China Covid Horror: দৈনিক মৃত্যু ৫ হাজার! সৎকার করছেন সংক্রমিতরাই! চিনের কোভিড-ছবি প্রকাশ্যে

china_cov

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে (China Covid Horror) হু হু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। জিনপিং সরকার সংক্রমণ এবং মৃত্যুর আসল তথ্য প্রকাশ করছে না বলে ইতিমধ্যেই অভিযোগে সরব হয়েছে চিনবাসী। সচেতনাও বাড়ছে না। তাই সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ অব্যহত। করোনা রোগীর চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোর ওপর যেমন চাপ পড়েছে তেমনিই মৃতদেহ সৎকার করতে গিয়ে শ্মশানগুলোতে টালমাটাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বেজিং, চংকিং ও গুয়াংঝৌ শহরের শ্মশানগুলোয় সারি সারি মৃতদেহ দেখা গিয়েছে। শ্মশানগুলোর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাধারণ সময়ের চেয়ে তারা এখন অনেক বেশি ব্যস্ততা। চিনে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটিই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। 

আমেরিকার সংক্রামক রোগ সোসাইটির বিশেষজ্ঞ এবং ডার্টমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গিজেল স্কুল অফ মেডিসিনের অধ্যাপক ড্যানিয়েল লুসি বলেন, আগামী সপ্তাহগুলিতে এই সংক্রমণ (China Covid Horror) আরও বহুগুণ বাড়বে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আরও ভুগতে হবে চিনকে।

কী পরিস্থিতি চিনে?  

এই আবহেই প্রকাশ্যে এসেছে এক ভয়ঙ্কর খবর। শ্মশানে (China Covid Horror) স্তূপাকৃত মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। সংক্রমিত শ্মশান কর্মীরাও। এমনটাই দাবি করছেন চিনের সমাজকর্মী জেনিফার জেং। ট্যুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে দেখা যাচ্ছে শ্মশানের বাইরে স্তূপাকৃত মৃতদেহের ভিড়। সেখানেই তিনি দাবি করেন যে কর্মীরা এই মৃতদেহগুলির সংস্পর্শে এসেছেন তাঁরাও ইতিমধ্যেই সংক্রমিত।

 

চিন (China Covid Horror) সংক্রমিত ব্যক্তিদের কাজ করার অনুমতি দিয়েছে। তাহলে কী দেশটি ভাইরাসের সঙ্গে সহাবস্থান করা শিখতে চাইছে? চিন সরকার ২৩ জন সংক্রমিত পড়ুয়াকে জোড় করে কাজ করতে বাধ্য করেছে। এমনই দাবি উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

 

জেং অপর একটি ট্যুইটে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে শেনিয়াং শহরের রাস্তার ওপর পড়ে রয়েছে মৃতদেহ। জেং লেখেন, “শ্মশানে আর মৃতদেহ রাখার জায়গা নেই। তাই কেউ প্রিয়জনের দেহ শ্মশানের বাইরে রাস্তাতেই ফেলে রেখে গিয়েছেন। আর কোনও উপায় ছিল না হয়তো। কত জনের মৃত্যু হল?” 

 

জেং এমনও ছবি শেয়ার করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালের মেঝেতেই চিকিৎসা হচ্ছে রোগীদের। কিন্তু সরকারি পরিসংখ্যান বলছে খুব অল্প সংখ্যক মানুষেরই মৃত্যু হয়েছে। এখনও তথ্য লুকোনোর মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চিন প্রশাসন। চিন প্রশাসনের নীতি অনুযায়ী, যারা একমাত্র শ্বাসকষ্টে মারা যাচ্ছেন তাঁদেরকে শুধু করোনায় মৃত্যু হিসেবে ধরা হবে। গোটা দেশের বহু মৃত্যুকে করোনায় মৃত্যু হিসেবে রেজিস্টারই করেনি জিনপিং সরকার।

আরও পড়ুন: একদিনে আক্রান্ত প্রায় চার কোটি! চিনে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে করোনা 

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের শেষ দিকে চিন থেকেই করোনা ভাইরাস (China Covid Horror) মহামারি পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৬৬ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। এত কিছুর পরও সারাবিশ্ব যখন করোনা রোধে বিভিন্ন মাত্রায় ভ্যাকসিন দিচ্ছে এবং করোনাকে মোকাবিলা করতে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেখানে চিন দুটি বিষয়কেই এড়িয়ে চলছে। 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

 
 
Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share