Blog

  • JNU: জেএনইউকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছেন ‘সঙ্ঘী ভিসি’ শান্তিশ্রী, চেনেন তাঁকে?

    JNU: জেএনইউকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছেন ‘সঙ্ঘী ভিসি’ শান্তিশ্রী, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) উপাচার্য নিয়োগ করার পরেই মোদি সরকারের মুণ্ডপাত করেছিলেন বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। অথচ মাত্র দু’বছরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোল বদলে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে গিয়েছেন উন্নতমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার এক নম্বরে। এখন তাঁর নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছেন এক সময়কার সমালোচকরাও। পুণের সাবিত্রীবাই ফুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন শান্তিশ্রী ধুলিপুড়ি পণ্ডিত। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে নিয়োগ করা হয় জেএনইউয়ের উপাচার্য হিসেবে।

    জেএনইউয়েরই প্রাক্তনী শান্তিশ্রী (JNU)

    শান্তিশ্রী জেএনইউয়েরই প্রাক্তনী। এমফিল এবং পিএইচডিও করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল, ‘নেহরুর আমলে ভারতের সংসদ ও বিদেশনীতি’। তাঁকেই বসানো হয় জেএনইউয়ের উপাচার্য পদে। তারপরেই দেশজুড়ে শুরু হয় সমালোচনা। সেসব পাত্তা না দিয়েই দায়িত্ব নিয়েছিলেন শান্তিশ্রী। বিশ্ববিদ্যালয়কে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়ে তিনি বলছেন, “জেএনইউ (JNU) কখনওই দেশ-বিরোধী ছিল না, টুকরে টুকরে গ্যাং ছিল না। এই বিশ্ববিদ্যালয় চিরকালই ভিন্নমত, বিতর্ক এবং গণতন্ত্রকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে।” শান্তিশ্রী জেএনইউয়ের প্রথম মহিলা উপাচার্য। তিনি বলেন, “জেএনইউতে গৈরিকীকরণ হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এ নিয়ে কোনও চাপও নেই।” উপাচার্য বলেন, “আরএসএসের সঙ্গে আমার যে যোগ রয়েছে, তা নিয়ে আমি দুঃখিত নই, এই পরিচয় আমি লুকোতেও চাই না।”

    ‘জেএনইউয়ের নির্দিষ্ট কোনও পরিচয় নেই’

    শান্তিশ্রীর জন্ম রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে। ছোটবেলায় মা মারা যাওয়ার পরে তিনি ফিরে আসেন চেন্নাইয়ে দেশের বাড়িতে। মধ্যবিত্ত সাউথ ইন্ডিয়ান পরিবারে বেড়ে ওঠা তাঁর। আরএসএসের সঙ্গে যোগ থাকায় পড়ুয়ারা তাঁকে আবডালে ‘সঙ্ঘী ভিসি’ বলে ডাকেন। সেই তিনিই হাল ফিরিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU)। QS ranking-এ বিশ্ববিদ্যালয়কে তুলে নিয়ে গিয়েছেন শীর্ষস্থানে। উপাচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমাদের উচিত এসবের (গৈরিকীকরণ) উর্ধ্বে ওঠা। জেএনইউ দেশের প্রতিষ্ঠান, তার নির্দিষ্ট কোনও পরিচয় নেই। জেএনইউ অন্তর্ভুক্তি ও বিকাশের প্রতীক। আমি সব সময়ই বলি, এই বিশ্ববিদ্যালয় সাত ‘ডি’-এর প্রতীক। এই সাত ‘ডি’ হল ডেভেলপমেন্ট, ডেমোক্রেসি, ডিসেন্ট, ডাইভার্সিটি, ডিবেট ও ডিসকাশন, ডিফারেন্স এবং ডেলিবারেশন।”

    দু’তরফেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল

    শান্তিশ্রী যখন জেএনইউয়ের দায়িত্ব নেন, তখন ছাত্রবিক্ষোভ তুঙ্গে। দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল ছাত্রদের একাংশের বিরুদ্ধে। দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ায় যাঁরা জড়িত ছিলেন, তাঁরা ‘টুকরে গ্যাং’য়ের সদস্য বলে দেগে দেওয়া হয়েছিল। সে প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, “সেটা একটা ফেজ ছিল। দু’তরফেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমার মনে হয়, নেতারা আন্দোলনকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি।” তিনি বলেন, “যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু অন্যধারার পড়ুয়া থাকেন, কেবল জেএনইউতেই (JNU) নয়। সেক্ষেত্রে নেতাদেরই দায়িত্ব বর্তায় কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবেন। কিন্তু আমি মনে করি না যে আমরা দেশ-বিরোধী অথবা টুকরে টুকরে গ্যাং।”

    কী বললেন সঙ্ঘী ভিসি?

    সঙ্ঘী ভিসি বলেন, “আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই পর্বটা খারাপ ছিল। দু’তরফেই কিছু ভুল হয়েছিল। এর কারণ মেরুকরণ এবং নেতৃত্বের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব। আপনাদের বুঝতে হবে প্রতিটি মানুষ আলাদা। তাঁদের যুক্তিও আলাদা হবে। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয় কখনওই দেশ-বিরোধী ছিল না।” তিনি বলেন, “আমি যখন এখানে পড়াশোনা করতাম, তখন এখানে বামেরা রাজত্ব করত। তখনও কেউ দেশ-বিরোধী ছিলেন না। তাঁরা সমালোচক। সমালোচক ও ভিন্নমত পোষণ করলেই কাউকে দেশ-বিরোধী বলে দেগে দেওয়া যায় না।” উপাচার্য বলেন, “আমার মনে হয়, প্রশাসন জেএনইউকে বুঝতে পারেনি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়কে পার হতে হয়েছে দুর্ভাগ্যের সেই পর্ব।”

    আরও পড়ুুন: প্রত্যাঘাত করল ইজরায়েল, ইরানের ‘লক্ষ্যবস্তু’তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেল আভিভের

    স্কুলে বরাবরই প্রথম হতেন শান্তিশ্রী। মেডিক্যাল জয়েন্ট পাশ করে নয়াদিল্লির এইমসে যোগ দিয়েছিলেন। তিন মাস পরে চিকিৎসাশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেন। কারণ তাঁকে বলা হয়েছিল হয় গাইনোকোলজি নয়ত চাইল্ড স্পেশালিস্ট হতে হবে। নিউরোলজি নৈব নৈব চ। এইমসের পড়া ছেড়ে শান্তিশ্রী ভর্তি হন কলেজে। পরে হন পুণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন। তাঁর বাবাই আরএসএস অনুমোদিত সেবিকা সমিতির সামার ক্যাম্পে পাঠিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাঁর আরএসএসের সঙ্গে সখ্যতা। শান্তিশ্রী বলেন, “আমার জীবনে সংঘের সদর্থক প্রভাব রয়েছে। তবে জেএনইউয়ে (JNU) আমাদের গৈরিকীকরণ হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    Dilip Ghosh: বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে গেলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানের উল্লাসে সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছন দিলীপ। দু’জনের মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় কথা হয়। প্রসঙ্গত দিলীপ ঘোষের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটারও ব্যবস্থা করেছিলেন সুনীল। তবে বিষয়টিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে উল্লেখ করেছেন দুজনেই। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন দলের কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না এই তৃণমূল নেতাকে। তিনি বলেন, “দল ডাকেনি তাই নামিনি।” অপর দিকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে প্রথম দফার ভোটে আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ।

    কী কারণে সুনীল-দিলীপের সাক্ষাৎ (Dilip Ghosh)?

    বর্ধমান শহরে ঢোকার মুখেই দু-নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে সাংসদ সুনীল কুমার মণ্ডলের বাড়ি। তাঁর বাড়ির নাম অভিযান। কী কারণে সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎ? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “সুনীলদা আমার পুরনো বন্ধু। আমার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হল। একই ভাবে সেই কেক খাওয়ানো হয়েছে আমাকে। কিছুই করছেন না তিনি। অনুরোধ না করতেই চলে এসেছি আমি। রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগ নেই। এখন দেখা যাক কী করেন তিনি, কোথায় যান।”

    প্রথম দফায় অশান্ত নির্বাচন! প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    প্রথম দফা নির্বাচন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “তৃণমূলের পুরনো অভ্যাস, কোথাও বোমা পাওয়া যাচ্ছে, বন্দুক পাওয়া যাচ্ছে। আমার যেটা মনে হচ্ছে এবার পশ্চিমবঙ্গের ভোট শান্তিপূর্ণ হবে। যেমন রাম নবমীর মিছিল শান্তিপূর্ণ হয়েছে। টিএমসির অভ্যাস ঝগড়া করা, ভয় দেখানোর চেষ্টাও করে থাকে। মানুষ বুঝে গিয়েছে, তাই জবাব দেবে মানুষ।” প্রসঙ্গত বর্ধমানের কার্জন গেট চত্বরে বিজেপির পতাকা ছেঁড়া হয়। এনিয়ে শুরু হয় অশান্তি। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “এসব ছিঁচকে চোরের মতো কোথাও দেওয়াল মুছে দিচ্ছে, পতাকা ছিঁড়ে দিচ্ছে। এসব করে ভোট হয়? যারা লড়তে পারে না, তারা এই ধরনের কাজ করে। তবে বেশিদিন চলবে না, ঠিক হয়ে যাবে। আমরাও দেখছি পুলিশ কী করছে, না হলে বাকিটা আমরাই করব।”

    আরও পড়ুনঃ কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    শীতলকুচি প্রসঙ্গে বক্তব্য

    শীতলকুচি প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা উদয়ন গুহর জায়গা, গন্ডগোল হবেই। ওরা যেকটা আছে গন্ডগোল করে। গতবারের শিতলকুচি, সীতাইয়ের প্রার্থী এবারের লোকসভার প্রার্থী হয়েছে, সে লোকসভা ভোটের পরে পালিয়ে গিয়েছিল এলাকা ছেড়ে, ছ’মাস আসেনি। আমরা বলেছিলাম কাউকে তাড়াব না আমরা। দিনহাটা, কোচবিহারে বাংলাদেশ থেকে গুন্ডা নিয়ে আসা হয়, উৎপাত করা হয়। তারপরেও শীতলকুচি বিধানসভায় আমরা জিতেছি। এবার সব জায়গায় লিড পাবে বিজেপি।” অন্যদিকে প্রথম দফা ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে অশান্তি। রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে কোচবিহারে সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত ভোটের যা অভিযোগ, প্রায় সবই এই জেলা থেকে। রাজখরা, চান্দিমারি-সহ জেলার একাধিক জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। শীতলকুচি থেকেও তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    Lok Sabha Election 2024: কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপের মধ্যে চলছে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024)। শুক্রবার সকাল থেকেই কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি আসনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (phase 1 Voting) শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে পাখির চোখ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission), কিন্তু এত নিরাপত্তার মধ্যেও ভোটগ্রহণ শুরু হতেই একাধিক জায়গায় বিজেপির ওপর তৃণমূলের হামলার অভিযোগ উঠে এসেছে। এলাকা অশান্ত করে বুথ দখল, ছাপ্পা এবং অপহরণের চিত্র উঠে এসেছে সর্বত্র।

    কোচবিহার-জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্ত অশান্তি (Lok Sabha Election 2024)

    ভোট (Lok Sabha Election 2024) গ্রহণের দিনে সকাল থেকেই কোচবিহারের কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর উঠে এসেছে। বিজেপির (BJP) তরফ থেকে ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঁচটি অভিযোগ জমা পড়েছে। কোথাও বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, কোথাও বা বিজেপির পোলিং এজেন্টকে (BJP Polling Agent) ঢুকতে বাধা। এমনকী অপহরণেরও অভিযোগ এসেছে বিজেপির তরফে। শিলিগুড়ির কাছে জলপাইগুড়ি লোকসভায় ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় ভালোবাসা মোড়ে ৮৬ নং বিজেপির পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আবার জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভার ১৮/৯৭ বুথের দুটি বিজেপি পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    শীতলকুচিতে বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

    শীতলকুচির গোসাইহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় ধাপের চাত্রা এলাকায় ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে যাবার সময় এক বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এদিন তিনি বড় ধাপের চত্রায় এলাকায় ২০১ নং বুথে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন সেই সময় তৃণমূল (TMC) কর্মীরা তাঁকে বাঁশ দিয়ে মারধর করে। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আবার শালবাড়িতে বিজেপির এক যুব নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে বক্সিরহাট থানার শালবাড়ির ঘটনা। রাজগঞ্জের ১৮/২৫৪ নম্বর বুথে বিজেপির বুথ অফিসের সামনে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে অপহরণ

    কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপির পোলিং এজেন্ট বিশ্বনাথ পালকে বুথ (Lok Sabha Election 2024) থেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। শুকারুরকুটির কুরশারহাটের ২২১ নম্বর বুথের সামনে থেকে বিজেপির পোলিং এজেন্টকে তৃণমূলের বাইক বাহিনী অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কোচবিহার দক্ষিণের চারটি কেন্দ্রে বিজেপির পোলিং এজেন্টদের বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর

    বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

    দক্ষিণ কোচবিহারের গিরিয়াকুঠিতে বিজেপি সমর্থক কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির (BJP) অভিযোগ, বেছে বেছে তাদের সমর্থকদের বাড়ি চিহ্নিত করা হচ্ছে। বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। সমস্ত ঘটনায় প্রথম পর্বের ভোটে (Lok Sabha Election 2024) তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে ভোটের (Loksabha Election 2024) প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভূমিকায় যে একেবারে খুশি নন, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর মতে, একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ আরও কঠোর হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি। রাম নবমীর অশান্তির কারণ মমতা। তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। ঠিক এমনটাই জানান শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), মমতার উস্কানিমূলক ভাষণ প্রসঙ্গে বলেন, “সংখ্যালঘু ভোট হারাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গোলমাল পাকানোর চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ যদি আগেভাগে ব্যবস্থা নিত, তাহলে এই ঘটনা ঘটার কথাই নয়। হিংসা নিয়ে সাত দিন ধরে চিৎকার করে গেছেন মমতা। নির্বাচন কমিশনের সাহস থাকলে তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” রাম নবমীর অশান্তির কারণ হিসেবে মমতার ষড়যন্ত্রকেই দায়ী করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি রাজ্যপালের উত্তরবঙ্গ সফর প্রসঙ্গে বলেন, “রাজ্যপালকে যে ভাবে উত্তরবঙ্গে আসা থেকে আটকেছে নির্বাচন কমিশন, সেটা সমর্থনযোগ্য নয়।”

    আরও পড়ুনঃ প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে শুভেন্দু

    বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দার্জিলিং-এর বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার (Raju Bista) সমর্থনে প্রচার কর্মসূচি ছিল তাঁর। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্বকে কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর ভাষণে উঠে আসে রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ। আগেভাগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন রাম নবমীতে হিংসা হবে। এরপরই দেখা যায় বুধবার রাম নবমীর দিন মুর্শিদাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অগ্নিসংযোগ করা হয়। আশপাশের বাড়ি থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    Lok Sabha Election 2024: প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) ভোট শুরুর আগেই ঘটল অঘটন। মৃত্যু হল কোচবিহারে (Cooch Behar) কর্তব্যরত এক জওয়ানের। মৃত জওয়ানের নাম কুমার নীলু। কোচবিহারের মাথাভাঙার বেলতলা এলাকায় একটি স্কুলে ভোটের ডিউটিতে ছিলেন ৪২ বছরের ওই জওয়ান। বিহার থেকে ভোটের ডিউটি (Election Duty) করতে কোচবিহারে এসেছিলেন তিনি। কর্তব্যরত অবস্থাতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই জওয়ানের (CRPF jawan) আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। গোটা বিষয়টির ওপর নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok Sabha Election 2024)?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান (CRPF jawan) কুমার নীলু বৃহস্পতিবার রাতে বাইশগুড়ি হাই স্কুলে ডিউটি করছিলেন। ভোট কেন্দ্রে ডিউটি করার সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁর নাক-মুখ থেকে রক্তপাত হতে শুরু করে। এরপর গভীর রাতে কুমার নীলুকে অসুস্থ অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেছিলেন তাঁর সহকর্মীরা। সেই অবস্থায় দেখে সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত (Unnatural death) বলে ঘোষণা করেন। এরপর দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানের। তবে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট ভাবে বলা সম্ভবপর নয়।

    আরও পড়ুনঃভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট

    উল্লেখ্য, ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (phase 1 Voting)। রাজ্যের আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ির সঙ্গে ভোট শুরু হল কোচবিহারেও। তফশিলি জাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসনে মোট ২০৪৩টি বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে। কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭টি বিধানসভা এলাকাতেই চলছে ভোটগ্রহণ। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে ১১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই ভোটদানের জন্য বুথে বুথে লাইন পড়েছে। যদিও ভোটের প্রথম দিনেই বিক্ষিপ্ত কিছু হিংসার খবর কোচবিহার থেকে এসেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iran Israel Conflict: প্রত্যাঘাত করল ইজরায়েল, ইরানের ‘লক্ষ্যবস্তু’তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেল আভিভের

    Iran Israel Conflict: প্রত্যাঘাত করল ইজরায়েল, ইরানের ‘লক্ষ্যবস্তু’তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেল আভিভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানকে জবাব দিল ইজরায়েল (Iran Israel Conflict)। শুক্রবার ভোরে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেলআভিভ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি ইসফাহানে বিস্ফোরণের বার্তা সম্প্রচার করা হয়েছে ইরানের সরকারি টেলিভিশনেও। ইরানের একটি বিমানবন্দরেও ক্ষেপণাস্ত্র হানা হয়েছে বলে খবর।

    হুঁশিয়ারি ছিল আগেই (Iran Israel Conflict)

    ইরানের ইসফাহানেই রয়েছে নাতাঞ্জ-সহ কয়েকটি পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র। রয়েছে ইউরেনিয়াম পরিশোধন কেন্দ্রও। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ইরানিয়ান সেনা তিনশোটিরও বেশি ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র  হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েলে। তবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার আগেই সেগুলিকে গুলি করে নামিয়ে ফেলেছিল মার্কিন সেনা। পরে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে ইজরায়েলি ফৌজের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেছিলেন, ইরান ড্রোন ও মিসাইল হামলা শুরু করেছে। আমরা সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য তৈরি।

    প্রত্যাঘাতের বার্তা

    এর পরেই ইরানকে (Iran Israel Conflict) প্রত্যাঘাতের বার্তা দিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইজরায়েল যে প্রত্যাঘাত করবেই তা জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনও। পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তির কালো মেঘ ঘনাতেই ইজরায়েলকে ইরানে প্রত্যাঘাত করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানায় আমেরিকা, রাশিয়া সহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও দুই দেশে ফোন করে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার কথা বলেছেন। এমনই আবহে ইরানিয়ান শহরে হামলা চালাল ইজরায়েল।

    এই হামলার চব্বিশ ঘণ্টা আগেই ইরানের আইআরজিসি কমান্ডার হুমকি দিয়েছিলেন, ইজারায়েলের নিউক্লিয়ার সাইটগুলিতে হামলা চালানো হবে। এর পরেই অ্যাটোমিক ফেসিলিটিকে ধ্বংস করতে মিসাইল ছুড়ল তেল আভিভ। এখানকার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জেনারেল আহমেদ হাগতালাব বলেন, “ইজরায়েলের এই আক্রমণের পর ইরানকে এবার নিউক্লিয়ার ডকট্রিন নিয়ে বিশদে ভাবনাচিন্তা করতে হবে।” জানা গিয়েছে, শুক্রবার কাকভোরে ইরানে আছড়ে পড়ে বেশ কয়েকটি ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের দাবি, ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে প্রতিহত করেছে তারা। একাধিক মিসাইল গুলি করে নামিয়েছে তেহরান। ইরানেরই অন্য এক সামরিক আধিকারিক অবশ্য অস্বীকার করেছেন হামলার কথা। এছাড়া সিরিয়া এবং ইরাকেও হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। ঘটনার জেরে ইরান দেশের বেশ কয়েকটি স্থানের বিমান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে (Iran Israel Conflict)।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আরও বেশি করে ভোট দিন’’, পাঁচ ভাষায় প্রথম বারের ভোটারদের আবেদন মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    Lok Sabha Election 2024: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফায় ভোট চলছে উত্তরবঙ্গের তিন জেলায়। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে সেভাবে না হলেও কোচবিহারে সকাল থেকে বুথ দখল , ঝামেলার খবর মিলেছে। ভোটের দিন উত্তরের এই জেলায় সমস্যা হতে পারে ভেবেই সেখানে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। কিন্তু কমিশন তাঁকে সেখানে যেতে বারণ করেছিলেন। তাই আর কোচবিহার যাননি রাজ্যপাল। শুক্রবার ভোটের দিন সকালে রাজ্যের মানুষের জন্য প্রার্থনা করতে কালীঘাট মন্দিরে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল বোস। সেখান থেকেই কড়া বার্তা দিলেন তিনি ৷

    রাজ্যপালের বার্তা

    শুক্রবার সকালে মন্দির চত্বর থেকেই রাজ্যপাল জানান, কোথাও হিংসা হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে ৷ এদিন রাজ্যপাল বলেন, “বাংলার মানুষ শান্তি ও সম্প্রীতি চায় ৷ বাংলার মানুষের সেটাই প্রাপ্য। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। যে কোনও হিংসা এবং হিংসা ছড়ানো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত ৷ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ ৷ এটি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।” তিনি ইমেল বা টেলিফোনে পিস রুমের মাধ্যমে ভোটের দিন সর্বক্ষণ মানুষের সঙ্গে থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

    শুক্রবার উত্তরবঙ্গে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। নির্বাচনের সময়ে কোচবিহারেই সারাদিন থাকতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে বারণ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর তৃণমূল অভিযোগ করেছিল, রাজ্যপাল আলিপুরদুয়ারও যেতে চাইছেন। অবশেষে নানা বিতর্কের পর উত্তরবঙ্গ সফরই বাতিল করেন বোস। শুক্রবার সকালে (Lok Sabha Election 2024) অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রার্থনা করে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন তিনি।  তাঁর কথায়, ভোট শান্তিপূর্ণ করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সাধারণ মানুষের অধিকার রয়েছে নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার। তেমনটাই যেন হয়, কালীঘাট মন্দিরে এসে এই প্রার্থনা করেছেন তিনি, জানান রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, ফের রাষ্ট্রসংঘে সুর চড়াল আমেরিকাও

    India US Relation: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, ফের রাষ্ট্রসংঘে সুর চড়াল আমেরিকাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করা হোক ভারতকে। দিন কয়েক আগে টেসলার সিইও ইলন মাস্ক এমনই দাবি করেছিলেন (India US Relation)। এবার তাঁর সুরে সুর মেলাল আমেরিকাও। যদিও মাস্কের ঢের আগেই এই একই দাবি জানিয়েছিল জো বাইডেনের দেশ। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৫। এই দেশগুলির প্রত্যেকেরই ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে।

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদের দাবি (India US Relation)

    বাকি চার দেশ ভারতের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেও, চিনের ভেটোর জেরে প্রতিবারই ছিটকে যেতে হয়েছে ভারতকে। লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে বিজেপির তরফে যে ইস্তাহার (সঙ্কল্পপত্র) প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেও বলা হয়েছে ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যে পরিণত করতে জোরদার চেষ্টা চালানো হবে। এহেন (India US Relation) আবহেই মাস্ক দাবি করলেন, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া উচিত ভারতের। একই দাবি আবারও করল আমেরিকা।

    কী বললেন বেদান্ত প্যাটেল?

    বৃহস্পতিবার মার্কিন বিদেশ দফতরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ পেতে বাড়তি সমর্থন মিলেছে।” মাস্কের দাবির প্রেক্ষিতে বেদান্ত বলেন, “প্রেসিডেন্ট (জো বাইডেন) এ ব্যাপারে আগেও বলেছেন রাষ্ট্রসংঘের প্রায় সব সাধারণ সভায়। সেক্রেটারি সে বিষয়ে ইঙ্গিতও দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “আমরা চাই নিরাপত্তা পরিষদ-সহ রাষ্ট্রসংঘের সব ক্ষেত্রে সংস্কার হওয়া প্রয়োজন। কারণ আমরা বাস করছি একবিংশ শতাব্দীতে। রাষ্ট্রসংঘে সংস্কারের যে প্রয়োজন রয়েছে, তা আমরা স্বীকার করি।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘আরও বেশি করে ভোট দিন’’, পাঁচ ভাষায় প্রথম বারের ভোটারদের আবেদন মোদির

    জানুয়ারি মাসেই টেসলার সিইও মাস্ক বলেছিলেন, “নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ নেই, এটা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।” এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মাস্ক লিখেছিলেন, “কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোয় সংস্কার সাধন করা প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা হল, যে সব দেশের হাতে প্রভূত ক্ষমতা রয়েছে, তারা তা ছাড়তে রাজি নয়। ভারতের মতো জনবহুল একটি দেশের নিরাপত্তা পরিষদে ঠাঁই না হওয়াটা আশ্চর্যের বিষয়। সামগ্রিকভাবে আফ্রিকারও স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া উচিত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই! চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আট জেলায়

    Weather Update: কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই! চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আট জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহ শেষের ছুটিতেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারবে না দক্ষিণবঙ্গবাসী (Weather Update)। আপাতত তীব্র গরম, লু-এর মতো পরিস্থিতি, আর্দ্রতা ভোগাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গকে। পশ্চিমের শুকনো হাওয়ায় গরম ও অস্বস্তি আরো বাড়বে বলেই ধারণা আবহাওয়া দফতরের। আজ, শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এই আট জেলায় চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের।

    কলকাতা ও শহরতলির তাপমাত্রা

    বৃহস্পতিবারই কলকাতার সল্টলেকে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। সেখানে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। দমদমে দিনের তাপমাত্রা ৪০-এর একটু আগেই থেমে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে দিনের তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৩৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আজ, শুক্রবার শহরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পেরোতে পারে বলে আশঙ্কা। এদিন আকাশ সারাদিন পরিষ্কার থাকবে। গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি আরও বাড়বে। শহরে সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৫ থেকে ৮৯ শতাংশ। 

    লোডশেডিংয়ের ভয়

    দিনভর ঝলসানো গরমে পাখার নীচেও ঘেমে স্নান করে যেতে হচ্ছে। তারই মধ্যে শহরের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ভুক্তভোগীদের দাবি, কাউকে জানিয়েই লাভ হচ্ছে না। উত্তর-দক্ষিণ দমদম, সিঁথি, রাজারহাট-নিউটাউন চত্বরে বারবার লোডশেডিং হচ্ছে। সিইএসসি-র তরফে যদিও দাবি করা হয়েছে, বিদ্যুতের চাহিদা ও জোগানে সমস্যা নেই। কিছু জায়গায় ফিউজের গন্ডগোল হয়েছে। রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা আবার এই বিভ্রাটের জন্য দায়ী করছে বেআইনি সংযোগ ও আবেদনহীন এসি-র ব্যবহারকে। সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “বেআইনি বিদ্যুৎ সংযোগ ও বিদ্যুতের বরাদ্দ বাড়ানোর আবেদন না করে এসি বসানোয় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। বেআইনি সংযোগ নিয়ে গ্রাহকেরা সচেতন হোন, এই প্রত্যাশা করব।”

    জেলার তাপমাত্রা

    বৃহস্পতিবারও রাজ্যের ১৪টি জায়গায় দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সব থেকে বেশি তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল মেদিনীপুরে। সেখানে বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস! স্বাভাবিকের থেকে ৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। পানাগড়ে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। মেদিনীপুরের পাশাপাশি, হলদিয়ায় দিনের তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের থেকে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। সেখানে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    আরও পড়ুন: প্রতি বুথে কড়া নিরাপত্তা, দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল কমিশন

    বাঁকুড়ায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। কলাইকুন্ডা, বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া, ব্যারাকপুর, সিউড়ি, ঝাড়গ্রামে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। পিছিয়ে নেই উপকূলবর্তী জেলাগুলিও। ডায়মন্ড হারবারে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দিঘায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাগরদ্বীপে ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। ক্যানিংয়েও ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি ছাড়িয়েছে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘‘আরও বেশি করে ভোট দিন’’, পাঁচ ভাষায় প্রথম বারের ভোটারদের আবেদন মোদির

    Lok Sabha Election 2024: ‘‘আরও বেশি করে ভোট দিন’’, পাঁচ ভাষায় প্রথম বারের ভোটারদের আবেদন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল শুরু হয়ে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। প্রথম দফায় ভোট হচ্ছে দেশের ১০২টি আসনে। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৩টি আসনও। এই তিনটি আসনই উত্তরবঙ্গে। এই আসনগুলির একটিতে ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির নিশীথ প্রামাণিকের। এদিন সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনও হচ্ছে একই সঙ্গে।

    প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ (Lok Sabha Election 2024)

    ভোট শুরু হতেই দেশবাসীকে গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যাঁরা এবারই প্রথম ভোট দেবেন, তাঁরা যাতে আরও বেশি করে গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হন, এক্স হ্যান্ডেলে পাঁচটি ভাষায় ট্যুইট করে সেই আবেদনই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (Lok Sabha Election 2024) লিখেছেন, “লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ আজ হচ্ছে। দেশের ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ১০২টি আসনে ভোট হচ্ছে। এই আসনগুলির ভোটারদের আমি অনুরোধ করছি রেকর্ড পরিমাণে ভোট দিন। আমি বিশেষত তরুণ এবং এবারই যাঁরা প্রথম ভোট দিচ্ছেন, তাঁদের অনুরোধ করছি আরও বেশি করে অংশগ্রহণ করুন ভোট-পর্বে। সব শেষে প্রতিটি ভোট গণনা হবে, প্রত্যেকের স্বর ম্যাটার করবে।”

    কোথায় কোথায় হচ্ছে ভোট

    প্রসঙ্গত, এদিন তামিলনাড়ুর ৩৯টি কেন্দ্রেই নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচন হচ্ছে উত্তরাখণ্ডের ৫টি, অরুণাচলের ২টি, মেঘালয়ের ২টি, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ১টি, মিজোরামের ১টি, নাগাল্যান্ডের ১টি, পুদুচেরির ১টি, সিকিমের ১টি এবং লাক্ষাদ্বীপের ১টি আসনেও। এদিনই মতদান করবেন রাজস্থানের ১২টি, উত্তরপ্রদেশের ৮টি, মধ্যপ্রদেশের ৬টি, আসাম এবং মহারাষ্ট্রের ৫টি করে, বিহারের ৪টি এবং পশ্চিমবঙ্গের ৩টি কেন্দ্রের ভোটাররাও। ভোট দিচ্ছেন ত্রিপুরা, ছত্তিশগড় এবং জম্মু-কাশ্মীরের ১টি করে কেন্দ্রের ভোটাররাও। মণিপুরের দুটি লোকসভা কেন্দ্রের একটিতেও চলছে ভোটগ্রহণ। তবে আউটার মণিপুর কেন্দ্রে নির্বাচন হবে দু’দফায়। একটি অংশে নির্বাচন হচ্ছে এদিন। ওই কেন্দ্রের বাকি অংশে ভোট নেওয়া হবে ২৬ এপ্রিল।

    এদিন বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর ভাগ্যও পরীক্ষা চলছে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন কোচবিহারের নিশীথ প্রামাণিক, নাগপুরের নীতিন গডকরি, অরুণাচল প্রদেশের কিরেন রিজিজু, বিকানেরের অর্জুন রাম মেঘওয়াল, ডিব্রুগড়ের সর্বানন্দ সোনোওয়াল, জম্মু-কাশ্মীরের উধমপুরে জিতেন্দ্র সিংহ, কংগ্রেস নেতা তথা মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের ছেলে নকুন নাথের (Lok Sabha Election 2024)।

    আরও পড়ুুন: বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের উৎসব শুরু, প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে দেশে

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share