Blog

  • Jammu and Kashmir: কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের কড়া মনোভাব টের পেয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রী ছুটলেন পাকিস্তানে

    Jammu and Kashmir: কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের কড়া মনোভাব টের পেয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রী ছুটলেন পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: Shanghai Corporation Organisation (SCO)-এর বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাফ জানিয়েছিলেন, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে, থাকবে। গোয়ায় এই বৈঠকে হাজির ছিলেন পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো। এবার কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) ইস্যুতে পাকিস্তানের সুরে সুর মেলাতে ইসলামাবাদ উড়ে গেলেন চিনা বিদেশমন্ত্রী কিম। প্রসঙ্গত, চিনা বিদেশমন্ত্রীও হাজির ছিলেন গোয়ায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে। অন্যদিকে, লাহোরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিলাওয়ালের ভারত সফরকে কটাক্ষ করলেন, সেদেশে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। প্রাক্তন পাক অধিনায়কের মতে, দেশ এই সময় ঘোর আর্থিক সংকটে ধুঁকছে, এমন পরিস্থিতিতে বিলাওয়াল পাকিস্তানের টাকায় বিদেশ সফর করছে। ইমরানের আরও প্রশ্ন, বিলাওয়ালের এই ভারত সফরে পাকিস্তানের কী লাভ হল, তা পাকিস্তানবাসী জানতে চায়। প্রসঙ্গত, ভারত সফরে এসে কড়া কথাবার্তাই হজম করতে হয় বিলাওয়ালকে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, তাই হয়তো ইমরানের এই খোঁচা।

    প্রসঙ্গ কাশ্মীর…

    ৩৭০ ধারার প্রসঙ্গ উঠতেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়ালকে বলেছিলেন, জেগে উঠুন, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ ধারা এখন অতীত। পাশাপাশি, বিলওয়ালকে টেররিস্ট ইন্ডাস্ট্রির মুখপাত্র বা এজেন্ট বলেও তোপ দাগেন এস জয়শঙ্কর। হজম করতে হয় পাকিস্তানকে। ভারতের সাফ বক্তব্য ছিল, সন্ত্রাস এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। এরই মাঝে শ্রীনগরে জি২০ সম্মেলনের আগে জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গও ওঠে বৈঠকে। ভারতের তরফ থেকে বলা হয়, শ্রীনগরে জি২০ সম্মেলন হবে, এতে পাকিস্তানের আপত্তি কিসের? বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, জি২০ সম্মেলন শ্রীনগরে হওয়াতে খুশি নয় পাকিস্তান, তার প্রতিফলন ধরা পড়ছে বিগত একমাস ধরে জম্মু-কাশ্মীরে একের পর এক জঙ্গি হামলায়। কে না জানে, এগুলো পাক মদতেই সম্পন্ন হচ্ছে। অন্যদিকে চিনের সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক যে স্বাভাবিক নয়, তা সেদেশের বিদেশমন্ত্রীকে বুঝিয়ে দিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের দাবি, কাশ্মীর আন্তর্জাতিক ইস্যু। পাকিস্তানের দাবিকে মান্যতা দিতেই কি চিনের বিদেশমন্ত্রীর ইসলামাবাদ সফর? এই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: ক্যান্সার আক্রান্ত যুবকের পাশে নিশীথ প্রামাণিক, কুর্নিশ জানালেন শীতলকুচিবাসী

    Nisith Pramanik: ক্যান্সার আক্রান্ত যুবকের পাশে নিশীথ প্রামাণিক, কুর্নিশ জানালেন শীতলকুচিবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোট-পরবর্তী হিংসায় জখম হয়েছিলেন রামু বর্মন। সেই সময় স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব পাশে ছিলেন। সেই রামু দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। রোগের নাম শুনে পাহাড় ভেঙে পড়ে পরিবারের মাথায়। সামান্য কৃষিকাজ করে সংসার চলে তাঁদের। কোচবিহারের শীতলকুচির খলিশামারি গ্রামের চেঞ্জের কুঠি এলাকায় রামুর চিকিত্সা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী  নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি ত্রাতার মতো এই পরিবারের পাশে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ছেলের চিকিত্সার ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nisith Pramanik) ।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nisith Pramanik)?

    বর্মন পরিবারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে শনিবার নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)  ও জেলা সভাপতি সুকুমার রায়, স্থানীয় বিধায়ক বরেনচন্দ্র বর্মন-সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা রামুর বাড়িতে পৌঁছে তাঁর পরিবারকে ১২ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন। পাশাপাশি যাতায়াতের জন্যও সমস্ত খরচ বহন করা হবে বলে আশ্বাস দেন। নিশীথবাবু বলেন, রামুর বয়স ২৩ বছর। বাইরে থেকে তাকে দেখে বোঝার উপায় নেই , তিনি এরকম একটি রোগে আক্রান্ত। তাঁর চিকিত্সার জন্য বিপুল পরিমাণ খরচ। সেই খরচ  আমরা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এদিন তাঁর বাড়িতে এসে পরিবারের লোকজনকে সেই বার্তা দিয়ে গেলাম।

    কী বললেন রামুর পরিবারের লোকজন?

    মন্ত্রীর সাহায্যে স্বাভাবিকভাবেই আবেগে আপ্লুত রামুর পরিবারের লোকজন। রামুর বাবা হীরালাল বর্মন বলেন, ছেলের রোগ ধরা পড়ার পর আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। এই রোগের চিকিৎসা করার কোনও সামর্থ্য আমাদের ছিল না। আমরা খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। নিশীথবাবু সাহায্যের জন্যে এগিয়ে আসায় আমরা খুশি। নিশীথের উদ্যোগে প্রশংসা করছেন শীতলকুচির মানুষরাও। এদিকে সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তাঁর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Nisith Pramanik) এই উদ্যোগে গেরুয়া শিবিরের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School Hygiene: অনেক স্কুলেই নেই শৌচালয়, হাইজিন উইক-এ কাঠগড়ায় রাজ্যের পরিকাঠামো! 

    School Hygiene: অনেক স্কুলেই নেই শৌচালয়, হাইজিন উইক-এ কাঠগড়ায় রাজ্যের পরিকাঠামো! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সুস্থ থাকার প্রথম শর্ত পরিচ্ছন্নতা! হাত-পা পরিষ্কার করা, নিয়মিত স্নান, শৌচালয়ের ব্যবহার, শৌচাগারে পর্যাপ্ত জলের ব্যবহার আর মেয়েদের ঋতুস্রাব হলে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, এগুলি সম্পর্কে স্কুলেই পাঠ দেওয়া হোক শিশুদের। স্বাস্থ্যবিধি (School Hygiene) নিয়ে সতর্কতা তৈরি হলে জনস্বাস্থ্য নিয়েও সচেতনতা তৈরি হবে। এমনই পরিকল্পনা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। মে মাসে তাই হাইজিন উইক পালন করা হয়। কিন্তু যে রাজ্যের একাধিক জেলায় স্কুলে একটিও শৌচালয় নেই, সেখানে স্বাস্থ্যবিধির পাঠ অনেকটাই সোনার পাথরবাটি বলেই মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    কী অবস্থায় রয়েছে রাজ্যের স্কুলগুলি? 

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংস্থা বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, অসম সহ পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্যের স্কুল নিয়ে সমীক্ষা চালায়। স্কুলের স্বাস্থ্যবিধির (School Hygiene) পরিকাঠামো নিয়েই মূলত ওই সমীক্ষা হয়। তার রিপোর্টে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় বহু স্কুল ‘নো-টয়লেট’! অর্থাৎ, স্কুলে একটিও শৌচালয় নেই। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, বীরভূমের অবস্থা এরমধ্যে সবচেয়ে শোচনীয়! জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুরের ২২ শতাংশ স্কুল ‘নো-টয়লেট’ অর্থাৎ, ২২ শতাংশ স্কুলে একটিও শৌচালয় নেই। বীরভূমের ১৭ শতাংশ স্কুল ও পুরুলিয়ার ১২ শতাংশ স্কুলে একটিও শৌচালয় নেই। 

    স্কুলে শৌচালয় না থাকায় কোন সমস্যা বাড়ছে?

    স্কুলে শৌচালয় (School Hygiene) না থাকার জেরে বাড়ছে স্কুলছুটের সংখ্যা। বিশেষত মেয়েরা স্কুলছুট হচ্ছে। কারণ, ঋতুস্রাবের সময় তাদের শৌচালয়ের বিশেষ প্রয়োজন হয়। কিন্তু সেই ন্যূনতম পরিকাঠামো না থাকায়, তাদের সমস্যা হয়। তাই ঋতুস্রাব হলে অধিকাংশ গ্রামীণ এলাকায় মেয়েরা স্কুলেই যায় না। তাছাড়া, তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার সম্পর্কেও সচেতন করা হয় না। ফলে, নানান রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। স্কুলে শৌচালয় না থাকা এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বলেই জানাচ্ছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা। স্কুলপড়ুয়ারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে তখনই ওয়াকিবহাল হবে, যখন তারা অন্তত শৌচালয় ব্যবহারের সুযোগ পাবে। সেই পরিকাঠামো না থাকলে, স্বাস্থ্যবিধি বা হাইজিন, এই শব্দগুলি শুধু বইয়ের পাতার শব্দ হয়েই থেকে যাবে। জীবনে তার প্রয়োগ করতে তারা শিখবে না। স্কুলে শৌচালয় না থাকার জন্য নানা রোগের শিকার হচ্ছে পড়ুয়ারা। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, করোনা মহামারির সময় মানুষ টের পেয়েছেন, হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি কতখানি জরুরি। রোগ সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি কতখানি সাহায্য করে। কিন্তু যেখানে রাজ্যের অধিকাংশ স্কুলে শৌচালয়, জলের কল নেই, সেখানে নানা সংক্রামক রোগ শক্তি বাড়াবে এবং পড়ুয়ারাও নানা ভাইরাসঘটিত রোগে ভুগবে, এই আশঙ্কা অমূলক কিছু নয়। কলেরা, ডায়ারিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি তাই সব সময় গ্রামীণ এলাকায় বেশি হচ্ছে। বিশেষত এ রাজ্যের শিশুদের মধ্যে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা প্রায়ই জানা যায়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, স্কুলে শৌচালয় না থাকার জেরেই এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

    কী বলছে ইউনিসেফ? 

    করোনা মহামারির প্রথম পর্ব শেষ হতেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল ইউনিসেফ (United Nations children’s Funds)। তারা এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, করোনা মহামারি থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্তত সজাগ হোক সমস্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে স্বাস্থ্যবিধির তালিম দেওয়া হোক। বিশেষত হাত ধোয়ার উপরে বাড়তি জোর দেওয়া হোক। কীভাবে সাবান দিয়ে দু’হাত ঘষে ধুতে হবে, তা নিয়ে তাদের সচেতন করতে হবে। তবে, সেই বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছিল, অধিকাংশ স্কুলে পর্যাপ্ত জল নেই। তাই কতখানি স্বাস্থ্যবিধি (School Hygiene) বজায় থাকবে, তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাবে। রাজ্যের কয়েক হাজার স্কুলপড়ুয়া নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে, রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই পড়াশোনা করছে। মহামারির একাধিক ঢেউ পেরিয়েও হুঁশ ফেরেনি রাজ্য সরকারের। নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি, মিড-ডে মিল নিয়ে গড়মিলের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিশুদের নূন্যতম সুরক্ষা কবচ। এমনটাই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jantar Mantar: কুস্তিগিরদের পাশে দাঁড়াতে দিল্লি অভিমুখে রওনা কৃষকদের, কড়া নিরাপত্তা রাজধানীতে

    Jantar Mantar: কুস্তিগিরদের পাশে দাঁড়াতে দিল্লি অভিমুখে রওনা কৃষকদের, কড়া নিরাপত্তা রাজধানীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁদের আন্দোলনে যোগ দিতে ট্রাক্টর নিয়ে কৃষকদের (Farmers) দিল্লিতে (Delhi) আসতে বলেছিলেন আন্দোলনকারী কুস্তিগিররা। তাঁদের সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে দিল্লি অভিমুখে রওনা দিয়েছেন উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পঞ্জাব এবং হরিয়ানার কৃষকরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) আন্দোলন করছেন কুস্তিগিররা। সেই আন্দোলনে শামিল হতেই ট্রাক্টর নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষকরা দিল্লি অভিমুখে রওনা দিয়েছেন শুনে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজধানী। বিজেপি সংসদ তথা জাতীয় কুস্তি সংস্থার সর্বেসর্বা ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের গ্রেফতারির দাবিতে আন্দোলন করছেন কুস্তিগিররা। তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই দিল্লি আসছেন উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের চার রাজ্যের কৃষকরা।

    যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) আন্দোলন…

    ব্রিজভূষণ প্রভাবশালী। প্রথমে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর নিতে চায়নি দিল্লি পুলিশ। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এফআইআর নেয় পুলিশ। যদিও এখনও দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন ব্রিজভূষণ। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন মহিলা কুস্তিগিররা। রেহাই পায়নি এক নাবালিকা কুস্তিগিরও। এর পরেই ব্রিজভূষণের শাস্তির দাবিতে সরব হন তাঁরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) শুরু হয় ধর্না, অবস্থান। রবিবারই যন্তর মন্তরে বসছে মহাপঞ্চায়েত। আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি তাতে যোগ দেওয়ার কথা কৃষকদেরও।

    জানা গিয়েছে, শনিবার রাতেই উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে দিল্লির পথে রওনা দিয়েছেন হাজার হাজার কৃষক। তবে তাঁদের সংখ্যাটা ঠিক কত, তা জানা যায়নি। যদিও নিরাপত্তার ফোকর গলে কৃষকরা যাতে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়তে না পারে, তাই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। সেই কারণে রাজধানী সহ গোটা দিল্লি ঘিরে ফেলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার বলয়ে।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যাভিষেক তৃতীয় চার্লসের, শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন মোদি

    কেবল সংযুক্ত কিষান মোর্চা নয়, আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্রীয় লোকদল ও ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন (টিকায়েতপন্থী)। অভিযুক্ত ব্রিজভূষণের গ্রেফতারির দাবিও তুলেছে তারা। ব্রিজভূষণকে গ্রেফতার করা না হলে, দিল্লি (Jantar Mantar) অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন। রবিবারই কৃষক প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনারের  সঙ্গে দেখা করে বিজেপি সাংসদদের গ্রেফতারির দাবি জানাবেন বলেও সূত্রের খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে তুলনা, তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে শোরগোল

    TMC: কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে তুলনা, তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মিদের আন্দোলনের সর্বাত্মক বিরোধিতা করা হবে। কিছু কুড়মি নেতা স্বঘোষিত খালিস্তানি নেতার মতো আচরণ করছেন। সরকারকে টেনে নামানোর চেষ্টা যাঁরা করছেন, তাঁদের কোনওভাবেই সমর্থন নয়। কুড়মি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি। ১৪ ই মে মেদিনীপুর শহরে আদিবাসী জমায়েতের ডাক দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা। তৃণমূল নেতার এমন মন্তব্যে শাসকদলের সঙ্গে কুড়মি সমাজের সংঘাত বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক অজিত মাইতি?

    এবার কুড়মিদের সঙ্গে কার্যত সম্মুখ সমরে শাসকদল তৃণমূল (TMC)।  উল্লেখ্য, এস টি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সিআরআই রিপোর্টের ওপর রাজ্যের তরফে জাস্টিফিকেশন পাঠাতে হবে কেন্দ্রের কাছে, এই দাবিকে সামনে রেখে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে কুড়মি সম্প্রদায়ের মানুষ। গত এপ্রিল মাসের প্রথমদিকে টানা প্রায় পাঁচদিন অবরুদ্ধ হয়েছে রেল এবং জাতীয় সড়ক। রাজ্যের তরফে বৈঠকের ডাক পেয়েও আশানুরূপ ফল না মেলায় কুড়মিদের দেওয়ালে কোনও রাজনৈতিক প্রচার নয় বলে সম্প্রতি ফরমান জারি করেছে কুড়মি সংগঠন ঘাঘরগেরা কেন্দ্রীয় কমিটি। জঙ্গলমহলের একাধিক এলাকায় কুড়মিরা রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপন মুছে সেখানে জয় গরাম লিখে দিয়েছে। এই আবহেই অজিত মাইতির গলায় রীতিমতো হুমকির সুর। তৃণমূল (TMC) বিধায়ক বলেন, কুড়মি আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তৃণমূল ও সরকারকে ছোট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু কুড়মি নেতা স্বঘোষিত খালিস্তানি নেতার মতো আচরণ করছেন। তাই এই আন্দোলনের সর্বাত্মক বিরোধিতা করা হবে। শুধু এখানেই শেষ নয়, কুড়মি আন্দোলনের পিছনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মদত রয়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে, দেওয়াল লিখন করতে দেওয়া হবে না বলে কুড়মিদের পক্ষ থেকে যে ফরমান জারি করা হয়েছে, তা মানা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অজিতবাবু।

    কী বললেন কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি?

    পশ্চিমবঙ্গ কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত বলেন, আমরা নিজেদের দাবিদাওয়া আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু, অজিতবাবুর মতো নেতার কাছে এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য আমি আশা করিনি। তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গলমহলে এলে বিনয়ের সঙ্গে আমাদের কথা বলেন। অজিতবাবুর সেটা মেনে চলা উচিত। জঙ্গলমহলে অশান্তি ছড়ালে তার দায় অজিত মাইতিকে নিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: ধেয়ে আসছে মোকা! শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপ পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে, চরম সতর্কতা

    Cyclone Mocha: ধেয়ে আসছে মোকা! শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপ পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে, চরম সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোকা (Cyclone Mocha)। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত, ক্রমেই তা সোমবার থেকে নিম্নচাপের রূপ নেবে। তারপর শক্তি বাড়িয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। প্রশ্ন হল, কোথায় আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়? মৌসম ভবনের কথায়, তিনটি উপকূলবর্তী রাজ্যে মোকার (Cyclone Mocha) আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেগুলি হল অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ। তবে শোনা যাচ্ছে, অন্ধ্রপ্রদেশে এই ঝড় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা এখন কম। বাকি থাকল দুই রাজ্য ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ। তবে মোকার প্রভাবে তামিলনাড়ু, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মোকার (Cyclone Mocha) আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৯ কিংবা ১০ মে। ইতিমধ্যে রবিবারের মধ্যে মৎস্যজীবীদের ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক বৃষ্টিপাত। হাওয়া অফিস বলছে, ৮ থেকে ১১ মে আন্দামানে এই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। সঙ্গে ৬০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। তবে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিমিও হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    সোমবার থেকে নিম্নচাপের প্রভাবে তাপমাত্রা বাড়বে পশ্চিমবঙ্গে  

    সোমবার থেকে নিম্নচাপের কারণে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে পশ্চিমবঙ্গে। মৌসম ভবন বলছে, সোমবার থেকেই জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পারদ ৪০ ছুঁইছুঁই হবে। একই অবস্থা থাকবে কলকাতাতেও। তবে গত এপ্রিলমাসের মতো তাপপ্রবাহের যে সম্ভাবনা নেই, সে কথাও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। অন্যদিকে বুধবার অবধি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। রবিবার ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলায়। বুধবার অবধি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। অন্যদিকে কালিম্পং ও দার্জিলিঙে রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখতে রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল নামে। বিশেষ ডিজাইনের তৈরি গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী সওয়ার হন। বেঙ্গালুরুর আশপাশের ১৩ টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপর দিয়ে হয় প্রধানমন্ত্রীর রোড শো। শনিবার ২৬ কিমি রোড শো করার পর রবিবারও প্রধানমন্ত্রী ১০কিমি শোভাযাত্রা করেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, দক্ষিণের এই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে ভারতীয় জনতা পার্টি একেবারেই আশাবাদী। বছর ঘুরলেই লোকসভার ভোট। উত্তর ভারতে এখনও যে বিজেপির জনসমর্থনের ভিত্তি আছে, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে গত বছরের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে। যেখানে ৩০ বছর পরে কোনও দল দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে কর্নাটকেও আবার বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলছে, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সারাদেশে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় ভোট-ক্যাচার নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর রোড শো ঘিরে কর্নাটকে ছিল তুমুল আগ্রহ। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর রোড শো শুরু হয় সকাল ১০টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর তিপ্পাসন্দ্রা রোড থেকে এবং তা শেষ হয় ট্রিনিটি সার্কেলে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ।

    কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন রোড শো’তে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর, যিনি বর্তমানে কর্নাটক থেকে রাজ্যসভার সাংসদ। বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালের সাংসদ পি সি মোহনকেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী কর্নাটকের রাজধানীর দক্ষিণ দিকে রোড শো করেন। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল যেভাবে নেমেছে, তা তিনি সারা জীবন মনে রাখবেন। জানা গিয়েছে, আজকের পর বেশ কতগুলি জায়গায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে।

     

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা, মাস্ক ও ভ্যাকসিনের প্রয়োজন কি শেষ হয়ে গেল? 

    Covid 19: করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা, মাস্ক ও ভ্যাকসিনের প্রয়োজন কি শেষ হয়ে গেল? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কয়েক সপ্তাহ আগেই দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ (Covid 19) চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। রাজ্যে পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক! পজিটিভিটি রেট ১৮ শতাংশ পেরিয়ে গিয়েছিল রাজ্যে! কিন্তু ৪ মে-র ঘোষণার পর সব হিসাব কি গোলমাল হয়ে গেল? করোনা কি শেষ? তাহলে দিন কয়েক আগে কীসের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক? ৪ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষণা করেছে, করোনা মহামারি বা কোভিড-১৯ আর আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিপর্যয় নয়। ২০১৯ সালে চিনে করোনা সংক্রমণ শুরু হয়। তারপরে এই রোগ মহামারির আকার নিয়েছিল। গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। ভারতেও এই মহামারি তীব্র আকার নিয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিপর্যয় বা গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি বলে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৪ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা আর আন্তর্জাতিক বিপর্যয় নয়। এই মহামারিকে মোকাবিলা করা গিয়েছে। 

    তাহলে কি আমরা বিপদমুক্ত? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগকে আন্তর্জাতিক বিপর্যয় আর বলছে না। কারণ, এই রোগের (Covid 19) প্রকোপ অনেক কমেছে। কিন্তু আমরা পুরোপুরি বিপদমুক্ত, এ কথা বলা যায় না। কারণ, কয়েক সপ্তাহ আগেও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে করোনা আবার দাপট বাড়িয়েছিল। করোনার নতুন প্রজাতি আর্কটুরাস সংক্রমণের ক্ষমতা বাড়াচ্ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের মতো জনবহুল দেশে যে কোনও সংক্রামক রোগ বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে। তাই করোনা থেকে পুরোপুরি বিপদ আমাদের কাটেনি। 

    করোনার বিপদ কাটাতে কোন দুই দাওয়াইয়ে ভরসা করতে হবে? 

    করোনার বিপদ (Covid 19) থেকে মুক্তি দিতে পারে দুটি দাওয়াই। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাস্ক আর ভ্যাকসিন-এই দুইয়েই ভরসা রাখতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে বার্তা দিন দুয়েক আগে দিয়েছে, তার অর্থ কখনই এটা নয় যে, করোনা পুরোপুরি শেষ হয়ে গিয়েছে। তারা জানিয়েছে, করোনার শক্তি কমেছে। তাই সচেতনতা বজায় রাখতেই হবে। করোনার শক্তি হ্রাস করতে ও সুস্থ থাকতে ভিড় এলাকায় মাস্ক অবশ্যই পরতে হবে। মাস্কের ঠিকমতো ব্যবহার সংক্রমণ ছড়ানো আটকাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আরেকটি ভরসা টিকা। করোনা ভ্যাকসিন রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। তাই ভ্যাকসিন অবশ্যই নিতে হবে। একদিকে প্রাপ্তবয়স্ক প্রবীণ নাগরিকদের সময়মতো টিকার ডোজ নিতে হবে, আরেকদিকে স্কুল পড়ুয়াদের টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নজর দিতে হবে। করোনা টিকাই পারবে এই রোগের শক্তি কমাতে। তাই করোনা টিকার উপরই সবচেয়ে বেশি ভরসা করছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া, ভিড় জায়গা এড়িয়ে চলা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কিংবা হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

    সতর্কতা এড়ালেই বিপদ! 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্তার অপব্যাখ্যা হলেই বিপদ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কখনই সচেতনতা কমাতে বলেনি। বরং এই পরিস্থিতিতে করোনা (Covid 19) নিয়ে আরও বেশি সতর্কতা জরুরি। কারণ, এখন অতিরিক্ত সংক্রমণের জেরে নতুন কোনও প্রজাতি তৈরি হলে ফের বিশ্ব জুড়ে আরেক স্বাস্থ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। দিন কয়েক আগেই রাজ্যে করোনার নতুন প্রজাতি চোখ রাঙাচ্ছিল। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই পরামর্শ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ত্রিশূল দিয়ে ঠাকুমাকে খুন করার অভিযোগ নাতির বিরুদ্ধে, কেন জানেন?

    Balurghat: ত্রিশূল দিয়ে ঠাকুমাকে খুন করার অভিযোগ নাতির বিরুদ্ধে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠাকুমাকে খুন করার অভিযোগ উঠল নাতির বিরুদ্ধে। পরে, নিজেই কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করল অভিযুক্ত নাতি। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের চিঙ্গিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শোবরা শ্যামপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সুশীলা বর্মন (৫১)। আর অভিযুক্ত যুবকের নাম নয়ন বর্মন। সে বর্তমানে বালুরঘাট (Balurghat) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন থাকলেও পরিবারের কেউই তার সঙ্গে দেখা করতে যায়নি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, হাসপাতালে পুলিশি নজরদারিতে রয়েছে অভিযুক্ত যুবক। সুস্থ হলেই তাকে গ্রেফতার করা হবে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বালুরঘাট ব্লকের শ্যামপুর এলাকার  সুশীলাদেবীর স্বামী পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে শয্যাশায়ী। ছেলে অনেক আগেই মারা গিয়েছেন। পুত্রবধূ অন্যত্র সংসার পেতেছেন। ছোটবেলা থেকে তাই এক নাতি ও নাতনিকে নিজের সন্তানের মতো করেই মানুষ করেছেন সুশীলাদেবী। বেশ কয়েক বছর আগে নাতি-নাতনির বিয়েও দিয়ে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু নাতি নয়ন বর্মন প্রায় নিয়মিত মদ খেয়ে এসে বাড়িতে অশান্তি করে বলে অভিযোগ। ৪ মে রাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফিরে নয়ন তার স্ত্রীকে মারধর করতে শুরু করে। নাতবউকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ঠাকুমা। আর ওই সময়ই পাশের মন্দির থেকে ত্রিশূল তুলে এনে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। পরে, মেঝেতে ফেলে বেধড়ক মারধর চলে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৫ মে সকালেই তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে ঠাকুমার মৃত্যুর খবর পেয়ে অভিযুক্ত নয়ন বর্মন কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। বিষয়টি নজর আসতেই সঙ্গে সঙ্গে তাকে চিকিৎসার জন্য বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। 

    কী বললেন অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের লোকজন?

    অভিযুক্ত যুবকের বোন সনেকা বর্মন শনিবারই দাদার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিন তিনি  বলেন, দাদা মদ্যপ অবস্থায় মাঝে মাঝেই আমার বউদি ও ঠাকুমাকে মারধর করত। ঘটনার দিন রাতে দাদা বাড়িতে এসে বউদিকে মারছিল। সেই সময় আমার ঠাকুমা প্রতিবাদ করলে ঠাকুমাকেই ত্রিশূল দিয়ে হামলা চালায় দাদা। যার জেরে ঠাকুমার মৃত্যু হয়েছে। আমি  দাদার কঠোর শাস্তি চাই। তাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। শুনেছি, সে হাসপাতালে ভর্তি আছে। আমরা দেখতে যাইনি। যাবও না। অভিযুক্ত যুবকের স্ত্রী আশা রায় বলেন, খুব ভালো মানুষ ছিলেন ঠাকুমা। তিনিই কষ্ট করে মানুষ করলেন, আর তাঁকেই যদি ও মেরে ফেলতে পারে, তাহলে তো সকলকেই মেরে ফেলতে পারে। তাই আমি চাই, ও যেন সারাজীবন জেলেই থাকে। স্বামীর জন্য একটুও আফশোস হবে না আমার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kohli and Ganguly: ম্যাচের পর করমর্দন সৌরভ-কোহলির! সম্পর্কের বরফ কি আদৌ গলবে? 

    Kohli and Ganguly: ম্যাচের পর করমর্দন সৌরভ-কোহলির! সম্পর্কের বরফ কি আদৌ গলবে? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরভ-কোহলির (Kohli and Ganguly) সম্পর্কের বরফ কি গললো শনিবার? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রীড়াপ্রেমীদের মনে। শনিবার ফের মুখোমুখি হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও RCB, দিল্লির ঘরের মাঠে। ম্যাচের পর দুই দলের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন। সেই সময় দেখা গেল বিরাট কোহলি ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Kohli and Ganguly) একে অপরের সঙ্গে হাসিমুখে হাত মেলালেন। শুধু হাত মেলানোই নয়, কাঁধে হাত দিয়ে কিছু বলতেও দেখা যায়। অর্থাৎ, প্রায় একমাস আগে যে ছবিটা দেখা গিয়েছিল, সেটা এবার বদলে গেল। ক্রীড়াপ্রেমীরা এবার আশাবাদী, গম্ভীরের সঙ্গেও একইভাবে সম্পর্কের উন্নতি হবে কোহলির। তবে কোনও কোনও মহল থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বারবার সিনিয়রদের সঙ্গে বিতর্কে কেন জড়াচ্ছেন কোহলি? এক্ষেত্রে তাঁরা উদাহরণ দিচ্ছেন কোহলির পূর্বসূরি মহেন্দ্র সিং ধোনির। যিনি দেশকে তিন রকমের ক্রিকেটে সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। পাশাপাশি কখনও বিতর্কে জড়াননি। প্রসঙ্গত,  ১ মে লখনউয়ের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর ম্যাচ চলাকালীন, লখনউয়ের একটা করে উইকেট পড়ার পরে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে উল্লাস করছিলেন কোহলি। আফগানিস্তানের ক্রিকেটার নবীন উল হক আউট হওয়ার সময়ও উত্তেজিত নানা রকমের অঙ্গভঙ্গি করেন কোহলি। টুপি খুলে মাটিতে ছুড়ে ফেলেন। সেটা হয়তো ভালভাবে নেননি নবীন। তাই হাত মেলানোর সময় কোহলিকে কিছু একটা বলেছিলেন লখনউয়ের বিদেশি ক্রিকেটার। পাল্টা কিছু বলেছিলেন কোহলিও। তার পরেই সেখানে এসেছিলেন গম্ভীর। তিনি কোহলিকে কিছু একটা বলেছিলেন। তার পরেই বিবাদ বেড়ে গিয়েছিল।  

    চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ঘটনা…

    প্রসঙ্গত একমাস আগে ১৫ এপ্রিল চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও দিল্লি ক্যাপিটালস। ম্যাচের পর আলোচনায় উঠে আসে ভারতীয় ক্রিকেটের দুই প্রাক্তন অধিনায়কের মধ্যে সম্পর্ক। দেখা যায় ম্যাচের পর করমর্দনের সময় বিরাট ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Kohli and Ganguly) হাত মেলাননি একে অপরের সঙ্গে। এই নিয়ে শুরু হয় জোর চর্চা। এরপর একে অপরকে ইন্সটাগ্রাম থেকে আনফলো করে দেন। তবে শনিবারের পর একে অপরকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করবেন কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সবাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share