Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Suvendu Adhikari: চণ্ডীপুর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি! কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: চণ্ডীপুর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি! কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আদালত সূত্রে খবর, শুভেন্দুর আবেদনের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। আদালতে বিরোধী দলনেতার আইনজীবীর বক্তব্য, যে রাস্তা দিয়ে তাঁর মক্কেলের কনভয় যাচ্ছে, সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে না রাজ্য সরকার। শুভেন্দুর আবেদনের ভিত্তিতে আগামী বুধবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে উচ্চ আদালতে।

    পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব

    গত বৃহস্পতিবার চণ্ডীপুর পেট্রল পাম্পের কাছে রাস্তা পারাপার করছিলেন শেখ ইসরাফিল নামে এক যুবক। সেখানেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কনভয় যাওয়ার সময় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বিষয়টি নিয়ে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। সরব হন স্থানীয় বাসিন্দারা। পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। প্রতিবাদে দিঘাগামী ১১৬বি জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন এলাকাবাসীরা। এরপর অবশ্য ওই কনভয়ের ড্রাইভার আনন্দকুমার পাণ্ডে আত্মসমর্পণ করেন চণ্ডীপুর থানায়। গাড়িটিকেও বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। দুর্ঘটনায় তদন্তের স্বার্থে চণ্ডীপুর থানার পুলিশ শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ের চার জনকে নোটিস পাঠায়। কনভয়ের যে গাড়ির ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ, তমলুক থানায় রাখা সেই গাড়িটিও পরীক্ষা করে দেখেন রাজ্য ফরেন্সিক দলের সদস্যেরা। গাড়িটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ, চাকা এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশের পরীক্ষা করেন তাঁরা। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতার দাবি, যে পথ দিয়ে তাঁর কনভয় যাচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে না। ফলে বিপদ বাড়ছে। সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন: পটাশপুরে শুভেন্দুর সভা বাতিল প্রশাসনের! রবিবার ফের জনসভার ডাক বিরোধী দলনেতার

    বুলেটপ্রুফ গাড়ি

    বিরোধী দলনেতার দফতর সূত্রে দাবি, যে গাড়িটির বিরুদ্ধে ধাক্কা মারার অভিযোগ উঠেছে, সেটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি। সেই কারণেই সাধারণ গাড়ির তুলনায় সেটি বেশি ভারী। এ ছাড়াও ওই গাড়িটি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কনভয়ের থেকে অন্তত দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরত্ব বজায় রেখে চলে। গাড়িটি তুলনামূলক ভারী বলেই দুর্ঘটনাগ্রস্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার ওই ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় যাবতীয় নথি সিআইডিকে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সূত্রে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘জোয়ারের চোটে ব্যালট বাক্স ভেসে যাচ্ছে’’! অভিষেকের কর্মসূচিকে আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘জোয়ারের চোটে ব্যালট বাক্স ভেসে যাচ্ছে’’! অভিষেকের কর্মসূচিকে আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন দলের কর্মীদের কাছে। এ ব্যাপারে বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘ওরা তো টার্গেট দেয় কিন্তু পৌঁছায় কতদূর!’’ এ প্রসঙ্গে দিলীপবাবু (Dilip Ghosh) মনে করিয়ে দেন যে গত লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একইভাবে ৪২ টি আসনের টার্গেট দিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তারা বাইশে নেমে গিয়েছিল। ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির চমকপ্রদ উত্থানের কথাও বলেন দিলীপবাবু। স্মরণ করান, সে বছর ২ থেকে বিজেপি ১৮ তে পৌঁছায়। 

    দলীয় ভোটেই ব্যালট লুঠ….

    নব জোয়ার কর্মসূচিতে গতকালই ফুটবল খেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেখানে দেখা যায় তাঁর জুতোটা বলের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে, এখানেও কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘এখন ফুটবল খেলতে গিয়ে বলের সঙ্গে জুতো চলে যাচ্ছে, আগে ওটা অল ইন্ডিয়া পার্টি ছিল এখন তা লোকাল হয়ে গেছে।’’ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) আরও কটাক্ষ, ‘‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলে রাজ্যজুড়ে খুনোখুনি শুরু হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচিতে কোচবিহার, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ সর্বত্র দেখা যায় যে দলীয় ভোটেই ব্যালট বাক্স লুঠ হচ্ছে।’’ এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এটাতো হওয়ারই ছিল, মমতাও গিয়েছিলেন মালদাতে কিন্তু তিনি সামলাতে পারেননি কারণ পার্টিটা আজ আর কারও কন্ট্রোলে নেই। এমন জোয়ার আসছে যে ব্যালট বাক্স ভেসে চলে যাচ্ছে। আসলে এটা পঞ্চায়েত ভোটের প্র্যাকটিস ম্যাচ চলছে।’’ পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে তাঁর মন্তব্য যে ভোট লুঠ হলে পুলিশ তো কিছু করবে না, তাই যা করার বিজেপিকেই করতে হবে। তাঁর সংযোজন, ‘‘কেউ যদি ভোট লুঠ করতে আসে তাকে কি আমরা রসগোল্লা খাওয়াবো?’’ ডিএ আন্দোলন নিয়ে মেদিনীপুরের সাংসদের দাবি যে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধর্না দিতে পারছেন, অথচ কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীরা তাদের প্রাপ্য ডিএ-এর দাবিতে আন্দোলন করতে পারেন না? 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: প্রকাশ্যে শ্যুটআউট! আমডাঙায় গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী

    TMC: প্রকাশ্যে শ্যুটআউট! আমডাঙায় গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় শ্যুটআউটের ঘঠনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দুষ্কৃতীদের গুলিতে জখম হন এক তৃণমূল (TMC) কর্মী। আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মীর নাম আবু তোয়েব। তাঁর বাড়ি ঘুরিগাছি এলাকায়। ঘটনার পর পরই স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাঁকে বারাসতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। দলীয় কোন্দলের জেরে এই হামলা, না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। যদিও কে বা কারা গুলি করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনায় আমডাঙার বোদাই পঞ্চায়েত এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    আবু তোয়েব এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল (TMC) কর্মী হিসেবে পরিচিত। রাত সাড়ে নটা নাগাদ তিনি সন্তোষপুরে একটি কাজে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বাইকে করে তিনি ঘুরিগাছি গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। মাঝপথেই মথুরা এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, এক রাউন্ড গুলি চলে। ডান হাতের কব্জিতে গুলি লাগে তাঁর। দুষ্কৃতীরা গুলি করে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। গুলি চলার আওয়াজ শুনেই ঘটনাস্থলে হাজির হন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বারাসতের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পরেই সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান আমডাঙা থানার পুলিশ।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতা?

    স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতা এস কে ইনামুল রহমান বলেন, তোয়েব আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। ভালো সংগঠক। দলের কাজে ও সবসময় ঝাঁপিয়ে পড়েন। ওর উপর এভাবে কারা গুলি চালাল তা বুঝতে পারছি না। আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: জামাইয়ের কান কাটল শাশুড়ি! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    Malda: জামাইয়ের কান কাটল শাশুড়ি! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদ্যপ স্বামীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে স্ত্রী বার বার মায়ের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। বহুবার দুই বাড়ির লোকজন বসে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। শাশুড়ি নিজে জামাইয়ের হাত ধরে মেয়ের ওপর অত্যাচার না করার জন্য বহুবার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ হয়নি। বরং, দিনের পর দিন মেয়ের ওপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছিল। গুণধর জামাইকে শিক্ষা দিতে এবার অনুরোধ, কাকতি-মিনতির পথে না হেঁটে ধারাল অস্ত্র দিয়ে জামাইয়ের কান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল শাশুড়ির বিরুদ্ধে। মালদহের (Malda) ইংরেজবাজার থানার নিমাইসরাই এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    আক্রান্ত জামাইয়ের নাম সুনীল চৌধুরী। আর অভিযুক্ত শাশুড়ির নাম নিতলা চৌধুরী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে সুনীল চৌধুরীর সঙ্গে নিতলাদেবীর মেয়ে দুর্গার বিয়ে হয়। দুর্গা চার সন্তানের মা। দীর্ঘদিন ধরেই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি এসে সন্তানদের সামনে সে স্ত্রীর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পরিবারের মধ্যে গণ্ডগোল লেগেই থাকতো। দুই পরিবারের লোকজন বার বার বৈঠক করেও কোনও কাজ হয়নি। রবিবার সুনীলবাবু মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি এসে ফের স্ত্রীকে গালিগালাজ করতে থাকে। স্ত্রী তাকে চুপ করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উলটে স্ত্রীর উপর চড়াও হওয়ার জন্য সে উদ্যত হয়। এসব যখন চলছে তখন বাড়িতে সুনীলবাবুর শাশুড়ি ছিলেন। গুণধর জামাইকে শিক্ষা দিতে প্রথমে তাকে লাঠিপেটা করেন তিনি। পরে, ধারাল অস্ত্র দিয়ে জামাইয়ের কান কেটে নেন। কান দিয়ে ঝর ঝর করে রক্ত বের হতেই জামাইয়ের নেশা ছুটে যায়। তিনি চিত্কার করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে মালদহ (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    কী বললেন গুণধর জামাই?

    সুনীলবাবু বলেন, নেশা করে বাড়ি গিয়েছিলাম। সঙ্গে মিষ্টি নিয়ে গিয়েছিলাম। ভাত খেতে দেয়নি। এনিয়ে একটু বচসা হতেই প্রথমে স্ত্রী মারধর করে। পরে, শাশুড়ি এসে আমার উপর চড়াও হয়। আমার কান কেটে দেয়। এভাবে আমার ওপর হামলা চালাবে ভাবতে পারিনি। এই ঘটনার পর থেকে আমি আতঙ্কে রয়েছি। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পটাশপুরে শুভেন্দুর সভা বাতিল প্রশাসনের! রবিবার ফের জনসভার ডাক বিরোধী দলনেতার

    Suvendu Adhikari: পটাশপুরে শুভেন্দুর সভা বাতিল প্রশাসনের! রবিবার ফের জনসভার ডাক বিরোধী দলনেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার শেষ মুহূর্তে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভা বাতিল করে প্রশাসন। এবার আগামী রবিবার সেখানেই জনসভার ডাক দিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তবে এই প্রথম নয় আগেও একাধিকবার শুভেন্দু-সুকান্তর সভা বাতিল করেছে প্রশাসন। প্রতিবারই হাইকোর্ট থেকে সভার অনুমতি আনতে হয়েছে এই দুই গেরুয়া শিবিরের নেতাকে।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    পটাশপুরে এদিনের সভার অনুমতি না থাকায়, মিছিল করে পথসভায় বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেখানে তিনি বলেন, আমি ঠান্ডা করার লোক। নন্দীগ্রাম ঠান্ডা হয়েছে। মোমিনপুর ঠান্ডা হয়েছে। শিবপুর, রিষড়া, ডালখোলাও ঠান্ডা করছে এনআইএ। এ বার একই কায়দায় ময়নার বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার এলাকাও ঠান্ডা হবে বলে জানান বিরোধী দলনেতা। বনধ্-এর দিন দুই বিজেপি নেতা কৃষ্ণগোপাল এবং মোহনলালকে গ্রেফতার করে পুলিশ, তাদেরকে বের করার দায়িত্ব নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, পটাশপুর থানার সামনেই মালা পড়াব দুজনকে। তারপর ডুগডুগি বাজিয়ে মিছিল করব। মিছিল শেষে হবে জনসভা।

    কেন সভা পটাশপুরে?

    ১ মে রাতে ময়নায় খুন হন বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া। অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে বাড়ি থেকে পরিবারের সদস্যদের সামনেই তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করে। এই ঘটনার পরেই ১২ ঘণ্টা ময়না বনধ্-এর ডাক দেয় বিজেপি। পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন জেলাজুড়ে পথ অবরোধের। সেই দিন ওসির নেতৃত্বে পটাশপুরে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর সিভিক ভলান্টিয়াররা নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে, গুরুতরভাবে আহত হন জেলা বিজেপির সভাপতি মোহনলাল। বিরোধী দলনেতা তখন অভিযোগ তোলেন, হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও সিভিকরা কীভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করছেন। প্রসঙ্গত, উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সিভিকদের আইন-শৃঙ্খলা জনিত কাজে লাগানো যায়না। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার পটাশপুরে জনসভা করার কথা ছিল শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সভার অনুমোদন বাতিল করে স্থানীয় দুর্গাপুজো কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘৪২০’ বলে কেন কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার?

    Sukanta Majumdar: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘৪২০’ বলে কেন কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ২৪০ আসন পাবে তৃণমূল। এবার নবজোয়ার কর্মসূচিতে, তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের দাবি, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল ৪০টি আসন পাবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্যকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) এ বিষয়ে বলেন, স্বপ্ন দেখতে মানা নেই। স্বপ্ন তিনি দেখতেই পারেন, কিন্তু তাঁর সবকিছু ৪২০ এর আশেপাশে ঘুরছে, বিধানসভায় ২৪০ আসন জিততে হবে, এদিক ওদিক করে নিলে ওটা ৪২০ হয়ে যাবে। আবার লোকসভায় ৪০ আসন পাবেন বলছেন, ওখানে মাঝখানে একটা ২ বসালে ৪২০ হয়ে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা, প্রতারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। চিটিংবাজি বোঝাতে এখন রসিকতার সুরে অনেকেই এই ধারার উদাহরণ দেন।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    এদিন হুগলির চন্ডীতলায় বালুরঘাটে সাংসদ আরও বলেন, যে সারা রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের ভাঙন শুরু হয়েছে। মালদা এবং মুর্শিদাবাদ এই দুই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাতেও মানুষ তৃণমূল ছেড়ে, দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। কারণ মানুষ সম্মানের জন্য রাজনীতি করেন। তৃণমূলে থেকে কেউ চোর স্লোগান শুনতে চাইছে না। তাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের এই হিড়িক দেখা যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গ কুড়মি আন্দোলন

    রাজ্যজুড়ে চলা কুড়মি আন্দোলনকে তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি কটাক্ষ করে বলেছেন, এটি খলিস্তানপন্থী আন্দোলনের মতো। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতির মন্তব্য, তৃণমূলকে উচিত শিক্ষা দেবে এই কুড়মিরাই। কুড়মিরা তাদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছে, বলেও জানা বালুরঘাটের সাংসদ। তাঁর আরও সংযোজন, তাঁদের মধ্যে কোন বিচ্ছিন্নতাবাদী চিন্তা নেই। অন্যদিকে দীর্ঘদিন পরে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে দেখা গেছে সোনালী গুহকে। যিনি ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। তাঁর প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন যে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছেন। বর্তমানে তিনি সক্রিয় বিজেপি করেন না, উনার ব্যাপারে দল আগামীতে সিদ্ধান্ত নেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দলেরই কাউন্সিলরের, চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল

    TMC: পুরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দলেরই কাউন্সিলরের, চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়া পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুললেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর সত্যেন রায়। রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি দলের পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বোমা ফাটালেন। পুরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ করেছেন তিনি। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল (tmc) কাউন্সিলর?

    ভাটপাড়া পুরসভায় ৩৫টি আসনই তৃণমূলের (TMC) দখলে রয়েছে। তারপরও দলের একাংশ পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সত্যেন রায় বলেন, কোনও কাউন্সিলরের সঙ্গে আলোচনা না করেই সব কিছু কাজ করা হচ্ছে। ঠিকাদারদের টেন্ডার ছাড়াই কাজ পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। চেয়ারম্যান রেবা রাহা তাঁর দুই ছেলে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম ও সঞ্জয় শ্যামকে নিয়ে এসব করছে। আমরা কোনওভাবে তা মেনে নেব না। কাউন্সিলররা সরাসরি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে পারেনা। দলকে জানানো হয়েছে কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত চেয়ারম্যানকে না সারানো হবে ততক্ষণ পুরসভার উন্নতি ভালোভাবে হবে না। এ ব্যাপারে বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    কী বললেন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান?

    ভাটপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, যে কথাগুলো সত্যেনবাবু বলেছে সেগুলো তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। যদি কিছু ঘটে থাকে তাহলে দলের মধ্যে আলোচনা করা যেত। তিনি দীর্ঘদিনের আমাদের সহকর্মী, তাকে পরামর্শ দেবো যে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা উচিত। যদি কোনও দুর্নীতি হয়ে থাকে সেটা চেয়ারম্যানের নজরে আনা উচিত ছিল। অভিযোগের কোনও সত্যতা আছে কিনা সেটা ঠিক নেই। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আর আদালতের নির্দেশে কিছু কাজে বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই, পরিষেবা দেওয়ার জন্য টেন্ডার ছাড়া কিছু কাজ করিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এলাকার মানুষের স্বার্থে এই কাজ করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: উজ্জ্বল বিশ্বাসের ‘জিভ ছিঁড়ে নেওয়া’ মন্তব্যের পাল্টা দিলেন দিলীপ ঘোষ

    Dilip Ghosh: উজ্জ্বল বিশ্বাসের ‘জিভ ছিঁড়ে নেওয়া’ মন্তব্যের পাল্টা দিলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ডিএ আন্দোলনকারীদের নিশানা করতে গিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস কৃষ্ণনগরে বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু বললে তার জিভ টেনে ছিঁড়ে নেওয়া হবে। রাজ্যের মন্ত্রী এখনও অবধি অনড় রয়েছেন তাঁর মন্তব্যে। এ প্রসঙ্গে, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়ে রবিবার বাঁকুড়ায় বলেন, এবার সময় এসেছে এই ধরনের পাগলের মতো কথাবার্তা যারা বলে তাদের বুঝে নেওয়ার। প্রসঙ্গত শনিবারই, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় হাজার হাজার সরকারি কর্মচারী ডিএ-এর দাবিতে মিছিল করেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন শান্তিনিকেতনের সামনে দিয়ে সেই মিছিল যাওয়ার সময় শোনা যায় চোর চোর স্লোগান। সেই সময়ই কৃষ্ণনগরে রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস এই ধরনের মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন,  এটাই হবে আগামী দিনের আন্দোলনের রূপরেখা, আসি যাই মাইনে পাই এই নীতি চলবে না। প্রসঙ্গত, এখনও অবধি নিজের মন্তব্যেই অনড় রয়েছেন উজ্জ্বল বিশ্বাস, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। উজ্জল বিশ্বাসের এহেন মন্তব্যে বিরোধী মহলের একাংশ বলছে, তবে কি গণতান্ত্রিক ভাবে আন্দোলন করলেও নেমে আসবে শাসক দলের সন্ত্রাস?

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

    টিএমসি খেদাও অভিযানের ডাক দিলেন দিলীপ (Dilip Ghosh)

    অন্যদিকে বাঁকুড়াতে এদিন সকালে টিএমসি খেদাও অভিযানের ডাক দিলেন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল ভোট লুট করতে এলে বাঁশ দিয়ে মোকাবিলা করার নিদান দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, বাঁকুড়া বিজেপির শক্তঘাঁটি। গত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে অভূতপূর্ব ফল করে এখানে তারা। পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাই এই জেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বিজেপি নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, শনিবার সকালে বাঁকুড়ার মাচানতলায় প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এই মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া বিজেপির জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মন্ডল এবং বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক জেলা সফরে আসার আগেই তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক! জেলা জুড়ে শোরগোল

    Abhishek Banerjee: অভিষেক জেলা সফরে আসার আগেই তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক! জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনের সপ্তাহে নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তার আগেই অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক বীরভূম জেলায় একের পর এক তৃণমূল নেতা দল ছাড়ছেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে শাসক দলের একের পর এক পদাধিকারী দল ছাড়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কোন কোন নেতা তৃণমূল ছাড়লেন?

    আগামী ৯, ১০ এবং ১১ মে জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) আসছেন। জেলার একাধিক ব্লকে এই কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে। তার ঠিক আগেই রামপুরহাট ১ ব্লকের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি রিয়াজুল হক শুক্রবার আচমকা পদত্যাগ করলেন। উল্লেখ্য, এই ব্লকেই বগটুই গ্রাম। এই গ্রামের প্রতি বিশেষ নজর দিতেই এলাকার বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় অনুগামী রিয়াজুলকে ব্লক সভাপতি করা হয়। এমনকী শুক্রবার মালদহ থেকে কলকাতা ফেরার পথে রামপুরহাট রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বগটুই গ্রামকে মডেল গ্রাম করার নির্দেশ দিয়ে যান।এলাকার বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী সবরকম সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন। উল্লেখ্য, বগটুই গণহত্যাকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গ্রামে দখলদারি করতে চাইছে বিজেপি ও তৃণমূল। গত ২১ মার্চ শহিদ দিবস পালনে তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে আচমকা সোশ্যাল মিডিয়ায় শারীরিক কারণ দেখিয়ে ও ব্যবসার প্রসঙ্গ তুলে ধরে শুক্রবার সকালেই পদত্যাগ করেন রিয়াজুল। রিয়াজুল বলেন, পদে থেকে দলকে সময় দিতে পারছিলাম না। আর ব্যবসার কাজও ঠিকমতো করতে পারছিলাম না। তাই, সভাপতির পদ থেকে আমি পদত্যাগ করলাম। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামপুরহাটের যুব তৃণমূল নেতা সঙ্কেত সেনগুপ্ত শনিবার দল ছাড়লেন। তিনি যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রামপুরহাট শহর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এদিন দুপুরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দল ছাড়ার বিষয়টি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, পারিবারিক অসুবিধা ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে দল ছাড়লাম। আমার জায়গায় দল অন্য কাউকে দায়িত্ব দিলে ভাল হয়।

    কী বললেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি?

    এমনিতেই রিয়াজুল হক তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মির না পছন্দের তালিকায় ছিলেন। ফলে, যতদিন গিয়েছে, তত দূরত্ব বেড়েছে তাঁদের। ব্লক সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি বলেন, “উনি আমার ব্লক কমিটিতে ছিলেন না। এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি।”

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বগটুই স্বজনহারা পরিবারের সদস্য ও সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া মিহিলাল শেখ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বগটুইকে মডেল গ্রাম করার প্রতিশ্রুতি ভোটের চমক ছাড়া কিছুই নয়। সংখ্যালঘু মানুষদের শুধু ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে তৃণমূল। সংখ্যালঘু মানুষ সেটা বুঝে গিয়েছে। আর কেউ ওদের পাশে থাকবে না। আর রিয়াজুল হক তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রিয়াজুল আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার পথ বাতলালেন ডিএ আন্দোলনকারীদের, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার পথ বাতলালেন ডিএ আন্দোলনকারীদের, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি জায়ান্ট কিলার! নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন হাজার দুয়েক ভোটে। তাই মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার কৌশল তাঁর জানা আছে বলে নানা সময় দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়ায় মিছিল করেন বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীরা। তার আগে তাঁরা জড়ো হয়েছিলেন হাজরা মোড়ে। সেখানেই ভাষণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বাতলে দেন রাজ্য সরকারকে টাইট দেওয়ার কৌশলও।

    প্রশাসন সম্পর্কে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) মূল্যায়ন…

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, আপনারা মারপিট করার কোনও কর্মসূচি নেবেন না। রাজ্য প্রশাসন সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন, এরা নিষ্ঠুর, এরা বর্বর, এরা যে কোনও সময় খুন করতে পারে। এরা ট্রিগার হ্যাপি। আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, আপনাদের নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। স্ত্রী-পুত্র, পরিবার, বাবা-মা আছেন। অনশন করে শরীর নষ্ট করা যাবে না। এর পরেই রাজ্য সরকারকে টাইট দেওয়ার উপায় বাতলে দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, আপনাদের হাতে কলম আছে। কলমের খাপ বন্ধ করলেই টাইটটা হবে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে এই বিজেপি নেতা বলেন, সরকারের সঙ্গে লাগাতার অসহযোগের পথে হাঁটলে সরকার এমনিতেই সমস্ত দাবিদাওয়া মেনে নিতে বাধ্য হবে। আন্দোলনকে জোরদার করতে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদেরও এই আন্দোলনে শামিল হওয়ার ডাক দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুুন: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    শুভেন্দু বলেন, আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিল। গণদেবতা ওঁকে হারিয়েছেন, আমাকে সামনে রেখে। উনি কম্পার্টমেন্টাল চিফ মিনিস্টার। আপনারা সবাই সাহায্য করুন। কে জিতবে ঠিক করবেন জনগণ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের এই অত্যাচারী শাসককে প্রাক্তন আমাদের করতেই হবে। তিনি বলেন, নিজের দলের ভোট চাওয়ার আগে বলতে হবে, নো ভোট টু মমতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যে লক্ষ লক্ষ পদে কর্মী নেই। সব চাকরি বেচে দিয়েছে। যাঁরা ধর্মঘটে গিয়েছিলেন, মমতার সরকার দমন-পীড়ন করে তাঁদের একদিনের বেতন কেটে নিয়েছে। বদলি করেছে।

    তিনি বলেন, এই আন্দোলনের প্রথম দিন থেকে ভাস্করবাবু (আহ্বায়ক) সহ পুরো নেতৃত্বকে সমর্থন দিয়েছি আমরা। শুভেন্দু বলেন, জনগণ আমাদের এ রাজ্যের বিরোধী দল করেছেন। বিরোধী দলনেতা মানে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা নয়। যতজন সরকারের দ্বারা, সরকারি দলের দ্বারা আক্রান্ত হবে, তার বিরোধিতায় আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share