Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Durgapur: দুর্গাপুরের হস্টেলে পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু! পরিবারের অভিযোগ ব়্যাগিংয়ের

    Durgapur: দুর্গাপুরের হস্টেলে পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু! পরিবারের অভিযোগ ব়্যাগিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের (Durgapur) হস্টেলে ম্যানেজমেন্ট পড়ুয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। পরিবারের তরফ থেকে ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিন সহপাঠী, কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং হোস্টেলের সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।

    মৃত পড়ুয়ার পরিচয় (Durgapur)

    স্থানীয় (Durgapur) সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম রাজদীপ সরকার, বয়স ১৮। পূর্ব বর্ধমানের আউশ গ্রামের দাড়িয়াপুরের বাসিন্দা। দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার ২৫ নম্বর ওয়র্ডের ফুলঝোড় মোড়ের কাছেই একটি বেসকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিবিএ প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন তিনি। কলেজের হোস্টেলই থেকে পড়াশুনা করতেন রাজদীপ।

    মৃত ছাত্রের পরিবারের বক্তব্য

    মৃত পড়ুয়া রাজদীপের জেঠু চঞ্চল সর্দার বলেন, “রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ কলেজের (Durgapur) হোস্টেলের ছাদ থেকে রাজদীপ পড়ে গিয়েছে বলে কলজে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাসপাতলে যেতে যেতেই আমরা মৃত্যুর খবর পাই। তবে রাজদীপের চোখে মুখে মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ একবার বলছে ছাদ থেকে মৃত্যু আবার বলছে বিছানা থেকে পড়ে মৃত্যু! উভয় ঘটনায় ব্যাপক সন্দেহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে ব়্যাগিং করা হয়েছে।”

    কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    ঘটনায় কলেজ (Durgapur) কর্তৃপক্ষের অধ্যক্ষ রাজদীপ রায় জানিয়েছেন, “ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ মিথ্যা। রাজদীপ এবং সিদ্ধার্থ নামের এক পড়ুয়া গল্প করছিল। সেই সময় বিছানা থেকে পড়ে যায়। মেঝেতে থাকা স্টিলের একটি গ্লাসে আঘাত লাগে তাঁর মুখে। তাই চোখে মুখে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।” অপর দিকে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি পূর্ব অভিষেক মোদি জানান, “পরিবারের তরফে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত শুরু করেছি। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakrabarty: ‘‘আমি রাক্ষস, গোগ্রাসে খাই’’, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে কেন বললেন মিঠুন?

    Mithun Chakrabarty: ‘‘আমি রাক্ষস, গোগ্রাসে খাই’’, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে কেন বললেন মিঠুন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakrabarty)। সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই অনুরাগীদের জানিয়ে দিলেন তিনি একেবারেই সুস্থ রয়েছেন। এখন কোনও সমস্যা নেই। তবে সমস্যার কারণও উল্লেখ করেছেন তিনি। ডায়াবেটিক রোগীদের সতর্ক করেছেন। একই সঙ্গে দিয়েছেন রাজনৈতিক বার্তাও। মহাগুরু জানিয়েছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে পুরোদস্তুর প্রচার করবেন তিনি। মিঠুন হাসপাতালে থাকাকলীন ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর কুশল সংবাদ নিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা মিঠুন বলেন, ‘‘দারুণ শ্রদ্ধা করি প্রধানমন্ত্রীকে।’’ 

    ডায়াবেটিক রোগীদের সতর্কবার্তা

    হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে মিঠুন বললেন, ‘‘কোনও সমস্যা নেই। সমস্যা খাওয়াতে। আমি গোগ্রাসে খাই।’’ এর পর ডায়াবিটিস রোগীদেরও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘যাঁদের ডায়াবিটিস রয়েছে, ভাববেন না মিষ্টি না খেলে কিছু হবে না। খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করুন।’’ তিনি যে চিনি একটু বেশি খান তাও জানালেন। চিকিৎসকদের কাছে এ জন্য বকা খেয়েছেন বলেও জানান মিঠুন। জানিয়ে দিলেন, শুটিংয়ে ফিরবেন শিগগিরিই। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্লোরে যাওয়ার কথা। আক্ষেপ করে বললেন, ‘২ টো দিন নষ্ট হয়ে গেল’

    আরও পড়ুন: হলদোয়ানির হিংসায় ধৃত ৩০, “দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করা যাবে না”, বললেন ধামি

    ভোটের প্রচারে মিঠুন

    আগামী লোকসভা ভোটে প্রার্থী হবেন? মিঠুনের জবাব, না একদমই না। বিজেপি নেতার সাফ জবাব, ‘‘আমি প্রার্থী হলে ৪২টা আসন কে দেখবে?’’ তবে তাঁকে প্রচারের ময়দানে পুরোদস্তুর পাওয়া যাবে বলেও সোমবার জানিয়েছেন মিঠুন। তাঁর কথায়, ‘‘একদম। ১ তারিখ থেকে লাগাতার প্রচার। বিজেপির হয়েই করব। আমাদের রাজ্যের বাইরে অন্য রাজ্যে যদি ডাকে সেখানেও যাব।’’ সন্দেশখালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘সময় এসেছে, মানুষের জেগে ওঠা উচিত। যা হচ্ছে, মানা যায় না।’’ দেব তাঁকে হাসপাতালে দেখতে এসেছিলেন। তবে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হয়নি। ‘প্রজাপতি’ ছবির সহঅভিনেতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘দেব এসেছিল আমার সঙ্গে দেখা করতে। আমি রাজনৈতিক কোনও কথা বলি না। খুব বুদ্ধিমান ছেলে দেব। ভাল ছেলে। তবে রাজনৈতিকভাবে মন্তব্য করব না।’’ শনিবার সকালে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন মিঠুন। ভর্তি করানো হয় কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে। ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন মিঠুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Metro: ‘বন্দে ভারতে’র পর এবার শীঘ্রই আসছে ‘বন্দে মেট্রো’, গতি কত জানেন?

    Vande Metro: ‘বন্দে ভারতে’র পর এবার শীঘ্রই আসছে ‘বন্দে মেট্রো’, গতি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বল্প দূরত্বের দুই শহরের মধ্যে ঘন্টাপ্রতি ১৩০ কিমি গতির ‘বন্দে মেট্রো’ (Vande Metro) ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় রেল। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ‘বন্দে মেট্রো’ ট্রেনগুলি সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বে থাকা দুই গন্তব্যের মধ্যে চলবে। বন্দে ভারত ট্রেনের আদলেই বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলিকে তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বন্দে মেট্রো ট্রেন প্রকল্পের কথা রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ২০২৩ সালের বাজেটে ঘোষণা করেছিলেন।

    রেলের জিএম কী জানালেন (Vande Metro)?

    রেলের বন্দে মেট্রো (Vande Metro) এই প্রজেক্ট সম্পর্কে রেলের কোচ তৈরি কারখানা ইন্টিগ্রেটেড কোচ ফ্যাক্টরি (আইসিএফ) জিএম বিজি মালিয়া বলেছেন, “কম দূরত্বের জন্য দ্রুত, দ্রুত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যাত্রায় বন্দে মেট্রো ট্রেন চলবে। এই ট্রেন বন্দে ভারতের ডিজাইনেই প্রস্তুত করা হবে। বন্দে মেট্রোগুলিকে মেইনলাইন ইএমইউ-এর জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হবে। এখন এই প্রজেক্টের জন্য ২৫০ থেকে ৩০০ কিমির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলির নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে জানুয়ারি ২০২৪ থেকেই।”

    কেমন হবে বন্দে মেট্রো ট্রেন দেখতে?

    রেলের সূত্রে জিএম বিজি মালিয়া বলেন, “বন্দে মেট্রো (Vande Metro) ট্রেনগুলির গঠন দেখতে অনেকটাই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতোই হবে। কিন্তু পার্থক্যও থাকবে, যা হল বন্দে ভারতের চেয়ারকারের মধ্যে দাঁড়ানোর জায়গা ছিল না কিন্তু এই মেট্রোগুলিতে দাঁড়ানোর জায়গা থাকবে। এই ট্রেনে ১০০ জন যাত্রী বসার সুযোগ থাকবে এবং ২০০ জন যাত্রী দাঁড়িয়ে যাত্রা করার সুযোগ পাবেন। ট্রেনগুলি স্বয়ংক্রিয় এবং বাতানুকূল থাকবে। মূলত মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলির জায়গায় এই ট্রেনগুলিকে প্রতিস্থাপন করা হবে। যাত্রীরা স্বল্প সময়ে নিরাপদ দূরত্বে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।”

    আর কী কী সুবিধা  থাকবে ট্রেনে?

    এই বন্দে মেট্রো ট্রেনের (Vande Metro) সর্বোচ্চ গতি থাকবে ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। ট্রেনের কামরা পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। ট্রেনের বডির ওজন বেশি ভারি করা হবে না। ট্রেনের সিট হবে হালকা গদি যুক্ত। বেশ প্রসস্থ এবং স্লাইডিং যুক্ত দরজা থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা, পিআইএস সিস্টেম এবং এলসিডি। স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকবে ট্রেনের ভিতরে। মোবাইল চার্জ করার প্লাগ থাকবে। ভ্যাকুয়াম ইভাকুয়েশন সিস্টেম সহ মডুলার টয়লেট থাকবে। এছাড়াও থাকবে রুট নির্ধারণের লাইটের ব্যবহার কামরার ভিতরে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: ‘সন্দেশখালি জ্বলছে আর দেবী ডগ ডে নিয়ে মেতে’, নুসরতকে কটাক্ষ দিলীপের

    Sandeshkhali Incident: ‘সন্দেশখালি জ্বলছে আর দেবী ডগ ডে নিয়ে মেতে’, নুসরতকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রণক্ষেত্র সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। জ্বলছে ঘর বাড়ি। তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগে সরব হয়েছেন সন্দেশখালি, জেলিয়াখালির প্রমিলাবাহিনী। তবু চুপ সন্দেশখালির মহিলা সাংসদ নুসরত জাহান। নুসরত বসিরহাটের সাংসদ, সন্দেশখালি সেই এলাকারই অন্তর্ভুক্ত। সন্দেশখালি এখন অগ্নিগর্ভ, কিন্তু এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়নি অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরত জাহানকে। 

    নুসরতকে খোঁচা

    সরাসরি এ প্রসঙ্গে এবার নুসরতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। নাম না করেই দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘দেবীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সেই দেবীর এলাকা সন্দেশখালি জ্বলছে। মহিলারা ধর্ষিত। অত্যাচারিত। তারা ঝাঁটা লাঠি নিয়ে পুলিশকে তাড়া করছে। দেবী কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’ সন্দেশখালি নিয়ে নীরব থাকলেও, নুসরত কিন্তু সদা-অ্যাক্টিভ সোশাল মিডিয়ায়। ভ্যালেন্টাইনস উইক জুড়ে নজর কেড়েছে নুসরতের ইন্সস্টাগ্রাম পোস্টগুলি। লাইক, লাভ রিয়্যাকশনে ভরে গিয়েছে প্রমিস ডে-তে পাওয়া গিফটের রিল।  এই নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ ‘তিনি ডগ ডে চকোলেট ডে নিয়ে মেতে আছেন। এরপর ভ্যালেন্টাইন্স ডে করবেন। এরকম লোক কে মানুষ কেন ভোট দেয় যাদের সামান্য সেনসিটিভিটি নেই। কোনো বিবৃতি নেই। কোনো কথা নেই। একবার ওখানে যাওয়া উচিত ছিল। মহিলাদের এই দুঃখের সময় তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। এরকম দেবীদের ভোট দিলে এরকমই হবে।’ 

    আরও পড়ুন: হলদোয়ানির হিংসায় ধৃত ৩০, “দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করা যাবে না”, বললেন ধামি

    দেব প্রসঙ্গে অভিমত

    সন্দেশখালি ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন দিলীপ ঘোষ । তিনি বলেন, ‘একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে মহিলাদের এই দুর্দশা হবে, তাদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হবে, এটা কোনোদিন বাঙালি ভাবতে পারেনি।’ ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে দেব-কে প্রার্থী করা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ‘দেব আর দেবী ছাড়া তৃণমূলের গতি নেই। দেবকে নিয়ে এই চলছে। দেবীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ফেব্রুয়ারির শেষে বঙ্গ সফরে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর?

    Amit Shah: ফেব্রুয়ারির শেষে বঙ্গ সফরে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাজ্যে আসার কথা ছিল তাঁর। তবে শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায় তাঁর সফর। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, এবার তিনি আসছেনই এবং সেটাও ফেব্রুয়ারির শেষ দিন ২৯ তারিখে। এদিনই মায়াপুরে ইস্কন মন্দির দর্শনে যাবেন তিনি।

    শাহের কৃষ্ণ দর্শন

    ২০২১ সালেও মায়াপুরে ইস্কন মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন শাহ। ফের যাচ্ছেন এবার। যেহেতু দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, তাই শাহের এই ইস্কন সফরে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের। গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন বালক রাম। তবে এখনও রাম-দর্শন করেননি শাহ (Amit Shah)। তার আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন কৃষ্ণ-দর্শনে। বিজেপি সূত্রে খবর, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে শাহ আসবেন শহরে। পরের দিন সকালে যাবেন মায়াপুরে, কৃষ্ণ দর্শনে।

    দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক

    মন্দির দর্শন শেষে রানাঘাট সহ আশপাশের কয়েকটি লোকসভা কেন্দ্রের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। যেহেতু ওই সময় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলবে, তাই জনসভা করবেন না। সেই কারণেই নেতাদের সঙ্গে করবেন বৈঠক। কলকাতায় ফিরে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন বিজেপির এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর নিয়ে এত তাড়াতাড়ি নিশ্চিত হওয়া যায় না। ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে তিনি বাংলায় থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন। তবে কখন এবং কোথায় কী কর্মসূচি হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।”

    আরও পড়ুুন: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

    নির্বাচনের আগে ‘তীর্থ’ করা বিজেপি নেতাদের কাছে নতুন কিছু নয়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মায়াপুরে কৃষ্ণ দর্শনে গিয়েছিলেন শাহ। বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের ওড়াকান্দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। মতুয়া সম্প্রদায়ের পরম পূজ্য হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মস্থান এটি। মাঝ-এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে বাংলায় এসে কালীঘাট মন্দিরে গিয়েছিলেন শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি জেপি নাড্ডা। দর্শন করেছিলেন উত্তর কলকাতার মহাত্মা গান্ধী রোডের একটি গুরুদ্বারও।

    রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, বাংলায় রামের প্রভাব তেমন একটা নেই। রামকে নারায়ণের অবতার বলে মেনে নিলেও, রাম পুজোর চল এ রাজ্যে খুব একটা নেই। এখানকার হিন্দুরা কালী-কৃষ্ণের ভক্ত। সেই কারণেই শাহের ইস্কন মন্দির দর্শন। কৃষ্ণের আশীর্বাদ নিতেও তিনি মায়াপুরে যাচ্ছেন বলে শাহের (Amit Shah) ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose:  ‘শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচান’, রাজ্যপালকে পায়ে হাত দিয়ে আর্জি মহিলাদের

    CV Ananda Bose: ‘শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচান’, রাজ্যপালকে পায়ে হাত দিয়ে আর্জি মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানে যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিকে, প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের গ্রেফতারির জেরে সোমবারই এলাকায় বনধ ডেকেছে বামেরা। সোমবার মিনাখাঁর বাসন্তী হাইওয়েতে বামনপুকুর এলাকায় রাজ্যপালকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। মহিলাদের হাতে পোস্টার দিয়ে তৃণমূলীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পদে পদে বাধা পেয়ে অবশেষে সন্দেশখালি পৌঁছান রাজ্যপাল।

    রাজ্যপালকে (CV Ananda Bose) কী বললেন আতঙ্কিত মহিলারা?

    সন্দেশখালির মাটিতে রাজ্যপাল পা রাখতেই ফুল ছড়িয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় রাজ্যপালকে। এদিন রাজ্যপাল পৌঁছনোর আগেই দেখা যায় রাস্তায় প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মহিলারা। কোনও প্ল্যাকার্ডে কেন্দ্রীয় পুলিশের দাবি জানানো হয়েছে। কোথাও রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ। রাজ্যপালের হাতে রাখিও পরিয়ে দেন অনেক মহিলা। একের পর এক মহিলা এসে তাঁর কাছে অত্যাচারের অভিযোগ জানাতে থাকেন। অনেক মহিলা তাঁর পায়ে পড়লেন। রাজ্যপালের সামনে অনেকে আবার হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে থাকেন। শাহজাহান বাহিনী নিয়ে মুখ খোলেন। তাঁর বাহিনীর অত্যাচারের কথা তাঁরা বলেন। শেখ শাহজাহান এবং তাঁর সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তাঁরা। গ্রেফতার না করা হলে রাজ্যপাল চলে গেলে, তাঁদের উপর আরও অত্যাচার নেমে আসবে বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন তাঁরা। এক মহিলা রাজ্যপালের সামনে বলেন, ‘আমাদের মায়েদের শান্তির জন্য আপনারা কী চাইছেন জানি না। শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে আমাদের বাঁচান। কিন্তু, শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরাদের না ধরলে আপনারা চলে গেলে আমাদের যে অবস্থা হবে তা আরও ভয়ঙ্কর হবে। আমরা এরপর মুখ তুলে তাকাতে পারব না। ১৩ বছর ধরে যা অত্যাচার হচ্ছে, তার থেকেও ভয়ঙ্কর হবে। ওরা যদি ফিরে আসে।’

    সন্দেশখালিতে গিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    সবার অভিযোগ শোনেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল বলেন, “যাবতীয় ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রামের মহিলাদের সুরক্ষিত রাখা ও নিরাপদে রাখার জন্য যা যা করার তা করা হবে।”  সূত্রের খবর, ঘটনায় রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কথাও বলেছেন সি ভি আনন্দ বোস। এদিন সন্দেশখালি যাওয়ার আগে তিনি বলেন, “কেরল সফরে ব্যস্ত থাকার সময় সন্দেশখালির ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা জানতে পারি। তাই সফর কাটছাঁট করেই চলে এসেছি।”

    দফায় দফায় বিক্ষোভ

    কেরল সফর থেকে কলকাতায় ফিরে সোমবারই যে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সন্দেশখালি যাবেন, সেই পরিকল্পনা আগেই ছিল। সকালে বিমানবন্দরে নামার পর নির্ধারিত রাস্তা দিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিল রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের কনভয়। সেই পথেই দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানো হল রাজ্যপালের কনভয় ঘিরে। সকাল ১১ টা নাগাদ যখন রাজ্যপালের গাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর ওপর দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কনভয়ের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান একদল মহিলা। বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ের ভিতরে একবার নয়, একাধিকবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রাজ্যপালকে। মিনাখাঁর ওপর দিয়ে বামনগাছির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল কনভয়। প্রথমে বামনপুকুর এলাকায় আটকানো হয় গাড়ি।

    কচিকাঁচাদের হাতে প্লাকার্ড!

    বিক্ষোভকারীদের হাতে রয়েছে প্ল্যাকার্ড। তাতে জানানো হয়েছে বকেয়া টাকার দাবি। সেখান থেকে পুলিশ কোনও ক্রমে জমায়েত সরিয়ে দেওয়ার পর কয়েকশ মিটার দূরে কালীতলা ফের দেখা যায় একই ছবি। আবারও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রাজ্যপালেক কনভয়। এমনকী কচিকাঁচাদের হাতে ছিল প্লাকার্ড। কেন পোস্টার হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে তা জানে না তারা। তৃণমূলীদের শেখানো বুলি আওড়াচ্ছেন মহিলারা। অনেকে আবার বলছেন, এলাকায় ইডি কেন আসছে। সন্দেশখালি থানাতে অশান্তি হচ্ছে কেন? এসবের জন্য তাঁরা জমায়েত হয়েছে। রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কাছে আবাস যোজনার বাড়ি  চাইলেই পাওয়া যাবে বলে তৃণমূলের লোকজন মহিলাদের জমায়েক করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বার বার রাজ্যপালকে বিক্ষোভ দেখানো হলেও পুলিশের ভূমিকা ততটা সক্রিয় ছিল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড ৬ বিজেপি বিধায়ক, ‘‘আমরা গর্বিত’’, প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড ৬ বিজেপি বিধায়ক, ‘‘আমরা গর্বিত’’, প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তার আঁচ এবার গিয়ে পড়ল বিধানসভাতেও। সন্দেশখালি নিয়ে কক্ষে বিক্ষোভ প্রদর্শন করায় সোমবার বিধানসভা (West Bengal Assembly) থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ ৬ বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। যার পরেই শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, ‘‘আমরা গর্বিত’’।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি যাচ্ছেন শুভেন্দু, বাধা পেলে পথেই অবস্থান-বিক্ষোভ

    ‘সন্দেশখালি সঙ্গে আছি’

    সোমবার অধিবেশনের শুরু থেকেই কার্যত উত্তপ্ত হয়ে কক্ষ। সন্দেশখালি ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি, ‘সন্দেশখালি সঙ্গে আছি’ লেখা টিশার্ট গায়ে দিয়ে কক্ষে ঢোকেন বিজেপি বিধায়করা। তাতে আপত্তি জানান স্পিকার। এর পরেই বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি হুইসেল বাজাতে শুরু করেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

    শুভেন্দু-সহ ৬ জন বিধায়ক সাসপেন্ড

    শাসক দলের তরফে বিধানসভার (West Bengal Assembly) মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষ বিজেপির পুরো পরিষদীয় দলকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। পরে পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সেই প্রস্তাব সংশোধন করে শুভেন্দু-সহ ৬ জন বিধায়ককে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। এর পরই, শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) সহ ৬ বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শুভেন্দু ছাড়াও সাসপেন্ড হয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল, মিহির গোস্বামী, তাপসী মণ্ডল, বঙ্কিম ঘোষ ও শঙ্কর ঘোষকে সাসপেন্ড করা হয়। চলতি বছরের রাজ্য বাজেট অধিবেশনে আর এক দিনও অংশ নিতে পারবেন না তাঁরা।

    ‘‘যত সাসপেন্ড করবে তত এগোব…’’

    এর পরই বিধানসভা (West Bengal Assembly) থেকে ওয়াকআউট করে বিজেপি। বাইরে বেরিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় আসেন না। আজ পর্যন্ত বিজেপি বিধায়কদের স্বরাষ্ট্র দফতরের কোনও প্রশ্নের জবাব দেন না তিনি। বিধানসভায় সন্দেশখালি নিয়ে প্রশ্নের জবাবও দেননি। সন্দেশখালির মা বোনেদের সম্মান বাঁচাতে আমরা সাসপেন্ড হয়েছি। আমাদের যত সাসপেন্ড করবে আমরা তত এগোব। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই হয়েছে। সাসপেন্ড হয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের কোনও দুঃখ নেই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টির শঙ্কা! শীতের বিদায় লগ্নে ভিজবে কোন কোন জেলা?

    Weather Update: সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টির শঙ্কা! শীতের বিদায় লগ্নে ভিজবে কোন কোন জেলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের বিদায়বেলাতেও ফের একবার বৃষ্টির ভ্রুকুটি। সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই শহরে মেঘলা আকাশ। তাপমাত্রাও বেড়েছে বেশ খানিকটা। ইতিমধ্যেই হাওয়া বদলের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কমবে উত্তর-পশ্চিমের শীতল হওয়ার প্রভাব। বাড়বে দখিনা বাতাস ও পূবের বাতাসের দাপট। শীতের আমেজ কমে বাড়বে উষ্ণতা। বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে ৩-৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান।

    বৃষ্টির পূর্বাভাস

    শীতের গোটা মরশুমেই দফায় দফায় বৃষ্টির (Rainfall) মুখ দেখেছে বাংলা। শহর কলকাতার (Kolkata) পাশাপাশি বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী বুধবারের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে চার ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। আগামী মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়। মঙ্গলবার ও বুধবার সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja) এবং ভ্যালেন্টাইন্স ডে (Valentines Day)-র দিনে হালকা বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুুন: “লোকসভা ভোটে বিজেপি ছাড়াবে ৩৭০ আসন”, মধ্যপ্রদেশে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    শীত বিদায়

    গত সপ্তাহে শীতের শেষ স্পেল ভালোই অনুভব করেছে বঙ্গবাসী। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সোমবার থেকে ধীরে ধীরে বিদায় নেবে শীত। চড়বে তাপমাত্রার পারদ। কলকাতায় আপাতত সোমবার সকাল-সন্ধে শীতের হালকা আমেজ থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। আংশিক মেঘলা আকাশ। বুধবার সরস্বতী পুজো ও ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিন ও পরের দিন বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। গতকাল, রবিবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে যা ২ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৩০ থেকে ৯৪ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা শহরে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও ধীরে ধীরে পারদ চড়বে। শহর কলকাতার পারদও চড়ছে। উত্তরবঙ্গে এখনও রয়েছে শীতের আমেজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shamik Bhattacharya: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    Shamik Bhattacharya: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সুবক্তা। দলের প্রতি আনুগত্য অটুট। দল বিরোধী কথা বলেননি কখনওই। তাঁর (Shamik Bhattacharya) প্রতি বরাবরই খুশি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি রয়েছেন দলের মুখপাত্র হিসেবে। এহেন একনিষ্ঠ নেতা শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি।

    কমিটির মাথায় শমীক

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ৩৫টি আসন পাওয়ার লক্ষ্যে লড়ছে বিজেপি। এজন্য গঠন করা হয়েছে ৩৫টি কমিটি। এরই একটি কমিটিতে রয়েছেন শমীক। কোন বক্তা কী বলবেন, প্রচারে গুরুত্ব দেওয়া হবে কোন কোন বিষয়কে, এসব ঠিক করতে যে কমিটি গড়া হয়েছে পদ্ম শিবিরে, সেই কমিটিরই মাথায় বসানো হয়েছে শমীককে (Shamik Bhattacharya)। সব সময় দলের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। বিজেপিতে কোনও প্রশিক্ষণ হলেও, তলব করা হয় শমীককে।

    বাংলায় পদ্ম চিহ্নের প্রথম বিধায়ক

    এসব ছাড়াও শমীকের আরও একটি পরিচয় রয়েছে। পদ্ম চিহ্নে জিতে বাংলার প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল-বিজেপি জোটের প্রার্থী হিসেবে শমীকের আগে জয়ী হয়েছিলেন বাদল ভট্টাচার্য। তবে বিজেপি একাই লড়ে যে বার বিধানসভায় প্রতিনিধি পাঠাতে সক্ষম হয়, সেবারই জিতেছিলেন শমীক। জিতেছিলেন বসিরহাট থেকে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে অবশ্য দমদম কেন্দ্রে হেরে যান তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শমীককে প্রার্থী করা হয় রাজারহাট নিউটাউনে। এবারও পরাস্ত হন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    তাঁকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করা হচ্ছে শুনে দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শমীক। বলেন, “দলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ, সংগঠনের কাছে কৃতজ্ঞ। সর্বোপরি, বাংলার মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জন্য মনোনীত করেছেন। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে বাংলার মানুষ আমাদের সেই সংখ্যা দিয়েছেন যাতে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় একজন সদস্য পাঠাতে পারি।”

    এদিন খানিকটা নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন শমীক। বলেন, “সেসব দিনের কথা খুব বেশি করে মনে পড়ছে, যখন আমি, রাহুলদা (রাহুল সিনহা) পার্টি অফিসে বসে থাকতাম। আটের দশক তখন। বুদ্ধদেববাবু বলতেন, যাঁদের বিধানসভায় কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই, সর্বদলীয় বৈঠকে আমরা তাঁদের ডাকি না। সেদিনের সেসব কথা খুব মনে পড়ছে। অনেকে হয়ত আমাদের মধ্যে নেই। থাকলে খুশি হতেন যে কলকাতা থেকে রাজ্যসভায় আমরা প্রতিনিধিত্ব করতে পারব। সেটাই বারবার মনে হচ্ছে (Shamik Bhattacharya)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে  তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    Sandeshkhali: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ শানালেন। রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ কিছুই করবে না, কেননা তারা শাহজাহানের পয়সায় লালিত-পালিত হয়। নারী নির্যাতনে আমরা মধ্যযুগীয় বর্বরতা (Sandeshkhali) দেখতে পাচ্ছি এই রাজ্যে।” এছাড়াও তিনি প্রশ্ন তোলেন, “অন্যের স্ত্রীকে কীভাবে পার্টি অফিসে নিয়ে যাওয়া যায় তৃণমূলের নেতাদের মনোরঞ্জন করার জন্য?”

    সন্দেশখালিতে নারীরা অসুরক্ষিত (Sandeshkhali)!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বোঝাই যাচ্ছে মহিলাদের কী চোখে দেখে তৃণমূল। হাজার টাকা দাও, তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে রাত কাটাও। এই অফার চলছে। হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে। কোনও ব্যক্তির স্ত্রীকে রাতে ডেকে নিয়ে সারা রাত রেখে পরের দিন সকালে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ কত ভাগ পায়, আমার জানা নেই। পুলিশ সেটাই করছে, মানুষ যাতে মুখ খুলতে না পারে, তাদের বক্তব্য না রাখতে পারে। যেভাবে মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে, তাতে বাঙালি চুপ করে বসে থাকতে পারে না। আর আজ চুপ থাকলে, আগামী দিনে আপনার-আমার বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে এমনটাই করবে তৃণমূল কংগ্রেস।”

    নিখোঁজ বিজেপি নেতা

    শেখ শাহজাহানের নিখোঁজ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “শাহজাহান কোথায় আছে পুলিশ জানে, শাহজাহানই (Sandeshkhali) পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে কাজ করাচ্ছে। শিবু হাজরা ও তাঁকে খুঁজে পাবে না। যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলবেন তখন পুলিশ গ্রেফতার করবে। আদালতের উচিত নির্দেশ দেওয়া যে শাহজাহানের কান ধরে টেনে নিয়ে আসা হয়। তারপর শুরু হবে খেলা।” আবার সন্দেশখালিতে বিজেপি কনভেনার বিকাশ সিংহকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিকাশ সিং আমাদের ওখানে বহু পুরনো নেতা। তাঁর স্ত্রী খুব চিন্তিত। আমরা শুনতে পাচ্ছিলাম তাঁকে নৌকায় করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উনাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিজ্ঞেস করায় এসপি বলেন, আমরা বলতে বাধ্য নই। সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক কাজ করছে পুলিশ।”

    “মুখ্যমন্ত্রী ঘুমচ্ছেন” (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করা প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা এমন একটা বাক্স খুলে দিয়েছে যেখানে তৃণমূলের প্রাণ ভোমরা লুকিয়ে আছে। তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন জায়গায় কীভাবে অত্যাচার করেছে তা সবার সামনে চলে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস ভয় পাচ্ছে। তারা চাইছে না, এটা সবার সামনে আসুক। কীভাবে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের উপর এই ধরনের অত্যাচার হল? এই বাংলার জন্য আমরা গর্ববোধ করি? মহিলাদের নিয়ে একটা কথা বলারও অধিকার নেই এই অভদ্র তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রী ঘুমচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রীর চিন্তা তাঁর বাড়ির মহিলাদের নিয়েই, আর কাউকে নিয়ে নয়।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share