Blog

  • Daily Horoscope 30 June 2024: বৃষ রাশির জাতকদের জন্য আজকের দিনটি প্রতিকূল

    Daily Horoscope 30 June 2024: বৃষ রাশির জাতকদের জন্য আজকের দিনটি প্রতিকূল

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পরিবারের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন আপনি।

    ২) সমাজে খ্যাতি বৃদ্ধি হবে।

    ৩) আজকের দিনে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূল।

    ২) ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে না।

    ৩) বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিন।

    মিথুন

    ১) ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ব্যাপক লাভবান হবেন।

    ২) সন্তানের কাজে আনন্দ পাবেন।

    ৩) মনোবল বাড়বে অনেকটাই।

    কর্কট

    ১) বিবাহে আগত বাধা কাটবে।

    ২) মানসিক শান্তি থাকবে আজ সারাদিন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে হবে।

    সিংহ

    ১) আপনার বিরুদ্ধে ব্যাপক ষড়যন্ত্র হতে পারে।

    ২) পারিবারিক বিবাদ মিটবে।

    ৩) রোজগারের ভালো সুযোগ পাবেন।

    কন্যা

    ১) দাম্পত্য জীবন সুখে কাটবে আজ।

    ২) মনের মধ্যে আনন্দ অনুভূতি তৈরি হবে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে আজ।

    তুলা

    ১) মানসিক অবসাদ বাড়বে।

    ২) গোপন শত্রু আপনাকে সমস্যায় ফেলার চেষ্টা করবে।

    ৩) সন্ধ্যাবেলা স্বস্তি পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মক্ষেত্রে বাবার পরামর্শের প্রয়োজন হবে।

    ২) ভাই-বোনের সঙ্গে সম্পর্ক মধুর হবে।

    ৩) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন।

    ধনু

    ১) ধন বৃদ্ধি হবে।

    ২) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    মকর

    ১) জমি-সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার সমাধান হবে আজ।

    ২) আপনার আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) বাড়িতে কোনও অতিথি আগমন হতে পারে।

    কুম্ভ

    ১) ভাইদের মধ্যে বিবাদ হবে।

    ২) নিজের বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) ধনলাভের বিশেষ যোগ রয়েছে।

    মীন

    ১) বিরোধীরা বিপাকে ফেলতে চাইবে।

    ২) নতুন কাজ শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ৩) ভাগ্যের সঙ্গ পাবেন আজ।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup: রোহিত-দ্রাবিড় জুটিতে ফের বিশ্ব সেরা ভারত! চোখের জলে ভাসলেন কোহলি-হার্দিকরা

    T20 World Cup: রোহিত-দ্রাবিড় জুটিতে ফের বিশ্ব সেরা ভারত! চোখের জলে ভাসলেন কোহলি-হার্দিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়িতে তখন ভারতীয় সময় রাত ১১টা। ভারতের ১৭৬/৭ স্কোর তাড়া করতে নেমে একটা সময় ২৪ বলে ২৬ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। ক্রিজে বিধ্বংসী ফর্মে থাকা হেনরিখ ক্লাসেন। সঙ্গে ডেভিড মিলার। অতি বড় ভারত সমর্থকও তখন ভাবতে পারেননি যে, সেখান থেকে ৭ রানে ম্যাচ জিতবে ভারত। কিন্তু জয়ের খিদেটা ছিল রোহিত-কোহলি-হার্দিক-বুমরাদের মধ্যে। ১৭তম ওভারে বল করতে এসে শুরুতেই ভয়ঙ্কর ক্লাসেনকে (২৭ বলে ৫২ রান) ফেরালেন হার্দিক। সেই ওভারে খরচ করলেন মাত্র ৪ রান। তিন ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার চাই ২২ রান। ক্রিজে তখনও বিপজ্জনক ডেভিড মিলার। রোহিত শর্মা বল তুলে দিলেন সেরা অস্ত্র যশপ্রীত বুমরার হাতে। আর একটি ওভারই তখনও বাকি বুমরার। ক্যাপ্টেন জানেন এবার নইলে নেভার। আর সেই ওভারেই কামাল আমদাবাদের পেসারের। মাত্র ২ রান খরচ করলেন ওই ওভারে। তুলে নিলেন জানসেনকে। আর চাপ নিতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। “আমরা করব জয়” এই বিশ্বাস থেকেই টি-টোয়েন্টি (T20 World Cup) চ্যাম্পিয়ন ভারত। দুরন্ত পারফরম্যান্সের জন্য ছেলেদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    বাই বাই বিরাট

    বিশ্ব জয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়েই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ভারতকে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানোর পর জানিয়ে দিলেন টি-টোয়েন্টিতে (T20 World Cup) আর নয়। বললেন, ” এটাই ভারতের হয়ে আমার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। চেষ্টা করেছি দলে যতটা সম্ভব অবদান রাখার। পরিস্থিতিকে সম্মান দেখিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। এখন পরের প্রজন্মকে দায়িত্ব নিতে হবে। দারুণ কিছু খেলোয়াড় আছে, যারা দলকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবে।”

    শাপমুক্তি দ্রাবিড়ের

    ২০০৭ সালে ওয়ান ডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হেরে। ঘটনাচক্রে, সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন যিনি, সেই রাহুল দ্রাবিড় শনিবার ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার কোচের ভূমিকায়। ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে এটাই তাঁর শেষ ম্যাচ। যদি না ভবিষ্যতে ফের কোনওদিন দলের দায়িত্ব নেন। তাই কাপ হাতে নিয়ে আবেগে ভাসলেন চিরকাল নিজেকে গুটিয়ে রাখা দ্রাবিড়ও। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে যে শাপমোচন হল রাহুলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup: শাপমুক্তি, ট্রফি এল ঘরে! রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিককে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত

    T20 World Cup: শাপমুক্তি, ট্রফি এল ঘরে! রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিককে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। ১৩ বছর পর ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। সাত মাস আগে যে যন্ত্রণা নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন রোহিতরা, আজ তা অতীত। ১১ বছর পর আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে ভারতের শাপমোচন। বার্বাডোজে রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য টি-২০ ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। কথায় আছে , ‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে’! তিনি কিং, শচীন পরবর্তী যুগে ভারতের ব্যাটিং গুরু। অধিনায়ক তথা বন্ধু রোহিতের কথায়,’জাত ক্রিকেটার, যে কোনও সময়ে রানে ফিরবে।’ তাই হল কোচ দ্রাবিড়, ক্যাপ্টেন রোহিতের আস্থা রেখে বিশ্বকাপ ফাইনালে রানে ফিরলেন বিরাট কোহলি। তাঁর ধ্রুপদী ব্যাটিংয়ে টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে (T20 World Cup) দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa) সামনে ভারতের স্কোর দাঁড়াল ১৭৬। ম্যাচের সেরাও তিনি।  

    টস ফ্যাক্টর

    শনিবার, টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুটা বেশ ভালোই করেন দুই ওপেনার বিরাট কোহলি (Virat Kohli) এবং রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন। সুইপ শট মারতে গিয়ে, ক্যাচ দিয়ে ফেলেন রো-হিট। মাত্র ৯ রানে ফিরে যান তিনি। দ্রুত ফিরে যান ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant) ও সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav)। বার্বাডোজে ভারতীয় সমর্থকরা তখন চুপ। কিন্তু  বিরাট যে বড় ম্যাচের প্লেয়ার। তা এদিন আবারও প্রমাণিত। হাল ধরলেন সেই কিং কোহলি এবং যোগ্য সঙ্গত দিলেন অক্ষর প্যাটেল (Axar Patel)। একটা সময় ভারতের স্কোর ছিল ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩ রান। সেই জায়গা থেকেই তাদের দুজনের অনবদ্য পার্টনারশিপ টিম ইন্ডিয়াকে (Team India) লড়াইয়ের জায়গায় নিয়ে যায়। অক্ষর রান-আউট হন ৪৭ রানে। তখন ভারতের স্কোর ১০০ পেরিয়ে গিয়েছে। ভুল বোঝাবুঝিতে অক্ষর রান আউট না হলে স্কোরবোর্ডে আরও ২০ রান যোগ করতে পারত ভারত। হাল ছাড়েননি বিরাট, লড়াই চালিয়ে যান তিনি।

    বিরাট-ব্যাটে ভাল রান

    অর্ধশতরান করেই কার্যত, বিধ্বংসী ব্যাটিং শুরু করেন কোহলি। ৫৯ বলে ৭৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন বিরাট। শেষ দিকে শিবম দুবে করেন ১৬ বলে ২৭ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে, ৭ উইকেট হারিয়ে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ১৭৬ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ২টি করে উইকেট পান কেশব মহারাজ এবং আনরিখ নর্টজে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Statistics Day: ২৯ জুন পালিত হল জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস, থিম ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ডেটার ব্যবহার’

    Statistics Day: ২৯ জুন পালিত হল জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস, থিম ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ডেটার ব্যবহার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিসংখ্যান বা রাশি বিজ্ঞান, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় স্ট্যাটিসটিক্স। এটি এক ধরনের গাণিতিক বিজ্ঞান (Statistics Day) যা মূলত বিশ্লেষণ এবং ব্যাখ্যা সংক্রান্ত পরিবেশন নিয়ে কাজ করে। পরিসংখ্যানের ব্যবহার রয়েছে বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান সমেত আরও অন্যান্য শাখায়। প্রতি বছর ২৯ জুন পালন করা হয় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস। প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট থিম বেছে নেওয়া হয় এই দিনটির জন্য। ২০২৪ সালে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসের থিম হল, ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ডেটার ব্যবহার’।

    মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নয়া দিল্লির মানেকশ সেন্টারে 

    ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান দিবসের (Statistics Day) মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নয়া দিল্লির মানেকশ সেন্টারে। প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন ১৬ তম অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান ডঃ অরবিন্দ পানাগড়িয়া। এছাড়াও হাজির ছিলেন জাতীয় পরিসংখ্যান কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রাজীব লক্ষ্মণ করন্দিকর। এদিন কেন্দ্রীয় সরকার একটি eSankhiki পোর্টালও চালু করেছে।

    জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসের ইতিহাস

    ভারতীয় পরিসংখ্যানের জনক প্রশান্ত চন্দ্র মহলানোবিসের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছর ২৯ জুন পালন করা হয় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস। ১৮৯৩ সালের ২৯ জুন তাঁর জন্ম হয়। প্রশান্তচন্দ্র ছিলেন একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী এবং পরিসংখ্যানবিদ (Statistics Day)। ভারতের স্বাধীনতা পরবর্তী অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ১৯৩১ সালে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিকাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। পরিসংখ্যান গবেষণা এবং প্রশিক্ষণের জন্য এটিই হল অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। ১৯৩৭ সালে পাইলট সমীক্ষার মতো যুগান্তকারী সমীক্ষায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রশান্তবাবু, যা বড় আকারে ডাটা সংগ্রহের পথ প্রশস্ত করেছিল। পদ্মবিভূষণ পুরস্কার বিজয়ী প্রশান্ত মহলনোবিসের অপরিসীম অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ২০০৭ সালে ২৯ জুন দিনটিকে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস হিসাবে ঘোষণা করে ভারত সরকার। তারপর থেকে প্রতি বছর এই দিনটি পরিসংখ্যান দিবস হিসাবে পালন করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: সিপিএমের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, দলটা কি লাটেই উঠে যাবে?

    ED: সিপিএমের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, দলটা কি লাটেই উঠে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাটে ওঠার জোগাড় সিপিএম দলটার! বাংলায় হাতে গোণা দু’একজন বাদে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল সব বামপ্রার্থীর। আর কেরলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হল লালপার্টির।শুক্রবার সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে কেরলে (ED) দলের অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। তিনি এও বলেছিলেন, “দলের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন কোনও কার্যকলাপ হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে।”

    কী বলছে সিপিএম? (ED)

    দিল্লিতে একে গোপালন ভবনে যখন কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল নিয়ে চলছিল কাটাছেঁড়া, সেই সময়ই খবর আসে সমবায় ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারি মামলায় দলের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। এদিন দুপুরে কেরল সিপিএমের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা হয় একটি বিবৃতি। যার সারাংশ হল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এহেন পদক্ষেপ।

    একাধিক কেলেঙ্কারিতে নাম সিপিএমের

    গত কয়েকবছরে নানা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে কেরল সিপিএমের অনেক নেতার। এই তালিকায় রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের পলিটব্যুরোর সদস্য পিনরাই বিজয়নের নামও। অভিযোগ, সরকারি ক্ষমতা অপব্যবহার করে মেয়ে টি বীণার সংস্থাকে কোচি মিনারেল-সহ বিভিন্ন সংস্থায় কাজের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যে কেলেঙ্কারির জেরে বাজেয়াপ্ত হয়েছে সম্পত্তি, সেটি ত্রিশূরের কারুভান্নুর সমবায় ব্যাঙ্কের। এই ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতিতে ছিল সিপিএম। অভিযোগ, বহু মানুষকে ভুয়ো ঋণ দেওয়া হয়েছে ওই ব্যাঙ্কের তরফে। অভিযোগ ওঠায় গত বছর তদন্ত শুরু করে ইডি।

    আর পড়ুন: গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    এ পর্যন্ত ইডি বাজেয়াপ্ত করেছে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি। এবার সিপিএমেরও স্থানীয় একটি কমিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত রয়েছে ৬০ লাখ টাকা। ১৩ লাখ টাকার একটি জমিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ ৭৩ লাখ টাকা। এই ব্যাঙ্ক থেকে যাঁরা ঋণ নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই পার্টি ফান্ডে টাকা জমা দিয়েছিলেন। ইডির দাবি, এর পরিবর্তে সিপিএমের ত্রিশূর জেলা কমিটি ডোনেশনের নামে অর্থ সংগ্রহ করেছিল। সুবিধাভোগীদের বেতন থেকেও টাকা কাটা হয়েছিল। সোসাইটি কমিটির সদস্যরা যে বেআইনিভাবে ওই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন, তার মাধ্যমেও সংগ্রহ করা হয়েছে অর্থ (ED)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IIRF University Ranking 2024: কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ আইআইআরএফ-এর, শীর্ষে জেএনইউ

    IIRF University Ranking 2024: কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ আইআইআরএফ-এর, শীর্ষে জেএনইউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্য ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (IIRF University Ranking 2024) চলতি বছরে দেশের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। শীর্ষস্থানে রয়েছে জেএনইউ। প্রসঙ্গত, আইআইআরএফ বা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক হল সবথেকে নির্ভরযোগ্য একটি বেসরকারি সংস্থা যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং করে থাকে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত হাজারেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই সংস্থা সমীক্ষা চালিয়েছে। আইআইআরএফ কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে র‌্যাঙ্কিং করতে কাজে লাগিয়েছে MACTION Consulting সংস্থাকে। এই এজেন্সি সমস্ত রকমের ডেটা সংগ্রহ, ডেটা বিশ্লেষণ, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং সমীক্ষা চালিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির র‌্যাঙ্কিং করতে। র‌্যাঙ্কিং করতে সাতটি মাপকাঠি ধরা হয়েছে এগুলি হল, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্যাম্পাসিং, শিক্ষাদানের কৌশল, গবেষণা, ইন্ডাস্ট্রি ইনকাম অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন, প্লেসমেন্ট স্ট্যাট্রেজিস অ্যান্ড সাপোর্ট, ফিউচার অরিয়েন্টেশন, এক্সটার্নাল পারসেপশন অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল আউট লুক।

    প্রথম দশে কারা

    চলতি বছরে আইআইআরএফ-এর (IIRF University Ranking 2024) র‌্যাঙ্কিং-এ জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম স্থানে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। চার ধাপ এগিয়ে এসেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় গতবার ষষ্ঠ স্থানে ছিল। ওই তালিকা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়। চতুর্থ স্থানে রয়েছে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, পঞ্চম স্থানে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, ষষ্ঠ স্থানে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়, সপ্তম স্থানে রাজেন্দ্র প্রসাদ সেন্ট্রাল এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি, অষ্টম স্থানে পন্ডিচেরি বিশ্ববিদ্যালয়, নবম স্থানে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ পাঞ্জাব, দশম স্থানে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ রাজস্থান।

    ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে এগিয়ে কারা

    অন্যদিকে ডিমড ইউনিভার্সিটির (IIRF University Ranking 2024) মধ্যে বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি, ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, হোমি জাহাঙ্গির ভাবা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ইন মুম্বই উপরের দিকেই রয়েছে। তালিকায় দেখা যাচ্ছে, সোনিপথের অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ও শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থান পেয়েছে ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি যা গান্ধীনগরে অবস্থিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: তিহাড়েই কেজরিওয়াল, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    Arvind Kejriwal: তিহাড়েই কেজরিওয়াল, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনই মুক্তি নয়, জেলেই ঠিকানা দিল্লির মুখ্য়মন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের  (Arvind Kejriwal)। সিবিআই-এর (CBI) আর্জি মেনে আবগারি দুর্নীতি মামলায় শনিবার তাঁকে ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।

    সিবিআই-এর যুক্তি

    এই মামলার তদন্তকারী দল সিবিআই (CBI) জানিয়েছে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) হেফাজতে থাকা তদন্তের স্বার্থে সঠিক পদক্ষেপ। এর আগে তিনদিনের সিবিআই হেফাজত হয়েছিল কেজরিওয়ালের। সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তদন্তের স্বার্থে তাঁদের প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিচ্ছেন না কেজরিওয়াল। সিবিআই আরও জানায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। সাক্ষী এবং প্রমাণ নষ্ট করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। তাই তদন্তের স্বার্থে তাঁকে জামিন না দেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, ২১ মার্চ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। জেলে থাকাকালীনই আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিকে গ্রেফতার করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারর দাবি, নতুন আবগারি নীতিতে কেন হোলসেলারদের প্রফিট মার্জিন পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে তারও কোনও যথাযথ ব্যাখ্যা নেই।

    আরও পড়ুন: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    সিবিআই-এর আর্জিতে সম্মতি

    চলতি সপ্তাহের সোমবার তিহাড় জেলে গিয়ে কেজরিকে (Arvind Kejriwal) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই (CBI)। মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার হিসাবে দেখানো হয়। তার পর পাঁচ দিনের হেফাজত চেয়ে বুধবার সিবিআই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে। সেই সময় দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট কেজরিকে তিন দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। শনিবার সেই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এদিন কেজরিওয়ালকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবকাশকালীন বিচারক সুনেনা শর্মা কেজরিওয়ালকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।  গত ২০ মে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু তিহাড় থেকে তিনি বের হওয়ার আগেই ইডি দিল্লি হাইকোর্টে গিয়ে জামিনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করে। জামিন নিয়ে টালবাহানার মধ্যেই সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হন কেজরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে নির্যাতিতার কাছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, সিবিআই তদন্তের দাবি অগ্নিমিত্রার

    Cooch Behar: কোচবিহারে নির্যাতিতার কাছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, সিবিআই তদন্তের দাবি অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের মাথাভাঙা-২ ব্লকে বিজেপির সংখ্যালঘু নেত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ওই নেত্রী এখন কোচবিহারের (Cooch Behar) এমজেএন মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। শনিবার তাঁকে দেখতে কোচবিহারে  যান বিজেপি বিধায়ক তথা মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। শাসকদল এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন অগ্নিমিত্রা (Cooch Behar)

    এদিন দুপুরে অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল কোচবিহারে (Cooch Behar) আসেন। নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে পুলিশ লাইন চৌপথিতে পথ অবরোধ করে বিজেপি। মিনিট ১৫ অবরোধ করার পর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে ডেপুটেশন দেয় বিজেপির মহিলা মোর্চা। এরপর বিজেপির কোচবিহার জেলা কার্যালয়ে যান অগ্নিমিত্রা। নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর অগ্নিমিত্রা পল বলেন,”বাংলার মা, বাংলার মেয়ে হয়ে এটা আমাদের কাছে লজ্জার। একজন সংখ্যালঘু এক বোনের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা বলার কোনও ভাষা নেই।আমাদের মহিলা মোর্চা-সহ বেশ কয়েক জন নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করলাম। এই ঘটনায় পুলিশের ওপর আস্থা নেই। তাই, আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। এদিকে এদিন নির্যাতিতা বলেন, বাড়ি ফিরতে চাইছি। আতঙ্কে ফিরতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: মালদায় জাল এসসি সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকরি! প্রশাসনের কাছে নালিশ

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার (Cooch Behar) বাবা দীর্ঘ দিনের বিজেপি কর্মী। নির্যাতিতা নিজে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা কমিটির সদস্যা। অভিযোগ, তিনি মাঠে ছাগল চড়াতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁকে গালিগালাজ করে মারধর করেন কয়েকজন মহিলা। এমনকী, তাঁকে বিবস্ত্র করেও পেটানো হয়। এনিয়ে ঘোকসাডাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এখনও পুলিশি তদন্ত চলছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় বলেন,”ওরা সব সময় কেন্দ্রীয় এজেন্সির (CBI) দ্বারস্থ হন। এটা একটা পারিবারিক বিবাদ। ইতিমধ্যে চারজন গ্রেফতার হয়েছে। তার মধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। পুলিশ প্রশাসনের কাছে কঠোর শাস্তির দাবি তুলছি আমরা। কিন্তু, বিজেপি শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য এসব করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    Pakistan: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ, স্বাধীনতার দাবি জানানো। অন্যায়, নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করা। এই কারণেই প্রতিদিন পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বালুচিস্তান থেকে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন শয়ে সয়ে মানুষ। পাক পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে পাকিস্তানের (Pakistan) গোয়েন্দারা ধরে নিয়ে গুম করে দিচ্ছেন আন্দোলনকারীদের (Baloch Activist)। তাঁরা বেঁচে রয়েছেন, না মরে গিয়েছেন তা-ও জানতে পারছে না পরিবারের লোকজনেরা। সংবাদ সম্মেলনে এমনই দাবি করলেন মানবাধিকার কর্মী নিখোঁজ ডক্টর দ্বীন মুহাম্মাদ বালোচের মেয়ে সামি দ্বীন বালোচ।

    চিনের হাতে লুট হচ্ছে সম্পদ

    পাকিস্তানের (Pakistan) বৃহত্তম প্রদেশ বালুচিস্তান (Baloch Activist) প্রাকৃতিক ভাবে সবচেয়ে সম্পদশালী। কিন্তু ধীরে ধীরে তা বেহাত হয়ে যাচ্ছে বালোচ নাগরিকদের। ‘চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ (সিপিইসি) তৈরির পরে গত কয়েক বছরে সেই লুট আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় থেকে শুরু হওয়া ওই রাস্তা কারাকোরাম পেরিয়ে ঢুকেছে পাকিস্তানে। প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শেষ হয়েছে বালুচিস্তান প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে চিন নিয়ন্ত্রিত গ্বদর বন্দরে। ওই রাস্তা ব্যবহার করেই ইসলামাবাদ এবং বেজিংয়ের শাসকেরা বালুচিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদ লুট করছে বলে দাবি সেখানকার বাসিন্দাদের।

    নিখোঁজ কয়েক হাজার মানুষ

    শুক্রবার করাচি প্রেসক্লাবে মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীন বালোচ জানান, ১৫ বছর আগে পাকিস্তান (Pakistan) পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে তাঁর বাবা ডঃ দ্বীন মুহম্মদ বালোচকে পাকিস্তানের গোয়েন্দারা তুলে নিয়ে যায়। এখনও তাঁর কোনও খোঁজ নেই। ছোট বোন মেহলাব দ্বীন বালোচকে সঙ্গে নিয়ে সামি জানান ২৮ জুন ২০০৯ সালের সেই রাতের কথা এখনও ভোলেননি তাঁরা। তাঁদের বাবা বেঁচে রয়েছেন কিনা তা-ও জানেন না তাঁরা। পেশায় ডাক্তার তাঁর বাবা সরকারি কর্মচারী ছিলেন, তা-ও তাঁর উদ্ধারে নিষ্ক্রিয় সরকার। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার তাঁরা।

    আরও পড়ুন: অপহৃত নাবালিকার জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন সিন্ধি ফাউন্ডেশনের! দাবি স্বাধীন তদন্তের

    রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস

    ১৯৪৭ সালের ১১ অগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশীয় রাজ্য কালাত। ১২ অগস্ট কালাতের শাসক মির সুলেমান দাউদ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সেই স্বাধীনতার মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ১৯৪৮-এর ২৭ মার্চ পর্যন্ত। বালুচিস্তানের (Baloch Activist) মানুষের কাছে সেই দিনটা আজও যন্ত্রণার ‘পরাধীনতা দিবস’! সাত দশক আগে ওই দিনেই পাকিস্তানি (Pakistan) সেনা দখল করেছিল বালুচিস্তান। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তৎকালীন শাসককে বাধ্য করেছিল পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে। বালুচিস্তানের পরবর্তী ইতিহাস ফের নতুন স্বাধীনতার যুদ্ধের। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আর কয়েক হাজার মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hinduism And Quantum Physics: সনাতন ধর্মের  বেদের দ্বারা প্রাণিত হয়েছিলেন পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীরা?

    Hinduism And Quantum Physics: সনাতন ধর্মের  বেদের দ্বারা প্রাণিত হয়েছিলেন পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সবই বেদে আছে।’ বহু ব্যবহারে অতি ক্লিশে হয়ে যাওয়া এই শব্দবন্ধ যে নিছক কথার কথা নয়, তার প্রমাণ মিলেছে বহুবার। এবার আরও একবার জানা গেল, মহাবিশ্বের বয়স অনুমান থেকে শুরু করে জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি, জ্যোতির্বিদ্যা, সৃষ্টিরহস্য সবই রয়েছে হিন্দু ধর্মের মূল স্তম্ভরূপ শক্তি বেদে (Hinduism And Quantum Physics)। বিজ্ঞানীদের একটা বড় অংশের মতে, মহাবিশ্বের যে বয়স অনুমান করে আধুনিক বিজ্ঞান, তার সঙ্গে মেলে বেদে উল্লিখিত তথ্যও।

    ‘সবই বেদে আছে’ (Hinduism And Quantum Physics)

    অথর্ব বেদের চিকিৎসা পদ্ধতি আজও বিস্ময়ের জন্ম দেয় চিকিৎসকদের মধ্যে। চরক এবং সুশ্রুত সংহিতায় এমন কিছু চিকিৎসা পদ্ধতির কথা রয়েছে, যা আজও চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিস্ময় বলে বিবেচিত হয়। এই বেদেই মেলে কোয়ান্টাম ফিজিক্সের বহু তত্ত্ব। ক্যালকুলাস, শূন্য, ঋণাত্মক সংখ্যার ধারণা, দশমিক, পাই, সাইন, কো-সাইইন, বিগ ব্যাং এবং একটি আন্তঃমাত্রিক মাল্টিভার্সের ধারণাও পাই বেদে (Hinduism And Quantum Physics)।

    কর্ম এবং পুনর্জন্মের ধারণা

    কর্ম এবং পুনর্জন্মের যে ধারণা বহু আগে বলে গিয়েছেন আর্য ঋষিরা, সেসবেরই মূল ভিত্তি ছিল বৈজ্ঞানিক। পদার্থবিদ্যায় বলা হয় শক্তি অবিনশ্বর। বেদেও তো বলা হয়েছে শক্তির সৃষ্টি কিংবা ধ্বংস নেই। সেটা প্রাণ শক্তি হোক কিংবা পরাশক্তি। পদার্থবিদ্যায় বলে প্রত্যেক ক্রিয়ার একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সনাতন ধর্মের কর্মফলবাদও তো সেকথাই বলে আসছে সেই কোন সুপ্রাচীন কাল থেকে।

    ‘কজ অ্যান্ড এফেক্ট’

    ফিজিক্সের ‘কজ অ্যান্ড এফেক্টে’র কথাই ধরা যাক। বৈদিক ঋষি এই তত্ত্বের উদগাতা। যদিও আধুনিক বিজ্ঞানের দাবি, এ সত্য তাদের আবিষ্কার। অথচ, সনাতন ধর্মের কার্য-কারণবাদের ধারণার সঙ্গে মেলে আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, জীববিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান এবং স্নায়ুবিজ্ঞানের ধারণা। আধুনিক পদার্থবিদ্যা বলে জড় উপ-পরমাণুগুলি মানুষের চিন্তার সংস্পর্শে না আসা পর্যন্ত সুপ্ত থাকে। সচেনতা প্রয়োগ করা হলে কণাগুলি জীবিত বা সক্রিয় হয়ে ওঠে। বস্তুত, এই ধারণার হদিশ আধুনিক বিজ্ঞানের ঢের আগে মেলে বেদে। কোয়ান্টাম ফিজিক্সের জনক বলা হয় যে দুই বিজ্ঞানীকে, তাঁদেরই একজন হলেন নোবেল জয়ী বিজ্ঞানী নীলস বোর। সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বিশ্বখ্যাত এই পদার্থবিদ বলেছিলেন, “আমার মনে কোনও প্রশ্ন জাগ্রত হলে আমি উপনিষদের দ্বারস্থ হই।”

    বেদের জয়গান

    বিস্ময় বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলার কথায়ও তো জয়গান শোনা যায় বেদের ধারণারই। তিনি বলেছেন, “মানসিক শক্তির উপহার আসে ঈশ্বরের কাছ থেকে। আমরা যদি এই সত্যের ওপর মনকে নিবিষ্ট করতে পারি, আমরা এই মহান শক্তির সঙ্গে একাত্মতা অনুভব করতে পারব।” নিয়মিত বেদ পাঠ করতেন বিশ্বশ্রুত বিজ্ঞানী হেইনসবার্গ। তিনি বলেন, “যাঁরা বেদান্ত পড়েছেন, তাঁদের কাছে কোয়ান্টাম থিয়োরি হাস্যকর লাগবে না।” প্রসঙ্গত, বেদের শেষ ভাগকেই ‘বেদান্ত’ বা ‘উপনিষদ’ বলে।

    আর পড়ুন: গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    বেদের ঋষিই তো বস্তুর ভরের ধারণা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ইউনির্ভাসাল ইনটেলিজেন্স এবং চেতনা ছাড়া মহাবিশ্ব হয়ে পড়বে স্থির, থাকবে না জীবনের অস্তিত্ব। মহাকর্ষ এবং সময় যে সম্পর্কিত, কোয়ান্টাম ফিজিক্সের এই তত্ত্বের উদগাতাও তো বেদেরই ঋষি (Hinduism And Quantum Physics)। যোগের ফলে যে আত্মার সঙ্গে দেবমূর্তির ঐক্য স্থাপিত হয়, তা তো বিজ্ঞানের কানেকটেড কনসাসনেসের ধারণা ব্যক্ত করে। জড় বস্তু ও সজীব বস্তুর ধারণাও তো প্রতিফলিত হয় পূজকের ইনটেনশানের মধ্যে দিয়ে। পূজক যখন বিগ্রহের পায়ে কোনও কিছু দিয়ে ‘স্বাহা’ কিংবা ‘স্বধা’ বলেন, তখন তো তিনি আসলে বলেন ‘কী নিবেদন করা হচ্ছে’ (স্বাহা), ‘এই বস্তুটি নিবেদনের উদ্দেশ্য’(স্বধা)। বেদে দ্যূলোক, ভূলোক-সহ একাধিক লোকের কথা বলা হয়েছে। কোয়ান্টাম ফিজিক্সেও তো সেই ধারণারই প্রতিরূপ দেখতে পাই। কোয়ান্টাম ফিজিক্সে ইউনিভার্স নয়, বলা হয়েছে মাল্টিভার্সের কথা।

    ওপেনহাইমারের গলায় হিন্দুধর্মস্তুতি

    হিন্দু ধর্মের জয়গান শোনা যায় বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী রবার্ট ওপেনহাইমারের গলায়ও। তিনি বলেন, “বিশ্বে হিন্দুধর্মই একমাত্র ধর্ম যারা বলে মহাবিশ্ব স্বয়ং মারা যায়, পুনর্জন্ম গ্রহণ করে। এটিই একমাত্র ধর্ম, যেখানে সময়ের স্কেলগুলি আধুনিক বৈজ্ঞানিক সৃষ্টিতত্ত্বের সঙ্গে মিলে যায়। এর চক্র আমাদের সাধারণ দিনরাত্রি থেকে ব্রহ্মার দিনরাত পর্যন্ত ৮.৬৪ বিলিয়ন বছর দীর্ঘ। পৃথিবী বা সূর্যের বয়সের চেয়ে দীর্ঘ এবং বিগ ব্যাংয়ের থেকে প্রায় অর্ধেক। তাদের দীর্ঘ সময়ের স্কেলও রয়েছে।”

    বেদের বিভিন্ন তত্ত্বের রহস্য উদ্ঘাটন করবেন বলেন সংস্কৃত শিখেছিলেন বিজ্ঞানী ওপেনহাইমার। পরে তিনি সংস্কৃতেই পড়েছিলেন ভগবদ-গীতা। তাঁর মতে, গীতা তাঁর জীবনদর্শনকে বদলে দিয়েছিল। গীতাকে তিনি ‘সর্বাধিক ইনফ্লুয়েন্সিয়াল গ্রন্থ’ বলেও অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “এই শতাব্দীর সব চেয়ে বড় সুবিধা হল বেদ হাতে পাওয়া। সমস্ত কোয়ান্টাম প্রসেসের জনক সুপ্রিম ফাদার কৃষ্ণ (Hinduism And Quantum Physics)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share