Blog

  • India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (India AI Deepfake Rules) ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিকে আরও কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, এআই দ্বারা তৈরি বা পরিবর্তিত সব ধরনের কনটেন্টে স্পষ্টভাবে লেবেল দিতে হবে এবং সেই কনটেন্টে এমবেডেড পরিচয়-চিহ্ন রাখতে হবে। কোনও কনটেন্ট সরকার চিহ্নিত করলে বা আদালতের নির্দেশ এলে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তিন ঘণ্টার মধ্যে সেই ডিপফেক বা এআই-তৈরি কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন

    মোদি সরকার ২০২১ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন করেছে। সেই সংশোধন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে আইনটি। নয়া আইন অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-র মাধ্যমে তৈরি ‘কনটেন্টে’ অবশ্যই তার উল্লেখ রাখতে হবে।কোনও কনটেন্টকে আদালত বা পুলিশ বা সরকার ডিপফেক বা বেআইনি চিহ্নিত করে সরাতে বললে তা তিন ঘণ্টার মধ্যে প্লাটফর্ম থেকে সরিয়ে দিতে হবে সমাজমাধ্যম সংস্থাগুলিকে (Social Media Regulation)। আগে এর জন্য ৩৬ ঘণ্টা সময় পেত মেটা, ইউটিউব, এক্সের মতো সংস্থাগুলি। এখন সেই সময় কমে যাওয়ায় চাপের মুখে পড়তে পারে সংস্থাগুলি। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এই সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি সাত দিনের মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে এর জন্য ১৫ দিন সময় পেত সংস্থাগুলি। জরুরি বিষয়ের ক্ষেত্রে অভিযোগের নিষ্পত্তি ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হত। কিছু ক্ষেত্রে কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে দু’ঘণ্টার মধ্যে।

    কেন এই পদক্ষেপ

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (India AI Deepfake Rules) খারাপ প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করতে আগেই উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সে জন্য নতুন আইন না এনে বর্তমান আইন সংশোধনের পথে হেঁটেছে তারা। মনে করা হচ্ছে, সংশোধিত এই আইনের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি কনটেন্ট, ডিপফেক ভিডিয়ো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রতারণা, শিশু নিগ্রহ, হেনস্থা, ভুয়ো তথ্য দিয়ে বা অপরাধে প্ররোচনা দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কোনও কনটেন্ট তৈরি করা হলে তা বর্তমান আইনের অধীনে বেআইনি অনলাইন কনটেন্ট হিসাবে গণ্য করা হবে। আইন মেনে না চললে ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে আইন মেনে পদক্ষেপ করা হবে।

    কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক

    সিনথেটিক কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারী ও প্রশাসন সহজে বিকৃত বা কৃত্রিম কনটেন্ট শনাক্ত করতে পারেন। একবার এআই লেবেল বা সংশ্লিষ্ট মেটাডেটা যুক্ত হলে তা মুছে ফেলা, বদলানো বা আড়াল করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বেআইনি, যৌন শোষণমূলক বা বিভ্রান্তিকর এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত ও রোধ করতে প্ল্যাটফর্মগুলিকে “যৌক্তিক ও উপযুক্ত” প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় টুল ব্যবহারের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় আইন—যেমন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, পকসো আইন, ২০১২ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮—সহ প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রতি তিন মাস অন্তত একবার ব্যবহারকারীদের সহজ ভাষায় জানাতে হবে যে এআই-এর অপব্যবহার করলে কী পরিণতি হতে পারে। প্ল্যাটফর্মের নিয়মাবলি, গোপনীয়তা নীতি বা ব্যবহারকারী চুক্তির মাধ্যমে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

    ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্ব রয়েছে

    কোনও প্ল্যাটফর্ম যদি এআই-নির্ভর ভুয়ো বা বিকৃত তথ্য তৈরি, প্রকাশ বা শেয়ার করার ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়, তবে দ্রুত ও উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে বলেও নির্দেশিকায় জোর দেওয়া হয়েছে। ডিপফেকের ভাইরাল প্রকৃতির কথা মাথায় রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে কেন্দ্র। খসড়া নিয়মে ব্যবহারকারীদের ওপরও দায়িত্ব চাপানো হয়েছে। কেউ এআই-তৈরি বা এআই-পরিবর্তিত কনটেন্ট পোস্ট করলে তা প্রকাশ্যে জানাতে হবে। প্ল্যাটফর্মগুলিকে সেই ঘোষণা যাচাই করার প্রযুক্তিও চালু করতে হবে, যাতে অপব্যবহার রোখা যায়। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত করার ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে নতুন নির্দেশিকা সেই স্বেচ্ছামূলক পদক্ষেপকে আইনি বাধ্যবাধকতায় পরিণত করেছে এবং কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়ানো, প্রতারণা, হয়রানি ও সম্মতি ছাড়া অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির ঘটনা বেড়ে চলায় সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন নিয়মে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির জবাবদিহি আরও বাড়বে বলেই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।

    বেআইনি কাজে এআই কনটেন্টও সমানভাবে দায়ী

    নতুন সংশোধনে স্পষ্ট করা হয়েছে, এআই-তৈরি কনটেন্ট যদি বেআইনি কাজে ব্যবহার হয়, তবে তা অন্য বেআইনি কনটেন্টের মতোই বিবেচিত হবে। শিশুপর্নোগ্রাফি, অশ্লীলতা, ভুয়ো পরিচয়, জাল নথি, অস্ত্র বা বিস্ফোরক-সংক্রান্ত বেআইনি কনটেন্ট তৈরিতে এআই ব্যবহার (India AI Deepfake Rules) রুখতে প্ল্যাটফর্মকে সক্রিয় থাকতে হবে। একই সঙ্গে সরকার জানিয়ে দিয়েছে, নিয়ম মেনে কনটেন্ট সরানো বা সীমিত করলে আইটি আইনের ৭৯ ধারার ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মগুলি পাবে। অর্থাৎ, নিয়ম মেনে কাজ করলে দায়মুক্তির সুরক্ষা থাকবে।

     

     

     

     

  • CBSE: দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অন-স্ক্রিন মার্কিং প্রযুক্তি, ঘোষণা সিবিএসই-র

    CBSE: দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অন-স্ক্রিন মার্কিং প্রযুক্তি, ঘোষণা সিবিএসই-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার মূল্যায়ন দ্রুততর করা এবং স্বচ্ছতা উন্নত করার লক্ষ্যে একটি বড় পরিবর্তনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE) ২০২৬ সালের বোর্ড পরীক্ষা থেকে দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য অন-স্ক্রিন মার্কিং (OSM) চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপটি ডিজিটাল প্রক্রিয়া এবং পরীক্ষা-সম্পর্কিত কাজে আরও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। এটি কেন্দ্রীয় বোর্ডের বড় প্রচেষ্টা হবে। তবে, সিবিএসই জানিয়েছে, ২০২৬ সালের দশম শ্রেণির পরীক্ষার (12 Board Exams) উত্তরপত্রের মূল্যায়ন আগের মতো পুরনো পন্থা বা ম্যানুয়ালি করা হবে।

    কেন এমন পদক্ষেপ?

    সিবিএসই (CBSE) প্রতি বছর ভারত এবং ২৬টি দেশে দশম-দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড (12 Board Exams) পরীক্ষা পরিচালনা করে, যার ফলে প্রায় ৪৬ লক্ষ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে। এই মূল্যায়নকে একটি বৃহৎ এবং সময়সাপেক্ষ অনুশীলন বলে অনেকে মনে করে থাকেন। আর তাই সিবিএসই (12 Board Exams) বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    সিবিএসই কী বলল

    সিবিএসই-র (CBSE) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ডঃ সান্যম ভরদ্বাজ বলেন, “মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য বোর্ড নিরন্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অন-স্ক্রিন মার্কিং চালু করছে। ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখ বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এই উদ্যোগটি মূল্যায়ন (12 Board Exams) প্রক্রিয়াকে সহজতর করা হবে। ধীরে ধীরে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার উপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে।”

    কেন সিবিএসই অন-স্ক্রিন মার্কিংয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

    সিবিএসই (CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্রের ডিজিটাল মূল্যায়নে পরিবর্তনের পিছনে একাধিক কারণ তালিকাভুক্ত করেছে। এই কারণগুলি হল নিম্নরূপ-

    • ১> সমস্ত স্কুলগুলির শিক্ষকদের বৃহত্তর অংশগ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত মূল্যায়ন করা।
    • ২> মোট নম্বর গণনায় ত্রুটি দূর করা, কারণ নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা করা হয়।
    • ৩> স্বয়ংক্রিয় সমন্বয়, ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ এবং ভুলের সুযোগ হ্রাস করা।
    • ৪> ফলাফল দেরিতে প্রকাশকে কমাতে, ফলাফল-পরবর্তী নম্বর যাচাইয়ের প্রয়োজন হবে না।
    • ৫>  যাচাই-সম্পর্কিত কাজের জন্য লোকজন কম নিয়োগ করতে হবে।
    • ৬> পরিবহণের সময় এবং খরচ সাশ্রয় হবে, কারণ বাস্তব উত্তরপত্র স্থানান্তরের প্রয়োজন হবে না।
    • ৭> শিক্ষকরা তাদের নিজস্ব স্কুলে থাকতে পারবেন এবং মূল্যায়নের সময় নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
    • ৮> মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় অবদান রাখার জন্য সমস্ত অনুমোদিত স্কুলের সুযোগ থাকবে।
    • ৯> কেবল ভূগোলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বব্যাপী সিবিএসই-অনুমোদিত স্কুলের শিক্ষকদের অংশগ্রহণ থাকবে।
    • ১০> পরিবেশ-বান্ধব মূল্যায়ন, টেকসই ডিজিটাল প্র্যাকটিসে যাওয়ার ভাবনাকে সিবিএসই সমর্থন করবে।

    স্কুলগুলিকে কী প্রস্তুতি নিতে হবে?

    অন-স্ক্রিন মার্কিং-এর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য, সিবিএসই (CBSE) স্কুলগুলিকে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির নিশ্চয়তাকে আগে সম্পন্ন করতে হবে। স্কুলগুলিতে অবশ্যই পরিকাঠামোর ভাবনা থাকবে। তার জন্য যা যা করতে হবে তা তা হল-

    • ১> অ্যাফিলিয়েশন বাই-ল অনুসারে, একটি পাবলিক স্ট্যাটিক আইপি সহ একটি কম্পিউটার ল্যাব প্রয়োজন।
    • ২> উইন্ডোজ ৮ বা তার বেশি অপারেটিং সিস্টেমের পিসি বা ল্যাপটপ, কমপক্ষে ৪ জিবি র‍্যাম এবং সি ড্রাইভে ১ জিবি খালি জায়গা লাগবে।
    • ৩> ক্রোম, এজ, ফায়ারফক্স, অথবা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মতো আপডেট করা ইন্টারনেট ব্রাউজার অত্যন্ত আবশ্যক।
    • ৪> অ্যাডোবি রিডার ইনস্টল করতে হবে।
    • ৫> সর্বনিম্ন ২ এমবিপিএস গতিতে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ রাখতে হবে।
    • ৬> নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখতে হবে।

    সিবিএসই কীভাবে এই পরিবর্তনকে সমর্থন করবে?

    স্কুল এবং শিক্ষকদের নতুন ব্যবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করার জন্য, সিবিএসই বেশ কয়েকটি সহায়তা ব্যবস্থার রূপরেখা দিয়েছে। তার মধ্যে হল-

    • ১> ওএএসআইএস (OASIS) আইডি সহ সকল শিক্ষককে লগ ইন করতে এবং ওএসএম (OSM) প্ল্যাটফর্মের সাথে পরিচিত হতে অনুমতি নিতে হবে।
    • ২> শিক্ষকদের ডিজিটাল মূল্যায়ন প্র্যাকটিস সহায়তা করার জন্য একাধিক ড্রাই রান পরিচালনা করতে হবে।
    • ৩> সিস্টেমটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করতে হবে।
    • ৪> সমস্যা সমাধানের জন্য একটি নিবেদিতপ্রাণ কল সেন্টার স্থাপন করতে হবে।
    • ৫> শিক্ষকদের ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য নির্দেশনামূলক ভিডিও প্রকাশ করতে হবে।

    আলাদাভাবে বিস্তারিত নির্দেশাবলী জারি করবে

    সিবিএসই (CBSE) পরীক্ষা ব্যবস্থার জন্য আলাদাভাবে বিস্তারিত নির্দেশাবলী জারি করবে। যাতে সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সময়মত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা যায়। বোর্ড স্কুলগুলিকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে এবং ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার আগে অন-স্ক্রিন মার্কিং-এ রূপান্তরকে মসৃণ এবং কার্যকর করার জন্য তাদের সহযোগিতা চেয়েছে। এই বছর, সিবিএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে এবং ১০ এপ্রিল শেষ হবে। বোর্ড বছরে দুবার দশম শ্রেণী পরীক্ষা (12 Board Exams) পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দ্বিতীয় পরীক্ষা ১৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। উভয় পরীক্ষাই একই সিলেবাস অনুসরণ করবে।

  • Seasonal Change Health Risks: বিদায় নেবে শীত! আগাম গরম কোন সমস্যা নিয়ে আসছে?

    Seasonal Change Health Risks: বিদায় নেবে শীত! আগাম গরম কোন সমস্যা নিয়ে আসছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিদায় নিচ্ছে শীত! আর মাত্র কয়েক দিন! তারপরেই সোয়েটার আর লেপ কম্বলের পর্ব শেষ হতে চলেছে। গরম এবার আগাম পা বাড়িয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। কিন্তু বসন্তেই গরম হাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এই আবহাওয়া একাধিক রোগের দাপট বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এমনটাই মত চিকিৎসকদের।

    কেন রোগের দাপট বাড়তে পারে?

    শীতে তাপমাত্রার পারদ কম থাকে। চলতি মরশুমে তাপমাত্রার পারদ অনেকখানি কমে গিয়েছিল। কিন্তু গরমের দাপটে আবহাওয়ার অনেকটাই পরিবর্তন হয়। শীত শেষের এই মরশুমে বাতাসে নানান ভাইরাসের দাপট বাড়ে। তাই সংক্রামক রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাছাড়া বছরের এই সময় শুষ্ক। বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। তাই নানান ধরনের অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন শরীর সহজে মেনে নিতে পারে না। পেশি ও মস্তিষ্কের স্নায়ুর পরিবর্তিত পরিবেশ মানিয়ে নিতে সময় লাগে। তার ফলে শরীর বেঁকে বসে। হজমের সমস্যা থেকে পেশির খিঁচুনির মতো নানান ভোগান্তি তৈরি হয়। তাই এই সময়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের জন্য বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তাছাড়া আগামী সপ্তাহ থেকে দেশজুড়ে বোর্ড পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এই অবস্থায় তাদের শরীরের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

    সুস্থ থাকার কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    আগাম গরমে বাড়তে পারে ভাইরাসঘটিত জ্বর ও কাশি।‌ তাই সংক্রমণ ঠেকাতে কয়েকটি বিশেষ পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীত কমে গেলেও সন্ধ্যার পরে কিংবা ভোরে হালকা ঠান্ডা থাকে। তাই এই সময়ে বাইরে বেরোলে অবশ্যই কান, গলা ঢাকা দেওয়া পোশাক পরা জরুরি। তাহলে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের ঝুঁকি কমানো যাবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই এই আবহাওয়ায় কাশি ও গলা ব্যথার সমস্যায় ভুগছেন। আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন থেকে অনেক সময় জ্বর হয়। ভোগান্তি বাড়ে।

    বয়স্কদের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ

    বছরের এই সময়ে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়। ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই শিশু ও বয়স্কদের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। তাছাড়া ট্রেন-বাস-অটোর মতো গণপরিবহণ ব্যবহারের সময় সকলকেই মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভাইরাস ঘটিত অসুখের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ে অনেকেই কাশি-সর্দি-জ্বরে ভুগছেন। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে।

    সংক্রমণ ঠেকাতে হাত ধোয়া জরুরি

    বাইরে থেকে ফিরে অবশ্যই হাত ধোয়া জরুরি। তাতে নানান সংক্রমণ ঠেকানো সহজ হয় বলেই মত চিকিৎসকদের একাংশের।
    খাবার খাওয়া নিয়েও বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। বিশেষত পরীক্ষার্থীদের জন্য খাদ্যাভ্যাস খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। এই আবহাওয়ায় পেটের অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। ঋতু পরিবর্তনের সময় হজমের গোলমাল হয়। তাপমাত্রার হঠাৎ বদলের জেরে শরীরের একাধিক সমস্যা তৈরি হয়। তাই হজমের গোলমাল, পেটের অসুখ, বমির মতো ভোগান্তি কমাতে হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারি, অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার হজমের সমস্যা তৈরির পাশাপাশি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। কিন্তু পরীক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত‌্যন্ত জরুরি। তাই বিশেষ করে রাতের দিকে তাদের হালকা খাবার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে পেশির খিঁচুনি‌ এড়াতে, রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই আবহাওয়ায় নিয়মিত শারীরিক কসরত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত শারীরিক কসরত করলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। নানান সমস্যা এড়ানো যায়‌।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 15 February 2026: বিতর্ক থেকে দূরে থাকুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 15 February 2026: বিতর্ক থেকে দূরে থাকুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়ির কোনও সদস্যের বিষয়ে আপনাকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

    ২) কাজের ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছেমতো চলবেন না।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) পরিবারে কোনও বিবাদ চললে তা সমাধানের চেষ্টা করুন।

    ২) সন্তান কোনও কারণে রেগে গেলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন।

    ৩) নতুন গাড়ি কেনার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন, যা আপনার জন্য ভালো হবে।

    ২) পরিবারে আপনার প্রিয়জনের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পাবেন।

    ৩) আপনার সম্মান বৃদ্ধি হতে পারে।

    সিংহ

    ১) যানবাহন ব্যবহার করার সময় আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) বেশ কয়েকদিনের ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।

    ৩) পরিবারের মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব চললে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করুন।

    কন্যা

    ১) বিতর্ক থেকে দূরে থাকুন।

    ২) স্বেচ্ছাচারী আচরণের জন্য আপনি অস্থির থাকতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে, আপনার বস আপনার উপর দায়িত্বের বোঝা চাপিয়ে দিতে পারেন।

    তুলা

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় অশান্তি হতে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) জেদের কারণে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির ব্যাপারে কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) শারীরিক কারণে ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না।

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কুম্ভ

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ নিয়ে চিন্তা।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫০ দিন ধরে রাজ্যে চলেছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এই সময়সীমার মধ্যে শুনানির জন্য হাজির হননি প্রায় ৫ লাখ ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর ২টো পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকেই এমনটা জানা গিয়েছে (Election Commission)।খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে মূলত দু’ধরনের ভোটারের নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগসূত্র দেখাতে পারেননি, তাঁদেরই ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। ওই তালিকার সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে, এমন অনেক ভোটারকেও তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।

    তলব পেয়েও গরহাজির প্রচুর ভোটার (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে হাজির হননি এমন ভোটারের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এদিন দুপুর ২টো পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ওই জেলায় নোটিশ পেয়েও শুনানি কেন্দ্রে হাজির হননি ১ লাখ ৩৮ হাজার ভোটার। পড়শি জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শুনানিতে হাজির হননি ৪৬ হাজার ভোটার। দক্ষিণ কলকাতায় নোটিশ পেয়েও আসেননি হাজার বাইশেক ভোটার। উত্তর কলকাতায় এই সংখ্যাটি হাজার দুয়েকের কাছাকাছি। কালিম্পঙেও ৪৪০ জন ভোটার হাজিরা দেননি শুনানিতে। শনিবার সন্ধে পর্যন্ত যা খবর, তাতে দেখা যাচ্ছে, এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৯৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। অযোগ্য হিসেবে বাদ যাচ্ছে ১ লাখ ৬৩ হাজারের কিছু বেশি ভোটারের নাম (SIR)। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত বাদ যেতে পারে ৬ লাখ ৬১ হাজার ভোটারের নাম।

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বক্তব্য

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, “কতজন শুনানিতে অংশ নেননি, সেই সঠিক তথ্য আমার কাছে নেই। কিন্তু যাঁর নাম খসড়া তালিকায় ছিল, কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নেই, তাঁদের আবেদন করার সুযোগ থাকছে। কোথাও কোনও ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে, তাঁরা ফের আবেদন করতে পারবেন। এটি শেষও নয়, আবার শুরুও নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেও যোগ-বিয়োগ চলতেই থাকবে।” প্রসঙ্গত, এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়ায় এ রাজ্যে প্রায় দেড় কোটি ভোটারকে নোটিশ পাঠায় কমিশন। এর মধ্যে ‘আনম্যাপড’ থাকায় নোটিশ পাঠানো হয় প্রায় ৩২ লাখ (Election Commission) ভোটারকে। তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে তলব করা হয় ১ কোটি ২০ লাখ ভোটারকে (SIR)।

     

  • Nepal: দেশে ফিরলেন প্রাক্তন রাজা, রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের উদ্বেল নেপাল

    Nepal: দেশে ফিরলেন প্রাক্তন রাজা, রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের উদ্বেল নেপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের সরব নেপাল (Nepal)। শুক্রবার নেপালের প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে রাজধানীর বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাঁর সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ বিমানবন্দরের বাইরে জড়ো হন (Restoration Of Monarchy)। তাঁরা রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানান। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যদিও কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন কার্যালয় বিমানবন্দর এলাকা ও আশপাশে পাঁচজনের বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

    নেপালে ফিরলেন জ্ঞানেন্দ্র (Nepal)

    জ্ঞানেন্দ্রকে তাঁর গাড়ির সানরুফ দিয়ে উচ্ছ্বসিত জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে দেখা যায়। এই সময় দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম পরিহিত শত শত পুলিশ সদস্য বিমানবন্দরের প্রধান প্রবেশপথে ভিড় করা সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছিলেন। “আমাদের দেশকে রক্ষা করতে রাজা জ্ঞানেন্দ্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।” এমন স্লোগান দেন রাজতন্ত্রপন্থীরা। প্রাক্তন রাজা কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তাঁরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দেন। প্রবীণ নেতা কমল থাপার নেতৃত্বাধীন রাজতন্ত্রপন্থী রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির কর্মী-সমর্থকরা এবং নবরাজ সুবেদী ও চিকিৎসক দুর্গা প্রসাইয়ের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন রাজভক্ত সংগঠনের সদস্যরা শুক্রবার সকাল থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় জড়ো হন। বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসাই জানান, তাঁরা ৫ মার্চের সাধারণ নির্বাচনের আগেই রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চান। তাঁর দাবি, দেশে হিন্দু রাজা পুনর্বহাল করার দাবি নিষ্পত্তি না হলে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয় (Nepal)।

    রাজপ্রাসাদ ছাড়েন জ্ঞানেন্দ্র

    ২০০৬ সালে ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্রকে তাঁর কর্তৃত্ববাদী শাসন ছাড়তে বাধ্য করা হয়। দু’বছর পর সংসদ রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পক্ষে ভোট দেয় এবং জ্ঞানেন্দ্র রাজপ্রাসাদ ছেড়ে সাধারণ নাগরিকের (Restoration Of Monarchy) জীবনযাপন শুরু করেন। ২০০৮ সালে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হলেও গত বছর অর্থনৈতিক সঙ্কট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে পুনরায় রাজতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ দেখা যায়। গত বছর বিমানবন্দরে একই ধরনের এক সমাবেশে আনুমানিক ১০ হাজার সমর্থক অংশ নিয়েছিলেন। আর একটি রাজতন্ত্রপন্থী সমাবেশ সহিংসতার রূপ নিলে দু’জন নিহত এবং অনেকে আহত হন।

    রাজনৈতিক অচলাবস্থা

    জ্ঞানেন্দ্র নিজে রাজতন্ত্র পুনর্বহালের আহ্বানে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে আগামী মাসে গুরুত্বপূর্ণ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সব বিক্ষোভ হচ্ছে। সর্বশেষ নির্বাচনে জ্ঞানেন্দ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি প্রায় ৫ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছিল। এদিকে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি শুক্রবার জনগণকে দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আগামী মাসের নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সফলভাবে আয়োজনের জন্য সমাজের সব শ্রেণির সহযোগিতা প্রয়োজন।” টাপলেজুং জেলার সদর দফতর পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “এই নির্বাচন দেশের নতুন পর্যায়ে উত্তরণের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হবে।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা (Restoration Of Monarchy) থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি করতে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Nepal)।” প্রসঙ্গত, নেপালে চলতি বছরের ৫ মার্চ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

  • Piyush Goyal: আমেরিকায় বস্ত্র রফতনিতে বাংলাদেশের মতোই শূন্য-শুল্কের সুবিধা পাবে ভারত, ব্যাখ্যা গোয়েলের

    Piyush Goyal: আমেরিকায় বস্ত্র রফতনিতে বাংলাদেশের মতোই শূন্য-শুল্কের সুবিধা পাবে ভারত, ব্যাখ্যা গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ব্যবস্থার অধীনে যে ধরনের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে, ভারতও তেমনই টেক্সটাইল-সংক্রান্ত বাণিজ্য সুবিধা পাবে।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)। প্রতিবেশী বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করার পর শুল্কের পার্থক্যের কারণে ভারতীয় বস্ত্রশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এই আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের প্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য করেন গোয়েল।

    আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তি (Piyush Goyal)

    ৯ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও বাংলাদেশ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর ফলে ঢাকার ওপর আরোপিত পারস্পরিক শুল্ক পূর্বঘোষিত ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি বিশেষ টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্যের ওপর শূন্য-শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়। গোয়েল বলেন, “ভারতেরও একই সুবিধা রয়েছে এবং ভারতও তা পাবে। বর্তমানে আমাদের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি তৈরি হচ্ছে। অন্তর্বর্তী চুক্তি চূড়ান্ত হলে এর বিস্তারিত শর্তাবলি আপনারা দেখতে পাবেন (Textiles)।”

    রাহুল গান্ধীকেও আক্রমণ

    লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে গোয়েল বলেন, “তিনি (রাহুল গান্ধী) সংসদে আর একটি মিথ্যা রটিয়েছেন যে বাংলাদেশ (Piyush Goyal) বাণিজ্যে ভারতের তুলনায় বেশি সুবিধা পেয়েছে। বাংলাদেশের মতোই একটি সুবিধা রয়েছে, যদি কাঁচামাল আমেরিকা থেকে কেনা হয়, তা প্রক্রিয়াজাত করে (Textiles) কাপড় তৈরি করে রফতানি করলে শূন্য পারস্পরিক শুল্ক প্রযোজ্য হবে।” গোয়েল এও বলেন, “রাহুল গান্ধীর উচিত ভারতের কৃষক, মৎস্যজীবী, এমএসএমই খাতে কর্মরত শ্রমিক এবং বিশ্বকর্মাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া।” তিনি বলেন, “ভারতীয় কৃষকরাও উপকৃত হবেন। কারণ অনেক পণ্য বৃহৎ পরিমাণে আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও অস্ট্রেলিয়ায় রফতানি করা হবে।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে ৫ লক্ষ কোটি টাকার যে রফতানি হয়, তা বেড়ে ১০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছাবে। মন্ত্রী বলেন, “রাহুল গান্ধীর উচিত ভারতের কৃষক, মৎস্যজীবী, এমএসএমই শ্রমিক এবং বিশ্বকর্মাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া। কারণ তিনি সংসদে আর একটি মিথ্যে কথা রটিয়েছেন (সবিআই রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত থেকে ফি বছর প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের টেক্সটাইল আমদানি করে এবং প্রায় সমপরিমাণ আমদানি করে বাংলাদেশ থেকেও। গত সপ্তাহে ভারত ও আমেরিকা একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির কাঠামোও চূড়ান্ত করেছে, যার বিস্তারিত শর্তাবলি মার্চ মাসে প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ()।”

    কী বলছে এসবিআই রিসার্চের তথ্য

    এসবিআই রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত থেকে ফি বছর প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের টেক্সটাইল আমদানি করে এবং প্রায় সমপরিমাণ (Textiles) আমদানি করে বাংলাদেশ থেকেও। গত সপ্তাহে ভারত ও আমেরিকা একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির কাঠামোও চূড়ান্ত করেছে, যার বিস্তারিত শর্তাবলি মার্চ মাসে প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Piyush Goyal)।

     

  • PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সাউথ ব্লক ছেড়ে পাকাপাকিভাবে চলে গেল সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সের নয়া ঠিকানায়। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কৃষক, নারী, যুবসমাজ এবং অসহায় নাগরিকদের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন। সেবা তীর্থ থেকে নেওয়া তাঁর প্রথম সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দেন, ঘোষণা করেন লাখপতি দিদি উদ্যোগের ব্যাপক সম্প্রসারণের। এর পাশাপাশি তিনি কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ দ্বিগুণ করেন এবং অনুমোদন করেন স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর।

    পিএম রাহাত প্রকল্প চালু

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দিয়েছেন, তার লক্ষ্য হল দুর্ঘটনাগ্রস্তদের জন্য সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদবিহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া। আধিকারিকরা জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ও ক্যাশলেস চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে প্রাণহানি রোধ করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

    ছ’কোটি  লাখপতি দিদি-র লক্ষ্য (PM Modi)

    সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, নির্ধারিত মার্চ ২০২৭ সময়সীমার আগেই তিন কোটির ‘লাখপতি দিদি’ লক্ষ্যমাত্রার চৌকাঠ পার করা হয়েছে। এই অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় সরকার মার্চ ২০২৯-এর মধ্যে ছ’কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির নয়া লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। লাখপতি দিদি উদ্যোগের লক্ষ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের টেকসই জীবিকামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বছরে কমপক্ষে ১ লক্ষ টাকা আয় করতে সক্ষম করে তোলা (PM Modi)।

    বাড়ল কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ

    কৃষিক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ ১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি টাকা করেছেন। এই তহবিল ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামো এবং গুদামঘর, কোল্ড স্টোরেজ ইউনিট ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রের মতো সামষ্টিক কৃষি সম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে। আধিকারিকরা জানান, এই বর্ধিত বরাদ্দ কৃষি মূল্যশৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করবে এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

    স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন

    ভারতকে বৈশ্বিক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ১০,০০০ কোটি টাকার করপাস-সহ স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন করেছেন। এই নয়া তহবিল প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপ এবং ডিপ টেক ও অগ্রসর উৎপাদন খাতের মতো উচ্চ-বৃদ্ধির ক্ষেত্রকে সাহায্য করবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • PM Modi in Assam: জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান, উড়ল রাফাল, সুখোই! প্রস্তুত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম ইএলএফ

    PM Modi in Assam: জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান, উড়ল রাফাল, সুখোই! প্রস্তুত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম ইএলএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক এক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল অসম। শনিবার সকালে অসমের ডিব্রুগড় জেলার মোরানে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটিতে (ELF) অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমান।

    জাতীয় সড়কে নামল মোদির বিমান

    দিল্লি থেকে অসমের চাবুয়া বিমানঘাঁটি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান অসমের রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল সহ রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। চাবুয়া থেকে বায়ুসেনার সি-১৩০জে বিমানে চেপে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছান মোরান মোরান বাইপাস এলাকায়। সেখানে জাতীয় সড়কের একটি অংশে বিশেষভাবে নির্মিত ইএলএফ-এ অবতরণ করে মোদির বিশেষ বিমান। এই উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং বায়ুসনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং। ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ইএলএফ হল মোরান বাইপাসের ওপর ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি শক্তিশালী কংক্রিটের রানওয়ে। এটি ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) যুদ্ধবিমান ও পণ্যবাহী পরিবহণ বিমানের জন্য কৌশলগত ও বহু-উদ্দেশ্যপূর্ণ রানওয়ে হিসেবে কাজ করবে, যা প্রতিরক্ষা, লজিস্টিক্স এবং দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা আরও মজবুত করবে।

    রানওয়ে থেকে উড়ল সুখোই, রাফাল

    এই নতুন ইএলএফ জরুরি পরিস্থিতিতে ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প অবতরণস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হবে, ফলে এটি ভারতের বিমান পরিকাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৪০ মিনিটের এক বিশাল এয়ার শো প্রত্যক্ষ করেন। প্রদর্শনীতে অংশ নেয় ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান, পরিবহণ বিমান ও হেলিকপ্টার। এর মাধ্যমে বায়ুসেনার অপারেশনাল প্রস্তুতি ও হাইওয়ের দ্বৈত ব্যবহারযোগ্যতার ক্ষমতা তুলে ধরা হয়। মোরনের ইএলএফ থেকে পরপর উড়ে যায় সুখোই-৩০এমকেআই, রাফালের মতো যুদ্ধবিমান।

    বায়ুসেনার নজিরবিহীন এয়ার শো

    এছাড়া, বায়ুসেনার ‘ওয়ার্কহর্স’ হিসেবে পরিচিত সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস এবং এএন-৩২ পরিবহণ বিমান বিশেষভাবে নির্মিত এই ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ ইএলএফ-এ অবতরণ ও উড়ানের মহড়া চালায়। এছাড়া, অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (ALH) দিয়ে বিশেষ হেলি-বোর্ন অপারেশন এবং মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ত্রাণ (HADR) মহড়া চালানো হয়। এই হেলিকপ্টারগুলি নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার, চিকিৎসা সহায়তা এবং দুর্গম এলাকায় খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনার এলিট বাহিনী গরুড় কমান্ডো বাহিনীর সদস্যরাও তাদের নিখুঁত দক্ষতা ও যুদ্ধকৌশল প্রদর্শন করেন।

    কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ

    কৌশলগত দিক থেকে এই ইএলএফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোরান থেকে চিন সীমান্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার এবং মায়ানমার সীমান্ত প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। প্রধানমন্ত্রী আগেই সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ জানিয়েছিলেন, এই ইএলএফ জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ মোতায়েনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা নেবে। এই পরিকাঠামো বন্যা ও ভূমিকম্পপ্রবণ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা আরও বাড়াবে এবং দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালানো সম্ভব হবে। ইএলএফটি সর্বোচ্চ ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন ওজনের পরিবহণ বিমান ওঠানামায় সক্ষম।

    একাধিক কর্মসূচি ছিল প্রধানমন্ত্রীর

    মোরনের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ফের ইএলএফ থেকে বায়ুসেনার সি-১৩০জে বিমানে করে গুয়াহাটির উদ্দেশে রওনা দেন। গুয়াহাটির লাচিত ঘাটে ৫,৪৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর নির্মিত কুমার ভাস্কর বর্মা সেতুর উদ্বোধন করেন, যার নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩,০৩০ কোটি টাকা। এই ছয় লেনের এক্সট্রাডোজড প্রি-স্ট্রেসড্ কংক্রিট (PSC) সেতু গুয়াহাটি ও উত্তর গুয়াহাটিকে সংযুক্ত করেছে এবং এটি উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম এক্সট্রাডোজড সেতু। এই সেতু চালু হলে গুয়াহাটি থেকে উত্তর গুয়াহাটি যাতায়াতের সময় কমে মাত্র ৭ মিনিটে দাঁড়াবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী আইআইএম গুয়াহাটির উদ্বোধন করেন এবং পিএম ই-বাস সেবা প্রকল্পের আওতায় চারটি শহরে ২২৫টি বৈদ্যুতিক বাসের সূচনা করেন।

  • Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এ রাজ্যের জন্য এসআইআর এবং বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হল (Assembly Elections 2026)। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই ঘোষণা করা হবে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগেই নিয়োগ করে দেওয়া হল পর্যবেক্ষক। কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers) নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁকে কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে, তাও জানানো হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা (Assembly Elections 2026)

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তিনি মূলত এসআইআর এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং পরিচালনা তদারকি করবেন। ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা অনুযায়ী এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোটের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি প্রয়োজনে এ রাজ্যে আসবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের নির্দেশাবলী সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তাঁর। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভোটের কাজ দেখাশোনা করবেন ওই বিশেষ পর্যবেক্ষক। বিশেষ পর্যবেক্ষক হলেও, এনকে মিশ্র কোনও নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি শংসাপত্র দিতে পারবেন না। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে, বিষয়টি প্রস্তাব আকারে জানাতে কমিশনকে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশনই।

    বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার

    প্রসঙ্গত, প্রশাসনিক স্তরে সম্ভবত এই প্রথম দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার মিশ্র। নির্বাচনী কাজে তাঁর দক্ষতা রয়েছে। তবে তা নিরাপত্তার দিক থেকে। শেষ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে পুলিশের বিশেষ পর্যবেক্ষকের (Assembly Elections 2026) দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। নিজের কর্মজীবনে দায়িত্ব সামলেছেন সিকিমের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর স্পেশাল ডিরেক্টর হিসেবে। পরে হয়েছিলেন সেই রাজ্যের ডিজিপিও। গত জানুয়ারি মাসেই এ রাজ্যে এসআইআরের কাজে নতুন করে আরও ১২ জন স্পেশাল অবজার্ভার পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে এখনও পর্যন্ত আসা কমিশনের প্রত্যেক প্রতিনিধি শুধুমাত্র এসআইআরের জন্যই (Special Observers) ছিল। কিন্তু এই প্রথমবার বাংলার ভোট প্রস্তুতি বুঝে নিতে অবজার্ভার পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি (Assembly Elections 2026)।

     

LinkedIn
Share