Centre-States Science Conclave: আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন সূচকে ৮১ থেকে ৪৬তম স্থানে ভারত, বিজ্ঞান সম্মেলনে বললেন প্রধানমন্ত্রী

Science_Conclave

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃত কালের এই সময়ে গবেষণা ও আবিষ্কারের আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে ভারতকে। কেন্দ্র-রাজ্য বিজ্ঞান সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের রাজ্যগুলিকে অন্যান্য রাজ্য থেকে সেরা অনুশীলনগুলি গ্রহণ করতে হবে। দেশে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির উন্নয়নে তা কার্যকরী পদক্ষেপ।” 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আহমেদাবাদের সায়েন্স সিটিতে আয়োজিত দুদিনের কেন্দ্র-রাজ্য বিজ্ঞান সম্মেলনের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একবিংশ শতাব্দীর নতুন ভারতের বিকাশের জন্য, বিজ্ঞান সমস্ত ক্ষেত্রের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিজ্ঞান সব কিছুর সমাধান। বিবর্তনের ভীত। এই অনুপ্রেরণা নিয়েই আজকের নতুন ভারত, জয় জওয়ান, জয় কিষাণ, জয় বিজ্ঞানের পাশাপাশি জয় অনুসন্ধানের ডাকে এগিয়ে চলেছে।” 

আরও পড়ুন: তথ্য ডিজিটালাইজ করার প্রক্রিয়া শুরু, কীভাবে পাবেন ডিজিটাল হেলথ কার্ড, জানুন

এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা যখন আমাদের বিজ্ঞানীদের কৃতিত্ব উদযাপন করি, তখন বিজ্ঞান আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে। আমি সকলকে আমাদের বিজ্ঞানীদের জয় উদযাপন করার আহ্বান জানাই।” প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, “২০১৪ সালের পর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৫ সালে ভারতের অবস্থান ছিল ৮১ তম স্থানে। সরকারের প্রচেষ্টার কারণে বর্তমানে ভারত আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন সূচকে ৪৬ তম স্থানে রয়েছে।”

শনিবার ভার্চুয়ালি কেন্দ্র-রাজ্য সায়েন্স কনক্লেভের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আহমেদাবাদের সায়েন্স সিটিতে এই কনক্লেভের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের প্রায় সব রাজ্যের সরকারই এই কনক্লেভে অংশগ্রহণ করেছে। তবে এই অনুষ্ঠান থেকে নিজেদের দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুটি রাজ্য। বিহার ও ঝাড়খণ্ড এই অনুষ্ঠানে তাঁদের অনুপস্থিতির কোনও কারণও সরকারিভাবে জানায়নি।

দেশজুড়ে একটি শক্তিশালী বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের (STI) ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় এবং সহযোগিতার প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার জন্যই এই কনক্লেভের আয়োজন করা। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার ছাড়াও এই কনক্লেভে যোগ দিয়েছেন বড় বড় শিল্পপতি, তরণ বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকরা। ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিষেবা, কৃষকদের আয়ের উন্নতির জন্য প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ, স্বচ্ছতা এবং পানীয় জল উৎপাদন ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে এই সম্মেলনে। 

আরও পড়ুন: চিতা বাঁচাতে কুনো ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় হাজার কুকুরকে অ্যান্টি র‌্যাবিস প্রতিষেধক

অনেকেই মনে করছেন রাজনৈতিক কারণেই বিহার এবং ঝাড়খণ্ড এই সম্মেলন থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে। সম্প্রতি বিহারে এনডিএ-জেডিইউ সরকারের পতন হয়েছে। জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার বিজেপির হাত ছেড়ে আরজেডি ও কংগ্রেসের সঙ্গে সরকার গঠন করেছে। বর্তমানে নীতীশ ও বিজেপির সম্পর্কেরও অবনতি হয়েছে। এদিকে ঝাড়খণ্ডে এখনও রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতি চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সেই কারণেই এই অনুপস্থিতি। 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share