DA Case: ডিএ ইস্যুতে দশদিনের মধ্যে বসতে হবে রাজ্য এবং কর্মচারী সংগঠনগুলিকে, নির্দেশ হাইকোর্টের

DA

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘভাতা (DA Case) ইস্যুতে আগেই নবান্নের সঙ্গে কর্মচারী সংগঠনগুলিকে বৈঠকে বসার কথা বলেছিল হাইকোর্ট। সোমবার সেই মামলার পর্যবেক্ষণে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিল উচ্চ আদালত। কেন্দ্রীয় সরকারের হারে মহার্ঘভাতার (DA Case) দাবিতে চলতি মাসের ১০ এবং ১১ তারিখ দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্না কর্মসূচি পালন করে এসেছেন যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের প্রায় ৩০০ অধিক সদস্য। রাজধানীতে তাঁদের ওই ধর্না কর্মসূচিকে ভাল চোখে দেখেনি রাজ্য সরকার। আন্দোলনকারীরা নিজেদের দাবি আদায়ে ধর্নার পাশাপাশি, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির কাছে স্মারকলিপিও জমা দেন। এই আবহে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে আদৌ বরফ গলবে কিনা তানিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। সবচেয়ে বড় কথা হল, মধ্যবর্তী কোনও রেট বা হার স্থির করতে হলে তার ভিত্তি কী হবে সেও একটা প্রশ্ন।
তবে কলকাতা হাইকোর্ট যখন নির্দেশ দিয়েছে তখন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শিগগির ডাকতে হবে। 

কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

হাইকোর্টের নির্দেশ, রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হোক। সেই কমিটি দশ দিনের মধ্যে কর্মচারী সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসুক। আদালতের নির্দেশে এই বৈঠকে রাজ্য কর্মচারী সংগঠনগুলি থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি থাকতে পারবেন। তবে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন যাতে সাধারণ মানুষের পরিষেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করে সেদিকেও কর্মীদের দায়িত্ববান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে মহামান্য আদালত।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এদিন বলেন, আন্দোলন যাতে সরকারি কাজে বাধা না তৈরি করে তা কর্মচারী সংগঠনগুলিকে দেখতে হবে। তাঁরা যাতে সহমত হন সেই পরামর্শও দিয়েছে আদালত।

এদিকে সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে ছ’বার পিছিয়েছে শুনানি। আগামী শুনানির দিন ঠিক হয়েছে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এখন দেখার তার আগে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির সঙ্গে কর্মচারী প্রতিনিধিদের বৈঠক কবে হয়। তাতে বরফ গলে কিনা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নবান্ন ও কর্মচারী সংগঠনের মধ্যে আলোচনায় কোনও মধ্যপথ বেরোবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, বাজেটে ৩ শতাংশ ডিএ (DA Case) বাড়ানোর পর আর এগোনো সম্ভব নয়। সরকারের কাছে সেই আর্থিক পরিসর নেই। আবার কর্মচারী সংগঠনগুলি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ চাইছে। তারা কোনও মধ্যবর্তী শর্তে রাজি হবেন কিনা তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share