Jhalda: তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডে সিবিআইয়ের তলব ঝালদা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায়কে

jhalda

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডে এল নয়া মোড়। এবারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের আধিকারিকরা তলব করলেন পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার নির্দল কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায়কে। শনিবার বিকেলে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে যান শীলা। তাঁকে কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরেই ঝালদা পুরসভাকে নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে তপন কান্দু খুনের মামলায় শীলা চট্টোপাধ্যায়কে তলব বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

সিবিআই ক্যাম্পে হাজিরা শীলার

শনিবার বিকেল ৪টে নাগাদ ঝালদায় সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে পৌঁছন শীলা। ঘণ্টা দু’য়েক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। এই নিয়ে শীলা বলেন, “আমার কাছ থেকে ওনারা কিছু বিষয় জানতে চেয়েছিলেন। যা ওনারা জানতে চেয়েছেন তা আমি জানিয়ে দিয়েছি।” তাঁর মতে, সিবিআই ভাল কাজ করছে। তপন হত্যা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর্ব থমকে গিয়েছিল। মাস তিনেক বাদে তা আবার নতুন করে শুরু হল ঝালদার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল কাউন্সিলরকে তলব করায়।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ টানাপোড়েন, আইনি লড়াই পড়ে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড দখল করেছিল কংগ্রেস। চেয়ারপার্সন হন শীলা চট্টোপাধ্যায়। ৭-০ ভোটে জিতে বোর্ড দখল করে কংগ্রেস। শীলা চট্টোপাধ্যায় নির্দল কাউন্সিলর হিসাবে থাকলেও তিনি কংগ্রেসকে সমর্থন করেন। তবে আপাতত শীলা চট্টোপাধ্যায় আর চেয়ারপার্সনের পদে নেই। দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁকে পদচ্যুত করেন মহকুমা শাসক। জানানো হয় পুরনির্বাচনের ৬ মাসের মধ্যে পর পর দল বদল করা যায় না। তারপরেই তৃণমূল কংগ্রেসের সন্দীপ সর্দারকে চেয়ারম্যান করে দেওয়া হয়।

এদিকে কাউন্সিলর পদ খারিজের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শীলা চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলায় হাইকোর্ট তাঁর কাউন্সিলর পদ খারিজের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেয়। এবং ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান পদে পূর্নিমা কান্দুকে বসানোর নির্দেশ দেয়। এই পূর্ণিমা কান্দু ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর স্ত্রী। পুরভোটের কয়েকদিনের মধ্যেই খুন হয়েছিলেন তপন কান্দু। আদালতের নির্দেশে সেই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই।

প্রসঙ্গত, গত বছর ১৩ মার্চ সন্ধ্যায় ঝালদায় খুন হন কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন। তাঁকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যাকারীরা। প্রাথমিক ভাবে ওই কাণ্ডের তদন্তে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট) তৈরি করে জেলা পুলিশ। অবশ্য পরে কলকাতা হাইকোর্ট ওই মামলায় তদন্তভার তুলে দেয় সিবিআইকে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share