Blog

  • Municipality: অয়ন শীলের হাত ধরে আরও একটি পুরসভায় ২২০ জন নিয়োগ! জানেন কোন পুরসভা?

    Municipality: অয়ন শীলের হাত ধরে আরও একটি পুরসভায় ২২০ জন নিয়োগ! জানেন কোন পুরসভা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বরানগর, কামারহাটি, হালিশহর পুরসভার পর এবার টিটাগড় পুরসভা (Municipality)। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমেই এই পুরসভায় বিভিন্ন পদে বহু কর্মী নিয়োগ হয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতিতে অয়ন শীল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই এই পুরসভায় (Municipality) নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও বরানগর, কামারহাটি, হালিশহর পুরসভার নাম সামনে এলেও এতদিন টিটাগড় পুরসভার (Municipality) নাম তালিকায় ছিল না। চয়নিকা আ়ঢ্য নামে এক চাকরি প্রার্থী পাশ করেও অয়ন শীলকে তার দাবি মতো টাকা দিতে না পারার জন্য টিটাগড় পুরসভায় চাকরি পাননি। এমনই দাবি করেছেন ওই চাকরি প্রার্থী। আর এই বিষয়টি সামনে আসতেই এই পুরসভা (Municipality) নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপোষণ হয়েছে বলে কোনও অভিযোগ ওঠেনি। তবে, অয়নের সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় স্বচ্ছতা কতটা হয়েছে তা অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    অয়নের সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ নিয়ে কী বললেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান? Municipality

    টিটাগড় পুরসভায় তত্কালীন চেয়ারম্যান ছিলেন প্রশান্ত চৌধুরী। ২০১৯ সালে এই পুরসভায় কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পুরসভার (Municipality) বিভিন্ন পদে ২২১ জন কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। প্রায় কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছিলেন। অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ পুর কর্মচারী ইউনিয়নের এক রাজ্য নেতা এই পুরসভায় আসতেন। তবে, তার কোনও অনুগামীর এই পুরসভায় চাকরি হয়েছে কি না তা জানা যায়নি। প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী বলেন, টেন্ডারে ওই সংস্থার রেট সব থেকে কম ছিল। তাই, আমরা ওই সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায়  কোনও দুর্নীতি হয়নি। কারণ, যাদের নিয়োগ করা হয়েছে যোগ্যতার মাপকাঠিতে নেওয়া হয়েছে। কোনও সুপারিশ মেনে কাউকে নিয়োগ করা হয়নি। এমনকী আমার পরিবারে কেউ চাকরি পাননি। ফলে,  আমি স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ করেছিলাম। কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়নি। ২২১ জনের নেওয়ার কথা বলা হলেও চুঁচুড়ার ওই চাকরি প্রার্থী কাজে যোগ দেননি। কারণ, সবাইকে নেওয়া হয়েছে, তিনি আসলে তাঁর চাকরিও হত। তাই, ওই প্যানেলে ২২০ জনের চাকরি হয়েছে। আসলে নির্দিষ্ট সময়ে ওই চাকরি প্রার্থী আসেনি বলেই তার চাকরি হয়নি।

    টিটাগড় পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান কমলেশ সাউ বলেন, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে এই পুরসভায় (Municipality) বহু কর্মী নিয়োগ হয়েছে শুনলাম। তবে, সেটা আগের বোর্ডে হয়েছে। ফলে, আমার কিছু জানা নেই। যদি কোনও অনিয়ম বা স্বজনপোষণ হয়ে থাকে তা আগের চেয়ারম্যান বলতে পারবেন। আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ramnavami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দারস্থ শুভেন্দু

    Ramnavami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাম নবমীর (Ramnavami) মিছিলের ওপর হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্ত দাবি করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার এই মর্মে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবঙ্গনমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। শুভেন্দুকে মামলা করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: ‘সনাতন ধর্মের কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’, বললেন মোহন ভাগবত

    বৃহস্পতিবার হাওড়ার শিবপুর ও উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় রাম নবমীর (Ramnavami) শোভাযাত্রায় হামলার অভিযোগ

    বৃহস্পতিবার হাওড়ার শিবপুর ও উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় রাম নবমীর (Ramnavami) মিছিলের ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। রাম নবমীর (Ramnavami) মিছিল লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে শিবপুরের কাজিপাড়ায়। গত বছরও একই জায়গায় রাম নবমীর (Ramnavami) মিছিলের ওপর হামলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার মিছিল লক্ষ্য করে বোমা, পেট্রল বোমা, কাচের বোতল ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। যাতে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ১৫ – ২০ জন রামভক্ত আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন আয়োজকরা। রাম নবমীর হামলার জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। টিয়ার গ্যাসের সেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে তারা।

    আরও পড়ুন: সদ্যোজাতের মুখ দেখতে লাগে ৫০০ টাকা! হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে শুনলেন মহকুমা শাসক, কোথায় জানেন ?

    রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী 

    অন্যদিকে বৃহস্পতিবার একই রকম ঘটনা ঘটেছে বিহার সীমানা লাগোয়া উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায়। সেখানেও রাম নবমীর (Ramnavami) মিছিলের ওপর হামলা হয়।  এই ২ ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, রাজ্য প্রশাসন পক্ষপাতদুষ্ট। তাঁরা মিছিলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, রমজান মাসে হামলাকারীরা কোনও খারাপ কাজ করতে পারে না। অথচ ভিডিয়োতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে হামলা কারা করেছে। তাই সিবিআই ছাড়া এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid19: গত ৬ মাসে সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমণ! ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৩ হাজার ৯৫ জন

    Covid19: গত ৬ মাসে সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমণ! ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৩ হাজার ৯৫ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে নতুন করে করোনা (Covid19) আক্রান্ত হলেন ৩ হাজার ৯৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় এই সংক্রমণের ফলে এই মুহূর্তে দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ১৫ হাজার পেরিয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। গত ৬ মাসে এটাই সর্বোচ্চ বলে জানা যাচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকে এই পরিসংখ্যান মিলেছে। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ২.৬১ শতাংশ, সাপ্তাহিক পজিটিভিটি রেড ১.৯১ শতাংশ। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ১৫ হাজার ২০৮। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত (Covid19) হয়েছেন ১ হাজার ৩৯০ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৭৮ শতাংশ। এই নিয়ে পর পর দু’দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার পার করল।

    রাজধানী দিল্লিতে আক্রান্ত ৩০০

    দিল্লি, কেরল, হিমাচল, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, কর্নাটক, তামিলনাড়ুতে বিশেষ নজরে সংক্রমণের রেখচিত্র। জানা গিয়েছে, বুধবার দিল্লিতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩০০। এই সংখ্যা বৃহস্পতিবার আরও বেড়েছে। ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে (Covid19) আক্রান্ত হয়ে দিল্লির দু’জন বাসিন্দার মৃত্যুও হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবারই স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ। বৈঠক শেষে তিনি জানান যে, যাঁদের করোনার উপসর্গ রয়েছে, তাঁদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এই নিয়ে নির্দেশিকাও জারি করা হয়। শুক্রবার কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী অবশ্য জানিয়েছেন, এখনই এই বিষয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। তার কারণ হিসাবে তিনি জানান, দিল্লিতে নতুন করে কোভিডের কোনও রূপ আর উপরূপের সন্ধান মেলেনি। মূলত কোভিডের পুরনো রূপ এক্সবিবি এবং সেটার উপরূপ ১.১৬-এর জন্য সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী।

    কোভিডের সঙ্গে দেশে বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জাও

    কোভিডের সঙ্গে দেশে বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জাও। সর্দি, কাশি, জ্বর ঘরে ঘরে। শিশু থেকে বয়স্ক সকলেই কাবু। সবথেকে বড় বিষয় হল, কোভিডের সঙ্গে এই ইনফ্লুয়েজ্ঞার উপসর্গের যেহেতু খুবই মিল, ফলে বাড়ছে বিড়ম্বনা। বিশেষজ্ঞদের মত, একটা বড় অংশের মানুষ ভুগছেন করোনার উপসর্গে। কারও কারও রিপোর্ট পজিটিভও আসছে। তবে এতে ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন তাঁরা। বরং সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, ভিড়ে গেলে মাস্ক ব্যবহার করতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Student: ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার! বিক্ষোভে উত্তাল এলাকা, গ্রেপ্তার ৩, কোথায় জানেন?

    Student: ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার! বিক্ষোভে উত্তাল এলাকা, গ্রেপ্তার ৩, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়া এক ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রীর (Student) ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল আসানসোলের হিরাপুর থানার  নিউটাউন এলাকা । মৃত ছাত্রীর (Student) নাম কোয়েল হাঁসদা (২২)। মঙ্গলবার রাতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে, গত ২৭ মার্চ থেকে ওই ছাত্রী (Student)  নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়। ২৮ মার্চ নিউটাউন এলাকার ১২ নং রাস্তা থেকে ওই ছাত্রীর (Student)  ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বুধবার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। হিরাপুর থানার সামনেই রাস্তা অবরোধ করে তাঁরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।  একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীর (Student)  সঙ্গে এক যুবকের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই ছাত্রীর (Student)  দুর্গাপুরে বিয়ে ঠিক করে। সেটা ওই ছাত্রীর প্রেমিক জানতে পেরে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

    কী বললেন আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা? Student

    অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীন আদিবাসী সংগঠনের এক সদস্য বলেন “ওই ছাত্রীকে (Student)  পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।  ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। তিনি আরও বলেন “ দীর্ঘদিন ধরে এই রাজ্যে আদিবাসীদের ওপর নির্যাতন করা হয়। প্রশাসন এই ব্যাপারে কোনরকম কড়া পদক্ষেপ নেয় না। ফলে আদিবাসী সম্প্রদায়কে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়”।  বিক্ষোভকারীদের দাবি, অবিলম্বে দোষীদের ধরে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে ।

    ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে কী বললেন পুলিশ কমিশনারেটের কর্তা? Student

     আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট ডিসি (সেন্ট্রাল) অভিষেক মোদি বলেন, “ মৃতার বাড়ি থেকে অভিযোগ আসা মাত্র পুলিশ তদন্ত করে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। পরে, তদন্তের মাধ্যমে জানা যায় তিন জন অভিযুক্ত এই ঘটনার সাথে যুক্ত। তারমধ্যে একজনকে প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম সুমির মাড্ডি, রোহিত হাঁসদা এবং সুমিত্রা হেমব্রম।

    কী বললেন ছাত্রীর বাবা? Student

    ছাত্রীর (Student) মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকেই শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা পরিবার জুড়ে। মৃত ছাত্রীর (Student)  বাবা লক্ষ্মীনারায়ণ হাঁসদা বলেন, “২৭ মার্চ মেয়ে একটি ফোন পেয়ে বেরিয়ে যায়। মেয়ের ফিরতে দেরি হওয়ায় তাঁর মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। কিন্তু, তাঁর মোবাইল সুইচড অফ পাই। থানায় মিসিং ডায়েরি করি। আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি করছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Patient: হাসপাতালের বেডের নীচে মানসিক ভারসাম্যহীন রোগীর কাছে এত টাকা! হতবাক সকলে, কোথায় জানেন?

    Patient: হাসপাতালের বেডের নীচে মানসিক ভারসাম্যহীন রোগীর কাছে এত টাকা! হতবাক সকলে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ড। সেখানে একটি বেডের মতো বসে রয়েছেন অজ্ঞাত পরিচয় মানসিক ভারসাম্যহীন এক  রোগী (Patient)। পরনে কালো প্যান্ট আর চেক জামা। হিন্দি ভাষী। তাঁর শারীরিক দুর্বলতার ওপর চিকিৎসা শুরু হয়। আচমকাই ভবঘুরে ওই রোগীর (Patient)  বেডের নীচে থেকে উদ্ধার হয় নোটের বান্ডিল। সবমিলিয়ে প্রায় এক লক্ষ টাকা। যা দেখে হতবাক হাসপাতালের নার্স থেকে চিকিত্সক সকলেই। এরকম একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরের কাছে এতগুলো টাকা এল কোথা থেকে? বিষয়টি জানতে পেরে হাসপাতালের সুপার ধীমান মণ্ডল ছুটে আসেন। কোনওরকমে বুঝিয়ে তাঁর ওই টাকা উদ্ধার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে। বিষয়টি কোকওভেন থানায় জানানো হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     ভবঘুরে ওই রোগীর  কাছে এত টাকা আছে, জানা গেল কীভাবে? Patient

    ১৭ মার্চ কোকওভেন থানার এক সিভিক ভলান্টিয়ার মুচিপাড়া থেকে ওই ভবঘুরেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু, তাঁর নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। হাসপাতালের এক নার্স বলেন, দুদিন চিকিত্সা করার পর তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠেন। আর সুস্থ হতেই বেডের মধ্যে কিছুক্ষণ বসে থাকার পর তিনি বার বার বেডের নীচে লুকিয়ে পড়ছেন। বেডের নীচে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকছেন। মানসিক রোগী (Patient) ভেবে প্রথমে আমরা গুরুত্ব দিইনি। এক রোগীর (Patient)  বাড়ির লোকজন বলেন, বেডের নীচে ও কিছু গুনছে। তবে, সেটা কাউকে দেখাচ্ছেন না। এরপরই কৌতূহলবশত হাসপাতালের এক কর্মী বেডের নীচে নেমে দেখেন তাঁরা কাছে ৫০০ টাকার মোটা দুটি বান্ডিল রয়েছে। প্যান্টের পকেট থেকে বের করছে আর গুনছে। বার বার তিনি ওই টাকা গুনছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। সমস্ত টাকা ওই রোগীর (Patient) কাছে থেকে উদ্ধার করে রাখার ব্যবস্থা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মানসিক ভারসাম্যহীন ওই ভবঘুরে বলেন, আমার জমি কেনাবেচা আর চটির ব্যবসা রয়েছে। ভাইয়ের সঙ্গে আমি ব্যবসা করি। ব্যবসার জন্যই টাকা নিয়ে এসেছিলাম। তারপর আবার বিরবির করে কী বলতে থাকেন। এতগুলো টাকা নিয়ে রাস্তার ধারে কেন পড়েছিল তা পরিষ্কারভাবে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

    কী বললেন হাসপাতালের সুপার? Patient

    হাসপাতালের সুপার ধীমান মণ্ডল বলেন, ওই বৃদ্ধের মানসিক কোনও সমস্যা রয়েছে। তিনি নিজের নাম কখনও আহির খান আবার কখনও বলছে সামিহুল হুদাখান। বাড়ির ঠিকানা বলছেন, বিহার। কখনও  ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন এলাকার নাম করছেন। তাঁর কাছে কোনও পরিচয়পত্রও নেই। কথাই অসঙ্গতি থাকায় আমরা তাঁর কাছ থেকে ৯৯ হাজার টাকা নিয়ে নিজেদের হেফাজতে রেখেছি। তবে, এতগুলো টাকা নিয়ে তিনি কী করছিলেন তা বুঝতে পারছি না। তাঁর পরিবারের কেউ খবর পেয়ে আসলে তাঁদের হাতে ওই টাকা সহ রোগীকে তুলে দিতে চাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

  • Toilet: নির্মল জেলায় শৌচালয়হীন আদিবাসী গ্রাম! কোথায় জানেন?

    Toilet: নির্মল জেলায় শৌচালয়হীন আদিবাসী গ্রাম! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ আজব গ্রাম! নির্মল জেলাতেই আস্ত একটি আদিবাসী গ্রামে কারও বাড়িতে নেই শৌচাগার (Toilet) – খোলা মাঠেই মহিলাদের করতে হয় শৌচকর্ম। যাতায়াতের রাস্তাও অযোগ্য। গ্রামের বিদ্যুতের খুঁটি থাকলেও গ্রামে কারও বাড়িতে বৈধ বিদ্যুত্ সংযোগ নেই। বাধ্য হয়ে বাসিন্দারা  হুকিং করে বাড়িতে আলো জ্বালান। দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের ৭ নম্বর রামচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিকারপুর গ্রামে নেই কোনও উন্নয়ন। এতদিনেও গ্রামে শৌচালয় (Toilet)  তৈরি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তাঁদের বক্তব্য, একাধিকবার সরকারি সহায়তায় শৌচালয়ের (Toilet)  জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু, সরকারি সাহায্য মেলেনি। তাই, গ্রামের কারও বাড়িতে কোনও শৌচালয় (Toilet)  নেই। গ্রামের বাসিন্দা কলিতা সরেন বলেন, পঞ্চায়েতে ৯০০ টাকা করে জমা দিয়েও শৌচালয় (Toilet)  পাইনি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কয়েকদিন আগে তৃণমূল নেতারা গ্রামে এসেছিল, সমস্যার কথা না শুনেই চলে গিয়েছে। কারও বাড়িতে শৌচালয় নেই, মেয়েদের কত সমস্যা হয় তা কেউ বোঝে না। এলাকায় বাড়ি বাড়ি শৌচালয় (Toilet)  না হলে এবার ভোটই দেব না।

    কী বললেন তপন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি? Toilet

     নির্মল জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের রামচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে “মাঠে ঘাটে পায়খানা-মৃত্যুর পরোয়ানা”, “মিশন নির্মল বাংলা – প্রচারে ৭নং রামচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত” লেখা হোর্ডিং টাঙানো থাকলেও, আদিবাসী অধ্যুষিত গোটা গ্রাম বছরের পর বছর কেন শৌচালয়হীন অবস্থায় রয়েছে ? জেলাবাসীদের একাংশ ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করেছেন, স্বঘোষিত নির্মল জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের শিকারপুর গ্রামের অনুন্নয়নের ছবি লজ্জা প্রশাসনের। এই বিষয়ে তপন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাজু দাস বলেন, গোটা গ্রামে শৌচালয় (Toilet)  নেই তা আমার জানা ছিল না। মুখ্যমন্ত্রী এত উন্নয়ন করার পরেও আদিবাসী পরিবারগুলি এতটাই পিছিয়ে পড়ে রয়েছে তা কেউ জানাইনি। ওই গ্রামের বাসিন্দারা যাতে শৌচালয় (Toilet)  পান তারজন্য সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করব। তিনি আরও বলেন, গ্রামবাসীদের থেকে টাকা জমা নেওয়ার পরও কেন শৌচালয় তৈরি করা হয়নি তা তদন্ত করে দেখব।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব? Toilet

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, খুবই লজ্জার বিষয়। আজকের দিনে শৌচকর্ম করতে মহিলাদের মাঠে যেতে হয় তা ভাবতে পারছি না। শৌচালয় (Toilet)  করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার টাকা পাঠাচ্ছে, সেই টাকা তৃণমূল সরকার খেয়ে নিচ্ছে। অবিলম্বে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল নেতাদের নিয়ে একী বললেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়?

    TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল নেতাদের নিয়ে একী বললেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এক সময় যারা সাইকেল চড়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন, তৃণমূল (TMC) নেতা হয়ে এখন চারচাকা নিয়ে ঘুরছেন। টালি বাড়ি থাকা শাসক দলের নেতা এখন অট্টালিকা হাঁকিয়েছে। বিরোধীরা বার বার শাসক দলের নেতাদের সম্পর্কে এই অভিযোগ করেন। এবার সেই বিরোধীদের অভিযোগকে মান্যতা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই দলীয় সভায় তিনি বলেছিলেন, দলে কিছু মানুষ খারাপ হতে পারে। তবে, সবাই খারাপ হতে পারে না। আমি চোর হতে পারি, কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চোর হতে পারে না। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার দলীয় নেতা কর্মীদের (TMC)  জীবনযাত্রা নিয়ে সতর্ক করলেন মন্ত্রী। খড়দহের বিলকান্দায় দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের এই মন্ত্রী বলেন,আমি ২৪ বছর প্রেসিডেন্ট হয়েও স্কুটার চালিয়েছি। আর আজকাল দেখি পাড়ার প্রেসিডেন্ট সেও একটা গাড়ি করে ফেলেছে। কোথা থেকে আসে, কে দেয় এই টাকা। এইটুকু ত্যাগ করলে তবেই না মানুষ ভালবাসবে। আমি চাইব, আমার সহকর্মী বন্ধুরা যারা দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছেন, তাঁরা ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে চরিত্রটাকে নষ্ট করবেন না।

    পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? TMC

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থীর জীবনযাত্রা দেখে ভোট দেওয়ার কথা বললেন খড়দহের বিধায়ক। তিনি বলেন, আবার একটা পঞ্চায়েত নির্বাচন আসছে। যাকে মনে হবে আপনারা ভোট দিয়ে জেতাবেন। কিন্তু, ভোটটা দিয়ে বাড়ি ঢুকে যাবেন না। খেয়াল রাখবেন  যাকে ভোট দিলেন তাঁর জীবনযাত্রা, চলাফেরা পাল্টে গেল কিনা। পঞ্চায়েত সদস্য হওয়ার কদিনের মধ্যেই বাড়ির চেহারা পাল্টাচ্ছে কিনা, বাড়িতে নতুন গাড়ি ঢুকলো কিনা, এগুলো দয়া করে দেখবেন। সাধারণ মানুষের কাজ নজর রাখা। শুধু ভোট দিয়ে দায়সারা নয়। আপনাকেও আপনার জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে বলে দলীয় নেতাদের (TMC)  সতর্ক করেন তিনি।

    সিপিএমকে তোপ দেগে কী বললেন মন্ত্রী? TMC

    সিপিএমকে আক্রমণ করে মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ছাত্রপরিষদ করার কারণে এন্ড্রুজ কলেজের একজনকে সুজন চক্রবর্তী সারা গায়ে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। আর এদের এখন লাফানো দেখে মনে হয় সবাই তিলক দিয়ে বৈষ্ণব হয়ে গিয়েছে। ৩৪ বছর ধরে কি অত্যাচার এরা করেছে, আমরা ভুলে যাইনি, বাংলার মানুষও ভুলে যায়নি। এখন সব বড় বড় কথা বলছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।+-

  • President Of India: বিশ্বভারতী ঘুরে অভিভূত দ্রৌপদী মুর্মু!  সমাবর্তনে কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    President Of India: বিশ্বভারতী ঘুরে অভিভূত দ্রৌপদী মুর্মু! সমাবর্তনে কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এলেন। ঘুরে দেখলেন। আর হিন্দি ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষায় বক্তব্য রেখে সকল পড়ুয়ার মন জয় করে নিলেন। রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  কাছ থেকে দেখে এবং তাঁর বক্তব্য শুনে অভিভূত পড়ুয়ারা। প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায়, অনসূয়া দে নামে পড়ুয়ারা বলেন, রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  এত কাছ থেকে দেখব ভাবতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলে-মেয়ের সংখ্যা সমান সমান জেনে তিনি খুশি হয়েছেন। মেয়েদের আরও এগিয়ে যাওয়ার তিনি বার্তা দিয়েছেন। আমরা খুব খুশি। এই প্রথম রাষ্ট্রপতি (President Of India)  বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে এলেন। রাষ্ট্রপতি (President Of India)  আসবেন বলে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের চত্বর কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল। নো ফ্লাইং জোন ছিল গোটা এলাকা। হেলিকপ্টারে নামার পর কনভয়ে করে  রাষ্ট্রপতি সোজা বিশ্বভারতী চলে যান। শান্তিনিকেতনে এসে প্রথমে রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় যান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) । সেখানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত চেয়ারে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিনি। সংগ্রহশালায় কবিগুরুর ব্যবহৃত সামগ্রী, পাণ্ডুলিপি, আঁকা ছবি তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন। ভিজিটর বুকে নিজের মতামতও লেখেন তিনি। পরে, বিশ্বভারতীর অন্যতম কলাভবন ঘুরে দেখেন দ্রৌপদী মুর্মু। কলাভবনে খোলা আকাশের নীচে নির্মিত ভাস্কর্যগুলি ঘুরে দেখেন তিনি। সেখান থেকে ছাতিমতলায় এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি তথা বিশ্বভারতীর পরিদর্শক দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) । তারপর আম্রকুঞ্জের জহর বেদীতে সমাবর্তনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সঙ্গে ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। প্রথা অনুযায়ী সপ্তপর্ণী (ছাতিম পাতা) তুলে দেন বিভিন্ন ভবনের অধ্যক্ষ ও বিভাগীয় প্রধানের হাতে। বিশ্বভারতীর তরফে রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  বিশ্বকবির একটি প্রতিকৃতি উপহার দেন উপাচার্য।

    সমাবর্তনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কী  বললেন রাষ্ট্রপতি? President Of India

    মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) বলেন,”সকল উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের আমার অভিবাদন। জীবনে সফল হও। আমি আপ্লুত বিশ্বের একজন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আমি পরিদর্শক। এটা আমার প্রাপ্তি। আমি গতকাল (সোমবার) গুরুদেবের বাড়িও ঘুরে দেখেছি। দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতার মাটিতে এসে আমি খুশি।” ছোটবেলায় শান্তিনিকেতনের কথা শুনতেন দ্রৌপদী মুর্মু, সেই স্মৃতিচারণও করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমি ছোটবেলায় শান্তিনিকেতনের কথা শুনতাম। শুনতাম এখানে গাছের তলায় পড়াশুনা করানো হয়। গুরুদেবের সময় থেকেই চলে আসছে। আমি আজ নিজে দেখলাম সেই শান্তিনিকেতন। খুব আনন্দিত। এক কথায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতীর শিক্ষা ও পরিবেশের প্রসংশায় পঞ্চমুখ ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tapas Saha: দমকল নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত ভারও কি সিবিআইয়ের হাতে!  কী বললেন বিচারপতি মান্থা? 

    Tapas Saha: দমকল নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত ভারও কি সিবিআইয়ের হাতে! কী বললেন বিচারপতি মান্থা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমকলে নিয়োগের দুর্নীতির ভারও কি তবে সিবিআই পেতে চলেছে। অন্তত, কলকাতা হাইকোর্টের শুনানিতে সেরকম ইঙ্গিতই মিলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। স্কুলে নিয়োগ নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। তারমধ্যেই দমকলে নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার (Tapas Saha)বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ তুলে মামলা হয়েছে হাইকোর্টে।

    কী বললেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

    মঙ্গলবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে শুনানি হয়। সেই শুনানিতে রাজ্যের তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল জানান, এই মামলার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হলে কোনও সমস্যা নেই।

    রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখা সময় মতো চার্জশিট দেয়নি বলে অভিযোগ

    এই মামলার তদন্ত রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখা করছে। নিম্ন আদালতে এই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় তাপস সাহা (Tapas Saha), প্রবীর কয়াল, শ্যামল কয়াল, সুনীল মণ্ডলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, তাপস সাহার (Tapas Saha) বিরুদ্ধে সময় মতো চার্জশিট জমা দেওয়া হয়নি বলে তিনি জামিন পেয়ে যান।

    মামলার আগামী শুনানি ৩০ মার্চ

    মঙ্গলবার, এই মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফ থেকে ২ দিন সময় চাওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, তারা একটি রিপোর্ট দেবে। বিচারপতি মান্থা রাজ্যের আবেদন মঞ্জুর করেন। তিনি এদিন এই মামলার পর্যবেক্ষণে জানান, এই অভিযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিলম্ব করা যাবে না। আগামী বৃহস্পতিবার ৩০ মার্চ মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। সেদিনই স্থির করা হবে এই মামলার তদন্তভার দুর্নীতি দমন শাখার হাতেই থাকবে নাকি অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থা দিয়ে তদন্ত করানো হবে।

    তাপস সাহার (Tapas Saha) বিরুদ্ধে অভিযোগ কী

    নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই তাপস সাহার নাম জড়িয়েছিল। সরকারি দফতর ও স্কুলে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তোলার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। দিন দু’য়েক আগে বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি একটি অডিও ক্লিপ সামনে এনে দাবি করেছিলেন দমকল বিভাগে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা চাইছেন তাপস (Tapas Saha)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Amritpal Singh: পলাতক খালিস্থানপন্থী নেতা অমৃতপাল কি নেপালে? সন্দেহ গোয়েন্দাদের

    Amritpal Singh: পলাতক খালিস্থানপন্থী নেতা অমৃতপাল কি নেপালে? সন্দেহ গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পলাতক খালিস্তানিপন্থী নেতা অমৃতপাল সিং (Amritpal Singh) কি নেপালে আত্মগোপন করেছেন? এই প্রশ্নই দানা বাঁধছে পাঞ্জাব পুলিশ মহলে। গোয়েন্দাদের তদন্তে প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন ছদ্মবেশে অমৃতপালের ছবি সামনে আসছে। কিন্তু শত চেষ্টাতেও তার নাগাল পাচ্ছেনা পুলিশ। সূত্রের খবর, পুলিশ মহলের কেউ কেউ অমৃতপালকে পালাতে সাহায্য করতে পারেন, এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা।  অনুমান অমৃতপাল (Amritpal Sing) নেপাল হয়ে অন্য দেশেও পালিয়ে যেতে পারেন।

    নেপাল প্রশাসনের কাছে কী আর্জি জানাল ভারতীয় দূতাবাস

    শনিবার কাঠমান্ডুর ভারতীয় দূতাবাস নেপালি বিদেশ মন্ত্রককে একটি চিঠি পাঠায়। তাতে অনুরোধ করা হয়েছে, অমৃতপাল (Amritpal Singh) যদি নিজের পাসপোর্ট বা কোনও ভুয়ো পাসপোর্ট ব্যবহার করে নেপাল হয়ে পালাতে চান তবে যেন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অমৃতপাল সংক্রান্ত সব তথ্য নেপালের গোয়েন্দা সংস্থা, সেখানকার সমস্ত হোটেল, উড়ান সংস্থাকে জানিয়েছে ভারত। কোনওভাবেই যাতে ছদ্মবেশ নিয়ে অমৃতপাল অন্য কোথাও পালাতে না পারেন তা দেখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    ১৮ মার্চ থেকে পলাতক অমৃতপাল (Amritpal Singh)

    সেই ১৮ মার্চ অমৃতপালকে (Amritpal Singh) তাড়া করা শুরু করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাঁর একাধিক সঙ্গীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। কিন্তু পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বারে বারেই হাতছাড়া হয়ে গেছেন খলিস্তানি নেতা অমৃতপাল সিং। জলন্ধরে পাঞ্জাব পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে পালানোর পরে রাজধানী-সহ নানা জায়গায় অমৃতপালের (Amritpal Singh) ছবি সামনে এসেছে। তিনি সীমান্ত পেরিয়ে নেপালে পালাতে পারেন, এমন আশঙ্কা করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাই সীমান্তে এসএসবি-কে সতর্ক করা হয়েছে।

    ইতিমধ্যেই অমৃতপালের (Amritpal Singh) পাল্টে ফেলা মোট সাতটি চেহারার ছবির প্রকাশ করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। বিভিন্ন চেহারার ছবি শেয়ার করে অমৃতপালের হদিশ পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেছিল পুলিশ। জলন্ধর গ্রামীণ পুলিশ এর আগেই একটি ব্রেজা গাড়ি উদ্ধার করে। যেটায় চেপে অমৃতপাল পালিয়েছিল বলে সন্দেহ পুলিশের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

LinkedIn
Share