Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • SIR in Bengal: কমিশনের কড়া ‘ডোজ’, সময়সীমা শেষের আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর রাজ্যের

    SIR in Bengal: কমিশনের কড়া ‘ডোজ’, সময়সীমা শেষের আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেকে আগেই কড়া বার্তা দিয়েছিল জাতীয় কমিশন। সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সময় অতিক্রম করার আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর (SIR in Bengal) করল রাজ্য সরকার। এই চার জনের মধ্যে ২ জন ইআরও এবং ২ জন এইআরও। শেষ পর্যন্ত কমিশনের চাপে রাজ্য সরকার এফআইআর করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য নিয়ম না মানলে এই রকম আরও অনেক এফআইআর (FIR files against 4 officials) হবে।

    নন্দিনী চক্রবর্তীকে ডেকে কড়া বার্তা (SIR in Bengal)

    এসআইআর-এ (SIR in Bengal) ২ জন ইআরও এবং ২ জন এইআরও–র বিরুদ্ধে ভোটার লিস্টে কারচুপি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এর সঙ্গে নাম জারিয়েছে ডেটা অপারেটারের। সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ না মানার অভিযোগও উঠেছিল নবান্নের বিরুদ্ধে। শেষে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে ডেকে কড়া বার্তা দেয় নির্বাচন কমিশন। চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার জন্য নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার বিকেল ৪ টে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় শেষ হওয়ার আগেই সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR files against 4 officials) করল রাজ্য সরকার।

    এই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা নিয়ে তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা আইন নিশ্চয় মানব। আইন আইনের পথে চলবে। তুঘলকি কমিশনের যেটুকু আইন মানার প্রয়োজনে সেটা নিশ্চয় মানব। কিন্তু, তার একটা বাউন্ডারি আছে। বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে।”

    সাত জনকে সাসপেন্ড করেছে

    অপরদিকে বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গতকালই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে যেমন সাত জনকে সাসপেন্ড করেছে, তেমন মুখ্যসচিবকে বলা হয়েছিল, যদি ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তাতে কাজ হয়েছে। ইআরও এবং এইআরও-দের (SIR in Bengal) কাছে স্পষ্ট বার্তা, সাত ও চার মিলে এগারো হল, এটা ১১১ হতে বেশি সময় লাগবে না। এটা ২০০২ সালের মতো এসআইআর হচ্ছে না। এখানে কোন বিএলও, কোন ইআরও, কোন ডিইও কী কাজ করছেন, তার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট রয়ে যাচ্ছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর কোনও গাফিলতি ধরা পড়লে, তাহলে নির্বাচন কমিশন কী করতে পারে, তার হাল্কা ইঙ্গিত (FIR files against 4 officials) দিয়েছে।”

  • Election Commission: ‘‘আপনার বাবা-মা ও ভাই কে, সেটা স্থির করি?’’ মামলাকারীকে নির্বাচন কমিশনে যেতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Election Commission: ‘‘আপনার বাবা-মা ও ভাই কে, সেটা স্থির করি?’’ মামলাকারীকে নির্বাচন কমিশনে যেতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার (SIR) বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত নির্দেশিকার বিরুদ্ধে একটি আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি, এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ আবেদনকারী জিমফারাহাদ নওয়াজের আবেদন বাতিল করে দেন। কোর্ট বলেছে, “আপনি কি চান যে আমরা ৩২ অনুচ্ছেদের একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে আপনার বাবা, আপনার মা এবং আপনার ভাই কে, তা স্থির করি? নির্বাচন কমিশনে (Election Commission) যান।”

    কেন আবেদন খারিজ (Election Commission)

    ভারতীয় সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা যায় কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আবেদনকারী নাওয়াজের অভিযোগ ছিল, এসআইআর-এ (SIR) তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত পদক্ষেপ সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনকে সংসদ, রাজ্য আইন সভা, রাষ্ট্রপতি, উপ রাষ্ট্রপতির নির্বাচনে ভোটার তালিকা (Election Commission) তৈরি তদারকি, নির্দেশিকা এবং নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রদানকারী আইন পরিপন্থী।

    কোর্টের বক্তব্য

    আর এই জন্যই খারিজ করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা টাঙাতে হবে কমিশনকে। প্রত্যকে ব্লকে আলদা করে কাউন্টার খুলতে হবে। সেখানে সাধারণ মানুষ নথি জমা করতে পারবে। এলাকা সংক্রান্ত আপত্তিও জানাতে পারবে। তবে কমিশনের তরফে জানা গিয়েছিল, তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে। পরে এই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৯৪ লক্ষে। সেই তালিকা ধরে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়েছে যা চলেছে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (SIR) পর্বের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Election Commission) প্রকাশিত হবে।

    তৃণমূলের বিরোধিতা

    খসড়া (Election Commission) ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কিছু নামকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বিভাগে রাখা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বানান বিভ্রাট, বয়স বা পিতামাতার তথ্যের অসঙ্গতি কিংবা তথ্যভিত্তিক অমিল। এধরনের কারণ দেখিয়ে সিস্টেম-জেনারেটেড অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে ওই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে। যদিও এই নিয়ে এই রাজ্যের শাসকদল এসআইআর (SIR) ইস্যুতে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করে আসছে। বিজেপির অভিযোগ চূড়ান্ত পরিমাণে অসহযোগিতার কারণে কমিশনের কাজে অসুবিধার সৃষ্টি করছে তৃণমূল।

  • Amit Shah: বুধে রাজ্যে অমিত শাহ, তার আগে দিল্লিতে বৈঠক শুভেন্দুর সঙ্গে, কী নিয়ে হল কথা?

    Amit Shah: বুধে রাজ্যে অমিত শাহ, তার আগে দিল্লিতে বৈঠক শুভেন্দুর সঙ্গে, কী নিয়ে হল কথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার অমিত শাহের (Amit Shah) সফরের আগেই দিল্লিতে শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বাড়িতে আধ ঘণ্টা বৈঠক করেছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা ভোটের প্রধান প্রধান ইস্যু নিয়ে। মমতা সরকারকে অপসৃত করে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে সর্ব শক্তি নিয়োগ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ২ ঘণ্টা থাকার কথা রয়েছে (Amit Shah)

    ভোটের মুখে রাজ্যে ফের আসবেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মায়াপুরের ইসকনে যাবেন তিনি। বুধবার কলকাতা থেকে কপ্টারে মায়াপুর যাবেন। তবে এই সফরে কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকবে না বলে জানা গিয়েছে। দুপুর দেড়টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন। এরপর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে মায়াপুরে যাবেন। সেখানে ২ ঘণ্টা থাকার কথা রয়েছে। বিকেলে মায়াপুর থেকে কলকাতায় ফিরবেন। তবে দলীয় কোনও কর্মসূচি না থাকলেও ভোটের আবহে রাজনীতির আঙ্গিনায় শোরগোল পড়েছে।

    নতুন বছরের শুরুতে এক মাসে দুই বার পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন। বঙ্গ রাজনীতিতে বিজেপি যে ভোটের দৌড়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পিছিয়ে থাকতে চাইছে না তাও এখানে স্পষ্ট। প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah) বাংলার বিজেপি নেতৃত্বকে ২০০ সিটের টার্গেট দিয়ে দিয়েছেন। ২০২১ সালে বিজেপি দুই তৃতীয়াংশ আসনের কথা বলে ছিলেন। এইবার কলকাতা এবং কলকাতার আশেপাশের ২৮টি সিটের মধ্যে ২০টিতে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন।

    আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়বে

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “মাননীয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) আসবেন। মায়াপুরে গৌড়ীয় মঠ সম্প্রদায়, অন্যান্য সম্প্রদায়ে সন্ন্যাসী সাধুগুরু বৈষ্ণব যাঁরা আছেন তাঁদের সঙ্গে বসবেন। মাননীয় অমিত শাহজির বহুদিনের ইচ্ছে ছিল আসার। এর আগেও একবার তাঁর আসার ব্যবস্থা হয়েছিল। কিন্তু প্রোগ্রাম কোনও কারণে বাতিল হয় একটা দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার জন্য। মাননীয় গৃহমন্ত্রী আসবেন, এর ফলে আমাদের বাংলার যে বৈষ্ণব আন্দোলন, এবং অন্যান্য সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ যারা তাঁদের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়বে বলে আমার মনে হয়।”

  • Election Commission: রাজ্যের ৭ এইআরওকে সরাসরি সাসপেন্ড করল কমিশন, ‘‘অ্যাকশন শুরু’’ বললেন শুভেন্দু

    Election Commission: রাজ্যের ৭ এইআরওকে সরাসরি সাসপেন্ড করল কমিশন, ‘‘অ্যাকশন শুরু’’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই রাজ্যের চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন (Election Commission) কমিশন। তার পরেও এফআইআর দায়ের করা হয়নি তাঁদের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই শুক্রবার দিল্লিতে কমিশনের দফতরে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সেখানে কার্যত প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হতে হয় তাঁকে (AEROs)। রাজ্য অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে গড়মসি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে যাতে এফআইআর দায়ের করা হয়, সেজন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় কমিশন।

    বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission)

    মধ্য-মার্চেই শুরু হয়ে যেতে পারে এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ভোটার তালিকা ঝাড়াই-বাছাই করতে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এহেন আবহে বাংলার আরও সাত আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল কমিশন। এই মর্মে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পদক্ষেপ করতে নবান্নে একটি চিঠিও দিয়েছে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, এই সাত আধিকারিকও বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। তাঁরা পালন করছিলেন এইআরও-র দায়িত্ব। তাঁদের বিরুদ্ধেই কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবারই এই মর্মে দিল্লি থেকে নির্দেশ এল রাজ্যে (Election Commission)। এই নির্দেশে অভিযুক্ত সাত আধিকারিকের নাম, কর্মস্থলের উল্লেখ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    সাসপেন্ড করার নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সামশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এইআরও নীতীশ দাস, সূতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলম। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই আধিকারিক ক্যানিং পূর্বের এইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুকে (AEROs)। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডেবরার বিডিও তথা এইআরও দেবাশিস বিশ্বাসকে। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকে।

    চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, গত বছরই দুই জেলার চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরওদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। তাঁরা ভূতুড়ে ভোটারদের নাম তালিকায় বেআইনিভাবে তুলেছেন বলে অভিযোগ। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। সুরজিৎ হালদার নামে ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত এক কর্মীর বিরুদ্ধেও এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এই সুরজিৎ বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। তাঁকে নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে কমিশনকে জানালেও, নবান্ন সাফ জানিয়ে দেয়, বাকিদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।

    রাজ্যকে চিঠি কমিশনের

    এই বিষয়ে গত বছর ৫ অগাস্ট প্রথমে রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়েছিল কমিশন। এর ঠিক তিনদিন পরেই ফের পাঠানো হয় চিঠি। তার পরেও নির্দেশিকা কার্যকর না হওয়ায় রাজ্যকে আবারও চিঠি দেয় কমিশন। জেলাশাসকদের তরফে দু’বার রিমাইন্ডারও দেওয়া হয়। পরে রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে (AEROs) অপরাধ এফআইআর করার মতো যথেষ্ট নয়। লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেওয়াও ঠিক নয় (Election Commission)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    এদিকে, কমিশনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, এই প্রথম সরাসরি সাসপেন্ড করার ক্ষমতা দেখাল নির্বাচন কমিশন। এতদিন কমিশন কেবল পরামর্শ দিচ্ছিল, এবার অ্যাকশন শুরু হয়েছে। কমিশন চাইলে এদের বিরুদ্ধে এফআরআরও করতে পারে। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই আধিকারিকরা তৃণমূলের নির্দেশে ভুয়ো স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে কমিশনের গাইডলাইন লঙ্ঘন করেছেন। তাঁর (Election Commission) দাবি, এই গোটা প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদত এবং মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা।

     

  • Katwa Train Fire Incident: কাটোয়ায় ট্রেনের কামরায় আগুন, অন্তর্ঘাত বলছে রেল! নেপথ্যে বহিরাগতরা?

    Katwa Train Fire Incident: কাটোয়ায় ট্রেনের কামরায় আগুন, অন্তর্ঘাত বলছে রেল! নেপথ্যে বহিরাগতরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের (Katwa Train Fire Incident) ঘটনায় বহিরাগতদের হাত (Intentional Attack)! অন্তত এমনই অনুমান রেলকর্তাদের একাংশের। জানা গিয়েছে, কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেনের যে কামরাটিতে আগুন লেগেছিল, তা শর্ট সার্কিট থেকে নয়, কামরার ভেতরের কোনও ত্রুটির কারণেও নয়। সেই কারণেই ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রেল সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে এই খবর।

    বহিরাগতের আনাগোনা (Katwa Train Fire Incident)

    সিসিটিভি ফুটেজে তদন্তকারীদের নজরে এসেছে বেশ কিছু বহিরাগতের আনাগোনা। সূত্রের খবর, সোমবার কাটোয়া স্টেশনে যাবে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল। রবিবার ভোরে আচমকাই আগুন দেখা যায় কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজমিগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে (Katwa Train Fire Incident)। ট্রেনটির ছাড়ার কথা ছিল সকাল ৬টা ৫-এ। ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ হঠাৎই আগুন লাগে একটি কামরায়। মূহুর্তের মধ্যেই গোটা কামরা ছড়িয়ে পড়ে বিধ্বংসী আগুন। ওই কামরায় কোনও যাত্রী না থাকায় বড়সড় কোনও বিপদ ঘটেনি। এদিন প্রথমে ট্রেনটির ওই কামরায় আগুনের লেলিহান শিখার পাশাপাশি ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখতে পান প্লাটফর্মে উপস্থিত যাত্রীরা (Intentional Attack)। খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কে ছুটোছুটি পড়ে যায় স্টেশন চত্বরে।

    বহিরাগতদের অদৃশ্য হাত?

    খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জিআরপি এবং আরপিএফ। দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টাখানেকের কিছু বেশি সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে (Katwa Train Fire Incident)। পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া কামরাটিকে আপাতত ঢেকে রাখা হয়েছে কাপড় দিয়ে। কাটোয়া স্টেশনে রেলের কামরায় শর্ট সার্কিট থেকে আগুন ধরেনি বলে জানালেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল ম্যানেজার বিশাল কাপুর। তদন্তে নেমে আধিকারিকদের অনুমান এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বহিরাগতদের অদৃশ্য হাত। যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, তার কাছেই বিহার। তাহলে কি ভিন রাজ্যের কেউই এই কাণ্ডে জড়িত, নাকি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র?

    দুর্ঘটনা নয়, সাবোটাজ! দাবি রেলের

    মুখ্য জনসংযোগকারী আধিকারিক শিবরাম মাঝির কথায়, কাটোয়া স্টেশনে ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ঘটা এই ঘটনাটিকে নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং ‘সাবোটাজ’ বা অন্তর্ঘাত হিসেবেই দেখছেন তাঁরা।   যদি ষড়যন্ত্রই হয়, তাহলে ঘটনার মোটিভ কী? জানা গিয়েছে, সোমবার কাটোয়া স্টেশনে গিয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল। সেখান থেকে তারা নমুনা সংগ্রহ করবে (Intentional Attack)। তদন্তে নেমেছেন এডিআরএম হাওড়া উদয় কেশরী-সহ ৫জন বিভাগীয় আধিকারিক (Katwa Train Fire Incident)।  খুব তাড়াতাড়ি আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Amit Shah: বুধবার বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মায়াপুর ইসকনে রয়েছে বিশেষ কর্মসূচি

    Amit Shah: বুধবার বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মায়াপুর ইসকনে রয়েছে বিশেষ কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। ভোটের প্রস্তুতি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে আগামী মার্চ মাসে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তবে তার আগেই ফের রাজ্য সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসবেন এবং নদিয়ার মায়াপুরে ইসকনের মন্দিরে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

    বুধবার মায়াপুরে অমিত শাহ

    জানা যাচ্ছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার মায়াপুরে ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সূত্র অনুযায়ী, ওই দিন দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর হেলিকপ্টারে সরাসরি মায়াপুর যাবেন অমিত শাহ। সেখানে তিনি প্রথমে ইসকনের শঙ্খভবনে যাবেন। সেখান থেকে তিনি রাধামাধব এবং পঞ্চতত্ত্বের বিগ্রহ দর্শন করবেন। পরে পদ্মভবনে সাধু-সন্তদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। এরপর ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ১৫২তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের অগণিত ভক্ত ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন। জানা যাচ্ছে, মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিতেও অংশ নিতে পারেন তিনি। মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিও করতে পারেন অমিত শাহ। অনুষ্ঠান শেষ করে বিকেলেই তিনি পুনরায় হেলিকপ্টারে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবেন।

    নিরাপত্তার কড়াকড়ি মায়াপুরে

    এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মায়াপুর সফর ঘিরে শুরু হয়েছে নদিয়া জেলা প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই মায়াপুরে সাজসাজ রব। মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়াকড়ি করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা এলাকা পরিদর্শন শুরু করেছেন বলে জানা গিয়েছে। মায়াপুরের অস্থায়ী হেলিপ্যাড থেকে শুরু করে মন্দির চত্বর, শঙ্খ ভবন— সর্বত্র নিরাপত্তা খতিয়ে দেখছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। দফায় দফায় নিরাপত্তা মহড়া এবং এলাকা পরিদর্শন চলছে। এর আগে, অমিত শাহের মায়াপুর আসার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে সেই সফর বাতিল হয়েছিল।

  • SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫০ দিন ধরে রাজ্যে চলেছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এই সময়সীমার মধ্যে শুনানির জন্য হাজির হননি প্রায় ৫ লাখ ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর ২টো পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকেই এমনটা জানা গিয়েছে (Election Commission)।খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে মূলত দু’ধরনের ভোটারের নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগসূত্র দেখাতে পারেননি, তাঁদেরই ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। ওই তালিকার সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে, এমন অনেক ভোটারকেও তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।

    তলব পেয়েও গরহাজির প্রচুর ভোটার (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে হাজির হননি এমন ভোটারের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এদিন দুপুর ২টো পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ওই জেলায় নোটিশ পেয়েও শুনানি কেন্দ্রে হাজির হননি ১ লাখ ৩৮ হাজার ভোটার। পড়শি জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শুনানিতে হাজির হননি ৪৬ হাজার ভোটার। দক্ষিণ কলকাতায় নোটিশ পেয়েও আসেননি হাজার বাইশেক ভোটার। উত্তর কলকাতায় এই সংখ্যাটি হাজার দুয়েকের কাছাকাছি। কালিম্পঙেও ৪৪০ জন ভোটার হাজিরা দেননি শুনানিতে। শনিবার সন্ধে পর্যন্ত যা খবর, তাতে দেখা যাচ্ছে, এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৯৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। অযোগ্য হিসেবে বাদ যাচ্ছে ১ লাখ ৬৩ হাজারের কিছু বেশি ভোটারের নাম (SIR)। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত বাদ যেতে পারে ৬ লাখ ৬১ হাজার ভোটারের নাম।

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বক্তব্য

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, “কতজন শুনানিতে অংশ নেননি, সেই সঠিক তথ্য আমার কাছে নেই। কিন্তু যাঁর নাম খসড়া তালিকায় ছিল, কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নেই, তাঁদের আবেদন করার সুযোগ থাকছে। কোথাও কোনও ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে, তাঁরা ফের আবেদন করতে পারবেন। এটি শেষও নয়, আবার শুরুও নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেও যোগ-বিয়োগ চলতেই থাকবে।” প্রসঙ্গত, এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়ায় এ রাজ্যে প্রায় দেড় কোটি ভোটারকে নোটিশ পাঠায় কমিশন। এর মধ্যে ‘আনম্যাপড’ থাকায় নোটিশ পাঠানো হয় প্রায় ৩২ লাখ (Election Commission) ভোটারকে। তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে তলব করা হয় ১ কোটি ২০ লাখ ভোটারকে (SIR)।

     

  • Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এ রাজ্যের জন্য এসআইআর এবং বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হল (Assembly Elections 2026)। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই ঘোষণা করা হবে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগেই নিয়োগ করে দেওয়া হল পর্যবেক্ষক। কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers) নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁকে কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে, তাও জানানো হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা (Assembly Elections 2026)

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তিনি মূলত এসআইআর এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং পরিচালনা তদারকি করবেন। ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা অনুযায়ী এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোটের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি প্রয়োজনে এ রাজ্যে আসবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের নির্দেশাবলী সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তাঁর। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভোটের কাজ দেখাশোনা করবেন ওই বিশেষ পর্যবেক্ষক। বিশেষ পর্যবেক্ষক হলেও, এনকে মিশ্র কোনও নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি শংসাপত্র দিতে পারবেন না। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে, বিষয়টি প্রস্তাব আকারে জানাতে কমিশনকে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশনই।

    বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার

    প্রসঙ্গত, প্রশাসনিক স্তরে সম্ভবত এই প্রথম দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার মিশ্র। নির্বাচনী কাজে তাঁর দক্ষতা রয়েছে। তবে তা নিরাপত্তার দিক থেকে। শেষ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে পুলিশের বিশেষ পর্যবেক্ষকের (Assembly Elections 2026) দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। নিজের কর্মজীবনে দায়িত্ব সামলেছেন সিকিমের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর স্পেশাল ডিরেক্টর হিসেবে। পরে হয়েছিলেন সেই রাজ্যের ডিজিপিও। গত জানুয়ারি মাসেই এ রাজ্যে এসআইআরের কাজে নতুন করে আরও ১২ জন স্পেশাল অবজার্ভার পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে এখনও পর্যন্ত আসা কমিশনের প্রত্যেক প্রতিনিধি শুধুমাত্র এসআইআরের জন্যই (Special Observers) ছিল। কিন্তু এই প্রথমবার বাংলার ভোট প্রস্তুতি বুঝে নিতে অবজার্ভার পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি (Assembly Elections 2026)।

     

  • Enforcement Directorate: কয়লা পাচার মামলায় বড় সাফল্য ইডির, বাজেয়াপ্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তি

    Enforcement Directorate: কয়লা পাচার মামলায় বড় সাফল্য ইডির, বাজেয়াপ্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে আরও সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এবার কয়লা পাচার মামলার (Bengal Coal Scam) মূল অভিযুক্ত লালা সিন্ডিকেটের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার পুরনো কয়লা পাচার মামলাতেই ১০০ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এর ফলে এই মামলায় এখন পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মোট অঙ্ক দাঁড়াল ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। তদন্তকারীরা জানান, গত ৪ জানুয়ারি দিল্লি ও কলকাতায় একযোগে চালানো তল্লাশি অভিযানের সময়ই লালা সিন্ডিকেটের গড়া এই বিপুল সম্পদের নথি উদ্ধার হয়। সেই সূত্র ধরেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে হত কয়লা পাচার?

    ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে আরও জানা গেছে, কয়লা পাচারের অর্থ দুটি বেনামি সংস্থার নামে জমি কেনা ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের মাধ্যমে লুকানো হয়েছিল। ভুয়ো চালানের মাধ্যমে ১০ বা ২০ টাকার নোট আটকে তার ছবি ব্যবহার করে লেনদেন দেখানো হত। এই সামান্য চালানের আড়ালেই গড়ে ওঠে কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি। তদন্তে উঠে এসেছে, চালানে পিন আটকানো ১০ বা ২০ টাকার নোট। ওই নোটের নম্বরই আসলে কোড। নাম তার ‘লালা প‌্যাড’। কয়লা মাফিয়া হিসাবে অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার নামেই নামকরণ হয় এই প‌্যাডের। এই নোট-সহ প‌্যাডের ছবি হোয়াটসঅ‌্যাপে কয়লা পাচারের (Bengal Coal Scam) সঙ্গে যুক্ত পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের পাঠিয়ে দেওয়া হত। এই টাকা আটকানো চালান যে ট্রাক চালকের কাছে থাকত, তাঁকে আটকানো হত না। ভুয়ো চালানের সঙ্গে পাঠানো হত ট্রাকের নম্বর প্লেটও। সেই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ছেড়ে দেওয়া হত বেআইনি কয়লা-সহ ট্রাক। এভাবেই বেআইনি কয়লা খাদান থেকে কয়লা পাচার হত বলে দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate)। ইডির গোয়েন্দারা জানান, ওই কয়লা পাচার চক্র বিপুল টাকা পাচার করত হাওয়ালার মাধ‌্যমেও। সেই ক্ষেত্রেও ১০ টাকার নোটের নম্বর ব‌্যবহার করা হত। ওই নম্বর দেখেই হাওয়ালা চক্র জায়গামতো পাঠিয়ে দিত কোটি কোটি টাকা। তদন্তকারীদের ধারণা, লালা সিন্ডিকেটের মোট দুর্নীতির পরিমাণ ২,৭০০ কোটি টাকারও বেশি।

    জড়িত পুলিশ আধিকারিক?…

    একদিকে পুরনো মামলায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন মামলায় (Bengal Coal Scam) চলছে জোরদার তলব। সম্প্রতি কয়লা পাচার সংক্রান্ত নতুন মামলায় বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে হাজিরার নির্দেশ দেয় ইডি। নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত না হওয়ায় তাঁর বদলে দুই আইনজীবী—শুভ্রাংশু পাল ও দেবতনু দাস হাজির হন। তাঁদের কাছ থেকেই মনোরঞ্জন মণ্ডল এবং তাঁর বাবা-মায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। রাজ্যের বিভিন্ন রেল সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা সামনে আসতেই প্রথমে আয়কর দফতর এবং পরে সিবিআই তদন্তে নামে। সেই সূত্রেই প্রকাশ্যে আসে অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং তার সিন্ডিকেটের নাম। গত বছর ইডি (Enforcement Directorate) এই ঘটনায় আরও একটি নতুন মামলা দায়ের করে। ভোটমুখী বাংলায় সেই তদন্ত এখন ফের তীব্র গতিতে এগোচ্ছে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের ভোটের ফলাফলে মালদা-মুর্শিদাবাদের সুরক্ষা নিয়ে কড়া সতর্কতা জারি

    Bangladesh: বাংলাদেশের ভোটের ফলাফলে মালদা-মুর্শিদাবাদের সুরক্ষা নিয়ে কড়া সতর্কতা জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিএনপি। ইউনূসের টানা অপশাসনে বাংলাদেশ অস্থির হয়ে গিয়েছিল। তারেকের আমলে এবার কিছুটা স্বস্তি মিলবে বলে আশা করছেন সাধারণ আমজনতা। তবে ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কয়েকটি আসনের ফলাফল (Election Result) নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি আগের থেকে অনেক ভালো ফল করেছে ভারত সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়।

    কোন কোন এলাকায় সতর্কতা (Bangladesh)?

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ (Bangladesh), রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, রংপুর এবং সাতক্ষীরার মতো এলাকায় জামাতের প্রার্থীরা বড় জয় পেয়ছে। এই সমস্ত অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের মুর্শিদবাদ, মালদা, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং অসমের ধুবড়ি সীমানার খুব খাছে। ফলাফলের উপর নির্ভর করে বাড়তি নিরপাত্তার কথা ভেবে সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

    সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী আসনগুলির (Election Result) মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশ আসনেই জামাত প্রাধান্য পেয়েছে। আগে এই সমস্ত এলাকাগুলিতে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। ফলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সক্রিয়তার বিষয়ে বিশেষ নজরদারিও শুরু হয়েছে।

    ‘র’ ও ‘আইবি’ সক্রিয়

    ইতিমধ্যে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা, ‘র’ (RAW) , ‘আইবি’ (Intelligence Bureau) সীমান্ত পরিস্থিতিকে ভালো করে নজরে রেখেছে। সেইসঙ্গে বিএসএফ-এর তরফে বাড়তি সতর্কতার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সামরিক গোয়েন্দারাও নজরদারি জোরদার করেছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কিছু কিছু সীমান্তঘেঁষা আসন বিএনপির দখলে গিয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া কিছু অংশে জামাতের সাফল্য নিরপাত্তা এবং সুরক্ষার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামনে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমে বিধানসভা নির্বাচন (Election Result), ফলে বহিরাগত শক্তি যাতে বাংলাদেশের (Bangladesh) মাটিকে ভারত বিরোধিতার কাজে ব্যবহার না করতে পারে, সেই দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।

    ইউনূসের আমলে এই সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিই জঙ্গি কার্যকলাপ এবং পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের কার্যক্ষেত্রের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় আসায় কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে জামাত শিবির। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে  আইএসআই যাতে নিজেদের গতিবিধি না চালাতে পারে সেই বিষয়ে সতর্কতা ঘোষণা করেছে ভারতীয় গোয়েন্দারা।

LinkedIn
Share