Mock Drill: অতিমারি মোকাবিলায় প্রস্তুত দেশ? দেশজুড়ে হাসপাতালগুলোতে চলল কোভিড ‘মক ড্রিল’

mock_drill

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ফের নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। করোনার নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। চিনে কোভিডের সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েই চলেছে। এছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সেও সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েছে। আর এবারে দেশেও যাতে করোনার বাড়বাড়ন্ত না হয়, তার জন্যই কেন্দ্রের তরফে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে এদিন দেশের সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ‘মক ড্রিল’ (Mock Drill) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য মঙ্গলবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে মক ড্রিল চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন।

কী এই ‘মক ড্রিল’?

কেন্দ্রের উদ্যোগে আজ দেশজুড়েই চলবে নজরদারি, আর একেই বলা হচ্ছে ‘মক ড্রিল’ (Mock Drill)। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকারের পরামর্শ অনুসারে, কোভিড ১৯ সম্পর্কিত যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাসপাতালগুলি তৈরি কিনা তার নজরদারিই হল মক ড্রিল। করোনার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সমস্ত প্রস্তুতি যে একেবারে পাকা, তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাসপাতালে মক ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজ্যে করোনা টিকার ভাঁড়ার শূন্য! সাফাই শাসকদলের, তীব্র কটাক্ষ বিজেপির

মক ড্রিলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য নিজে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান। এরপর ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (IMA) ডাক্তারদের সঙ্গে আজ বৈঠকও আছে তাঁর। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন – বিশ্বব্যাপী কোভিড পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে। দিল্লির সফদরজং হাসপাতাল যেভাবে প্রস্তুত, আমরা চাই অন্যান্য হাসপাতালগুলিও প্রস্তুত থাকুক। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা যাতে নিশ্চিত করেন যে সর্বত্র প্রোটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে।”

কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হবে মক ড্রিলে?

এই মক ড্রিলে (Mock Drill) দেখা হবে আইসোলেশন বেডের সংখ্যা, অক্সিজেনযুক্ত বেডের সংখ্যা, আইসিইউ এবং ভেন্টিলেটর যুক্ত বেডের সংখ্যা। এছাড়া চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক্যাল, আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সর্বোচ্চ কতসংখ্যক ফ্রন্টলাইন কর্মী রয়েছেন, তাও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়াও মক ড্রিলে জোর দেওয়া হচ্ছে কোভিড মোকাবিলায় পেশাদাররা কতটা প্রশিক্ষিত তার ওপরে। গুরুতর পরিস্থিতির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরিষেবায় প্রশিক্ষিতরা কতটা ভেন্টিলেটরি ম্যানেজমেন্ট করতে পারছেন তাও খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি অ্যাডভান্স এবং বেসিক লাইফ সাপোর্ট, পিএসএ প্ল্যান্টের পরিচালনায় কর্মীরা কতটা দক্ষ তাও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়াও অ্যাম্বুলেন্স, পরীক্ষার সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় ওষুধের ওপরেও নজর রাখা হবে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share