Brizarre: বাবার শেষ ইচ্ছে পূরণ, হাসপাতালে সিরিঞ্জে করে মদ নিয়ে গিয়ে গলায় দিলেন মেয়ে 

daughter-gives-rum

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবার শেষ ইচ্ছে মরার আগে অন্তত আরও একবার মেয়ের (Daughter) সঙ্গে মদ্যপান করবেন। মুমূর্ষু বাবার (Dying Dad) সেই ইচ্ছের কথা জেনে আর স্থির থাকতে পারেননি মেয়ে। লুকিয়ে হাসপাতালে (Hospital) নিয়ে এলেন মদ। সিরিঞ্জে করে ঢেলে দিলেন মৃতপ্রায় বাবার মুখে। ঢাললেন নিজের গলায়ও। কোনওক্রমে ঢোক গিললেন বাবা। মেয়ের চোখে মুখে তখন তৃপ্তির ছাপ স্পষ্ট। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ছবি। অষ্ট্রেলিয়ার একটি হাসপাতালের এই ঘটনায় চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি বহু নেটিজেন।

অষ্ট্রেলিয়ার একটি হাসপাতালে শয্যাশায়ী মুমূর্ষু এক বৃদ্ধ। বাবার মাথার গোড়ায় বসে রয়েছেন মেয়ে পেনিলোপ অ্যান। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি সিরিঞ্জে করে বাবার গলায় ঢেলে দিচ্ছেন বান্ডারবার্গ রাম এবং কোক। ঢোক গিললেন বৃদ্ধ। কষ বেয়েও গড়িয়ে পড়ল কিছুটা। এই ভিডিও শেয়ার করে ওই যুবতী লিখেছেন, আমার বাবার সঙ্গে শেষবারের জন্য মদ্যপান। বাবা, তুমি মৃত্যুর পরে যেখানেই যাও না কেন, আমি তোমাকে খুবই ভালবাসি।

আরও পড়ুন : পেটে ব্যথা নিয়ে শৌচালয় গেলেন ছাত্রী, বেরোলেন সদ্যোজাত কোলে নিয়ে!

হাসপাতালে মাদক জাতীয় জিনিস নিয়ে যাওয়া যায় না। তবুও বাবার শেষ ইচ্ছে পূরণ করতে পেনিলোপ লুকিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন মদ। তিনি বলেন, বাবাকে বিদায় জানাতে প্রস্তুত হয়েই হাসপাতালে এসেছিলাম আমি। শেষবারের জন্য তাঁর গলায় একটু মদ ঢেলে দিলাম। পেনিলোপ বলেন, মদ নিয়ে গিয়ে বাবাকে বললাম, তোমার জন্য রাম নিয়ে এসেছি বাবা। আমরা দুজনেই এক সঙ্গে মদ্যপান করব। এর পরেই সিরিঞ্জে করে মৃতপ্রায় বাবার গলায় মদ ঢেলে দেন মেয়ে। বাবাকে জিজ্ঞেস করেন দারুন স্বাদ না বাবা! শেষবারের মতো একবার মাথা নাড়লেন বৃদ্ধ। মেয়ের মুখে তখন আর খুশি ধরে না।ভিডিওর ক্যাপশনে পেনিলোপ লিখেছেন, বাবার সঙ্গে এই আমার শেষবারের মতো মদ্যপান। এর পর তাঁর আত্মা বিলীন হয়ে যাবে মহাবিশ্বে। আমি তোমাকে খুব ভালবাসি বাবা।

আরও পড়ুন : খরার ফলে জেগে উঠল ৩৪০০ বছরের পুরনো শহর

ভাইরাল ভিডিও দেখে চোখের জল বাঁধ মানেনি নেটিজেনদেরও। তাঁরা বলছেন, বাবার শেষ ইচ্ছে পূরণ করে ঠিক কাজই করেছেন পেনিলোপ। মুমূর্ষুর শেষ ইচ্ছেপূরণ করাই যে বিশ্বজনীন রীতি!

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share