসার করতে পারেন, সেই বিষয়ে নজর রাখাই মূল লক্ষ্য। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথমে দেখা হবে পাত্র-পাত্রীর পরিচয়পত্র। তার পর খবর দেওয়া হয় দু’পক্ষের পরিবারকে। নাবালক বা নাবালিকা যদি হয়, সেক্ষেত্রে বিয়ে দেওয়া যাবে না মন্দিরে। আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এমন কোনও বিষয় থাকলে বিবাহ দেওয়া যাবে না। এছাড়া অসাধু ব্যক্তিবর্গ অনেক সময় পাত্রীকে নেশাসক্ত করিয়ে বিবাহ করাতে চলে আসে। সেক্ষেত্র কোনও অসঙ্গতি লক্ষ্য করলে মন্দির কমিটি তৎক্ষণাৎ পুলিশ-প্রশাসনকে জানাতে বাধ্য থাকবে। সেই সঙ্গে তারাপীঠের হোটেলে প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক-প্রেমিকাদের রুম দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কারণ, অনেকে মন্দিরে ভুয়ো বিয়ে করার ছবি তুলে রুম ভাড়া নিয়ে থাকে। এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে বিবাহের কাজ করা যাবে না। মায়ের মন্দিরের বাইরে অবস্থিত ছোট মন্দিরগুলিতে বিয়ে হতে পারে, যেমন ষষ্ঠী মন্দির, শিব মন্দির ইত্যাদি।

    মন্দির কমিটির বক্তব্য

    তারাপীঠ (Tarapith) মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কে কখন বিয়ে করল, সব সময় তো নজর রাখা সম্ভব হয় না। তবে যাঁরা পুরোহিত ডেকে বিয়ে করার কথা ভাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আমরা একটা নিয়ম মেনে চলি। যদিও মন্দিরের বারান্দায় বন্ধুবান্ধব নিয়ে হইহুল্লোড় করে অনেকে বিয়ে সেরে নেন। এমনও ঘটনা নজরে আসে। তবে সব মিলিয়ে তারাপীঠ মন্দিরে বিয়ে করতে গেলে পাত্র-পাত্রীকে মানতে হবে নিয়ম। সঙ্গে থাকতে হবে সঠিক পরিচয়পত্র। পাত্রীকে থাকতে হবে শারীরিক ভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক। সন্দেহ হলে আটকে যাবে বিয়ে। এমনকী যেতে হতে পারে শ্রীঘরেও।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share