Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • SIR in Bengal: প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা! আপনার নাম আছে কি না জানবেন কীভাবে?

    SIR in Bengal: প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা! আপনার নাম আছে কি না জানবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে ভোটার তালিকার (SIR in Bengal) বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষে আজ শনিবারই প্রকাশিত হতে চলেছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR Final List)। কমিশন সূত্রে খবর চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকতে পারে প্রায় ৭ কোটি ৮ লাখের। চূড়ান্ত তালিকাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বেড়েছে মানুষের মধ্যে। নাম তালিকায় থাকবে কি না, নাম না থাকলেই বা কী করবেন? রাজ্যবাসীর মনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন দুই পদ্ধতিতেই দেখতে পাবেন ভোটার তালিকা। অনলাইনে দুই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারবেন। দু’টি ওয়েবসাইট হল voters.eci.gov.in ও electoralsearch.eci.gov.in। এপিক নম্বর ও ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করে আপনার নাম দেখতে পারবেন।

    চূড়ান্ত তালিকায় কীভাবে দেখবেন নাম

    এসআইআর-এর পর প্রকাশিত তালিকায় নাম রয়েছে কি না দেখতে এপিক নম্বর দিয়ে electoralsearch.eci.gov.in-এ গিয়ে সার্চ করতে হবে। এপিক নম্বর না থাকলে ফোন নম্বর দিয়েও সার্চ করতে পারেন। মা-বাবার নাম দিয়েও সার্চ করতে পারবেন। এছাড়া voters.eci.gov.in-এ গিয়ে ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করতে হবে। নিজের পোলিং বুথে নাম খুঁজতে পারেন। চূড়ান্ত তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা অফলাইনেও জানতে পারবেন। তার জন্য কমিশন নির্ধারিত সরকারি অফিস, বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত ভবনে যেতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের মোবাইল অ্যাপ ইসিআইনেট (ECINET)-এ লগ ইন করে নির্দিষ্ট স্থানে নিজের নাম ও এপিক নম্বর দিলেই স্ক্রিনে ভেসে উঠবে ভোটার সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য।

    চূড়ান্ত তালিকায় নাম না থাকলে কী করবেন

    এসআইআর তালিকায় নাম না থাকলে ১৫দিনের মধ্যে ডিইও-র কাছে আবেদন করতে পারবেন। সমাধান না হলে সিইও-র কাছে যেতে হবে। সেখানেও যদি আবেদন গৃহীত না হয়, তাহলে ফর্ম ৬ ডাইনলোড করে নতুন করে ভোটার হিসেবে নাম তুলতে পারবেন। মনোনয়ন জমার শেষ দিনের ১০ দিন আগে ফর্ম ৬ জমা দিতে হবে। রাজ্যজুড়ে ধাপে ধাপে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। বাঁকুড়ায় (Bankura) প্রকাশিত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা (SIR Final List)। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, বাঁকুড়া থেকে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। বাঁকুড়া পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে, বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ে টাঙানো হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। বাঁকুড়ার পাশাপাশি, উত্তর কলকাতাতে (North Kolkata) ১৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলায় জেলায় প্রকাশ করা হচ্ছে ভোটার তালিকা।

    নির্বাচন কমিশনের দফতরে বাড়তি নিরাপত্তা

    সকাল থেকেই নির্বাচন কমিশনের দফতরে রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। কেন্দ্রীয় বাহিনীরও বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে রাজ্য জুড়ে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে আগাম কলকাতা পুলিশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। তালিকায় আপনার নাম রয়েছে কি না, দেখা যাবে নির্বাচন কমিশনের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট থেকে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলিকে পেন ড্রাইভে তালিকা দেওয়া হবে। এখনই বিএলও-দের কাছে তালিকা পাওয়া যাবে না। তবে বিডিও এবং এসডিও অফিসে তালিকা টাঙানো হবে। চূড়ান্ত তালিকা থাকবে জেলাশাসকের কার্যালয়েও। ইতিমধ্যে তালিকা ছাপানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। তালিকার হার্ড কপি পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার (BLO)-দের কাছে। নিজের বুথে গিয়ে বিএলও-র সঙ্গে যোগাযোগ করলেই সরাসরি তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না, তা দেখে নেওয়া যাবে। তালিকা প্রকাশের পর দ্রুত নিজের নাম মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

    কত লক্ষের নাম বাদ

    কমিশন সূত্রে খবর, তিনটি ভাগে তালিকা প্রকাশ করা হবে। অ্যাপ্রুভড বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার, অমীমাংসিত ভোটার ও বাতিল হওয়া ভোটার।এর মধ্যে অমীমাংসিত ভোটারদের নিয়েই বাড়ছে সংশয়, তৈরি হয়েছে জটিলতা। রাজ্যে মোট ৬০ লক্ষ ৬ হাজার অমীমাংসিত ভোটার রয়েছে। কমিশনের আশ্বাস আপাতত অমীমাংসিত ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন। তারপর দফায় দফায় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করবে কমিশন। কমিশন সূত্রে এখনও পর্যন্ত পাওয়া হিসেব অনুযায়ী, আপাতত চূড়ান্ত তালিকায় অতিরিক্ত ৯ লক্ষের নাম বাদ পড়তে চলেছে। অর্থাৎ খসড়া তালিকায় যে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ পড়েছিল, চূড়ান্ত তালিকায় তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরও ৯ লক্ষ। সবমিলিয়ে আপাতত ৬৮ লক্ষ নাম বাতিল। এছাড়া, ৬০ লক্ষ ভোটারের তথ্যে অসংগতি মেলায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সূচি বেরলে গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা হবে, আশঙ্কায় সুকান্ত

    ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হতে চলেছে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন শেষে শনিবারই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এরপরে ধীরে ধীরে প্রকাশিত হতে চলেছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। কিন্তু এবার এই তালিকা প্রকাশ নিয়েই বড় আশঙ্কা প্ৰকাশ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কত নাম বাদ পড়বে জানি না। সেটা নির্বাচন কমিশন বলবে। আমরা চাইব কোনও বৈধ নাগরিকের নাম যেন বাদ না যায়। সূচি বেরলে অনেকে গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা করবে। প্রশাসনকে ও নির্বাচন কমিশনকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় চলছে গত কয়েকমাস। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের হাইপ্রোফাইল বৈঠকে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি তাঁর গ্রেফতারি দাবি জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

     

     

     

     

     

     

  • SIR in Bengal: “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন”, রাজ্যকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    SIR in Bengal: “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন”, রাজ্যকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। তার আগে ফের সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ রাজ্য। এ যেন এসআইআর ঠেকানোর মরিয়া প্রয়াস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার রাজ্যের হয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। কলকাতা হাইকোর্টের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু হয়েছে তা তিনি টেনে নিয়ে গেলেন সুপ্রিম কোর্টে। এবার জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ নিয়ে কমিশনকে কাঠগড়ায় টানল রাজ্য। তবে রাজ্যের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দেয়নি শীর্ষ আদালত।

    রাজ্যের দাবি

    শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে রাজ্যের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য় যে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে কোনও ভাবেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই মর্মে কমিশন অবৈধ ভাবে নানা নির্দেশিকা জারি করছে বলেও অভিযোগ কপিল সিব্বলের। তবে এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। কমিশনের জারি করা নির্দেশিকাগুলি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-বিরোধী বলেও যুক্তি দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, “পিছন দরজা দিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতিকে এড়িয়ে কোন নথি গ্রহণ হবে, কোন নথি গ্রহণ হবে না সেই বিষয়েও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।”

    আদালতের জবাব

    রাজ্য়ের সওয়ালকারীর যুক্তি শোনার পরেই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন। এবার এর নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।” একই বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কমিশন ছাড়া আর কে প্রশিক্ষণ দেবে? আমরা স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে দিয়েছি কোন কোন ডকুমেন্টস গৃহীত হবে। আমাদের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। তা কোনও ভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।” পাশাপাশি জুডিশিয়াল অফিসার নিয়ে তাঁর আরও পর্যবেক্ষণ, “আমাদের বিচারকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করা রাজ্য সরকার এবং কমিশন দুই তরফের দায়িত্ব। এসআইআর প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে কার্যত ফাঁকা করে দিয়েছি।” তখনই আদালত জানিয়ে দেয়, এসআইআর-এর কাজে কোনও রকম বাধা সহ্য করা হবে না।

  • SIR in Bengal: প্রস্তুত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা, ৩ ক্যাটেগরিতে থাকবে সব ভোটারদের নাম

    SIR in Bengal: প্রস্তুত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা, ৩ ক্যাটেগরিতে থাকবে সব ভোটারদের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই,অর্থাৎ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি, প্রকাশিত হতে চলেছে এসএইআরের (SIR in Bengal) চূড়ান্ত তালিকা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই তালিকায় নাম থাকছে ৭ কোটি ৮ লক্ষের। প্রথমে ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ভোটার ছিল। সেখান থেকে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, চূড়ান্ত তালিকায় সকলের নাম থাকবে, তবে তিনটি বিভাগে— অ্যাপ্রুভড বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার, অমীমাংসিত ভোটার, বাদ পড়া ভোটার।

    কীভাবে প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা

    কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় (SIR Final List) ৭ কোটি ৮ লক্ষকে একাধিক ক্যাটাগরিতে ভাগ করা থাকবে। দেখা যাবে ‘ডিলিটেড’ বা বাদ পড়া ভোটার ক্যাটাগরি, থাকবে ‘নিস্পত্তি হয়নি’ অমীমাংসিত ভোটার ক্যাটেগরি। এছাড়াও থাকবে ‘অ্যাপ্রুভড’ ক্যাটেগরি বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, যাঁদের নাম থাকবে তাঁদের নামের পাশে ‘অ্যাপ্রুভড’ লেখা থাকবে। নাম বাদ গেলে থাকবে ‘ডিলিটেড’ লেখা। এছাড়া যাঁদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে তাঁদের নামের পাশে থাকবে ‘অ্যাডজুডিকেশন’। যাঁদের এখনও তথ্য বাছাইয়ের কাজ চলছে। শনিবার, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলেও এখনও ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র আওতায় অনেক নাম। নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও বাকি। এরাজ্যের বর্তমান এবং প্রাক্তন বিচারকরা ইতিমধ্যেই নথি যাচাইয়ের কাজ করছেন। কিন্তু এসআইআরের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবার ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে আনা হচ্ছে সিভিল জজদের।

    কতদিন পর্যন্ত তালিকায় সংশোধন

    কমিশন বলছে, যাদের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা যুক্তিগত অসঙ্গতি রয়েছে কিন্তু এখনও (২৮ তারিখের আগে পর্যন্ত) যাচাই হয়নি কিংবা পরবর্তীতে যাচাই হয়েছে তাও পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। এককথায়, যে সকল ভোটারদের এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, তাঁদেরও চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা দেবে কমিশন। কিন্তু অমীমাংসিত হিসেবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যেদিন ভোট ঘোষণা হবে, যত দফায় ভোট হবে ও দফা অনুযায়ী মনোনয়ন জমার শেষ দিন অবধি একটি করে সাপ্লিমেন্ট ভোটার তালিকা বের করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, ডিএম অফিস, বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত ভবনের মতো কমিশন নির্ধারিত বিভিন্ন সরকারি অফিসে এই তালিকা টাঙানো থাকবে। এছাড়াও রয়েছে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট, সেখান থেকেও তালিকা দেখতে পাওয়া যাবে।

  • BJP Parivartan Yatra: বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট, মানতে হবে কিছু শর্তও

    BJP Parivartan Yatra: বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট, মানতে হবে কিছু শর্তও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগত্যা সেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েই রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি আদায় করতে হল বিজেপিকে। গেরুয়া শিবিরের ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, সঙ্গে কয়েকটি শর্ত চাপিয়েছে হাইকোর্ট।

    রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। এই আবহে রাজ্যে পরিবর্তন যাত্রার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। সেই মতো, পুলিশের কাছে পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি চেয়ে বিজেপি ২২ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু তার কোনও জবাব পুলিশ দেয়নি। পুলিশের কাছ থেকে জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে মামলা করে গেরুয়া শিবির। ফলে বাধ্য হয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বঙ্গ বিজেপিকে। শুক্রবার সেই আদালত থেকেই মিলল অনুমতি। বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, সঙ্গে কয়েকটি শর্ত চাপিয়েছে হাইকোর্ট।

    কী বলল আদালত?

    শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে এই মামলার শুনানি ছিল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কর্মসূচি পালন করা গেলেও মানতে হবে একগুচ্ছ নিয়ম। বিশেষ করে জনসমাগম এবং সময়ের ওপর আদালত কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এদিন শুনানিতে বিজেপির তরফে কোন জেলায় কোন জায়গায় কবে এই যাত্রা বা মিছিল হবে, তার তালিকা দেওয়া হয় হাইকোর্টকে। আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত এই পরিবর্তন যাত্রা করা যাবে। তবে মিছিলে এক হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। একইসঙ্গে সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে আদালত। প্রতিদিন বেলা ২টো থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তই এই মিছিল করার অনুমতি মিলবে। পাশাপাশি, কর্মসূচিপথে যাতে কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে।

    বিজেপির কর্মসূচি ও অমিত শাহের সফরে রদবদল

    আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর বিজেপি (BJP) তাদের কর্মসূচিতে কিছুটা রদবদল ঘটিয়েছে। দোল উৎসবের কারণে ৩ ও ৪ মার্চ যাত্রা বন্ধ থাকবে। তাই ১ ও ২ মার্চেই অধিকাংশ বিভাগের উদ্বোধন সেরে ফেলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। আগামী ১ মার্চ কোচবিহার, কৃষ্ণনগর, কুলটি ও গড়বেতা থেকে যাত্রার সূচনা হবে। ২ মার্চ আরও কয়েকটি জায়গায় কর্মসূচি রয়েছে। সেগুলি হল ইসলামপুর, হাসন, সন্দেশখালি এবং আমতা। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ২ মার্চ রায়দিঘি থেকে যাত্রার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। ১ মার্চেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাতে বদল হয়েছে। শাহের সফর এক দিন পিছিয়ে গিয়েছে। বিজেপি জানাচ্ছে, শাহ ২ মার্চ রায়দিঘি থেকে পরিবর্তন যাত্রার উদ্বোধন করতে পারেন।

    লক্ষ্য ১৪ মার্চের ব্রিগেড, থাকবেন মোদি!

    বিজেপির পরিকল্পনা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মোট ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের মধ্যে ৯টিতেই এই পরিবর্তন যাত্রা হবে। একমাত্র কলকাতা মহানগর বিভাগে কোনও যাত্রা হবে না, কারণ এই বিভাগের ওপর দায়িত্ব রয়েছে ১৪ মার্চের মেগা ব্রিগেড সমাবেশ সফল করার। সেখানেই উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘যোগদান মেলা’র মতো বড় কোনও কর্মসূচি না থাকলেও, এই পরিবর্তন যাত্রার মাধ্যমেই জনমত নিজেদের দিকে টানতে চাইছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল।

    পাখির চোখ নির্বাচন

    বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যে পরিবর্তন হবে বলে আশাবাদী গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রাকে প্রচারের হাতিয়ার করতে সচেষ্ট হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই পরিবর্তন যাত্রায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন। আগামীদিনে এই যাত্রার হাত ধরেই রাজ্যে একাধিক কেন্দ্রীয় হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর আনাগোনা বাড়বে।

  • Earthquake in Kolkata: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও আশপাশের জেলা, উৎসস্থল বাংলাদেশ

    Earthquake in Kolkata: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও আশপাশের জেলা, উৎসস্থল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থরথরিয়ে কেঁপে উঠল খাট। দুলে উঠল সিলিংয়ের পাখা। টেবিল-চেয়ার থেকে শুরু করে এক নিমেষে কেঁপে উঠল গোটা বাড়ি। জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা থেকে জেলা।

    শুক্র দুপুরে কাঁপল কলকাতা

    শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিট এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। কম্পনটি স্থায়ী ছিল ৭-১০ সেকেন্ডের মতো। জানা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ। বিভিন্ন এলাকার বহুতলে জোর ঝটকা অনুভূত হয়। কলকাতার বিভিন্ন অংশে আতঙ্কে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। নবান্ন খালি করে দেন কর্মীরা। বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে আসেন বিধায়ক ও অন্য কর্মীরা। এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাত প্রায় ৯টার সময় কলকাতাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মায়ানমার এবং কম্পনের মাত্রা ছিল ৬।

    কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা

    সূত্র অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এদিনের ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল প্রায় ৫.৪। কম্পনের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, মাটির প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। সাতক্ষীরা থেকে কলকাতার দূরত্ব ১০০ কিলোমিটারেরও কম হওয়ায় কলকাতায় এই ভূমিকম্পের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়েছে।

    কেঁপে উঠল গোটা দক্ষিণবঙ্গ

    কলকাতার আশপাশের বেশ কিছু জেলাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, সুন্দরবনেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরেও ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলা শাসকের কার্যালয়ের কর্মীরা কম্পন অনুভব করেই নিরাপত্তার জন্য বাইরে বেরিয়ে আসেন। এলাকার একাধিক বাড়ি ও আবাসনে স্পষ্টভাবে কম্পন অনুভূত হয়। বন্ধ অবস্থায় থাকা সিলিং ফ্যান কিছুক্ষণ ধরে দুলতে থাকে। একইভাবে ঝাড়গ্রাম জেলাতেও বহু মানুষ ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি টের পান। হাওড়া ও হুগলি জেলাতেও অনুরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    অন্যদিকে, শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ সিকিমে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার তীব্রতা ছিল ২.৪। তবে এই কম্পনে সেখানে কোনও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

     

  • Election Commission: ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করবে নির্বাচন কমিশন, রাজ্যে মোট কতগুলো বুথ হবে?

    Election Commission: ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করবে নির্বাচন কমিশন, রাজ্যে মোট কতগুলো বুথ হবে?

    মাধম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ নাগরিকদের কথা ভেবে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সব মিলিয়ে ৭৮টি কেন্দ্র গড়া হবে। কমিশন সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনায় ১৬টি বহুতলে নেওয়া হবে ভোট। দক্ষিণ ২৪ পরগনা পঁচিশ বহুতলে হবে বুথ, দক্ষিণ কলকাতার আরও একটি বহুতলে বুথ হবে। উত্তর কলকাতার পাঁচটি বহুতলে বুথ হবে। হাওড়ায় চারটি বহুতলে হবে ভোট। পূর্ব বর্ধমানে তিনটি বহুতলে হবে বুথ (Booth Centar), হুগলিতে তিনটি বহুতলে হবে বুথ।

    কত হবে বুথ সংখ্যা (Election Commission)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, গোটা রাজ্যে এখনও ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটকর্মীর ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। যেদিন এসআইআর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে সেদিন পর্যন্ত রাজ্যে বুথের সংখ্যা ছিল ৮০,৬৮১টি। কিন্তু ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে রাজ্যে কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন থেকে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে গোটা দেশে এবার প্রতিবুথে ১২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই বুথের সংখ্যা বাড়ছে। অপর দিকে হাইরাইস বিল্ডিং— বুথের (Polling Booths) সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮। এসআইআরে রাজ্যের বুথের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়ে ৯৫ হাজার। তবে প্রথম খসড়া তালিকায় যেহেতু ৫৮ হাজার নাম বাদ গিয়েছে তাই বুথের সংখ্যা কমে ৯০ হাজারে দাঁড়াতে পারে।

    মোট ভোটকর্মী

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতর এই ৯০ হাজার বুথের সংখ্যাকে ধরে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতির সব কাজ সেরে ফেলেছে। ৯০ হাজার বুথের জন্য রিসার্ভ নিয়ে মোট ৫,০৮,০০০ জন ভোটকর্মী লাগবে। যার মধ্যে ৬০ শতাংশ পুরুষ অর্থাৎ ৩,০২,৪০০ জন পুরুষ এবং ৪০ শতাংশ মহিলা অর্থাৎ ২,০১,৬০০ জন মহিলা ভোট কর্মী থাকছেন। অন্যদিকে ৩০ শতাংশ রিসার্ভ নিয়ে ব্যালট ও কন্ট্রোল ইউনিট মিলিয়ে মোট ইভিএম ২,২৫,০০০টি। তবে ভিভিপ্যাট থাকছে ৩৫ শতাংশ অর্থাৎ ১,২১,৫০০টি।

    ভোট ভিন রাজ্যে থেকে আনা হবে বাস

    বুথ (Polling Booths) নিয়ে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) যে নির্দেশ ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছিল সেই মোতাবেক সব বুথ প্রয়োজন অনুসারে ঠিক করা হয়েছে। বয়স্ক বা প্রবীণ নাগরিকরা যাতে ঠিক করে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা সঠিক ভাবে করা হয়েছে। নির্বাচনের কাজে কত সংখ্যা বাস লাগবে তার জন্য সমীক্ষা করা হয়েছে। রাজ্যের কত সংখ্যার সরকারি এবং বেসরকারি বাস আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনে ভিন রাজ্য থেকেও বাস আনার জন্য সমীক্ষা করা হচ্ছে। কমিশন নির্বাচনকে সুষ্ঠ ভাবে হিংসা মুক্ত করতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর।

  • Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের এখনও নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। তবে তার আগেই রাজ্যে আছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (Election Commission) সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকেই ধাপে ধেপে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) রাজ্যে ঢুকবে। যদিও ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা ছিল রাজ্যে। নির্ধারিত দিনের আগেই রাজ্যে বাহিনী ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৪৮০ কোম্পানি রাজ্যে আসবে।

    কোথায় কত বাহিনী (Election Commission)?

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতায় মোতায়েন করা হবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) ৷ একইভাবে মালদায় ১২ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট মিলিয়ে মোট ৩০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৯, বারাসতে ৬, বনগাঁ ৪, বসিরহাট ৭ এবং বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

    সবচেয়ে বেশি বাহিনী মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে মোট ৮ কোম্পানি করে জেলায় মোট ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ জেলাভিত্তিক বাহিনী মোতায়েনের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৷ হাওড়াতেও কমিশনারেট এবং পুলিশ জেলা মিলিয়ে ১৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট ১৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ হুগলি গ্রামীণ ও চন্দননগরে ৬ ও ৮ কোম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে ৷

    মালদায় ১২ কোম্পানি উত্তর দিনাজপুর ১১ কোম্পানি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি থাকবে৷ একইভাবে দার্জিলিং ও কোচবিহারে ৯ কোম্পানি করে বাহিনী থাকবে৷ পূর্ব বর্ধমানে আনা হচ্ছে ৮ কোম্পানি বাহিনী ৷ পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া ও বীরভূমে মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি ৷ পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আলিপুরদুয়ারে থাকবে ৫ কোম্পানি করে। সবচেয়ে কম ৩ কোম্পানি বাহিনী থাকবে কালিম্বং জেলায় ৷

    চূড়ান্ত তালিকার পর অশান্তির আশঙ্কা!

    এসআইআর-এর (Election Commission) কাজে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী তালিকা প্রকাশিত হবে। ভোটার তালিকাকে ইস্যু করে জেলায় জেলায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যের শাসক দল অবশ্য প্রথম থেকেই নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছে। অপরে কেন্দ্র সরকার এবং শাসক দল বিজেপির দাবি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই স্বচ্ছ ভোটার তালিকা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন চূড়ান্ত তালিকা ঘিরে নান জায়গায় অশান্তি এবং হিংসার ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন আঁচ করে বাহিনী (Central Forces) নিয়ে তৎপর হয়েছে।

  • Bomb Threat: আরডিএক্সের সঙ্গে সায়ানাইড বিস্ফোরণের হুমকি! কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে ডাকঘর-পাসপোর্ট অফিসে বোমাতঙ্ক

    Bomb Threat: আরডিএক্সের সঙ্গে সায়ানাইড বিস্ফোরণের হুমকি! কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে ডাকঘর-পাসপোর্ট অফিসে বোমাতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দুপুর ১ টা নাগাদ আচমকাই রাজ্যজুড়ে পাসপোর্ট অফিস ও একাধিক ডাকঘরে (Post Office) বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। কলকাতা ছাড়াও আসানসোল এবং কাটোয়ার (Asansol Katwa Kolkata) মতো গুরুত্বপূর্ণ ডাকঘরগুলোতে সায়ানাইড গ্যাস মিশ্রিত আরডিএক্স বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। এই খবর চাউর হতেই কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Asansol Katwa Kolkata)?

    স্থানীয় সূত্রের খবর, এদিন দুপুরের দিকে ইমেলের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন ডাকঘরে নাশকতার হুমকি দেওয়া হয়। তাতে দাবি করা হয়, ডাকঘরের ভেতরে বিস্ফোরক রাখা আছে। সর্বপ্রথম কলকাতার রুবি মোড়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় পাসপোর্ট অফিসে এই আতঙ্কের খবর প্রকাশ্যে হয়। বিষয়টি জানাজানি হতেই, কলকাতা রুবি পাসপোর্ট অফিস (Asansol Katwa Kolkata) খালি করে দেওয়া হয়। এর পর এক এক করে চুঁচুড়া হেড পোস্ট অফিস, শ্রীরামপুর পোস্ট অফিস, পূর্ব বর্ধমানের প্রধান ডাকঘর, আরামবাগে মুখ্য ডাকঘর (Post Office), ব্যারাকপুর, কোচবিহার, বসিরহাট, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া ময়দান তড়িঘড়ি খালি করে দেওয়া হয় অফিসগুলো।

    কলকাতার পরিস্থিতি

    কলকাতার জিপিও (Asansol Katwa Kolkata) সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় সতর্কতা জারি করা হয়। খবর দেওয়া হয় লালবাজারের হোমিসাইড শাখা এবং বম্ব স্কোয়াডকে। পুলিশ  ও সিআইএসএফের একটি বড় দল এসে পৌঁছায় এবং স্নিফার ডগ নিয়ে প্রতিটি কোণায় তল্লাশি করা হয়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলেই খবর।

    আসানসোল ও কাটোয়ায় উদ্বেগ

    কলকাতার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চল আসানসোলেও (Asansol Katwa Kolkata)  একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। আসানসোল প্রধান ডাকঘরে (Post Office) হুমকির খবর আসতেই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। গ্রাহক এবং কর্মীদের বাইরে বের করে এনে তল্লাশি শুরু হয়। অন্যদিকে, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতেও একই ধরণের হুমকি মেলের জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

    পুলিশের তৎপরতা

    প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, এটি কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিকল্পিত ‘ভুয়া কল’ হতে পারে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। তবে বিষয়টি হালকাভাবে না নিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রোটোকল মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ইমেলের উৎস বা আইপি অ্যাড্রেস (IP address) খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে সাইবার ক্রাইম বিভাগ।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই দেশের বিভিন্ন স্কুল, হাসপাতাল এবং বিমানবন্দরে এই ধরণের ভুয়ো বোমাতঙ্ক ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে। কয়েক দিন আগেই একইভাবে কলকাতা নগর দায়রা আদালত সহ চুঁচুড়া ও বহরমপুরের বিভিন্ন আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। বারবার আদালত এবং এবার ডাকঘরের মতো জনবহুল সরকারি দফতরকে টার্গেট করায় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারা এই ইমেল পাঠাচ্ছে এবং এর পেছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সবকটি ডাকঘরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

  • Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার গোলপার্ক-কাঁকুলিয়ার পর হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা। ফের শাসক-আশ্রিত দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল রাজ্যের দুই সিস্টার-সিটি। আর এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— সমাজ-বিরোধী, খুনে অভিযুক্তের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল নেতাদের? ভোট যত এগিয়ে আসছে, কেন বাড়ছে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য?

    প্রধান অভিযুক্ত তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ

    হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা এলাকায় বুধবার ভোরে চায়ের দোকানের সামনে খুব কাছ থেকে গুলি করে এক প্রোমোটার শফিক খানকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রকাশ্য রাস্তায় এই গুলিচালনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে যে দু’জনকে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে, তাঁরা হলেন হারুন খান ও রোহিত। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হারুন খানের সঙ্গে হাওড়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর একাধিক ভিডিও সামনে এনেছে বিজেপি। এমনকী, তৃণমূলের স্থানীয় বিধায়ক গৌতম চৌধুরীকে হারুনের বাইকে চেপে প্রচারেও দেখা গিয়েছে। ঘটনার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, হারুন তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।

    চলছে ‘মহাজঙ্গল রাজ’, রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে এক ভিডিও পোস্ট করে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর নবান্নও হাওড়াতেই অবস্থিত। তার পরেও এ ধরনের দুঃসাহসিক অপরাধ ঘটছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার একাধিক জায়গা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনাও সামনে এসেছে। পাশাপাশি গতকালই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার আদালতে বোমা হামলার হুমকিতে আতঙ্ক ছড়ায়। এই পরিস্থিতিকে ‘মহাজঙ্গল রাজ’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির দাবি, সাধারণ মানুষ ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কড়া পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

    ভয়ে, আতঙ্কে সিঁটিয়ে স্থানীয়রা

    কাঁকুলিয়ায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ছবিতে দেখা গেছে তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে। সেই ঘটনার পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সোনা পাপ্পুর নাগাল পায়নি পুলিশ। আর বুধবার ভোরে হাওড়ার পিলখানায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল প্রোমোটারকে। ৪৮ ঘণ্টা পার করতে চললেও, মূল অভিযুক্ত হারুন ও রোহিত অধরা। কাঁকুলিয়া থেকে হাওড়া, ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর সব ঘটনার নেপথ্যে বারবার উঠে আসছে শাসক-যোগ। যদিও, হারুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।

    হামলা সংবাদমাধ্যমের ওপরও

    যে বিধানসভা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে, সেই হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লর সঙ্গেও অভিযুক্ত হারুন খানের ভাইরাল ছবি সামনে এসেছে। লক্ষ্মীরতন শুক্ল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না। এদিকে, প্রোমোটার খুনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হন সাংবাদিকরা। রক্তাক্ত হন এবিপি আনন্দের প্রতিনিধি ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী। বেধড়ক মারধরে নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছে তাঁর। এবিপি আনন্দের চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষকেও হেনস্থা করে কয়েক জন দুষ্কৃতী।

    হাওড়ার মূল অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা!

    প্রশ্ন উঠছে, খুনে অভিযুক্ত থেকে শুরু করে দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীদের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল বিধায়কদের? বিজেপির অভিযোগ, হারুন খান হাওড়া পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব নেতা। বিজেপি-র রাজ্য নেতা উমেশ রাইয়ের দাবি, ‘হারুন খান উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। বাইকে চেপে তাঁকে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। সেই ছবি ভাইরাল। অন্য অভিযুক্ত রোহিত আর্মস ডিলার। জেলখাটা আসামি। যাঁকে খুন করা হয়েছে সেই সফিক একটা ক্রিমিনাল গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত।’ বিধায়কের মদতে এলাকায় সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘‘তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে’’

    এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অভ্যন্তরেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বর্ষীয়ান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “বাহুবলীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, না করলে কপালে দুঃখ আছে, আমি বাহুবলীদের উপর ভরসা করি না। এটাকে যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। কড়া ব্যাবস্থা নিতে হবে। বাহুবলীরা যে দিকে যায়, মানুষ তার বিপরীত দিকে যায়। এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে নাগরিক সমাজ পাশ থেকে সরে যাবে।” তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এহেন মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এটা ওনার বিলম্বিত বোধদয়, তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে। উনি জানেন উনি আর ভোটে লড়তে পারবেন না ওনার দল থেকে আর কিছু পাওয়ার নেই তাই এইসব মন্তব্য করছেন।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে হিংসা!

    দোষীদের গ্রেফতার না করলে ভোট বয়কট করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ কমিশনার আকাশ মাঘারিয়া জানান, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে দু’জন জিন্সের প্যান্টের ব্যবসা করত। টাকা নিয়ে বিবাদ ছিল। অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট-পরবর্তী হিংসার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি সেই পরিকল্পনা বদলে ভোটের আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে হিংসা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, এভাবেই কি সাধারণ মানুষকে সন্ত্রস্ত করে রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে?

  • Election Commission: মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক অবজারভার নজরদারি করবে, জানাল কমিশন

    Election Commission: মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক অবজারভার নজরদারি করবে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক বিধানসভার জন্য অবজারভার নিয়োগ করা হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তির দিন থেকেই বেশ কিছু কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (Central Observers) এই রাজ্যে আসবেন। প্রত্যকে বিধানসভায় চূড়ান্ত নজরদারিতে অন্ততপক্ষে একজন করে পর্যবেক্ষক থাকতে চলেছে। বিধানসভা ভোটে মনোনয়ন প্রক্রিয়াও চলবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের নজরদারিতেই। বাংলা-সহ ৫ রাজ্যেই ফর্মুলা নির্বাচন কমিশনের। দেশে মোট ১ হাজার ৪৪৪ জন অফিসারকে ট্রেনিং দিচ্ছে কমিশন (Election Commission)।

    ২৯৪ টি কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক পর্যবেক্ষক

    পুরনো অভিজ্ঞার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) দেখেছে, মনোনয়ন পর্ব থেকে বাংলার একাধিক জায়গা থেকে অভিযোগ, অশান্তি, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। শাসকদলের বিরুদ্ধে জোর করে মনোনয়নপত্র প্রত্যহার করা শুরু থেকে রাজনৈতিক হিংসারও অভিযোগ ওঠে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিরোধীদের ব্যাপক ভাবে টার্গেট করেছিল দুষ্কৃতীরা। মনোনয়ন জমা, ভোট গ্রহণ এবং ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত  হিংসা-সন্ত্রাসের বাতাবরণ পর্যন্ত ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিজ্ঞপ্তি যেদিন জারি করা হবে, সেদিন থেকেই প্রায় ২৯৪ টি কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক আলাদা আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা (Central Observers)  থাকবেন। নির্বাচনকে হিংসা মুক্ত করাই নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    তামিলনাড়ু, কেরল,  অসম, পুদুচেরিতেও পর্যবেক্ষক

    কামিশনের (Election Commission) সাফ কথা, সিদ্ধান্ত যে কেবল পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে, তেমনটা নয়। মোট ১৪৪৪ জন আইপিএস, আইএএস,  আইআরএস অফিসারদের গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের তামিলনাড়ু, কেরল,  অসম, পুদুচেরিতে নিয়োগ করা হবে। এই আধিকারিকদের মধ্যে আইপিএস অফিসারদের পুলিশ অবজারভার হিসাবে ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আইএএস পর্যমর্যাদার আধিকারিকদের (Central Observers) জেনারেল অফিসার হিসাবে ব্যবহার করা হবে। কমিশন আরও জানিয়েছে, রেভিনিউ অর্থাৎ আর্থিক ক্ষেত্রে নজরদারির জন্য আইআরএস অফিসারদের ব্যবহার করা হবে। মনোনয়ন পর্ব থেকে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যন্ত গোটা প্রক্রিয়ায় নজরদারি রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।

LinkedIn
Share