Homage paid to Axel: জঙ্গির গুলিতে নিহত ‘শহিদ’ অ্যাক্সেলকে শেষ বিদায় ভারতীয় সেনার

Axel

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গির গুলিতে নিহত শারমেয় অ্যাক্সেলকে (Axel) শহিদ তকমা দিয়ে শ্রেষ শ্রদ্ধা জানাল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। শনিবার জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) এক জঙ্গি দমন অভিযানে গিয়ে মৃত্যু হয় অ্যাক্সেলের। ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর, সেনাবাহিনীর এই কুকুরটির মাথায় মোট তিনটি গুলি লাগে এবং তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হয় তার। ঘটনাটি ঘটেছে বারামুল্লার ওয়ানিগামে (Wanigam)। 

পুলিশ জানায়, মোট পাঁচ ঘন্টা ধরে চলা এনকাউন্টারে আখতার হুসেন ভাট নামে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে এবং সংঘর্ষে দুই সেনা ও একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বারামুল্লার সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ মহম্মদ রইস ভাট বলেছেন, জঙ্গিরা ওয়ানিগাম গ্রাম ঘিরে ফেললে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি রাইফেল, তিনটি ম্যাগাজিন এবং একটি থলি উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নৌসেনার হাতে এল দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত, অন্তর্ভুক্তি কবে?

শনিবার কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় জঙ্গি দমন অভিযানে অংশ নেয় বেলজিয়ান মালিনোয়া প্রজাতির কুকুর অ্যাক্সেল। বারামুলার ওয়ানিগম বালা গ্রামে দুই জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে খবর পায় সেনা। এরপরই তল্লাশি অভিযানে নামে করে ২৬ রাষ্ট্রীয় রাইফেল। এই অভিযানেই ছিল ২৬ আর্মি ডগ ইউনিটের দুই সেনা কুকুর বয়সি অ্যাক্সেল ও বাজাজ। দুজনেরই বয়স দু বছর। 

যে বাড়িতে জঙ্গিরা লুকিয়ে আছে বলে খবর পায় সেনা, সেটিতে প্রথমে তল্লাশি চালায় বাজাজ। সে খালি হাতে ফিরে এলে, এরপর ময়দানে নামে অ্যাক্সেল। প্রশিক্ষকের নির্দেশে পর পর দুটি ঘরে তল্লাশি চালায় সে। দ্বিতীয় ঘরটিতে ঘাপটি মেরে বসে ছিল এক জঙ্গি। সে অ্যাক্সেলকে লক্ষ্য করে পর পর তিনটি গুলি চালায়। সেনাদের দাবি, ওই অবস্থাতেও ছুটে গিয়ে জঙ্গির শরীরে দাঁত বসিয়ে দেয় অ্যাক্সেল। ফলে জঙ্গিকে পাকড়াও করা সেনা পক্ষে আরও সহজ হয়ে যায়। কিন্তু মৃত্যু হয় অ্যাক্সেলের।

আরও পড়ুন: ১৯১টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল ভারতীয় সেনার শর্ট সার্ভিস কমিশন

অ্যাক্সেলের মৃত্যুতে ট্যুইট করে শোকপ্রকাশ করে চিনার কর্পস ব্যাটেলিয়ন। লেখা হয়, তোমাকে ধন্যবাদ অ্যাক্সেল। রবিবার সেনা আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ২৬ আর্মি ডগ ইউনিটের এলাকায় সমাধিস্থ করা হয় অ্যাক্সেলকে। 

 

তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, আক্রমণাত্মক আচরণ এবং ক্লান্তিহীনতার জন্যে এই বিশেষ জাতের কুকুরকে বিভিন্ন জঙ্গি দমন অভিযানে ব্যবহার করে তদন্ত সংস্থা এবং ভারতীয় সেনা। এই কুকুরকে প্রথম নকশাল দমন অভিযানে কাজে লাগায় সিএরপিএফ। 

এছাড়াও ভারতীয় সেনা বিভিন জঙ্গি অভিযানে ল্যাবরেডর, জার্মান শেফার্ড নিয়ে যায়। তুষারাচ্ছন্ন এলাকায় ব্যবহার করা হয় গ্রেট সুইস মাউন্টেন ডগ। এছাড়াও রয়েছে ককার স্যানিয়েলস। 

 

 

   

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share