Blog

  • HS Result 2024: উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বুধবার, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট

    HS Result 2024: উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বুধবার, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল, ৮ মে, বুধবার, প্রকাশিত হবে এবছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল (HS Result 2024)। এদিন দুপুর ১টায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফল ঘোষণা করবেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। পরীক্ষা শেষের ৬৯ দিনের মাথায় এবার ফল প্রকাশ করবে শিক্ষা সংসদ। দুপুর ৩টে থেকে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে তাঁদের রেজাল্ট দেখতে পারবেন। ওয়েবসাইটে ফল দেখার সময় হাতের কাছে রাখতে হবে অ্যাডমিট কার্ড।

    কীভাবে দেখবেন ফল

    ১) পরীক্ষার্থীদের প্রথমে https://wbresults.nic.in/ ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    ২) এর পর ‘হোমপেজ’-এ দেওয়া ‘রেজাল্ট’-এর লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।

    ৩) এর পর নিজেদের রোল নম্বর-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই স্ক্রিনে রেজাল্ট দেখা যাবে।

    ওয়েবসাইটের হোম পেজে ঢুকলেই স্কিনে একটি লেখা দেখতে পাবে পড়ুয়ারা। লেখাটি হল, “West Bengal Higher Secondary Examination Results 2024″। এতে ক্লিক করলেই খুলে যাবে একটি ফর্ম। তাতে লিখতে হবে রোল নম্বর ও জন্ম তারিখ। এর পর সাবমিট অপশনে ক্লিক করলে স্ক্রিনে চলে আসবে মার্কশিট। যা ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবে ছাত্র-ছাত্রীরা। রেজাল্ট (HS Result 2024) জানার পাশাপাশি ওয়েবসাইট থেকে মার্কশিট ডাউনলোড করতে পারবে পড়ুয়ারা। নির্ধারিত ওয়েবসাইট ছাড়াও ‘WBCHSE Results’ অ্যাপের মাধ্যমেও নিজেদের ফলাফল দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। 

    আরও পড়ুন: “নিজেকে নাচতে দেখে আনন্দ পেয়েছি”, ভোট আবহে ভিডিও শেয়ার করে মমতাকে বার্তা মোদির

    কবে থেকে মার্কশিট বিলি

    লোকসভা ভোটের কারণে এবার ফল ঘোষণার দিনেই মার্কশিট (HS Result 2024) বিলি করবে না সংসদ। ১০ মে সকাল ১০টা থেকে তা হাতে পাবেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা ও টিচার ইনচার্জরা। রাজ্যজুড়ে মোট ৫৫ টি ক্যাম্প অফিস থেকে বিলি করা হবে মার্কশিট ও শংসাপত্র। ওই দিনই স্কুল থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে পড়ুয়ারা। চলতি বছরে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় উচ্চ মাধ্যমিক। শেষ হয় ২৯ ফেব্রুয়ারি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rabindranath Tagore: আজ ২৫ বৈশাখ! জানুন কবিগুরু সম্পর্কে ডজনেরও বেশি অজানা তথ্য

    Rabindranath Tagore: আজ ২৫ বৈশাখ! জানুন কবিগুরু সম্পর্কে ডজনেরও বেশি অজানা তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৫ বৈশাখ। বাঙালি তো বটেই, এর পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে সাহিত্যপ্রেমীরা মেতে উঠবেন কবিগুরুর বন্দনায়। কবিতায়, গানে, অনুষ্ঠানে, জীবনী পাঠে- তাঁকে স্মরণ করা হবে দিনভর। তাঁর লেখা গল্প-কবিতা-গান-সাহিত্য-নাটক, এ নিয়ে তো কমবেশি আমরা পরিচিত রয়েছি। তবে ঠিক কেমন ছিল ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) জীবন? কেমন পোশাক পড়তেন তিনি? কেমনই বা জীবনযাপন ছিল তাঁর? সে নিয়েই আজকের আমাদের আলোচনা।

    জানুন কবিগুরু সম্পর্কে ডজনেরও বেশি অজানা তথ্য

    – পোশাক: জানা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) যখন বাড়িতে থাকতেন, তখন তিনি বেশিরভাগ সময় পরতেন জোব্বা ধরনের পোশাক। সবসময় তিনি পছন্দ করতেন গেরুয়া বা সাদা রঙের পোশাক। যেকোনও অনুষ্ঠান বা সভা সমিতির উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে জোব্বার সঙ্গে তিনি পড়তেন সাদা ধুতি। রেশমী উত্তরীয় নেওয়ারও সখ ছিল কবিগুরুর।

    – প্রতিদিনের রুটিন: জানা যায়, নিয়ম মেনে প্রতিদিন ভোর চারটেয় শুরু হত তাঁর দিন। ভোরে উঠে স্নান সেরে পুজোয় বসতেন তিনি। এরপর সকাল সাতটা পর্যন্ত চলত লেখার কাজ। এরপরে মাঝখানে টিফিন ব্রেকের পরে ফের তিনি লিখতে বসতেন। বেলা ১১ টা পর্যন্ত চলত লেখার দ্বিতীয় ধাপের কাজ। এরপর দুপুরের ভোজন। দুপুরবেলাতে বই কিংবা যেকোনও ধরনের পত্রিকা পড়েই সময় কাটতো কবিগুরুর (Rabindranath Tagore)। সন্ধ্যা সাতটার মধ্যেই তিনি সেরে নিতেন রাতের খাবার।

    – অজানা ছদ্মনাম: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহ ছদ্মনাম তো আমাদের সকলেরই পরিচিত। এর পাশাপাশি তিনি আন্নাকালী, পাকড়াশী, অকপটচন্দ্র লস্কর, দিকশুন্য ভট্টাচার্য, ষষ্ঠী চরণ দেব শর্মা প্রভৃতি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। তাঁর আরও কিছু অজানা ছদ্মনাম হল, নবীন কিশোর শর্মণ, বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ, শ্রীমতী কনিষ্ঠা, শ্রীমতী মধ্যমা। চিনের সরকার তাঁর নাম রেখেছিলেন ‘চু চেন তান’।

    – ভরসা হোমিওপ্যাথি: এলোপ্যাথি নয়, জানা যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাতে বিশ্বাস করতেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore)। এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করতে পছন্দ করতেন তিনি। হেলথ কো-অপারেটিভ তৈরি করে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা ভারতে তিনিই প্রথম চালু করেন বলে জানা যায়।

    – অভিনেতা রবীন্দ্রনাথ: শুধু লেখালেখি নয় নাটকে অভিনয়ও বেশ ভালো করতেন কবিগুরু (Rabindranath Tagore)। জানা যায়, ১৮৭৭ সালে প্রথম অভিনয় করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৬ বছর বয়সে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘এমন কর্ম আর করবো না’- এই নাটকে তিনি অলীক বাবুর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। নিজের লেখা নাটক বাল্মিকী প্রতিভাতেও তিনি অভিনয় করেন।

    – বৃক্ষ প্রেমী কবিগুরু: বৃক্ষ প্রেমী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore), এ কথা তো বোঝাই যায় তাঁর তৈরি শান্তিনিকেতনে গেলে। এর পাশাপাশি তাঁর গানে, কবিতায় রয়েছে অসংখ্য উদ্ভিদ আর ফুলের নাম। জানা যায়, তাঁর কাব্যগুলিতে রয়েছে ১০৮টি গাছ ও ফুলের নাম। বেশ কিছু বিদেশি ফুলের বাংলা নামও দিয়েছিলেন তিনি। যথা-অগ্নিশিখা, তারাঝরা, নীলমণিলতা ইত্যাদি।

    – ক্রীড়াপ্রমী: খেলাধুলার প্রতিও কবিগুরুর (Rabindranath Tagore) ভালোবাসা ছিল বলে জানা যায়। ১৯১১ সালে মোহনবাগান ব্রিটিশ দলকে হারিয়ে শিল্ড জয় করে। এরপরেই কবিগুরু, ‘দে গোল দে গোল’- এই কবিতা লিখেছিলেন।

    -বিজ্ঞাপনে লেখা: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) কাছে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপনের লাইন দেওয়ার জন্যও আবেদন আসত। কাজলকালী পণ্যের বিজ্ঞাপন লিখেছিলেন কবিগুরু। সেখানে রবি ঠাকুর লেখেন, ‘ব্যবহার করে সন্তোষলাভ করেছি এর কালিমা বিদেশি কালির চেয়ে কোনও অংশে কম নয়’

    -নোবেলের টাকায় ব্যাঙ্ক নির্মাণ: এশিয়া মহাদেশের মধ্যে প্রথম নোবেল জয়ী ছিলেন তিনি। জানা যায় নোবেলে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৃষকদের জন্য একটি ব্যাঙ্ক তৈরি করেন। 

    – শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীত: ভারত এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত কবিগুরুর (Rabindranath Tagore) লেখা। এ তো আমরা সকলেই জানি। কিন্তু শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শিষ্য ছিলেন শ্রীলঙ্কার আনন্দ সীমারানকুল। তাঁর এই শিষ্য গীতবিতানের একটি গানের অনুকরণে তৈরি করেন শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীত। যা হল, ‘মাতা শ্রীলঙ্কা নম, নম, নম,নম মাতা সুন্দরী শ্রী বরণী’

    – প্রথমে ঠাকুর পদবী ছিল না: জানা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারের প্রাথমিক পদবী ঠাকুর ছিল না, বরং তা ছিল কুশারী। পরবর্তীকালে তাঁরা কলকাতায় এসে ঠাকুর পদবী গ্রহণ করেন।

    – কুস্তি ভালোবাসতেন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কুস্তি খুব ভালবাসতেন বলেই জানা যায়। কুস্তিবিদ্যাও তিনি শিখতেন। তাঁর শিক্ষকের নাম ছিল হীরা সিং।

    – আইন পড়া ছেড়ে ফিরে আসেন: জানা যায়, ১৮৭৮ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তাঁর বাবা ইংল্যান্ডে পাঠিয়েছিলেন আইন পড়তে। তবে মাত্র দেড় বছরের মধ্যে তিনি সেখান থেকে ফিরে আসেন। এছাড়া তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজেও বেশ কিছুদিন পড়াশোনা করেন।

    – গীতাঞ্জলির পাণ্ডুলিপি হারিয়ে যাওয়া: জানা যায়, ১৯১২ সালে একবার লন্ডনে ট্রেনে ভ্রমণের সময় তাঁর গীতাঞ্জলির পান্ডুলিপি হারিয়ে গিয়েছিল। বহু খোঁজাখুঁজি পর সেটি না মেলায় কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর পুলিশে অভিযোগ জানানোর জন্য প্রস্তুত হন। তখনই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) লন্ডনের মেট্রোরেলের নিখোঁজ সামগ্রীর অফিসে গিয়ে খোঁজ করেন তা এবং সৌভাগ্যক্রমে সেটি তিনি খুঁজে পান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদা উত্তরে একী কাণ্ড! ভোট না দিয়ে বুথের বাইরে দিনভর অবস্থানে ভোটাররা

    Malda: মালদা উত্তরে একী কাণ্ড! ভোট না দিয়ে বুথের বাইরে দিনভর অবস্থানে ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা (Malda) উত্তরের হবিবপুরের মঙ্গলপুরা গ্রামপঞ্চায়েতের রাধাকান্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়-এ ১২২ নম্বর বুথ। সাড়ে তেরোশো ভোটার। বুথের মধ্যে ছিল সমস্ত আয়োজন। কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকে প্রিসাইডিং অফিসার সকলেই উপস্থিত। কিন্তু, যাদের জন্য এত আয়োজন, সেই ভোটাররা কেউ বুথ মুখী হননি। তবে, বুথের কাছে পোস্টার হাতে একাধিক দাবি নিয়ে অবস্থানে বসেছিলেন ভোটাররা। বিকাল ৪ পর্যন্ত ওই বুথে একটি ভোটও পড়েনি। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়়িয়ে পড়েছে।

    ভোট না দিয়ে অবস্থানে ভোটাররা (Malda)

    রাজ্যে জুড়ে ভোটের আগে ভোট বয়কট করার অভিযোগ অনেক শোনা যায়। পরে, ভোটারদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু, মালদা উত্তরের (Malda) হবিবপুরের মঙ্গলপুরার ১২২ নম্বর বুথের ঘটনাটি সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ, এই বুথের বাসিন্দারা আগাম ভোট বয়কট করার কথা ঘোষণা করেননি। তাদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে রেখেছিলেন। কিন্তু, সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় এদিন বুথে গিয়ে ভোট না দেওয়ার সকলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, কেউ বাড়ির মধ্যে ছিলেন না। বাড়ির মহিলারা সকাল থেকে বুথের বাইরে বিভিন্ন দাবি দাওয়ার পোস্টার হাতে নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন। প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ আধিকারিক থেকে প্রশাসনের আধিকারিক সকলেই বহু চেষ্টা করার পরও ভোটারদের ভোটদানে ব্যবস্থা করতে পারেননি।

    আরও পড়ুন: বুথে গিয়ে হতবাক! প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীর

    কী বললেন বিক্ষোভকারীরা?

    বিক্ষোভকারীদের (Malda) বক্তব্য, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা নেই। এলাকায় নেই কোনও ব্রিজ। ফলে, বাসিন্দাদের চরম নাকাল হতে হয়। বহুবার প্রশাসনের কাছে দরবার করা হয়েছে। দিনের পর দিন ভোটের প্রচারে এসে নেতারা আশ্বাস দেন, সব উন্নয়ন হয়ে যাবে। অথচ ভোট মিটলে কারও দেখাটুকু মেলে না। কথা শোনার কেউ থাকে না আর। তাই  আমরা এদিন ভোট দেওয়ার পরিবর্তে আন্দোলনে সামিল হয়েছি। আমরা দাবি আদায়ের জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি। আগে আমাদের দাবি পূরণ করে দিলে আমরা এই আন্দোলন করতাম না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hacking Risks: একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার একাধিক অ্যাকাউন্টে? বাড়ে হ্যাকিং-এর ঝুঁকি, জানুন বিস্তারিত

    Hacking Risks: একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার একাধিক অ্যাকাউন্টে? বাড়ে হ্যাকিং-এর ঝুঁকি, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক অ্যাকাউন্ট এবং অ্যাপসের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা- এটা অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে। কেউ কেউ নিজেদের সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলিতে (Hacking Risks) একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, যা একেবারেই নিরাপদ নয়। এতে সুযোগ পায় সাইবার অপরাধীরা। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে একেবারেই যাঁরা সচেতন নন তাঁরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন পরপর নম্বর দিয়ে ১ থেকে ৬ পর্যন্ত নম্বর অথবা ১ থেকে ৯ পর্যন্ত নম্বর। এগুলি হ্যাক করতে সাইবার হ্যাকারদের বেশি পরিশ্রমও করতে হয় না। নিমেষেই তারা করে ফেলতে পারে। সাধারণভাবে সময়ের সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহারও বেড়ে চলেছে। আজ থেকে ১৫ বছর আগে স্মার্টফোনের ব্যবহার খুবই কম ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়কালে স্মার্টফোনের ব্যবহার এত বেশি বেড়েছে যে বলা চলে, প্রত্যেকের হাতেই বর্তমানে ওই ফোন রয়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিভিন্ন অ্যাপস। বর্তমানকালে ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান, যে কোনও সরকারি কাজ অথবা আর্থিক লেনদেন অনলাইনে করতেই বেশি পছন্দ বোধ করেন অনেকে। এক্ষেত্রে আলাদা আলাদা অ্যাপস এর জন্য তাদের পাসওয়ার্ডের প্রয়োজন হয়। একই পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাপসে ব্যবহার করতে থাকেন অনেকে।

    পাসওয়ার্ড হিসেবে জন্ম তারিখ, মাস – এ সমস্ত কিছুই বেশি ব্যবহার করেন অনেকে

    সাইবার বিশেষজ্ঞরা (Hacking Risks) বলছেন, একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করে আলাদা আলাদা অ্যাপস এবং অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা আলাদা শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে সাইবার নিরাপত্তা সবথেকে বেশি হয়। তাই পাসওয়ার্ড তৈরির সময় বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করতে বলছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। এর পাশাপাশি পাসওয়ার্ড এর ব্যবহার করার সময় থাকতে হবে সতর্ক। সাধারণভাবে যে সমস্ত পাসওয়ার্ড ছোট এবং সহজে মনে রাখার জন্য তৈরি করা হয় সেগুলোই সাইবার হ্যাকাররা সহজে হ্যাক করতে পারেন। মনে রাখতে হবে, অনেকেই পাসওয়ার্ড তৈরি করার সময় নিজেদের জন্ম তারিখ, মাস, সন্তানের নাম – এ সমস্ত কিছুই বেশি ব্যবহার করেন। ফেসবুক প্রোফাইল বা ইন্টারনেট (Hacking Risks) থেকে এগুলি জেনে নেওয়া খুবই সহজে যায়। তাই সে ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড হ্যাক করা সহজ হয়ে যায়। 

    আমরা এবার আলোচনা করব কীভাবে আপনার পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত থাকবে?

    – আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্টের (Hacking Risks) জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড:  সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সবসময় আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
     
    – কোনও নির্দিষ্ট প্যাটার্ন থাকবে না: আপনার পাসওয়ার্ডগুলি সর্বদাই এলোমেলোভাবে সাজানো উচিত। নির্দিষ্ট সংখ্যা দিয়ে যখনই আপনি পাসওয়ার্ড করবেন, তখনই তা সরল হয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ১২৩৪৫৬ অথবা abcd বা আপনার নাম, আপনার সন্তানের নাম ইত্যাদি। তাই একই ধরনের কিছু ব্যবহার না করা এবং সমস্ত কিছু সংমিশ্রণ থাকা দরকরা পাসওয়ার্ডে উদাহরণস্বরূপ 85%#₹@abkl&?*%#90. 

    – পাসওয়ার্ড যেন লম্বা হয়: সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন পাসওয়ার্ড যখন ছোট হয় তখন তা হ্যাকারদের হ্যাক করতে খুবই সুবিধা হয়। কিন্তু পাসওয়ার্ড বড় হলে হ্যাক করার সম্ভাবনাও কমতে থাকে। তাঁদের মতে পাসওয়ার্ড ১১ থেকে ১২ ক্যারেক্টারের মধ্যে ন্যূনতমভাবে হওয়া উচিত। ১৫ ক্যারেক্টার করতে পারলে সবথেকে ভালো।

    – বড় এবং জটিল পাসওয়ার্ড: সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, পাসওয়ার্ড যত বড় এবং জটিল হবে ততই নিরাপত্তা বাড়বে এবং পাসওয়ার্ড এর মধ্যে বেশিরভাগ স্পেশাল ক্যারেক্টার ব্যবহার করতে পারলে সবথেকে ভালো হবে।

    – পাসওয়ার্ডকে নিরাপদে সংরক্ষিত করে রাখতে হবে: মনে রাখতে হবে আপনার পাসওয়ার্ড আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সমেত অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই এক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড লিখে রাখা যেতে পারে তবে লিখে রাখা পাসওয়ার্ড চুরি গেলে পরে সে ক্ষেত্রেও বিপত্তির আশঙ্কাও থাকে। তাই কীভাবে পাসওয়ার্ড সব থেকে ভালোভাবে সংরক্ষিত রাখা যায়? এক্ষেত্রে সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, encrypted cloud server- তা সংরক্ষিত রাখতে।

    – নির্দিষ্ট সময় পর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা: নির্ধারিত সময় পর পর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা হলে হ্যাকারের (Hacking Risks) পক্ষে তা শনাক্ত করা কঠিন হবে। এজন্য পাসওয়ার্ডের আগে-পরে সাল যুক্ত করা যেতে পারে। প্রতি বছর সাল পরিবর্তন করা যাবে।

    এবার আমরা জেনে নেব, একই পাসওয়ার্ড একাধিক বার ব্যবহার করলে কী কী বিপত্তি ঘটতে পারে?

    সম্প্রতি একটি গবেষণা তে দেখা গিয়েছে, ৫১ শতাংশ পাসওয়ার্ডই পুনরায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটা যে বিপজ্জনক তা আগেই আমরা আলোচনা করেছি। পাসওয়ার্ডের পুনরায় ব্যবহার কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা এবার আমরা আলোচনা করব।

    – সহজেই হ্যাক করা যায়: এটা আগেই আমরা আলোচনা করেছি যে পাসওয়ার্ড একই ব্যবহার করলে তা সহজেই হ্যাকাররা হ্যাক করে ফেলতে পারে।

    – একাধিক অ্যাকাউন্ট সহজেই হ্যাক করা যাবে: কোনও সাইবার হ্যাকার যদিও বা একটি অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হ্যাক করে ফেলেন, তাহলে তা দিয়ে আপনার আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্টগুলি হ্যাক করা সহজ হয়ে উঠবে।

    – অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির সম্ভাবনা: সাধারণভাবে হ্যাকাররা পাসওয়ার্ড হ্যাক করে থাকে নিজেদের কোনও প্রোপাগান্ডাকে রটানোর জন্য। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে প্রতারণা করার জন্য। কোনওভাবে পাসওয়ার্ড হ্যাক হলে ব্যাঙ্কের যাবতীয় ইনফরমেশন হ্যাকারদের কাছে চলে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Social Media: দিনরাত চোখ শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায়! কোন রোগের কবলে পড়ছেন জানেন কি?

    Social Media: দিনরাত চোখ শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায়! কোন রোগের কবলে পড়ছেন জানেন কি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে, সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) চোখ না রাখলে দিন যেন সম্পূর্ণ হয় না। দিনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন দেওয়া হয়, তেমন আবার নিজের দিনভর নানা কাজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়ার অভ্যাস তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের। অফিস কিংবা ক্লাসের মাঝেও সময় পেলেই অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকেন। আবার অনেকের সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রোল করতে করতে সময়ের হিসেব রাখাই কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস বিপদ বাড়াচ্ছে। দিনের অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানোর অভ্যাস, একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। তবেই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়? (Social Media)

    বিশ্ব জুড়েই জনপ্রিয়তা বাড়ছে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের। মূলত তরুণ প্রজন্মের কাছেই বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে এই সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মগুলো। আমেরিকার একদল গবেষক বিশ্ব জুড়ে তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় অভ্যস্ত প্রজন্ম নিয়ে এক গবেষণা চালিয়েছেন। আর সেখানেই উঠে এসেছে একাধিক বিপদের ঝুঁকির আশঙ্কা। তাঁদের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, অতিরিক্ত সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটালে শরীর ও মনের একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এই অভ্যাসে তাদের নানা কাজের মধ্যে গভীর প্রভাব পড়ছে। তাই এবিষয়ে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    আসক্তি বাড়ায় সোশ্যাল মিডিয়া

    মনোরোগ‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) অতিরিক্ত সময় কাটানোর অভ্যাস আসক্তি বাড়ায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় দিনের অধিকাংশ সময় কাটানোর অভ্যাস মস্তিষ্কে এক ধরনের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। তার জেরেই এক ধরনের আসক্তি বাড়ায়। আর এই আসক্তির জেরে যে কোনও বিষয়ে আসক্তির প্রবৃত্তি বাড়ায়। এর জেরে সামাজিক জীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে অন্যদের সঙ্গে মেশা ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কমে। ক্রমাগত লাইক, কমেন্ট এবং ফলোয়ার বাড়ানোর ইচ্ছে এই আসক্তিকে আরও বাড়িয়ে তোলে‌। ফলে জটিলতা আরও বাড়ে।

    মনঃসংযোগ নষ্ট করে (Social Media)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনের অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটালে মনোসংযোগ নষ্ট হয়। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় অধিকাংশ ভিডিও খুব কম সময়ের হয়। তার জেরে বড় কোনও ছবি দেখা কিংবা দীর্ঘ সময় একটি বই পড়ার জন্য যে‌ ধরনের ধৈর্য্য দরকার তা থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে একটা কাজ যত্ন করে করার জন্য যে ধরনের ক্ষমতা প্রয়োজন হয়, মস্তিষ্কের সেই ক্ষমতা কমতে থাকে। যে কোনও কাজে মনঃসংযোগ হারায়। কোনও কাজ দীর্ঘ সময় ধরে করতে হলে এক ধরনের বিরক্তি তৈরি হয়। যার প্রভাব কাজে পড়ে।

    ড্রাই আইয়ের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে

    সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) অতিরিক্ত সময় কাটানোর ফলে চোখের শুষ্কতার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। এমনই জানাচ্ছেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ড্রাই আই কিংবা চোখের শুষ্কতার মতো রোগ অর্থাৎ, চোখ দিয়ে লাগাতার জল পড়া, চোখ জ্বালা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া আর চোখে এক ধরনের যন্ত্রণা অনুভব হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মোবাইলের স্ক্রিনের আলো দীর্ঘ সময় চোখে পড়ার জেরে বিশেষত রাতে অন্ধকার ঘরে দীর্ঘ সময় মোবাইল দেখার জেরে এই চোখের শুষ্কতার সমস্যা বাড়ে।

    সমস্যা এড়াতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Social Media)

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়া এখন জীবনের ওতোপ্রোত অংশ। কোনও ভাবেই তাকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া যাবে না। বিনোদন এবং সামাজিক যোগাযোগ ছাড়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ঘোষণা, সরকারি তথ্যও অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জানতে পারা যায়। তাই এই প্ল্যাটফর্মগুলো বাদ দেওয়া যাবে না। তবে কতটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাদ্দ থাকবে, সে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ সতর্ক না থাকলে একাধিক শারীরিক ও মানসিক জটিলতা বাড়বে। কখনই একটানা আধঘণ্টার বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানো যাবে না। পাশপাশি , কোনও জরুরি কাজের মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) সময় কাটানোর অভ্যাস বাদ দিতে হবে। তবেই মনঃসংযোগ নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যা কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে থাকতে পারবেন না নেতা–মন্ত্রীরা‌! কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের

    Election Commission: রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে থাকতে পারবেন না নেতা–মন্ত্রীরা‌! কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রবীন্দ্র জয়ন্তী (Rabindra Jayanti)। আপামর বাঙালির কাছে এই দিনের গুরুত্ব অপরিসীম। এবছর ভোটের আবহের মধ্যেই পড়েছে রবীন্দ্র জয়ন্তী। আর সেই কারনেই এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানেও রাশ টানল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থাকতে পারবেন না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। কেবল মুখ্যসচিব-সহ সরকারি স্তরের আধিকারিকরা সরকারিভাবে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করতে পারবেন।

    কমিশনের নির্দেশ (Election Commission)

    ২৫ বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন উপলক্ষে সাধারণ বাঙালি, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নেতা–মন্ত্রীরা কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে থাকেন। কিন্তু এবার কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে বা রবীন্দ্র জয়ন্তীর কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না নেতা–মন্ত্রীরা। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে রাজ্যের কোনও মন্ত্রী বুধবার রবীন্দ্র সদনে থাকতে পারবেন না। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীও এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না বলেই জানিয়েছে কমিশন (Election Commission)। 

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    প্রসঙ্গত, প্রত্যেক বছরের মত এই বছরও রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে অনুষ্ঠান হবে রবীন্দ্র সদনে। প্রত্যেক বছরের এই অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্যের মন্ত্রীরা। তবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশে এবার সেটি আর হচ্ছে না। কমিশন আরও জানিয়েছে, কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তির ছবি রবীন্দ্র জয়ন্তী সংক্রান্ত ব্যানার বা হোর্ডিং ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী আচরণ বিধি জারি থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন:সিট বেল্ট বেঁধেও মহাকাশে যাওয়া হল না! শেষ মুহূর্তে বাতিল সুনীতার মহাকাশযাত্রা

    আগেও দেখা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের প্রাক মুহূর্তে রাজ্য সরকারকে শর্তসাপেক্ষে ‘‌বাংলা দিবস’‌ পালনের অনুমতি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পয়লা বৈশাখ পালন করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ছিল, সেই অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্বে থাকবেন শুধুমাত্র সরকারি অফিসাররাই। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ছিল রাজ্যে। তার আগে ১৪ এপ্রিল ছিল পয়লা বৈশাখ। কিন্তু তাতেও নিষেধাজ্ঞা ছিল। এমনকী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল বিজ্ঞাপন ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও। আর পয়লা বৈশাখের পর এবার নিষেধাজ্ঞা জারি হল রবীন্দ্র জয়ন্তী (Rabindra Jayanti) পালনের ক্ষেত্রেও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    PM Modi: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনারা আত্মনির্ভর হোন। আপনাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের উদ্দেশে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আজ আমি এই প্রথমবারের জন্য আপনাদের বলছি, আমি ভারতীয় মুসলমানদের বলছি, দয়া করে আত্মনির্ভর হোন। এ ব্যাপারে ভাবুন। দেশ দ্রুত এগোচ্ছে। কী কারণে ভারতীয় মুসলমানরা অগ্রগতির সঙ্গে পা মেলাতে পারছেন না? কেন কংগ্রেসের শাসনকালে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা আপনারা নেননি? কংগ্রেসের রাজত্বকালে আপনারা কি এর শিকার হয়েছিলেন? আত্মমন্থন করুন। এখনই সিদ্ধান্ত নিন। সবার কথা ভাবুন।”

    ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন! (PM Modi)

    তিনি বলেন, “আপনারা আপনাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন। যাঁরা ক্ষমতার অলিন্দে রয়েছেন, তাঁরা অন্যদের দমন করছেন। তামাম বিশ্বেই মুসলমান সম্প্রদায় নিজেদের বদলাচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন আমি গলফ দেশগুলিতে যাই, ব্যক্তি মানুষ হিসেবে তখন তাঁরা আমায় ভীষণ শ্রদ্ধা করেন। সৌদি আরবের সিলেবাসে যোগা রয়েছে। আমি যদি ভারতে যোগা নিয়ে আলোচনা করি, তখন তাকে মুসলমান-বিরোধী বলে দেগে দেওয়া হয়।” তিনি (PM Modi) বলেন, “গলফ দেশগুলিতে আমি ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তাঁরা আমায় প্রায়ই জিজ্ঞাসা করেন লাঞ্চ না ডিনারের পর কখন তাঁরা যোগা করবেন? কখনও কখনও তাঁরা আমায় জিজ্ঞাসা করেন যোগার কোনও একটি নির্দিষ্ট ফর্ম শেখার জন্য কোনও ট্রেনিং হয় কিনা। ওঁদেরই কেউ কেউ আমায় বলেন তাঁদের স্ত্রীয়েরা যোগা শিখতে ভারতে যেতে চান। যোগা শেখার জন্য তাঁরা ভারতে এক মাস থাকতে চান। আমি বলছি, আরব আমিরশাহির আমিরদের (শাসক) স্ত্রী ও তাঁদের পরিবারের কথা।”

    আরও পড়ুুন: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়! মুখ্যমন্ত্রীর মিম-বিতর্কে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ

    হিন্দু-মুসলিম বিতর্কের জন্ম

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আর এখানে, ভারতে যোগার ধারণা হিন্দু-মুসলিম বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যাঁরা এটা করছেন, আমি সেই সব মুসলমানদের বলছি, আপনারা আপনাদের এবং আপনাদের শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন।” তিনি বলেন, “আমি চাই না কোনও সম্প্রদায় এভাবে ক্রীতদাসের মতো বাঁচুক। এর একমাত্র কারণ কেউ একজন তাদের ভয় দেখাতে চাইছে। দ্বিতীয়ত, অনেক মুসলমান রয়েছেন যাঁরা বিজেপিকে ভয় করেন। আমি তাঁদের বলছি, যান বিজেপির ৫০জন কর্মীর সঙ্গে বসুন। তাঁরা কী আপনাদের সেখান থেকে ছুড়ে ফেলে দেবে? আমি বলছি, আপনারা বিজেপির হেড কোয়ার্টারে যান, কেউ আপনাদের আটকাবে না (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hybrid Pitch: ধর্মশালায় তৈরি হল দেশের প্রথম হাইব্রিড ক্রিকেট পিচ! নয়া প্রযুক্তিতে কার লাভ?

    Hybrid Pitch: ধর্মশালায় তৈরি হল দেশের প্রথম হাইব্রিড ক্রিকেট পিচ! নয়া প্রযুক্তিতে কার লাভ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মশালা মাঠে বসল হাইব্রিড পিচ। সোমবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হল জাঁকজমক করে। হাইব্রিড পিচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইপিএল চেয়ারম্যান অরুন ধুমল, ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা আইসিসি কর্তা পল টেলার সহ ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসনের একাধিক নামি ব্যক্তিত্ব।

    হাইব্রিড পিচ আসলে কী?

    ৫ শতাংশ সিন্থেটিক ফাইবারের সঙ্গে আসল ঘাস মিশিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই পিচ। এর উদ্দেশ্য, টানা বর্ষা কিংবা টানা খেলা হলে যাতে পিচের চরিত্র বদলে না যায়। আইসিসির অনুমোদন নিয়েই এই ধরনের পিচ ব্যবহার হচ্ছে। ধর্মশালা স্টেডিয়াম প্রসঙ্গ পাঞ্জাব কিংসের হোম গ্রাউন্ড। ৯ মে রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে এই মাঠেই খেলা রয়েছে। সেদিন হাইব্রিড পিচে খেলায় কী তফাৎ তা বোঝা যাবে।

    ক্রিকেট প্রশাসকের বক্তব্য

    আইপিএল চেয়ারম্যান আনন্দ ধুমল জানিয়েছেন, “ইংল্যান্ডে  লর্ডস এবং ওভাল স্টেডিয়ামে হাইব্রিড পিচে আগেও খেলা হয়েছে। এবং কোন সমস্যা আসেনি। এই দুটি মাঠে সাফল্যের পর এবার ভারতেও হাইব্রিড পিচের ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা শুরু হয়। প্রাকৃতিক টার্ফ এবং কৃত্রিম ফাইবার মিশিয়ে হাইব্রিড পিচ তৈরি করা হয়। এর ফলে যারা মাঠ তৈরি করেন তাদের উপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে খেলার পরিস্থিতি বৃষ্টি হওয়ার পরেও অনেকটাই সমান থাকবে। ফলে বৃষ্টির পর পিচের চরিত্র কম বদলাবে। বৃষ্টির পর পিচ স্লো হওয়ার সমস্যা থেকে বাঁচা যাবে। বর্তমানে বৃষ্টির পর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পিচে বোলার ও ব্যাটসম্যান উভয়ের কিছু অসুবিধা হয়। সাধারণত বোলিং টিম অতিরিক্ত সুবিধা পায়। অনেক ক্ষেত্রেই একটি টিম বাড়তি অসুবিধা কিংবা সুবিধা পেয়ে যায় এই ধরনের অভিযোগ ওঠে।  হাইব্রিড পিচে এই অভিযোগ কমবে।

    কবে থেকে এই পিচের ব্যবহার শুরু

    জানা গিয়েছে ২০১৭ সালে এসআইএস গ্রাস এবং ইউনিভার্সাল মেশিন সংস্থার মাধ্যমে এই ধরনের পিচ তৈরি করা হয়েছিল। প্রথমে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটের মাঠগুলিতে এই পিচ ব্যবহার করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে ম্যাচে হাইব্রিড পিচ ব্যবহার করার স্বীকৃতি দিয়েছে। চার দিনের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপেও এই পিচ ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। প্রসঙ্গত ক্রিকেট এমন একটি খেলা যা নতুন প্রযুক্তি এবং নতুনত্বের ব্যবহারে কখনওই বাধা হয়নি। রিভিউ প্রথা ফুটবলে ব্যবহারের অনেক আগে থেকে ক্রিকেটে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে এই হাইব্রিড পিচের ব্যবহারেও ক্রিকেট সংস্থাগুলির তরফে কোন ধরনের রক্ষণশীলতা নেই।

    কারা তৈরি করে হাইব্রিড পিচ

    জানা গিয়েছে, ব্রিটেনে অবস্থিত এসআইএস গ্রাস নামে একটি সংস্থা এই ধরনের পিচ তৈরি করে থাকে। তাঁরা সাফল্যের সঙ্গে বহু মাঠে এই পিচ তৈরি করেছে। হাইব্রিড পিচে আর্দ্রতা এবং ঘাসজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আয়োজক যে ধরনের পিচ চাইবেন ঠিক সেই ধরনের পিচ তৈরি করা সম্ভব।

    টি-২০ বিশ্বকাপে জঙ্গি হামলার হুঁশিয়ারি! নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    হাইব্রিড পিচে অতিরিক্ত স্পিন ও বাউন্স পাওয়া যাবে

    হাইব্রিড পিচে অতিরিক্ত বাউন্স পাওয়া যায় যা বোলারদের সাহায্য করবে। বর্তমানে যে ধরনের বল ব্যবহার হয় তাতে ভারতীয় পরিস্থিতিতেও স্পিন কম হয়। কিন্তু হাইব্রিড স্পিন সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হবে না। স্পিনারদের সোনালি দিন ফিরে আসবে হাইব্রিডের পিচের সৌজন্যে। সৌরভ গাঙ্গুলির আমলে তিন জন রেগুলার এবং আরো দুই থেকে তিনজন পার্ট টাইম স্পিনার খেলানোর চল ছিল। হাইব্রিড পিচে স্পিনারদের গুরুত্ব বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন হাইব্রিড পিচে গ্রাউন্ড স্টাফদের নিজের মত পিচ তৈরি করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kokata Police: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়! মুখ্যমন্ত্রীর মিম-বিতর্কে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ

    Kokata Police: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়! মুখ্যমন্ত্রীর মিম-বিতর্কে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়ে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর মিম কে বানিয়েছে? তার উত্তর জানতে চায় পুলিশ। এ নিয়ে নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে পুলিশ।  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে (Mamata Banerjee) নিয়ে মিম (Meme) বানানোয় কড়া হাতে ব্যবস্থা নেয় কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। ভোটের মাঝেই মমতাকে নিয়ে একটি মিম ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে স্পিটিং ফাক্টস নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে। যা রীতিমতো ভাইরাল। ওই ভিডিয়ো কলকাতা পুলিশের নজরে পড়তেই বিপত্তি। 

    পুলিশের পদক্ষেপ

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর, অমর্যাদাকর ভিডিও বানানোর জেরে লালবাজারের সাইবার ক্রাইম বিভাগের তরফে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জারি করা হয় নোটিস। সংশ্লিষ্ট ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেরার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশ তরফে। ওই ভিডিয়ো ডিলিট করার পাশাপাশি, আসল নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশ না করা হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। বলা হয়েছে, ‘যদি আপনি না জানান তবে ৪২ সিআরপিসিতে আপনার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ এ সংক্রান্ত একটি পোস্টও করা হয়।

    এরপরই কলকাতা পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এমনকী, পোস্টকর্তাদের আসল নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়ে যে হুমকি-ট্যুইট করেছিল কলকাতা পুলিশ, তার  জবাবে একজন পোস্ট করেন এই বার্তা—

    একপ্রকার বাধ্য হয়ে নিজেদের পোস্ট সরিয়ে নেয় কলকাতা পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “নিজেকে নাচতে দেখে আনন্দ পেয়েছি”, ভোট আবহে ভিডিও শেয়ার করে মমতাকে বার্তা মোদির

    মোদির সহনশীলতা

    বাংলায় যখন এমন ভিডিওকে ঘিরে পদক্ষেপ চলছে তখনই ভাইরাল হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এমনই এক ভিডিও। এক যুবক সেই ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমি এই ভিডিও পোস্ট করছি কারণ আমি জানি ‘একনায়ক’ এই ভিডিওর জন্য আমায় গ্রেফতার করাবেন না।’ পোস্টদাতার ওই বার্তার নাম না করে কটাক্ষ ছিল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদিকে ‘একনায়ক’ বলে আক্রমণ শানান প্রায়শই। সেই ভিডিও পোস্ট হওয়ার পর তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ক্যাপশনে লেখেন, ‘নিজেকে নাচতে দেখে আপনাদের মতো আমিও সেই নাচ উপভোগ করেছি। নির্বাচনের মরশুমে এমন ‘শিল্প’ সত্যিই মনকে আনন্দ দেয়।’ এরপর যেন সমালোচনা আরও তীব্র হয়। 

    মালব্যর কটাক্ষ

    প্রধানমন্ত্রী নিজের নাচের ভিডিও শেয়ার করার পরই সরব হন বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য। তিনি মমতা ও মোদির দুটি ভিডিও এবং কলকাতা পুলিশের পোস্ট ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পোস্টের একটি কোলাজ বানিয়ে তা পোস্ট করেন এক্স হ্যান্ডেলে। সেই সঙ্গে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘স্পট ‘দি ডিক্টেটর’। 

    এই প্রথম নয়

    তবে এই প্রথমবার নয়। বাংলার মুখ্য়মন্ত্রীকে নিয়ে নানারকম কার্টুন ও মিম তৈরির বিরুদ্ধে এর আগেও কড়া পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পুলিশ। ২০২২ সালে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে মিম বানানোয় একজন ইউটিউবারকে নদিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই অভিযোগে আরও সাতজনের নাম ছিল।

    ২০১৯ সালে মুখ্য়মন্ত্রীর একটি বিকৃত ছবি ফেসবুকে পোস্ট করায় গ্রেফতার হয়েছিলেন বিজেপির এক যুবনেতা। ২০১২ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের প্রফেসর অম্বিকেশ মহাপাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছিল মুখ্য়মন্ত্রী সম্পর্কিত একটি কার্টুনকে ফরোয়ার্ড করায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বুথে গিয়ে হতবাক! প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীর

    Murshidabad: বুথে গিয়ে হতবাক! প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপির মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ লোকসভার আজিমগঞ্জ শহরের রায় বাহাদুর সিংহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ নম্বর বুথে।

    প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ (Murshidabad)

    আজিমগঞ্জ (Murshidabad) শহরের রায় বাহাদুর সিংহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ নম্বর বুথে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী গৌরীশঙ্কর ঘোষ  হতবাক হয়ে যান। তিনি বুথে গিয়ে দেখেন, ওই বুথের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার রুবিনা খাতুন ওই বিদ্যালয়েরই প্রধান শিক্ষিকা। তিনি বলেন, কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী যেই বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সেই বিদ্যালয়ে তিনি ডিউটি করতে পারবেন না, তাও কীভাবে ডিউটি করছেন? সেই বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তথা প্রিসাইডিং অফিসার রুবিনা খাতুন বলেন, কেন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হল তা বুঝতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা! পুলিশ আধিকারিককে ধমক দিলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    বিরোধী এজেন্টকে মারধর

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ডোমকল দক্ষিণ নগর মাঠপাড়া ১৪৫ নম্বর বুথে ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। খবর শুনেই পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। বর্তমানে পরিস্থিতি রয়েছে নিয়ন্ত্রণে। রানিনগরের ৩৪ নম্বর বুথে সিপিএমের এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মারধরের কারণে এজেন্ট বুথ ছেড়ে কলা বাগানে আশ্রয় নিয়েছেন। অন্যদিকে, রানিনগরের মরিচা নিচুপাড়ায় পিয়ারুল ইসলামের বাড়ির পিছনে জোট প্রার্থীর অনুগামীদের বিরুদ্ধে বোমাবাজি করার অভিযোগ ওঠে। গোপীনাথপুর শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে এদিন সকালে পরিদর্শনে যান সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম। তিনি বুথে ঢুকে জাল এজেন্ট বের করে দেন।

    মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের হামলায় আক্রান্ত বাম ও কংগ্রেস কর্মী

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভার আমডহরা এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হামলায় আক্রান্ত হন বাম ও কংগ্রেস কর্মী। জানা গিয়েছে, এসরাফিল সেখ নামে এক বিরোধী দলের সমর্থক মঙ্গলবার সকাল সকাল বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। আর সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। এই কারণেই এসরাফিল সেখ আক্রান্ত হন। তাঁর হাত ভেঙে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের ৭৩ নম্বর রমনা বসন্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৭০ এবং ১৭১ নম্বর বুথে ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ফলে, এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, বুথ জ্যাম করার অভিযোগে বিশাল পুলিশ বাহিনী ধাওয়া করে দুষ্কৃতীদের ছত্রভঙ্গ করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share