Blog

  • Kolkata News: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে

    Kolkata News: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ফের ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে। শুক্রবার সাতটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্ম সভা পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু ডোরিনা ক্রসিং-এর সামনেই মিছিল আসতে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। নিয়োগের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীদের (Kolkata News) রাস্তায় বসে পড়েন এবং পুলিশ তাঁদের টেনে হিঁচড়ে তুলতে থাকে।

    ডোরিনার ক্রসিং-এর কাছেই উত্তেজনার পরিস্থিতি

    বুধবার ২০১৭ সালের গ্রুপ ডি, ২০০৯ সালের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার প্রাইমারি মঞ্চ, যুব ছাত্র অধিকার, ২০১৪ প্রাইমারি টেট একতা মঞ্চ, প্রভৃতি সংগঠন এই মিছিলের ডাক দেয়। সেই মতো শহীদ মিনার পর্যন্ত মিছিল চলতে শুরু করে। কিন্তু ডোরিনার ক্রসিং-এর কাছেই উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাস্তা আটকে চাকরিপ্রার্থীরা (Kolkata News) আন্দোলন শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাঁধে। এরপরই কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীকে আটো করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। যার মধ্যে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষকেও গ্রেফতার করা হয়। এ প্রসঙ্গে ভাস্কর বাবু বলেন, ‘‘আমি জানতে পেরেছি পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এইভাবে আন্দোলন থামিয়ে দিয়েছে। ওনার মদতেই বিক্ষোভে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন থামবে না।’’

    কী বলছেন চাকরি প্রার্থীরা?

    বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের তরফে আশিষ খামরুই বলেন, ‘‘সরকার বলছে, আইনি জটিলতার জন্য চাকরি (Kolkata News) দিচ্ছি না ৷ এটা সর্বৈব মিথ্যা ৷ একাধিক মঞ্চ আছে, যেখানে কোনও আইনি জটিলতা নেই ৷ সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আইনি জটিলতা কাটিয়ে নিয়োগ করা যেত ৷ এতদিন ধরে আমরা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি ৷ আজও তা করছি ৷ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, আগে নিয়োগ, তারপরে ভোট ৷’’

     

    আরও পড়ুন: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Atishi Marlena: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! আপ নেত্রী অতিশীকে শো-কজ নির্বাচন কমিশনের

    Atishi Marlena: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! আপ নেত্রী অতিশীকে শো-কজ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আম আদমি পার্টির নেত্রী তথা দিল্লির মন্ত্রী অতিশী মারলেনাকে (Atishi Marlena) শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার অতিশী দাবি করেছিলেন, ঘনিষ্ঠ সহযোগী মারফত তাঁকে বিজেপিতে (BJP) যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজি না হলে একমাসের মধ্যে তাঁকে ইডি (ED) গ্রেফতার করবে। শুক্রবার অতিশীকে নোটিস পাঠিয়ে তাঁর মন্তব্যের কারণ জানতে চাইল কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের শোকজ

    গত মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে অতিশী (Atishi Marlena) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপি মনোস্থির করে ফেলেছেন, তাঁরা আম আদমি পার্টি এবং তার নেতাদের চূর্ণ করে দিতে চান। বিজেপি আরও চারজন আপ নেতাকে গ্রেফতার করতে চায়, আমি, সৌরভ ভরদ্বাজ (Sourav Bharadwaj), রাঘব চাড্ডা এবং দুর্গেশ পাঠক।” তাঁর কথায়, ‘‘বিজেপিতে যোগ না দিলে আমাকেও গ্রেফতার করবে ইডি।’’ এ বার সেই মন্তব্যের জন্যই তাঁকে শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে সেই শো-কজের জবাব দিতে বলা হয়েছে আপ নেত্রীকে। এই নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অতিশী।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেসের ইস্তাহারে তাইল্যান্ড, নিউইয়র্কের ছবি! সমালোচনা বিজেপির

    মানহানির মামলা বিজেপির

    অতিশীর (Atishi Marlena) এই বক্তব্যের জেরে আগেই বিজেপি তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছে। দলের মুখপাত্র প্রবীণ শঙ্কর কাপুর (Parveen Shankar Kapoor) আইনি নোটিস পাঠিয়ে আপ মন্ত্রীকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে বলেছেন। গত সোমবার ইডি দাবি করেছিল, আবগারি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদে অতিশী এবং ভরদ্বাজের নাম করেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। ইডি জানায়, আপ সুপ্রিমো বলেছেন, বিজয় নায়ার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন না, করতেন অতিশী মারলেনা এবং সৌরভ ভরদ্বাজের সঙ্গে। এরপরই অতিশী ওই মন্তব্য করেন। বিজেপির দাবি, ইডির ভয় থেকেই এই দাবি করছেন অতিশী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Krishnanagar: প্রার্থীর সামনেই সম্মুখসমরে দুই গোষ্ঠী, চাপে মহুয়া

    Krishnanagar: প্রার্থীর সামনেই সম্মুখসমরে দুই গোষ্ঠী, চাপে মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহুয়া মৈত্রর (Mahua moitra) নির্বাচনী প্রচারে ভরদুপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তৃণমূল নেতা (TMC) জেবের শেখের নামে গো ব্যাক স্লোগান দিল তৃণমূল কর্মীরা। এদিন কৃষ্ণনগর (Krishnanagar) লোকসভা কেন্দ্রের চাপড়া (Chapra)  থানার হাতিশালা (hatishala) জিদা এলাকায় চলছিল মহুয়া মৈত্রের নির্বাচনী প্রচার(Election campaign)। এরপরই তাঁর গাড়িতে দেখা যায় জেবের শেখকে। জেবের শেখ দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করলেও ২০২১ এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্দল হয়ে লড়াই করেছিলেন। জমানত বাজেয়াপ্ত হওয়া নির্দল (Independent) জেবের শেখকে মহুয়া মৈত্র জেলা সভাপতি হওয়ার পর পুনরায় তৃণমূলে যোগদান করিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    তৃণমূল কর্মীকে হুমকি মহুয়ার

    এদিন মহুয়া মৈত্রের পাশে তাঁকে দেখতে পেয়েই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা যায়, গাড়ি থেকে জেবের শেখকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপরেই জেবের শেখের নামে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকে তারা। যদিও ক্ষুব্ধ কর্মীদের থামাতে দেখা যায় মহুয়া মৈত্রকে। কর্মীদের থামানোর সময় মহুয়াকে ধমক দিতে দেখা যায়। সেই সময়কার ঘটনা ক্যামেরাবন্দী করছিলেন এক তৃণমূল কর্মী। মহুয়া তাঁকে হুমকির সুরে বলেন, “ক্যামেরা বন্ধ কর। ছবি ডিলিট কর। নাহলে আমার কাছে খাবে এক।”

    সাংবাদিকদের  ‘দু-পয়সার’ বলেছিলেন মহুয়া 

    মহুয়া মৈত্রর উগ্র মেজাজের কথা সকলেরই জানা। ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন কাণ্ডের তদন্তচলাকীন তদন্তকারীদের মেজাজ হারিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন তিনি। পরে দোষী সাব্যবস্ত হয়ে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন।  সাংবাদিকদের  ‘দু-পয়সার’ মন্তব্য করে নিন্দা কুড়িয়েছিলেন তিনি। এবার তার এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে নিজেদের দলের নেতাকেই তাড়ানো এবং ধমকের ঘটনায় তৃণমূলের নড়বড়ে সংগঠনের বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এল। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের আধিকারিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ফের পুলিশে অনাস্থা! ময়নায় বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ফের পুলিশে অনাস্থা! ময়নায় বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নার বিজেপি কর্মী খুনের মামলায় সরাসরি এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তের দায়িত্ব নিতে এনআইএ-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত তাঁর নির্দেশে জানিয়েছেন, আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্যে আদালতের নির্দেশ কার্যকর করে আদালতে রিপোর্ট পেশ করতে হবে এনআইএ-কে। ভোটের আগে রাজ্যের একটি মামলায় হাইকোর্ট ফের এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় অস্বস্তি বাড়ল রাজ্য সরকারের।

    বিচারপতির বক্তব্য

    একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ভূমিকাতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “এটা দুর্ভাগ্যজনক। হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতে কোনও পদক্ষেপ করতে আগ্রহ দেখায়নি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে এই মামলার শুনানির সময় কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল আদালতে জানান, তিনি চিঠি দিয়ে হাই কোর্টের নির্দেশের কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই চিঠির কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। যা শুনে বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘‘এটা দুর্ভাগ্যজনক যে হাই কোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতে আগ্রহ দেখায়নি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।’’ তার পরই তিনি সরাসরি এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেন। 

    আরও পড়ুন: কংগ্রেসের ইস্তাহারে তাইল্যান্ড, নিউইয়র্কের ছবি! সমালোচনা বিজেপির

    কী ঘটেছিল

    গত বছর, ১ মে পঞ্চায়েত ভোটের আগে, বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে  অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার দিন বিকেল ৫টা নাগাদ বাড়ি ফেরার পথে, বিজেপি নেতার স্ত্রী-ছেলেকে মারধর করে, বাইকে চাপিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ ছিল। অভিযোগের আঙুল ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। ওই দিন, রাতেই বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে উদ্ধার হয় বিজয়কৃষ্ণের দেহ। মাথায় ভারী কিছু দিয়ে মেরে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান ছিল। নেতা খুনের প্রতিবাদে গভীর রাতে ময়না থানার সামনে বিধায়ক অশোক দিন্দার নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Coast Guard: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

    Indian Coast Guard: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জলসীমার ভিতরে মাঝ-সমুদ্রে বিকল নৌকায় আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে (Bangladeshi Fishermen) উদ্ধার করে ফেরত পাঠাল ভারত। 

    বিকল হয়ে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমান্তের কাছে নিয়মমাফিক প্যাট্রলিং করার সময় উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ ‘আইসিজিএস অমোঘ’ দেখতে পায় যে, ‘সাগর-২’ নামে বাংলাদেশের একটি ফিশিং বোট (মাছ ধরার নৌকা) এদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ওই নৌকার কাছে পৌঁছে যায় বাহিনীর জাহাজ। নৌকায় উঠে তদন্ত শুরু করে উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি টিম। তারা জানতে পারে যে, গত ২ দিন আগে নৌকার স্টিয়ারিং গিয়ার ভেঙে যাওয়ায় নৌকাটি ঢেউয়ের তোড়ে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়েছে। নৌকায় সেই সময় ২৭ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী (Bangladeshi Fishermen) ছিল।

    মাঝ-সমুদ্রে আটকে ২৭ বাংলাদেশি

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) টেকনিক্যাল টিম সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করে। প্রথমে বিকল হওয়া স্টিয়ারিং গিয়ার মেরামত করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু, পরে দেখা যায়, নৌকার রাডার (যা দিয়ে নৌকার দিশা ঠিক করা হয়) ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে, কোনও অবস্থাতেই ওই নৌকাকে মাঝ-সমুদ্রে সারানো যাবে না। এর পর, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বাংলাদেশি নৌকাকে সমুদ্রেই আরেকটি মৎস্যজীবীদের নৌকা (Bangladeshi Fishermen) বা বাংলাদেশি উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেইমতো, দড়ি দিয়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজের সঙ্গে বেঁধে বিকল হয়ে পড়া নৌকাটিকে টেনে বাংলাদেশি জলসীমার কাছে পৌঁছে যায় ‘আইসিজিএস অমোঘ’।

    ঢাকার হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশিদের

    এর মধ্যেই, কলকাতায় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) দফতর থেকে যোগাযোগ করা হয় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সঙ্গে। গোটা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করা হয়। এর পর  সন্ধ্যেবেলা পৌনে সাতটা নাগাদ আন্তর্জাতিক জলসীমার কাছে পৌঁছে যায় বাংলাদেশি উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ ‘বিসিজিএস কামারুজ্জামান’। প্রথামাফিক, বিকল হওয়া নৌকা সহ ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে (Bangladeshi Fishermen) প্রতিবেশি দেশের বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Congress Manifesto 2024: কংগ্রেসের ইস্তাহারে তাইল্যান্ড, নিউইয়র্কের ছবি! সমালোচনা বিজেপির

    Congress Manifesto 2024: কংগ্রেসের ইস্তাহারে তাইল্যান্ড, নিউইয়র্কের ছবি! সমালোচনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারে বিদেশের ছবি ব্যবহৃত হয়েছে। শুক্রবার কংগ্রেসের সমালোচনা করে বিজেপি দাবি করে, রাহুল গান্ধীর প্রিয় গন্তব্য থাইল্যান্ডের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে পরিবেশ বিভাগে। নিউইয়র্কের বাফেলো নদীর ছবিও স্থান পেয়েছে জল সম্পদ বোঝানোর সময়। দেশের কোনও কিছুই দেখানোর মতো পায়নি কংগ্রেস, ব্যঙ্গ বিজেপির।

    কী বলল বিজেপি

    কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশের পর তা সমালোচনা করে দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র বলেছেন, “কংগ্রেসের ইস্তাহারে জল ব্যবস্থাপনার একটি ছবি রয়েছে। এই ছবিটি নিউইয়র্ক রাজ্যের বাফেলো নদীর। এখনও পর্যন্ত কে  তাদের এই ছবি পাঠিয়েছে, তা  কি জানতে পেরেছে কংগ্রেস? পরিবেশ বিভাগের অধীনে, রাহুল গান্ধীর পছন্দের গন্তব্য তাইল্যান্ডের একটি ছবি দেওয়া হয়েছে। কে তাদের ইস্তাহারে এই সব রাখছে?” প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।  

    কংগ্রেসের ইশতেহার

    লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) ১৪ দিনের মাথায় শুক্রবার ৫ এপ্রিল দিল্লিতে কংগ্রেসের কার্যালয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, রাহুল গান্ধী, কেসি ভেনুগোপাল, পি চিদাম্বরমের উপস্থিতিতে দলের ইস্তাহার ‘ন্যায়পত্র’ প্রকাশ করল দল (Congress Manifesto)। দেশে দারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্যে দলের ইস্তাহারে মহালক্ষ্মী প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। ক্ষমতায় এলে দরিদ্র পরিবার গুলোকে প্রতি বছর ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এছাড়া দেশের ৩০ লক্ষ সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন স্বাস্থ্যবিমা, মহিলাদের আর্থিক সহায়তা সহ আরও একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের ইস্তাহারে। তবে কংগ্রেসের এই প্রতিশ্রুতি যে শুধুই মুখের কথা তা স্পষ্ট করেছে বিজেপি। রাজস্থানের চুরুতে একটি জনসভায় বক্তৃতা করার সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি কংগ্রেসের নাম না করে বলেন, “অন্যান্য দলগুলির মতো, বিজেপি শুধু ‘ঘোষনা পত্র’ জারি করে না, আমরা ‘সংকল্পপত্র’ নিয়ে এসেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: পার্থ, বালুর পর এবার শাহজাহান, শুনতে হল ‘চোর চোর’ স্লোগান

    Sheikh Shahjahan: পার্থ, বালুর পর এবার শাহজাহান, শুনতে হল ‘চোর চোর’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পর এবার শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। শাহাজাহানকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিল রোগীর পরিজনেরা। সূত্রের খবর, শেখ শাহজাহানকে যখন মেডিক্যাল চেক আপ করে বের করা হয় তখন সেখানে উপস্থিত রোগীর পরিজনেরা চোর স্লোগান তোলেন। শাহজাহানকে দেখে স্লোগানের সঙ্গে চলে লাগাতার বিক্ষোভ।

    ‘চোর চোর’ স্লোগান 

    উল্লেখ্য, শুক্রবার শাহাজাহানকে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর জোকা ইএসআই হাসপাতাল (joka ESI Hospital) থেকে বার করার সময় ‘চোর চোর’ স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বেশ কয়েজন সাধারণ মানুষ। তাঁদের দাবি, যারা ভোট লুঠ করে তাদের তিহাড়ে পাঠিয়ে দেওয়া হোক। তাদের যারা নিরাপত্তা দিচ্ছে সেই বাহিনীকে সন্দেশখালির স্পর্শকাতর বুথে মোতায়েন করা হোক। ভিড়ের মাঝেই একজন তো চেঁচিয়ে বলে উঠলেন, “এদের গুলি করে মেরে ফেলা হোক। এনকাউন্টার করা হোক। এরা সন্দেশখালির (sandeshkhali) ত্রাস। অন্য এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘‘যারা মহিলাদের সম্মান নিয়ে খেলা করে, ভোটের সময় বুথ দখল করে তাদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে কেন? এদের তিহাড়ে পাঠিয়ে সেই নিরাপত্তা বুথগুলিতে দেওয়া উচিত।’’

    ইডির নজরে ডায়েরি

    অন্যদিকে ইডির নজরে এসেছে সন্দেশখালির এই নেতার হিসাবের খাতা। ঠিক যেন সারদার লাল ডায়েরি কিংবা খাদ্য কেলেঙ্কারির মেরুন ডায়েরি সেই ধাঁচেই একটি সাদা রঙের খাতার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে খোদ শাহজাহান এবং তাঁর কর্মচারী, ঘনিষ্ঠদের জেরা করে। ইডি সূত্রে খবর, শাহজাহানের বিরুদ্ধে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ব্যাঙ্কের নথিতে (bank details) তার হিসাব নেই। তবে কি শাহজাহানের সেই সাদা খাতাতেই মিলবে কালো টাকার হিসাব? এই ডায়েরি (accounts copy) কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শাহজাহানের লেনদেন সংক্রান্ত যে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি, ওই খাতার পাতা থেকে মিলতে পারে সব উত্তর,এমনটাই মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।

    ইডি হেফাজতে শাহজাহান

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ইডি (ED) হেফাজতে আছেন সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। রেশন দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই শাহজাহানের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে সন্দেশখালির সাধারণ মানুষের জমি-ভেড়ি জবর দখলেরও অভিযোগ রয়েছে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়েছে ইডি। ইডির দাবি, চিংড়ি রফতানির নামে অন্তত ১৩৭ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে শেখ শাহজাহান। যদিও রেশন দুর্নীতি ও টাকা পাচারের অভিযোগে আগেই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে শেখ শাহজাহান। তিনি দাবি করে, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চক্রান্ত হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: এবার প্রার্থী নয়, মোদির ফোন এল বিজেপি’র সাধারণ মহিলা কর্মীর কাছে!

    Narendra Modi: এবার প্রার্থী নয়, মোদির ফোন এল বিজেপি’র সাধারণ মহিলা কর্মীর কাছে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী ঘোষণার পর বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র ও কৃষ্ণনগরের প্রার্থী অমৃতা রায়কে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । এবার কোনও প্রার্থী কিংবা দলীয় শীর্ষ নেতা নয় এক সাধারণ কর্মীকে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী। খোঁজ নিলেন তৃণমূলের অত্যাচারে দলীয় প্রচারে কোন সমস্যা হচ্ছে কি না।

    বিজেপি কর্মী লতিকা হালদারকে (Latika Halder) ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী

    উত্তর মালদহের (Malda) হবিবপুরের (Habibpur) বিজেপি কর্মী লতিকা হালদারকে(Latika Sarkar) ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী। লতিকা হবিবপুরের গ্রাম পঞ্চায়েতের (GP Member) সদস্য। বৃহস্পতিবার তাকে ফোন করে প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছিলেন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলের প্রচার কেমন চলছে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন বাংলায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কথা।

    কী কথা হল?

    প্রধানমন্ত্রী লতিকাকে ফোন করে জানতে চান যারা দায়িত্বে রয়েছেন তারা ঠিকভাবে কাজ করছেন কি না। লতিকা জানান দলের সকলে ভালোভাবে কাজ করছে এবং বিকেল বেলায় তাকে সারাদিনে কি কাজ হল সে সম্পর্কে খবর দিচ্ছে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল বাংলায় নির্বাচনের সময়( Poll Violence) যে হিংসা হয় সেই ধরনের সমস্যায় লতিকা ভুগছেন কিনা। লতিকা বলেন তিনি এবং তার সহকর্মীরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে প্রচার করছেন। যার জেরে এখনও এই ধরনের সমস্যা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) তৃতীয় প্রশ্ন করেন কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পে বাংলার মানুষকে পৌঁছে দিচ্ছে সেগুলি মানুষ জানতে পারছে তো? উত্তরে লতিকা জানান মানুষ এখন সচেতন এবং জানে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলি সম্পর্কে। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে বুথ ও বিধানসভার স্তর পর্যন্ত তার অঞ্চলের কর্মীদের প্রত্যেক ভোটারের এর কাছে পৌঁছানো এবং তাদের তথ্য সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন।

    লতিকার কাছে স্বপ্ন ছোঁয়ার মত

    এর আগে কোন প্রধানমন্ত্রী এভাবে দলের তৃণমূল স্তরের কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতেন এই উদাহরণ বিরল। নাম কা ওয়াস্তে হলেও কে কবে করেছেন তা মনে করতে পারছেন না তাবড় রাজনীতিবদরাও। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বেজায় খুশি লতিকা সরকার। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর মন্ডল সভাপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী ফোন করতে পারেন এ খবর দিয়েছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর ফোন আসার জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি প্রধানমন্ত্রীর ফোন লতিকার কাছে স্বপ্ন ছোঁয়ার মত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “কামারের ঘা ওরা দেখেনি, সিধে হয়ে যাবে সব”, স্বভাবসিদ্ধ হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: “কামারের ঘা ওরা দেখেনি, সিধে হয়ে যাবে সব”, স্বভাবসিদ্ধ হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এখনও দাদাগিরি শুরুই করিনি। ওরা এখন ঠুকঠাক করছে। যেদিন একটা ঘাম মারব না। কামারের ঘা ওরা দেখেনি সিধে হয়ে যাবে সব।”  বক্তা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। দিলীপবাবুর নয়া মন্তব্যের জেরে শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক তরজাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কে তাঁর মন্তব্যে শুরু হয়েছিল বিতর্ক। এখনও সেই রেশ কাটেনি। সেই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর নিজের দল এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে শো কজও করা হয়েছিল। দিন কয়েক আগে তার জবাব দিয়েছেন বর্ধমান-দুর্গাপুর (Bardhaman Durgapur) কেন্দ্রের প্রার্থী। পুনরায় দিলীপ ঘোষের ‘দাদাগিরি’ মন্তব্যের জেরে ফের জলঘোলা হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

    সমর্থন বহু কর্মী ও ভোটারের

    তাঁর এই ধরনের মন্তব্যে দলের কর্মীরা অবশ্য বেজায় খুশি। তৃণমূলের অত্যাচারে মানুষ যেখানে সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছেন, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে দিলীপবাবুর এমন সোজাসাপ্টা কথাবার্তায় ভোটারদেরও অনেকে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের সাফ কথা, বুনো ওলের জন্য এমন বাঘা তেঁতুলেরই প্রয়োজন। দিলীপবাবু অবশ্য ভোটার এবং দলের কর্মীদের এই পালস বুঝেই ভোটের ময়দানে সোজা ব্যাটে খেলা শুরু করেছেন।

    দিনভর বর্ধমানের কুড়মুন গ্রামে প্রচার চালান দিলীপ ঘোষ

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিনভর বর্ধমানের কুড়মুন গ্রামে প্রচার চালান দিলীপ ঘোষ। কুড়মুন (Kurmun) গ্রামে প্রচার চলাকালীন মন্দিরে গিয়ে পুজোও দিয়েছিলেন তিনি। তারপর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর এই দাদাগিরি মন্তব্য করে বসেন দিলীপবাবু (Dilip Ghosh)। দাদাগিরি মন্তব্যে বিতর্ক হচ্ছে জানানোয় দিলীপবাবু বলেন, “আমি মাঠে নেমে কাজ করি। ওদের মত খালি ভাষণবাজি করি না। আমার শিরোনামে আসার প্রয়োজন নেই। যাদের কাজ নেই তাঁরা এসব নিয়ে বেশি আলোচনা করছেন।”

     

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ব্রাত্যকে অপসারণের সুপারিশের পর এবার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ বোসের

    CV Ananda Bose: ব্রাত্যকে অপসারণের সুপারিশের পর এবার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাতে (Nabanna Raj Bhawan Conflict) নতুন মাত্রা। এবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে দুর্নীতি ও হিংসার অভিযোগ তুলে সরাসরি বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গতকাল, বৃহস্পতিবার, ‘রাজ্যপালের রিপোর্ট কার্ড’ নামে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ করা হয়। জবাব হিসেবে রাজ্যের তরফে ৯-পাতার চিঠি পাঠানো হয় রাজভবনে। সেখানে রাজ্যপালের ভূমিকা ও আইনি ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এর পরই, শুক্রবার, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ নিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিল রাজভবন। 

    এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

    সূত্রের খবর, রাজনৈতিক (CV Ananda Bose) উদ্দেশ্যে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে রাজভবনের তরফে। আরও জানানো হয়েছে যে, এই যাবতীয় অভিযোগগুলির সত্যাসত্য খতিয়ে দেখতে একটি বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি। জানা গিয়েছে, কমিটির নেতৃত্ব দেবেন সুপ্রিম কোর্ট কিংবা কলকাতা হাইকোর্টের কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ফের রাজ্য বনাম রাজ্যপাল! শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ বোসের

    কী নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত?

    ঠিক কী কারণে এই পদক্ষেপ? দিন কয়েক আগে মালদার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্যকে অপসৃত করেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই, তাঁকে পুনর্বহাল করে রাজ্য। রাজ্য-রাজ্যপালের সাম্প্রতিকতম সংঘাতের (Nabanna Raj Bhawan Conflict) সূত্রপাত সেখান থেকেই। এর পর  শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবকুপার একটি কনভেনশনে উপস্থিত ছিলেন। ব্রাত্য বসুর সেই পদক্ষেপ নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের সামিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই প্রেক্ষিতে, শিক্ষামন্ত্রীকে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। একইসঙ্গে, রিপোর্ট কার্ড পেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্ত্ব শাসনে হস্তক্ষেপ করার কোনও এক্তিয়ার রাজ্য সরকারের নেই বলে মনে করিয়ে দেওয়া আচার্য তথা রাজ্যপালের তরফে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, উপাচার্য নিয়োগ বা পুনর্বহালের ক্ষমতাই নেই রাজ্যের। রাজভবনের বিবৃতিতে সুপ্রিম কোর্ট এবং হাই কোর্টের আদেশের কথা উল্লেখ করে আচার্যের ক্ষমতা ‘স্মরণ’ করানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share