Blog

  • Supreme Court: লোক আদালত বসিয়ে ১০ হাজার মামলার নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: লোক আদালত বসিয়ে ১০ হাজার মামলার নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বর্ষে অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্ত, ২৯ জুন থেকে ছ’দিনের বিশেষ লোক আদালতের আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে নিখরচায় নিষ্পত্তি করা হবে ১০ হাজার মামলার। বিচারপতির সংখ্যা কম-সহ নানা সমস্যার কারণে মামলার পাহাড় জমে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এই সব মামলার মধ্যে থেকে নিষ্পত্তি করা হবে ১০ হাজার মামলার।

    লোক আদালত (Supreme Court)

    লোক আদালত ভারতের বিচারব্যবস্থার বিরোধ নিষ্পত্তির এক বিকল্প পদ্ধতি (Supreme Court)। এই আদালতে দাম্পত্য কলহ, পারিবারিক বিবাদ, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ, পথ দুর্ঘটনা, বিমা সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন প্রভৃতি দেওয়ানি মামলার বিচার করা হয় কম খরচে। লোক আদালতে মামলার নিষ্পত্তিও হয় দ্রুত। স্বল্প সময় ও অল্প ব্যয়ে আমজনতার কাছে বিচারের সুবিধা পৌঁছে দিতেই তৈরি হয় লোক আদালতের। প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ছ’দিনের এই লোক আদালতের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট ১০ হাজার মামলার নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    কী বলছেন চন্দ্রচূড়? 

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “বিশেষ লোক আদালতের ধারণা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সমাজের সমস্ত অংশকে আইনি সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রদান করে।” তিনি বলেন, “বিশেষ লোক আদালত সম্প্রীতি ও বোঝাপড়ার চেতনার মাধ্যমে দ্রুত ও সস্তায় বিচার প্রদান করে। তাই বাদী ও বিবাদী উভয়পক্ষই সন্তুষ্ট হয়। এটি আদালতের কাজের চাপ কমিয়ে দেয়। ফলে আদালত গুরুতর বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করতে পারে। ন্যায়বিচার পেতে মামলাকারীদের যে দেরি হয়, সেই সময়সীমা কমিয়ে দেয়।”

    আর পড়ুন: অমরনাথ যাত্রা শুরু ২৯ জুন, জানুন যাত্রার খুঁটিনাটি

    জানা গিয়েছে, বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ৮৩ হাজার মামলা পেন্ডিং রয়েছে। এর মধ্যে ২৮ হাজার মামলার বয়স এক বছরেরও কম। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, বিচারপতিরা এবং রেজিস্ট্রি গত তিন মাস ধরে প্রাণপাত করছেন ১০ হাজারেরও বেশি মামলা খুঁজে পেতে, যেগুলির সমাধান লোক আদালতে করা যায়। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, দেশের সব হাইকোর্টকে বলা হয়েছে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ব্যবস্থা করতে যাতে করে বাদী এবং বিবাদী পক্ষ সুপ্রিম কোর্টে না ছুটেই যোগ দিতে পারেন বিশেষ লোক আদালতে (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Muntasir Mohd Dar: জেইই টপার ভূস্বর্গের মুনতাসির, সাফল্যের কাহিনি ফিরছে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারীতে

    Muntasir Mohd Dar: জেইই টপার ভূস্বর্গের মুনতাসির, সাফল্যের কাহিনি ফিরছে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় ভূস্বর্গে নিত্য খেলা হত রক্তের হোরি। ভূস্বর্গ কাশ্মীর হয়ে উঠেছিল নরকের সমতুল। মোদি জমানায় ছন্দে ফিরেছে ভূস্বর্গ। বন্ধ হয়েছে জঙ্গি-তাণ্ডব। পড়াশোনার পরিবেশ ফিরেছে উপত্যকায়। তার সুফলও ফলেছে। এবার জেইই পরীক্ষায় টপার হয়েছেন শ্রীনগরের ছেলে মুনতাসির মহম্মদ দার (Muntasir Mohd Dar)।

    মুনতাসিরের পরামর্শ (Muntasir Mohd Dar)

    অন্যতম কঠিন এই পরীক্ষায় বসার জন্য একটি কোচিং সেন্টারের গাইড নিয়েছিলেন তিনি। তবে সব চেয়ে বেশি পড়েছেন নিজেই। ভবিষ্যৎ পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে তাঁর পরামর্শ, “কেবল কোচিং সেন্টারের ওপর ভরসা না করে নিজে পড়াশোনার ওপর জোর দাও। বেস তৈরির জন্য কোচিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তবে নিজেকে পড়তে হবে অনেক বেশি।” মুনতাসির (Muntasir Mohd Dar) বলেন, “পড়াশোনার প্রতি নিজেকে উৎসর্গ করা এবং কঠোর পরিশ্রমের কোনও বিকল্প আর নেই।”

    সাফল্যের রহস্য

    শ্রীনগরের নিগের এলাকার এই তরুণ সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “প্রথম থেকে আমি কম্পিউটার সায়েন্সের বিষয়ে আগ্রহী ছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চেয়েছিলাম। তাই জেইই পরীক্ষা দিয়েছিলাম।” তিনি বলেন, “জানুয়ারিতে সেশন ওয়ানের পরীক্ষায় আমি আশানুরূপ নম্বর পাইনি। কিন্তু এপ্রিলে সেশন টুয়ের আগে আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি। তার সুফলও পেয়েছি। শেষমেশ আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছি।” তিনি বলেন, “আগাগোড়া আমার পরিবার আমার পাশে ছিল। আমার সাফল্যে তাঁদের অবদানও কম নয়।” ভূস্বর্গের এই নিষ্পাপ তরুণ বলেন, “জেইই-আইআইটি খুব কঠিন পরীক্ষা নয়। তবে ঠিকঠাকভাবে নিজেকে পড়াশোনা করতে হবে। পড়াশোনার প্রতি নিবেদিত প্রাণ হতে হবে।”

    আর পড়ুন: “জরুরি অবস্থা ঘোষণা ছিল সংবিধানের ওপর আক্রমণ”, বললেন রাষ্ট্রপতি

    বর্তমানে মুনতাসিরের সাফল্যের গল্প ফিরছে উপত্যকাবাসীর ঘরে ঘরে। এক সময় সন্ত্রাসদীর্ণ উপত্যকায় উন্নয়নের ছিটেফোঁটাও ছিল না। কমবয়সী তরুণরা বইখাতা ফেলে জঙ্গিদের খপ্পরে পড়ে হাতে তুলে নিত আগ্নেয়াস্ত্র। এখন সেখানেই সাফল্যের কলি ফুটিয়েছেন মুনতাসির। কেবল কাশ্মীর নয়, কন্যাকুমারীর ঘরে ঘরেও শোনা যাচ্ছে এক পাহাড়ি যুবকের সাফল্যের কাহিনি। যে কাহানি শুনিয়ে একদিকে যেমন ছেলেমেয়েকে পড়াশোনায় উৎসাহিত করছেন লাদাখের কোনও স্বপ্নদর্শী মা, তেমনি সেই একই গল্প শুনিয়ে ছেলে কিংবা মেয়েকে ঘুম পাড়াচ্ছেন কেরলের কোনও মা। তিনিও যে স্বপ্ন দেখেন, একদিন সাফল্যের কলি ফোটাবে তাঁরাও শিশুটি (Muntasir Mohd Dar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূল বিধায়ক তাপস ‘ঘনিষ্ঠ’ ইতিকে ফের তলব সিবিআইয়ের

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূল বিধায়ক তাপস ‘ঘনিষ্ঠ’ ইতিকে ফের তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে ফের সিবিআই-এর তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকার।  নদিয়া জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ইতিকে তলব করেছে সিবিআই।  নদিয়া জেলার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার ঘনিষ্ঠ ইতি আগেও গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছিলেন। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

    কেন তলব ইতিকে

    বৃহস্পতিবার তাপস ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত ইতিকে সমন পাঠিয়েছে সিবিআই। কেন তাঁকে তলব করা হল তা নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। অর্থের বিনিময়ে চাকরির দেওয়ার মামলাতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে ইতিকে। সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা মূলত চাকরি সংক্রান্ত বিষয় ছাড়াও তাপস সাহার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের বিষয়টি জানতে চান। ইতি দীর্ঘ দিন ধরেই বিভিন্ন সরকারি স্কুলে স্কুলের পোশাক সরবরাহের ব্যবসায় যুক্ত। এর পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও করে থাকেন। তাঁকে জেরা করে সিবিআই (CBI) কোনও নতুন তথ্যের সন্ধান করতে চাইছে বলেই অনুমান।

    আরও পড়ুন: নিজস্ব পেমেন্ট অ্যাপ চালু করল ফ্লিপকার্ট! জানেন কীভাবে ব্যবহার করবেন?

    তাপসকে জেরা

    গত শুক্রবারই নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় তাপসকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে। সেই দিন তাপসের কণ্ঠস্বরের নমুনাও সংগ্রহ করে সিবিআই। তার সাত দিনের মধ্যেই তাপস-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রীকে তলব করায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রথমবার তাপস সাহাকে সঙ্গে নিয়েই ইতি সরকারের বাপের বাড়ি বেতাইয়েরই কাছের বিআর আম্বেদকর কলেজে তল্লাশি চালিয়েছিল গোয়েন্দারা। তল্লাশি চলেছিল তাপসের বাড়িতেও। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এখনও জেলেই রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্য, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যরা। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও বেশ কয়েকজন ‘বড় নাম’-কে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তলব করতে পারে খবর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বাঁকুড়া শিল্পাঞ্চলে প্রকাশ্যে তোলাবাজি! ধৃত তিন তৃণমূল কর্মী, শোরগোল

    Bankura: বাঁকুড়া শিল্পাঞ্চলে প্রকাশ্যে তোলাবাজি! ধৃত তিন তৃণমূল কর্মী, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের দ্বারিকার শিল্পাঞ্চলে এবার তোলাবাজির ঘটনায় পুলিশ হাতেনাতে ধরে ফেলল তিন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীকে। তাঁরা শিল্পাঞ্চলের পরিবহণের লরি থেকে মোটা টাকা তোলা তুলত বলে অভিযোগ। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে হানা দিয়ে এই তিন তৃণমূল কর্মী শেখ দারশাদ,শেখ ইসলাম ও শেখ আমিরকে গ্রেফতার করে। বাঁকুড়ার (Bankura) জেলাশাসক সিয়াদ এন এবং পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন,পুরো শিল্পাঞ্চলে নজরদারি চালাবে প্রশাসন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    কারখানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই কারখানার কিছু বর্জ্য দু’টি লরি করে অন্যত্র বিক্রির জন্য পাঠানো হচ্ছিল। অভিযোগ, আচমকা ১০-১২ জন দুষ্কৃতী রড, লাঠি নিয়ে লরি দু’টির ওপর চড়াও হয়। লরি আটকে চালকদের মারধর করে। ৩০ হাজার টাকা তোলা চেয়ে বসে। একজন চালক ১৪ হাজার টাকা দিয়ে কোনওক্রমে ছাড়া পান। তবে, অন্য এক চালক পালিয়ে এসে কারখানার মালিককে বিষয়টি জানান। কারখানার কর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলেও ওই দুষ্কৃতীরা গাড়ি আটকে টাকার দাবিতে অনড় থাকে। এরপর খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে। যদিও বাকিরা ছুটে গা ঢাকা দেয়। এই ধরনের ঘটনা রুখতে নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া নির্দেশ দেন। তাই পুলিশও কোনও গড়িমসি করেনি বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এই শিল্পাঞ্চলে কারখানার যন্ত্রাংশ, কাঁচামাল চুরি, তোলাবাজি প্রায় ঘটলেও এতদিন পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নিত না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর পুলিশ সক্রিয় হওয়ায় এই তিনজন ধরা পড়ল। আমরা চাই, টাটার আগমণে এবার এই শিল্পাঞ্চল আগের মতো কর্মমুখর হয়ে উঠুক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ধৃত তিনজন যে দলের সক্রিয় কর্মী তা স্বীকার করে নিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দ্বারিকা অঞ্চল সভাপতি অজয় রায়। তিনি বলেন, “এই তোলাবাজির সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। দল কখনওই এই তোলাবাজিকে প্রশয় দেয় না। তার প্রমাণ এই তিন জনের গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা।” যদিও বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অমরনাথ শাখা বলেন,”তৃণমূল দ্বারিকা শিলাঞ্চল জুড়ে তোলাবাজি চালাচ্ছে। আর তৃণমূলের বড়,মেজো,ছোট সব নেতাদের হাত রয়েছে এই ধৃতদের মাথায়। নেতাদের প্রশয়েই এই তোলাবাজি চলছে।” বাম আমলে চালু হওয়া দ্বারিকা শিল্পাঞ্চল পুনরুজ্জীবনের সম্ভাবনা তৈরি  হয়েছে টাটা গোষ্ঠী এখানকার কারখানা অধীগ্রহণ করায়। সেই বাতাবরণে এই তোলাবাজির ঘটনায় যথেষ্ট বিড়ম্বনায় রাজ্যের শাসক দল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fatty liver: ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন, জানেন না ৪০ শতাংশ আক্রান্তই! কোন বিপদের হাতছানি?

    Fatty liver: ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন, জানেন না ৪০ শতাংশ আক্রান্তই! কোন বিপদের হাতছানি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সামান্য পরিমাণ খাবার খেলেও হজম করা যাচ্ছে না। প্রায়ই বমি হচ্ছে। শরীরের ওজন ক্রমশ বাড়ছে। আর তার সঙ্গে কমছে কাজের শক্তি। শরীরকে গ্রাস করছে ক্লান্তি। কিন্তু কেন এমন সমস্যা, জানেন না অনেকেই‌। রেহাই পেতে অনেকেই মুঠো মুঠো হজমের ওষুধ খাচ্ছেন। আবার অনেকে ওজনকে রাশে আনতে খাবার খাওয়াই ছেড়ে দিচ্ছেন। আর তার জেরে বিপদ আরও বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অসচেতনতার জেরেই রোগ (Fatty liver) নির্ণয় হচ্ছে না। আর তার জেরেই বাড়ছে বিপদ।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য? (Fatty liver)

    সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দেশ জুড়ে বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক কিংবা ক্যান্সার নিয়ে যে সামান্য সচেতনতাও রয়েছে, ফ্যাটি লিভার নিয়ে সেটাও নেই। ওই সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ফ্যাটি লিভার আক্রান্তের ৪০ শতাংশ জানেন না, এই স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সচেতনতার অভাবে রোগ নির্ণয় হচ্ছে না। ফলে, আরও অনেক বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত কিনা, তা সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

    ফ্যাটি লিভার কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভারে ফ্যাটের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি হয়ে গেলে, ফ্যাটি লিভার হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত মদ্যপান করলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে‌। কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (Fatty liver) সমস্যা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। অর্থাৎ, যাঁরা মদ্যপান করেন না, তাঁদের মধ্যেও এই রোগ বাড়ছে। সাম্প্রতিক সর্বভারতীয় ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশ জুড়ে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগ উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে। এমনকী শিশুদের শরীরেও এই রোগ বাসা বাঁধছে।

    কেন বাড়ছে এই রোগ? (Fatty liver)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন যাপনের ধরনের জেরেই এই ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়ছে। মদ্যপান না করলেও লিভারের এই অসুখের অন্যতম কারণ খাদ্যাভ্যাস ও অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন। তাই এই রোগের দাপট থেকে শিশুরাও বাদ যাচ্ছেন না। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মানুষ নিয়মিত শরীর চর্চা করেন না। শিশুদের মাঠে দৌড়নো বা খেলাধুলার সময় কমছে। আর তার সঙ্গে বাড়ছে ফাস্টফুড খাওয়ার রেওয়াজ। রাসায়নিক দিয়ে ফ্রিজে রাখা মাছ-মাংস ভাজা খাওয়ায় এখন অনেকেই অভ্যস্ত। শিশুরাও পিৎজা, ফ্রেঞ্চফ্রাই, বার্গারের মতো খাবার নিয়মিত খাচ্ছে। বরং মোচা, পালং শাক, পটলের মতো সবজি নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস কমছে। যার জেরে চাপ পড়ছে লিভারে। প্রোটিন, ফ্যাট ও ভিটামিনের মধ্যে ব্যালান্স থাকছে না। তাই দেহে অতিরিক্ত ফ্যাট জমা হচ্ছে। তার জেরেই দেহের ওজন বাড়ছে। আর লিভারে জমছে অতিরিক্ত ফ্যাট।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বারবার বমি, পেটে ব্যথা কিংবা ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মতো সমস্যা দেখা দিলে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা রয়েছে কিনা, তা নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো সেই পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় জরুরি‌। তাছাড়া, খাদ্যাভ্যাসে প্রথম থেকেই নজর দেওয়া দরকার। নিয়মিত কম তেলমশলার হালকা খাবার বাড়িতে রান্না করে খেলে এই ধরনের অসুখ (Fatty liver) এড়ানো অনেক সহজ হয়ে যায়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Hawker Eviction: হকার উচ্ছেদে এবার সরব গেরুয়া শিবির, সিউড়িতে বিক্ষোভ বিজেপির!

    Hawker Eviction: হকার উচ্ছেদে এবার সরব গেরুয়া শিবির, সিউড়িতে বিক্ষোভ বিজেপির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই কলকাতা থেকে কোচবিহার— সারা বাংলায় ফুটপাথ দখলমুক্ত করার অভিযানে নেমেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সেই অভিযানের তৃতীয় দিন। তাই সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় সরকারি জমি দখল করে তৈরি বেআইনি অস্থায়ী নির্মাণ সরাতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন। এই নিয়ে বীরভূমের (Birbhum) কয়েক জায়গায় পুলিশের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন অস্থায়ী ব্যবসায়ীরা। রামপুরহাট ও সিউরিতেও শুরু হয় তুলকালাম। আর এর পরেই হকার উচ্ছেদের (Hawker Eviction) প্রতিবাদে পুরসভার সামনে বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। 

    রামপুরহাট-সিউরিতে তুলকালাম (Hawker Eviction) 

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ রামপুরহাটে ফুড পার্কে বুলডোজার নিয়ে জবরদখল উচ্ছেদে নামে স্থানীয় প্রশাসন। রামপুরহাট পুরসভার ১৭ এবং তিন নম্বর ওয়ার্ডে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রশাসনের তরফে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে উচ্ছেদ অভিযানে যাওয়ার সময়ই ওই ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলর এবং কয়েক জন ব্যবসায়ীর সঙ্গে বচসা বাধে পুলিশের। ধাক্কাধাক্কিও হয়। বিক্ষুব্ধদের দাবি, কোনও আগাম নোটিশ না দিয়েই পুলিশ উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে। যদিও পুলিশি তৎপরতায় পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।  
    রামপুরহাটের পাশাপাশি বিক্ষোভের ছবি উঠে আসে সিউরিতেও। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরেই গতকাল থেকে সিউড়ি শহর জুড়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে পুরসভা৷ কেবল সিউড়ি নয় বৃহস্পতিবার জেলার একাধিক পুরসভায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। 

    আরও পড়ুন: বিজেপির লিড ৭২ হাজার! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গ্রেফতার

    হকার উচ্ছেদ নিয়ে সরব বিজেপি (BJP) 

    সিউরিতে অশান্তি শুরু হতেই হকার উচ্ছেদ নিয়ে সরব হয় বিজেপি। উচ্ছেদ অভিযানের (Hawker Eviction) প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয় বিজেপি। তারপরেই পুরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ অন্যান্যরা। বিজেপির (BJP) দাবি, সরকারি জমি জবর দখল হওয়া উচিৎ নয় এবং সরকারি জমি দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিলে আমাদের সমর্থন থাকবে। কিন্তু জাতীয় হকার নীতি অনুযায়ী সরকার এভাবে হঠাৎ করে উচ্ছেদ করতে পারেনা। জমি ডিমারকেশন করতে হয়। সাতদিন নুন্যতম সময় দেওয়া উচিৎ। প্রশাসন এভাবে হঠাৎ করে বুলডোজার চালাতে পারেনা। হকারদের পুনর্বাসন করতে হবে সরকারকে। একপেশে পদক্ষেপ নিয়ে হকার উচ্ছেদ করা যাবেনা। সিউড়ির মীনভবন পর্যন্ত রাস্তা আগে করা উচিৎ। পুনর্বাসন না দিলে বিজেপির আন্দোলন চলবে। একইসঙ্গে এ প্রসঙ্গে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ তোলেন যে, টাকার বিনিময়ে হকারদের বসানো হয়। 
    এ প্রসঙ্গে রামপুরহাটের স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘‘আমাদের কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমাকে দোকান থেকে জিনিসপত্রও বার করতে দেয়নি। তার আগেই ভেঙে দিল। ছোট দোকানগুলো ভাঙছে (Hawker Eviction)। কিন্তু বড় দোকানগুলোতে কিছু করা হচ্ছে না। আমরা গরিব মানুষ। আমি কোথায় গিয়ে ব্যবসা করব? ছেলেমেয়েদের মুখে কী ভাবে খাবার তুলে দেব? কালকে রাতে শুনেছিলাম ভাঙবে। একটু তো সময় দিতে হবে।’’  
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hawkers eviction: হম্বিতম্বিই সার! হকার উচ্ছেদের রাস্তা থেকে আপাতত সরে গেলেন মমতা

    Hawkers eviction: হম্বিতম্বিই সার! হকার উচ্ছেদের রাস্তা থেকে আপাতত সরে গেলেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার নবান্ন সভাঘরে হকারদের রাস্তা দখল নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ প্রকাশ করতেই মঙ্গলবার সকাল থেকে ময়দানে নেমে যায় পুলিশ। রাজ্যজুড়ে ব্যাপক হকার উচ্ছেদ (Hawkers eviction) শুরু হয়। নির্বিচারে ভাঙ্গা হয় হাজার হাজার দোকান। কিন্তু বাছাই করে কিছু জায়গায় দোকান ভাঙা হলেও খিদিরপুর, নিউ মার্কেটের মত যেখানে হাঁটা দায় তেমন বহু জায়গায় পুলিশ উচ্ছেদ অভিযান এড়িয়ে যায়। এই ‘সেলেক্টিভ’ উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ শুরু হয় রাজ্যজুড়ে। ক্ষোভের জেরে অবশেষে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    রাজ্যজুড়ে নির্বিচারে হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানায় বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই। মানুষ বাধ্য হয়ে হকারি করছে। কোনভাবে সংসার চালাচ্ছে। উনি বললেন ঝালমুড়ি ঘুঘনি বিক্রি কর। আর উনি হকারদের দোকান তুলে দিচ্ছেন। উনি বেছে বেছে উচ্ছেদ (Hawkers eviction) করছেন। আমরা দরকার হলে বুলডোজারের সামনে শুয়ে আন্দোলন করব।”

    পিছিয়ে এলেন মমতা

    বিজেপি পথে নামার হুঁশিয়ারি ও মানুষের প্রবল চাপে বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “হকারদের আমি ভালোবাসি। রাস্তায় একটা দুর্ঘটনা হলে সবাই মুখ ফিরিয়ে চলে গেলেও হকাররা ছুটে আসে। আমি যা করেছি তা ওদের বিরুদ্ধে নয়। কলকাতাকে সুন্দর করতে হবে। আপনারা সহযোগিতা করুন। সরকার আপনাদের সঙ্গে থাকবে।” অবশ্য দুদিন আগেই মমতা বলেছিলেন, “লাল কালো ত্রিপল টানিয়ে বাইরের লোকেরা বসে পড়ছে। এভাবে চলতে পারেনা।” এমনকি কাউন্সিলরদের একাংশ টাকার বিনিময় হকার বসানোর সঙ্গে জড়িত আছে বলে উল্লেখ করেন মমতা।

    পুনর্বাসনের আশ্বাস মমতার

    এদিন অবশ্য ৩৮০ ডিগ্রি ঘুরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হকারদের দোষ দিয়ে কী লাভ। দোষ তো আমাদেরই। আমরা নিউমার্কেট এলাকায় একটা বিল্ডিং বানিয়ে দিচ্ছি। যেখানে ওরা বসবেন। এটা আমাদেরই করতে হবে। হকাররা সেখানে থাকবেন।” তবে হকেরদের বসানোর সঙ্গে শাসক দলের নেতাদের এবং পুলিশের যোগসূত্র রয়েছে এদিন ফের স্মরণ করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    তোলাবাজি হচ্ছে, ফের বললেন মমতা

    প্রসঙ্গত রাজ্যজুড়ে শাসক দলের নেতারা যে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত এদিন তা প্রকাশ পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাতেই। বৃহস্পতিবার রিভিউ মিটিংয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যত বড় নেতা হোক কাউকে ছেড়ে কথা বলব না। হকারদের থেকে চাঁদা তোলা বন্ধ করুন নেতারা। বহিরাগতদের জায়গা দেওয়া যাবে না। বেআইনী পার্কিং থেকে টাকা তোলা হচ্ছে। বেআইনী পার্কিং বন্ধ করতে হবে। রাস্তা বানানোর পর ৫ বছর না চললে ঠিকাদারদের ব্লাকলিস্ট করতে হবে। বেআইনি বাড়ি বিপজ্জনক বাড়ি ঠিক না করা হলে বাড়ির অধিগ্রহণ করা হবে।” প্রসঙ্গত রাস্তা তৈরি হওয়ার পর এক বর্ষাতেই খারাপ হওয়া নতুন কোন ঘটনা নয়। রাস্তায় কাটমানির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের বক্তব্যেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা উঠে আসে। কিন্তু যেভাবে উচ্ছেদ (Hawkers eviction) করতে গিয়ে ৪৮ ঘণ্টাতেই সরকার এই অভিযান স্থগিত করে দিল, তাতে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই কতটা বাস্তবের মাটিতে প্রতিফলিত হবে তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

    কেন হকার উচ্ছেদ (Hawkers eviction)

    রাজনৈতিক মহলের মতে শহর এলাকায় তৃণমূলের বুধ ভিত্তিক ফল আশা জনক না হওয়ায় মমতা ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছিলেন। কিন্তু ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে গেলে গিয়ে এই উচ্ছেদ অভিযানে আরও বেশি ড্যামেজ হয়ে যাবার আশঙ্কা তৈরি হয়। কারণ একদা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ঘুগনি, ঝালমুড়ি বিক্রি করার নিদান দিয়ে এখন সেই ঝালমুড়ি ঘুগনিওয়ালাদের দোকান ভেঙে দেওয়ায় গরিব মানুষের ভোট সরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ূন: “হকার উচ্ছেদ রুখতে প্রয়োজনে আমি বুলডোজারের সামনে দাঁড়াব”, বললেন শুভেন্দু

    পশ্চিমবঙ্গে কয়েক লক্ষ মানুষ হকারি পেশার সঙ্গে যুক্ত। এইভাবে রাজ্যে জুড়ে হকার উচ্ছেদ (Hawkers eviction) অভিযান হলে শহুরে ভোট আরও হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাতেই আপাতত এক মাস উচ্ছেদ অভিযান থেকে সরে এসেছে সরকার এমনটাই মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী সার্ভে করে হকারদের পুনর্বাসন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Draupadi Murmu: “জরুরি অবস্থা ঘোষণা ছিল সংবিধানের ওপর আক্রমণ”, বললেন রাষ্ট্রপতি

    Draupadi Murmu: “জরুরি অবস্থা ঘোষণা ছিল সংবিধানের ওপর আক্রমণ”, বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পর এবার ‘জরুরি অবস্থা জারি’র খোঁচা রাষ্ট্রপতিরও (Draupadi Murmu)। ২৭ জুন, বৃহস্পতিবার সংসদের যৌথ অধিবেশনে বক্তৃতা দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেখানেই তিনি খোঁচা দেন জরুরি অবস্থা জারির ‘ক্ষতে’।

    জরুরি অবস্থা জারির ‘ক্ষতে’ খোঁচা (Draupadi Murmu)

    তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালের ২৫ জুন যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটি ছিল সংবিধানের ওপর আক্রমণ। আমাদের সরকার চেষ্টা করে সংবিধান যেন জনচেতনার অংশ হয়। জম্মু-কাশ্মীরে সংবিধান লাগু হয়েছে।” রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) বলেন, “আমাদের গণতন্ত্রকে ক্ষতি করার অনেক চেষ্টা হয়েছে। ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়া হত। তার বদলে ইভিএম আনা হয়েছে। আজকের সময়ে প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার বিপজ্জনক।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “মানবকেন্দ্রিক অ্যাপ্রোচ রাখে ভারত। বিভিন্ন দেশকে বিপদে সাহায্য করেছে। ভারত সম্পর্কে বদলেছে বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গী। তা সম্প্রতি দেখেছি আমরা জি৭ সম্মেলনে। জি২০ সামিটেও বিশেষ ছাপ রেখেছে ভারত।”

    ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’

    তিনি বলেন, “ভারতের গৌরবের প্রমাণ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ফের চালু করা হয়েছে। ভগবান বীরসা মুন্ডার জন্মদিনকে জনজাতি দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতের ধারণায় কাজ চলছে।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “আজ অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে ভারত। ডিজিটাল পেমেন্টে বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছেছে। চন্দ্রাভিযানের সাফল্য নিয়ে গর্ব হওয়া উচিত। এতবড় নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন করার জন্যও গর্ব করা উচিত।” তিনি বলেন, “পয়লা জুলাই থেকে ন্যায় সংহিতা চালু হবে। ব্রিটিশরাজে গোলামি ব্যবস্থায় শাস্তির বিধান ছিল। সেই আইন বদলে সাহস দেখিয়েছে সরকার। এবার শাস্তির বদলে বিশেষ জোর দেওয়া হবে ন্যায়ে।”

    আর পড়ুন: অমরনাথ যাত্রা শুরু ২৯ জুন, জানুন যাত্রার খুঁটিনাটি

    তিনি বলেন, “সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্বও দেওয়া হচ্ছে।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “দেশের শত্রুদের মুখে ছাই দিয়ে কাশ্মীরের ভোটাররা ব্যাপক সাড়া দিয়ে ভোট দিয়েছেন। লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ায় বাড়ছে নারীর সশক্তিকরণ।” তিনি (Draupadi Murmu) বলেন, “আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেট দেশের ভবিষ্যৎ দিশা দেখাবে। ভারত দ্রুত তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের পথে এগিয়ে চলেছে। বিশ্বের মানুষ দেখছেন, এনডিএ টানা তৃতীয়বার স্থায়ী সরকার গঠনে সক্ষম হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে এক ফোঁটা জলও পড়েনি, প্রেস বিবৃতিতে জানাল ট্রাস্ট

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে এক ফোঁটা জলও পড়েনি, প্রেস বিবৃতিতে জানাল ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) ছাদ চুঁয়ে নাকি জল পড়ছে! মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস এমন তত্ত্ব সামনে আনেন গত সোমবার। এরপর তা নিয়ে খবর করতে থাকে সংবাদমাধ্যমগুলি। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই মন্দিরের ছাদ থেকে জল পড়ার মিডিয়া রিপোর্টগুলিকে একেবারেই খারিজ করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘‘রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে এক ফোঁটা জলও পড়েনি বা কোথাও থেকে গর্ভগৃহে জল প্রবেশ করেনি।’’ এনিয়ে বুধবার ২৬ জুন একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করেন ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টে’র সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই।

    শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টে’র প্রেস বিবৃতি

    প্রেস বিবৃতিতে স্পষ্টভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে যে মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহে ছাদ চুঁইয়ে জল পড়ার কোনও ঘটনাই ঘটেনি। 

    প্রেস বিবৃতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিন্দু- 

    ১. গর্ভগৃহে যেখানে ভগবান রামলালা বিরাজমান আছেন সেখানে এক ফোঁটাও বা বিন্দুমাত্রও জল পড়েনি এবং অন্য কোনও জায়গা থেকে গর্ভগৃহে জল প্রবেশ করেনি।

    ২. গর্ভগৃহের সামনে পূর্ব দিকে একটি মণ্ডপ আছে। যাকে গূঢ়মণ্ডপ বলা হয়। সেখানে মন্দিরের দ্বিতীয় তলে ছাদের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর (মাটি থেকে প্রায় ৬০ ফুট উচ্চতায়) ঘেরা-দেওয়াল জুড়ে যাবে। মণ্ডপের ছাদ বন্ধ হয়ে যাবে। এই মণ্ডপের দৈর্ঘ্য ৩৫ ফুট।

    ৩. রঙ মণ্ডপ আর গূঢ়মণ্ডপের মাঝখানে দুদিকেই (উত্তর এবং দক্ষিণ দিক) ওপরে যাওয়ার রাস্তা রয়েছে, ছাদ দোতলার উপর নির্মাণাধীন।

    ৪. সাধারণত পাথর নির্মিত মন্দিরে (Ram Mandir) বিদ্যুতের কন্ডুইট ও জংশন বাক্সের কাজ ছাদের ওপর হয় এবং কন্ডুইটকে ছাদে ফুটো করে নিচে নামানো হয়। এর মাধ্যমে নিচের তলে আলো জ্বালানো হয়। এই কন্ডুইট ও জংশন বক্সকে নির্মাণ চলাকালীন ফ্লোরে ওয়াটরটাইট করে অস্থায়ী ভাবে বসানো থাকে। দোতলায় বিদ্যুত, ওয়াটরপ্রুফিং এবং ফ্লোরিং এর কাজ চলছে। সেজন্যই জংশন বাক্সে জল ঢুকে কন্ডুইটের মাধ্যমে একতলায় চলে এসেছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে ছাদ থেকে জল পড়ছে। কিন্ত আসলে জল কন্ডুইটের মাধ্যমে মাটিতে এসেছিল। উপরোক্ত সব কাজ অতিশীঘ্রই পূর্ণ হবে এবং দোতলার ফ্লোরিং পুরো ওয়াটরটাইট হবে। এরপর আর কোনও জংশনে জল ঢুকবে না। আর তথাপি কোনও কন্ডুইট দিয়ে জল নিচে নামবে না।

    ৫. মন্দির (Ram Mandir) এবং ছাদের ব্যালকনি থেকে বর্ষার জল নিকাশির পুরো ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই কাজ আরও দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। ফলে মন্দিরে কখনও জল জমার পরিস্থিতি হবে না। সম্পূর্ণ মন্দির পরিসরের বাইরে বর্ষার জল নিকাশির শুন্য ওয়াটর ডিসচার্জের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর জন্য পরিসরের মধ্যেই রেন ওয়াটরট রিচার্জ পিট বানানো হচ্ছে।

    ৬. মন্দির এবং মন্দির পরিসরের নির্মাণ ভারতের দুটি সর্বোচ্চ স্বনামধন্য কোম্পানি L&T এবং টাটা’র ইঞ্জিনিয়াররা করেছেন। প্রখ্যাত ভাস্কর শ্রী চন্দ্রকান্ত সোমপুরার পুত্র, আশীষ সোমপুরার তদারকিতে এই কাজ হয়েছে। অর্থাত নির্মাণ কার্যের গুণগত মান নিয়ে কোনও সন্দেহ থাকার কথা নয়।

    ৭. উত্তর ভারতে শুধুমাত্র পাথর দিয়ে মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ এই প্রথম হচ্ছে। বিদেশে কেবল স্বামী নারায়ণ পরম্পরার মন্দির পাথর দিয়ে নির্মিত।

    ৮. প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় এক লাখ থেকে এক লাখ পনেরো হাজার ভক্ত প্রতিদিন ভগবান রামলালাকে দর্শন করেছেন। সকাল ৬:৩০ থেকে রাত্রি ৯:৩০ মন্দিরে প্রবেশ করা যায় দর্শনের জন্য। একটি ভক্তের প্রবেশ করে দর্শন করে প্রসাদ নিয়ে বাইরে বেরোতে কম করে এক ঘণ্টা সময় লাগে। এই সময়ে মন্দিরে মোবাইল নিয়ে যাওয়া নিষেধ।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিজেপির লিড ৭২ হাজার! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গ্রেফতার

    Siliguri: বিজেপির লিড ৭২ হাজার! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ গ্রেফতার করল তৃণমূলের ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির ব্লকের সভাপতি দেবাশিস প্রামাণিককে। বুধবার রাতে এনজেপি থানায় গ্রেফতার করে তাঁকে শিলিগুড়ি (Siliguri) থানায় নিয়ে আসা হয়। থানার সামনে তৃণমূল নেতার অনুগামীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তৃণমূল দল আর করব না বলে অনুগামীরা হুঁশিয়ারি দেন।

    কে দেবাশিস প্রামাণিক? (Siliguri)

    দেবাশিস একসময় এলাকার কংগ্রেস নেতা ছিলেন। কংগ্রেসের টিকিটে এলাকার দীর্ঘদিন পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। তারপর তৃণমূলের শিলিগুড়ির এক শীর্ষ নেতার আশীর্বাদ ধন্য হয়ে তাঁর প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়তে থাকে। ক্রমে তিনি পঞ্চায়েত সদস্য থেকে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ হন। এবার তাঁর আসন সংরক্ষিত হওয়ায় তিনি দাঁড়াতে পারেননি। চারমাস আগে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ব্লক তৃণমূলের সভাপতি করা হয়। এলাকার মানুষের অভিযোগ, ফুলবাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের বর্ডার রপ্তানি সহ এলাকার জমির অবৈধ কারবার, শিল্প স্থাপন, উন্নয়নের কাজ, সবকিছুতেই শেষকথা ছিলেন দেবাশিস। বাহিনী বানিয়ে অনৈতিক কাজ করে ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন। পেশায় ঠিকাদার ছিলেন। শিলিগুড়ির (Siliguri) এক শীর্ষনেতার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে বড় বড় কাজের বরাত তিনি পেয়ে যেতেন। 

    আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল

     কেন গ্রেফতার? 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাহুডাঙ্গির পাগালু পাড়ার বাসিন্দা বিমল রায় নামে এক ব্যক্তি দেবাশিসের বিরুদ্ধে মারামারি ও খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গেফতার করেছে। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একাধিক ধারা যুক্ত করেছে পুলিশ। সামান্য মারামারির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা মানতে চাইছেন না নেতার অনুগামীরা। সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় বিজেপি ৭২ হাজার ২৪৫ ভোটে লিড পেয়েছে। জলপাইগুড়ির আসনে বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের ৮৬ হাজার ৭৭৭ ভোটে জয়ের ক্ষেত্রে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির লিড বিশেষ ভূমিকা নেয়। মুখ্যমন্ত্রী সভা করে যাওয়ার পরও তৃণমূলের এই ভরাডুবিতে তৃণমূলের শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবও দেবাশিসকেই দোষারোপ করেন। দলের এই হার মুখ্যমন্ত্রী  মেনে নিতে পারেননি। সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী জমির অবৈধ কারবার নিয়ে দলের নেতাদের কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দেন। তিনি ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির নাম করে জমির অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। জমি মাফিয়াদের রমরমার ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী গৌতম দেবকেও দোষারোপ করেন। দেবাশিসকে মূলত দলের বিপর্যয়ের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। এর পিছনে শিলিগুড়ির এক শীর্ষ তৃণমূল নেতার মদত রয়েছে।   

    কেউ তৃণমূল করবে না, ক্ষোভ

    বুধবার রাতে শিলিগুড়ি (Siliguri) থানায় দেবাশিসের অনুগামীরা এসে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এক অনুগামী ফোনে ফুলবাড়ি এলাকার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে নির্দেশ দেন অবিলম্বে পদত্যাগ করার জন্য। তারপর চিৎকার করে তিনি বলতে থাকেন, দেবাশিসকে গ্রেফতারের  মাশুল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিলিগুড়ির মেয়রকে দিতে হবে। গ্রেফতারের পিছনে প্রকৃত কারণ কী, কাদের মদত রয়েছে সব প্রকাশ্যে আনা হবে। এরপর আর কেউ তৃণমূল করবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share