Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Justice Abhijit Ganguly: ছক কষেই দুর্নীতি! জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করার নির্দেশ সিবিআই-ইডিকে

    Justice Abhijit Ganguly: ছক কষেই দুর্নীতি! জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করার নির্দেশ সিবিআই-ইডিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় মঙ্গলবার সিবিআইয়ের (CBI) সমালোচনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। তাঁর প্রশ্ন, “কতবার মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই?” সিবিআইয়ের সিটের প্রধান অশ্বিনী শেনভিকে ভার্চুয়ালি তলবও করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পর্ষদের ‘ডিজাইনড কোরাপশনে’র উল্লেখও করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    ‘নতুন ধরনের দুর্নীতি’

    ২০২০ সালে কাউন্সেলিং পর্বে হয়েছে এই ডিজাইনড কোরাপশন। আদালত চায়, সিবিআই নতুন করে এফআইআর রুজু করে তদন্ত করুক। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, এদিনই জেলে গিয়ে মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক সিবিআই। তিনি (Justice Abhijit Ganguly) বলেন, “২০২০ প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এটা নতুন ধরনের দুর্নীতি। আজই মানিক ভট্টাচার্যকে প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন সিবিআইয়ের দক্ষ দুই অফিসার। সন্ধে ৬টার মধ্যে মামলাকারীদের আইনজীবী দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে আজই প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের।

    ‘ডিজাইনড কোরাপশন’

    প্রশ্ন হল, ডিজাইন কোরাপশন কী? জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছিল কাউন্সেলিং। পরের বছর জুলাই মাসে কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করে পর্ষদ। সেখানে চতুরতার সঙ্গে ড্রাফট লেখা হয়েছিল। হোম ডিস্ট্রিক্ট ফাঁকা না দেখিয়ে, প্রেফার্ড ডিস্ট্রিক্টকে পছন্দ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কাউন্সেলিং পর্বে প্রার্থীদের বলা হয় ‘লাস্ট চান্স’। যদিও সেবারই তাঁরা প্রথম সুযোগ পাচ্ছিলেন। এখানেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। তিনি জানান, যে মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পেয়েছেন মানিক, সেই মামলার সঙ্গে এই নতুন মামলার কোনও যোগ নেই। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, তদন্ত চালিয়ে গেলেও, মানিকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই।

    আরও পড়ুুন: প্রসঙ্গ মণিপুর, বিধানসভায় রাজ্যের অস্ত্রেই সরকারকে ঘায়েল করবেন শুভেন্দু!

    ইডির উদ্দেশে এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, এই মামলায় কোনও আর্থিক তছরুপ হয়ে থাকলে তদন্ত করতে পারবে তারা। প্রয়োজনে মানিককে হেফাজতেও নিতে পারবে। আজ, মঙ্গলবার থেকেই তদন্ত শুরু করতে পারবে ইডি। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য, যে ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বীরভূম, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ ও হুগলিতে ডিজাইন কোরাপশনের অভিযোগ উঠেছে।

    মঙ্গলবার প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে। ওই মামলায় বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিকের নিয়োগে পরিকল্পিত দুর্নীতি হয়েছে। যার নেপথ্যে রয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। মানিক-ই ছক কষে ডিজাইনড কোরাপশন করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Suvendu Adhikari: প্রসঙ্গ মণিপুর, বিধানসভায় রাজ্যের অস্ত্রেই সরকারকে ঘায়েল করবেন শুভেন্দু!

    Suvendu Adhikari: প্রসঙ্গ মণিপুর, বিধানসভায় রাজ্যের অস্ত্রেই সরকারকে ঘায়েল করবেন শুভেন্দু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অস্ত্রেই রাজ্য সরকারকে ঘায়েল করার পরিকল্পনা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)! মণিপুরে দুই তরুণীকে নগ্ন করে ঘোরানোর ঘটনায় উত্তাল গোটা দেশ। তাকে হাতিয়ার করে বিজেপিকে বেকায়দায় ফেলতে চাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত তৃণমূল সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও, তা নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা হচ্ছে না বলেই অভিযোগ বিরোধীদের। অথচ বুধবার মণিপুর ইস্যুতে উত্তপ্ত হতে পারে বিধানসভা।

    প্রসঙ্গ মণিপুর

    মঙ্গলবারই এ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে এদিন ধূপগুড়ির বিধায়ক বিজেপির বিষ্ণুপদ রায় প্রয়াত হন এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন মুলতুবি ঘোষণা করা হয় বিধানসভা। তাই এদিন আর কোনও আলোচনা হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই ওঠেনি মণিপুর প্রসঙ্গও। তাই বুধবার এনিয়ে শাসক-বিরোধী তরজায় উত্তপ্ত হতে পারে বিধানসভার কক্ষ। তৃণমূল সূত্রে খবর, মণিপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার সভায় নিন্দা প্রস্তাব আনবে ঘাসফুল শিবির। তবে বিজেপি বিধায়করা যে তা হতে দেবেন না, তা স্পষ্ট রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কথায়ই।

    শুভেন্দুর হাতিয়ার

    তিনি বলেন, “মণিপুর নিয়ে কোনও প্রস্তাব আনতে পারে না। কারণ এডুকেশন স্ক্যাম নিয়ে আমরা আগে যখন বলেছিলাম, তখন বলা হয়েছিল সাব জুডিস ম্যাটার। আলোচনা করা যাবে না। মণিপুরও সাব জুডিস ম্যাটার। সুপ্রিম কোর্ট হয়েছে। ফলে একই যুক্তিতে এটাও আলোচনা করা যায় না।” শুভেন্দু বলেন, “তবুও জোর করে আনলে আলোচনা হবে। আমাদের মহিলা সদস্যরা অংশ নেবেন। আমরা হাউস (বিধানসভা) বন্ধ করে নয়, সচল রেখেই প্রতিবাদ জানাব।”

    তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলতে এদিন আইনশৃঙ্খলার অবনতি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং ডেঙ্গি রোধে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগে এদিন বিধানসভায় নিন্দা প্রস্তাব আনবে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “রামপুরহাটের বগটুই থেকে মালদহ, গোটা রাজ্যে নারী নির্যাতন চলছেই। নিয়োগ দুর্নীতির মাঝেই বাড়ছে বেকারত্ব। বর্ষার শুরুতেই মহামারির আকার নিয়েছে ডেঙ্গি। এরই প্রতিবাদে সরব হবেন আমাদের প্রতিনিধিরা।”

    আরও পড়ুুন: সালিশি সভায় আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে মার, গ্রেফতার ৪, এলাকায় শোরগোল

    প্রসঙ্গত, জরুরি ভিত্তিতে মঙ্গলবারই দিল্লি গিয়েছেন শুভেন্দু। তার আগে তিনি করেন পরিষদীয় দলের বৈঠক। তিনি বলেন, “আমরা শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা চাইব। না হলে প্রতিবাদে শামিল হব।” বুধবারই বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব আনবেন বিজেপির মহিলা বিধায়করা। শ্যামবাজারে অবস্থানও করবেন। রাজ্যে বিভিন্ন বিস্ফোরণের ঘটনায় দাবি করবেন এনআইএ তদন্তও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: সালিশি সভায় আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে মার, গ্রেফতার ৪, এলাকায় শোরগোল

    Siliguri: সালিশি সভায় আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে মার, গ্রেফতার ৪, এলাকায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া, মালদার ছায়া এবার শিলিগুড়িতে। সালিশি সভায় পঞ্চায়েত সদস্যের উপস্থিতিতে এক আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার বাগডোগরা থানার ভুজিয়াপানি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম প্রদীপ সরকার, গৌরী সরকার, শিবা বাল্মিকী, ললিতা বাল্মিকী। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি আদালতে তাদের তোলা হয়। পাশাপাশি গোটা ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করতে আদিবাসী কল্যাণ সমিতির রাজ্য নেতৃত্ব এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলে।

     ঠিক কী হয়েছিল?

    ভুজিয়াপানির বাসিন্দা প্রদীপ সরকারের সঙ্গে এলাকার এক মহিলার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এনিয়ে গত ১৯ জুলাই এলাকায় সালিশি সভা বসে। সেখানে প্রদীপ সরকারের স্ত্রী ও অপর এক মহিলার সঙ্গে হাতাহাতি হয়। তাদের ছাড়াতে গেলে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ওই নির্যাযিতা মহিলাও। ঘটনার পরের দিন আবার ওই ঘটনা নিয়ে সালিশি সভা ডাকা হয়। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বুলবুলি সিংহ। শিলিগুড়ির (Siliguri) এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

     কী বললেন নির্যাতিতা মহিলা?

    নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলা বলেন, সালিশি সভার প্রথম দিন প্রদীপ সরকারের সঙ্গে যে মহিলার পরকীয়া চলছিল, তার সঙ্গে গৌরিদেবীর হাতাহাতি শুরু হয়। গৌরিদেবী প্রদীপ সরকারের স্ত্রী।  আমি হাতাহাতি থামাতে গেলে আমাকে মারধর করা হয়। তারপর সবাই মিটমাট করে দিলে বাড়ি চলে আসি। পরের দিন আবার সালিশি সভা ডাকা হয়। আমি যাইনি। আমাকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পৌঁছতেই অভিযুক্ত মহিলা আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারধর শুরু করে। পঞ্চায়েত সদস্যের সামনে এই ঘটনা ঘটে। তারপর আরও কয়েকজন আমাকে মারধর করে। সকলের সামনেই আমাকে বিবস্ত্র করেই হামলা চলে। আমি মাটিতে পড়ে যেতেই সকলে চলে যায়। কয়েকজন এসে আমাকে গামছা চাপা দিয়ে লজ্জা নিবারণ করে। খবর পেয়ে আমার ছেলে বাড়ি থেকে নাইটি নিয়ে যায়। সেই নাইটি পরে বাড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে ফেরার পর রবিবার রাতে আমার নড়ার ক্ষমতা ছিল না। সেই সঙ্গে লজ্জায় বাড়ির বাইরে বের হইনি। বাড়িতে শুয়েই ছিলাম। সোমবার স্থানীয় কয়েকজনের পরামর্শে আমি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করি। 

    কী বললেন পঞ্চায়েত সদস্য?

    কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য বুলবুলি সিংহ সালিশি সভা ও আদিবাসী  মহিলাকে নিগ্রহের ঘটনা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলেন, ওই মহিলাকে মারধর করা হলেও বিবস্ত্র করা হয়নি।

    নিন্দায় সরব আদিবাসি কল্যাণ সমিতি

    এই খবর পেয়ে এদিন ওই নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে দেখা করে গোটা ঘটনা শোনে আদিবাসি কল্যাণ সমিতির নেতৃত্ব। সমিতির অন্যতম সদস্য মন্টু বরাইক বলেন,  আদিবাসী কল্যাণ সমিতির  রাজ্য নেতৃত্ব এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। হাওড়া, মালদার পর শিলিগুড়িতে এধরনের ঘটনা ঘটায় আমরা উদ্বিগ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগের মামলায় ওএমআর শিট দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগের মামলায় ওএমআর শিট দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের (Recruitment Scam) মামলায় উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। তবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ওএমআর শিট জনসমক্ষে প্রকাশ নয়, জমা দিতে হবে সিলবন্ধ খামে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। 

    সুপ্রিম নির্দেশ

    নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তবে সেই নির্দেশের উপর আজ স্থগিতাদেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি বেলা ত্রিবেদীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। ওএমআর শিট জনসমক্ষে প্রকাশ করার বদলে সিলবন্ধ খামে করে তা সুপ্রিম কোর্টে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে আদালতে। গত ৭ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০১৬ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে ৫,৫০০ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল, তাঁরা-সহ ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। উত্তরপত্রের পাশাপাশি নাম, বাবার নাম, ঠিকানা, স্কুলের নাম-সহ ৯০৭ জনের তালিকাও প্রকাশ করতে হবে, যাঁদের বিকৃত উত্তরপত্র উদ্ধার করেছিল সিবিআই। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত ওএমআর শিট প্রকাশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিলেও নাম, ঠিকানা সম্বলিত তালিকা প্রকাশের নির্দেশ বহাল রেখেছে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উপদেষ্টা কমিটি কেন? গঠনই বা করল কে? উত্তর খুঁজছে সিবিআই

    এই মামলার শুনানিতেই গতকাল, অর্থাৎ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেছিলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) যা হয়েছে তা পুরোপুরি রাজনৈতিক। এক্ষেত্রে যা পরিস্থিতি তাতে একমাত্র ভগবানই পারে রাজ্যকে বাঁচাতে। শিক্ষক নিয়োগের মামলা শুনেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন, “দিনের পর দিন কী হচ্ছে এটা? সবেতেই রাজনীতি জড়িয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ হলেই মামলা হয়ে যাচ্ছে। এ তো দেখছি একমাত্র ভগবানই পারে বাংলাকে বাঁচাতে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam Case: নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উপদেষ্টা কমিটি কেন? গঠনই বা করল কে? উত্তর খুঁজছে সিবিআই

    Recruitment Scam Case: নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উপদেষ্টা কমিটি কেন? গঠনই বা করল কে? উত্তর খুঁজছে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার (Recruitment Scam Case) জন্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছিল ২০১৮ সালে। পরে এই উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশেই নিয়োগ হয়। দু বছর আগের নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্ব কেন দু বছর পরে উপদেষ্টা কমিটিকে দেওয়া হল, তা নিয়েই প্রশ্ন সিবিআইয়ের। তাহলে কী কোনও বিশেষ উদ্দেশ্যেই গড়া হয়েছিল উপদেষ্টা কমিটি? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতেই বোর্ডের সেক্রেটারি, স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষা দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে চিঠি পাঠাল সিবিআই।

    গুচ্ছ প্রশ্ন

    কে বা কারা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার দু বছর পর উপদেষ্টা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিলেন, কার নির্দেশে এই কমিটি তৈরি হয়েছে, কমিটিতে কাদেরই বা নেওয়া হয়েছিল, এসবও শিক্ষা দফতরের কাছে জানতে চেয়েছে তদন্তকারী ওই সংস্থা। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের নথিপত্র ঠিক আছে কিনা, নিয়োগপত্র কোথা থেকে দেওয়া হয়েছিল, এসব সংক্রান্ত যাবতীয় নথিও চেয়ে পাঠিয়েছিলেন গোয়েন্দারা।

    সিবিআইয়ের চিঠি  

    সরকারি স্কুলগুলিতে প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বেআইনি নিয়োগের (Recruitment Scam Case) যে অভিযোগ উঠেছে, হাইকোর্টের নির্দেশে তার তদন্ত করছে সিবিআই। সেই তদন্ত করতে গিয়েই এক সঙ্গে তিনটি দফতরকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই চিঠির জবাবও এসে গিয়েছে নিজাম প্যালেসে। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তে যেসব স্কুলে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ, তার একটি জেলা ভিত্তিক তালিকাও তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই তালিকায় থাকা কাটোয়ার একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকেও নিজাম প্যালেসে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ফের তড়িঘড়ি দিল্লি গেলেন শুভেন্দু, আবার কী হল?

    এরই কিছুদিন আগে প্রাক্তন শিক্ষা সচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে ঘণ্টা পাঁচেক ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই উঠে আসে দুষ্মন্তের নাম। তার পরেই তলব (Recruitment Scam Case) করা হয় তাঁকে। ২০১৬ থেকে ২০১৮-র জুন মাস পর্যন্ত স্কুল শিক্ষা দফতরের সচিব পদে ছিলেন দুষ্মন্ত। ওই সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দুষ্মন্ত যখন শিক্ষা সচিব ছিলেন, তখনই নিয়োগ হয় গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি এবং একাদশ-দ্বাদশে। তাই জেরা করা হয়েছে দুষ্মন্তকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের হাজিরা এড়ালেন মলয় ঘটক, এবার কি গ্রেফতার করবে ইডি?

    Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের হাজিরা এড়ালেন মলয় ঘটক, এবার কি গ্রেফতার করবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (Bengal Coal Scam) ফের একবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাজিরা এড়ালেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক (Moloy Ghatak)। যা জানা যাচ্ছে, এই নিয়ে ১৩ বার নাকি হাজিরা এড়ালেন মন্ত্রীমশায়। গত ১২ জুলাই তাঁকে হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। চলতি সপ্তাহেই তাঁর দিল্লিতে গিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইডি সূত্রে খবর, মন্ত্রীমশাই চিঠি দিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পূর্ব নির্ধারিত কিছু কর্মসূচি থাকার কারণে তিনি দিল্লি যেতে পারছেন না।

    বার বার এড়াচ্ছেন হাজিরা

    ইডি সূত্রে দাবি, আদালতের নির্দেশ মেনে, প্রতিবার ১৫ দিন সময় দিয়ে মলয়কে (Moloy Ghatak) ডাকা হচ্ছে। কিন্তু বারেবারে নানা কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়াচ্ছেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ২০ ও ২৬ জুন তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছিল ইডি। সেইসময় রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাই তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। ভোটপর্ব মিটলে তিনি হাজিরা দেবেন। সেই মতো, ভোট মিটে যাওয়ার পর, এবার গত ১২ তারিখ তাঁকে তলবের নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, এবারও, তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেন। 

    কেন তলব মন্ত্রী মলয়কে?

    মলয় ঘটক, একাধারে আইন ও শ্রম মন্ত্রী, অন্যদিকে, খনি এলাকা আসানসোলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল বিধায়ক। ইডি সূত্রে দাবি, কয়লা পাচার মামলায় (Bengal Coal Scam) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সামনে রেখে মলয় ঘটককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা শঙ্কর চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। আসানসোল পুরসভার ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দীপা চক্রবর্তীর স্বামী শঙ্করের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে ইডি-র দাবি।

    আগে জেরা করেছে সিবিআই-ও

    এই মামলায় ইডির আগে, সিবিআইও জেরা করেছিল মন্ত্রীকে। মামলা তদন্তে সিবিআই বিরাট অভিযান চালিয়েছিল। তারা পৌঁছে গিয়েছিল মলয়ের আসানসোলের বর্তমান বাড়ি, পৈতৃক বাড়িতে। এমনকী রাজভবনের মন্ত্রী আবাসনের যে ফ্লোরে মলয় (Moloy Ghatak) থাকেন সেখানেও হানা দিয়েছিল সিবিআই। পরে, এই মামলায় ইডি-ও সামন্তরাল তদন্ত শুরু করলে, ডাক পড়ে মলয় ঘটকের। যে প্রেক্ষিতে, মন্ত্রীমশাই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, অন্তত ১৫ দিন সময় নিয়ে মন্ত্রীকে ডাকতে হবে। সেই মতো, ১২ তারিখ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

    কী পদক্ষেপ করতে পারে ইডি?

    এদিকে, বার বার ডাকা সত্ত্বেও মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) যেভাবে হাজিরা এড়াচ্ছেন, তা আদালত অবমাননার সামিল বলে মনে করছে ইডি। এ নিয়ে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলেও কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর। নিয়ম অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা যাকে হাজিরার জন্য ডাকবে তাকে যেতে হবে। না গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ইডি-র। এক্ষেত্রে, তদন্তকারী সংস্থা আদালতের কাছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর জন্য আবেদন করতে পারেন। যদি তারা মনে করেন যে তিনি শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবাদ এড়ানোর জন্যই এই কাজ করছেন তবে তাকে গ্রেফতারির জন্য আদালতের কাছে ওয়ারেন্ট ইস্যুর আবেদনও করতে পারেন। কারণ ইডির গ্রেফতার করার ক্ষমতা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ফের তড়িঘড়ি দিল্লি গেলেন শুভেন্দু, আবার কী হল?

    Suvendu Adhikari: ফের তড়িঘড়ি দিল্লি গেলেন শুভেন্দু, আবার কী হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে ফিরেছিলেন সোমবার গভীর রাতে। ২৪ ঘণ্টাও পার হয়নি, ফের দিল্লি গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার রাত ৯টায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাড়িতে গিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন শুভেন্দু। রাতেই ফেরেন কলকাতা।

    শুভেন্দুর দিল্লিযাত্রা

    মঙ্গলবার বিধানসভার পরিষদীয় দলের বৈঠক শেষে ফের ধরেন দিল্লির উড়ান। কেন হঠাৎ দিল্লি যাত্রা, সে ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তবে বিজেপির একটি সূত্রের খবর, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করতেই ফের একবার দিল্লি গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাত দশটা থেকে ১২ টা পর্যন্ত অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীদের। তবে, বৈঠকের সময়সীমা আরও বাড়তে পারে বলেও জানা যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ২০২৪ লোকসভার স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বুধবার দুপুরে ফিরবেন শুভেন্দু অধিকারী। এখনও পর্যন্ত তাই স্থির রয়েছে। এদিন যাওয়ার আগে বিধানসভার কাজকর্ম দেখভালের দায়িত্ব তিনি দিয়ে গেলেন বিজেপি পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গাকে। পশ্চিমবঙ্গে নারী নির্যাতনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে বিজেপির পরিষদীয় দল। শুভেন্দু বলেন, “এই বিষয়ে আমরা আলোচনা চেয়েছি।”

    দিন কাটল ব্যস্ততায় 

    এদিন দিল্লি যাওয়ার আগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ব্যস্ত ছিলেন ধূপগুড়ির বিধায়ক বিজেপির বিষ্ণুপদ রায়ের শেষ যাত্রার প্রস্তুতিতে। সোমবার বিষ্ণুপদ মারা যান এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁর দেহ নিয়ে লোকজন ধূপগুড়ি রওনা দিতেই বিধানসভায় পরিষদীয় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তার পরেই রওনা দেন দিল্লির উদ্দেশে। এদিন শাহ-শুভেন্দু বৈঠকে যোগ দিতে পারেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।

    এদিকে, এদিন দুপুরে সংসদে সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করলেন সুকান্ত। স্ত্রী ছাড়াও তাঁর সঙ্গে ছিলেন দুই মেয়ে। সেই ছবি ট্যুইটও করেছেন সুকান্ত। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “বাংলার ব্যাপারে (Suvendu Adhikari) খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    পঞ্চায়েতে হিংসা ও অশান্তির ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। রাজ্যের উন্নয়নের বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। পঞ্চায়েতে হিংসার ঘটনা সত্ত্বেও বিজেপি যে ১১ হাজার আসনে জিতেছে, তা জেনে খুশি প্রধানমন্ত্রী।”

    আরও পড়ুুন: ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গে তুলনা! ‘ইন্ডিয়া’ জোট নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Scam: নিয়োগে অনিয়ম! সিবিআই প্রশ্নের মুখে কাটোয়া গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা

    Recruitment Scam: নিয়োগে অনিয়ম! সিবিআই প্রশ্নের মুখে কাটোয়া গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) এবার বর্ধমানের কাটোয়া গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই (CBI)। অভিযোগ, ওই স্কুলে অনিয়মের কারণে এক শিক্ষিকা কাজে যোগ দিতে পারেননি। সে কারণে সোমবার কাটোয়া দুর্গাদাসী চৌধুরানি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কবিতা সরকারকে তলব করা হয়। তাঁর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে না পারায় এদিন সন্ধ্যায় স্কুলের কর্মী বিজন সাহাকেও ডেকে পাঠান গোয়েন্দারা। বিজন আবার কাটোয়া পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরও। 

    কেন তলব

    সিবিআই সূত্রে খবর, ২০২১ সালে এক শিক্ষিকার নিয়োগে অনিয়মের কারণে ওই স্কুলটি গোয়েন্দাদের নজরে আসে। অভিযোগ, মৌমিতা চক্রবর্তী নামে একজনের নিয়োগের চিঠি স্কুলে এসেছিল। কিন্তু তিনি ওই স্কুলে যোগ দিতে পারেননি নানা কারণে। কেন এমনটা হয়েছিল, তা জানতেই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে তলবের পাশাপাশি নথিপত্র পাঠাতে বলেন গোয়েন্দারা। ওই স্কুলটিতে বেআইনি পদ্ধতিতে একাধিক শিক্ষিকার নিয়োগ হয়েছে বলেও অভিযোগ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর,  কাটোয়া গার্লস স্কুলে বেআইনি ভাবে বেশ কয়েকজনের চাকরির অভিযোগ। কাদের সুপারিশে চাকরি, মেল মারফত কোনও চিঠি এসেছিল, নাকি হাতে কেউ দিয়ে গিয়েছিল ? জানতে প্রধান শিক্ষিকাকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    আরও পড়ুন: প্রবীণ আরএসএস নেতা মদন দাস দেবীর জীবনাবসান, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    নিয়োগ মামলার তদন্তে নেমে জেলা ধরে ধরে রাজ্যের এমন বেশ কিছু স্কুলের নামের তালিকা সিবিআই তৈরি করেছে, যেখানে বেআইনি নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ। তার মধ্যে অন্যতম কাটোয়ার ওই স্কুল। স্কুলটি কেন্দ্রীয় সংস্থার আতশকাচের নীচে রয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, এই স্কুলে কী ভাবে নিয়োগ হয়েছে, কোন শিক্ষিকা কবে, কিসের ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছেন, তা জানার জন্য প্রধান শিক্ষিকাকে ডাকা হয়েছে। স্কুলে কর্মরত শিক্ষিকারা চাকরিতে যোগদানের সময় কী কী নথি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন, নথিপত্র সব ঠিকঠাক ছিল কি না, তা-ও জানতে চায় সিবিআই। অভিযোগ, বেআইনি পদ্ধতিতে চাকরি পাওয়া কয়েক জন অযোগ্য প্রার্থী ওই স্কুলে চাকরি করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মহিলাদের বিবস্ত্র করে বেধড়ক মার, হাওড়ায় পথে নেমে আন্দোলন বিজেপির

    BJP: মহিলাদের বিবস্ত্র করে বেধড়ক মার, হাওড়ায় পথে নেমে আন্দোলন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচলা এবং মালদায় মহিলাদের বিবস্ত্র করে তাঁদের উপর অত্যাচার চালানোর প্রতিবাদে হাওড়ায় প্রতিবাদে সামিল হল বিজেপি (BJP)। সোমবার বিজেপির তফশিলি মোর্চা ও মহিলা মোর্চা এক জোট হয়ে তাঁরা আইন ভঙ্গের কর্মসূচিতে অংশ নেন। এদিন বিকেলে তাঁরা পঞ্চাননতলায় বিজেপির পার্টি অফিস থেকে মিছিল করে হাওড়া থানার দিকে রওনা দেন। বিজেপি কর্মীদের প্রতিবাদ যখন হাওড়া থানার দিকে এগোতে থাকে, তখন তাদের আটকানোর জন্য সিটি পুলিশের উদ্যোগে আগেই তৈরি করা হয়েছিল লোহার ব্যারিকেড। হাওড়া ময়দানে সেই ব্যারিকেডের সামনে বিজেপির মিছিল এলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। আর তখনই পুলিশের সঙ্গে উত্তেজিত জনতার ধস্তাধস্তি ও খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। প্রতিবাদকারী বিজেপি কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ পুলিশের তৈরি করা লোহার ব্যারিকেড ভেঙে হাওড়া থানার দিকে এগিয়ে যায়। পরে, তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, হাওড়ার পাঁচলায় দুই মহিলা বিজেপি কর্মীকে সম্পূর্ণভাবে বিবস্ত্র করে তাদের ওপর অত্যাচার চালানো হয়। যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা, সেই রাজ্যে নারীদের কোনও নিরাপত্তা নেই।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) হাওড়া জেলা সভাপতি মনিমোহন ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্য জুড়ে যেভাবে নারীদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে তারই প্রতিবাদে বিজেপির মহিলা মোর্চা সহ বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা এবং সাধারণ মানুষ এদিনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন রাজ্যের নারীদের সন্মানের দাম বিভিন্ন রকম। মণিপুরের ঘটনায় যে মুখ্যমন্ত্রী প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তার নিজের রাজ্যের মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী নীরব। অন্যদিকে বিজেপি মণিপুরের ঘটনার সমালোচনা করেছে। এই রাজ্যের মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় বিজেপি পথে নেমেছে। শুধুমাত্র গত কয়েক দিনের ঘটনাই নয়, এর আগেও একের পর এক মহিলাদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও নীরব ভূমিকা পালন করেছেন, আবার কখনও পার্ক স্ট্রিটের মতো ঘটনায় সেই মহিলার চরিত্র নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। এটা একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “আমরাও হাতে চুড়ি পরে বসে নেই”, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “আমরাও হাতে চুড়ি পরে বসে নেই”, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মণিপুরের ঘটনা নিয়ে পরে কথা বলবেন। আগে মালদা, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে কী হচ্ছে দেখুন!” সোমবার এই ভাষায়ই বিরোধীদের উদ্দেশে তোপ দাগলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কোচবিহারে গণধর্ষণের শিকার এক নাবালিকার প্রসঙ্গও টানেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    বাংলায় ঘটনার ঘনঘটা

    তিনি বলেন, “কোচবিহারে ১৪ বছরের এক নাবালিকাকে ছ’ দিন ধরে গণধর্ষণ করা হয়েছে। হাসপাতালে সে পাঞ্জা লড়ছে মৃত্যুর সঙ্গে। বাংলায় ঘটে যাওয়া একের পর এক কাণ্ড কেন বিরোধীদের চোখে পড়ছে না?” এর পরেই তিনি বলেন, “আমাদের বিরোধীরা একপেশে। তাঁরা মণিপুর দেখতে পাচ্ছেন, কিন্তু মালদা, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের ঘটনা দেখতে পাচ্ছেন না।”

    সুকান্তর হুমকি 

    বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো স্বয়ং। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমরাও হাতে চুড়ি পরে বসে নেই। এমন প্রত্যুত্তর দেব, যা তৃণমূল কংগ্রেস মনে রাখবে সারা জীবন।” তিনি বলেন, “বিরোধী দলের নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করতে বলা তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করার চেষ্টা। এটা বিজেপি কোনওভাবেই মেনে নেবে না।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “ওদের যা করার, করুক। কিছু মানুষের প্রাণ যদি যায়, কেউ যদি আহত হয়, কোনও মায়ের কোল যদি খালি হয়, তাহলে আমরাও তৃণমূল কংগ্রেসকে ছাড়ব না। পরবর্তী পদক্ষেপ আমরা ঠিক সময় ঘোষণা করব।”

    এর পরেই তিনি বলেন, “এমন প্রত্যুত্তর দেব, যা তৃণমূল কংগ্রেস সারা জীবন মনে রাখবে।” সুকান্ত বলেন, “রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের কর্মীরা এফআইআর করেছেন। এটা প্ররোচনামূলক কথা। মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর স্বনামধন্য কয়লা ভাইপো যেভাবে হিংসায় প্ররোচনা দিয়েছে, তা ভারতের ইতিহাসে কেউ কখনও দেখেনি।” সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূলের ওই কর্মসূচি নিয়ে আমার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কথা হয়েছে। আমি বিষয়টি ওঁকে চিঠি দিয়ে জানাচ্ছি। আমাদের প্রতিনিধি দল রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করে বিষয়টি জানাবে। কারণ সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করার চেষ্টা হচ্ছে।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “তৃণমূলের কর্মসূচির মোকাবিলায় বিজেপি প্রস্তুত রয়েছে। তার পাল্টায় কী হবে, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভেবে রাখতে বলবেন।”

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসার মামলায় খারিজ রাজ্যের আর্জি, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে বহাল এনআইএ তদন্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share