Blog

  • Mamata Banerjee: মমতার সভায় মিশনের ভুয়ো অধ্যক্ষ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের

    Mamata Banerjee: মমতার সভায় মিশনের ভুয়ো অধ্যক্ষ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার (Mamata Banerjee) এসআইআর ধর্না নিয়ে ফের বিতর্ক সামনে এল। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের নাম অপব্যবহারের অভিযোগ উঠল। এনিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে মিশন। মমতার সভায় গেরুয়া পোশাক পরা এক ব্যক্তি নিজেকে মিনাখাঁ শাখার রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সন্ন্যাসী ও সভাপতি বলে দাবি করেন। তিনি দাবি করেন, ১৪ বছর ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই সমস্যার সমাধানের আশায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছেন বলেও জানান। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা একজন সন্ন্যাসীকেও এভাবে হয়রানি করা লজ্জার বিষয়। তবে ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন স্পষ্ট জানায়, মিনাখাঁয় তাদের কোনও শাখা নেই এবং ওই ব্যক্তির দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

    মিশনের বিবৃতি

    সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রব্রাজিকা অতন্দ্রপ্রাণার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মিনাখাঁয় রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের কোনও শাখা নেই এবং কোনও পুরুষ সন্ন্যাসী সেখানে সভাপতি—এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, “শ্রী সারদা মঠ” এবং “রামকৃষ্ণ সারদা মিশন” নাম, সিলমোহর ও প্রতীক আইনগতভাবে সুরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এগুলি ব্যবহার করলে Emblems and Names (Prevention of Improper Use) Act, 1950 অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শ্রী সারদা মঠ ১৯৫৪ সালে , ১৯৬০ সালে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন গঠিত হয়

    বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শ্রী সারদা মঠ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৯ সালে নিবন্ধিত হয়। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবনা অনুযায়ী এই মঠ প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ১৯৬০ সালে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবামূলক কাজের জন্য রামকৃষ্ণ সারদা মিশন গঠিত হয় (Ramakrishna Sarada Mission)।

  • RSS: হিন্দুত্ব শুধু ভাবনা নয়, এটা জীবনপদ্ধতি, বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    RSS: হিন্দুত্ব শুধু ভাবনা নয়, এটা জীবনপদ্ধতি, বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) বিস্তার মানেই জাতীয় ভাবনার বিস্তার—এমনটাই মন্তব্য করলেন সংঘের অখিল ভারতীয় সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। পানিপথে তিন দিনব্যাপী অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দেশের নাগরিকদের ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত হওয়া জরুরি। তিনি আরও জানান, গত এক বছরে সংঘের সাংগঠনিক বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রায় ছয় হাজার নতুন শাখা যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে শাখার সংখ্যা ৮৮ হাজারেরও বেশি হয়েছে। শাখা পরিচালিত হওয়া স্থানের সংখ্যাও বেড়ে ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক মিলন ও মণ্ডলীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, ” হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি”।

    আন্দামান থেকে অরুণাচল বেড়েছে সংগঠন

    দত্তাত্রেয় হোসাবালে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “সংগঠনের (RSS) বিস্তার শুধু সংখ্যায় নয়, ভৌগোলিক ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। আন্দামান, অরুণাচল প্রদেশ, লেহ এবং দূরবর্তী আদিবাসী এলাকাতেও এখন সংঘের শাখা চলছে।” সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলেও তিনি জানান। আন্দামানে নয়টি দ্বীপ থেকে ১৩ হাজারের বেশি মানুষ একটি হিন্দু সম্মেলনে অংশ নেন। একইভাবে কম জনঘনত্বের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে ২১টি হিন্দু সম্মেলনে ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ যোগ দেন।

    হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি

    তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, সংগঠনের বিস্তারের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে সংঘ (RSS)। “পঞ্চ পরিবর্তন” ধারণার মাধ্যমে সামাজিক মান ও মূল্যবোধ উন্নত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, ভারতীয়তা বা হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি। হোসাবালে জানান, জাতপাত বা সম্প্রদায়ের বিভেদ ভুলে মহান ব্যক্তিত্বদের অবদানকে সম্মান জানানো উচিত। সেই ভাবনা থেকেই ‘বন্দে মাতরম্’-এর ১৫০ বছর উদ্‌যাপন করা হয়েছে। আগামী বছরে সন্ত রবিদাসের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিরও পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    গো-সেবা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা

    তিনি জানান, আগামী বছরে সংঘের (RSS) পক্ষ থেকে মোট ৯৬টি প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করা হবে, যার মধ্যে ১১টি আঞ্চলিক এবং একটি নাগপুরে অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে গো-সেবা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নাগরিকদের বাড়ির ছাদে সবজি চাষ এবং দেশি গরুর গোবর থেকে তৈরি সার ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পলিথিন ব্যবহার কমানো ও জল সংরক্ষণের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ‘সবুজ বাড়ি’ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের কাঠামোতেও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্তমান ৪৬টি প্রান্তের পরিবর্তে ছোট ইউনিট ‘সম্ভাগ’ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে সম্ভাগের সংখ্যা ৮০-এর বেশি হতে পারে। এক প্রশ্নের উত্তরে হোসাবালে বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটারদের কেবল জাতপাতের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে সমাজের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমকেও দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দেশের সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসাও করেন এবং বলেন, সংঘ বিশ্বে শান্তি ও উন্নয়নের পক্ষে।

    স্বয়ংসেবক কারা?

    তিনি আরও জানান, সংঘ (RSS) কোনও সম্প্রদায় বা উপাসনা পদ্ধতির বিরোধিতা করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার সংঘ প্রতিষ্ঠার সময় এমনই ভাবনা পোষণ করেছিলেন। পরবর্তীতে এম এস গোলওয়ালকরও বলেন, সব মানুষের পূর্বপুরুষ এক এবং উপাসনার পদ্ধতির ভিন্নতা বিভেদ সৃষ্টি করে না। তৃতীয় সরসংঘচালক বালাসাহেব দেওরসও মত দেন, যারা ভারতকে মাতৃভূমি হিসেবে মানেন এবং ভারতীয়তার চেতনায় জীবনযাপন করেন, তারাই হিন্দু। দত্তাত্রেয় হোসাবালে বলেন, সমাজের কল্যাণে যে কেউ কাজ করলে তাকে সংঘের স্বয়ংসেবক হিসেবেই দেখা হয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরে সংঘের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বলেও তিনি জানান। তিনি জানান, গুরু তেগবাহাদুরের ৩৫০তম শহিদ দিবস উপলক্ষে সারা দেশে দুই হাজারের বেশি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে সাত লক্ষেরও বেশি মানুষ অংশ নেন।

  • Assembly Election 2026: ভোট ঘোষণা, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরাল কমিশন! আজই নয়া দায়িত্বে কারা?

    Assembly Election 2026: ভোট ঘোষণা, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরাল কমিশন! আজই নয়া দায়িত্বে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবারই রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব পদে দায়িত্ব নিচ্ছেন দুষ্মন্ত নারিওয়ালা। স্বরাষ্ট্রসচিব পদে আসছেন সংঘমিত্রা ঘোষ। এদিন দুপুর ৩টের মধ্যে তাঁদের দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভোট ঘোষণার (Assembly Election 2026) কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরে বদল আনা হয়েছে। মুখ্যসচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে নন্দিনী চক্রবর্তীকে। দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভোট শেষ না-হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজ করতে পারবেন না তাঁরা।

    চেনেন দুষ্মন্ত নারিওয়ালা ও সংঘমিত্রা ঘোষকে

    নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিব ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর ও কারা দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্বে। ১৯৯৩ সালের ব্যাচের আইএএস আধিকারিক তিনি। নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব হলেন সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ ১৯৯৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। এত দিন তিনি নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব ছিলেন।

    কেন বদল করা হল

    চলতি বছরের প্রথমদিনই রাজ্যের মুখ্যসচিবের দায়িত্ব নিয়েছিলেন নন্দিনী চক্রবর্তী। বাংলার ইতিহাসে তিনিই প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব। অন্তত ৮ জন সিনিয়র অফিসারকে এড়িয়ে তাঁকে মুখ্যসচিব করা হয়েছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছিল নির্বাচন কমিশন। ১৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন ভবনে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে কড়া সতর্কবার্তার মুখে পড়েছিলেন নন্দিনী। অন্যদিকে, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনাকে ভিন রাজ্যের (অসম, কেরালা, তামিলনাড়ু ইত্যাদি) বিধানসভা নির্বাচনে ‘কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক’ (Central Observer) হিসেবে নিয়োগ করেছে কমিশন। সাধারণত কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিব বা স্বরাষ্ট্রসচিবদের এই ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হয় না। শনিবার দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিবের উদ্দেশে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে প্রশাসনিক স্তরে বড় রদবদল

    সূত্রের খবর, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে নতুন দুই আধিকারিক নিজ নিজ দায়িত্ব গ্রহণ করার পর নির্দেশ কার্যকর করার রিপোর্ট পাঠাতে বলেছে কমিশন। নির্বাচন ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে এত বড় রদবদল নিয়ে রাজ্যজুড়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে রবিবার ভোট ঘোষণা হতেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। কমিশনের হাতে বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে রাজ্যের আমলা, আধিকারিক, পুলিশকর্তাদের বদলি করার। সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেই রাজ্যের দুই শীর্ষস্থানীয় আমলাকে সরিয়ে দিল কমিশন।

    অতীতে এই ধরনের ঘটনা

    অতীতেও বিভিন্ন পুলিশকর্তা এবং সরকারি আধিকারিক বদল করেছে কমিশন। নির্বাচনের আগে পুলিশ সুপার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বদলেরও নজির রয়েছে। এমনকি স্বরাষ্ট্রসচিব বদলের উদাহরণও আছে। তবে একেবারে মুখ্যসচিব পর্যায়ে পরিবর্তন সাম্প্রতিক সময়ে কবে হয়েছে, মনে করতে পারছেন না কেউই। অতীতে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। ওই সময় কমিশনের অভিযোগ ছিল, অত্রি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এমন কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন, যা কমিশনের নির্দেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। পুলিশকর্তা রাজীব কুমারকেও ওই বছর লোকসভা ভোটের সময়ে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। রাজীব তখন ছিলেন সিআইডি-র অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদে। তবে একই সঙ্গে রাজ্যের দুই শীর্ষস্থানীয় আমলাকে সরিয়ে দেওয়াটা সম্ভবত এই প্রথম।

    রাজ্য পুলিশের ডিজি পদেও বদলের ইঙ্গিত

    কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে পীযূষ পাণ্ডে ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সুপ্রতীম সরকারকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। সরকারের শীর্ষ সূত্রে খবর, দুঁদে দুই পুলিশ কর্তাকে এই দুই পদে নিয়োগ করা হবে। এঁদের মধ্যে একজন রাজ্য পুলিশের ডিজি পদের জন্য যোগ্য ছিলেন। কিন্তু নবান্ন তাঁকে ডিজি পদের জন্য বেছে নেয়নি। দ্বিতীয় আইপিএস কর্তাও সৎ এবং একনিষ্ঠ বলে পরিচিত। কিন্তু ক্ষমতার অলিন্দে আলোচনা যে তিনি নবান্নের গুড বুকে ছিলেন না। তাই তাঁকে তুলনামূলক ভাবে লঘু দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছিল।

    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ

    রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট (Assembly Election 2026) ঘোষণার সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেছিলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হবে। এই আবহে কমিশন আবার জানতে চেয়েছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় কোন কোন পুলিশ অফিসারের এলাকায় হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সোমবার সন্ধে ৬টার মধ্যে সেইসব অফিসারদের নামের তালিকা পাঠাতে বলেছে কমিশন। ওই অফিসারদের নামের তালিকা পাওয়ার পর কমিশন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই দেখার।

    রাজ্যের কবে-কোথায় ভোট

    রবিবারই পশ্চিমবঙ্গ সহ ৫ রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ (Assembly Election 2026) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার দু’দফায় ভোট হবে বঙ্গে। প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। সেদিন মোট ১৫২ আসনে ভোট হবে। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল, ১৪২ আসনে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। দ্বিতীয় দফায় ভোট ১৪২ আসনে। ২৯ এপ্রিলের সেই ভোট হবে। কলকাতা ও তার আশপাশের জেলাগুলিতে। সেগুলি হল, কলকতা, হাওড়া, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

  • Daily Horoscope 16 March 2026: সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 16 March 2026: সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়িতে অতিথি আগমন হতে পারে।

    ২) পরিবারে ব্যস্ততা বাড়বে।

    ৩) ছোট বাচ্চারা হইহুল্লোড়ে ব্যস্ত থাকবেন।

    বৃষ

    ১) সন্ধ্যা নাগাদ বাবার পরামর্শে বিবাদের সমাধান হবে।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা নতুন কিছু করতে চাইবেন।

    মিথুন

    ১) ছাত্রছাত্রীরা নতুন কিছু শিখতে পারবেন।

    ২) অনাবশ্যক ব্যয় এড়িয়ে যেতে হবে।

    ৩) সুসংবাদ পাবেন।

    কর্কট

    ১) সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।

    ২) মা-বাবার আশীর্বাদ পাবেন।

    ৩) ভাই-বোনকে কিছু পরামর্শ দিতে পারেন।

    সিংহ

    ১) রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দিন কাটাবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে পরিবেশ আপনার অনুকূলে থাকবে।

    ৩) বিরোধী প্রবল হবে।

    কন্যা

    ১) অতীত সমস্যার সমাধান হবে।

    ২) শত্রুতা ও বিবাদের সমাধান হবে।

    ৩) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    তুলা

    ১) আত্মীয়দের কাছ থেকে সুসংবাদ পাবেন।

    ২) ব্যবসায়ীদের ধনলাভ হবে আজ।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) বহুদিন ধরে দেখা করতে চান এমন কোনও ব্যক্তির সঙ্গে আজ সাক্ষাৎ হতে পারে।

    ২) কাছের বা দূরের যাত্রা করতে পারেন।

    ৩) খাওয়া-দাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ধনু

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে সুখ ও সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) আত্মবিশ্বাস চরমে থাকবে।

    ৩) সন্ধ্যা ও রাতে কোনও বিশেষ বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন।

    মকর

    ১) আর্থিক লেনদেনে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

    ২) ভাগ্যের সঙ্গ পাবেন না।

    ৩) কারও ওপর ভরসা করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি আইনি কাজের জন্য ফলদায়ী।

    ২) আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) ব্যবসায়ীরা নিজের কথা অন্যের সামনে রাখতে পারবেন।

    মীন

    ১) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ২) পরিবারে পুজোর আয়োজন করতে পারেন।

    ৩) আজকের দিনটি আপনাদের জন্য ভালো।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।..

  • Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের (Election 2026) সূচি ঘোষণা করে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ (২৩ ও ২৯ এপ্রিল), তামিলনাড়ু (২৩ এপ্রিল), কেরল (৯ এপ্রিল), অসম (৯ এপ্রিল) এবং পুদুচেরি (৯ এপ্রিল)। ভোট গণনা হবে ৪ মে। কমিশনের এই ঘোষণার মাধ্যমে একটি বড় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল, যার মাধ্যমে প্রায় ৮২৪টি আসনে ভাগ্য নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা (Election 2026)

    রবিবার বিকেলে দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, প্রায় ১৭.৪ কোটি মানুষ এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। এর মধ্যে অসমে ২.৫০ কোটি, কেরলে ২.৭০ কোটি, পুদুচেরিতে ৯.৪৪ লাখ, তামিলনাড়ুতে ৫.৬৭ কোটি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৬.৪৪ কোটি ভোটার রয়েছেন। তিনি বলেন, “২০টি দেশের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে এবং তা থেকে শিক্ষা নিতে ভারতে আসবেন।” নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচটি ভোটমুখী রাজ্যে মডেল কোড অব কন্ডাক্ট (Model Code of Conduct) কার্যকর হয়ে গেল বলেও জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছে। আর অন্যদিকে বিজেপি তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মরিয়া। রাজ্যে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে।

    নির্বাচন আরও তিন রাজ্যেও

    তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকের সেক্যুলার প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স মুখোমুখি হচ্ছে বিজেপি–এআইএডিএমকে জোটের। সেখানে মোট ২৩৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে। কেরলে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF) সরকার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF)-এর বিরুদ্ধে (Election Commission)। অসমে বিজেপি নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চাইছেন। পুদুচেরিতে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামীর এআইএনআরসির মুখোমুখি হচ্ছে ডিএমকে–কংগ্রেস জোট।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    এদিকে, ভুয়ো তথ্য ও ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দিয়ে রাখল কমিশন। জ্ঞানেশ জানান, এই বিষয়টি নজর রাখবেন নোডাল অফিসাররা। এই ধরনের ভুয়ো তথ্য বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুছে ফেলা এবং এফআইআর দায়ের করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আদর্শ আচরণবিধি এখন থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর পর এমন কোনও ঘটনা ঘটলে, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে কমিশন।” অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন (Election 2026) বিচারকরা।  অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হলে, সেই তালিকার নামগুলি বর্তমান ভোটারদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।” তিনি জানান, বিবেচনাধীন থাকা নামগুলি খতিয়ে দেখছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা যে নামগুলিকে অনুমোদন দেবেন, সেগুলি চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সঙ্গে যুক্ত করা হবে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আপাতত ভোটার রয়েছেন ৬ কোটি ৪৪ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ৩ কোটি ২৮ লাখ, মহিলা ৩ কোটি ১৬ লাখ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১৫২জন। উল্লেখ্য যে, বঙ্গের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টিতে, দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে ১৪২টি আসনে (Election 2026)।

     

  • Jay Shah: প্রাক-টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্বে ‘নাটক’ নিয়ে মুখ খুললেন জয় শাহ

    Jay Shah: প্রাক-টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্বে ‘নাটক’ নিয়ে মুখ খুললেন জয় শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ (Pre T20 World Cup Drama) নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ভারতে আসতে অস্বীকার করায় টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেও, বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অনড় ছিল। তাই তাদের জায়গায় (Jay Shah) নেওয়া হয় স্কটল্যান্ডকে।

    “কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয়” (Jay Shah)

    পরে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করার হুমকি দিয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত তারা সিদ্ধান্ত বদল করে। এই বিতর্কের সময় নীরব ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। এতদিন পরে মুখ খুললেন তিনি। মুম্বইয়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়ান বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ জানান, কয়েকটি দলের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হওয়া দ্বিধার কারণে পুরো টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে তিনি বলেন, “কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয়।”

    দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ড ভেঙেছে

    তিনি বলেন, “এই আইসিসি বিশ্বকাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে অনেক আলোচনা চলছিল, কিছু দল আদৌ অংশ নেবে কি না এবং বিশ্বকাপ কীভাবে এগোবে। আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বলতে পারি, কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয় এবং কোনও একক দল একটি সংস্থা তৈরি করে না। একটি সংস্থা গড়ে ওঠে সব দলের সমন্বয়ে।” যদিও তিনি সরাসরি বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের নাম নেননি। শাহ জানান, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ড ভেঙেছে। একসঙ্গে ৭.২ মিলিয়ন দর্শক ম্যাচ দেখেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি বলেন, “এই বিশ্বকাপ সব ধরনের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ইতিহাসে প্রথমবার আমরা ৭.২ মিলিয়ন দর্শক পেয়েছি। সামগ্রিক দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ডই ভেঙে গিয়েছে। আপনি দেখবেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে কঠিন লড়াই দিয়েছে, নেদারল্যান্ডস পাকিস্তানকে সমস্যায় ফেলেছে, জিম্বাবোয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে এবং নেপাল ইংল্যান্ডকে ভয় পাইয়ে দিয়েছে (Pre T20 World Cup Drama)। আমি সব অ্যাসোসিয়েট দলকে অভিনন্দন জানাই। তারা পূর্ণ সদস্য দেশগুলির বিরুদ্ধে খুব ভালো খেলেছে (Jay Shah)।”

    জয়ের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    শেষে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন জয়। বলেন, “সূর্য (সূর্যকুমার যাদব) এবং গৌতম ভাইয়ের জন্য আমার একটি বার্তা আছে—শীর্ষে উঠতে বছর লাগে, কিন্তু শীর্ষ থেকে নীচে নামতে মাত্র কয়েক মাসই যথেষ্ট। তাই কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান এবং জয়ের ধারা বজায় রাখুন। আমি যখন ভারতের ক্রিকেট বোর্ডে (BCCI) ছিলাম, তখন ২০২৮ অলিম্পিক পর্যন্ত পরিকল্পনা করেছিলাম। এখন আমি আইসিসিতে আছি এবং বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব অন্যদের হাতে। আপনাদের সবাইকে ২০৩০, ২০৩১ এমনকি (Pre T20 World Cup Drama) ২০৩৬ সালের জন্যও প্রস্তুতি নিতে হবে (Jay Shah)।”

     

  • Spying For Pakistan: পাকিস্তানের চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার ৬, কীভাবে চলত নেটওয়ার্ক?

    Spying For Pakistan: পাকিস্তানের চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার ৬, কীভাবে চলত নেটওয়ার্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তির (Spying For Pakistan) অভিযোগে শনিবার ছ’জনকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) থানার পুলিশ। পুলিশ প্রথমে সুহেল মালিক, প্রবীণ, রাজ, শিবা এবং হৃতিককে গ্রেফতার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ষষ্ঠ অভিযুক্ত ইরাম ওরফে মাহাককে গ্রেফতার করে। শনিবার সন্ধ্যায় তাদের তোলা হয় আদালতে। বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায় আদালত।

    সংবেদনশীল জায়গার ছবি পাকিস্তানে (Spying For Pakistan)

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা দিল্লি, মুম্বই, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাব এবং কর্নাটকের সংবেদনশীল জায়গার ছবি, ভিডিও এবং অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য পাকিস্তানে পাঠাচ্ছিল। তারা দিল্লির সেনা ছাউনি এলাকা, সব রেলস্টেশন, জিআরপি, আরপিএফের পাশাপাশি মুম্বইয়ের রেলস্টেশন, প্রতিরক্ষা এলাকা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল জায়গার ছবি এবং ভিডিও ও লোকেশন পাকিস্তানে পাঠিয়েছে। মাস ছয়েক আগে সুহেল দিল্লি ক্যান্ট রেলওয়ে স্টেশনে একটি সৌরশক্তিচালিত ক্যামেরা বসিয়েছিল, যা থেকে সরাসরি ভিডিও ফিড পাঠানো হত পাকিস্তানের একটি নির্দিষ্ট নম্বরে। পাকিস্তানে এই তথ্য পাঠানোর জন্য অভিযুক্তরা ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পেত বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ৮টি মোবাইল ফোনে পাওয়া যোগাযোগ নম্বরগুলির তদন্ত করছে পুলিশ।

    কী জানাল পুলিশ

    জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে সুহেল ও রাজ বাল্মীকি দিল্লির (Spying For Pakistan) বাসিন্দা, তারা একে অপরের বন্ধু। বছরখানেক আগে তারা একসঙ্গে হোটেল ও ধাবায় কাজ করত। পরে চাকরি ছেড়ে দেয়। সুহেল চলে যায় মিরাটে। রাজ অর্থসঙ্কটে পড়লে সুহেল তাকে পাকিস্তানের চরবৃত্তির কাজে লাগায়। এরপর প্রবীণ, শিবা বাল্মীকি, রিতিক গঙ্গোয়ার এবং ইরামও এই দলে যোগ দেয়। প্রথমদিকে অভিযুক্তরা ছবি এবং ভিডিও পাঠাত সুহেলকে, সে আবার সেগুলি পাঠাত পাকিস্তানে, তার যোগাযোগ নম্বরে। পরে সবাই সরাসরি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং তাদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয়। পুলিশ এও (Ghaziabad) জানিয়েছে, অভিযুক্তরা পাকিস্তান থেকে কিছু পার্সেলও পেয়েছিল। সুহেল কীভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, তা জানতে (Spying For Pakistan) তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও নিত্য ঘটে চলেছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Hindus Under Attack)। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে চলতে থাকা এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের অনেক অংশ এই আক্রমণের প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করেছে, যা মূলত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও পক্ষপাতদুষ্টতার জের (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন। চলতি বছরের ৮ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে যেসব ঘটনা ঘটেছে, এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (Hindus Under Attack)

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ চলচ্চিত্র সিরিজের দ্বিতীয় অংশের শুরুতেই একটি দৃশ্যে দেখা যায় এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে, তার মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে আনুজা নামের এক তরুণীর বাস্তব ঘটনাই এই দৃশ্যের নেপথ্যের কাহিনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কৌতুক অভিনেতা নাসির আখতারের একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শো, যেটি ৮ মার্চ বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গালায় ‘মিনিস্ট্রি অব কমেডি’তে হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়। হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, তিনি আগে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করেছেন। দিল্লিতে তরুণ তরুণ কুমার বুটোলিয়াকে হত্যা করেছে কয়েকজন মুসলিম। অভিযোগ, ১১ বছরের এক নাবালিকার ছোড়া জলভরা রঙিন বেলুন দুর্ঘটনাবশত এক মুসলিম মহিলার গায়ে পড়ে যায় (Hindus Under Attack)। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে তরুণ হত্যার ঘটনা। যা বড়জোর একটি পাড়ার ঝগড়া হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত আকার নেয় গণপিটুনির।

    ইসলামপন্থী যুবকদের অত্যাচার

    রাজস্থানের আলওয়ার জেলার আরাবল্লি বিহার এলাকায় একটি প্রাচীন শিব মন্দিরে শিবলিঙ্গ ভাঙচুর করা হয়। মন্দির লাগোয়া এলাকায় মেলে মৃত বাছুর। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় (Roundup Week)। কর্নাটকের কপ্পাল জেলায় ভেঙ্কটেশ নামের এক ব্যক্তিকে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনি তাঁর মুসলিম বন্ধু আজির এবং তাঁর স্ত্রী আফিয়ার পারিবারিক বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন (Hindus Under Attack)। এই রাজ্যেরই বাগালকোট জেলায় সাফিক নামে এক মুসলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে এক হিন্দু মহিলাকে নাম ভাঁড়িয়ে বিয়ে করে। তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করে। পরে নগদ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় ওই ব্যক্তি।

    লাভ জেহাদ

    পুনে জেলার নহাভি গ্রামের নিউ ইংলিশ স্কুলে অভিযোগ ওঠে যে কপালে তিলক লাগানো ছাত্রদের ক্লাসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় হিন্দু সংগঠনগুলির মধ্যে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। মোনালিসা ভোঁসলে নামে ১৮ বছরের এক হিন্দু তরুণীর কেরালায় গিয়ে জনৈক ফারমান খানকে বিয়ে করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে প্রভাবিত করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীর নগরে ২২ বছরের এক হিন্দু তরুণী পরিবারের সদস্যদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নগদ টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় মুসলিম প্রেমিকের সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ, এটি ‘লাভ জেহাদে’র ঘটনা (Roundup Week)।

    বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এ তো গেল সপ্তাহান্তে দেশের ছবিটা। বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব লুপ্ত হয়ে যেতে পারে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কুমিল্লা শহরের কালীগাছতলা মন্দিরে একটি হাতবোমা হামলায় মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী-সহ অন্তত তিনজন জখম হন। শনি পুজো চলার সময় তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মন্দিরে ঢুকে বোমা ছোড়ে বলে জনান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    হিন্দু খুন

    নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করা হলেও, আদতে তা হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নতুন সরকারের মাত্র ২০ দিনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাতজন নিহত হয়েছে বলে খবর।ফেনীতে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত সাহা ডাকাতদের হাতে নিহত হয়েছে। কক্সবাজারে গণেশ পাল নামে এক হিন্দু ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে ছুরি দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে খবর। সাতক্ষীরা শহরের ‘মায়ের বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বড় মন্দির কমপ্লেক্সে চুরি হয়েছে। বিগ্রহের সোনার গয়না এবং দানবাক্সের টাকা চুরি হওয়ায় স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)।

    প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে বিতর্ক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক মার্কিন নাগরিক ওই অনুষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা করায় তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত বলে অভিযোগ করা হয়। কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে এই বিদ্বেষকে উৎসাহিত করা হয় বলে দাবি সমালোচকদের। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা দেখা গেলেও, ভারতের মতো তথাকথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিদ্বেষ দেখা যায় বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা হয়। যা আপাতভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কারণ হলেও, সমালোচকদের মতে এতে রয়েছে দ্বৈত মানদণ্ড।

     

  • Pakistan: আফগানিস্তানে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান, কারণ কী?

    Pakistan: আফগানিস্তানে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান, কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বাড়ছে পাকিস্তান (Pakistan)- আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত বরাবর চলা সংঘাতের ঝাঁঝ। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে এই সংঘাত। তা কমার কিংবা স্থায়ী সমাধানের কোনও লক্ষণ এখনই দেখা যাচ্ছে না। গত বছর কাতার-সহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় দু’দেশের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা এখন কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। কারণ পাকিস্তান ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগানিস্তানে (Afghanistan) হামলা চালিয়েই যাচ্ছে।

    আফগান ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা (Pakistan)

    সাম্প্রতিক উত্তেজনার আবহেই আফগান ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। যার জেরে আফগানভূমে পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে নারী ও শিশু-সহ নিরীহ সাধারণ মানুষের জীবন। জানা গিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় পাকিস্তান আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় ২০০-টিরও বেশি রকেট ও আর্টিলারি শেল ছুড়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের একাধিক অঞ্চল। কুনার প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর জানিয়েছে, তীব্র হামলা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।

    পাল্টা আঘাত আফগানিস্তানের

    পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে তীব্র হতে শুরু করেছে। এখনও উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগান ভূখণ্ডে হামলা চালানো শুরু করে এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (TTP) ঘাঁটিগুলিকে টার্গেট করে। এর প্রতিক্রিয়ায় আফগানিস্তানের তালিবান নেতৃত্বাধীন সরকার সীমান্তের ওপারে পাক ভূখণ্ডে পাল্টা হামলা চালায় (Pakistan)। কাবুল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানের এই হামলা আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন (Afghanistan)।

    ‘নৃশংস আগ্রাসন’

    পাকিস্তান কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া অঞ্চলেও নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। তালিবান নেতৃত্বাধীন সরকারের অভিযোগ, পাকিস্তান নির্বিচারে অসামরিক এলাকাকে টার্গেট করে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে মৃত্যু হয়েছে নারী ও শিশুর। তালিবান সরকারের অভিযোগ, কান্দাহার বিমানবন্দরের কাছে একটি বেসরকারি এয়ারলাইনের জ্বালানি ডিপোয়ও বোমা ছুড়েছে পাকিস্তান। তালিবান সরকার আরও জানিয়েছে, পূর্ব আফগানিস্তানের একটি প্রদেশে পাকিস্তানের আর্টিলারি হামলায় একই পরিবারের চারজন সদস্য নিহত হয়েছে, যার মধ্যে দু’জন আবার শিশু। কাবুল ইসলামাবাদের এই হামলাকে ‘নৃশংস আগ্রাসন’ বলে নিন্দে করেছে। তারা জানিয়েছে, এর জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।

    কাবুলের অভিযোগ

    পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তান তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তার ফলে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। তবে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, পাকিস্তান জঙ্গিদের আড়াল করতেই এমনতর অভিযোগ করছে (Pakistan)। কাবুলের অভিযোগ, পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগানিস্তানে (Afghanistan) হামলা চালিয়ে মিথ্যে খবর রটাতে চাইছে। এসব করে তারা অর্থনৈতিক ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার থেকে বিশ্ববাসীর নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে।

    পাক-আফগান সংঘর্ষের এই প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লিও আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, পাকিস্তান তার অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতাগুলিকে বাইরের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে (Pakistan)।

     

  • NavIC: বন্ধ অ্যাটমিক ক্লক, সমস্যায় ‘নেভিক’ নেভিগেশন ব্যবস্থা! মহাকাশভিত্তিক দিকনির্ণয় নিয়ে নতুন ভাবনায় ইসরো

    NavIC: বন্ধ অ্যাটমিক ক্লক, সমস্যায় ‘নেভিক’ নেভিগেশন ব্যবস্থা! মহাকাশভিত্তিক দিকনির্ণয় নিয়ে নতুন ভাবনায় ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন দিন কমছে কৃত্রিম উপগ্রহের সংখ্যা। ফলে মহাকাশভিত্তিক দিকনির্ণয় নিয়ে ঘোর সঙ্কটে ভারত! এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে সেনার পক্ষে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে শত্রুকে নিশানা করা হবে দুষ্কর। ভারতের স্বদেশি স্যাটেলাইট নেভিগেশন ব্যবস্থা ‘নেভিক’ বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে। ইসরো জানিয়েছে (ISRO) আইআরএনএসএস-১এফ (IRNSS-1F) স্যাটেলাইটের শেষ কার্যকর অ্যাটমিক ক্লকটি গত ১৩ মার্চ অর্থাৎ শুক্রবার বিকল হয়ে গিয়েছে। এর ফলে স্যাটেলাইটটি আর সুনির্দিষ্ট ন্যাভিগেশন পরিষেবা দিতে পারবে না।

    স্যাটেলাইটের মেয়াদ শেষের পরেই ব্যর্থতা

    ২০১৬ সালের মার্চে উৎক্ষেপণ করা আইআরএনএসএস-১এফ (IRNSS-1F) স্যাটেলাইটটি ১০ মার্চ ২০২৬-এ তার নির্ধারিত ১০ বছরের মিশন লাইফ পূর্ণ করে। তার মাত্র তিন দিন পরই এতে থাকা শেষ রুবিডিয়াম অ্যাটমিক ক্লক কাজ করা বন্ধ করে দেয়। ইসরো জানিয়েছে, স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে সক্রিয় থাকলেও এখন থেকে এটি শুধু ওয়ান-ওয়ে ব্রডকাস্ট মেসেজিং সার্ভিস প্রদান করবে।

    ‘নেভিক’ নেটওয়ার্কে বড় সমস্যা

    ভারতের আঞ্চলিক নেভিগেশন ব্যবস্থা ‘নেভিক’ (NavIC) নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করার জন্য কমপক্ষে ৪টি স্যাটেলাইটে পজিশন, নেভিগেশন এবং সময় পরিষেবা থাকা প্রয়োজন। আইআরএনএসএস-১এফ (IRNSS-1F) অকেজো হওয়ায় এখন পূর্ণাঙ্গ নেভিগেশন পরিষেবা দিতে সক্ষম স্যাটেলাইটের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩টি। ফলে ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ও আশপাশের এলাকায় কভারেজ এবং নির্ভরযোগ্যতায় বড় ফাঁক তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    অ্যাটমিক ক্লকই মূল সমস্যা

    স্যাটেলাইট নেভিগেশন ব্যবস্থায় অ্যাটমিক ক্লক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ঘড়ি স্যাটেলাইট থেকে সিগন্যাল পৃথিবীতে পৌঁছতে কত সময় লাগে তা মাপে। এতে সামান্য ত্রুটিও অবস্থান নির্ণয়ে শত শত কিলোমিটার পর্যন্ত ভুল তৈরি করতে পারে।  আইআরএনএসএস-১এফ (IRNSS-1F)-এ মোট তিনটি রুবিডিয়াম অ্যাটমিক ক্লক ছিল। এর মধ্যে দুটি আগেই বিকল হয়ে গিয়েছিল এবং শেষ ব্যাকআপ ক্লকটিই এতদিন সিস্টেমটি চালু রেখেছিল। ২০১৩ সাল থেকে নেভিক (NavIC) কর্মসূচিতে মোট ১১টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮টি স্যাটেলাইট নেভিগেশন পরিষেবার জন্য অকার্যকর হয়ে গিয়েছে।

    পরিষেবায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা

    সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নেভিক (NavIC) ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল বিভিন্ন পরিষেবা—যেমন রিয়েল-টাইম ট্রেন ট্র্যাকিং, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মৎস্যজীবীদের নেভিগেশন, সামরিক অপারেশন এসব ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন স্যাটেলাইট দ্রুত উৎক্ষেপণ না করা হলে ভারতের স্বদেশি নেভিগেশন ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

LinkedIn
Share