Blog

  • India’s Most Wanted: পাক-মাটিতে খতম হয়েছে ২০জনেরও বেশি জঙ্গি নেতা, নেপথ্যে কারা?

    India’s Most Wanted: পাক-মাটিতে খতম হয়েছে ২০জনেরও বেশি জঙ্গি নেতা, নেপথ্যে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দু’বছরে পাকিস্তান এবং কানাডায় অজ্ঞাত পরিচিত বন্দুকবাজদের হামলার কারণে নিহত হয়েছে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা ২০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসবাদী (India’s Most Wanted)। এরা প্রত্যেকে লস্কর-ই-তৈবা, খালিস্তানপন্থী, হিজবুল মুজাহিদিন, জয়শ-ঈ-মহম্মদ প্রভৃতি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য বলে জানা গিয়েছে। পাকিস্তান সরকার যতই দাবি করুক যে তাদের মাটি ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চলে না, কিন্তু পাক ভূখণ্ডে রহস্যজনকভাবে সন্ত্রাসীদের এমন মৃত্যুই সিলমোহর দিচ্ছে পাকিস্তান সরকারের মদতে চলা জঙ্গি কার্যকলাপকে। অন্যদিকে একই কথা কানাডার ক্ষেত্রেও সত্য। খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠেছে কানাডা। আন্তর্জাতিকভাবে বিপুল জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা ‘দ্য গার্ডিয়ান’ দাবি করেছে যে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদীদের খতম করার জন্য ভারতের গুপ্তচররা নাকি এমন কাজ করছে। যদিও এর স্বপক্ষে প্রমাণ ওই সংবাদমাধ্যম দিতে পারেনি। ভারত সরকার ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর এমন বিবৃতিকে নস্যাৎ করেছে এবং বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এগুলোর পুরোটাই মিথ্যা এবং ভারত বিরোধী প্রচারের অংশ। প্রসঙ্গত ‘দ্য গার্ডিয়ান’ পত্রিকাতে (India’s Most Wanted) আরও দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের মাটিতে রহস্যজনকভাবে সন্ত্রাসবাদীরা নিহত হচ্ছে, এই কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তি নাকি ভারতের মধ্যে যথেষ্ট শক্তিশালী হচ্ছে।

    মোটর বাইকে চড়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা গুলি চালায়

    ২০২৩ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহতেই পাকিস্তানের তিনজন জঙ্গিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল (India’s Most Wanted)। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মোটরসাইকেলে চড়ে অজ্ঞাত পরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিরা এই হামলা চালায়।

    জঙ্গি মিঞা মুজাহিদ: খাজা শহীদ ওরফে মিয়া মুজাহিদকে অপহরণ করে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে শিরশ্ছেদ করা হয়। সে ছিল লস্করের সন্ত্রাসী এবং ২০১৮ সালের সুঞ্জুয়ানের একটি ভারতীয় সেনা ক্যাম্পে হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।

    জঙ্গি আক্রাম খান: অন্যদিকে, ৯ নভেম্বর ২০২৩ সালে লস্কর জঙ্গি আক্রাম খানকে গুলি করে হত্যা করা হয় পাখতুনখোয়াতে।

    জঙ্গি রহিম উল্লাহ তারিক: জয়েশ-ঈ-মহম্মদের জঙ্গি রহিম উল্লাহ তারিক যে ছিল মৌলানা মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, করাচিতে ১৩ নভেম্বর, ২০২৩ সালে অজ্ঞাত পরিচিত বন্দুকবাজরা তাকে গুলি করে হত্যা করে।

    জঙ্গি জহর মিস্ত্রি: ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে ভারতের বিমান অপহরণে জড়িত জহর মিস্ত্রিকে হত্যা করা হয় ২০২২ সালে।

    জঙ্গি শহীদ লতিফ: আবার ২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে শিয়ালকোটে হত্যা করা হয় জঙ্গি শহীদ লতিফকে। ২০১৬ সালের পাঠানকোট হামলার মূল ষড়যন্ত্রী ছিল শহীদ লতিফ।

    জঙ্গি মুফতি কাওসার ফারুক: ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসেই হত্যা করা হয় (India’s Most Wanted) মুফতি কাওসার ফারুককে। সে ছিল ২৬/১১-র মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সঈদের অন্যতম সহযোগী।

    জঙ্গি জিয়াউর রহমান: ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হত্যা করা হয় জিয়াউর রহমানকে। জানা যায় সে ছিল লস্কর-ই-তৈবার একজন কমান্ডার। করাচিতে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজরা এসে তাকে সরাসরি গুলি করে।

    জঙ্গি পরমজিত সিং পাঞ্জুয়ার: অন্যদিকে, ২০২৩ সালের মে মাসে লাহোরে নিজের বাসভবনে এর সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় পরমজিত সিং পাঞ্জুয়ারকে। জানা যায় সেও ছিল ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তালিকায়। সেখানে খালিস্তানি জঙ্গিদের নেতৃত্ব দিত সে।

    জঙ্গি বসির আহমেদ পীর ইমতিয়াজ আলম: ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হিজবুল কমান্ডার বসির আহমেদ পীর ইমতিয়াজ আলমকে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজরা (India’s Most Wanted) হত্যা করে রাওয়ালপিন্ডিতে একটি দোকানের সামনে। ঘটনাক্রমে হিজবুল কমান্ডার বসির আহমেদ পীরের মৃত্যুর পরেই এনআইএ জম্মু কাশ্মীরে তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে।

    জঙ্গি সালেম রাহমানি: অন্যদিকে সালেম রাহমানি নামে অন্য আরও একজন সন্ত্রাসবাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয় ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে। একইভাবে অজ্ঞাত পরিচিত বন্দুকবাজরা তাকে হত্যা করে। সেও ছিল ভারতের মোস্ট ওয়ান্টে জঙ্গি তালিকায়। জানা যায়, সে যখন নামাজ পড়তে আসে, তখনই তাকে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা গুলি করে।

    জঙ্গি মুল্লা সরদার হোসেন: ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে মুল্লা সরদার হোসেনকে সিন্ধ জেলায় হত্যা করা হয় গুলি করে।

    খালিস্থানপন্থী নেতা হারদীপ সিং নিজ্জর: অন্যদিকে গত বছরে ভারত কানাডা সম্পর্কেও চাপানউতোর শুরু হয় যখন খালিস্থানপন্থী নেতা হারদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যা করা হয় কানাডার মাটিতেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে ভোটের আগে মাও দমনে বিরাট সাফল্য, গ্রেফতার এক, আত্মসমর্পণ ১৫

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে ভোটের আগে মাও দমনে বিরাট সাফল্য, গ্রেফতার এক, আত্মসমর্পণ ১৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ঝাড়খন্ডে লোকসভা ভোট। এবার তার আগে বৃহস্পতিবার ১৫ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করল। জানা গিয়েছে, এই ধৃত মাওবাদীরা সকলে মাওবাদী নেতা মিসির বেসরার সঙ্গে সম্পর্কিত। আবার এদিন আরও একটি সরকারি বিবৃতি জারি করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, ঝাড়খন্ড (Jharkhand) ও আসামে অভিযান চালিয়ে নকশাল গোষ্ঠীর পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PLFI) এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভোটের আগে এটা নিরাপত্তা রক্ষীদের বিরাট সাফল্য।

    এনআইএ সূত্রে খবর

    এনআইএ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “বুধবার ঝাড়খন্ড ও আসামের দুটি স্থানে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় এনআইএ তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল। তার মধ্যে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) খুন্তি জেলা থেকে বিনোদ মুন্ডা ওরফে সুখওয়া নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এনআইএ (NIA) তল্লাশির সময় পিএলএফআই (PLFI) সম্পর্কিত নথি সহ দুটি ওয়াকি টকি, পাঁচটি মোবাইল, সিম কার্ড এবং ১১ হাজার নগদ টাকা সহ অনেকগুলি অপরাধে ব্যবহার করা যায় এমন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে। এর আগে ৩ লাখ টাকা, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ দুই অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছিল এই জেলা থেকেই।”

    তোলাবাজির মাধ্যমে টাকা আদায় চলত

    এখনও পর্যন্ত এনআইএ (NIA) যতদূর তল্লাশি করেছে তার ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, পিএলএফআই (PLFI) সদস্য এবং ক্যাডাররা ঝাড়খণ্ড (Jharkhand), বিহার, ছত্তিশগড় এবং ওড়িশার বিভিন্ন কয়লা ব্যবসায়ী, পরিবহনকারী, রেল ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলাবাজির মাধ্যমে নিজেদের তহবিল ভর্তির কাজে জড়িত ছিল। নিরাপত্তা রক্ষীরা অনেক দিন ধরেই সতর্ক ছিল।

    আরও পড়ুনঃ ইউক্রেনের বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া, ভাইরাল ভিডিও

    মাওবাদী দমননীতি অব্যাহত

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) পশ্চিম সিংভূম জেলায় কয়েক দশক ধরে পিএলএফআই (PLFI) সদস্যরা নাশকতামূলক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। মাও আশ্রিত কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থল ছিল এই জেলা। সেখানে বর্তমানেও সিপিআই মাওবাদীদের কিছু অবশিষ্ট গোপন আস্তানা রয়ে গেছে, যেখান থেকে দেশবিরোধী কাজ করা হয়। ফলে পিএলএফআই (PLFI) মামলা সম্পর্কিত বাকি তদন্ত এখনও অব্যাহত রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gopichand: মহাকাশে প্রথম ভারতীয় ‘পর্যটক’ গোপীচাঁদ, জানেন ইনি কে?

    Gopichand: মহাকাশে প্রথম ভারতীয় ‘পর্যটক’ গোপীচাঁদ, জানেন ইনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার  কোনও ভারতীয় পর্যটক হিসাবে মহাশূন্যে (Space) পাড়ি দেবেন গোপীচাঁদ থোটাকুরা। পৃথিবীর সীমানা পেরিয়ে মহাকাশে ঘুরে বেড়াবেন তিনি। আমেরিকার বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা ‘ব্লু অরিজিন’-এর ‘নিউ শেফার্ড-২৫ (এনএস-২৫)’ অভিযানে মহাকাশে পর্যটক হিসাবে যাচ্ছেন গোপীচাঁদ। 

    কে এই গোপীচাঁদ

    ‘ব্লু অরিজিন’-এর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ‘‘গোপীচাঁদ এমন একজন, যিনি গাড়ি চালানোর আগে বিমান কী ভাবে ওড়াতে হয়, তা শিখেছিলেন। গোপীচাঁদ বুশ, অ্যারোবেটিক এবং সিপ্লেন, গ্লাইডার এবং এয়ার বেলুন ওড়াতে পারেন। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিমানের পাইলট হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। দুঃসাহসিক অভিযানের অংশ হিসাবে সম্প্রতি কিলিমাঞ্জারোর পর্বতের চূড়ায় গিয়েছিলেন গোপী।” নিউ শেফার্ড-২৫ নামে এই মিশনে গোপীচাঁদের সঙ্গে যাবেন আরও পাঁচ জন। ব্লু অরিজিনসের তরফে জানানো হয়েছে, সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব উপায়ে এই মিশনের আয়োজন করা হয়েছে। তরল অক্সিজেন আর হাইড্রোজেনের শক্তিতে এই মহাকাশযানের ইঞ্জিন চলবে। কার্বন নিঃসরণও হবে না এই মহাকাশযান থেকে, কেবল জলের বাষ্প বের হবে।

    ছোট থেকেই টানে আকাশ

    গোপীচাঁদ থোটাকুরা পেশায় একজন উদ্যোগপতি। ৩০ বছর বয়সি গোপীচাঁদের জন্ম অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায়। তবে বরাবরই আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখেছেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই আকাশ নিয়ে প্রবল আগ্রহী গোপী। পড়াশোনা শেষ করেই বিমান কী ভাবে ওড়ে, তা শেখার দিকে ঝুঁকেছিলেন তিনি। বিমান ওড়ানোর প্রাথমিক শিক্ষার পর আরও দক্ষতা অর্জন করতে আমেরিকার ফ্লোরিডার ‘এম্ব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটি’ থেকে মহাকাশবিদ্যা নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন গোপীচাঁদ। 

    আরও পড়ুন: ৭৫ বছর পর! গঙ্গা আরতি কাশ্মীরের কুপওয়াড়ায় কিষাণগঙ্গা নদীতে

    কবে অভিযান

    এই অভিযান কবে বাস্তবায়িত হবে, সেই দিনক্ষণ এখনও ঘোষিত হয়নি। ব্লু অরিজিন একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এনএস-২৫ অভিযানে যে মহাকাশযান ব্যবহার করা হবে তার বুস্টার, ক্যাপসুল, ইঞ্জিন, ল্যান্ডিং গিয়ার এবং প্যারাসুট-সহ অনেক যন্ত্রই পুনর্ব্যবহারযোগ্য। নিউ শেপার্ডের ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসাবে তরল অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেন ব্যবহার করা হয়। ফলে কোনও জ্বালানির জন্য যে জলীয়বাষ্পের নির্গমন হয়, তাতে কোনও কার্বন থাকে না। এনএস-২৫ অভিযানে গোপীচাঁদ-সহ ছয় পর্যটক ‘ব্লু অরিজিন’ এর পার্শ্বসংস্থা ‘ক্লাব ফর দ্য ফিউচার’-এর একটি করে পোস্টকার্ড মহাকাশে নিয়ে যাবেন। সেই পোস্টকার্ড তরুণদের স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসাবে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Congress clash: অধীরের গড়ে কংগ্রেস দুষ্কৃতীদের দাদাগিরি! বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধর

    BJP Congress clash: অধীরের গড়ে কংগ্রেস দুষ্কৃতীদের দাদাগিরি! বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুরের (baharampore) স্কোয়ার ময়দানে একটি টিভি চ্যানেলের বিতর্ক (Debate) সভা চলাকালীন বিজেপির (BJP) যুব মোর্চার (youth morcha) সমর্থকদের ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ (BJP Congress clash) উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। মূল অভিযোগের তীর কংগ্রেস নেতা শিলাদিত্য হালদারের দিকে। তাঁর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী মিলে হামলা করেছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের এক বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমের দ্বারা আয়োজিত এই বিতর্ক সভায় বিজেপির উদ্দ্যেশে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়ার পর উত্তর দিতেই মারমুখী হয়ে ওঠে কংগ্রেস (congress) কর্মীরা। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরির গড়ে এই ঘটনা ঘটায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য (BJP Congress clash)

    মুর্শিদবাদ জেলার বিজেপি সহ-সম্পাদিকা অনামিকা ঘোষ বলেন, “বিতর্ক করতে শিক্ষিত সমাজের লোকেরা আসে। সেখানে কী করে এখানকার পাঁচটি টার্মের সাংসদ এইরকম দুষ্কৃতীদের পাঠালেন। তিনি কি ভয় পেয়ে গিয়েছেন? প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুষ্কৃতীরা ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তাদের উপর হামলা (BJP Congress clash) করে। কংগ্রেসের মহিলা কর্মীরা বিজেপির যুব মোর্চাকর্মীদের ব্যাপক মারধর করছে। তবে বিজেপির যুবকর্মীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের মহিলা কর্মীদের লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও পাশে তৃণমূলের সমর্থকেরা ছিল কিন্তু তারা গোটা ঘটনাপর্ব চলাকালীন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।”

    প্রতিবাদে থানা ঘেরাও

    এই রাজনৈতিক আক্রমণের ঘটনায় অশান্তির পর্ব শেষে বিজেপি (BJP) বহরমপুর (baharampore) থানা ঘেরাও করে। একইসঙ্গে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অবিলম্বে হামলাকারীদের (BJP Congress clash) গ্রেফতার করতে হবে। এরকম সমাজবিরোধী ও দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য যদি চলতে থাকে, তাহলে মানুষ ভোট দিতে পারবে না। অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বড় আন্দোলন করা হবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ ওড়িশায় লাভ জিহাদের শিকার তরুণী! খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দিল যুবক 

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    বিজেপি কর্মীদের এই হামলার (BJP Congress clash) ঘটনায়, পাল্টা কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়, “জনসমক্ষে নিজেদের কথা তুলে ধরতে না পেরে রণভঙ্গ করে বিজেপি ময়দান ত্যাগ করেছে। কংগ্রেসের কর্মীরা চিৎকার চেঁচামেচি কিছুই করেনি। হামলার ঘটনার সঙ্গে কংগ্রেস কোনও ভাবেই জড়িত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Parkinson’s Disease: গান, কবিতা কিংবা ছবি আঁকা, নিয়মিত চর্চা কমাতে পারে পারকিনসন্সের ঝুঁকি

    Parkinson’s Disease: গান, কবিতা কিংবা ছবি আঁকা, নিয়মিত চর্চা কমাতে পারে পারকিনসন্সের ঝুঁকি

     তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঘরের ভিতরে হাঁটাচলা করাও বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। নিজের হাতে ভাত মেখে খাওয়ার শক্তিটুকুও থাকে না। প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই মনে থাকে না। হাত-পায়ের পেশি একেবারেই কাজ করে না। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যায়। বয়স বাড়লে আরও বাড়ে জটিলতা। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে পারকিনসন্স (Parkinson’s Disease) রোগের দাপট। বাদ নেই কলকাতাও। তাই মধ্য পঞ্চাশ থেকেই দরকার সচেতনতার। এই জটিল রোগের দাপট রুখতে নিজের জন্য প্রয়োজন বাড়তি সময়।

    পারকিনসন্স কী? (Parkinson’s Disease)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পারকিনসন্স এক ধরনের স্নায়ুর সমস্যা। মস্তিষ্কের ভিতরে এক ধরনের অবক্ষয় হয়। এর জেরে হাত-পা কিংবা শরীরের বিভিন্ন অংশের গতির সমন্বয়ের অভাব দেখা দেয়। মস্তিষ্কের বিশেষ অংশের এই সমস্যার জেরেই হাত-পায়ে এক ধরনের কম্পন দেখা দেয়। ঠিকমতো হাঁটাচলা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই রোগ বংশানুক্রমিক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ অর্থাৎ বাবা বা মা, কেউ এতে (Parkinson’s Disease) আক্রান্ত হলে, তাদের সন্তানদেরও বয়স বাড়লে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। স্নায়ুরোগ‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় ৬০ বছরের পরে এই রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। তবে অনেকের আবার ৫০-এর মাঝামাঝিও‌ উপসর্গ দেখা দেয়। হাতের আঙুল অতিরিক্ত কাঁপা এই রোগের প্রাথমিক উপসর্গ বলে জানাচ্ছেন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই পরিবারের কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে কম বয়স থেকেই এই সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

    সৃজনশীল কাজ কি এই রোগের দাপট কমাতে পারে? (Parkinson’s Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পারকিনসন্সের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন সুস্থ জীবনযাপন। তাঁরা জানাচ্ছেন, মানসিক চাপ এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই মধ্য পঞ্চাশের পরেই নিজের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি। পরিবার ও কর্মজীবনের নানান দায়িত্ব পালনের মাঝেও নিজের জন্য সময় রাখা জরুরি। নিয়মিত ছবি আঁকা, গান শোনা ও গান গাওয়া কিংবা কবিতা লেখার মতো সৃজনশীল কাজের অভ্যাস তৈরি করতে হবে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের কাজে একদিকে মানসিক চাপ অনেক কমে। আবার হাত, পা এবং শরীরের একাধিক পেশি ও স্নায়ুর সক্রিয়তা বাড়ে‌। মস্তিষ্কের কাজ বাড়ে। ফলে রোগের ঝুঁকি কমে। 
    যোগাভ্যাস পারকিনসন্সের ঝুঁকি কমায়। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন এই রোগ (Parkinson’s Disease) আটকানোর পাশপাশি, যারা আক্রান্ত তাদের জীবনযাপন উন্নত করতেও নিয়মিত যোগাভ্যাস জরুরি। যোগাসন একদিকে শরীরের প্রত্যেক অঙ্গকে সক্রিয় রাখে, আবার মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। তাই পঞ্চাশ পেরলেই নিয়ম করে হাঁটাহাঁটির পাশপাশি যোগাভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন? (Parkinson’s Disease)

    কফি এবং বার্গার, হটডগের মতো খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কফিতে থাকে ক্যাফেইন। আর বার্গার, হটডগের মতো খাবারে থাকে স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই দুই উপাদান পারকিনসন্সের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই এর প্রকোপ রুখতে এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। 
    পাশপাশি নিয়মিত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি। এই উপাদান স্নায়ু সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। পাশাপাশি, পালং শাক, সবুজ আপেলের মতো ফল এবং সবজি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার। তাই এগুলো খেলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকবে। পারকিনসন্সের (Parkinson’s Disease) ঝুঁকি কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ganga Aarti: ৭৫ বছর পর! গঙ্গা আরতি কাশ্মীরের কুপওয়াড়ায় কিষাণগঙ্গা নদীতে

    Ganga Aarti: ৭৫ বছর পর! গঙ্গা আরতি কাশ্মীরের কুপওয়াড়ায় কিষাণগঙ্গা নদীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংস্কৃতির পুনরুত্থান। ৭৫ বছর পর গঙ্গা আরতি হল কাশ্মীরের কুপওয়াড়ায় কিষাণগঙ্গা নদীতে। উত্তর কাশ্মীরে সীমান্তের কাছে এই আরতি উপলক্ষে বহু মানুষের সমাগম হয়। দেশভাগের পর এই প্রথম কিষাণগঙ্গায় আরতি হল। নিস্তব্ধ প্রকৃতির কোলে গঙ্গা বন্দনা মনে শান্তি জাগায়।

    উপত্যকায় নতুন ভোর

    এই ঘটনা থেকে বোঝা যায় কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল করে মোদি সরকার কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসিবে কাশ্মীররকে তার পুরানো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কাশ্মীরে সংস্কৃতির প্রচার হচ্ছে। গঙ্গা আরতি হল উপত্যকায় এক নতুন ভোরের সূচনা এবং কাশ্মীরের সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার অনুসন্ধান। সীমান্তের কাছে  টিটওয়াল অঞ্চলে পবিত্র আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গঙ্গারতি করা হয়।  উত্তর কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) কাছে নবনির্মিত এই ঘাট, শারাদেশের ভক্ত এবং তীর্থযাত্রীদের জন্য বিশেষ ঐতিহ্য বহন করে। এর ধারে শারদা মন্দির হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পেরে কাশ্মীরী পণ্ডিতরা খুব খুশি। 

    গত বছরই জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় মা শারদা মন্দিরের উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কর্তারপুর স্টাইলে করিডোর তৈরি জন্য শারদা মন্দির কমিটির আবেদনও ভেবে দেখছে সরকার। স্বাধীনতার আগে কুপওয়ারার টিটওয়ালে মা শারদার মন্দির ছিল। ওই সময় কিষাণগঙ্গা নদীর তীরে একটি গুরুদ্বারের সংলগ্ন এলাকায় ছিল মন্দিরটি। কিন্তু ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পাক হানাদারদের হাতে ধ্বংস হয় মন্দিরটি। ঘটনার কয়েক বছর পর থেকেই ওই এলাকায় ফের মা শারাদা মন্দির তৈরির দাবি উঠছিল। প্রায় ৭৬ বছর পর মন্দিরটি ফের তৈরি করে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এবার কিষাণগঙ্গা নদীতে শুরু হল আরতি। ঐতিহাসিকদের দাবি, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের এই শারদা মন্দিরের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। ভারতীয় উপমহাদেশ তো বটেই, মধ্য এশিয়া থেকেই পুণ্যার্থীরা এখানে আসতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Attacks On BJP: বাঁকুড়ায় বিজেপির প্রচার গাড়িতে আক্রমণ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    Attacks On BJP: বাঁকুড়ায় বিজেপির প্রচার গাড়িতে আক্রমণ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) প্রচার গাড়ির ওপর হামলার (Attacks On BJP) অভিযোগের আঙুল উঠল তৃণমূলের (TMC) দিকে। বুধবার রাতে বিজেপির একাধিক প্রচার গাড়িতে ব্যাপক হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। বাঁকুড়ার (bankura) ইন্দাস থানার খোসবাগ এলাকায় রাতের অন্ধকারে গাড়িগুলি ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটে। শুধুমাত্র গাড়ি ভাঙচুরই নয় পাশাপাশি গাড়িতে থাকা প্রচারের সব ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলে হামলাকারীরা। একই ভাবে কর্মীদের করা হয় ব্যাপক মারধর। তবে ঘটনায় অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

    বিজেপির অভিযোগ

    এই হামলার (Attacks On BJP) ঘটনায় স্থানীয় বিজেপির এক নেতা বক্তব্য দিয়ে বলেন, “এদিন রাতে নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিকশিত ভারতের প্রচার মূলক দুটি গাড়ি বর্ধমানের খণ্ডঘোষ এলাকা থেকে ইন্দাসের দিকে যাচ্ছিল। কারণ শুক্রবার ইন্দাস এলাকায় বিকশিত ভারতের একটি প্রদর্শনী হওয়ার কথা ছিল। তবে বৃহস্পতিবার রাতেই ইন্দাসের খোসবাগ এলাকায় আসতেই বিকশিত ভারতের ওই দুটি গাড়ির উপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। সেই সঙ্গে চলে ব্যাপক ভাংচুর এবং বিজেপি কর্মীদের উপর চলে ব্যাপক মারধর। তবে ভয় দেখিয়ে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। মানুষ ভোটে জবাব দেবেন।”

    অভিযোগ নিতে অস্বীকার পুলিশের (Attacks On BJP)

    ঘটনায় গাড়ির চালকেরা ইন্দাস থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে ইন্দাস থানার পুলিশ (police) সেই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন। এরপরে ই-মেলের মাধ্যমে পুলিশকে ও নির্বাচন কমিশনকে গোটা ঘটনাটি জানায় বিজেপি নেতৃত্ব। একই সঙ্গে এই ঘটনার কড়া নিন্দা করে রাজ্যের শাসক দলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি জেলা নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুনঃ “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব”- তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলীপের

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে গোটা ঘটনাটিকে বিজেপির সাজানো বলে দাবি করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বরং বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ (saumitra khan) নিজের দলের লোকেদের দিয়ে ভাঙচুর (Attacks On BJP) করিয়ে সমবেদনা আদায়ের চেষ্টা করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদের শিকার তরুণী! খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দিল যুবক

    Love Jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদের শিকার তরুণী! খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দিল যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসল পরিচয় গোপন করে, রীতিমত হিন্দু নাম নিয়ে হিন্দু তরুণীকে লাভ জিহাদের শিকারের অভিযোগ উঠল মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। শুধু তরুণীকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে রেহাই মেলেনি,  বিয়ের পর একেবারে খুন করে নদীতে ভাসিয়ে স্বস্তি নিয়েছে মুর্শিদাবাদের যুবক (Murshidabad) রাজু শেখ (Raju Sheikh)। ভয়ঙ্কর এই খুনের ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার (Odhisha) ভুবনেশ্বরে। অভিযুক্ত রাজু শেখ সহ আরও দুজন সাগরেদকে গ্রেফতার করেছে ধৌলি (Dhauli) থানার পুলিশ। ঘটনায় সারা দেশে ব্যাপক চাঞ্চাল্য ছড়িয়েছে।

    ফোনে তরুণীকে প্রেম ফাঁসায়

    চলতি এপ্রিল মাসের ৮ তারিখ ওড়িশার ধৌলি পুলিশ থানা এলাকার দয়া নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হয়েছে এক তরুণীর মৃতদেহ। পুলিশ তদন্ত নেমে ওই তরুণীকে ভাগ্য ডাকুয়া (Bhagya Dakua) (১৯) নামে শনাক্ত করেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি মোটর বাইক উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত নেমে মূল অভিযুক্ত সহ অপর দুই যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের রাজু শেখ কর্মসূত্রে ওড়িশায় থাকছিল। সেখানে একদিন ভাগ্য-র সঙ্গে আলাপ হয় তার। এরপর ফোনে তরুণীকে প্রথমে নিজের নাম রাজু এবং ধর্ম হিন্দু জানিয়েছিল। এরপর উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    ধর্ম পরিবর্তনের জন্য জোর করা হয়

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণীকে পরিবার থেকে বের করে ভুবনেশ্বরের (BhuBaneswar) কাছে শিশুপালগড় (Sishupalgarh) এলাকায় দুজনেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে থাকতে শুরু করেছিল। এর পরেই নেমে আসে তরুণীর উপর ধর্মপরিবর্তনের চাপ। ভাগ্য জানতে পারে, রাজু হিন্দু নয় মুসলিম। এরপর নিজের ধর্ম ছাড়তে নারাজ হয় তরুণী। কিন্তু ভাগ্যের উপর ধর্মপরিবর্তনের প্রবল চাপ দিয়ে চলে অকথ্য অত্যাচার। শেষ পর্যন্ত ধর্মপরিবর্তনে রাজি না হওয়ায় তাকে খুন করে দয়া নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।

    তরুণীর পরিবারের বক্তব্য

    তরুণীর পিতা হিনা ডাকুয়া বলেন, “তিন মাস আগে এক যুবক আমার মেয়েকে মিথ্যা প্রেমের নাটক করে বাড়ি থেকে নিয়ে চলে যায়। এরপর কয়েকজন মিলে মেয়েকে খুন করার পর দেহ দয়া নদীতে ভাসিয়ে দেয়। আমরা দোষীর ফাঁসি চাই।” পুলিশ তড়িঘড়ি  করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এই বিষয়ে ধৌলি থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক কিশোর নায়ক বলেন, “তরুণীর দেহ উদ্ধারের পর পাওয়ার ঘটনাস্থল থেকে আরও দুটি মোটরবাইক উদ্ধার হয়। এরপর তিন যুবককে আটক করা হয়। মূল অভিযুক্তকে মুর্শিদাবাদ জেলার রাজু শেখ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবিষয়ে আরও তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।”

    আরও পড়ুনঃ বাঁকুড়ায় বিজেপির প্রচার গাড়িতে আক্রমণ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে আইনের ভাবনা

    প্রসঙ্গত লাভ জিহাদের (Love Jihad) ঘটনা কাল্পনিক বলে তথাকথিত সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ দাবি করলেও এই ঘটনা সমাজে মাঝে মাঝেই ঘটে চলেছে। তারপরও একের পর এক লাভ জিহাদের ঘটনা নাড়িয়ে দিচ্ছে গোটা সমাজকে। এই ধরনের ঘটনা ঘটায় সমাজের অপর আরেক শ্রেণীর মানুষ তীব্র প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, দিল্লি, মুম্বাই, কর্ণাটক, কেরল এবং বাংলায় ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। একাধিক রাজ্যে, নিজের পরিচয় আত্মগোপন করে বিবাহ এবং বিবাহের পর কন্যার ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়ের উপর আইন তৈরি করার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য ভারতবর্ষের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদশে, পাকিস্তানে রীতিমত ফতোয়া জারি করে লাভ জেহাদের বিষয়কে পুরস্কার হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। জমিয়তে আহলে হদিশ নামে এক সংগঠন, ব্রাহ্মণ নারী হলে তিন লাখ ও অব্রাহ্মণ হিন্দু নারীকে লাভ জিহাদের শিকার করলে দুই লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA News: কাঁথি থেকে ধৃত বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণে জড়িত দুই সন্দেহভাজন! কীভাবে খোঁজ পেল এনআইএ?

    NIA News: কাঁথি থেকে ধৃত বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণে জড়িত দুই সন্দেহভাজন! কীভাবে খোঁজ পেল এনআইএ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণকাণ্ডে বাংলা থেকে গ্রেফতার দুই সন্দেহভাজন। মুসাভির হুসেন শাহিব ও সহযোগী আবদুল মথিন তাহাকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (NIA News)। এরা দুজনেই বেঙ্গালুরু ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের  মাস্টারমাইন্ড বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। কলকাতার উপকণ্ঠেই গা ঢাকা দিয়ে ছিল এই দুই অভিযুক্ত। কাঁথি থেকে এনআইএ-র জালে ধরা পড়ে তারা।

    কীভাবে গ্রেফতার

    গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর (Bengaluru Blast) রামেশ্বরম ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এনআইএ সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর তারা বাংলায় এসে আত্মগোপন করেছিল। বেশ কয়েক দিন ধরে তাঁরা এই রাজ্যে পরিচয় গোপন করে থাকছিলেন। ২৮ দিন ধরে রাজ্য়ের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেরিয়েছে তারা। তারই মধ্যে ধৃত মুসাভির হুসেন শাহিব মহম্মদ জুনের শাহিব নামে ভুয়ো ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়েছিল। আবদুল মাথিন আহমেদ তাহা বিগনেস ওরফে সুমিত নামে ভুয়ো আধার কার্ডও বানিয়েছিল।  দু-তিন দিন আগে অন্য় নাম ব্য়বহার করে নিউ দিঘার একটি হোটেলে ওঠে দুই সন্দেহভাজন। সূত্রের খবর, তাদের ধরতে রাজ্য় পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এনআইএ (NIA News)। পরিকল্পনা মতো বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হোটেলে হানা দিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। নিখোঁজ দুই সন্দেহভাজন জঙ্গির নামেই ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। তার পরিণাম পাওয়া গেল শুক্রবার। ধৃতের মধ্য়ে একজন রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড বলে কেন্দ্রীয় গোয়ন্দা সংস্থা সূত্রে দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর ইলেকট্রনিক গেজেট, ল্য়াপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘মায়ের শেষ যাত্রাতেও থাকতে দেয়নি, মেলেনি জামিন’ জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ রাজনাথের

    কীভাবে খোঁজ মেলে

    বিস্ফোরণের (Bengaluru Blast) পরেই ওই ক্যাফের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল, এক যুবক ক্যাফের ভেতরে একটি ব্যাগ রেখে আসে, ঘন্টাখানেক পর তা থেকেই ঘটে বিস্ফোরণের ঘটনা। বিস্ফোরণ কাণ্ডে জড়িত মূল অভিযুক্ত মুজাম্মিল শরিফকে আগেই আটক করা হয়েছিল। খোঁজ চলছিল সন্দেহভাজন বাকি দুজনের। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ওই দুজনকে আটক করে। শুক্রবার এনআইএ, পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, কর্ণাটক ও কেরল পুলিশের যৌথ অভিযানে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এনআইএর সঙ্গে ছিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি দলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব”- তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব”- তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা সরব বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। ভোটের মুখে এর আগেও বারংবার শিরোনামে উঠে এসছেন দিলীপ ঘোষ। এবার আরও একবার শাসক দলকে নিশানা করলেন তিনি। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন দিলীপ ঘোষ। বর্ধমানের ডিভিসি বাংলোর পাশের ময়দানে প্রাতভ্রমণে (morning walk) বের হন তিনি। সেখান থেকে বাজার হয়ে যান নীলপুর শ্রীগুরু সঙ্ঘের একটি আশ্রমে। সেখানেই তৃণমূলের গুন্ডামির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

    বিজেপির অস্ত্র ভোট (Dilip Ghosh)

    প্রচারের মাঝে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) একাধিক বিষয়ে মত প্রকাশ করেন। তৃণমূলের চেলা কাঠ প্রসঙ্গে উত্তর দিয়ে বলেন, “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব। যে যা ইচ্ছা বলবে, ওই দিন চলে গিয়েছে। আমরাও পাল্টা বলব। বিজেপির (BJP) কিছু লাগে না। ভোটই (vote) অস্ত্র আমাদের। মানুষ ওটা দেবে আমাদের, এভাবেই হারাবো তৃণমূলকে।” একই ভাবে অনন্ত মহারাজ দলে আসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনন্ত মহারাজ অনেক দিন বাইরে থেকে সাপোর্ট করেছেন। এবারে যোগ দিয়ে দলের হয়ে কাজ করছেন। এটা ভালো কথা।”

    শাহজাহান প্রসঙ্গে কী বললেন?

    শাজাহানের প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “শাজাহানকে (sheikh shahjahan) টিএমসি (TMC) ব্যবহার করেছে। তৃণমূলের হয়ে টাকা তুলেছেন তিনি। দুমাস চেষ্টা করল তাঁকে রক্ষা করতে। এখন তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে সিবিআই তদন্ত করলে আরও অনেকে ধরা পড়বেন।” উল্লেখ্য গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের শিবিরে ঢুকে ভাষণ দিয়েছেন, শরবত খেয়েছেন দিলীপ। তা নিয়ে প্রশ্ন এলে তিনি বলেন, “কোনও রঙ কারও কেনা নয়। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা আমায় ডেকেছেন। আমায় ভাষণ দিতেও বলে ছিলেন ওঁরা। রাজনীতি (politics) ছাড়া কিছুই বোঝে না তৃণমূল। ভালোবেসে খাওয়ালে শরবতও মিষ্টি লাগে। ওঁরা কাল ভালোবেসে খাইয়েছেন। যাঁরা আমার গাড়িতে হামলা করত তাঁরাই যদি শরবত খাওয়ায় তাহলে বুঝতেই পারছেন পরিস্থিতি কেমন এখন।”

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূলকে ভোট না দিলে ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকি চোপড়ার বিধায়কের

    কীর্তি আজাদ প্রসঙ্গে কী বললেন?

    কীর্তি আজাদ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “আমি বলেছিলাম একসপ্তাহ পরে দেখবেন। কীর্তি আজাদ (kirti azad) অনেক বড়বড় কথা বলে ছিলেন। মনোনয়নের আগেই বুঝবেন কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি লাল মেঘ দেখছেন। লাল মেঘ দেখলে গরু যেমন লাফায় তেমন লাফাচ্ছেন।” আবার নিয়োগ মামলায় এফআইআর প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এফআইআর হয়েছে। মানুষ ক্ষুদ্ধ, বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে মানুষ আশাহত হবেন। এবারে আশাকরি ওঁরা সাজা পেয়ে যাবেন।” বিনয় তামাং প্রসঙ্গে তিনি আবার বলেন, “বিনয় তামাং (binay tamang) এন্ড কোম্পানি আমার উপর হামলা করেছিল। আমার এফআইআর নেয়নি সেই সময়। এখন এফআইআর হয়েছে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share