Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Panchayat Election 2023: প্রায় আড়াই দশক পর দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট পাহাড়ে

    Panchayat Election 2023: প্রায় আড়াই দশক পর দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট পাহাড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শনিবার ২৩ বছর পর ফের পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) হচ্ছে পাহাড়ে।  ২০০০ সালে শেষবার পঞ্চায়েত নির্বাচন হয় দার্জিলিঙে। তখন দার্জিংলিঙের (Darjeeling) অধীনে ছিল কালিম্পং। এবার দার্জিলিং ও কালিম্পঙে দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট। পুলিশ সূত্রের খবর, দার্জিলিঙে ২৭টি ‘স্পর্শকাতর’ এলাকা রয়েছে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পুলিশের সঙ্গে মোতায়েন রাখা হয়েছে। প্রত্যেক থানা এলাকায় ‘ক্লোজড-সার্কিট ক্যামেরা’র নজরদারির বন্দোবস্ত রয়েছে। দার্জিলিঙের জেলাশাসক এস পুন্নমবলম এবং জেলা পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়মাবলি মেনেই সব বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

    শান্তিপূর্ণ ভোটের আর্জি

    ২০১১ সালের পরে রাজ্যে পালাবদল হলেও পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) দামামা বাজেনি পাহাড়ে। তবে আঞ্চলিক স্তরে বর্তমানে পাহাড়ে একাধিপত্য রয়েছে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা বা বিজিপিএমের। বহুদিন থেকেই দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র বিজেপির দখলে। পাহাড়ের ২টি বিধানসভা কেন্দ্রও রয়েছে পদ্ম শিবিরের দখলে। ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চাকে ঠেকাতে অন্যান্য ছোটখাটো আঞ্চলিক দলগুলিকে নিয়ে পঞ্চায়েত ভোটের আবহে জোট করার উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি। পাহাড়ে চলছে ভোট উৎসব।  রাজু বিস্তা থেকে বিমল গুরুং, মন ঘিসিংয়েরা দলীয় দফতর, বাড়ি থেকে ভোটের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: নির্দল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কদম্বগাছি, খড়গ্রামে মৃত্যু তৃণমূল কর্মীর

    শান্তির পরিবেশ বজায় রেখে ভোটে (Panchayat Election 2023) নামার জন্য দলীয় নেতা-কর্মী এবং বিরোধীদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন ‘গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ (জিটিএ)-এর প্রধান অনীত থাপা। প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সভাপতি অনীত থাপা বলেন, ‘‘পাহাড়ে শান্তি ফিরেছে। পাহাড়ের গ্রামের উন্নয়নের জন্য পঞ্চায়েতি রাজ চালু হওয়ার মুখে। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। উৎসবের মেজাজে সব এলাকায় ভোট হবে।’’ বাবার চিকিৎসার জন্য হায়দরাবাদে থাকলেও, শান্তিপূর্ণ ভোটের আবেদন করেছেন হামরো পার্টির সভাপতি অজয় এডওয়ার্ডও।  বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তার দাবি, ‘‘শাসকের দুর্নীতি, প্রলোভন এড়িয়েই নতুন আলোর জন্য ভোট দেবেন মানুষ। যৌথ গোর্খা মঞ্চের প্রার্থীরা জিততে চলেছেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: হাতিয়ার ‘দুর্নীতি’, তৃণমূলকে টক্কর দেবে বিজেপি!

    Panchayat Election 2023: হাতিয়ার ‘দুর্নীতি’, তৃণমূলকে টক্কর দেবে বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। নির্বাচন হবে ৬১ হাজারেরও বেশি আসনে। শাসক দল তৃণমূলকে বিনা যুদ্ধে সুচ্যগ্র মেদিনীও ছাড়তে রাজি নয় বিজেপি। তবে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো এবার তৃণমূল আর একতরফা খেলতে পারবে না বলেই দাবি বিরোধীদের। রাজ্যের বেশ কয়েকটি আসনে যে সমানে সমানে টক্কর হবে, তা মেনে নিয়েছে শাসক ও বিরোধী উভয়পক্ষই। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে জেলা পরিষদে তৃণমূলকে যথেষ্ট বেগ দেবে বিজেপি। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পূর্ব মেদিনীপুরেও তৃণমূলকে টক্কর দেবেন বিরোধীরা। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ত্রিস্তরে বিজেপি জিতেছিল ৬ হাজারের কাছাকাছি আসনে। এবার তাদের লক্ষ্য ১৫ হাজার আসনে জয়। বাম-কংগ্রেস জোটের আশা, মুর্শিদাবাদ ও পুরুলিয়ায় ভাল ফল করবে তারা।

    জেলা পরিষদে লড়াই

    রাজ্যে জেলা (Panchayat Election 2023) পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ৯২৮টি। শাসক দল ১৬টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যাওয়ায় নির্বাচন হচ্ছে ৯১২টিতে। এর সবকটিতেই প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। বিজেপি লড়ছে ৮৯৭টি আসনে। কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে ৬৪৪টি আসনে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৮২৫টি। তার মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল জিতেছিল ২০৩টি আসনে। তবে এবার আর তা হচ্ছে না। তাই খেলা হবে! বিরোধীদের দাবি, তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে যে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার জেরেই রাজ্যবাসী উচিত শিক্ষা দেবে শাসক দলকে।

    ভোট চায় জনতা

    এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় (Panchayat Election 2023) গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪২৯০টি আসনে, পঞ্চায়েত সমিতির ৬৬৫টি আসনে এবং জেলা পরিষদের ৭০টি আসনে লড়াই হচ্ছে। এই জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬২টি ও পঞ্চায়েত সমিতির ২টি আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখছেন না ভোটাররা। তাঁদের বক্তব্য, লড়াই হোক। সেখানেই নির্ধারিত হোক জয়- পরাজয়। তাঁদের মতে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ে আদতে বঞ্চিত করা হয় ভোটারদেরই। তাই প্রতিটি আসনেই লড়াই হওয়া উচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ভোটারেরই প্রশ্ন, উন্নয়ন করে থাকলে নির্বাচনে কেন অনীহা শাসকের? কেন ভয় দেখিয়ে দাবিয়ে রাখতে হবে বিরোধীদের?

    আরও পড়ুুন: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: মিড-ডে মিলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ভোটকর্মীদের ভাতা! রাজ্যের রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

    Panchayat Election 2023: মিড-ডে মিলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ভোটকর্মীদের ভাতা! রাজ্যের রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড-ডে মিলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ভোটকর্মীদের ভাতা (Panchayat Election 2023) দেওয়ার অভিযোগ পশ্চিম বর্ধমানে। অবিলম্বে রাজ্য সরকারের রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্র। কেন্দ্রের শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে চিঠি দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    মিড-ডে মিলের টাকা

    সম্প্রতি কিছু স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মিড-ডে মিলের টাকা দেওয়া হয়েছে ভাতা হিসেবে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, পশ্চিম বর্ধমানে মিড-ডে মিল বা পিএম পোষণ প্রকল্পে বরাদ্দ করা টাকা খরচ হয়েছে ভোটকর্মীদের ভাতা প্রদানে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। যেটা হয়েছে, তা অন্যায়। রাজ্য সরকারের টাকা না থাকলে অন্য ব্যবস্থা করতে পারে। কিন্তু মিড-ডে মিলের টাকা কেন?

    ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা রাজ্যের?

    ভাইরাল হওয়া ঘটনাটি চাপা দিতে নয়া বিজ্ঞপ্তি (Panchayat Election 2023) জারি হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। তিনি বলেন, তড়িঘড়ি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে প্রথমে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি মিড-ডে মিলের নামে খোলা হলেও, এখন তা মিসলেনিয়াস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটা কি হতে পারে?  রাজ্য যদি এ ব্যাপারে দ্রুত তদন্ত করে রিপোর্ট না দেয়, সে ক্ষেত্রে ফের রাজ্যে কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রক।

    আরও পড়ুুন: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, মিড-ডে মিলের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫৪০ টাকা পাঠানো হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই এমনটা (Panchayat Election 2023) হয়েছে। যৌথমঞ্চের সরকারি কর্মীরা বলেন, এই টাকা শিশুদের খাবারের টাকা। ভাতার টাকা ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, বগটুই গণহত্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সময়ও মিড-ডি মিলের টাকা ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে অন্তত চার জন কেন্দ্রীয় জওয়ান! বিএসএফ-এর দাবি মানছে কমিশন

    Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে অন্তত চার জন কেন্দ্রীয় জওয়ান! বিএসএফ-এর দাবি মানছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ দখল বা সম্ভাব্য হিংসা এড়িয়ে সুষ্ঠু ভোটের কথা মাথায় রেখেই শনিবার, পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) সময় সমস্ত বুথে অন্তত চার জন সক্রিয় কেন্দ্রীয় জওয়ান রাখার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এর ফলে প্রতি নির্বাচনী বুথে বাহিনী বণ্টনের সমস্যা মিটল। প্রতিটি বুথে চারজন করে সক্রিয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকবে। কমিশনের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে এই খবর জানানো হয়েছে।

    বাহিনীর প্রস্তাবে সায়

    রাজ্যে বিভিন্ন এলাকায় হিংসার ঘটনার উদাহরণ টেনে প্রতি বুথে অন্তত হাফ সেকশন অর্থাৎ চার জন সক্রিয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ভারপ্রাপ্ত কোঅর্ডিনেটর এবং বিএসএফের আইজি। সেই সঙ্গে বলেছিলেন রাজ্য পুলিশকেও পাহারায় থাকতে হবে। শুক্রবার বাহিনী দেওয়া সেই সমস্ত প্রস্তাব মেনে নিল কমিশন। 

    আরও পড়ুন: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    রাত পোহালেই পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023)। নির্দেশে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ সিভিক ভলেন্টিয়ারর থাকবেন ভোটের সময় লাইন বজায় রাখার জন্য৷ এ ছাড়া মোবাইল ভ্যানে, অর্থাৎ ভ্রাম্যমাণ কোনও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে না৷ বুথ দখল, রিগিং এবং অশান্তি এড়াতে দীর্ঘ একমাস ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে টানাপোড়েন চলছে কেন্দ্র, রাজ্য এবং কমিশনের মধ্যে। তবে আগে কমিশন জানিয়েছিল, বুথ প্রতি একজন করে জওয়ান থাকবে। সেক্ষেত্রে জওয়ানের নিরাপত্তার দিকটি ভেবে দেখার কথা জানায় বিএসএফের আইজি।

    সমন্বয় রেখে কাজ

    এদিন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন জানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে জেলা শাসক, কমিশনার এবং জেলা সুপারদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি যেহেতু রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকছে ভোটগ্রহণ (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রগুলোতে, সে কারণে উভয় পক্ষের যোগাযোগ বজায় রেখে সুরক্ষা বলয় তৈরির ব্যাপারে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: তৃণমূল জেলা পরিষদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে পোস্টার ঘিরে বিতর্ক, চাঞ্চল্য অন্ডালে

    Asansol: তৃণমূল জেলা পরিষদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে পোস্টার ঘিরে বিতর্ক, চাঞ্চল্য অন্ডালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট। এরই মাঝে তৃণমূলের জেলা পরিষদ প্রার্থীর বিরুদ্ধে চঞ্চল্যকর দাবী করে কিছু পোস্টার দেখা গেল। এরপর থেকে পোস্টারকে ঘিরে খনি অঞ্চলের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগল শুরু হয়েছে। ঘটনাটি রানীগঞ্জ বিধানসভার (Asansol) অন্ডাল ব্লকে ঘটেছে। 

    কার বিরুদ্ধে পোস্টার (Asansol)?

    শুক্রবার অন্ডালের (Asansol) দিগনালা ও অন্ডাল বাজার এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় অন্ডাল ব্লকের তৃণমূল ব্লক সভাপতি তথা এবারের পঞ্চায়েত ভোটে এলাকার জেলা পরিষদ প্রার্থী কালবরণ মন্ডলের নামে বেশ কিছু পোস্টার নজরে আসে। পোস্টারে লেখা ‘তৃণমূল ব্লক সভাপতি কালবরণ মন্ডল নানান অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত, এলাকায় জমি-কয়লা-বালির অবৈধ কার্যকলাপ করেন।” দীর্ঘদিন তিনি শাসকদলের পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক সভাপতির পদে ছিলেন। কিন্তু এতদিনেও সাধারণ মানুষের চেয়ে নিজের স্বার্থসিদ্ধির কথাই বেশি ভেবেছেন বলে পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে।

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    পোস্টার প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি (Asansol) কালবরণ মণ্ডল বলেন, ভোটের ঠিক একদিন আগেই এই ধরনের পোস্টার তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের চক্রান্ত। পাশাপাশি কালবরণ মণ্ডল নাম না করে দলের অভ্যন্তরে তাঁর বিরোধীদের দিকেও পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত করেন। যদিও কালবরণ মণ্ডল এই ধরনের পোস্টারকে কোনও রকম আমল দিতে নারাজ। তিনি বলেন, এলাকার মানুষ জানেন তাঁর ব্যক্তিত্ব কেমন, আর তার প্রতিফলন আগামী ৮ই জুলাই মানুষ ভোট বাক্সে দেখিয়ে দেবে।

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্যদিকে অন্ডালের (Asansol) বিজেপির ব্লক সভাপতি সোহন রাবনী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত অন্ডালে। এই ধরনের পোস্টার তারই বহিঃপ্রকাশ মাত্র। বিজেপি নেতা আরও দাবি করেন, পোস্টারে যে সকল জিনিস কালবরণের বিরুদ্ধে লেখা আছে, তা সবই সত্য। পোস্টারটিতে একেবারে নিচে লেখা, অন্ডাল সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম। এই পোস্টারে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করা আছে যে, এই ধরনের ব্যক্তিত্বকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেন ভোট না দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: কুলপিতে খুনের ঘটনায় ধৃত তৃণমূল প্রার্থীর ২ ছেলে সহ ৪

    Panchayat Vote: কুলপিতে খুনের ঘটনায় ধৃত তৃণমূল প্রার্থীর ২ ছেলে সহ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুলপির দৌলতপুরের কংগ্রেসের বুথ সভাপতি আলফাজ হালদারের খুনের ঘটনায় এবার তৃণমূল প্রার্থীর ২ ছেলে সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে কুলপির দৌলতপুরে নির্দল প্রার্থী গৌতম ব্যানার্জির প্রচারে (Panchayat Vote) বেরিয়েছিলেন আলফাজ হালদার। সেই সময় চুনফুলির মোড়ের কাছে তৃণমূল সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয় আলফাজের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ওই বুথেই এবারে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নুরউদ্দিন হালদার।

    আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন আলফাজ

    স্থানীয় মানুষদের দাবি, নুরউদ্দিনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের একটা পারিবারিক বিবাদ ছিল এবং আলফাজ এলাকায় একজন ভালো কংগ্রেস কর্মী বলেই পরিচিত ছিল। সেই রাত্রে তৃণমূল প্রার্থী নুর উদ্দিন হালদারের নির্দেশেই তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারা হয় আলফাজকে। ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। বৃহস্পতিবার কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যু হয় আলফাজ হালদারের। ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এই আশঙ্কায় এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুুন: গুজরাট হাইকোর্টেও বহাল নিম্ন আদালতের রায়, জেলে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী?

    গ্রেফতার খুনীরা…

    বৃহস্পতিবার আলফাজের মৃত্যুর পরে রাতেই কুলপি থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার করে ঢোলাহাট থানার পুলিশ। ধৃতরা খাজমুর হালদার, আম্মাদুল্লা হালদার, আমিরুল হালদার, মনোয়ার হোসেন হালদার। দৌলতপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার পুলিশি হেফাজতে চেয়ে ধৃতদের আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। অন্যদিকে নিহত কংগ্রেস নেতা আলফাজ হালদারের দেহ আজ ময়না তদন্তের পর দৌলতপুর গ্রামে নিয়ে আসা হবে।

    আরও পড়ুন: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Panchayat Election 2023: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। নির্বাচন-পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই মতো রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তাঁদের নিয়ে আসা হচ্ছে রাজ্যে। শুক্রবার বিশেষ বিমানে লেহ্ থেকে এয়ারলিফ্ট করে রাজ্যে নিয়ে আসা হয়েছে ৫ কোম্পানি এবং ২ প্লাটুন কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিন দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ ওই বাহিনী নামে পানাগড়ে। সেখান থেকেই তাঁদের মোতায়েন করা হবে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।

    লেহ্ থেকে এল বাহিনী

    যেহেতু নির্বাচন (Panchayat Election 2023) শুরু হতে আর মাত্র ঘণ্টা কয়েক বাকি, তাই চাহিদা মতো বাহিনী মিলবে কিনা, তা নিয়ে ছিল সংশয়। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানায়, লাদাখের লেহ্ থেকে এয়ারলিফ্ট করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে আসা হচ্ছে বাংলায়। মোট পাঁচ কোম্পানি ও দুই প্লাটুন বাহিনী আসছে পানাগড়ের বিমানঘাঁটিতে।

    সব বাহিনী আসবে এদিনই

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জলঘোলা হয়েছে বিস্তর। নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। তার পর আদালতের গুঁতোয় সব মিলিয়ে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে যেহেতু একেবারে শেষ পর্যায়ে কমিশনের তরফে বাহিনী চাওয়া হয়েছে, তাই বাহিনী আসতে সময় লাগছে। সূত্রের খবর, এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে চাহিদা মতো বাহিনী চলে আসবে শুক্রবারই।

    আরও পড়ুুন: গুজরাট হাইকোর্টেও বহাল নিম্ন আদালতের রায়, জেলে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী?

    জানা গিয়েছে, যেখানে ১ থেকে ২টি বুথ রয়েছে, সেখানে মোতায়েন করা হবে ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। ৩ থেকে ৪টি বুথ রয়েছে এমন জায়গায় থাকবেন ৮ জন জওয়ান। ৫ থেকে ৬টি বুথ রয়েছে এমন জায়গায় থাকবেন ১২ জন জওয়ান। ৭ এবং ৭-এর বেশি বুথ রয়েছে এমন জায়গায় মোতায়েন করা হবে ১৬ জন জওয়ান। স্ট্রং-রুম পাহারায় থাকবে ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অগ্রাধিকার দেওয়া হবে স্পর্শকাতর বুথগুলিকে। প্রসঙ্গত, রাজ্যে স্পর্শকাতর (Panchayat Election 2023) বুথ রয়েছে ৪ হাজার ৮৩৪টি। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনই জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • North 24 Parganas: বুথে বাহিনী চেয়ে বারাসত জেলা শাসকের দফতরে বিরোধীদের বিক্ষোভ

    North 24 Parganas: বুথে বাহিনী চেয়ে বারাসত জেলা শাসকের দফতরে বিরোধীদের বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত ভোট। আর সেই পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করেছিল সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। ইতিমধ্যেই রাজ্যে অর্ধেক আধা সেনা ও অর্ধেক রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বারাসত (North 24 Parganas) জেলা শাসকের দফতর এবং এক নম্বর বিডিও অফিসের আওতায় যেসব বুথগুলি রয়েছে তাতে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা পাওয়া যায়নি। তাই শুক্রবার সাতসকালে বারাসাত জেলাশাসকের অফিস এবং এক নম্বর বিডিও অফিসের সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি তুলে বিডিওকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সিপিআইএম প্রার্থীরা। এই ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা জেলায়।

    অভিযোগ কী (North 24 Parganas)?

    ভোট কর্মীদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদেরকে হুমকি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, তাই এখন তাঁদের কাছে হয়ে দাঁড়িয়েছে সবথেকে বড় কঠিন চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি তাঁদের আরও বক্তব্য, বারাসত (North 24 Parganas) এক নম্বর বিডিও অফিসের বিডিও সৌগত পাত্র তৃণমূলের হয়েই কাজ করছেন। আগেও একাধিকবার অভিযোগ জানিয়ে কোনও কাজ হয়নি। পুলিশ প্রশাসন বলেছে, তাঁদের কাছে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছায়নি। তাই এদিন বারাসত জেলা শাসকের দফতরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সিপিআইএম প্রার্থীরা। এছাড়াও এক নম্বর বিডিও অফিসে বিডিওকে ঘিরেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ করে ভোট কর্মীরা।

    সিপিআইএম বক্তব্য

    জেলার নেতা হাবিব আলি বলেন, মহামান্য কোর্টের আদেশকে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না। বাংলায় আর যেন কোন মায়ের কোল যেন খালি না হয়, সেই জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী একান্ত প্রয়োজন। আমাদের দাবি বিডিও (North 24 Parganas) সাহেবের কাছে নিয়ে গেলে, উনি আইসির কাছে পাঠান আবার আইসি, বিডিওর কাছে যেতে বলেন। এভাবেই ঘুরতে থাকে দাবি গুলি, যার কোনও সমাধান হচ্ছে না। আমাদের অভাব অভিযোগের কথা কেউ শুনছেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ‘সাময়িক’ স্বস্তি পেলেন চাকরিহারা সেই ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ‘সাময়িক’ স্বস্তি পেলেন চাকরিহারা সেই ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে সাময়িক স্বস্তি পেলেন ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। এঁদের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই পদগুলিতে নতুন করে নিয়োগেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। শুক্রবার সেই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত।

    এনসিটিই-র নিয়ম

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য টেট নেওয়া হয় ২০১৪ সালে। তার ভিত্তিতে নিয়োগ হয় ২০১৬ সালে। নিয়োগপত্র পান ৪২ হাজার ৫০০ জন। সেই সময় এনসিটিই-র নিয়মে বলা হয়েছিল, নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের। তার পরেও শূন্যস্থান থাকলে, সুযোগ পাবেন প্রশিক্ষণহীন প্রার্থীরা। অবশ্য দু বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিতে হবে তাঁদের। নিয়োগ-পর্ব শেষ হওয়ার পরেই অভিযোগ ওঠে, চাকরি পাননি বহু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীই। তার বদলে চাকরি পেয়েছেন (Supreme Court) প্রশিক্ষণহীন বহু প্রার্থী। প্রশিক্ষণহীনদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অ্যাপটিটিউড টেস্টও হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গড়ায় আদালত অবধি।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ

    শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। ৩০ জন ইন্টারভিউয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তিনি। জানা যায়, সেবার কোনও অ্যাপটিটিউড টেস্টই হয়নি। অনেকে আবার জানান, টেস্ট নিয়ে কোনও নির্দেশ ছিল না। এর পরেই মে মাসে (Supreme Court) ৩৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পরে অবশ্য জানা যায়, ৩৬ হাজার নয়, ৩২ হাজার প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছেন তিনি। চার মাসের মধ্যে ওই পদগুলিতে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশও তিনি দিয়েছিলেন পর্ষদকে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, চাকরিহারারা এই চার মাস স্কুলে যেতে পারবেন। তবে তাঁরা বেতন পাবেন পার্শ্বশিক্ষকদের সম হারে। তিনি এও জানিয়েছিলেন, পর্ষদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন এই চাকরিহারারা।

    আরও পড়ুুন: ভোটের আগে অনুব্রতর গড়ে উদ্ধার ২০০ তাজা বোমা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের রায় চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন চাকরিহারাদের একাংশ। এবার শুনানি হয় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। আদালত জানায়, ওই শিক্ষকরা যেমন ছিলেন, তেমনিই থাকবেন। তবে পর্ষদকে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তাতে অংশ নিতে পারবেন ওই চাকরিহারারা। সেখানে ব্যর্থ হলে, চাকরি খোয়াবেন তাঁরা।

    ডিভিশন বেঞ্চের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যান চাকরিহারাদের একাংশ। এদিন আদালত জানায়, এই শিক্ষকদের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্ট এতদিন যা যা নির্দেশ দিয়েছে, তা খারিজ করা হচ্ছে। হাইকোর্টের নয়া ডিভিশন বেঞ্চে নতুন করে মামলার শুনানি হবে। তাঁরাই নতুন করে বিচার করবেন এবং সিদ্ধান্ত নেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Birbhum: ভোট কিনতে প্রকাশ্যে টাকা বিলি! দেওয়া হচ্ছে শাড়ি, কাপড়! অভিযুক্ত তৃণমূল প্রার্থী

    Birbhum: ভোট কিনতে প্রকাশ্যে টাকা বিলি! দেওয়া হচ্ছে শাড়ি, কাপড়! অভিযুক্ত তৃণমূল প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট কিনতে আদিবাসীদের দেওয়া হচ্ছে নগদ টাকা। বিলি করা হচ্ছে নতুন শাড়ি, কাপড়। নির্বাচনী বিধি ভেঙে ভোটারদের টাকা ও শাড়ি দিতে দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে। ভোটের আগে কেন এই ভাবে নিয়ম ভেঙে, ভোট কেনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগে সরব বিরোধীরা। ভোটের ঠিক একদিন আগে এই ঘটনায় বীরভূম (Birbhum) জেলায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    কী ঘটেছে (Birbhum)?

    ঘটনাটি বীরভূমের (Birbhum) মুরারই এক নম্বর ব্লকের মহুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলগড়িয়া গ্রামে ঘটেছে। ওই আসনের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হলেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর স্ত্রী বদরুন্নেসা খাতুন মহুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতেরই তৃণমূল কংগ্রেসের বিদায়ী প্রধান ছিলেন। গতকাল বিকেলে হুমায়ুন কবীর তাঁর নির্বাচনী এলাকা বেলগড়িয়া গ্রামে আদিবাসী ভোটারদের টাকা ও শাড়ি বিলি করেছেন।এই বিলি করার ছবি ও ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সামজিক মাধ্যমে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ভিডিওতে মহিলাদের শাড়ি দেওয়া হচ্ছে এবং পুরুষদের খাবারের জন্য হাতে করে পাঁচশো টাকার নোট দিতে দেখা গেছে। যদিও টাকা ও শাড়ি বিলি করার ঘটনা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, এমন কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন, বিরোধীদের অপপ্রচার মাত্র। 

    বিরোধীদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Birbhum) সঞ্জীব বর্মন সিপিএম নেতা বলেন, টাকা বিলি এবং কাপড় শাড়ি বিতরণের বিষয়টি একদম সত্য। ঘটনা সর্বত্র ভাইরাল হয়েছে। যাঁরা টাকা দিচ্ছেন, তাঁরা সকলেই শাসক দলের লোক। নির্বাচনের আচরণ বিধিকে অমান্য করে এই অনৈতিক আচরণ করা হয়েছে। রাজ্য জুড়ে চোরেদের চুরি সম্পর্কে সকলে জেনে গেছে। তাই শাসক দল হারের সম্ভাবনাকে বুঝতে পেরেই এইভাবে টাকা বিলি করছে। নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ হলে তৃণমূলকে সাধারণ মানুষ বহিষ্কার করবে। তিনি আরও বলেন, এইভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করার বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানাবো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share