Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Malda: মালদায় বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Malda: মালদায় বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আবারও উত্তপ্ত মালদার মানিকচক। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে একই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থীর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) মানিকচক ব্লকের এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহনা-১ নম্বর কলোনি এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    জানা যায় মানিকচক ব্লকের এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩৮ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন সামিনা খাতুন। বিজেপি প্রার্থীর স্বামী রেজাউল হকের অভিযোগ, মনোনয়নপত্র জমা করার পর থেকেই তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হত। শুক্রবার রাতে আমাকে ফোন করে একই বুথের তৃণমূল প্রার্থী সালমা সুলতানের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা এমডি আনোয়ার আলি ডেকে পাঠায়। এরপর এমডি আনোয়ার আলি সহ ছয়-সাতজন মিলে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কোনওমতে সেখান থেকে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা হয় আমার। রাতেই বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে উদ্ধার করে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মালদা (Malda) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে মালদা (Malda) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি শুভময় বসু বলেন, পঞ্চায়েতে সব আসনে বিজেপি প্রার্থী দিতে পারেনি। জেলায় বিজেপির কোনও সংগঠন নেই। তাই, এই সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ তুলে মানিকচকে বাজার গরম করতে চাইছে বিজেপি। আসলে বিরোধীদের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। তাই তারা ভয় পাচ্ছে। মালদা জেলায় সব থেকে শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়ন পর্ব মিটেছে। তাই এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই ধরনের কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি। নিজেরা হেরে যাওয়ার ভয়ে এই ধরনের মিথ্যা নাটক করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari:  “জেল খাটা আসামিরা পাটনায় জড়ো হয়েছিল”, বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “জেল খাটা আসামিরা পাটনায় জড়ো হয়েছিল”, বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের সিন্ডিকেটের ফ্যামিলি গেট টুগেদার।” বিহারের (Bihar) পাটনায় বিজেপি বিরোধী দলগুলির বৈঠককে এই ভাষায়ই কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “বছরের পর বছর জেল খাটা আসামিরা পাটনায় জড়ো হয়েছিল। এরা সবাই মিলে আগামিদিনে তিহাড় জেলে যাবে।”

    লক্ষ্য দুর্নীতিকে বাঁচিয়ে রাখা!

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বৈঠকের মূল আলোচ্যসূচি ছিল বাংলা সহ গোটা দেশে দুর্নীতিকে বাঁচিয়ে রাখা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোদিজিকে সরানোর চেষ্টা এই প্রথম নয়, ২০১৯ সালেও কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার স্লোগান দিয়েছিলেন। তার ফল কী হয়েছিল, সবাই দেখেছে। পাটনার বৈঠকে তৃণমূল সহ যে সব রাজনৈতিক দল ছিল, তারা নিজেদের দুর্নীতিকে টিকিয়ে রাখতেই একে অপরকে ভোট দেওয়ার আবেদন করছেন। এসব করে কোনও লাভ হবে না। দেশকে বাঁচাতে গেলে নরেন্দ্র মোদিজিকেই ভোট দিতে হবে।”

    শুভেন্দুর নিশানায় অভিষেকও

    তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পাটনায় গিয়েছেন তাঁরই ভাইপো তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নাম না করে তাঁকেও নিশানা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বলেন, “ছবিতে দেখা গেছে গরু পাচারকারীরা পাটনায় গিয়ে লালু প্রসাদের পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিয়েছেন। বলেছেন, লালুজি, গরু পাচার তো শেষ! এবার গো-খাদ্য চুরি করতে চাই। কীভাবে তা করব, তার ট্রেনিং দিন।”

    এদিন ট্যুইটও করেন শুভেন্দু। তৃণমূল শব্দের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ট্যুইটে শুভেন্দুর কটাক্ষ, “টিএমসি মানে হল তৃণমূল মার্কবাদী কংগ্রেস। এই তিনের যোগফল তৃণমূল কংগ্রেস বা টিএমসি।” বিজেপি বিরোধীদের একাসনে বসিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস আর সিপিএম হল তৃণমূলের বি-টিম। আর নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের বি-টিম হল তৃণমূল+সিপিএম। কেরলের চিত্রটা আবার কংগ্রেস বনাম সিপিএম। গোটা বিষয়টাই দ্বিধাগ্রস্ত ব্যাপার। তাহলে কি এই দলগুলি পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের বিরুদ্ধে বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলে?”

    ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, “বোকা কংগ্রেস এবং সিপিএম কর্মীরা তাঁদের রক্ত দিচ্ছেন দলের জন্য, মাঠে ঘাম ঝরাচ্ছেন, যেখানে এই দলগুলির শীর্ষ নেতারা পাটনায় সেটিং করছেন। এ থেকেই প্রমাণ হয় বিজেপি-ই একমাত্র পার্টি পশ্চিমবঙ্গে যারা তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে।” ওই বৈঠককে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তিনি বলেন, “এটা এক ধরনের স্বীকারোক্তি যে কংগ্রেসের মতো একটি শতাব্দী প্রাচীন দল তারা একা আর নরেন্দ্র মোদির মোকাবিলা করতে পারছে না।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন হলিউড খ্যাত গায়িকা, চাইলেন আশীর্বাদও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Scam: এবার প্রেসিডেন্সি জেলের চিকিৎসককে তলব করল সিবিআই! কোন মামলায়?

    Recruitment Scam: এবার প্রেসিডেন্সি জেলের চিকিৎসককে তলব করল সিবিআই! কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি কাণ্ডে এবার প্রেসিডেন্সি জেলের চিকিৎসককে তলব করল সিবিআই। আগামী সোমবার কলকাতার নিজাম প্যালেসে সংস্থার দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন কুন্তল?

    নিয়োগ কাণ্ডে (Recruitment Scam) বর্তমানে প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, জেল হাসপাতালে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন কুন্তল। তাঁর চিকিৎসা এবং হাসপাতালে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে জেল চিকিৎসকের কাছে জানতে চাওয়া হতে পারে। এর আগে, এই বিষয়ে প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার জেল চিকিৎসককে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে সিবিআই।

    জেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ

    ইতিমধ্যেই, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্সি জেলের ভিতরে কুন্তল ঘোষের গতিবিধি জানতে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে সিবিআই। সেই কথা শুক্রবারই হাইকোর্টের শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হার এজলাসে সিবিআই জানিয়েছে। এবার সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইকে। সেই আবহে, জেল চিকিৎসককে তলব করার বিষয়টি বাড়তি মাত্রা পেয়েছে। 

    কুন্তলের ‘বিতর্কিত’ চিঠি

    এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, গত ২৯ মার্চ ধর্মতলায় শহিদ মিনারের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, হেফাজতে থাকার সময় মদন মিত্র, কুণাল ঘোষকে তাঁর নাম নিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঠিক এর পরই, নিয়োগকাণ্ডে (Recruitment Scam) ধৃত বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ নিম্ন আদালতের বিচারক এবং হেস্টিংস থানাকে সরাসরি চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁকে চাপ দিচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলতে।

    চিঠিকাণ্ডে জেরা অভিষেককে

    এই চিঠি লেখার ঘটনাটি উত্থাপন করে মামলার শুনানির সময় (Recruitment Scam) হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিবিআই। তার প্রেক্ষিতে, সিবিআইকে পৃথক এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি, তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলেও জানান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এই নির্দেশ বহাল রাখেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হাও। যার প্রেক্ষিতে গত ২০ মে, অভিষেককে নিজাম প্যালেসে ডেকে সাড়ে ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ভোটের আগে আদর্শ বিধি ভেঙে সরকারের ভাতা প্রদান? বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ভোটের আগে আদর্শ বিধি ভেঙে সরকারের ভাতা প্রদান? বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার ঠিক আগেই রাজ্যের হোম গার্ড, সিভিক ভলান্টিয়ার, চুক্তিভিত্তিক উপকূল রক্ষীবাহিনীর সন্তানদের জন্য ভাতা প্রদান করছে রাজ্য সরকার। যা নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করছে, বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের এই অভিযোগের ভিত্তিতে বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ তুলে ধরেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    শুভেন্দুর ট্যুইট বার্তা

    এক দীর্ঘ ট্যুইটে এই নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘এতদিন ধরে হোমগার্ড, সিভিক ভলান্টিয়ার, চুক্তি ভিত্তিক উপকীলরক্ষী, ভিলেজ পুলিশ, এনভিএফ-দের উপেক্ষা করে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং রাজ্য সরকার। এখন তাদের হাতে অল্প কিছু তুলে দিয়ে তাদের আনুগত্য কিনতে চাইছে সরকার।’ শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, সরকার এই নয়া স্কলারশিপের ঘোষণা করে আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছে। শুভেন্দু প্রশ্ন তোলেন, যদি রাজ্য সরকারের এই স্কালরশিপ দেওয়ার নেপথ্যে সদিচ্ছা থাকত, তাহলে আদর্শ আচরণ বিধি কার্যকর হওয়ার আগেই কেন এটা ঘোষণা করা হল না? এদিকে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার এই প্রেক্ষিতে চোখ বন্ধই রাখবেন।

    শুভেন্দু অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি নিজের সীমাহীন আনুগত্য দেখাতেই এই বিষয়টি থেকে চোখ ঘুরিয়ে নেবেন নির্বাচন কমিশনার। শুভেন্দু বলেন, “মাননীয়ার গৃহপালিত, অনুপ্রাণিত নির্বাচন কমিশনার নিজের চোখে আনুগত্যের চশমা লাগিয়ে রেখেছেন, যার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি উল্লঙ্ঘন দৃশ্যমান হয় না।” 

    আরও পড়ুন: গরু পাচার রুখে ৭ টি গরু উদ্ধার করলেন অগ্নিমিত্রা, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

    শুভেন্দুর কথায়, “রাজ্য পুলিশ কর্মীদের ন্যায্য পাওনা থেকে ৩৬ শতাংশ কম ডিএ দিচ্ছেন। স্থায়ী কর্মচারীদের নিয়োগ বন্ধ রেখে সেই জায়গায় অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করে সম কাজ করিয়ে অসম বেতন দিয়ে পুলিশ বিভাগে কর্মরত কর্মচারীদের মধ্যে একটা বৈষম্য সৃষ্টি করেছেন।  কম বেতনে যাতে এক কাজ করানো যায়, তার জন্যই এই কাজ করেছেন আপনি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll 2023: জেলশাসকদের বিশেষ নির্দেশ! রাজ্যে টহলদারি শুরু কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    Panchayat Poll 2023: জেলশাসকদের বিশেষ নির্দেশ! রাজ্যে টহলদারি শুরু কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে আর মাত্র কয়েক দিন। আগামী ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Poll 2023)। তার আগে, শুক্রবার থেকেই একাধিক জেলায় টহলদারি শুরু করে দিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাতেই জেলাশাসকদের বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। নতুন করে যাতে কোনও বিতর্ক তৈরি না হয়, সে ব্যাপারে দৃষ্টি রয়েছে কমিশনের। অন্য দিকে, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, গণনার পর আরও ১৫ দিন থাকুক কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই দাবি তিনি জানিয়ে এসেছেন নির্বাচন কমিশনকে। 

    জেলাশাসকদের নির্দেশ কমিশনের

    কমিশন সূত্রে খবর, জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিক জায়গায় মোতায়েন করতে হবে। ব্যবহার করতে হবে সঠিক সময়। যাতে চোখে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে আপনাদের। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জেলায় জেলায় বিশেষ নির্দেশ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের। শনিবার থেকেই জেলাশাসকদের কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ।শুক্রবার সকাল থেকেই একাধিক জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছতে শুরু করে। জেলায় জেলায় শুরু হয় রুট মার্চও। সূত্রের খবর, শনিবার রাজ্যের সব জেলাতেই এরিয়া ডমিনেশনের কাজ শুরু করে দেবে বাহিনী।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ শুরু

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Poll 2023) আর মাত্র সপ্তাহ দুই বাকি। তার মধ্যে রাজ্য পুলিশের সহায়তায় এলাকা চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে প্রতিটি জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের কেন্দ্রীয় বাহিনী সঠিকভাবে মোতায়েন করার বিষয়ে নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।  শুক্রবার পর্যন্ত ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে অমিত শাহের মন্ত্রক।  প্রথম ধাপে যে সব জেলায় ২২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে, সেগুলি হল— আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, বীরভূম, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, হুগলি, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর। শুক্রবার রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, জলপাইগুড়ি, আরামবাগ, বাঁকুড়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ‘এরিয়া ডমিনেশন’ করতে নেমে পড়েছে। ঝাড়গ্রামে আগে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। তারা ঝাড়গ্রামের পঞ্চায়েত এলাকায় টহলদারি শুরু করে দিয়েছে। 

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনে শুভেন্দু

    শুক্রবার পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে শুভেন্দু দাবি করেন, গত বিধানসভা ভোট (Panchayat Poll 2023) মিটে যাওয়ার পর অভূতপূর্ব হিংসার সাক্ষী হয়েছিল বাংলা। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে পঞ্চায়েত ভোট মিটলেই যেন বাহিনী প্রত্যাহার করা না হয়। শুভেন্দু বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত নির্বাচনের গণনার পর বিধানসভা ভোট পরবর্তী ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে ১৫ দিন রাজ্যে সশস্ত্র বাহিনী রাখতে হবে।’’

  • Asansol: গরু পাচার রুখে ৭ টি গরু উদ্ধার করলেন অগ্নিমিত্রা, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

    Asansol: গরু পাচার রুখে ৭ টি গরু উদ্ধার করলেন অগ্নিমিত্রা, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধভাবে ট্রাকে লোড করে ৭টি গরু পাচার করা হচ্ছে, এই অভিযোগে একটি গরু বোঝাই গাড়ি আটকে দিল আসানসোল (Asansol) দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল। গাড়ি আটক করায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়।

    কীভাবে উদ্ধার হল?

    শুক্রবার বিকালে আসানসোলের (Asansol) ভগৎ সিং মোড়ে গরু সমেত একটি গাড়িটিকে আটকে দেন বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল। গাড়িতে উপযুক্ত কাগজপত্র ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিকরা। গাড়িটি পুরুলিয়ার দিক থেকে আসানসোলে আসছিল বলে জানিয়েছেন গাড়ির চালক। আসানসোল  দক্ষিণ থানার পুলিশ গাড়িটি আটক করে নিয়ে যায়। ভগৎ সিং মোড় এলাকায় গরু বোঝাই গাড়ি আটকে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে জমায়েত হয় অনেক পথ চলতি মানুষও।

    কী বললেন বিধায়কিয়া (Asansol)?

    বিজেপি বিধায়িকা (Asansol) অগ্নিমিত্রা পল বিষয় সম্পর্কে বলেন, আমি খবর পেয়েছি এই রাস্তা দিয়ে অবৈধ ভাবে গরু পাচার চলছে! তারপর রাস্তায় এসে গরু সমেত একটি গাড়ি উদ্ধার করি। গাড়ির চালকের কাছে শীলমোহর সমেত কোনও বৈধ কাগজ ছিল না। একটা কাগজে ২টি গরুর কথা বললেও গাড়িতে মোট সাতটি গরু দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বেজেপি নেত্রী। কাশীপুর থেকে অবৈধ ভাবে এই গরু আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। বিধায়িকা আরও দাবি করেন, এই রাস্তায় প্রত্যেকদিন ৪০০ থেকে ৫০০ ট্রাকে করে গরু পাচার হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি একা কত গরু আটকাবো! সরকার এই গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। প্রত্যেক থানায় পুলিশদের কাটমানি দিয়ে অবৈধ ভাবে গরু পাচার করা হচ্ছে। পুলিশের কাছে সব খবর আছে। এমন নয় যে পুলিশের চোখের আড়ালে সব ঘটছে। এরপর আরও বলেন, বলা হয় যে অসুস্থ বা বিকলাঙ্গ গরুদের কাটা যেতে পারে, কিন্তু এই ট্রাকে থাকা সবকটা গরু অপূর্ণ বয়সের গরু! উল্লেখ্য গাড়িতে কোনও নম্বর প্লেট নেই বলে জানান তিনি। পুলিশের সম্পর্কে আরও বলেন তিনি, পুলিশ শুধু বিজেপির কর্মীদের আটকাতে বেশী তৎপর। অবৈধ চোরাচালান আটকাতে ব্যর্থ পুলিশ। সরকার এই গরু পাচারের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে গরু পাচার আটকানো সম্ভব নয়। 

    প্রশাসনের ঘুম কবে ভাঙে, সেটাই এখন দেখার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: পঞ্চায়েতকে ঘিরে কংগ্রেস-তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রানিনগর

    Murshidabad: পঞ্চায়েতকে ঘিরে কংগ্রেস-তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রানিনগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের রানিনগর থানার চাকরানপাড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা। কংগ্রেস ও তৃণমূল উভয় পক্ষই উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে বোমা ছুড়ে হামলার অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে অগ্নিগর্ভ এলাকা।

    কী ঘটেছে

    পঞ্চায়েত সমিতির কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবির বাড়িতে বোমা হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবির আত্মীয়দের বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাকরানপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎই একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে ইট, পাটকেল ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তার পাশাপাশি বাড়ি-ঘর ভাংচুর, লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। হামলার সময় আতঙ্কিত হয়ে কংগ্রেস প্রার্থী তাঁর স্বামীকে নিয়ে ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। অপর দিকে তৃণমূলের এক নেতার বাড়িতে কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে।

    কংগ্রেস প্রার্থীর এবং তৃণমূলের বক্তব্য (Murshidabad) 

    বিরোধী দল করার জন্য শাসক দল দুষ্কৃতীদের দিয়ে এমন হামলা করছে বলে দাবি করেন কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবি। এলাকায় যাতে ভোটের প্রচার না করা হয়, তাই বাড়িতে বোমা মারা হয় বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেস প্রার্থী। আবার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী মহিউদ্দিন সেখের বাড়িতে (Murshidabad) দলীয় সভা চলছিল, সেই সময় কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা ছুড়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ শাসক দলের। তৃণমূল কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করেও বেশ কয়েকটি বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল থেকে যাদের বোমা মেরে পালাতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে আছে আনারুল, ছাত্তার, ইব্রাহিম, মইদুল আরও অনেকে। তৃণমূলের অভিযোগ, এই ব্যাক্তিরা প্রথমে তৃণমূল করত কিন্তু বর্তমানে কংগ্রেস এবং সিপিএম করে। এদের প্রত্যেকের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।  

    প্রশাসনের ভূমিকা

    সংঘর্ষের ঘটনার পর এলাকায় পৌঁছায় রানিনগর (Murshidabad) থানার পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রশাসন জানিয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ভয় দেখাতে এমন সন্ত্রাস বলে দাবি কংগ্রেস নেতৃত্বের। এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেছেন এলাকার মানুষ ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: একদিনে দুটি মামলায় হাইকোর্টে জোড়া স্বস্তি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের

    Panchayat Election 2023: একদিনে দুটি মামলায় হাইকোর্টে জোড়া স্বস্তি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিপদে ধাক্কা খেতে থাকার মাঝে একদিনে দুটি মামলায় জোড়া স্বস্তি পেল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) নিয়ে একাধিক মামলায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন ধাক্কা খেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। রেহাই মেলেনি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েও। তবে এবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষে গেল দুটি মামলার রায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সমানে রেখে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি নোটিশ দিয়েছিল। সেটা আজ, শুক্রবার খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। অন্যদিকে,মনোনয়নে নথি বিকৃতি কাণ্ডেও এখনই কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই, শুক্রবার একথা জানাল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। 

    মানবাধিকার কমিশনের নোটিস খারিজ 

    পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নোটিস খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন পর্বে গোলমালের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করেছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। মানবাধিকার কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে কমিশনের ডিজি (তদন্ত) রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করবেন বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। এর পাল্টা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই মামলায় শুক্রবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওই নোটিস খারিজ করে দিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য। স্পর্শকাতর এলাকা মানবাধিকার কমিশনের ডিজি চিহ্নিত করতে পারবেন না বলেও নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। 

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    নথি বিকৃতি-কাণ্ডে এখনই সিবিআই নয়

    পঞ্চায়েতে (Panchayat Election 2023) নথি বিকৃতি-কাণ্ডে আপাতত কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এমনই জানাল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী সোমবার দুপুর ২টোয় এই মামলার রায় ঘোষণা করবে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)-এর বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র বিকৃত করার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দুই প্রার্থী। সেই মামলায় বুধবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। বিচারপতি তাঁর নির্দেশে জানান, আগামী ৭ জুলাই তদন্তের রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে সিবিআইকে। সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একই পরিবারের দুই গৃহবধূ, লড়াইয়ের ময়দানে দুই জা

    Purba Medinipur: প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একই পরিবারের দুই গৃহবধূ, লড়াইয়ের ময়দানে দুই জা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুসম্পর্ক বজায় রেখে ভোটের ময়দানে এবার দুই জা। শুরু করেছেন তাঁরা নির্বাচনী প্রচার। এমনই ছবি ধরা পড়লো মহিষাদল (Purba Medinipur) ব্লকের সতীশ সামন্ত অঞ্চলের ২০ নম্বর বুথে। নির্বাচন নিয়ে দুজনেই দুই দলের থেকে জয় বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। 

    দুই জা, পরস্পর বিরোধী দলের প্রার্থী (Purba Medinipur)

    গ্রাম পঞ্চায়েত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একই পরিবারের দু জা। একজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপির হয়ে, অন্যজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তৃণমূলের হয়ে। মহিষাদলের (Purba Medinipur) সতীশ সামন্ত অঞ্চলের ২০ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী দাস এবং তৃণমূল প্রার্থী পাপিয়া দাস। এঁরা দুজনে একই পরিবারেরে দুই ভাইয়ের স্ত্রী অর্থাৎ দুজনে সম্পর্কে জা। দুজনেই গৃহবধূ, দুজনেই এই প্রথমবার রাজনীতির ময়দানে। যদিও প্রত্যেকে এখন পৃথক ভাবে বসবাস করেন। তবে এই পরিবারের সবাইকার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারের দুই বউমা হলেন এবারে নির্বাচনে দুই বিরোধী প্রার্থী। ইতিমধ্যে দুই রাজনৈতিক দল তৃণমূল ও বিজেপি উভয়েই প্রচার শুরু করে দিয়েছে।

    বিজেপি প্রার্থীদের বক্তব্য

    দুই জা-এর মধ্যে বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী দাস বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের যে যোজনা গুলি রয়েছে, সেগুলিকে নিয়ে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে (Purba Medinipur) গিয়ে প্রচার করব। সাধারণ মানুষ তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এই তৃণমূলের আমলে, এই কথাও বলেন তিনি। মানুষকে বোঝাবো ভোট দিয়ে বিজেপির হাত শক্ত করলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প গুলিকে দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। শ্রাবন্তী দেবী আরও বলেন, আমরা এলাকায় নির্বাচন নিয়ে ভীষণ আশাবাদী।

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    অপর দিকে তৃণমূল প্রার্থী পাপিয়া দাস বলেন, পারিবারিক সম্পর্ক ঠিক রেখে আমরা রাজনৈতিক ময়দানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো। তিনি আরও বলেন, আমরা ধীরে ধীরে নির্বাচনে প্রচার শুরু করেছি। এই অঞ্চলে (Purba Medinipur) তৃণমূলের জয় বিষয়ে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত জানিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক বিরোধিতা কখনই পরিবারে প্রভাব পড়বে না বলে জানান পাপিয়া দাস ।  

    এখন দেখার বিষয় কোন জা জনগণের আর্শীবাদ পেয়ে ভোটে জিতে আসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: নদিয়া সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফকে লক্ষ্য করে বোমা, গুলিবিদ্ধ পাচারকারীরা

    BSF: নদিয়া সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফকে লক্ষ্য করে বোমা, গুলিবিদ্ধ পাচারকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে গরু পাচারের সময় বিএসএফের বাধা। পাচারকারীদের পক্ষ থেকে বিএসএফকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতিহত করতে পাল্টা গুলি চালায় বিএসএফ। গুলিবিদ্ধ হন একাধিক গরু পাচারকারী। শুক্রবার ভোর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ধানতলা থানার ইচ্ছামতী বর্ডার পোস্ট সীমান্ত এলাকায়। ঘটনার পর ঘটনাস্থল ঘুরে দেখলেন বিএসএফের (BSF) এর কৃষ্ণনগর রেঞ্জের ডিআইজি সঞ্জয় কুমার।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    এদিন ভোর রাতে ধানতলা থানার দত্তপুলিয়ায় কাঁটাতার না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইছামতী নদীর ব্রিজের নীচে দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ১০টি গরু পাচার করার চেষ্টা করছিল পাচারকারীরা। অভিযোগ, বিএসএফের ( BSF) জওয়ানরা গরু পাচারকারীদের আটকাতে গেলে পাচারকারীরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোমা ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। পরে বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে পাল্টা গুলি চালিয়ে প্রতিহত করে। তাতে বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী জখম হন। এরমধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশ পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যায় এক গরু পাচারকারী। তাকে ধানতলা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। আর এর পরই শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ডিআইজি কৃষ্ণনগর রেঞ্জ সঞ্জয় কুমার।

    ধৃত গরু পাচারকারীর কী বক্তব্য?

    ধৃত গরু পাচারকারী হাসান মণ্ডলের বক্তব্য, আজ ভোররাতে ৬টি গরু নিয়ে বাংলাদেশের ছজন এবং ভারতের চারজন বাংলাদেশ যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। ঠিক তখনই বিএসএফ (BSF) বাধা দেওয়াই আমাদের দলের বেশ কয়েকজন সেনা কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়তে শুরু করে।। এরপর সেনাবাহিনী তরফে গুলি করলে একটি গুলি আমার গায়ে লাগে। ইছামদী নদী পার করে গরুগুলি বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়ার আমার কাজ ছিল।

    কী বললেন বিএসএফের (BSF) ডিআইজি?

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে বিএসএফের (BSF) কৃষ্ণনগর রেঞ্জের ডিআইজি সঞ্জয় কুমার বলেন, সীমানগর এর ৬৮ নম্বর ব্যাটেলিয়ান এখানে কর্মরত ছিল। ইছামতী লাগোয়া এই সীমান্ত এলাকা। ভোর তিনটে নাগাদ পাচারকারীরা গরু নিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই বিষয়টি নজরে আসতেই তাদেরকে বাধা দেয় বিএসএফ। তারা বিএসএফের লক্ষ্য করে বোমা মারতে থাকে। পাল্টা গুলিতে বেশ কয়েকজন পাচারকারী পালিয়ে গেলেও একজনকে ধরা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share