Hydrogen Fuel Cell Bus: হাইড্রোজেনে চলবে বাস! লঞ্চ করা হল ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল বাস

djs-22MXK6-5c40ff0d

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারত আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। উদ্বোধন করা হল ভারতে তৈরি (Make in India) প্রথম হাইড্রোজেন শক্তিচালিত ফুয়েল সেল (Hydrogen Fuel Cell) বাস। ভারতের বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা পরিষদ বা সিএসআইআর (Council of Scientific Industrial Research ) এবং বেসরকারী সংস্থা কেপিআইটি লিমিটেডের (KPIT Limited) যৌথ উদ্যোগে এই বাসটি তৈরি করা হয়েছে। রবিবার পুনেতে এই বাসটি উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) আত্মনির্ভর ভারত মিশনেরই (Atmanirbhar Bharat) একটি অংশ এটি।

জানা গিয়েছে, এই হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল বাসটি, হাইড্রোজেন গ্যাস এবং বাতাসকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং সেই বিদ্যুতেই বাস বা অন্য যানবাহন চলে। এমনকি বর্জ্য পদার্থ হিসেবে এই বাস থেকে শুধুমাত্র জল বের হবে। অর্থাৎ এই বাসটি সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব পরিবহণ মাধ্যমগুলির মধ্যে একটি। সুতরাং এই বাসটি আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যের পাশাপাশি আবহাওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই বাস থেকে কার্বন বেরোনোর সম্ভাবনাও খুব কম।

আরও জানা গিয়েছে, হাইড্রোজেন চালিত যানবাহনগুলির খরচ ডিজেল চালিত যানবাহনের থেকে অনেক কম। তাই যেমন ডিজেল চালিত যানবাহনগুলির খরচ বেশি, তেমনি এটি পরিবেশকেও অনেক বেশি পরিমাণে দূষিত করে তোলে। জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, ভারতের মোট কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের প্রায় ১২-১৪ শতাংশই তৈরি হয় ডিজেল-চালিত ভারি যানবাহন থেকে। অন্যদিকে ফুয়েল সেল ইলেক্ট্রিক্যাল ভেইকল থেকে গ্রিন হাউস গ্যাস (Greenhouse gas) তৈরির পরিমাণও শূন্য।

জিতেন্দ্র সিং আরও জানিয়েছেন, পরিশোধন শিল্প, সার শিল্প, ইস্পাত শিল্প, সিমেন্ট শিল্প এবং ভারী বাণিজ্যিক পরিবহন ক্ষেত্রে কার্বন নির্গমনের পরিমাণ কম করা খুবই কঠিন। কিন্তু, সবুজ হাইড্রোজেন এমন এক শক্তি, যা এই শিল্পগুলি থেকে কার্বন নির্গমনকে ডিকার্বোনাইজেশন করতে সক্ষম। হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল চালিত যানবাহনগুলো এই ক্ষেত্রে কার্বন নির্গমন দূর করার জন্য চমৎকার বিকল্প হতে পারে। এর পাশাপাশি এটি জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও অনেক বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। কারণ যানবাহন চালানোর জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন ব্যবহার করা হলে পরিবেশের দূষণ অনেক কমে যাবে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share