Rajasthan: ঋণ মেটাতে কিশোরীদের তোলা হচ্ছে নিলামে! না মানলে মাকে ধর্ষণ! নিদান রাজস্থান খাপ পঞ্চায়েতের

WhatsApp_Image_2022-10-28_at_433.48_PM

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিরিয়া কিংবা ইরাকে আইএস মতো ঘটনা খোদ ভারতের মাটিতে। ঋণ মেটাতে না পারলে নাবালিকা নিলামের নিদান পঞ্চায়েতের। এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটেছে  কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানের ভিলওয়ারা সংলগ্ন ছয়টি জেলায়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (National Human Rights Commission) এই বিষয়ে রাজস্থান সরকারকে নোটিশ দিলে গোটা ঘটনা জনসমক্ষে আসে। জানা গিয়েছে ঋণ শোধ অপারগ হলে আট থেকে ১৮ বছরের মেয়েদের নিলামের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে খাপ পঞ্চায়েতের তরফ থেকে। শুধু তাই নয় সরকারী স্ট্যাম্প পেপারে চলছে এই নিলাম। সর্বপেক্ষা ভয়ংকর বিষয় এই যে মানা না হলে মাকে ধর্ষণের নিদান দিচ্ছে পঞ্চায়েত।

মানবাধিকার কমিশনের সূত্রে খবর, রাজস্থানের একাধিক জেলায় সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের নিষ্পত্তির জন্য ডেকে পাঠাচ্ছে দুই দলকে স্থানীয় পঞ্চায়েত। খাপের বিচারে যে পক্ষ হারছে, সেই পক্ষের ৮ থেকে আঠারো বছর বয়সি মেয়েদের স্ট্যাম্প পেপারে সইসাবুদ করে নিলামে তোলা হচ্ছে।স্ট্যাম্প পেপারের সেই আনুষ্ঠানিক চুক্তিপত্রে দেখানো হয় যে, ওই কিশোরীদের দত্তক নেওয়া হয়েছে। আদতে ওই কিশোরীদের  নিলামে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে যে বা যারা সর্বোচ্চ দাম হাঁকছে,পঞ্চায়েত তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে কিশোরীদের , হাত ঘুরে সেই মেয়েদের উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মুম্বই, দিল্লির বিভিন্ন যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। শুধু তা-ই নয়, কমিশনের কাছে এই মর্মে অভিযোগ জমা পড়েছে যে, মেয়েদের নিলামে তুলতে বাধা দেওয়া হলে তাদের মায়েদের ধর্ষণ করার নিদান দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে দেশের পঞ্চায়েতি রাজ আইন অনুসারে পঞ্চায়েতগুলি নারী এবং শিশু সুরক্ষায় কী ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকারের কাছে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে কমিশন তরফে। এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, রাজস্থান পুলিশের ডিজির কাছে জানতে চেয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে মানবাধিকার কমিশন বৃহস্পতিবার সেই  রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে আর মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যে রাজস্থান সরকারের জবাব চেয়েছে তারা।

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

 
 
Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share