Rameshbabu Praggnanandhaa: ডাচ গ্র্যান্ডমাস্টারকে হারিয়ে অনলাইন দাবা প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতের ‘বিস্ময় বালক’ প্রজ্ঞানন্দ

Chess_Champion_Ramush_Babu_

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেসেবেল মাস্টার্স (Chessable Masters) প্রতিযোগিতায় ডাচ গ্র্যান্ডমাস্টার অনীশ গিরিকে (Anish Giri) পরাজিত করে ফাইনালে উঠল ভারতের বিস্ময় বালক, খুদে দাবাড়ু রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ (Rameshbabu Praggnanandhaa)।  

গত ফেব্রুয়ারিতে ম্যাগনাস কার্লসেনের (Magnus Carlsen) বিরুদ্ধে কিস্তিমাত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় কিশোর রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। সেই জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বাজিমাত। সম্প্রতি আরও একবার বিশ্বসেরা কার্লসেনকে হারিয়ে নজির গড়েছে সে।    

কার্লসেনকে হারানোর পরে মেল্টওয়্যার চ্যাম্পিয়ন্স দাবা ট্যুরের নকআউট পর্বে সোমবার সকলকে চমকে দিয়ে চিনের ওয়েই ই-কে ২.৫-১.৫ হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে। শেষ চারে তার সামনে ছিলেন নেদারল্যান্ডসের ভারতীয় বংশোদ্ভুত দাবাড়ু অনীশ গিরি। অন্য সেমিফাইনালে কার্লসেন খেলেন চিনের ডিংলিরেনের বিরুদ্ধে। কার্লসেনকে হারিয়ে অন্যদিকে ফাইনালে উঠেছেন ডিংলিরেন ( Ding Liren)। এবার ফাইনালে মুখোমুখি প্রজ্ঞানন্দ-ডিংরিলেন।     
 
১৬ বছর বয়সী প্রজ্ঞানন্দর সামনে এবার দারুণ সুযোগ একই টুর্নামেন্টে বিশ্বের এক এবং দুনম্বরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। সেমিফাইনাল ম্যাচটাও প্রজ্ঞানন্দর কাছে এক কঠিন পরীক্ষা ছিল। কারণ তার প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিলেন সমান শক্তিশালী। প্রথম চার রাউন্ডের পর রেজাল্ট ছিল ২-২। শেষ ম্যাচ ছিল টাইব্রেকার। আর তাতে পয়েন্টের বিচারে এগিয়ে থাকার জন্য ফাইনালে উঠে যায় প্রজ্ঞানন্দ। অনীশকে ৩.৫-২.৫ পয়েন্টে হারায় সে। ভারতীয় দাবাড়ু হিসেবে প্রজ্ঞানন্দই প্রথম, যে চেসেবেল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠল।  
 
বুধবারের সেমিফাইনালে প্রজ্ঞানন্দ প্রথম দুটি রাউন্ডে ২-০ লিড নেন। দ্বিতীয় রাউন্ডে অনীশ প্রত্যাবর্তন করেন। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে পয়েন্ট হয় ২-১। তৃতীয় রাউন্ডে অসাধারণ খেলেন অনীশ। পয়েন্ট সমানে সমানে নিয়ে আসেন ২-২ তে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি অনীশের। প্রজ্ঞানন্দ ৩.৫-২.৫ পয়েন্টে বাজিমাত করে হারিয়ে দেন নেদারল্যান্ডের অনীশ গিরিকে। 

এই টুর্নামেন্টে অনীশ গিরি এখনও অবধি অপরাজেয় ছিলেন। প্রজ্ঞানন্দর কাছেই প্রথম হার অনীশের। ক্লাস ইলেভেনের ছাত্র প্রজ্ঞানন্দর দাবা পরীক্ষার সঙ্গে স্কুলের পরীক্ষাও চলছে। মঙ্গলবার রাতে জেতার পর ভারতীয় খুদে দাবাড়ুর প্রথম প্রতিক্রিয়াই ছিল, ‘‘কাল সকাল ৮.৪৫- এর মধ্যে স্কুলে পৌঁছতে হবে। এদিকে, এখনই রাত দুটো!’’    

 

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share