Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sandeshkhali Case: ইডির বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে না পুলিশ, সন্দেশখালিকাণ্ডে জানাল আদালত

    Sandeshkhali Case: ইডির বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে না পুলিশ, সন্দেশখালিকাণ্ডে জানাল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ মার্চ পর্যন্ত ইডির বিরুদ্ধে করা এফআইআর নিয়ে কোনও তদন্ত করতে পারবে না পুলিশ। সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Case) বৃহস্পতিবার এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল পুলিশ। শুরু করেছিল তদন্তও। এদিন সেই তদন্তেই স্থগিতাদেশ দিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ।

    কেস ডায়েরি তলব

    রাজ্যের কাছে এই ঘটনার কেস ডায়েরিও তলব করেছে আদালত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে করা এফআইআর নিয়ে রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। ইডি আধিকারিকেরা কি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকেছিলেন? প্রশ্ন বিচারপতি মান্থার। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, অনেক চেষ্টা করেও শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি তাঁরা। সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Case) একই দিনে তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল থানায়। এর মধ্যে দুটি এফআইআরের বয়ানে কোনও মিল নেই।

    বিচারপতির প্রশ্ন?

    সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি মান্থার প্রশ্ন, “এফআইআর নেওয়ার আগে পুলিশ কি ন্যূনতম অনুসন্ধান করেছিল?” তাঁর পর্যবেক্ষণ, “ধরুন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ওপর আক্রমণ হয়েছে। ন্যূনতম অনুসন্ধান না করেই কি সঙ্গে সঙ্গে এফআইআর লিখতে বসে যাবেন? আপনার রায় কি সে কথা বলছে? পুলিশের দুটি অভিযোগ নেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হচ্ছে। একটি ঘটনার সঙ্গে অন্যটিকে মেলানো যাচ্ছে না।” তিনি বলেন, “প্রথমে একটি বয়ানে পুলিশ এফআইআর নিল। ওসি স্বাক্ষর করে দিলেন। আবার দুপুরে আর একজন গিয়ে থানায় উল্টো ঘটনা বললেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেও এফআইআর করা হল। আর তাতেও ওসি সই করে দিলেন!”

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানকে গ্রেফতারে দাবিতে ন্যাজাট থানা ঘেরাও সুকান্তর, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ, “পুলিশের একবারও মনে হল না, একটু আগে এই একই ঘটনা নিয়ে এফআইআর নেওয়া হয়েছে? আগে যিনি এসেছিলেন তিনি অন্য কথা বলেছেন। তখন দ্বিতীয় জনকে পুলিশ তো সেকথা বলবে। তা না করে চোখ বন্ধ করে ওসি স্বাক্ষর করে দিলেন! এটা পুলিশের কী ধরনের বোকামি?” বিচারপতি জানান, এক্ষেত্রে চালাকি করা হতে পারে। তাই কোন এফআইআর আগে হয়েছে, কোনটি পরে, তা জানতে এফআইআরের কপি তিনি পাঠাতে পারেন ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে (Sandeshkhali Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: ‘‘আমার কাজকর্ম একটা শ্রেণিকে বিপদে ফেলেছে’’, মন্তব্য বিচারপতির

    Justice Abhijit Gangopadhyay: ‘‘আমার কাজকর্ম একটা শ্রেণিকে বিপদে ফেলেছে’’, মন্তব্য বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। আদালতের ভিতরে হোক বা বাইরে তাঁর একাধিক মন্তব্যে সমস্যআয় পড়েছে রাজ্যের শাসক দল। এমনকী তাঁর করা মন্তব্যের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গেই এবার তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিচারপতি। তিনি বলেন, “আমার কাজকর্ম-কথাবার্তায় এক শ্রেণি খুব বিপদে পড়ছে, তাই হয়ত নানা পদক্ষেপ।” 

    বিচারপতির প্রশ্ন

    বিবেকানন্দ পাঠচক্র আয়োজিত স্বামী বিবেকানন্দ মিলন মেলায় উপস্থিত হয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “বহু বিখ্যাত মানুষ, যাঁরা কাজ করার চেষ্টা করেছেন, তাঁদেরকে সব সময় টেনে নামানোর চেষ্টা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বহু প্রচার হয়েছে। এমনকি বিধবা বিবাহ প্রচলনের সময় বিদ্যাসাগর মশাই নিজে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন।” এই অনুষ্ঠানে স্বামী বিবেকানন্দের জীবন-আদর্শের কথা তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে সমাজের বিচ্যুতি থেকে শুরু করে আরও বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন। বিচারপতি প্রশ্ন করেছেন, যে বাংলায় এত মনীষীদের জন্ম হয়েছে সেই বাংলার বর্তমান সমাজে এত বিচ্যুতি হয় কীভাবে।

    আরও পড়ুন: টাকা তছরুপের অভিযোগ! কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে তলব ইডির

    কী বললেন বিচারপতি

    প্রসঙ্গত, বুধবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক (Abhishek Banerje)। আবেদনে তিনি জানান, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আদালতের বাইরে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের কাছে তৃণমূল সাংসদের আর্জি, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ করা হোক। তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রসঙ্গে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “যে কেউ মামলা করতে পারেন। যে কোনও আর্জি জানাতে পারেন। বলতেই পারেন, চাঁদ আমাকে পেড়ে দাও। যিনি শুনছেন (মামলা), তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।” তার পরই বিচারপতির সংযোজন, “মনে হয় আমার কাজে এবং কথাবার্তায় একটা শ্রেণি খুব বিপদে পড়ছে।” তাঁর মন্তব্যে, তদন্তকারী সংস্থা প্রভাবিত হচ্ছে কি না, তা ওই সংস্থাগুলিই বলতে পারবে বলে জানান বিচারপতি। তাঁর কথায়, “একটা কথায় এজেন্সি প্রভাবিত হচ্ছে, এ সব আষাঢ়ে গল্প।” সময় পাল্টে গিয়েছে বলে দাবি করে বিচারপতির প্রশ্ন, “আগে এত চুরি-জোচ্চুরি দেখেছেন? চাকরি বিক্রি দেখেছেন?” হতাশার সুরে বিচারপতি জানান, বর্তমানে বাংলায় অবক্ষয় চোখে পড়ছে, যা বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দের বাংলায় কাম্য নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: জাতীয় কিকবক্সিং প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে তাক লাগালেন হাওড়ার নিখাত পারভিন

    Howrah: জাতীয় কিকবক্সিং প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে তাক লাগালেন হাওড়ার নিখাত পারভিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনা জয় করে নতুন বছর শুরু করলেন হাওড়ার (Howrah) মেয়ে নিখত পারভিন। ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (এনসিসি) সদস্যা নিখাত পারভিন এবছর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সিনিয়র জাতীয় কিকবক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে সেরার শিরোপা পেয়েছেন। নয়াদিল্লিতে ২-৬ জানুয়ারি কিকবক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানেই তাঁর এই সাফল্য। হাওড়ার মেয়ের এই সাফল্যে গর্বিত গোটা জেলা।  পরিবারের পাশাপাশি নিখাতকে নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস এলাকায়।

    কী বলেন পারভিন (Howrah)?

    হাওড়ার (Howrah) বেলুড়ের টিএইচ উর্দু হাইস্কুলের প্রাক্তনী হলেন নিখাত পারভিন। তবে, এখানেই থেমে থাকতে রাজি নন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন। নিখাত বলেন, “এখানেই আমি থেমে থাকতে চাই না। আমার পরবর্তী লক্ষ্য হল আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা।” এখন তিনি কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করছেন। একই সঙ্গে তিনি এনসিসির ২ নম্বর বেঙ্গল ব্যাটালিয়নেরও সদস্য। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমার মা, এনসিসি প্রশিক্ষক ও কিকবক্সিংয়ের কোচ-এই তিনজনের জন্যই আমি আজ জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের শিবির থেকে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সেই অভিজ্ঞতা সুবিধা দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আশা করি আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেকে এবার প্রতিষ্ঠা করে লিঙ্গ বৈষম্যকে ভাঙতে সচেষ্ট হব।” তাঁকে নিয়ে গর্বিত পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের এনসিসি ডিরেক্টরেট। এই তরুণীর প্রতিভাময়ীকে বিশেষ সম্মান জানাতে চায় বলে এনসিসি সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে।

    জেলা স্তরেও চ্যাম্পিয়ন ছিলেন

    জেলাস্তরে (Howrah) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সময়েই পারভিন সকলের নজর কেড়েছিলেন। তাঁর প্রতিভার বিচ্ছুরণ দেখা গিয়েছিল রাজ্যস্তরের খেলায়। তখন থেকেই তাঁকে ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়ন বলে মনে করেছিলেন ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা। জাতীয় স্তরে সোনা পাওয়ায় তাঁরা একটুও অবাক হননি বলে জানা গিয়েছে। মাত্র সাত বছর বয়সে খেলা শুরু করেন তিনি। এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ৭৫টি পদক জিতে নিয়েছেন তিনি। ক্রীড়াবিদদের মতে, এমন বিস্ময়কর প্রতিভা সচরাচর দেখা যায় না।

    নারীদের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন

    মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ী পরিবারের (Howrah) মেয়ে হিসাবে পারভিন নিজে বিশ্বাস করেন নারীদের ক্ষমতায়নে। এনসিসিতে যোগদান তাঁকে আরও পরিণত ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলেছে। এনসিসি থেকে তিনি পুরস্কৃতও হয়েছেন। প্রত্যেক নারীর মধ্যে যে সম্ভাবনা থাকে, উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই তা বিকশিত হয় এবং সেটিই নারী স্বাধীনতা ও ক্ষমতায়নের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে বলে তিনি মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: বাড়িতে আধিকারিকরা! শোনার পরেই ফোন কাটেন শাহজাহান, দাবি ইডির

    Sandeshkhali Incident: বাড়িতে আধিকারিকরা! শোনার পরেই ফোন কাটেন শাহজাহান, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির। শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে তাঁকে ফোন করেন দফতরের আধিকারিকরা। ফোন রিসিভও করেন শাহজাহান, আর ইডির (ED Attack) কথা শুনেই কল কেটে দেন। এমনটাই দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা ও জেলার পুলিশ সুপারকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তাতেও বিষয়টি তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    ফোন কাটেন শাহজাহান

    ইডির অভিযোগ, ওই হামলার ঘটনার ঠিক আগে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছিল আধিকারিকদের। রেশন দুর্নীতির তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁর বাড়ির সামনে এসেছে এই কথা শোনার পরেই ফোন কেটে দেন শেখ শাহজাহান। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, তৃণমূল নেতার দুটি মোবাইল ফোন। শুক্রবার একটি মোবাইল ফোন নম্বরে শেখ শাহজাহানকে তাঁর বাড়িতে তল্লাশিতে এসেছেন বলে জানান ইডি-র আধিকারিক। এরপরই ফোন কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় থেকে তাঁর সেই ফোন নাকি অনবরত ব্যস্ত ছিল। ইডির দাবি, দুটি মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনই দেখাচ্ছিল, তৃণমূল নেতা রয়েছেন বাড়ির ভিতরেই। ইডি-র অভিযোগ, সেই সময় শেখ শাহজাহানই ফোন করে তাঁর অনুগামীদের উস্কানি দেন। ইডির দাবি পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালানো হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: টাকা তছরুপের অভিযোগ! কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে তলব ইডির

    কোথায় শেখ শাহজাহান?

    গত শুক্রবার রেশন দুর্নীতি তদন্তে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডি-র আধিকারিকরা। ঘটনার পর থেকেই খোঁজ মিলছে না শেখ শাহজাহানের। এই ঘটনায় পালটা ইডির বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে শোনা যায়। সন্দেশখালিকাণ্ডে পুলিশের এফআইআর খারিজের আবেদন করে হাইকোর্টে গিয়েছে ইডি। অন্যদিকে, সন্দেশখালিতে ইডি-র ওপর হামলার ৬ দিন পার হয়ে গেলও কোথায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান? লঘু ধারাতেই বা কেন মামলা রুজু করল পুলিশ? তারই প্রতিবাদে আজ, বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির ন্যাজাট থানা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি, নেতৃত্বে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Anthem Case: বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে চার্জশিট নয়, জাতীয় সঙ্গীত মামলায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    National Anthem Case: বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে চার্জশিট নয়, জাতীয় সঙ্গীত মামলায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার (National Anthem Case) দু’টি মামলাতেই স্বস্তিতে বিজেপি। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ ছাড়া ওই মামলায় কোনও চার্জশিট পেশ করা যাবে না। বুধবার জানিয়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। এছাড়া বিজেপি বিধায়কদের জেরা করা যাবে না বলে যে নির্দেশ আগে দেওয়া হয়েছিল, সেটাও বহাল রাখা হয়েছে। একক বেঞ্চ আগেই এই মামলাকে ‘ছেলেমানুষি’ আখ্যা দিয়ে রাজ্যকে ভর্ৎসনা করেছিল।

    কী বলল আদালত

    বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা (National Anthem Case) করার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে। শাসক দলের তরফে একটি নয়, দুটি মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। কিন্তু আগেই এই মামলাকে ‘ছেলেমানুষি’ আখ্যা দিয়ে রাজ্যকে ভর্ৎসনা করেছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চে এখনও পর্যন্ত কোনও শুনানি হয়নি। তাই একক বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দ্বিতীয় মামলাতেও তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে না পুলিশ। পাশাপাশি, হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া দেওয়া যাবে না চার্জশিটও। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি দুই মামলারই শুনানি হতে পারে সিঙ্গল বেঞ্চে। যদি তার আগে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের দায়ের প্রথম মামলার শুনানি হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, কী আর্জি তৃণমূল নেতার?

    বিতর্কের সূত্রপাত, গত মাসে বিধানসভায় একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে অম্বেডকর মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেন শাসকদলের মন্ত্রী, বিধায়কেরা। ওই একই সময়ে তৃণমূলের বিক্ষোভস্থল থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে বিধানসভার সিঁড়িতে বসে বিজেপি বিধায়কেরা পাল্টা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তুলছিলেন সরকার-বিরোধী স্লোগান। তৃণমূল বিধায়কেরা সেই সময় জাতীয় সঙ্গীত গাইতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। সেই সময়েও বিজেপি শিবির থেকে স্লোগান শোনা যাচ্ছিল বলে অভিযোগ। বিজেপি বিধায়কদের দাবি ছিল, অপরাধযোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sodepur: বিদেশে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা! প্রতারকের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ

    Sodepur: বিদেশে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা! প্রতারকের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সোদপুর (Sodepur) এলাকায়। বুধবার প্রতারিতরা  অভিযুক্ত ব্যবসায়ী তপন রায়ের বাড়িতে চড়াও হন। সেখানে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। যদিও ব্যবসায়ী বাড়িতে না থাকায় হতাশ হয়ে ফিরতে হয় প্রতারিতদের। পরে, প্রতারক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Sodepur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তপন রায় সোদপুর (Sodepur) এলাকায় ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস-এর ব্যবসা খুলে বসেন। ওই কোম্পানির নাম করে দুবাই সহ বিদেশে চুক্তিভিত্তিক চাকরি দেওয়ার তিনি টোপ দেন। রীতিমতো পোস্টার ছাপিয়ে শহরের বিভিন্ন জায়গায় তা দেওয়া হয়। সেখানে ভাল মাইনের অফার দেওয়া হয়। পোস্টারে দেওয়া হয় ফোন নম্বর। বেকার ছেলেমেয়েরা পোস্টারের সেই নম্বর দেখে যোগাযোগ করেন। এরপরই চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে টাকার দাবি করেন ব্যবসায়ী। ৬০-৭০ হাজার, এমনকী এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রতারিতদের অভিযোগ। মাসের পর মাস কেটে গেলেও কাউকে বিদেশে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে পারেননি অভিযুক্ত ব্যবসায়ী। এরপরই প্রতারকের প্রতারণা সকলের সামনে চলে আসে।

    প্রতারিতরা কী বললেন?

    প্রতারিতদের বক্তব্য, বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করার পর চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাই ব্যবসায়ীর কাছে। কিন্তু, কোনও টাকা ফেরত পাইনি। শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হত, কিন্তু বাস্তবে টাকা ফেরত দেননি।  আমাদের মতো এরকম বহু বেকার ছেলেমেয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারিত হয়েছে। এরপরেই এদিন আমরা প্রতারিত বাড়িতে যাই। বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাই। তাঁর স্ত্রী জানান, বেশ কিছুদিন ধরে স্বামীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। তাঁর সম্পর্কে তিনি জানেন না বলে আমাদের জানিয়েছেন। আমরা অভিযুক্ত ব্যবসায়ী বিরুদ্ধে খড়দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, কী আর্জি তৃণমূল নেতার?

    Abhishek Banerjee: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, কী আর্জি তৃণমূল নেতার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেকের কাছে তিনি সাক্ষাৎ ভগবান। কারও কারও কাছে তিনি ভগবানের দূত। তবে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আবার কারও কাছে গলার কাঁটাও। এই যেমন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অভিষেক অবশ্য মুখে কিছু বলেননি।

    অভিষেকের আর্জি

    তবে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের এই দাপুটে বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। আর্জি জানিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ থেকে মামলা সরানোরও। দেশের শীর্ষ আদালতে করা আবেদনে তৃণমূল সুপ্রিমোর ভাইপো জানিয়েছেন, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আদালতের বাইরে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ করা হোক। এ সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়া হোক কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আদালতের বাইরে বারংবার যে এক পক্ষের বয়ান তুলে ধরছেন, তা থেকে তাঁকে বিরত থাকার নির্দেশও দেওয়া হোক। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠনের নির্দেশও দেওয়া হোক। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা শুনবে (Abhishek Banerjee) সেই বেঞ্চ। বিচারপতি সিনহার এজলাসে যে মামলাগুলি রয়েছে, সেগুলি যাতে ওই বেঞ্চে যায়, তার ব্যবস্থাও করা হোক।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্ন

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই অভিষেকের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি প্রশ্ন করেন, একজন নেতা হিসেবে অভিষেকের সম্পত্তির উৎস কী? তিনি কি তাঁর সম্পত্তির হিসেব সমাজমাধ্যমে পোস্ট করবেন? তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা দেখতে চাই, কার কত সম্পত্তি আছে। কে কত সম্পত্তি করেছেন। কার সম্পত্তির উৎস কী? বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “অভিষেক যদি সমাজমাধ্যমে ওই পোস্ট করেন, তবে তাঁর সমসাময়িক নেতা, ধরুন, মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বা অন্য নেতাদের কাছেও একই আবেদন রাখব। তাঁরাও সম্পত্তির হলফনামা তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় দিন, আমরা দেখতে চাই।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে ধরতে জাল পাতছে ইডি, হাত মেলাল এনআইএ, আয়কর, বিএসএফ-ও

    সন্দেশখালিকাণ্ডে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমার বিভিন্ন পদক্ষেপে ওদের অসুবিধা হচ্ছে। ওদের বিভিন্ন চোরেরা জেলে রয়েছেন। আরও কিছু জেলে যাবেন। সেই জন্যই আমার ওপর এত রাগ।” প্রসঙ্গত, ইডি এবং সিবিআই চাইলে শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন বলে গত বছরই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    তাই কি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পায়ে বেড়ি পরাতে চাইছেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Recruitment Case: প্রাথমিক নিয়োগ মামলা থেকে অ্যাডভোকেট জেনারেলকেই সরিয়ে দিলেন বিচারপতি

    Primary Recruitment Case: প্রাথমিক নিয়োগ মামলা থেকে অ্যাডভোকেট জেনারেলকেই সরিয়ে দিলেন বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা থেকে এবার এজি-কে সরিয়ে দিলেন বিচারপতি  অমৃতা সিনহা। এই মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করতে পারবেন না মুখ্য আইনি উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। বুধবার এই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এজি হিসাবে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের হয়ে কীভাবে আইনজীবী হিসাবে রয়েছেন কিশোর দত্ত? এই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি।

    অ্যাডভোকেট জেনারেলকে প্রশ্ন

    তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি যে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল এই দুর্নীতির মামলায় কোনও এক অভিযুক্তের আইনজীবী হিসেবে মামলা লড়ছেন। যদি এটা হয় তাহলে সরাসরি একটা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট) তৈরি হচ্ছে। এই জন্য আমি রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে ডেকে পাঠিয়েছি।’ রাজ্যের লিগল অ্যাডভাইসার কিশোর দত্ত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত  সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রেরও আইনজীবী। কিছুদিন আগেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকু তথা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা হয়েছে। এই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এদিনের শুনানির সময়ে বিচারপতি এজি-র উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “আপনি এই মামলায় একজনের হয়ে সওয়াল করছেন। তার সঙ্গে রাজ্যের স্বার্থের সংঘাত হলে সমস্যা হবে। তাহলে সরকারের হয়ে এই মামলায় থাকতে পারেন না।” এরপরই বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “আপনি বাই ডিফল্ট বেরিয়ে যান।”

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের মহুয়ার বিরুদ্ধে তৈরি রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল সিবিআই, কেন জানেন?

    বিরক্ত বিচারপতি সিনহা

    এদিন শুনানির সময় প্রাথমিকে নিয়েগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। রাজ্যের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন, “চাকরি প্রার্থীদের এক একটা দিন নষ্ট হচ্ছে। রাজ্যকে বলতেই হবে কী চায় তারা। তাদের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে। কবে নিয়োগ দেওয়া হবে? আর কত অপেক্ষা। এই অপেক্ষা শেষ হওয়ার নয়। উভয় মিটিং করে এব্যাপারে সমাধানে আসা যায় কি না দেখুন।” এই মামলার পরের শুনানি ৬ ফ্রেবরুয়ারি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ECI: লক্ষ্য রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই রোজকার রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

    ECI: লক্ষ্য রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই রোজকার রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। সিইও অফিস নয়, নিজেদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই তারা জোগাড় করে ফেলেছিল ভিডিওগ্রাফি সমেত সন্দেশখালির পুঙ্খানুপুঙ্খ সব তথ্য। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ইতিহাসে এই প্রথমবার তারা যে নির্দেশিকা জারি করল, তাতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা কোন পর্যায়ে গিয়েছে, তার পরিষ্কার একটা ছবি ধরা পড়ছে।। কারণ নির্বাচন কমিশনের ইতিহাসে এই প্রথমবার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার এত আগে থেকে মিডিয়া মনিটরিং শুরু করে দিল তারা। বৈদ্যুতিন মাধ্যম, খবরের কাগজ এবং ডিজিটাল মিডিয়ায় রাজ্যে প্রতিদিন কী খবর হচ্ছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার সবিস্তার রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    রিপোর্ট পাঠানো শুরু

    কলকাতা উত্তর এবং দক্ষিণ সহ রাজ্যের মোট ২৪ টি জেলার রিপোর্ট পাঠানো শুরু হল বুধবার থেকেই। কেবলমাত্র তাই নয়, জাতীয় নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট করে দিয়েছে মোট সাতটি পয়েন্ট। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ফেক নিউজ সহ অন্যান্য সবকিছুই। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব কখন, কোথায় কে কী বলছে, সেটাও বিস্তারিতভাবে পাঠাতে হবে নির্বাচন কমিশনে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এর আগে এতদিন এইসব রিপোর্ট পাঠাতে হত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে। কিন্তু এই প্রথমবার এত আগে থেকেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং সম্পূর্ণ রিপোর্ট হাতে নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    ফেব্রুয়ারি মাসে কমিশনের ফুল বেঞ্চ

    নির্বাচনী বিধির লাগু হওয়ার পর এতদিন ধরে বা এত বছর ধরে যে রিপোর্ট পাঠাত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, বুধবার থেকে সেই রিপোর্ট পাঠাতে হবে প্রতিদিন। এই রিপোর্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে থাকছে না কোন ছুটি। এমনকী জাতীয় ছুটির দিনেও এই রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ ইতিমধ্যেই অন্ধ্রপ্রদেশে রয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব মঙ্গলবারই দিল্লি গিয়েছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করতে। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ অথবা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ (ECI)। যদিও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে ইতিমধ্যেই সব জেলা থেকে রিপোর্ট নেওয়া শুরু করেছে প্রতি সপ্তাহেই। কোন কোন এলাকায় উত্তেজনাপ্রবণ বুথ রয়েছে, পাশাপাশি তার জন্য এখন থেকেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা সেক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, সেই সব কিছুই।

    জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ

    অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবার বিশেষভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে, জামিন অযোগ্য ধারায় যারা এখনও পর্যন্ত এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদের নিজেদের আওতায় রাখতে। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পর আর কোনও ভাবেই যেন তারা বাইরে থাকতে না পারে, সে বিষয়ে কমিশন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সহ প্রত্যেক জেলার জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যে এখনও পর্যন্ত আশি হাজারের বেশি বুথ রয়েছে, যার মধ্যে ৪৭ শতাংশ শ্যাডো জোনের মধ্যে রয়েছে। যেখানে এখনও পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) সূত্রে খবর, যে কোনও মূল্যে ১০০ শতাংশ বুথেই এবার ব্রেক কাস্টিং করা হতে পারে। সম্প্রতি রাজ্যে ঘটে যাওয়া পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে, তারপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন আর কোনও ভাবেই ন্যূনতম খামতি রাখতে চাইছে না। ফলে কমিশনের এইসব পদক্ষেপ এখন থেকেই বুঝিয়ে দিচ্ছে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচন এই রাজ্যে এবার কোন রূপ নিতে চলেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘ইডি অফিসারদের ওপর হামলাকারীদের বঙ্গরত্ন দেওয়া হবে’, তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘ইডি অফিসারদের ওপর হামলাকারীদের বঙ্গরত্ন দেওয়া হবে’, তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি অফিসারদের ওপর হামলার অর্থ ভারতের সংবিধানের ওপর হামলা। বিজেপি ছেড়ে কথা বলবে না। ইডি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, রাজ্য সরকারের ভুয়ো কোনও সংস্থা নয়। বুধবার গঙ্গাসাগরে গিয়ে একথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি গঙ্গাসাগরের মেলার খরচ নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন তিনি।

    মেলার ২০০ কোটি কোথায় যায়, প্রশ্ন সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেলা উদ্বোধনে এসে বলেছিলেন, গঙ্গাসাগর মেলায় কেন্দ্রীয় কোনও সাহায্য মেলে না। সেই প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বুধবার বলেন, মেলার সাহায্য পেতে গেলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাতে হবে। উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে ডাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ছবি লাগাতে হবে। এখানে মেলা দেখে মনে হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ নেই। তিনি প্রশ্ন তোলেন, হেলিকপ্টার সার্ভিসটা কোথায়? ১৯ কোটি টাকা কোথায় যায়, সেটার কোনও খোঁজ পাওয়া যায় না। আর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গঙ্গাসাগর মেলা করতে ২০০ কোটি টাকা খরচ হয়. সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত এদিন বলেন, ২০০ কোটি টাকা কোথায় যায়, সেটা খোঁজ নিয়েছেন? মুখ্যমন্ত্রীর ছবির পিছনে সব টাকা কি খরচ হয়ে যায়?

    ইডি-র ওপর হামলা নিয়ে সরব সুকান্ত

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, আগামীকাল ইডি-র ওপর হামলার প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করার কর্মসূচি রয়েছে রাজ্য বিজেপির। ইডি ভারতীয় সংবিধানের দ্বারা পরিচালিত হয়। লোকসভায় ও রাজ্যসভায় আইন প্রণয়ন করে নিয়োগ করা হয়েছে। ইডি অফিসারদের ওপর হামলা মানে ভারতবর্ষের সংবিধানের উপর হামলা। এই হামলা ভারতবর্ষের সর্বভৌমত্বের উপর হামলা। বিচ্ছিন্নবাদী মানসিকতা, পশ্চিমবঙ্গকে ভারতবর্ষ থেকে আলাদা করার মানসিকতা। এই বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে বিজেপি লড়ছে। যারা ইডি অফিসারদের ওপর হামলা করেছে, তাদেরকে তো গ্রেফতার করতে পারবে না, বরং তাদেরকে ‘বঙ্গরত্ন পুরস্কার’ দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর হার্মাদরা তো ভোটে জেতায়। মুখ্যমন্ত্রী কি জনতার ভোটে জেতে! তৃণমূল সরকার যে কাজ করছে সেটি ভারতবর্ষের সংবিধানের ওপর আক্রমণ, ভারতবর্ষের সর্বভৌমত্বের ওপর আক্রমণ। ইডি উপর যেভাবে আক্রমণ হয়েছে, যেভাবে আইন ভাঙা হয়েছে আমরা ছেড়ে কথা বলবো না। সময় আসছে বিজেপি সরকার তৈরি হবে। যে বাড়ির তালা ভাঙা যায়নি, সেই বাড়িতে বুলডোজার চলবে।

    গঙ্গাসাগরে সুকান্ত

    দলীয় একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে বুধবার গঙ্গাসাগরে পৌঁছান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানে গঙ্গাস্নান করেন তিনি। গঙ্গাস্নানের পর তিনি কপিলমুনির মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। এরপর গঙ্গাসাগর মেলা চত্বর ঘুরে দেখেন তিনি। শুধুমাত্র এ রাজ্যই নয়, ভিন রাজ্য থেকেও এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় জমিয়েছেন গঙ্গাসাগরে। গঙ্গাসাগরে বিজেপি শিবিরের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সেবামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share