Blog

  • Sukanta Majumdar: তীব্র গরম উপেক্ষা করে হুডখোলা জিপে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: তীব্র গরম উপেক্ষা করে হুডখোলা জিপে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের দলীয় প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) সমর্থনে বিজেপি প্রচারের কোনও খামতি রাখছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী পর শনিবার মিঠুন চক্রবর্তী জেলা বিভিন্ন অংশে রোড শোয়ের পাশাপাশি জনসভা করেছেন। রবিবাসরীয় প্রচারে এদিন ঝড় তুলেছেন সুকান্ত। হুডখোলা গাড়িতে তীব্র গরম ও রোদকে উপেক্ষা করে গ্রামের পর গ্রাম প্রচার করে বেড়াচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর সঙ্গে এদিন প্রচারে ছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।

    ভোট প্রচারে সুকান্তর স্ত্রী (Sukanta Majumdar)

    এদিন বালুরঘাট শহর লাগোয়া তপন ব্লকের একাধিক গ্রামে জনসংযোগ করছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। ভোটের আগে শেষ রবিবারের প্রচারে সারাদিনই জনসংযোগ কর্মসূচিতেই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। প্রচারে বেরিয়ে ২৬ তারিখে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান সুকান্ত। পাশাপাশি সুকান্ত মজুমদার দ্বিতীয়বারের জন্য এবার নির্বাচনে লড়াই করছেন। প্রসঙ্গত,দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সাতটি ও উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার বিধানসভা মিলিয়ে বালুরঘাট লোকসভা আসন। মোট ১৮০০ বেশি বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথে বুথে যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না  প্রার্থীর। কারণ, এক মাসের মধ্যে লোকসভা কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে যাওয়া কার্যত অসম্ভব। এই অবস্থায় বালুরঘাট শহরে স্বামীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামলেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী মজুমদার। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে নির্বাচনী প্রচারে সারছেন সুকান্ত মজুমদারের সহধর্মিণী। ভোট পর্যন্তই এভাবেই তাঁর স্ত্রী প্রচার চালাবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বালুরঘাট লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারও জেলা জুড়ে চুটিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই,” বিস্ফোরক রাজনাথ সিং

    কী বললেন সুকান্ত?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন,ভোটের আগে শেষ রবিবার। তাই, রোদ গরমকে উপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়লাম প্রচারে। প্রচারে বেরিয়ে ২৬ তারিখে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি ভোটারদের। যেহেতু আমি সব জায়গায় প্রচার করছি বালুরঘাটে সেই ভাবে প্রচারে সময় দিতে পারছিনা। তাই আমার হয়ে আমার স্ত্রী প্রচার করছে। তাঁর রাজনীতিতে আসার কোনও ইচ্ছে নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বিহারকে লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে ইন্ডি জোট”, তোপ শাহের  

    Amit Shah: “বিহারকে লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে ইন্ডি জোট”, তোপ শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’কে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। লালু-রাবড়ির জমানাকে তিনি ‘জঙ্গল-রাজ’ বলেও অভিহিত করেন। বিহারের কাটিহারে একটি নির্বাচনী প্রচারে যোগ দিয়েছিলেন শাহ।

    ‘পরিবারবাদ’কেও নিশানা

    তিনি বলেন, “দরিদ্রদের জীবনে পরিবর্তন এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।” এদিনের জনসভায় ‘পরিবারবাদ’কেও নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিবারবাদকে ধ্বংস করেছেন। তিনি বর্ণভেদের অবসান ঘটিয়েছেন। ইতি টেনেছেন তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের মানোন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছেন তিনি। আজ লালু যাদব ও কংগ্রেস যৌথভাবে বিজেপি ও জনতা দল ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে পড়েছে।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “আপনারা স্মরণ করতে পারেন লালু-রাবড়ির জমানার কথা। তখন বিহার জঙ্গলরাজে পরিণত হয়েছিল। আজ তিনি (লালু যাদব) কংগ্রেসের হাত ধরেছেন। আমি তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই কংগ্রেস পার্টিই পিছড়েবর্গের বিরোধিতা করেছিল। কাকাসাহেব কালেলকর কমিশনের রিপোর্ট চেপে দিয়েছিল। কেবল তাই নয়, এরা বিরোধিতা করেছিল মণ্ডল কমিশনের রিপোর্টেরও।”

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে পুরুষ না থাকলে মেয়েদের হাত ধরে টানাটানি করে তৃণমূল কর্মী”, বললেন নির্যাতিতা

    ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    শাহ বলেন, “গরিব, পিছড়েবর্গ এবং ওবিসিরা প্রত্যেকেই নৃশংসতার শিকার। এনডিএ সরকার যখন থেকে কেন্দ্রের ক্ষমতায় এসেছে, নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, তার পর থেকেই বন্ধ হয়েছে নৃশংসতা।” তিনি বলেন, “নীতীশজি রাজ্যের প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছেন। কিন্তু ইন্ডি জোট বিহারকে সেই লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে। তারা ওবিসির বিরোধিতা করছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস এবং লালু যাদব সত্তর বছর ধরে ৩৭০ ধারা এড়িয়ে চলছিলেন। আর উনিশের অগাস্ট মাসে মোদিজি এই ধারা রদ করেন।” শাহ বলেন, “মোদিজি নক্সালিজম শেষ করেছেন। সন্ত্রাসবাদকে দুরমুশ করে দিয়েছেন। এক সময় দেশে ইউপিএ সরকার ছিল। সেই জমানায় পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদীরা প্রায়ই এদেশে আসত, এখানে বিস্ফোরণ ঘটাত।” তিনি বলেন, “উরি এবং পুলওয়ামায় আক্রমণের দশ দিনের মধ্যেই মোদিজি সার্জিক্যাল এবং এয়ারস্ট্রাইক করেছেন। ভেঙে দিয়েছেন সন্ত্রাসবাদের মেরুদণ্ড।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “বিজেপিই প্রথম ওবিসি নেতা, যাঁকে বিজেপি প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বিশেষ বেঞ্চের রায় ঘোষণা সম্ভবত আজই

    Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বিশেষ বেঞ্চের রায় ঘোষণা সম্ভবত আজই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, তাঁর সময়কালীন শিক্ষা দফতরের একটা বড় অংশ এবং তৃণমূলের অনেক নেতা-বিধায়ক জেলে রয়েছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। অবশেষে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন বঞ্চিত চাকরীপ্রার্থীরা। আজ সোমবার স্কুল সার্ভিস (SSC) সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করতে পারে কলকাতা হাইকোর্ট।

    টানা শুনানি চলেছে কলকাতা হাইকোর্টে (Recruitment Scam)

    শিক্ষক নিয়োগে বিপুল দুর্নীতি (Recruitment Scam) ও বেনিয়মের অভিযোগে জেলে রয়েছেন (Partha Chattopadhyay) পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শান্তিপ্রসাদ সিনহার মতো প্রাক্তন শিক্ষাকর্তারা। সুবিচার পাননি বহু যোগ্য প্রার্থী। প্রায় ২৫ হাজার প্রার্থী এবার এই মামলায় আশার আলো দেখছেন। তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই রায়ের উপরে। প্রসঙ্গত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) কলকাতা হাইকোর্টকে (Calcutta Highcourt) বিশেষ বেঞ্চ তৈরি করে মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছিল। নিষ্পত্তি করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৬ মাস। নভেম্বর মাসে এই রায় দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও সাব্বির রাশিদির ডিভিশন বেঞ্চে শুরু হয়েছিল শুনানি। কয়েক মাস ধরে টানা শুনানি চলেছে কলকাতা হাইকোর্টে। ৬ মাস পার হওয়ার আগেই রায় ঘোষণা হতে চলেছে আজ সোমবার। সকাল ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ রায় ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।

    ওএমআর শিটে (OMR Sheet) শূন্য পেয়েও চাকরি!

    হাইকোর্ট সূত্রে খবর, এসএসসি, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম, দশম ও দ্বাদশ-একাদশে নিয়োগ সংক্রান্ত (Recruitment Scam) শুনানি চলছিল বেশ কয়েক মাস ধরে। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “এই সব কটি ক্ষেত্রে ২৪,৬৪০ টি পদ ফাঁকা ছিল। দেখা যায় ২৫,৭৫৩ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ অতিরিক্ত নিয়োগ করা হয়েছিল বহু ক্ষেত্রে। ছিল একাধিক অভিযোগ। ওএমআর শিটে (OMR Sheet) শূন্য অথবা এক পাওয়া সত্ত্বেও সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তালিকায় নাম না থাকা প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। মেধা তালিকার নীচে প্রার্থীদের চাকরি দিয়ে উপরের প্রার্থীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ সহ নানান অভিযোগ ছিল শিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে। সেই সব বিষয়ই শোনার পর রায় দিতে চলেছে আদালত।”

    রায় প্রকাশে অস্বস্তিতে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার রায় এলে তা শাসকপক্ষের (TMC) মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। ভোটের মরশুমে রায় ঘোষণাার প্রভাব পড়তে পারে লোকসভা নির্বাচনে। রায় ঘোষণার পর বিরোধীরা সুর চড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগে আগে থেকেই বেসামাল শাসক শিবির। বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে একাধিক নেতার নাম জড়ানো থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সহ শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে বেসামাল তৃণমূল নেতারা। শাসক দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তালিকা ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানা স্তরে দলের একাধিক নেতা মন্ত্রীর সরাসরি যোগের বিষয়ে সামনে আসছে। দুর্নীতির অভিযোগে বিরোধীদের নিশানায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত শাসকদলের নেতানেত্রী ও তাঁদের বন্ধু-বান্ধবীর ঘর থেকে টাকা পয়সা, সোনা, গহনা উদ্ধারের ঘটনায় দলের ভাবমূর্তিতে যে ধাক্কা লেগেছে, তা নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কেউ ধরা পড়লেই দায় ঝেড়ে ব্যক্তিগত দুর্নীতির অভিযোগ বলা হয় শাসকের মুখপাত্রদের তরফে।

    বিজেপির বক্তব্য

    রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই মামলার (Recruitment Scam) রায় অবশ্যই রাজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শাসকদলের ছোট, বড়, মাঝারি, অনেকেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। আশা করব কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পর যোগ্যরা চাকরি পাবেন এবং বঙ্গে যোগ্যদের চাকরি পাওয়ার জন্য আর লক্ষ লক্ষ টাকা কাউকে ঘুষ দিতে হবে না।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের বাজারে উলট পুরাণ সিউড়িতে! তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের বিজেপির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে পাল্টা রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “এই মামলায় (Recruitment Scam) তৃণমূল কংগ্রেসকে হেয় করার চেষ্টা হয়েছিল। এর মধ্যে রাজনীতিও ছিল। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করার বিষয়টিকেই রাজ্য গুরুত্ব দিয়ে ভেবে দেখবে। মুখ্যমন্ত্রী যোগ্য প্রার্থীদের জন্য যথেষ্ট সহানুভূতিশীল।” প্রসঙ্গত যোগ্যদের চাকরি হোক, এই দাবি নিয়ে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সহানুভূতির কথাও বলেছেন। কিন্তু যোগ্য ও বঞ্চিতদের চাকরি মিলছে কোথায়, প্রশ্ন চাকরি প্রার্থীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ভোটের বাজারে উলট পুরাণ সিউড়িতে! তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের বিজেপির

    Birbhum: ভোটের বাজারে উলট পুরাণ সিউড়িতে! তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগেই বীরভূমে (Birbhum) জোর চঞ্চল্য। একসঙ্গে প্রায় ৪০ জন তৃণমূল (TMC) নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে বসল বিজেপি। পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেছে। ফলে জোর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে দুই শিবিরেই। তাহলে কি আসন্ন লোকসভায় পরিস্থিতি বদল হতে শুরু হয়েছে কেষ্টহীন (Abubrata Mondal) বীরভূমে? তৃণমূলের অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার।

    সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ (Birbhum)

    স্থানীয় (Birbhum) সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগ তুলে জানিয়েছে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানো ও ভয় দেখানোর কাজ করে রাজ্যের শাসক দল। আর তাই একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে মোট ৪০ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ভোটের বাজারে এহেন রাজনৈতিক মামলা দায়ের করার রেওয়াজ রয়েছে বঙ্গে। তবে সাধারণত বিরোধীদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনন্য সাক্ষী থেকেছে এই বাংলার মানুষ।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির বীরভূম জেলার সহ সভাপতি দীপক বোস বলেন, “অভিযোগ সম্পূর্ণ সত্যি। কে কোথায় কবে সন্ত্রাস করেছে তা সকলের জানা। দু’নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি ভাবছে। আগামী দিনে প্রমাণ হয়ে যাবে তৃণমূল কতটা জলে আছে। দু’নম্বর ব্লক স্পর্শকাতর ঘোষণা হতে চলেছে। আমরা যা যা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তা গ্রহণ করব। আমরা সমস্ত বুথে এজেন্ট বসাব। বিজেপির ব্লক অফিস ঘিরে রাখার চেষ্টা করছে তৃণমূল। বিগত দিনে প্রার্থী দিতে দেয়নি আমাদের। নুরুল ইসলাম ভেবেছেন সিউড়ি জুড়ে সন্ত্রাস চালাবেন, এটা হতে পারে না।”

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল নেতা হয়েও রেহাই পেলেন না পুলিশের কাছে, আমডাঙায় জুটল মার!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় সিউড়ি (Siuri) ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছেন, “যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে চাপে ফেলতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghatsila: অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এখানেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে!

    Ghatsila: অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এখানেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপামর বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় এক পর্যটন কেন্দ্র হল ঘাটশিলা (Ghatsila)। কিন্তু ঘাটশিলা বলতেই আমরা বুঝি শুধুমাত্র বুরুডি লেক, গালুডি ড্যাম, ফুলডুঙরি প্রভৃতি। কিন্তু এর বাইরেও ঘাটশিলার আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক এমন কিছু স্পট, সৌন্দর্যের নিরিখে যেগুলি কোনও অংশে কম যায় না। এমনই অত্যন্ত সুন্দর স্থান হল “রাতমোহনা”। এখান থেকে পরিষ্কার দেখা যায় দূরের পাহাড়ের সারি। পথের দুপাশে পলাশ, শাল আর মহুয়ার জঙ্গল, আদিবাসী গ্রামের আলপনা আঁকা মাটির কুটির, অরণ্যের বুক চিরে চলে গেছে রাঙা মাটির পথ। আর হ্যাঁ! রাতমোহনার বুক চিরে আদিবাসী কিশোরীর উচ্ছলতায় বয়ে চলেছে স্বচ্ছ সলিলা সুবর্ণরেখা নদী।

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি (Ghatsila)

    রাতমোহনাতেই রয়েছে একটি সুন্দর ঝর্ণা। স্বয়ং অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাতমোহনাতেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে। রাতমোহনা থেকেই একবারে ঘুরে নেওয়া যায় কাছেই সিদ্ধেশ্বর পাহাড়, পাটকিতা, রানী ফলস এবং আরও একটি অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যৈ ভরপুর স্থান “শঙ্করদা” (Ghatsila)। বসন্তে যখন এই সমগ্র অঞ্চল জুড়ে পলাশ ফুল ফোটে, তখন সেই সৌন্দর্য ভাষায় বর্ণনা করা সাধ্যাতীত কাজ।

    যাবেন কীভাবে, থাকবেন কোথায়? (Ghatsila)

    যাতায়াত-রাতমোহনা যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে ঘাটশিলা। হাওড়া থেকে যাচ্ছে ইস্পাত এক্সপ্রেস, স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া ঘাটশিলা এক্সপ্রেস (মেমু) প্রভৃতি ট্রেন। সেখান থেকে অটোতে প্রায় ৫ কিমি দূরে রাতমোহনা। আর রাতমোহনা অথবা ঘাটশিলা (Ghatsila) স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রায় ৩০-৪০ মিনিটের পথ শঙ্করদা।
    থাকা খাওয়া-রাতমোহনাতে আছে রিসর্ট রাতমোহনা ইন (০৮৪০৯২১১৫৫৫), শঙ্করদায় রয়েছে উইক এণ্ড রিসর্ট (০৯২৩৪৬৪৩৫৪০, ০৮৭৫৭৭৮০৯১০)। আর কেউ যদি ঘাটশিলা থেকে ঘুরে নিতে চান, তাহলে তাঁরা থাকতে পারেন হোটেল জে এন প্যালেস (০৮৭৫৭৪৪৩৫৪০, ০৮৯৬৯৬৫৪৭১৮, সুহাসিতা রিসর্ট (০৯৭৭১৮৩১৮৭৭), রামকৃষ্ণ মঠের গেস্ট হাউজ প্রভৃতিতে। সবকটিতেই খাওয়ার ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক আছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূল নেতা হয়েও রেহাই পেলেন না পুলিশের কাছে, আমডাঙায় জুটল মার!

    TMC: তৃণমূল নেতা হয়েও রেহাই পেলেন না পুলিশের কাছে, আমডাঙায় জুটল মার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এদৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না। শাসক দলের নেতাকে পেটাচ্ছে পুলিশ! তাও আবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে। আমডাঙার (Amdanga) ঘটনায় শনিবার রাত পর্যন্ত ক্ষোভের আগুন জ্বলেছে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব। পুলিশের মারে হাত ভেঙেছে তৃণমূল নেতা মোস্তাক আহমেদ মন্ডলের। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, ওঁই তৃণমূল (TMC) নেতা পার্থ ভৌমিক ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে বিকেলে চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেই সময় পুলিশ আচমকা ওঁই তৃণমূল কর্মীকে মারতে শুরু করেছে। মোস্তাকের অবশ্য, অভিযোগ কোনও প্ররোচনা ছাড়াই পুলিশ মারধর করতে শুরু করে। আটকাতে গেলে আমাকেও লাঠিপেটা করা হয়। মারের চোটে হাত ভেঙে গিয়েছে। সেই অবস্থাতেই তাঁকে থানায় তুলে নিয়ে আসা হয়।

    জাতীয় সড়ক অবরোধ

    ঘটনার খবর পেয়ে তৃণমূল নেতা মোস্তাকের অনুগামীরা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। গভীর রাত পর্যন্ত টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় তৃণমূল নেতা কর্মীরা। উত্তেজনা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে ক্ষোভ থামাতে ময়দানে নামেন ব্যরাকপুরের (Barrackpore) তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পার্থ ভৌমিক।

    আরও পড়ুনঃ মনোনয়নে সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি! বিধিভঙ্গের অভিযোগ মহুয়ার বিরুদ্ধে

    তৃণমূলের বক্তব্য

    কেন পুলিশ মারধর করল? জিজ্ঞেস করা হলে মোস্তাক বলেন, “আমার উপর পুলিশের কী কারণে রাগ আমি জানি না। যেভাবে ধরে মারল আমার কিছু বলার নেই। আমার সারা শরীরে লাঠির আঘাত করেছে। গোটা শরীরে যন্ত্রণা আছে।” অপরদিকে মোস্তাকের অনুগামীরা জানিয়েছেন, “স্থানীয় বিধায়ক রফিকুর রহমান বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংকে নিয়ে গোপনে মিটিং মিছিল করছেন। এই কাজের প্রতিবাদ করায় বিধায়কের নির্দেশে পুলিশ তাঁকে মারধর করেছে।” যদিও রফিকুর রহমান অর্জুন সিংকে নিয়ে মিটিং করার কথা অস্বীকার করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santipur: “বাড়িতে পুরুষ না থাকলে মেয়েদের হাত ধরে টানাটানি করে তৃণমূল কর্মী”, বললেন নির্যাতিতা

    Santipur: “বাড়িতে পুরুষ না থাকলে মেয়েদের হাত ধরে টানাটানি করে তৃণমূল কর্মী”, বললেন নির্যাতিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সন্দেশখালির ছায়া শান্তিপুরে (Santipur)! রাতের অন্ধকারে বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে একাধিক মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। প্রশাসনকে একাধিকবার জানিয়েও মেলেনি সুরাহা। অভিযুক্ত শাসকদলের মদত দিচ্ছে প্রশাসন, দাবি বিজেপি প্রার্থীর। রাত হলেই চরম আতঙ্কে ঘুম উড়েছে মহিলাদের। ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর থানার বাগআচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের করমচাঁপুর এলাকার।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Santipur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত হলেই ওই অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী প্রদীপ সরকার বিভিন্ন বাড়িতে (Santipur) ঢুকে পড়ছে। বাড়িতে ঢুকে মহিলারা যখন ঘুমিয়ে থাকছে তাদের গায়ে হাত দিচ্ছে। পাশাপাশি জানালা দিয়ে  উঁকি মেরে মহিলাদের দেখছেন ওই অভিযুক্ত। এর আগেও তারা প্রশাসনকে একাধিকবার বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু, প্রশাসন অভিযোগ হাতে পেলেও কোন কর্ণপাত করেনি। এক মহিলা বলেন, বাড়িতে পুরুষরা না থাকলেই ওই তৃণমূল কর্মী বাড়িতে এসে চড়াও হয়। মেয়েদের হাত ধরে টানাটানি করে। তৃণমূল করে বলে পুলিশও কোনও ব্যবস্থা নেয় না। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। এ বিষয়ে ওই এলাকার বাসিন্দা সনৎ সরকার বলেন, দিন কয়েক আগেও ওই অভিযুক্ত আমার বাড়িতে গিয়েছিল। রাতের অন্ধকারে আমার বাড়ির মহিলাদের ওপর হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই রবিবার ওই এলাকায় যান রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ তথা এবারের প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তিনি এলাকার মহিলাদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ওই অভিযুক্তর বিরুদ্ধে যাতে কঠোর শাস্তি হয় সেই আশ্বাস দেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “গোর্খারা ন্যায় বিচার পাবে”, সভায় যেতে না পেরে ফোনে বার্তা দিলেন অমিত শাহ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, এই অভিযুক্ত প্রদীপ সরকারের সঙ্গে শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের পুরোপুরি মদত রয়েছে। নাহলে বছরের পর বছর কীভাবে ওই তৃণমূল কর্মী এই কাজ করতে পারে। পাশাপাশি মহিলাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, এই সমস্ত অভিযুক্তদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুষে রেখেছে। তাঁর সাহসেই এরা দিনের পর দিন এই ঘটনা ঘটিয়ে আসছে। অবিলম্বে গ্রেফতার না করা হলে আগামীদিনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।  এ বিষয়ে শান্তিপুর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী বলেন, মহিলাদের সঙ্গে যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমিও চাই অভিযুক্ত গ্রেফতার করা হোক। তবে, এটাও বলব ওই পঞ্চায়েত বিজেপি পরিচালিত। তাহলে চাইলেই প্রধান এবং ওই গ্রামের পঞ্চায়েত বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হতে পারতেন। তবে, বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Health Insurance: এবার ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বেও করানো যাবে স্বাস্থ্যবিমা!

    Health Insurance: এবার ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বেও করানো যাবে স্বাস্থ্যবিমা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রসারিত হল স্বাস্থ্যবিমার (Health Insurance) পরিসর। স্বাস্থ্যবিমা করার ক্ষেত্রে কাটল বয়সের গেরো। এবার পঁয়ষট্টি বছরের ঊর্ধ্বেও করানো যাবে স্বাস্থ্যবিমা। এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে ইনস্যুরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া। চলতি বছরের পয়লা এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। এতদিন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমা করার বয়স সীমাবদ্ধ ছিল ৬৫ বছর পর্যন্ত।

    স্বাস্থ্যবিমা করাতে পারবেন কারা? (Health Insurance)

    নয়া বিধি অনুযায়ী, বয়সের কোনও সীমাবদ্ধতা ছাড়াই যে কেউই স্বাস্থ্যবিমা কিনতে পারবেন। বিমার ক্ষেত্রে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয় আইআরডিএআই। তারা জানিয়েছে, যাঁরা বিমা করাবেন, তাঁরা যে কোনও বয়সের মানুষেরই স্বাস্থ্যবিমা করাতে পারবেন (Health Insurance)। তাঁরা সিনিয়র সিটিজেন, পড়ুয়া, শিশু, মাতৃত্ব এবং অন্য যে কোনও বয়সের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যবিমা করাতে পারবেন। বিমা নিয়ামক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বিমাকারী সংস্থাগুলি বয়সের কারণ দেখিয়ে আর কাউকে স্বাস্থ্যবিমা করানোয় বাধা দিতে পারবে না।

    নয়া সিদ্ধান্ত কেন জানেন?

    দেশের সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় আরও সংযুক্ত করতে এবং বয়স্কদেরও বিমার আওতায় আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সংস্থার তরফে। স্বাস্থ্যবিমার ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞরা। পঁয়ষট্টি বছরের ঊর্ধ্বে মানুষকে স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আনতে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাকে স্বাগত জানাই।

    আরও পড়ুন: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই,” বিস্ফোরক রাজনাথ সিং

    কেবল বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা চালুই নয়, স্বাস্থ্যবিমার ক্ষেত্রে আরও একটি নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। জটিল বা দূরারোগ্য কোনও রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিমা করানোর ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হত। অনেক রোগের ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা মিলত না। বিমা নিয়ামক সংস্থার নেওয়া সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের জেরে এবার থেকে গুরুতর অসুস্থ বা জটিল কোনও রোগ, যেমন ক্যান্সার, হার্ট ফেলিওর, রেনাল ফেলিওর কিংবা এইডসে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও বিমা করাতে পারবেন।

    এতদিন স্বাস্থ্যবিমার ওয়েটিং পিরিয়ড ছিল ৪৮ মাস। তা কমিয়ে ৩৬ মাস করা হয়েছে। যার অর্থ হল, এখন থেকে স্বাস্থ্যবিমা করানোর তিন বছরের পর থেকেই চিকিৎসায় বিমা কভারেজ পাওয়া যাবে। আগে থেকে শরীরে থাকা কোনও রোগের চিকিৎসাও অন্তর্ভুক্ত হবে কভারেজের (Health Insurance)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Yogi Adityanath: ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ’’, ভোটের প্রচারে বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ’’, ভোটের প্রচারে বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। রবিবার ছত্তিশগড়ে তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ।’’ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভারতবর্ষে একটি বড় পরিবর্তন সম্পন্ন হয়েছে গত ১০ বছরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।

    যুব সমাজকে উস্কানি দিচ্ছে কংগ্রেস

    এদিনই ছত্তিশগড়ের কবিরধাম জেলাতে প্রচারে আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘৫০০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে রামলালাকে মন্দিরে অধিষ্ঠিত হতে। এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণে।’’ প্রসঙ্গত, কবিরধাম জেলা রাজনন্দগাঁও লোকসভার অন্তর্গত। এখানেই যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান। তিনি আরও বলেন, ‘‘বর্তমান সময়ে যখন যুবদের হাতে ট্যাব এবং নানা রকম ভালো ভালো বই দেখতে পাওয়া উচিত, ঠিক সেই সময়ই কংগ্রেস যুবদের হাতে পিস্তল ধরিয়ে দিচ্ছে। কংগ্রেস তাদেরকে প্ররোচনা দিচ্ছে। তাদেরকে উস্কানি দিচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। মাওবাদের নামে সন্ত্রাসের নামে।

    জনগণের বিশ্বাসকে মর্যাদা দেয় একমাত্র বিজেপি

    তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি বলেছেন ভারতবর্ষকে হতেই হবে বিশ্বের একটি বড় শক্তি। একটি উন্নত ভারতবর্ষ আমাদের গড়তেই হবে। আত্মনির্ভর ভারত আমাদের গড়তেই হবে। যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিজেকে নিরাপদ মনে করবেন। ভারতবর্ষের কন্যাদের জন্য তা যেমন নিরাপদ হবে, ভারতের ব্যবসায়ীদের জন্যও তা নিরাপদ হবে। একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি সেই গ্যারান্টি দিতে পারে। জনগণের বিশ্বাসকে মর্যাদা দেয় একমাত্র বিজেপি (Yogi Adityanath)।’’

    কংগ্রেসের উদ্দেশে প্রশ্ন

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) এই সভার উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, কংগ্রেস কি কখনও দেশের মানুষকে বিনামূল্যে রেশন পরিষেবা দিতে পেরেছে? রাম মন্দির কে নির্মাণ করতে পেরেছে? মাওবাদের মতো সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে? মেয়েদের এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা কি দিতে পেরেছে? এই সময় তিনি বলেন, কংগ্রেস হল সমস্ত সমস্যার সমার্থক শব্দ। কংগ্রেসই একমাত্র দেশের মানুষকে সমস্যা দেয় এবং বিজেপি একমাত্র দল যে দেশের মানুষকে সেই সমস্যা থেকে টেনে বের করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sadhguru: ভারতের সঙ্গে আধ্যাত্মিক সেতুর খোঁজে ১০ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে সদগুরু

    Sadhguru: ভারতের সঙ্গে আধ্যাত্মিক সেতুর খোঁজে ১০ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে সদগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একমাস আগেই মস্তিষ্কে অস্ত্রপচার হয় সদগুরুর। তারপর ফের একবার তাঁকে দেখা গেল পুরনো মেজাজেই। বিশাল কর্মযজ্ঞ সামলাচ্ছেন তিনি ইশা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে। শুক্রবারই ভোট দেন সদ্গুরু (Sadhguru)। তারপরে রওনা হন ১০ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরের উদ্দেশে। ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে যে আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন রয়েছে সেটাই অনুধাবন করতে তাঁর এই সফর বলে জানানো হয়েছে ইশা ফাউন্ডেশনের তরফে। ইন্দোনেশিয়ার বিমানবন্দরে সদগুরুকে স্বাগত জানান পর্যটন মন্ত্রী স্যান্ডিয়াগো উনো। সেদেশের বালিতে হাজির ছিলেন ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল শশাঙ্ক বিক্রমও।

    ওড়িশার বালি উৎসবের কথাও উঠে আসে

    জানা গিয়েছে, দশ দিনের এই ইন্দোনেশিয়া সফরে সে দেশের বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ভূমি পরিদর্শন করবেন সদগুরু (Sadhguru)। তারপর সেখান থেকে তিনি রওনা হবেন কম্বোডিয়ার উদ্দেশে। ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় উঠে আসে দুই দেশের ঐতিহাসিক যোগসূত্রের কথাও এক্ষেত্রে সদগুরু তুলে ধরেন ওড়িশার বালি যাত্রার কথা। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওড়িশার মানুষ তাঁদের পূর্বপুরুষদের বালির উদ্দেশে সমুদ্র যাত্রাকে স্মরণ করে সাগরের জলের রংবেরঙের নৌকা এবং কলার ভেলা ভাসিয়ে দেন।

    ইন্দোনেশিয়ার প্রশংসা করেন সদগুরু

    ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন আধ্যাত্মিক কেন্দ্রগুলি যেভাবে রক্ষণ করা হয়েছে তারও প্রশংসা করেন সদগুরু (Sadhguru)। ইন্দোনেশিয়ার প্রতি সারা বিশ্ববাসীকে আকর্ষণের কারণ যে এভাবে তাদের যত্ন সহকারে ঐতিহাসিক তথা আধ্যাত্মিক স্থান গুলি রক্ষণাবেক্ষণ করা, তাও জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share