Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Cyclone: ধেয়ে আসছে ‘মোখা’ !  মে মাসেই কি ফের ঘূর্ণিঝড়,  কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Cyclone: ধেয়ে আসছে ‘মোখা’ ! মে মাসেই কি ফের ঘূর্ণিঝড়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বাংলাদেশ সীমান্তে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে। এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে পিএইচডি গবেষক এবং আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মোখা’। ইয়েমেনের দেওয়া এই নাম।

    আমেরিকার গ্লোবাল ফোরকাস্টের তথ্য অনুসারে, আগামী ১০ মে’র আশপাশে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মোখা (Cyclone Mocha) তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করতে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এবার মে মাসেই খোলা হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। মঙ্গলবার নবান্ন (Nabanna) সভাঘরে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (Disaster Management Department) সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। 

    বাংলায় ঘূর্ণিঝড়

    গত কয়েক বছরে মে মাসে একের পর এক ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। ২০২০ সালে ধেয়ে এসেছিল ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’। যার তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। লন্ডভন্ড হয়েছিল কলকাতাও। পরের বছর, ২০২১ সালে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’। ২০২২ সালের মে মাসে তৈরি হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। ওই বছরের অক্টোবর মাসে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’। আশঙ্কা সত্যি বলে, আবার মে মাসে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসতে পারে।

    বাংলার উপর প্রভাব

    এই ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলার উপকূলের উপর কতটা প্রভাব ফেলবে, সেই বিষয়টি অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। ওই ঘূর্ণিঝড়টি ১৪ মে মধ্যরাত থেকে বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকা দিয়ে সরাসরি স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসাবে স্থলভাগে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ১৪০ থেকে ১৭০ কিলোমিটার।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল হার্মাদরা তালিবানের থেকে কোনও অংশে কম নয়’! বিস্ফোরক সুকান্ত

    আগামী ৬ মে, অর্থাৎ, শনিবার দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘূর্ণাবর্ত ৮ থেকে ৯ মে-এর মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হবে। ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে এটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ থেকে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ১০ থেকে ১২ মে-এর মধ্যে এই গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সেই ঘূর্ণিঝড় ১৪ মে থেকে ১৭ মে-এর মধ্যে বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম থেকে মায়ানমারের রাখাইন কুলের মাঝামাঝি কোথাও স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের ‘ভোট-রঙ্গে’ বিশৃঙ্খলা, ‘বৈজ্ঞানিক’ ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপির অধ্যাপক নেতা সুকান্ত  

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের ‘ভোট-রঙ্গে’ বিশৃঙ্খলা, ‘বৈজ্ঞানিক’ ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপির অধ্যাপক নেতা সুকান্ত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের গা থেকে কেলেঙ্কারির ময়লা ঝেড়ে ফেলতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে নবজোয়ার যাত্রা করছেন তৃণমূল (TMC) নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর এই রাজ্য সফরে জনতার নাড়িও বুঝতে চান তৃণমূলের দু নম্বর ব্যক্তিত্ব। কর্মসূচি শুরু হয় কোচবিহার থেকে। পঞ্চায়েতে দলীয় প্রার্থী বাছাই করতে পুরোদস্তুর ভোটের ব্যবস্থা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দল। তবে কোচবিহার থেকে এখনও পর্যন্ত যেসব জায়গায় ‘ভোট-রঙ্গ’ হয়েছে, সেখানেই দেখা গিয়েছে বিশৃঙ্খলা। লুঠ হচ্ছে ব্যালট পেপার, ছিনতাই হচ্ছে ব্যালট বাক্স। যার জেরে বারংবার অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে রাজ্যের শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। কী কারণে এমনটা হচ্ছে? এ প্রশ্নের জব্বর ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, জীবন বিজ্ঞানের প্রতিবর্ত তত্ত্বের কারণেই এই গোলমাল। 

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভায় অশান্তি…

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছিল ২ মে। তখন থেকে রাজ্যে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, এই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার (Abhishek Banerjee) ধর্মতলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিজেপি। এই সমাবেশেই ভাষণ দিতে গিয়ে বিজেপির অধ্যাপক নেতা বলেন, জীবন বিজ্ঞানে প্রতিবর্ত ক্রিয়া পড়ানো হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘণ্টা বাজিয়ে কোনও কুকুরকে দিনের পর দিন খেতে দেওয়ার পর ঘণ্টা না বাজালেও ওই সময় কুকুরের মুখ থেকে লালা পড়তে থাকে। তৃণমূল কর্মীদেরও একই অবস্থা। ব্যালট বাক্স দেখলেই লুঠ করতে ইচ্ছা করে। সত্যি ভোট না কি দলীয় ভোট সেই হুঁশ থাকে না।

    আরও পড়ুুন: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    রাজ্যের শাসক (Abhishek Banerjee) দলকে এই পরিস্থিতি থেকে বেরনোর পথও বাতলে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, অভিষেকবাবুকে বলব, দুজন কর্মীকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মতো পোশাক পরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখুন। তবে আর ব্যালট বা ব্যালট বাক্স লুঠ হবে না। তৃণমূলের কর্মীরা কেবল কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই ভয় পায়। প্রসঙ্গত, ২৫ এপ্রিল নবজোয়ার যাত্রা কর্মসূচি পালনের সূচনার দিনই ব্যালট নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর ধুন্ধুমার লড়াই হয়েছিল কোচবিহারের গোঁসানিমারি ও সাহেবগঞ্জে। উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতেও ভোটকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অশান্তি হয়। নেতা-কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। হাপ্তিয়াগাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের বুথে তো আবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলাতে নামানো হয় র‌্যাফ। একই ঘটনা ঘটে হরিরামপুরেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • DL Ed: হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে ডিএলএড পড়ুয়ারা, থমকে থাকা রেজিস্ট্রেশন শুরু

    DL Ed: হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে ডিএলএড পড়ুয়ারা, থমকে থাকা রেজিস্ট্রেশন শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে স্বস্তিতে রাজ্যের কয়েক হাজার ডিএলএড (DL Ed) পড়ুয়া। টেটে বসার জন্য আবশ্যিক হয়েছে দু বছরের ডিএলএড কোর্স। আদালতের নির্দেশে প্রথম বর্ষের পরীক্ষা দিতে পারবেন তাঁরা। ওই পরীক্ষা নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ পর্ষদকে শর্তসাপেক্ষে রেজিস্ট্রেশন শুরু করার অনুমতি দিয়েছে। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ ডিএলএডের প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় বসার জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে পরীক্ষায় বসার জন্য কিছু শর্ত মানতে হবে ডিএলএড পড়ুয়াদের।

    ডিএলএড (DL Ed) পড়ুয়ারা…

    এদিন হাইকোর্ট জানায়, রেজিস্ট্রেশনের সময় সব পড়ুয়ার তথ্য যাচাই করতে হবে পর্ষদকে। যাঁরা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশনের নির্দিষ্ট করে দেওয়া নিয়ম মেনে ক্লাস করেছেন তাঁরাই একমাত্র পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এই তথ্য যাচাইয়ের জন্য পর্ষদকে এক মাস সময়ও দিয়েছে হাইকোর্ট। এসব হওয়ার পরেই পরীক্ষার নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারবে পর্ষদ। পড়ুয়াদের জন্যও কিছু নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল হার্মাদরা তালিবানের থেকে কোনও অংশে কম নয়’! বিস্ফোরক সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, ডিএলএড (DL Ed) ভর্তিতে নিয়ম মানা হয়নি এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন সুকান্ত গুড়িয়া নামে এক চাকরিপ্রার্থী। তাঁর অভিযোগ ছিল, ২০২১-২৩ শিক্ষাবর্ষে ডিএলএড কোর্সে ভর্তির শেষ দিন ছিল ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর। ভর্তি নেওয়া হয়েছিল অনলাইনে। পরে ক্লাস শুরুর চার-পাঁচ মাস পরে অফলাইনে অনেককে ভর্তি নেয় বেসরকারি কলেজ। গত বছর ২২ ডিসেম্বর পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, অফলাইনে যাঁরা ভর্তি হয়েছেন, তাঁদের নাম নথিভুক্ত হয়নি। পড়ুয়া পিছু তিন হাজার টাকা করে দিয়ে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। মামলাকারীর অভিযোগ, পরে এসেও ওই পড়ুয়ারা রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ পাচ্ছেন কী করে।

    আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে বলেন, একটি শিক্ষাবর্ষের মাঝ পথে পিছনের দরজা দিয়ে পড়ুয়া (DL Ed) ভর্তির পিছনে আর্থিক বিষয় কাজ করে থাকতে পারে। তাছাড়া মাঝ পথে যাঁরা ভর্তি হয়েছেন, তাঁরা ক্লাস সম্পূর্ণ করেননি। এতে অর্ধ প্রশিক্ষিতরা শিক্ষক হওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবেন। এদিন সেই মামলারই রায় দিল আদালত। যার জেরে স্বস্তি পেলেন ডিএলএড পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরানো হল প্রাথমিকের দুই মামলা

    Abhijit Gangopadhyay: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরানো হল প্রাথমিকের দুই মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) এজলাস থেকে সরানো হল প্রাথমিকের দুটি মামলা। ওই মামলা দুটি দেওয়া হয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে। এবার থেকে এই দুই মামলার শুনানি হবে বিচারপতি সিনহার এজলাসে। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নির্দেশ মতো সরানো হয়েছে এই মামলা দুটি। এদিন যে দুটি মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরানো হল, সেই দুটিই ছিল প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারির মূল মামলা। মামলাকারী সৌমেন নন্দী ও রমেশ মালিক। প্রাথমিকের এই মামলাতেই প্রথম সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তার আগে অবশ্য প্রাথমিকের মামলার বিচার করতেন বিচারপতি সিনহা।

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) এজলাস থেকে সরানো হল…

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সোমবার সকালে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছ থেকে মামলার ফাইল ফেরত চায় কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এই নির্দেশ দেয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির কার্যালয়। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি মামলা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এদিন সেই নিয়োগ মামলার দুই ফাইলই চেয়ে পাঠানো হয়েছে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার শুনানি চলাকালীনই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) ওই মামলা নিয়ে একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেন বলে অভিযোগ। যা শুনে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারপতিরা কোনওভাবেই তাঁদের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন না। উনি যদি সাক্ষাৎকার দিয়ে থাকেন, তা হলে তিনি ওই মামলা শোনার অধিকার হারিয়েছেন। তার পরেই সেই সাক্ষাৎকারের অনুবাদ কপি হাইকোর্টের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় দেশের শীর্ষ আদালত। সেই মতো অনুবাদের প্রতিলিপি দেওয়া হয় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টকে। তারপরই মামলা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ জানার পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলেছিলেন, আমার ধারণা ধীরে ধীরে সব মামলাই সরিয়ে নেওয়া হবে আমার এজলাস থেকে। তিনি এও জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ তিনি পালন করবেন যথাযথভাবে। পরে আজ আমার মৃত্যুদিন বলেও আক্ষেপ করেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এও বলেছিলেন, আমি কোনও ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে এই মামলার বিচারের দায়িত্ব নিইনি। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি বরাবর সরব হয়েছি। বিচারক হিসেবে যতদিন আছি, ততদিন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলব। যখন থাকব না, অন্য কাজ করব, তখনও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হব। প্রসঙ্গত, এদিন ১১ বান্ডিল ফাইল ফেরতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেই নতুন বেঞ্চ গঠন করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা! ভাইরাল ভিডিও, জেলা জুড়ে শোরগোল

    TMC: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা! ভাইরাল ভিডিও, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তৃণমূলের (TMC) নবজোয়ার কর্মসূচিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেন। তার ঠিক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এক তৃণমূল নেতার টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতার নাম অনাদি লাহিড়ী। তিনি তপন বিধানসভার গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে?

    একটি ঘরের মধ্যেই ওই তৃণমূল (TMC) নেতাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল (TMC) নেতা দাঁড়িয়ে ফোনে একজনের সঙ্গে কথা বলছেন। আর যে ব্যক্তি ওই তৃণমূল নেতাকে টাকা দিতে এসেছেন, তিনি খাটে বসে রয়েছেন। আর তিনিই সমস্ত ভিডিওটি তুলছেন। তৃণমূল নেতা ফোন রাখার পর একজন ব্যাগ থেকে ৫০০ টাকার কয়েকটি বাণ্ডিল বের করে তৃণমূল (TMC) নেতার হাতে তুলে দেন। এরপর ওই ব্যক্তি তৃণমূল নেতার কাছে জানতে চান, পঞ্চায়েত ভোটের পর ছাড়া হবে। তৃণমূল নেতা বলেন, পঞ্চায়েতের আগেও হয়ে যেতে পারে। কত টাকা আর পাবেন ওই তৃণমূল নেতা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাড়ে চার পেয়েছি। এখনও আরও দুই পাব। তবে, পরিমাণ কত সেটা তিনি বলেননি। পাশ থেকে একজন বলেন, এখন চাকরি নিয়ে যা হচ্ছে ভয়ে কেউ টাকা দিচ্ছে না। কনস্টেবলের চাকরি কেউ টাকা দিয়ে ভয়ে নিতে চাইছে না। তৃণমূল নেতা তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, কিছু সমস্যা হলেও অরিজিনাল চাকরিও হচ্ছে। এদিকে ভাইরাল ওই ভিডিও নিয়ে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আজ জেলায় অভিষেক এসেছে। আর তার আগেই দলের নেতার তোলাবাজি ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে, অভিষেক তাঁর দলের লোকেদের বলে রেখেছেন, চাকরির নাম করে টাকা তোলার জন্য। দলীয় নেতারা সেই কাজই করছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    এ ধরনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে জেলা তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, একটি ভিডিও দেখেছি তবে তার সত্যতা যাচাই করে দেখতে হবে। যদি সত্যতা থাকে তবে দল উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। সংবাদমাধ্যম ওই তৃণমূল নেতা অনাদি লাহিড়ীকে ফোন করা হলে তিনি ফোন না ধরায় এই বিষয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    DA: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ-প্রতিবাদ সবার মৌলিক অধিকার। এই আবহে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল করতে চাইলে তাতে বাধা দিতে পারে না সরকার। রাজ্য প্রয়োজনে মিছিল নিয়ে বিধি নিষেধ আরোপ করতে পারে। তবে কর্মসূচি বন্ধ করা যায় না। মঙ্গলবার ডিএ (DA) আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযান নিয়ে মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha)। ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে সায় দিলেও, যে পথে তাঁরা অভিযান করবেন বলে ভেবেছিলেন, সেই পথে আন্দোলনকারীরা নবান্নে যেতে পারবেন না। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, মিছিলের যাত্রাপথ বদল করতে হবে।

    ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    ৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীরা। বিচারপতি মান্থার এজলাসে চলছে ওই মামলা। বিচারপতি জানান, নবান্ন অভিযানের অনুমতি চেয়ে প্রায় ৪০টি মামলা তাঁর এজলাসে জমা পড়েছে। রাজ্যকে তাঁর প্রশ্ন, মিছিল করার জন্য কেন আদালতকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হবে? রাজ্যের কাছে তিনি জানতে চান, আন্দোলনকারীরা নিজেদের অসুবিধার কথা জানাতে চাইছে। তা যদি শান্তিপূর্ণভাবে হয়, তবে বাধা দেব কেন? রাজ্য এই ধরনের কর্মসূচিতে বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, কিন্তু বাধা দিতে পারে না। প্রতিবাদ করা মানুষের মৌলিক অধিকার বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি মান্থা। তিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটে থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করা যাবে। হাওড়ার ফেরিঘাট, বঙ্কিম সেতু, মহাত্মা গান্ধী রোড হয়ে হাওড়া ময়দানে গিয়ে শেষ হবে মিছিল।

    আরও পড়ুুন: এনসিপি-র সভাপতি পদে ইস্তফা পাওয়ারের, উত্তরসূরি কে?

    প্রসঙ্গত, পুলিশ এই মিছিলের (DA) অনুমতি দেয়নি। হাইকোর্টে রাজ্য জানিয়েছিল, যে পথে মিছিল করার কথা বলা হচ্ছে, সেটা মিছিলের জন্য নির্দিষ্ট করা কোনও পথ নয়। এটা জনবহুল এলাকা। সাধারণ মানুষের অসুবিধা হবে। স্কুল ও অফিস যাত্রীদের অসুবিধা হবে। ট্রাফিকের অসুবিধা হবে। অন্য পথে অন্য কোনও জায়গায় করলে কোনও অসুবিধা নেই। এর পরেই বিচারপতি মান্থা বলেন, যে বিধি নিষেধের কথা আপনারা এখানে বলছেন, সেটা রাজ্যের শাসক দলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য তো? তিনি বলেন, রেড রোড বন্ধ করে যখন কর্মসূচি হয়, মিছিল হয়, তখন পুলিশের অসুবিধা হয় না? কিছু দল যখন মিছিল করে তখন গোটা কলকাতা স্তব্ধ হয়ে যায়। আমি শুধু শাসক দলের কথা বলছি না। মানুষ পরিবার নিয়ে রাস্তায় বেরোতে চান, কিন্তু বেরোতে পারেন না। তাঁর প্রশ্ন, তখন পুলিশের অসুবিধা হয় না?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Suvendu Adhikari: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে কাল ময়নায় ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক শুভেন্দুর, জেলা জুড়ে অবরোধ

    Suvendu Adhikari: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে কাল ময়নায় ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক শুভেন্দুর, জেলা জুড়ে অবরোধ

    মাধ্যমে নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা খুনের প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টা বনধ ডাকল বিজেপি। মঙ্গলবার ময়নায় এসে একথা জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, আগামীকাল বুধবার ময়নায় ১২ ঘণ্টা বনধ পালিত হবে। আর জেলায় ১০০টি জায়গায় পথ অবরোধ করা হবে। বৃহস্পতিবার নিহত দলীয় কর্মীকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এবং খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে ১৫ হাজার কর্মীকে নিয়ে মিছিল হবে। প্রসঙ্গত, সোমবার রাতে দলীয় কর্মীকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নৃশংশভাবে খুন করা হয়। সোমবার রাতেই বিজেপি কর্মীরা থানায় বিক্ষোভ দেখান। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে অবরোধকারীদের বচসা হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে অবরোধ চলে। যার জেরে রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। পুলিশ বহু চেষ্টা করেও অবরোধ তুলতে ব্যর্থ হয়। পরে, শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তোলার ব্যবস্থা করেন। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামসহ বহু এলাকা ঠান্ডা করেছি। এই এলাকা ঠান্ডা করে ছাড়ব। এর শেষ দেখে ছাড়ব। 

    দলীয় কর্মী খুন নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, এই দলীয় কর্মী খুন বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়। গত কয়েক মাস ধরে অলোক বেড়া, সম্রাটের মতো নেতাকে জোর করে পুলিশ দলবদল করিয়েছে। সম্রাট ফিরে এসেছে। অলোক বেড়া এখনও ওদের কাছে আছে। এটা বড় ষড়ষন্ত্র। ময়নার বাকচা ফেলতে পারলে ময়না ব্লকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলকে আবার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। ২০১৮-তে তৃণমূল জেতেনি। আপনাদের নমিনেশন আটকে দিয়ে গায়ের জোরে ওরা জিতেছে। এই পরিকল্পনা করেছে মমতার তিন পুলিশ অমরনাথ, হাসান আর প্রাক্তন ওসি গোপালা। আর উস্কানিদাতা সৌমেন মহাপাত্র, সংগ্রাম দোলুই, শেখ শাহজাহান, উত্তম বারিখ, মনোরঞ্জন হাজরা। আর এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে পরিবার ও এলাকার মানুষ। তিনি আরও বলেন, আর এক যুব কর্মী সঞ্জয় তাঁতি। তাঁকেও তুলে নিয়ে গিয়েছিল ওরা। কীভাবে রক্তাক্ত করেছে তাঁকে। এদের অপরাধ এরা বিজেপি করে। ময়নার বাকচাতে ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রায় আড়াইশো থেকে তিনশো বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। হাজারের বেশি বিজেপি কর্মী বিভিন্ন সময়ে জেল খেটেছে গত পাঁচ বছরে। প্রসেনজিতের মতো পঞ্চায়েত সদস্য জেলে রয়েছেন।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    দলীয় কর্মী খুনের ঘটনায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) যে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছেন তা তাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজে প্রকাশ পাচ্ছিল। এদিন তিনি বলেন, এর আগে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে রাজবংশী যুবককে মমতার পুলিশ গুলি করে খুন করেছে। এদিন বিজয়বাবুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হল। তিনি নমশূদ্র। দলিতরা তৃণমূলকে ভোট দেয়নি বলেই বেছে বেছে তাদের খুন করা হচ্ছে। খুনি মমতা এসব করছে। এর শেষ দেখে ছাড়ব।

    বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, মমতার পুলিশ অমরনাথ ও হাসান নামের এক অ্যাডিশন্যাল পুলিশের নেতৃত্বে আমাদের দলীয় কর্মীর নিথর দেহ উদ্ধার করে ময়না দিয়ে না এসে চোরের মতো নালা পেরিয়ে তমলুকের মর্গে রেখেছে। এ লজ্জা রাখার নয়। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম কোথাও খুনিদের কাছ থেকে দেহ সংগ্রহ করল মমতা পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে কারও দাঁত উড়ে যাচ্ছে, কারও ফাটছে কপাল!

    Drinking Water: নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে কারও দাঁত উড়ে যাচ্ছে, কারও ফাটছে কপাল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলের জন্য কারও উড়ে গেছে দাঁত, আবার কারও ফেটে গেছে কপাল, নাক ও ঠোঁট। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। কেন এই অবস্থা? চলুন জেনে নেওয়া যাক আসল ঘটনা কী। ভরা গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের মধ্যে জলকষ্টে ভুগছেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের কিসমত বড়োল গ্ৰামের মানুষজন। প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে গ্রামের নলকূপগুলিতে জল উঠছে না। তীব্র পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট দেখা দিয়েছে ওই গ্রামে। বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মাঠের মিনি পাম্প থেকে পানীয় জল বয়ে নিয়ে আসতে হচ্ছে গ্রামের বধূদের। পুকুরের ঘোলাটে জলে স্নান, কাপড় কাচা ও বাসন ধোয়ার কাজ করে থাকেন তাঁরা। বাড়ির নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে ঘটছে দুর্ঘটনা। নলকূপের হাতলের আঘাতে গ্ৰামের অনেক মহিলার দাঁত ভেঙে গেছে, আবার কেউ কপাল, নাক ও ঠোঁট ফেটে জখম হয়েছেন।

    কী বলছেন গ্রামবাসীরা?

    এই গ্রামেরই বাসিন্দা বন্দনা প্রামাণিক বললেন, তিনমাস হল কল থেকে জল মিলছে না। আধ মাইল দূর থেকে জল (Drinking Water) আনতে হচ্ছে। সবাইকেই জানানো হয়েছে। নলকূপ থেকে জল নিতে গিয়ে দাঁত ভেঙে গেছে, খেতে পারছি না। খুবই সমস্যার মধ্যে দিয়ে দিন কাটছে। আরেক মহিলা পুতুল দাস বললেন, নলকূপ থেকে জল নিতে গেলেই হাতল ছিটকে আসছে। অনেক দূর থেকে জল আনতে হচ্ছে। বাসিন্দা কল্যাণ দাস বললেন, আমাদের আটটা পাড়ার কোথাও জল ওঠে না। প্রতি গ্রামে পাইপলাইন বসছে, এখানে কেন হবে না? সবাইকে জানিয়েছি। তা সত্ত্বেও জল পাচ্ছি না। আমাদের দাবি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক। 

    বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য থেকে শুরু করে প্রশাসনিক দফতরের কাছে বারবার লিখিত আবেদন জানিয়েও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা গ্রামবাসী। মূলত নলকূপের উপরেই ভরসা এখানকার মানুষের। কিন্তু এই গ্রীষ্মে জলস্তর মাটির অনেকটা নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপ থেকে জল (Drinking Water) বেরোচ্ছে না। তাই গ্রামবাসীরা এলাকায় সাবমার্সিবল বসানোর দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু এই সমস্যা কবে দূর হবে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন গ্রামবাসীরা। শীঘ্রই সমস্যা দূর না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI Enquiry: সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ কালিয়াগঞ্জে নিহত মৃত্যুঞ্জয়ের পরিবার

    CBI Enquiry: সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ কালিয়াগঞ্জে নিহত মৃত্যুঞ্জয়ের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে রাজবংশী যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মণকে খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ। ওই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের (CBI Enquiry) দাবি জানিয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়ের পরিবার। মঙ্গলবার ওই দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়ের ভাই মৃণালকান্তি। সিবিআই তদন্ত চেয়ে মামলা দায়েরের আর্জি জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। হাইকোর্টের তরফে অনুমতি দেওয়া হয়েছে মামলা দায়েরের। বুধবার মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা।

    সিবিআই তদন্তের (CBI Enquiry) দাবি…

    ২১ এপ্রিল দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়েছিল কালিয়াগঞ্জ। ওই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ২৬ এপ্রিল রাতে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ফের একবার তপ্ত হয়ে ওঠে কালিয়াগঞ্জ সংলগ্ন রাধিকাপুর পঞ্চায়েতের চাঁদগ্রাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাত দুটো নাগাদ পুলিশের পোশাকে (CBI Enquiry) বেশ কয়েকজন একটি গাড়িতে চেপে স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মণের বাড়িতে হাজির হন। তাঁকে না পেয়ে তাঁর বাড়ির বয়স্ক একজনকে মারধর করতে করতে গাড়িতে তোলা হয়। গুলিও চালান পুলিশের পোশাকধারীরা।

    আরও পড়ুুন: স্ত্রী, ছেলের সামনে ময়নার বিজেপি নেতাকে অপহরণ করে খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেই গুলির আঘাতেই মৃত্যু হয় বিষ্ণুর ভাই মৃত্যুঞ্জয়ের। মৃত্যুঞ্জয়কে খুনের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। সোমবার অকুস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছেন সিআইডির আধিকারিকরা। সেদিন পুলিশের ওই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন কালিয়াগঞ্জ থানার এএসআই মোয়াজ্জেম হোসেন। তাঁর বিরুদ্ধেই এফআইআর দায়ের করেন মৃণালকান্তি। রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না মৃত্যুঞ্জয়ের পরিবার। তাঁদের দাবি, সিবিআই (CBI Enquiry) তদন্ত হলেই মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। সেই কারণেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর ভাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: স্ত্রী, ছেলের সামনে ময়নার বিজেপি নেতাকে অপহরণ করে খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: স্ত্রী, ছেলের সামনে ময়নার বিজেপি নেতাকে অপহরণ করে খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির দিনই এক বিজেপি (BJP) নেতাকে স্ত্রী, ছেলের সামনেই হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দৃষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পরে, ওই নেতাকে অপহরণ করে খুন করা হয়। সোমবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাকচা এলাকা। পুলিশ ও বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া। তিনি বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন। এই ঘটনায় সঞ্জয় তাঁতি নামে আরও এক বিজেপি কর্মীর খোঁজ মিলছিল না। পরে, গভীর রাতে তাঁকে পুলিশ উদ্ধার করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সোমবার রাতে বিজেপি-র (BJP) বুথ সভাপতি বিজয়বাবু ও তাঁর স্ত্রী ও ছেলের উপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মনোরঞ্জন হাজরার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। স্ত্রী, ছেলের সামনেই বিজেপি নেতাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বিজেপি নেতার চিত্কার শুনে পাড়ার লোকজন ছুটে এলে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বিজয়বাবুকে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এলাকায় বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। পরে, রাতেই তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

    দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ বিজেপি-র (BJP)

    সোমবার ঘটনার পরই বিজেপি (BJP) কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। রাতেই বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা মঙ্গলবার ময়নার তিনমাথা মোড়ে পথ অবরোধের ডাক দিয়েছিলেন। বিধায়কের নির্দেশ মতো এদিন সকালেই বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় হাজির হন। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করেন। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক। এদিন অবরোধ তুলতে এলে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা হয়। অবিলম্বে দলীয় কর্মী খুনে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিজেপি কর্মীরা অবস্থান বিক্ষোভ করেন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক অশোক দিন্দা বলেন, বিজেপির বুথ সভাপতির পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর করা হয়। দলীয় নেতার ছোট ছেলে পাড়ার লোকজনকে ডাকতে গেলে দুষ্কৃতীরা বাইকে করে বিজয়বাবুকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে, তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। কোথায় দেহ উদ্ধার হয়েছে পুলিশ কিছু জানায়নি। তমলুক হাসপাতালে দেহ রয়েছে। রাজ্যের হাসপাতালে ময়না তদন্তে আমাদের বিশ্বাস নেই। তাই, হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত হাসপাতালে বিজেপি নেতার দেহ ময়না তদন্ত করা হবে। তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    ময়নার প্রাক্তন বিধায়ক সংগ্রাম দলুই বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে শাসক দল কোনওভাবে জড়িত নয়। দোকান বা পারিবারিক বিবাদের কারণেই ওই বিজেপি (BJP) নেতাকে খুন করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন হাজরা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তবে, ঘটনা ঘটার পর দেখা গেল বিজেপি কর্মীরা আমাদের কর্মীদের বাড়ি, ঘর ভাঙচুর করে লুঠপাট চালায়। সমস্ত বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share