Blog

  • Bangladesh Hindu Murder: ‘মোদিও জিজিয়া আটকাতে পারবে না’, লাগাতার হুমকি! বাংলাদেশে একই দিনে জোড়া হিন্দু হত্যা

    Bangladesh Hindu Murder: ‘মোদিও জিজিয়া আটকাতে পারবে না’, লাগাতার হুমকি! বাংলাদেশে একই দিনে জোড়া হিন্দু হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে একই দিনে দু’জায়গায় হিন্দু নিধনের (Bangladesh Hindu Murder) অভিযোগ। নৈরাজ্যের বাংলাদেশ ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক পরিসরে। সোমবার একদিকে যশোরের কপালিয়া বাজারে গলা কেটে খুন করা হয় ব্যবসায়ী তথা সাংবাদিক রাণাপ্রতাপ বৈরাগীকে। এই ঘটনার ক্ষণিকের ব্যবধানেই আরও এক সংখ্য়ালঘু হিন্দুকে খুন করার অভিযোগ ওঠে। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতের নাম শরৎ চক্রবর্তী মণি। তিনি ঢাকার নরসিংদীর বাসিন্দা। পেশায় ব্যবসায়ী। গত ১৮ দিনে এই নিয়ে বাংলাদেশে এটা ষষ্ঠতম হিন্দু নিধনের অভিযোগ। বাংলাদেশে এক হিন্দুর রক্ত শুকনোর আগেই আর এক হিন্দুকে খুন করা হচ্ছে। রাণার মৃত্যুর রেশ কাটার আগেই শরৎকে খুন করা হস। বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের আশঙ্কা, এভাবে চললে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্বই থাকবে না।

    নর‌সিংদী‌তে খুন হিন্দু ব্যবসায়ী

    নর‌সিংদীর পলাশ উপ‌জেলার চরসিন্দুর বাজারে নিজের মুদি দোকানে খুন হন শরৎ চক্রবর্তী ম‌ণি, বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। বাজারে তাঁর ভালই পরিচিত ছিল। শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিল মণি। কারওর সঙ্গে কোনও বিবাদের খবর পাওয়া যায়নি। তা হলে সেই ব্যক্তির পরিণতি কী ভাবে? ধর্মের দোহাই দিয়েই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হল না তো? প্রশ্ন তুলছেন একাংশ। সোমবার রাতে প্রতিদিনের মতোই নিজের দোকানপাট নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন মণি। তখন বাজারে ঠাসা ভিড়। রাত হলেও মানুষের আনাগোনা কমেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এমন সময়ই কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি মণির উপর চড়াও হয়। অতর্কিতেই হামলা চালায় তাঁর উপর। গুরুতর ভাবে আহত হন মণি। বাজারের অন্য ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

    সাংবাদিক রানা খুন

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে লাগাতার হিংসা চলছেই। যশোরে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তি রানা প্রতাপ (৪৫)। তিনি একটি আইস ফ্যাক্টরির মালিক ছিলেন এবং একই সঙ্গে একটি দৈনিক পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, সোমবার সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কোপালিয়া বাজার এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কয়েকজন যুবক মোটরসাইকেলে করে এসে রানা প্রতাপকে তার আইস ফ্যাক্টরি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে একটি গলিতে নিয়ে গিয়ে তাকে মাথায় গুলি করে এবং গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। রানা নড়াইল জেলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক বিডি খবর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকও ছিলেন।

    ১৮ দিন ষষ্ঠতম হত্যা

    • ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫: ময়মনসিংহে (ধর্ম অবমাননার অভিযোগে) দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করে জনতা।
    • ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫: রাজবাড়িতে জনতা অমৃত মণ্ডলকে পিটিয়ে হত্যা করে।
    • ২৯-৩০ ডিসেম্বর ২০২৫: বজেন্দ্র বিশ্বাসকে (পোশাক কারখানায় কর্তব্যরত অবস্থায়) গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫: শরীয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসকে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং তারপর পেট্রোল ঢেলে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলা হয়। ৩ জানুয়ারি তিনি হাসপাতালে মারা যান।
    • ৫ জানুয়ারি ২০২৬: যশোরে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৫ জানুয়ারি ২০২৬: নরসিংদীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয় শরৎ চক্রবর্তী মণিকে।

    শুরু হয়েছিল দীপু দাসকে দিয়ে। ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে প্রথমে গণপিটুনি। তারপর গাছে বেঁধে দীপুর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল উগ্রপন্থীরা। সেই পৈশাচিক দৃশ্য ছিল ভয়াবহ, হিমস্রোত বইয়ে দেওয়ার মতো। তারপর থেকে বাংলাদেশের নানা উপজেলা থেকে উঠে এসেছে হিন্দু নিধনের অভিযোগ। অমৃত মণ্ডল থেকে শুরু করে বজেন্দ্র বিশ্বাস, খোকন চন্দ্র দাস— উঠে এসেছে একের পর এক নাম। এবার সেই নিহতদের তালিকায় যোগ হল শরৎ চক্রবর্তী, রানা প্রতাপ বৈরাগীর নামও। কিন্তু বিচার? তা এখনও অধরা। দেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বাংলাদেশের সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ভারত এই ঘটনাগুলিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অব্যাহত বৈরিতাকে গুরুতর বিষয় হিসাবে বর্ণনা করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলিও বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের নিন্দা জানিয়েছে।

    আমার জন্মভূমি মৃত্যু উপত্যকা

    জানা গিয়েছ, ৫ ডিসেম্বর স্থানীয় সম রাত ১০টা নাগাদ এই হামলা হয়েছিল শরৎ চক্রবর্তী মণির ওপর। নিহত মণি শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন। শরতের স্ত্রী অন্তরা মুখোপাধ্যায় গৃহবধূ। তাঁদের ছেলে অভীক চক্রবর্তীর বয়স ১২ বছর। আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত ছিলেন শরৎ। কয়েক বছর আগে বাংলাদেশে ফিরেছিলেন। জানা গিয়েছে, গত ১৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ফেসবুকে নিজের উদ্বেগ ব্যক্ত করে একটি পোস্ট করেছিলেন শরৎ। লিখেছিলেন, ‘‘চারিদিকে এত আগুন, এত হিংসা। আমার জন্মভূমি মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে।’’ আর সেই উদ্বেগ প্রকাশের একমাস যেতে না যেতেই তাঁকে খুন হতে হল।

    হিন্দু হওয়াই অপরাধ

    পাড়া-প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শরৎ অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের ছিলেন, অত্যন্ত মানবিক ছিলেন, সামাজিক ভাবে দায়বদ্ধ ছিলেন। কোনও শত্রু ছিল না তাঁর। হিন্দু বলেই শরৎকে খুন করা হল কি না, সেই প্রশ্ন তুলছেন প্রতিবেশীরাই। বাংলাদেশের সমাজকর্মী বাপ্পাদিত্য বসু এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁর কথায়, রাষ্ট্রের মদতেই সংখ্যালঘু হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, দুষ্কৃতীরা শরতের থেকে মোটা টাকা ‘জিজিয়া’ দাবি করছিল। পুলিশের কাছে গেলে স্ত্রীকে অপহরণ করার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাঁকে খুন করা হল তাঁরই দোকানে। এই আবহে ইউনুস সরকারকে তোপ দেগে বাপ্পাদিত্য ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘‘যে‌ দে‌শে সরকা‌রের সুস্পষ্ট প‌রিকল্পনায় হিন্দুদের জা‌তিগত নিধন বা এথ‌নিক ক্লেন‌জিং চ‌লে, সেই দে‌শে হিন্দু হওয়াটাই তো খুন হ‌য়ে যাবার প‌ক্ষে বড় কারণ।’’

    মোদি এলেও আটকতে পারবে না

    বাংলাদেশে হিন্দু হলেই মেরে ফেলা হতে পারে, এমনই দাবি বাপ্পাদিত্যের। শরৎকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনতেন বাপ্পাদিত্য। তিনি জানিয়েছেন, দুষ্কৃতীরা শরতের থেকে মোটা টাকা দাবি করছিল। বাংলাদেশে থাকতে হলে টাকা দিতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল তাঁকে। ‘জিজিয়া’ দিতে বলা হয় শরৎকে। পুলিশের কাছে গেলে স্ত্রীকে অপহরণ করার হুমকিও দেওয়া হয়। বাপাদিত্য বলেন, ‘‘দুষ্কৃতীরা শরৎকে বলে, ‘চুপচাপ টাকা দিয়ে দে। বেশি চিৎকার করিস না। তোর ভারত বা তোর বাবা নরেন্দ্র মোদি এলেও জিজিয়া আদায় করা আটকাতে পারবে না’।’’ ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাসকারী অমুসলিমদের কাছ থেকে যে কর আদায় করার চল রয়েছে, তাকেই বলা হত ‘জিজিয়া’। অমুসলিমদের জীবন, সম্পত্তি রক্ষা এবং ধর্মাচারণের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে ওই কর নেওয়ার চল ছিল। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মুখপাত্র কাজল দেবনাথ বলেন, ‘‘শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসেই হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর সাতটি হামলা এবং পাঁচটি হত্যার খবর পাওয়া গেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলি সংখ্যালঘুদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।’’

  • Daily Horoscope 06 January 2026: ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 06 January 2026: ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণা জন্মাতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ সংযত রাখুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে পারেন।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Weight Loss vs Wellness: দ্রুত ওজন কমানো নাকি দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা! কোন পথ বাছতে বলছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    Weight Loss vs Wellness: দ্রুত ওজন কমানো নাকি দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা! কোন পথ বাছতে বলছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স আট হোক কিংবা পঞ্চাশ, শরীর সুস্থ রাখার পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ওজন! কোন খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, কেন অতিরিক্ত ওজন বাড়ছে এই নিয়ে এখন স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়, সকলেই কমবেশি উদ্বিগ্ন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতের অধিকাংশ মানুষ পুষ্টি সম্পর্কে ঠিকমতো ওয়াকিবহাল নন। আর তাই ওজন নিয়ে এত ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অতিরিক্ত ওজন, অপুষ্টির মতো সমস্যা এখন নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠছে। তাঁদের পরামর্শ, হেলদি ওয়েট সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। ওজন কীভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকবে সে সম্পর্কে ঠিকমতো ওয়াকিবহাল থাকলেই নানান জটিলতা এড়ানো সহজ হয়‌।

    দ্রুত ওজন কমানো কি দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার পথে বাধা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মানুষ অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভোগেন। দেহের অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা, হাড়ের সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতার মতো একাধিক রোগের কারণ হয়ে ওঠে। তাই অনেকেই দ্রুত সমাধানের পথ খোঁজেন। কিন্তু তাতেই বিপদ আরও বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, খুব দ্রুত শরীরের ওজন ঝরানোর জন্য অনেকেই ডায়েট করেন, কিংবা অতিরিক্ত সময় জিমে কাটানো শুরু করেন। এর ফলে দ্রুত ওজন কমে গেলেও নানান দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা তৈরি হয়ে যায়। যা স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করতে পারে।

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, দ্রুত ওজন কমানোর জন্য অনেকেই নিয়মিত খাবারের তালিকা থেকে প্রোটিন সম্পূর্ণ বাদ দেন। যা শরীরে ভয়ঙ্কর ক্ষতি করে। প্রোটিন শরীরের পেশি মজবুত রাখতে খুব জরুরি। তাছাড়া ক্লান্তি কমিয়ে শরীরে এনার্জি জোগানের জন্য ও প্রোটিনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন বর্জিত খাবার খেলে পেশি দূর্বল হয়ে যায়। হাত-পায়ে খিঁচ ধরে। ক্লান্তি ভাব বাড়ে। ফলে স্বাভাবিক কাজ করাও মুশকিল হয়ে পড়ে।

    শরীর সুস্থ রাখতে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল, ভিটামিন,ফ্যাট প্রয়োজন। ইচ্ছেমতো যেকোনও উপাদান বাদ দিলেই শরীরে তার গভীর প্রভাব পড়ে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অসচেতন ভাবেই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়াই ডায়েট চার্ট তৈরি করেন। দ্রুত ওজন কমাতে খাবারের তালিকা থেকে বহু উপাদান বাদ পড়ে। আর এর ফলে অপুষ্টির সমস্যা তৈরি হয়। দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

    তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে অনেকেই কম খাবার খাওয়া এবং অতিরিক্ত শারীরিক কসরত করার পথ বেছে নেন। যা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত খনিজ এবং জল বেরিয়ে যায়। যার জেরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    পুষ্টির ঘাটতি এবং পেশির দূর্বলতা শুধু শরীরকে ক্লান্ত করে না, হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পেশি শিথিল হলে হৃদরোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ডায়েট মানসিক অবসাদ তৈরি করে। যা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

    জানুয়ারি মাসে হেলদি ওয়েট অ্যাওয়ারনেস পালন হয়। অতিরিক্ত ওজন কতখানি বিপজ্জনক সে সম্পর্কে সতর্ক করার পাশপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণ করে কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার পথ বাছতে হবে সে সম্পর্কেও সচেতনতা চলে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার জন্য প্রয়োজন ঠিকমতো ডায়েট। প্রথম থেকেই বাড়িতে তৈরি, কম তেল মশলার খাবার খাওয়ার অভ্যাস জরুরি। ভাত, রুটির মতো কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে। কিন্তু অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁদের পরামর্শ, সব্জি, ডাল, ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে অবশ্যই মাছ-মাংস-ডিম কিংবা পনীর-সোয়াবিনের মতো প্রোটিন জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। পরিমিত পরিমাণে নির্দিষ্ট সময় অন্তর খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ। নিয়মিত ফল ও বাদাম জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। তাতে শরীর সুস্থ থাকে। আর প্রতিদিন আধ ঘণ্টা হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাস এবং হাঁটার অভ্যাস নিয়মিত থাকলে হরমোন ক্ষরণ ও রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই এই পথেই চললে সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত ওজনকে কাবু করে সুস্থ থাকা সম্ভব বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Ramakrishna 550: “প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া, ঠাকুরবাড়ির প্রাঙ্গণের পশ্চিম দিকের শিবের মন্দিরে গিয়া, নির্জনে বেদমন্তর উচ্চারণ করিতেছেন”

    Ramakrishna 550: “প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া, ঠাকুরবাড়ির প্রাঙ্গণের পশ্চিম দিকের শিবের মন্দিরে গিয়া, নির্জনে বেদমন্তর উচ্চারণ করিতেছেন”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই ও ১০ই অগস্ট
    মহিমাচরণের ব্রহ্মচক্র—পূর্বকথা—তোতাপুরীর উপদেশ
    ‘স্বপ্নে দর্শন কি কম?’ নরেন্দ্রের ঈশ্বরীয় রূপ দর্শন 

    রাত নয়টা হইল। ঠাকুর ছোট খাটটিতে বসিয়া আছেন। মহিমাচরণের সাধ—ঘরে ঠাকুর থাকিবেন—ব্রহ্মচক্র রচনা করিবেন। তিনি রাখাল, মাস্টার, কিশোরী ও আর দু-একটি ভক্তকে লইয়া মেঝেতে চক্র করিলেন। সকলকে ধ্যান করিতে বলিলেন। রাখালের ভাবাবস্থা হয়েছে। ঠাকুর নামিয়া আসিয়া তাঁহার বুকে হাত দিয়া মার নাম করিতে লাগিলেন। রাখালের ভাব সম্বরণ হইল।

    রাত একটা হইবে। আজ কৃষ্ণপক্ষের (Ramakrishna) চতুর্দশী তিথি, চতুর্দিকে নিবিড় অন্ধকার। দু-একটি ভক্ত গঙ্গার পোস্তার উপর একাকী বেড়াইতেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ একবার উঠিয়াছেন। তিনিও বাহিরে আসিলেন ও ভক্তদের বলিতেছেন, ন্যাংটা বলত, ‘এই সময়ে—এই গভীর রাত্রে—অনাহত শব্দ শোনা যায়।’

    শেষরাত্রে মহিমাচরণ ও মাস্টার ঠাকুরের ঘরেই মেঝেতে শুইয়া আছেন। রাখালও ক্যাম্প খাটে শুইয়াছেন।

    ঠাকুর পাঁচ বছরের ছেলের ন্যায় দিগম্বর হইয়া মাঝে মাঝে ঘরের মধ্যে পাদচারণ করিতেছেন।

    প্রত্যূষ (১০ই অগস্ট) হইল। ঠাকুর মার নাম করিতেছেন। পশ্চিমের বারান্দায় গিয়া গঙ্গাদর্শন করিলেন। ঘরের মধ্যস্থিত দেবদেবীর যত পট ছিল, কাছে গিয়া নমস্কার করিলেন। ভক্তেরা শয্যা হইতে উঠিয়া প্রণামাদি করিয়া প্রাতঃকৃত্য করিতে গেলেন।

    ঠাকুর পঞ্চবটীতে একটি ভক্তসঙ্গে কথা কহিতেছেন। তিনি স্বপ্নে চৈতন্যদেবকে দর্শন করিয়াছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভাবাবিষ্ট হইয়া) — আহা! আহা!

    ভক্ত—আজ্ঞা, ও স্বপনে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — স্বপন কি কম!

    ঠাকুরের (Ramakrishna) চক্ষে হল। গদগদ স্বর!

    একজন ভক্তের জাগরণ অবস্থায় দর্শন-কথা শুনিয়া বলিতেছেন — “তা আশ্চর্য কি! আজকাল নরেন্দ্রও ঈশ্বরীয় রূপ দেখে!”

    মহিমাচরণ প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া, ঠাকুরবাড়ির প্রাঙ্গণের পশ্চিম দিকের শিবের মন্দিরে গিয়া, নির্জনে বেদমন্তর উচ্চারণ করিতেছেন।

    বেলা আটটা হইয়াছে। মণি গঙ্গাস্নান করিয়া ঠাকুরের কাছে আসিলেন। শোকাতুরা ব্রাহ্মণীও দর্শন করিতে আসিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ব্রাহ্মণীর প্রতি) — এঁকে কিছু প্রসাদ খেতে দাও তো গা, লুচি-টুচি। তাকের উপর আছে।

    ব্রাহ্মণী—আপনি আগে খান। তারপর উনি প্রসাদ পাবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি আগে জগন্নাথের আটকে দাও, তারপর প্রসাদ।

    প্রসাদ পাইয়া মণি শিবমন্দিরে শিবদর্শন করিয়া ঠাকুরের কাছে আবার আসিলেন ও প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সস্নেহে— তুমি এসো। আবার কাজে যেতে হবে।

  • Hindus in Bangladesh: বাংলাদেশে বিধবা হিন্দু নারীকে গণধর্ষণ, ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

    Hindus in Bangladesh: বাংলাদেশে বিধবা হিন্দু নারীকে গণধর্ষণ, ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু নারীকে গণধর্ষণ করে গাছের সঙ্গে বেঁধে চুল কেটে দেওয়া এবং ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি সাব-ডিসট্রিক্ট শহর কালীগঞ্জের ওয়ার্ড নম্বর ৭-এ ঘটে বলে স্থানীয় পুলিশ এবং সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর (Hindus in Bangladesh)। পুলিশে দায়ের করা অভিযোগ অনুসারে, প্রায় দুই বছর আগে ওই মহিলা শাহিন ও তার ভাইয়ের কাছ থেকে কুড়ি লাখ টাকা দিয়ে একটি জমি ও একটি দুই তলা বাড়ি কিনেছিলেন। পরে শাহিন ওই মহিলাকে অশ্লীল প্রস্তাব দিতে শুরু করে ও তাঁকে নানাভাবে হয়রান করতে থাকে (Gang Rape)।

    কাঠগড়ায় দুই মুসলিম যুবক (Hindus in Bangladesh)

    শনিবার সন্ধ্যায় ওই মহিলা যখন তাঁর বাড়িতে ছিলেন, তখন শাহিন এবং তার সহযোগী হাসান ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে। এরপর তারা মহিলার কাছ থেকে ৫০,০০০ টাকা দাবি করে, যা তিনি দিতে অস্বীকার করেন। তখন তারা ওই মহিলার আত্মীয়দের ওপরও হামলা চালায়। এরপর তারা ওই মহিলাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে, তাঁর চুল কেটে ফেলে ও ভিডিও রেকর্ড করে, এবং সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। হামলার সময় মহিলাকে মারধর করা হয় এবং তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডাক্তারি পরীক্ষার পর ওই মহিলা কালীগঞ্জ থানার পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে শাহিন ও হাসানকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ তদন্ত করছে (Hindus in Bangladesh)।

    হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হিংসার অভিযোগ

    বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হওয়া হিংসার ঘটনা (Gang Rape) নিয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ডিসেম্বর মাসে কালীমহর ইউনিয়নে অমৃত মণ্ডল নামে আর এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এছাড়া ময়মনসিংহে ২৫ বছর বয়সী দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে মারধর করে গাছে ঝুলিয়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। শরিয়তপুরে আবার খোকন দাস নামের এক ঔষধ ব্যবসায়ীকে ছুরি মেরে ও আগুন লাগিয়ে হত্যা করা হয় (Hindus in Bangladesh)।

  • India: ভেনেজুয়েলায় পালা বদলের সম্ভাবনায় কৌশলগত লাভের মুখে ভারত

    India: ভেনেজুয়েলায় পালা বদলের সম্ভাবনায় কৌশলগত লাভের মুখে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার (Venezuela) দীর্ঘদিনের কমিউনিস্ট শাসক নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য আমেরিকার উদ্যোগ ভারতের (India) পক্ষে শাপে বর হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দিক থেকে ভারতকে একটি বড় সুযোগ এনে দিতে পারে। এই সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিবর্তন তেলসমৃদ্ধ লাতিন আমেরিকার দেশটিতে শক্তির ভারসাম্য নতুনভাবে বিন্যস্ত করতে পারে। এখানে এতদিন কার্যত ছিল চিনের একচেটিয়া প্রভাব।

    চিনের প্রভাব-বলয়ে আবদ্ধ (India)

    গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভেনেজুয়েলা কার্যত চিনের প্রভাব-বলয়ে আবদ্ধ থাকায় ভারতের উপস্থিতি ছিল সীমিত। ভারতের মূল বিনিয়োগ ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ওএনজিসির মাধ্যমে। সংস্থাটি ভেনেজুয়েলার সান ক্রিস্টোবল তৈলক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ অংশীদারিত্ব ধরে রেখেছে। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী পাওনা অর্থ এখনও আদায় করতে পারেনি ভারত। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, শুধু সান ক্রিস্টোবল প্রকল্প থেকেই ভারতের বকেয়া প্রায় ৫৩৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সব মিলিয়ে ভেনেজুয়েলার কাছে ভারতের পাওনা ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। মাদুরো-উত্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত নয়া সরকার ক্ষমতায় এলে নয়াদিল্লি এই বকেয়া আদায়ে বাস্তবিকই কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে (Venezuela) পারবে বলে ধারণা কৌশলগত বিশ্লেষকদের (India)।

    চিনের দীর্ঘদিনের আধিপত্য

    ক্ষমতার পরিবর্তন হলে ভেনেজুয়েলায় চিনের দীর্ঘদিনের আধিপত্যও বড় ধাক্কা খেতে পারে। ভেনেজুয়েলায় অপরিশোধিত তেলের মজুত প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক, সৌদি আরবের চেয়েও বেশি। অথচ দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অদক্ষ শাসন এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির তেল উৎপাদন ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে ভেনেজুয়েলার দৈনিক তেল উৎপাদন প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল, যা বৈশ্বিক উৎপাদনের মাত্র ১ শতাংশ। অথচ মোট প্রমাণিত তৈলভাণ্ডারের প্রায় ১৮ শতাংশ ভেনেজুয়েলার দখলে রয়েছে। এই সীমিত উৎপাদনের মধ্যেও চিন একাই প্রায় ৮০ শতাংশ তেল আমদানি করে, যা থেকে স্পষ্ট হয় দেশটির ওপর বেজিংয়ের অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ (India)।

    বিশেষজ্ঞদের অভিমত

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এলে এবং বিদেশি বিনিয়োগ ফের শুরু হলে ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে (Venezuela) পারে। এতে শুধু চিনের প্রভাব কমবে না, ভারতের মতো দেশগুলির জন্যও নতুন বিনিয়োগ ও জ্বালানি নিরাপত্তার সুযোগ তৈরি হবে। ভেনেজুয়েলার বাস্তবতা একটি নির্মম বৈপরীত্যে ভরা। বিপুল তেল সম্পদের দেশ হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে সেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করেন এবং প্রায় ৬৭ শতাংশ মানুষ চরম দারিদ্র্যের শিকার। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হলে এই পরিস্থিতি বদলানোর সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। ভারতের জন্য এটি কেবল বকেয়া অর্থ আদায়ের প্রশ্ন নয়, বরং লাতিন আমেরিকায় শক্তিশালী জ্বালানি উপস্থিতি গড়ে তোলার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরা (India)।

    ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন

    ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব ভারতের শেয়ারবাজারে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। সোমবার বাজারে এই ইঙ্গিত আগেভাগেই মূল্যায়ন করেছেন লগ্নিকারীরা (Venezuela)। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা ওএনজিসির শেয়ার ২ শতাংশ বেড়ে ২৪৬.৮০ টাকায় পৌঁছয়। নিফটি সূচকে এদিন সবচেয়ে বেশি লাভ করা শেয়ারের তালিকায় শীর্ষে ছিল ওএনজিসি। একই সঙ্গে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারও ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ₹১,৬১১.৮০-এ পৌঁছয়, যা সংস্থাটির ৫২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর (India)।

    জেফেরিজের প্রতিবেদন

    বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগ ব্যাঙ্কিং সংস্থা জেফেরিজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রভাবের অধীনে ভেনেজুয়েলার তৈল শিল্পে পুনর্গঠন হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে এমন সংস্থার তালিকায় রয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ওএনজিসি-ও। ভেনেজুয়েলার বিশাল তৈল সম্পদ ও ভবিষ্যৎ উৎপাদন কাঠামোয় পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করেই এই প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে (Venezuela)। এদিকে, এই ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে কেন্দ্র করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিগুলির তরফে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী)-সহ একাধিক বাম দল ভেনেজুয়েলায় মাদুরো সরকারের পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন পর্যন্তও ভারত সরকারকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করার ডাক দিয়েছেন (India)।

    ভারতের অবস্থান

    তবে এই ইস্যুতে ভারত সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ভারত ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশে রয়েছে, কোনও বিদেশি দখলদারিত্বের পক্ষে নয় এবং একই সঙ্গে ব্যর্থ কমিউনিস্ট স্বৈরতন্ত্রেরও সমর্থক নয়। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই অবস্থানের মাধ্যমে নয়াদিল্লি একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি বজায় রেখেছে। এদিকে, চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়াশীল কমিউনিস্ট গোষ্ঠী এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাপ্রবাহ ফের একবার আন্তর্জাতিক ইস্যুতে (Venezuela) ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিগুলির রাজনৈতিক অবস্থান ও আদর্শগত আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে (India)।

  • Indian In America: ট্রাম্পের অভিবাসী কল্যাণ তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান, চিন! জানেন কেন নেই ভারত?

    Indian In America: ট্রাম্পের অভিবাসী কল্যাণ তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান, চিন! জানেন কেন নেই ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকায় থাকা অভিবাসীরা কতটা সরকারি সাহায্য পান, তার খতিয়ান তুলে ধরলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ওই অভিবাসীদের দেশের নামও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, ১২০টি দেশের তালিকায় পাকিস্তান, বাংলাদেশ, চিন, নেপাল, ভুটানের নাম থাকলেও নেই ভারতের নাম। চার্টটির শিরোনাম ছিল ‘Immigrant welfare recipient rates by country of origin’। এতে দেশভিত্তিকভাবে দেখানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশের কত শতাংশ অভিবাসী পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে কোনো না কোনো ধরনের সরকারি সহায়তা গ্রহণ করে।

    কারা কত সহায়তা

    কর্মসূত্রে বা অন্য কারণে বিভিন্ন দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় বা পাকাপাকি ভাবে আমেরিকায় থাকেন। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মানলে তবেই তাঁরা নাগরিকত্ব পেয়ে থাকেন। না-হলে অভিবাসী হিসাবে থাকতে হয় তাঁদের। আমেরিকায় বসবাসকারী অভিবাসীদের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে কিছু অর্থ খরচ করা হয়। এই অর্থ তাঁদের সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন দেশের কতগুলি অভিবাসী পরিবার সরকারি সুবিধা পেয়েছে, তালিকায় তার উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ নেপাল। সে দেশের ৮১.৪ শতাংশ অভিবাসী পরিবার আমেরিকার সরকারি সাহায্য পেয়েছে। তার পর যথাক্রমে রয়েছে ইয়েমেন (৭৫.২), সোমালিয়া (৭১.৯)। তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান (৬৮.১), বাংলাদেশ (৫৪.৮), পাকিস্তান (৪০.২), চিন (৩২.৯) শতাংশ। কিন্তু কোথাও নেই ভারতের নাম।

    কেন নেই ভারত?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এর প্রধান কারণ যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের উচ্চ আয় ও তুলনামূলক কম ওয়েলফেয়ার নির্ভরতা। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় আমেরিকানরা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি আয়কারী জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে অন্যতম। ফলে তাদের মধ্যে সরকারি সহায়তা নেওয়ার হার তুলনামূলকভাবে কম। পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় আমেরিকানদের মধ্যম পারিবারিক আয় যুক্তরাষ্ট্রের গড় আয়ের তুলনায় অনেক বেশি। এই কারণেই উচ্চ সহায়তা গ্রহণকারী দেশগুলোর তালিকায় ভারতের নাম উঠে আসেনি। আমেরিকায় সরকারি সাহায্য তাঁরাই পান, যাঁদের রোজগার কম। তাই সকল অভিবাসী পরিবারকে সরকারি সাহায্য করা হয় না। আমেরিকায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের সংখ্যার বিচারে ভারতের স্থান দ্বিতীয়। আবার রিপোর্ট বলছে, ভারতীয় অভিবাসীরাই আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি রোজগার করে থাকেন। সে দিক দিয়ে দেখলে তাঁদের সরকারি সাহায্য না পেলেও চলে।

    যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় আমেরিকানদের চিত্র

    ২০২৩ সালের মার্কিন সেন্সাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫২ লক্ষ মানুষ নিজেদের ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এরা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম এশীয় বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠী, যা মোট এশীয় জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশ। এই শ্রেণিতে ভারতে জন্ম নেওয়া ব্যক্তি ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া ভারতীয় বংশোদ্ভূতরাও অন্তর্ভুক্ত।

    আয়ের পরিসংখ্যান কী বলছে?

    ২০২৩ সালে ভারতীয় পরিবারপ্রধানদের মধ্যম বার্ষিক আয় ছিল ১,৫১,২০০ ডলার। সব এশীয় পরিবারপ্রধানের ক্ষেত্রে এই আয় ছিল ১,০৫,৬০০ ডলার। ভারতীয় অভিবাসী পরিবারপ্রধানদের মধ্যম আয় ছিল ১,৫৬,০০০ ডলার, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া ভারতীয় পরিবারপ্রধানদের আয় ছিল ১,২০,২০০ ডলার। ব্যক্তিগত আয়ের ক্ষেত্রেও ভারতীয়রা এগিয়ে। ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী ভারতীয় আমেরিকানদের মধ্যম বার্ষিক আয় ছিল ৮৫,৩০০ ডলার। সব এশীয় গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই আয় ছিল ৫২,৪০০ ডলার। পূর্ণকালীন কর্মীদের মধ্যে ভারতীয়দের মধ্যম আয় ১,০৬,৪০০ ডলার, যেখানে এশীয়দের সামগ্রিক গড় ৭৫,০০০ ডলার।

    শিক্ষার প্রভাব

    উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতাও ভারতীয় আমেরিকানদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ভারতীয় আমেরিকানদের ৭৭ শতাংশের স্নাতক বা তার ঊর্ধ্বতন ডিগ্রি রয়েছে। এর মধ্যে ৩১ শতাংশের স্নাতক এবং ৪৫ শতাংশের স্নাতকোত্তর বা তার বেশি ডিগ্রি আছে। সব এশীয় গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই হার ৫৬ শতাংশ। অভিবাসী ও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া—উভয় শ্রেণির ভারতীয়দের মধ্যেই উচ্চশিক্ষার হার প্রায় সমান।

    দারিদ্র্য ও গৃহস্বত্ব

    দারিদ্র্যের হার কম হওয়াও ভারতের অনুপস্থিতির আরেকটি কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করেন। সব এশীয় গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই হার ১০ শতাংশ। অভিবাসী ও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া—উভয় ক্ষেত্রেই ভারতীয়দের দারিদ্র্যের হার একই, ৬ শতাংশ। বাড়ির মালিকানার ক্ষেত্রেও ভারতীয়রা এশীয় গড়ের কাছাকাছি। ভারতীয় পরিবারপ্রধানদের ৬২ শতাংশ নিজস্ব বাড়ির মালিক। অভিবাসী ভারতীয়দের মধ্যে এই হার ৬৩ শতাংশ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া ভারতীয়দের মধ্যে ৫৪ শতাংশ।

    ভারতীয়দের দাপট

    দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসেই অভিবাসন নীতি কঠোর করার বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। অভিবাসীদের জন্য সরকারি ব্যয়বরাদ্দ কাটছাঁট করার কথাও বলেছেন। এই আবহে তাঁর এই তালিকা প্রকাশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় ভারতের নাম সেই তালিকায় না-থাকা। তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে এর পিছনে রয়েছে মার্কিন মুলুকে ভারতীয়দের দাপট। উচ্চ আয়, উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কম দারিদ্র্যের হার—এই তিনটি প্রধান কারণের সম্মিলিত প্রভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা ওয়েলফেয়ার বা সরকারি সহায়তার ওপর তুলনামূলকভাবে কম নির্ভরশীল। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রকাশিত অভিবাসী কল্যাণ তালিকায় ভারত জায়গা পায়নি।

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: এসআইআর ইস্যুতে জ্ঞানেশকে করা মমতার চিঠির পাল্টা চিঠি শুভেন্দুর, চাপে তৃণমূল!

    Suvendu Adhikari: এসআইআর ইস্যুতে জ্ঞানেশকে করা মমতার চিঠির পাল্টা চিঠি শুভেন্দুর, চাপে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতর চিঠির পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মমতার অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে নির্বাচন কমিশনকে সোমবার চিঠি লিখেছেন তিনি। শুভেন্দুর সাফ কথা, এসআইআর কোনও হঠকারী বা অপরিকল্পিত প্রক্রিয়া নয়। ভুয়ো এবং অযোগ্য ভোটারদের নাম ছাঁটাই করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে ভোটার তালিকায় বেআইনি নাম ঢোকানোর সুযোগ পেয়েছে তৃণমূল সরকার। এবার এই জাল ভোটারদের নাম বাদ দিতে তৃণমূল সরকার এতো আপত্তি করছে।

    স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হচ্ছে কাজ (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যনির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি লিখে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের মাধ্যমে কার্যত কমিশনের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সাধারণ মানুষ নিজেরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে নিজেদের নথি যাচাই করাচ্ছেন। কমিশনের পদক্ষেপ সমর্থন করছেন। সারা দেশে একই নিয়মে সংশোধন করার কাজ করছে। প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাকেও স্বচ্ছতার সঙ্গে উন্নতি করা হচ্ছে। কোথাও কোনও রকম সংশোধন হলে পরিস্থিতির সাপেক্ষেই করা হচ্ছে।”

    রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে ‘না’

    এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজ্যের অভিযোগ যে প্রশিক্ষণ, সময়সীমা এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে প্রশ্ন রয়েছে। কমিশনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ এবং বুথ স্তরের এজেন্টদের ভূমিকা সীমিত করার সিদ্ধান্তকেও সমর্থন করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া যাতে কোনও রকম রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে প্রভাবিত না হতে পারে, সেই দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। উল্লেখ্য সম্প্রতি রাজ্যে চলা এসআইআর নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখে কাজের বিষয় এবং পদ্ধতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    আলোচনা এবং প্রশিক্ষণের পরই কার্যকর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের চারপাতা চিঠিতে মমতার করা অভিযোগকে খণ্ডন করেছেন। মমতার ব্যাখ্যাকে মিথ্যা ব্যাখ্যা বলেছেন তিনি। মমতা বলেছিলে্‌ এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতির ব্যাপক অভাব রয়েছে। কর্মীদের সঠিক ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন ভাবে কাজ চলছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। শুভেন্দু মমতার দাবিকে নস্যাৎ করে বলেন, “অকারণ তাড়াহুড়ো এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গোটা দেশে আলোচনা এবং প্রশিক্ষণের পরই কোন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেই প্রায় ৫০ হাজার বিএলও এবং ইআরওকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।”

    বর্তমান যুগে প্রযুক্তি নির্ভর কাজ

    এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় নাকি বিভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন ভিন্ন মানদণ্ড রয়েছে। বিহারের ক্ষেত্রে যে বংশ তালিকাকে বৈধ পরিচয়ের মান্যতা দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে নাকি তা করা হচ্ছে না। মমতার পাল্টা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, রাজ্য ভিত্তিক স্তরে স্তরে নিয়মবিধি বদলানো স্বেচ্ছাচারিতা নয়। এই ভিন্নতাকেই যুক্ত রাষ্ট্রীয় কাঠামো বলে মনে করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। মমতা আরও অভিযোগ করে বলেছিলেন, কমিশন নাকি কোনও রকম বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই হোয়াট্‌সঅ্যাপের মতো মাধ্যমে নতুন নতুন নির্দেশিকা দিচ্ছে। অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “বর্তমান যুগে প্রযুক্তি নির্ভর কাজে বার্তা পাঠানোর মাধ্যমকে ব্যবহার করেই কাজ হবে এটাই তো স্বাভাবিক নিয়ম।”

    তালিকা নির্ভুল করতেই কমিশন তৎপর

    নামের বানান এবং বয়সের বিভ্রান্তি (SIR) থাকলে ভোটারদের নাকি হেনস্থা করছে কমিশন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “নামের বানান বা বয়সের অমিল ধরা পড়লে যাচাই করে নেওয়ার নির্দেশ তো রয়েছেই। তালিকা নির্ভুল করতেই কমিশন তৎপর। এটাই এখন বড় উপায়। কোথায় কী কী কাগজ লাগবে, সবটাই শুনানিতে জানিয়ে দেওয়া হয়। ফলে মমতার অভিযোগ সবটাই রং মেশানো ভেজাল।”

    দৌরাত্ম্যকে নিয়ন্ত্রণ জরুরি

    কাজের (SIR) পর্যবেক্ষক এবং শুনানিতে বুথ লেভেল এজেন্টদের নাকি ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, এমন অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। অভিযোগকে অস্বীকার করে শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যে এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত মাউক্রো অবজার্ভাররা সকলেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী। ফলে তাঁরা নিরক্ষেপ। বিএলএরা (BLA) থাকলে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সম্ভব হতো না। স্থানীয় শাসক দলের দৌরাত্ম্য শুনানির কাজকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতো।”

  • Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (Bengal SIR) চলছে। তাতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যের সিইওর দফতর সূত্রে খবর, অন্তত ১৪ জন ব্যক্তি একই সঙ্গে ভারতীয় ভোটার পরিচয়পত্র (Indian Epic Cards) এবং বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। অনুমান, ওই ১৪ জনই আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। এই তথ্যের ভিত্তিতেই রাজ্যের সিইও দফতর কলকাতার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে।

    বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট (Bengal SIR)

    সম্প্রতি এফআরআরও, কলকাতা সিইও দফতরকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের প্রত্যেকের কাছেই বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। তারা সকলেই বৈধ ভিসায় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর আর বাংলাদেশে ফিরে যায়নি।পরবর্তীকালে তারা বেআইনিভাবে বিভিন্ন ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে, যার মধ্যে অন্যতম হল ভোটার পরিচয়পত্র। সিইও দফতরের এক সূত্রের খবর, এই ১৪ জনের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিতব্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার পাশাপাশি, আইন অনুযায়ী এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, এই ১৪ জনকে রাজ্যের তিনটি জেলায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জেলাগুলি হল উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলা বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। যার জেরে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নজরদারি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Bengal SIR)।

    জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কারবার

    গত এক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে ভুয়ো পাসপোর্ট ও জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, এই চক্রের মূল লক্ষ্য ছিল অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিকত্বের নকল নথি তৈরি করে দেওয়া (Indian Epic Cards)। তদন্তে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল এবং অত্যন্ত পরিকল্পিত চার ধাপের মাধ্যমে ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করা হচ্ছিল (Bengal SIR)। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার পর অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামে। স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে তাদের গোপনে রাখা হত।

    কীভাবে চলত কারবার?

    দ্বিতীয় ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশে এই অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র এবং রেশন কার্ড বানানো হত। তৃতীয় ধাপে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ও রেশন কার্ডের ভিত্তিতে তৈরি করা হত আধার কার্ড ও প্যান কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় পরিচয়পত্র (Bengal SIR)। চতুর্থ তথা শেষ ধাপে এই সব নকল নথির ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভুয়ো ভারতীয় পাসপোর্ট জোগাড় করে দেওয়া হত, যার মাধ্যমে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবাধে যাতায়াত করতে পারত বা বিদেশেও যাওয়ার চেষ্টা করত (Indian Epic Cards)। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, এই ধরনের চক্র দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের চক্র সক্রিয় থাকাটা উদ্বেগজনক বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Bengal SIR)। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন দালাল ও নথি জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং আগামী দিনে আরও বড়সড় নাম সামনে আসতে পারে বলে ইডি ও রাজ্য পুলিশ সূত্রে খবর (Indian Epic Cards)।

  • ICC T-20 World Cup: বাংলাদেশকে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরানোর দাবি আইসল্যান্ডের, কেন জানেন?

    ICC T-20 World Cup: বাংলাদেশকে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরানোর দাবি আইসল্যান্ডের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে আসন্ন আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ (ICC T-20 World Cup) থেকে সরানোর দাবি তুলল আইসল্যান্ড। ভারতে প্লেয়ারদের নিরাপত্তা নেই বলে এ দেশে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ। তারা আইসিসি-কে চিঠি পাঠিয়েছে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে। আগামী আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানকে কেকেআর তথা টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকার করেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ট্রোল করল আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। তারা টুইট করে সরাসরি খোঁচা মারল বাংলাদেশকে। আইসল্যান্ড ক্রিকেট বরাবরই কোনও বিষয়ে ট্রোল করার জন্য জনপ্রিয়। আন্তর্জাতিক ম্যাচ হোক বা ঘরোয়া ক্রিকেটে কোনও চর্চিত বিষয়, আইসল্যান্ড সবসময় খোঁজা মেরে পোস্ট করে থাকে। এবার তাদের নিশানায় বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশকে তোপ

    বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সরাসরি তোপ দাগল আইসল্যান্ড। তারা দাবি করল, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে তাদের সুযোগ দেওয়ার জন্য। এক ট্যুইট বার্তায় আইসল্যান্ড ক্রিকেটের তরফে লেখা হয়, ‘আমাদের জিজ্ঞাসা করার আগেই আমরা বলছি, হ্যাঁ। আসন্ন টি-টোটেন্টি বিশ্বকাপে আইসল্যান্ড বাংলাদেশের জায়গা নিতে পারে। এবং আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।’ এই টুইটটা মজার ছলে হলেও বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত বদলে আইসল্যান্ড ক্রিকেট যে খুশি নয় সেটার প্রমাণ তারা দিল।

    আইপিএল বয়কট বাংলাদেশের

    মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসবে না। এই মর্মে তারা চিঠি পাঠিয়েছে। রবিবার বিসিবির পরিচালন সমিতির বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয় দল ভারত সফরে যাবে না। বিসিবির এক কর্তা স্পষ্ট করে বলেন যে, একজন খেলোয়াড়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে গোটা দলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। এই অবস্থায় ভারতের মাটিতে খেলা সম্ভব নয়। যদিও বিসিসিআই বাংলদেশের দাবি খারিজ করে দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে তারা এ বার আইপিএল সম্প্রচার করবে না তাদের দেশে। যার অর্থ, ২০২৬ সালের আইপিএল বাংলাদেশে সম্প্রচার করা হবে না।

     

     

     

     

     

LinkedIn
Share