Maan ki Baat: ১৪৫টি পেটেন্ট রয়েছে এই সংস্থার নামে, আইআইএসসি-র প্রশংসায় নরেন্দ্র মোদি

Man_ki_baat

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৭ তম ‘মন কি বাত’ (Maan ki Baat) অনুষ্ঠানে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স, বেঙ্গালুরুর ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “দেশের সবথেকে পুরোনো বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে অন্যতম বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স, অর্থাৎ আইআইএসসি এক মহৎ দৃষ্টান্ত পেশ করছে। মন কি বাত-এ আমি আগে এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। এই সংস্থা স্থাপনের নেপথ্যে ভারতের দুই মহান ব্যক্তিত্ব জামশেদজী টাটা ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রেরণা রয়েছে। এটা জেনে আমাদের সবার গর্ব হবে যে, ২০২২ সালে এই সংস্থার নামে ১৪৫ টি পেটেন্ট রয়েছে। এর অর্থ প্রতি পাঁচ দিনে দুটি পেটেন্ট। এই রেকর্ড আশ্চর্য! এই সফলতার জন্য আমি আইআইএসসির  টিম কে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। বন্ধুরা আজ পেটেন্ট ফিলিং-এ ভারতের স্থান সপ্তম আর ট্রেডমার্কে পঞ্চম। শুধুমাত্র পেটেণ্টের কথা বললে গত পাঁচ বছরে এখানে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।  গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সেও ভারতের র‍্যাঙ্কিং-এ উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং এখন ভারত চল্লিশতম স্থানে রয়েছে। যেখানে ২০১৫-তে ভারতের স্থান ছিল আশিতম। আমি আরও একটি খুশির কথা আপনাদের বলতে চাই। ভারতে গত এগারো বছরে প্রথমবার ডোমেস্টিক পেটেন্ট ফিলিং-এর সংখ্যা ফরেন ফিলিং-এর থেকে বেশি দেখা গিয়েছে। এটি ভারতের বর্ধিষ্ণু বৈজ্ঞানিক সামর্থ্যের পরিচয় দেয়।

কী বলেন প্রধানমন্ত্রী?      

বছরের প্রথম মন কি বাত (Maan ki Baat) অনুষ্ঠানে জাতির উদ্দেশে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন শুরুতেইই পদ্ম সম্মান প্রাপকদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এটাই ছিল বছরের প্রথম মনকি বাত অনুষ্ঠান। প্রতি মাসের চতুর্থ রবিবার মনকি বাত অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে বার্তা দিয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এদিন বছরের প্রথম মনকি বাত অনুষ্ঠানে ভারতকে ‘গণতন্ত্রের জননী’ সম্মোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের রক্তে, সংস্কৃতিতে মিশে রয়েছে গণতন্ত্র। বহু শতাব্ধী ধরেই এটি আমাদের জীবনের, সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসানে রয়েছে। আমরা গণতান্ত্রিক সমাজে থাকি। আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, গণতন্ত্রের জননী ভারত।” সেই সঙ্গে দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী (Maan ki Baat) বলেন, “এবারের পদ্ম সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে তাদেরও, যারা প্রাচীন, ঐতিহ্যশালী বাদ্য়, যেমন সন্তুর, বামহুম, দোতারা বাজিয়ে সুর ছড়িয়ে দিয়েছেন।”

মিলেটের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন (Maan ki Baat), ২০২৩ সালকে মিলেটের আন্তর্জাতিক বর্ষ হিসাবে গণ্য করা হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ মিলেট দিয়ে নানা খাবার তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কাস্মীর স্নো ক্রিকেট এবং উইন্টার গেমসকে ‘খেলো ইন্ডিয়ার’- সম্প্রসারিত অংশ বলে উল্লেখ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী (Maan ki Baat) আরও বলেন, “আগামিদিনে নতুন বিপ্লব আসতে চলেছে। সাধারণ মানুষ যেভাবে বিশাল হারে যোগাসন ও শরীরচর্চায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করে যোগাসনকে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দিয়েছে, একইভাবে মিলেটকেও ব্যাপক হারে গ্রহণ করে তা জনপ্রিয় করে তোলা হবে। ভারতের প্রস্তাবেই রাষ্ট্রপুঞ্জ আন্তর্জাতিক যোগাসন দিবস ও আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষের ঘোষণা করেছে। যোগাসন যেমন স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, একইভাবে মিলেটও স্বাস্থ্যরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share