Blog

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১৮/০৪/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১৮/০৪/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি আপনাদের জন্য সমস্যায় ভরপুর।

    ২) সাবধানে সমস্ত কাজ করুন।

    ৩) বিরোধীদের সামনে সতর্ক থাকতে হবে।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) পরিশ্রমের ফল পাবেন এই রাশির জাতক।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি শুভ।

    ২) কাজকর্মে ভালো ফলাফল লাভ করবেন।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি সমস্যায় ভরপুর।

    ২)  প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য অধিক চেষ্টা করতে হবে।

    ৩) কাজে মনোনিবেশ করুন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি নানান ওঠাপড়ার মধ্য দিয়ে কাটবে। 

    ২) একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) দৈনন্দিন কাজে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) স্বাস্থ্যের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় দিন এটি। অসম্পূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হতে পারে।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি শুভ ও উৎকৃষ্ট থাকবে।

    ২) কাজে সাফল্য লাভের করবেন।

    ৩) নিজের পরিশ্রমের ফল ভোগ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজ নিজের ওপর মনোনিবেশ করুন। 

    ২) চিন্তাভাবনা স্পষ্ট করুন।

    ৩) নতুন কাজ শুরুর আগে ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করে নিন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) কাজে সাফল্য লাভ করবেন এবং ধন লাভ হবে।

    ৩) আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ পাবেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি কঠিন। 

    ২) মনের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের চিন্তা দেখা দেবে।

    ৩) পারিবারিক বিষয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) পুরনো লগ্নির দ্বারা ভালো রিটার্ন পাবেন।

    ৩) চাকরিজীবী জাতকদের পদোন্নতি ও বেতনবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত কঠিন।

    ২) জীবনে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকুন।

     

     

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: রাত পোহালেই ভোট! নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা নির্বাচন ২০২৪

    Lok Sabha Elections 2024: রাত পোহালেই ভোট! নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা নির্বাচন ২০২৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই শুরু হবে দেশের ১৮তম লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। আগামী ১৬ জুন শেষ হচ্ছে চলতি লোকসভার মেয়াদ। তার আগেই ৪ জুন ফল ঘোষণা হবে এবারের নির্বাচনের। ২০১৯ সালে গত লোকসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছিল এনডিএ (NDA)। প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতা দখলে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর থার্ড টার্ম নিয়ে আশাবাদী। 

    ভোটের সময়কাল

    দেশে সাধারণ নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) শুরু হচ্ছে ১৯ এপ্রিল থেকে। ৭ ধাপের এই নির্বাচন শেষ হবে ১ জুনে। ভারতে শাসনভার কাদের হাতে থাকবে– পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভা নির্বাচনে জয়-পরাজয়ই তা নির্ধারণ করবে। বিপুল সংখ্যক ভোটার এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন। ফলে এই নির্বাচন হতে চলেছে বিশ্বে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নির্বাচন। লোকসভায় মোট ৫৪৩ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গড়তে কোনও দল বা জোটকে কমপক্ষে ২৭২ টি আসন পেতে হবে। ১৩১ টি আসন আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্য সংরক্ষিত। এই গোষ্ঠীগুলোকে সরকার পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠী হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    বিজেপির বিরুদ্ধে কারা

    এনডিএ-কে (NDA) ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধভাবে তৈরি করেছে ইন্ডিয়া জোট (INDIA Alliance)। যেখানে রয়েছে কংগ্রেস (Congress), তৃণমূল কংগ্রেস (TMC), ডিএমকে (DMK), বামফ্রন্ট, সমাজবাদী পার্টি, আম আদমি পার্টি (AAP) সহ দেশের ২৪টি বিরোধী রাজনৈতিক দল। এই জোটের চেয়ারপার্সন মল্লিকার্জুন খাড়গে। BJP-কে ক্ষমতাচ্যুত করার টার্গেট নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে ইন্ডিয়া জোট। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো বলছে, মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও এর মিত্ররা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচনে জয়ী হবে। লোকসভার সবচেয়ে বড় দলের নেতা বা জোটের নেতা সাধারণত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভা গঠন করেন, যারা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকেন। ২০১৯ সালের নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একাই ৩০৩ টি আসন পেয়েছিল। আর বিজেপি’র জোট ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটি অ্যালায়েন্স পেয়েছিল ৩৫২ টি আসন। কংগ্রেস দল মাত্র ৫২ টি আসন জিততে পেরেছিল।

    বিজেপি সরকারের সাফল্য

    ২০১৪ সালের নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) ভারতের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে পাল্টে দিয়েছে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় এসে দেশের ওপর কংগ্রেসের দখল ভেঙে দিয়েছেন। বিশ্বে ভারত এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে। ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি এবং আমেরিকার সঙ্গে ভাল সম্পর্কের কারণে বিশ্বে ভারতের অবস্থান একটা শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে গিয়েছে। আমেরিকা চায় চিনের বিরুদ্ধে ভারতকে তাদের মিত্র করে রাখতে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের ৮০ কোটি গরিবের জন্য একাধিক উদার কল্যাণমূলক কর্মসূচি চালু করেছেন। এর মধ্যে বিনা মূল্যে শস্য সরবরাহ এবং কম আয়ের পরিবারের নারীদের মাসে ১ হাজার ২৫০ টাকা ভাতা দেওয়ার মতো বিষয় রয়েছে।

    কোন কোন তারিখে ভোট? 

    ভারতজুড়ে বিভিন্ন স্থানে ৭ টি তারিখে ভোট গ্রহণ চলবে। প্রথম দফার ভোট হবে ১৯ এপ্রিল। এরপর ২৬ এপ্রিল, ৭ মে, ১৩ মে, ২০ মে, ২৫ মে’র ভোটের পর ১ জুন সর্বশেষ দফার ভোট হবে। ফল ঘোষণা হবে ৪ জুন। লোকসভা আসন কম এমন কয়েকটি রাজ্যে মাত্র একদিনই ভোট হবে। কিন্তু, যেসব রাজ্যে আসন বেশি সেখানে কয়েক দফায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে।  সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ভারতের জনসংখ্যা। এর সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচনের সময়ও দীর্ঘ হয়েছে। যেমন: ১৯৮০’র দশকে ভোটের পুরো সময়টা ছিল মাত্র চারদিন, ২০১৯ সালে তা দাঁড়ায় ৩৯ দিনে, আর ২০২৪ সালে এসে ভোট হচ্ছে ৪৪ দিনব্যাপী। মোট ৫৪৩টি লোকসভা আসনে নির্বাচনের পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচন হবে চার রাজ্যে। একইসঙ্গে বিধানসভা উপনির্বাচন হবে ১৩টি রাজ্যে।

    আরও পড়ুন: অন্ধকার গর্ভগৃহে রামলালার ললাটে তিলক আঁকল সূর্যরশ্মি, বিজ্ঞানের আশ্চর্য প্রয়োগ

    কেন এত দীর্ঘ ভোট?

    একাধিক দফায় ভোট গ্রহণের মূল কারণ হচ্ছে, নির্বাচনকে (Lok Sabha Election 2024) সামনে রেখে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করতে হয়। নির্বাচনী হিংসা প্রতিরোধ থেকে শুরু করে ভোট জালিয়াতি ঠেকানো নির্বাচনে একটি বড় কাজ। ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তাকর্মীদের পর্যাপ্ত উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই ভোটগ্রহণ ধাপে ধাপে করা হয়। ভোটদানের জন্য লাখ লাখ ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। ভোটাররা এই যন্ত্র ব্যবহার করে প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে পারবেন কিংবা উল্লিখিত প্রার্থীদের ‘কেউ না’ বিকল্পটি বেছে নিতে পারবেন।

    কারা ভোট দেবেন?

    বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটির বেশি। এর মধ্যে ৯৬ কোটি ৯০ লাখ ভোটার এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন, যা বিশ্বের জনসংখ্যার হিসাবে ৮ জনে ১ জন। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি ভোটার পাঁচ বছরের জন্য পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৫৪৩ জন সদস্যকে নির্বাচিত করবেন। ভোটারদেরকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। তাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে। ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং বৈধ ভোটার পরিচয়পত্র থাকতে হবে। বিদেশে বাস করা ১ কোটি ৩৪ লাখ ভারতীয়ও ভোট দিতে পারবে। তবে ভোট দেওয়ার জন্য তাদেরকে নিবন্ধন করতে হবে এবং ভারতে ফিরে আসতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Eelections 2024: তৃণমূলের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতির বন্যা, মোদি ফিরছেন জেনেই হাটুরে রাজনীতি!

    Lok Sabha Eelections 2024: তৃণমূলের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতির বন্যা, মোদি ফিরছেন জেনেই হাটুরে রাজনীতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন শুরুর ঠিক দু’দিন আগে ইস্তাহার প্রকাশ করল তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের ক্যাপ্টেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্ডি জোটে রয়েছেন। অথচ পৃথকভাবে প্রকাশ করেছেন ইস্তাহার (Lok Sabha Eelections 2024)। তাতে দেওয়া হয়েছে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। যদিও ইস্তাহারের কোথাও প্রতিশ্রুতি পূরণের দিশা দেখানো নেই। ইস্তাহারে যে দশটি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০ শপথ হিসেবেই তুলে ধরেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

    মার্গ দর্শন কই? (Lok Sabha Eelections 2024)

    কংগ্রেসের ইস্তাহারের পোশাকি নাম ছিল ‘ন্যায়পত্র’। বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্র’। তৃণমূলের অবশ্য এমন কোনও নাম নেই। রয়েছে (মিথ্যা) প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি। তোষণ, তুষ্টিকরণ এবং সস্তার রাজনীতি করতে যা যা উপাদানের প্রয়োজন, তা সবই মজুত রয়েছে ঘাসফুল আঁকা দুই মলাটের মাঝে থাকা ইস্তাহারের পৃষ্ঠায়। যে (Lok Sabha Eelections 2024) দশটি শপথ নিয়েছে তৃণমূল, তার কোথাও বেকারত্ব সমস্যার সমাধানের উল্লেখ নেই। উল্টে রয়েছে দান-খয়রাতির হাটুরে রাজনীতি। জবকার্ড হোল্ডারদের ১০০ দিনের কাজের গ্যারান্টি দেওয়া হবে ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে। বাস্তবে আমরা কী দেখেছি? দেখেছি, একশো দিনের কাজে খরচ করা যায়নি পুরো কেন্দ্রীয় বরাদ্দ। অনেক সময়ই তা গিয়েছে ফেরত।

    জনগণকে নিখাদ ধোঁকা!

    বিরোধীদের অভিযোগ, যারা তৃণমূলের ধামাধরা, জবকার্ডে কাজ পেয়েছে তারাই। তার মজুরির একটা বড় অংশ ঢুকেছে তৃণমূল নেতাদের পকেটে। দারিদ্রসীমার নীচে প্রত্যেক পরিবারকে বছরে ১০টি করে মুফতে গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। খয়রাতির সেই টাকা কোথা থেকে আসবে, তার কোনও দিশা নেই বাজেটে। ওবিসি, এসসি-এসটি যুবকদের উচ্চশিক্ষা বৃত্তি বাড়ানো হবে। বার্ধক্যভাতা বাড়িয়ে করা হবে হাজার টাকা। বিরোধীদের অভিযোগ, মাগ্গিগণ্ডার বাজারে দৈনিক এই ৩৩ টাকার কিছু বেশি পয়সায় কী হয়! পেট্রল-ডিজেল ও সিলিন্ডার দেওয়া হবে স্বল্পমূল্যে। সেই মূল্যটি কত, তা বলা হয়নি। যেমন বলা হয়নি, কাঁড়ি কাঁড়ি ভর্তুকির টাকা আসবে কোত্থেকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কোনও একতা নেই, ছন্নছাড়া’’, ইন্ডি জোটকে তুলোধনা অমর্ত্য সেনের

    ২৫ বছর পর্যন্ত সব স্নাতক ও ডিপ্লোমাধারীদের দক্ষতা বাড়াতে শিক্ষানবিশ হিসেবে প্রতিশিক্ষণ দেওয়া হবে। তবে তার পরে তাঁদের কোথায় নিয়োগ করা হবে, শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করে হা-শিল্পের রাজ্যে তাঁরা কোথায় কাজ করবেন, সেই মার্গ দর্শনও করানো হয়নি তৃণমূলের ইস্তাহারে। মোদি সরকারের যে তিনটি প্রতিশ্রুতি পূরণ হলে দেশ এগিয়ে যেত একলপ্তে অনেকখানি, তৃণমূলের ইস্তাহারে সেখানে পেছন থেকে টেনে ধরা হয়েছে। সিএএ লাগু হয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের ইস্তাহারে বলা হয়েছে, ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে সিএএস, এনআরসি এবং ইউসিসি প্রয়োগ করা হবে না।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, ইস্তাহারের ছত্রে ছত্রে স্পষ্ট তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিচারিতা। তিনি ইন্ডি জোটে থেকেও পৃথক ইস্তাহার প্রকাশ করেছেন, রাজ্যে ইন্ডির বাকি শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতা করেননি। যার জেরে রাজ্যের প্রায় সব আসনেই ত্রিমুখী বা চতুর্মুখী লড়াই হতে চলেছে। যার ফয়দা তুলবে বিজেপি। তাহলে কী ফের মোদি সরকার আসছে জেনেই ইস্তাহারে মিথ্য প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী (Lok Sabha Eelections 2024)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: রাজ্যপালকে কোচবিহারে যেতে নিষেধ করল কমিশন, কেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: রাজ্যপালকে কোচবিহারে যেতে নিষেধ করল কমিশন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে কোচবিহার যেতে নিষেধ করল নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Elections 2024)। মঙ্গলবার রাজভবনের তরফে কমিশনকে রাজ্যপালের কোচবিহার সফরসূচির বিষয়ে জানানো হয়। তার পরেই রাজ্যপালকে যেতে নিষেধ করে কমিশন। রাজভবনে ইমেইল করে তা জানিয়েও দেওয়া হয়। 

    কমিশনের বক্তব্য (Lok Sabha Elections 2024)

    শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন। এই দফায় নির্বাচন হবে উত্তরবঙ্গের তিন আসনেও। ১৭ এপ্রিল সন্ধে ছ’টায় শুরু হয়ে গিয়েছে সাইলেন্স পিরিয়ড। ভোটের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নিরাপত্তা কর্মীরা (Lok Sabha Elections 2024)। এমতাবস্থায় হাই প্রোফাইল কোনও ব্যক্তি সেখানে গেলে তাঁর নিরাপত্তার প্রয়োজন হবে। সেই কারণে প্রয়োজন হবে ফোর্সের। এই মুহূর্তে যা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই কমিশনের বক্তব্য।

    সাইলেন্স পিরিয়ড

    প্রসঙ্গত, সাইলেন্স পিরিয়ড শুরু হয়ে গেলে কোনও নির্বাচনী কেন্দ্রে রাজনৈতিক কোনও ব্যক্তিত্ব যিনি ওই কেন্দ্রের ভোটার নন, তিনিও যেতে পারেন না। যেতে পারেন না হাই প্রোফাইল কোনও ব্যক্তিত্বও। রাজ্যপালের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যপালকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকতে হয় জেলাশাসক, পুলিশসুপারকে। তাঁরা সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন নির্বাচনের কাজে। এই সব কারণে রাজ্যপালকে কোচবিহার সফরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে কমিশনের তরফে (Lok Sabha Elections 2024)।

    আরও পড়ুুন: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    শুক্রবার যে তিনটি আসনে লোকসভা নির্বাচন হবে, তার একটি কোচবিহার। এই কেন্দ্রে বিজেপির বাজি বিদায়ী মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। এই কেন্দ্রেরই শীতলকুচি, ভেটাগুড়ি-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে অশান্তির খবর। দিনহাটা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ সফরে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। নির্বাচনের দিন কোচবিহারে থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভোট প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে কমিশনের তরফে নিষেধ করায় আপাতত স্থগিত হয়ে গেল রাজ্যপালের কোচবিহার সফর (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: অর্জুনের গড়ে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় জনজোয়ার, ব্যাপক উচ্ছ্বাস রাম ভক্তদের

    Ram Navami 2024: অর্জুনের গড়ে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় জনজোয়ার, ব্যাপক উচ্ছ্বাস রাম ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী হওয়ার পর অর্জুন সিংয়ের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়়ে বিজেপিতে যোগদানপর্ব লেগেই রয়েছে। বারাকপুর লোকসভার একাধিক বিধানসভায় তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামিয়েছে তৃণমূল। এই আবহে রাম নবমীতে (Ram Navami 2024) কেমন আয়োজন করা হবে তার দিতে তাকিয়েছিলেন সকলে। বুধবার অর্জুনের নেতৃত্বের রাম নবমীর শোভাযাত্রায় ভিড় উপচে পড়ল।

    রামভক্তদের ভিড়ে বারাকপুর শিল্পাঞ্চল অবরুদ্ধ হয়ে যায় (Ram Navami 2024)

    বুধবার বিকেলে ভাটপাড়ার আর্য সমাজ মোড় থেকে কাঁকিনাড়া বাজার হয়ে হনুমান মন্দির পর্যন্ত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতৃত্বে রাম নবমীর (Ram Navami 2024) মিছিল হয়। সেই মিছিলে আবির খেলা, বাজি ফাটানো, ডিজে বাজতে থাকে। এক দেড় কিলোমিটার পথ ওই মিছিল যেতে সময় নেয় প্রায় ঘণ্টা দুয়েক। রাস্তার দু’ধারে তৃণমূল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্যাম্প তৈরি করে পানীয় জল, লাড্ডু দেওয়ার ব্যবস্থা করে। সংখ্যালঘু এলাকার উপর দিয়ে যখন মিছিল যায় অশান্তি এড়াতে ব্যারিকেড করে পুলিশ। বিকেল চারটে থেকে শ্যামনগরে চৌরঙ্গী মোড় থেকে বীজপুর পর্যন্ত পাড়া রোড যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চরম দুর্ভোগে পরে মানুষ। সমস্ত কল্যাণী হাইওয়ে দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। বিকেলের পরে টিটাগড় এলাকায় রামনবমীর তিনটে মিছিল হয়। গোটা বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় এদিন রামনবমীর পুজো হয়। হনুমানজির পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয় গোটা শিল্পাঞ্চলকে।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বুলি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং?

    বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে ভাটপাড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় অংশ নেন বারাকপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। সেই শোভাযাত্রায় রাম ভক্ত অনেকের হাতেই অস্ত্র দেখা গিয়েছে। অস্ত্র হাতে মিছিল নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বলেন, রাম নবমীতে মানুষের ভিড় প্রমাণ করে দিয়েছে সকলেই রামের সঙ্গেই রয়েছে। তাই, এখন তৃণমূল নেতারা রাম নাম জপছেন। অপরদিকে আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল বলেন, ভাটপাড়ায় এটা আমার প্রথমবার আসা নয়। ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার সময়ে এখানকার অত্যাচারিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর দাবি, অর্জুন দা মনেপ্রাণে বিজেপিতেই ছিলেন। এদিনের শোভাযাত্রায় হাজির ছিলেন তৃণমূল থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রিয়াঙ্গু পান্ডে, প্রাক্তন কাউন্সিলর সোহন প্রসাদ চৌধুরী, মন্নু সাউ প্রমুখ। মিছিলের পেছনে ছিলেন ভাটপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ। তিনি গোটা মিছিলের পেছনে থেকে সকলকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, আদালত বলেছে অস্ত্র না নিয়ে মিছিল করতে। আমি বিশ্বাস করি আস্তে আস্তে মানুষের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPSC: চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ইউপিএসসির, শীর্ষস্থানে আদিত্য শ্রীবাস্তব

    UPSC: চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ইউপিএসসির, শীর্ষস্থানে আদিত্য শ্রীবাস্তব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফল প্রকাশ হল ইউপিএসসি (UPSC) সিভিল সার্ভিস (Civil Services) পরীক্ষা ২০২৩ সালের। শীর্ষস্থান অর্জন করলেন আদিত্য শ্রীবাস্তব। দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন অনিমেষ প্রধান। তৃতীয় হয়েছেন অনন্যা রেড্ডি। চূড়ান্ত পার্সোনালিটি টেস্ট ও সাক্ষাৎকার রাউন্ড শুরু হয়েছিল ২ জানুয়ারি থেকে। মঙ্গলবার ঘোষিত হয়েছ রেজাল্ট। চূড়ান্ত ফল ঘোষণার তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের মার্ক্স ইউপিএসসির ওয়েবসাইটে দেখা যাবে।

    শীর্ষ পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন দুই মহিলাও (UPSC)

    আদিত্য ইতিমধ্যেই ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক করেছেন আইআইটি কানপুর (IIT Kanpur) থেকে। মঙ্গলবার ইউপিএসসি (UPSC) সিভিল (civil services) সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৩-এর যে ফল প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে সবার ওপরে রয়েছেন আদিত্য। দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন অনিমেষ। তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি রাউরকেল্লা থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বিটেক করেছেন। সমাজবিজ্ঞান তাঁর অপশনাল বিষয় ছিল। তৃতীয় স্থান অধিকারী অনন্যা রেড্ডি, কলা বিভাগে স্নাতক। তিনি দিল্লি ইউনিভার্সিটির মিরান্ডা হাউসের ছাত্রী। তাঁর ঐচ্ছিক বিষয় ছিল নৃবিজ্ঞান। শীর্ষ স্থানাধিকারী পাঁচজনের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। 

    আরও পড়ুনঃ এখনই সতর্ক হোন, হিমোফিলিয়ার সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে!

    পরীক্ষায় সফল ২০১৬ জন 

    ২০২৩ এর ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় সফল হয়েছেন ২০১৬ জন। শীর্ষ ২০জনের তালিকায় অন্যদের মধ্যে রয়েছেন পিকে সিদ্ধার্থ রামকুমার (৪র্থ র‌্যাঙ্ক), রুহানি (৫ম র‌্যাঙ্ক), সৃষ্টি দাবাস (৬ষ্ঠ র‌্যাঙ্ক), আনমোল রাঠোর (সপ্তম র‌্যাঙ্ক), আশিস কুমার (অষ্টম র‌্যাঙ্ক), নওশীন (নবম র‌্যাঙ্ক), ঐশ্বর্য, প্রজাপতি (১০ তম র‌্যাঙ্ক), কুশ মোটওয়ানি (১১ তম র‌্যাঙ্ক), অনিকেত শান্ডিল্য (১২ তম র‌্যাঙ্ক), মেধা আনন্দ (১৩ তম র‌্যাঙ্ক), শৌর্য অরোরা (১৪ তম র‌্যাঙ্ক), কুনাল রাস্তোগি (১৫ তম র‌্যাঙ্ক), অয়ন জৈন (১৬ তম র‌্যাঙ্ক), স্বাতী শর্মা (১৭ তম র‌্যাঙ্ক), ওয়ার্দা খান (১৮তম র‌্যাঙ্ক), শিবম কুমার (১৯তম র‌্যাঙ্ক), এবং আকাশ ভার্মা (২০তম র‌্যাঙ্ক)। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৩ প্রাথমিক পরীক্ষা হয়েছিল ২৮ মে। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৩ মেইন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৫, ১৬, ১৭, ২৩ এবং ২৪ সেপ্টেম্বর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: তৃণমূল প্রার্থীর খাসতালুকে সুকান্তর নেতৃত্বে দাপিয়ে রাম নবমীর মিছিল রাম ভক্তদের

    Ram Navami 2024: তৃণমূল প্রার্থীর খাসতালুকে সুকান্তর নেতৃত্বে দাপিয়ে রাম নবমীর মিছিল রাম ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বালুরঘাট শহরে রাম নবমী (Ram Navami 2024) উদযাপন কমিটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মিছিলের আয়োজন করা হয়। যেখানে প্রায় হাজার দুয়েক রাম ভক্ত অংশগ্রহণ করেন। মিছিলে নানা রকমের ট্যাবলো নিয়ে শহর পরিদর্শন করেন। এই মিছিলকেই অভ্যর্থনা জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই মিছিল শুরু হয় বিজেপি মোড় থেকে এবং সাড়ে তিন নম্বর মোড়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ফুল ছিটিয়ে মিছিল কে অভ্যর্থনা জানান। অবশ্য এই মিছিলে পা মেলান  বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ী সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।

    তৃণমূল প্রার্থীর গড়ে দাপিয়ে রাম নবমীর মিছিল করলেন রাম ভক্তরা (Ram Navami 2024)

    পাশাপাশি তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ির এলাকায় রাম নবমী (Ram Navami 2024) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। গঙ্গারামপুরে বাড়ি তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর, আর গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান বিপ্লব মিত্রর ভাই প্রশান্ত মিত্র। সেই গঙ্গারামপুরে রাম নবমীর বিশাল শোভাযাত্রায় হাজারখানেক রাম ভক্তর সঙ্গে পায়ে হেঁটে সামিল হন সুকান্ত মজুমদার। জেলার বুনিয়াদপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, আজ রাম নবমীর দিনে আপনাদেরকে বলছি রামকে ভোট দিন, রাবনকে ভোট দেবেন না।

    রামকে নিয়ে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ভুল বোঝাচ্ছে

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,আজ রামের জন্মদিন। আজকের দিনে সমস্ত সমাজের মানুষ রাম নবমী (Ram Navami 2024) পালন করে ও রামকে শ্রদ্ধা জানান। কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি উস্কানি দিয়ে ভোট ব্যাংকের জন্য এই সব করে। কিন্তু, মানুষ উস্কানিতে পা দেবে না।আজ আমি জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাম নবমীর শোভাযাত্রায় পা মেলালাম। গতবারের রাম নবমীর উদাহরণ তুলে ভোটের আগে বিভাজনের রাজনীতি তৃণমূলের। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, রামকে নিয়ে দেশের কারও সমস্যা নেই। কিছু পার্টির নেতাদের সমস্যা আছে। রাম তো এই দেশের আদর্শ। সবাই চেনে রামকে, অন্য ধর্মের মানুষেরা সম্মান করেন রামকে। কিন্তু, কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি কিছু লোককে ভুল বুঝিয়ে রাখতে চায়।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বুলি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

    অসমে উস্কানি দিচ্ছেন মমতা

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসমে গিয়ে বলেন আপনাদের উপর অত্যাচার হলে আপনারা বাংলায় আসুন এই প্রসঙ্গে সুকান্ত জানান,এইটা উস্কানিমূলক বক্তব্য। অহমীয়া ও বাঙালিদের মধ্যে একটি গন্ডগোল বাধানোর চেষ্টা করছে। গন্ডগোল হলে তো বাঙালিরা বিপদে পড়বে। অসমে বাঙালিরা ভালোই আছেন। তারা আমাদের সমস্ত ধরণের সাহায্যে পায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Hemophilia Day 2024: এখনই সতর্ক হোন, হিমোফিলিয়ার সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে!

    World Hemophilia Day 2024: এখনই সতর্ক হোন, হিমোফিলিয়ার সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেটে যাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাওয়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় রক্তপাত বন্ধ হতেই চায় না। এই সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে। আজ অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস (World Hemophilia Day 2024)। হিমোফিলিয়া বা রক্ত বন্ধ না হওয়ার সমস্যায় ভুগছে সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা ও অল্পবয়সী মেয়েরা। হিমোফিলিয়ার সমস্যা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা প্রায় নেই বললেই চলে। তাই এই সমস্যায় সচেতনতা (awareness) গড়ে তুলতে ১৭ এপ্রিলকে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। একটি রিপোর্ট অনুসারে, ভারতে প্রতি ১০,০০০ জন্মে ১ জন (পুরুষ ও মহিলা) হিমোফিলিয়ায় ভুগছেন।

    কেন হয় হিমোফিলিয়া(World Hemophilia Day 2024)?

    সাধারণত বাবা অথবা মা, অথবা উভয়ের কাছ থেকেই এই রোগ শিশুর দেহে বাহিত হয়। আসলে, কখনও কখনও জন্মের পরে, অটোইমিউন ডিসঅর্ডার, ক্যানসার, মাল্টিপল স্কলেরোসিস, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও কখনও কখনও গর্ভাবস্থায়, ক্লোটিং ফ্যাক্টর প্রোটিন তৈরিকারী জিনটির সমস্যা হতে শুরু করে। যা এই রোগের কারণ হতে পারে । এমন অনেক জন্মগত রোগ রয়েছে, যেগুলির সময়মতো চিকিৎসা (Treatment) না হলে পরে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এরকম একটি মারাত্মক রোগ হল হিমোফিলিয়া (World Hemophilia Day 2024)।

    রোগের লক্ষণ

    যে শিশুরা হিমোফিলিয়া (World Hemophilia Day 2024) নিয়ে জন্মায় তাদের শরীরে সহজে কালশিটে পড়ে বা ভিতরে ভিতরে রক্তপাত হওয়ার সমস্যা দেখা যায়। সাধারণত শরীরের বিভিন্ন গাঁটের কাছে রক্তপাত হয়। রক্তপাতের সময় গাঁটে অস্বস্তি বা কোনও রকম ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এছাড়াও দুর্ঘটনা বা আঘাতের পরে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষত থেকে অবিরাম রক্তপাত৷ ঘন ঘন নাক থেকে রক্তপাত (Bleeding)৷ মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং দাঁত অপসারণ বা ভাঙার পরে বা যেকোনও ধরনের অস্ত্রোপচারের পরে রক্তপাত বন্ধ করতে দেরি বা অক্ষমতা। টিকা বা ইনজেকশনের পরে রক্তপাত এই রোগের লক্ষণ৷

    আরও পড়ুনঃ তাপপ্রবাহের সতর্কতা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায়, বিশেষ বুলেটিন হাওয়া অফিসের

    যদি চিকিৎসা না করা হয় তা হলে জয়েন্ট স্টিফনেস হতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে গাঁট ফুলে উঠতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, হিমোফিলিয়া (Hemophilia) নামের মারাত্মক রোগটি শিশুর জন্মের পর থেকেই ৮ এবং ৯ ফ্যাক্টরের অভাবের কারণে ঘটে। এমতাবস্থায় প্রাথমিক পর্যায়ে এটি শনাক্ত এবং চিকিৎসা না করা হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হিমোফিলিয়া কখনই সম্পূর্ণ সারানো সম্ভব নয়। তবে সচেতন থাকলে চিকিৎসার মাধ্যমে গুরুতর সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basanti Puja 2024: হাজার বছরের পুরানো কান্দির দত্ত পরিবারের বাসন্তী পুজো, প্রথা মেনে হল কুমারী পুজোও

    Basanti Puja 2024: হাজার বছরের পুরানো কান্দির দত্ত পরিবারের বাসন্তী পুজো, প্রথা মেনে হল কুমারী পুজোও

    মাধ্যম নিউজ ডেস: হাজার বছরের প্রাচীন প্রথা মেনে নবমী তিথিতে কুমারী পুজো হল কান্দির (Kandi) দত্ত পরিবারের বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি শহরের দোহালিয়া ধর্মরাজ তলা সংলগ্ন এলাকার দত্ত বাড়ির বাসন্তী পুজো সুপ্রাচীন। পারিবারিক এই বাসন্তী পুজোয় চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী নবমী তিথিতে কুমারী পুজো (kumari puja) অনুষ্ঠিত হল। বাড়িতে প্রচুর ভক্ত সমাগম।

    দুর্গাপুজোর মতো বাসন্তী পুজো

    শরৎকালে যেমন দুর্গাপুজো (Durga puja) হয়, ঠিক তেমনই বসন্ত কালে বাসন্তী পুজোর রীতি আছে আজও। হোম যজ্ঞ সহকারে বৈষ্ণব মতে এই বাসন্তী পূজা হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে। বাসন্তী পূজা কবে আসবে সারাবছর ধরে তারই অপেক্ষায় থাকেন দত্ত পরিবারের সদস্যরা। বাসন্তী পুজোর চার দিন ব্যাপক আনন্দ উৎসবের সঙ্গে কাটান দত্ত পরিবারের সদস্যরা, আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব সকলেই। এই বাসন্তী পুজো উপলক্ষে দোহালিয়া মুখী হন শুধু দত্ত পরিবারি নয়, এলাকার আট থেকে আশি সকলেই। সবাই এই বাসন্তী পুজো উপলক্ষে মেতে উঠেন।

    আরও পড়ুনঃ “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন”, দাবি হিরণের

    পরিবারের বক্তব্য

    এই পুজোর প্রসঙ্গে কান্দির দত্ত বাড়ির এক সদস্য বলেন, “এই পুজো শুরু করেছিল কেশব চন্দ্রের পিতা মথুর দত্ত। জমিদারি প্রথা মেনে গ্রামবাসীর কল্যাণ চেয়ে এই পুজো স্থাপন করেছিলেন তিনি।” দোহালিয়া (Dohalia) গ্রামের দত্ত পরিবারের প্রাচীন এই বাসন্তী পুজো কান্দি শহরের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে যুগ যুগ ধরে। দীর্ঘ প্রাচীন আমলের রীতি-প্রথা ও ঐতিহ্য মেনে প্রতিবছর এই পুজোর আয়োজন করে আসছে দত্ত পরিবার। হাজার বছর আগে পারিবারিক ভাবে এই পুজোর সূচনা করা হয়েছিল। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ অনেকটা সময়। তবে পুজোর নিয়ম-নীতি বিন্দুমাত্র বদল হয়নি। বংশ পরম্পরায় আজও মহাসমারোহে চলছে এই বাসন্তী পুজো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dubai: দুবাইয়ে ভারী বর্ষা, রাস্তায় জমল জল, ব্যাহত বিমান পরিষেবা

    Dubai: দুবাইয়ে ভারী বর্ষা, রাস্তায় জমল জল, ব্যাহত বিমান পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু-দিনের বর্ষায় ভেসে গেল দুবাই (Dubai)। আমিরাতে বর্ষা উপভোগ্য বিষয়, কিন্তু এখন তা দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার দুবাইয়ে (Dubai) ঝড় বৃষ্টির সঙ্গে ভারী বর্ষা (Heavy Rainfall) হয়। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র সোমবার ২০ মিলিমিটার বর্ষা হয়েছে দুবাইয়ে। মঙ্গলবার সারাদিন ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে কয়েক দফায় বৃষ্টি হয়। দুবাইয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৪২ মিলিমিটার বর্ষা হয়েছে। 

    বিমান ওঠা নামা ব্যাহত (Dubai)

    ভারী বৃষ্টির ফলে দুবাই বিমানবন্দরের জল জমে (Waterlogging) যায়। বিমানবন্দরে বিমান ওঠা নামা ব্যাহত হয়। বিমানবন্দরের আশেপাশে এবং দুবাই (Dubai) শহরের নানান প্রান্তে জল জমেছে। বুধবারেও শহরের আনাচে-কানাচে জল জমে ছিল। এই দৃশ্য দুবাইয়ে দুর্লভ। দুবাইয়ের পরিবহন দপ্তর সূত্রে খবর বুধবারও জল জমার কারণে যানবাহন কমে গেছে। শহরে বাস এবং অন্যান্য যানবাহন কম চলছে। এতটাই বৃষ্টি হয়েছে যে বিমানবন্দরের কর্মীদের রানওয়ে (Runway) ও ট্যাক্সি-তে পর্যন্ত পৌঁছতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিমান পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা এমিরেটস যাত্রীদের চেক ইন সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষে তরফের সামাজিক মাধ্যমে জানানো হয়, যা বৃষ্টি হয়েছে তাতে অবস্থার স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। যাত্রীদের কাছে ধৈর্য রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর কারণে বৃষ্টি!

    দুবাইয়ে (Dubai) বৃষ্টি হওয়া কিংবা রাস্তায় জল জমার ঘটনা সাধারণ ব্যাপার নয়। সারা বছর এতটা কম বর্ষা হয় যে শহরের বছরের অধিকাংশ সময় শুষ্ক থাকে এখানকার আবহাওয়া। কিন্তু গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জেরে সারা বিশ্বে আবহাওয়ায় বদল এসেছে। আরবের মরু অঞ্চলও বৃষ্টির সাক্ষী থাকছে। দুবাইয়ের মানুষ এখন প্রায় সময়ই বর্ষার আনন্দ উপভোগ করতে পারছেন। একইসঙ্গে অতিরিক্ত বর্ষা বয়ে নিয়ে আসছে নানান ধরনের সমস্যা। এবার বৃষ্টির সঙ্গে ব্যাপক পরিমাণে বজ্রপাত লক্ষ্য করা গেছে। এমনকী বুর্জ খলিফার চূড়ায়ও বেশ কয়েকবার বজ্রপাত হয়েছে বলে সেখানকার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কতটা প্রভাব পড়বে ভারতে? কেন উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি?

    পাম্প লাগিয়ে রাস্তার জল বের করা হচ্ছে

    দুবাই (Dubai) পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কাজকর্মেও খুবই অসুবিধে হচ্ছে। রাস্তায় জল জমে যাওয়ায় গাড়ি নিয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াত করতে সমস্যা হচ্ছে। ইউনাইটেড আরব আমিরাত সাতটি রাজশাহী মিলিয়ে তৈরি। দেশের সাতটি প্রান্তেই ঝড়ঝঞ্ঝার জেরে সরকারি কাজকর্মে বাধা এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এখানকার বেশিরভাগ সরকারি কর্মীরা দূরদূরান্ত থেকে কাজে যোগ দিয়ে থাকেন। অনেকেই বজ্রপাত সহ বৃষ্টির কারণে কাজে আসতে পারেননি। সরকারি কাজকর্মের বহু বিভাগে অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেকেই কাজে আসার চেষ্টা করলেও রাস্তার জমা জল গাড়িতে ঢুকে যাওয়ায় কাজকর্মে যোগ দিতে পারেননি। দুবাই প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পাম্প লাগিয়ে রাস্তার জল নিকাশি প্রণালীতে ফেলার কাজ চলছে। দু-একদিনের মধ্যে অবস্থা স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share