Blog

  • Sonu Nigam: মুম্বইতে কনসার্ট চলাকালীন হামলা সোনু নিগমের উপর, অভিযুক্ত উদ্ভব ঘনিষ্ঠ বিধায়ক পুত্র

    Sonu Nigam: মুম্বইতে কনসার্ট চলাকালীন হামলা সোনু নিগমের উপর, অভিযুক্ত উদ্ভব ঘনিষ্ঠ বিধায়ক পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুষ্ঠান চলাকালীন গায়ক সোনু নিগমের (Sonu Nigam) উপর আচমকাই হামলা চালাল দুই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের চেম্বুরে। ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি উদ্ভব ঠাকরে ঘনিষ্ঠ বিধায়ক প্রকাশ ফাটেরপেকারের ছেলে ও ভাইপো বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

    কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

     প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, চেম্বুরের ওই অঞ্চলে সোনু নিগমের এদিন গানের কনসার্ট চলছিল। তখনই সোনু নিগমের (Sonu Nigam)  ম্যানেজার সাইরার সঙ্গে ওই দুই অভিযুক্ত ব্যক্তি খারাপ ব্যবহার করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। নিজেরাই উঠে পড়েন মঞ্চে। সোনু নিগমকে (Sonu Nigam)  ধাক্কা দেওয়ার উদ্যোগ নিতেই তাঁর নিরাপত্তারক্ষী হাজির হয়ে যান। উত্তেজিত দুই ব্যক্তি এমন ভাবে নিরাপত্তারক্ষীকে ধাক্কা দেন যে তিনি সিঁড়ি থেকে নীচে পড়ে যান। এখানেও থামেননি ওই দুই ব্যক্তি। সোনুর (Sonu Nigam)  কাছের বন্ধু গায়ক রব্বানি খানও ওই দুই ব্যক্তিকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু লাভ হয় না। রব্বানিকেও ধাক্কা দিয়ে সিঁড়ি থেকে ফেলে দেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঘটনায় রব্বানি ও নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।

    কী বলছেন গায়ক

    সোনু নিগম (Sonu Nigam)  এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘কনসার্ট শেষ হওয়ার পর, যখন আমার সহকর্মী হরিপ্রকাশ, রব্বানী খান, সায়রা মাকানি-সহ আমরা সবাই মঞ্চ থেকে নামছি, এমন সময় হঠাৎ পেছন থেকে একটা ছেলে এসে আমাকে ধরে ফেলে। জোর করে আমার সঙ্গে সেলফি তোলার চেষ্টা করেন তিনি। আমি বাধা দিই। ধাক্কাধাক্কিতে আমি সিঁড়িতে পড়ে যাই। আমায় বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিস হরিপ্রকাশ এবং রব্বানি। হরিপ্রকাশ সেই ছেলেটিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে, সেই ছেলেটি হরিপ্রকাশজিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।

    পুলিশ কী বলছে

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরেই মুম্বইয়ের চেম্বুর পুলিস স্টেশনে স্বপ্নিল প্রকাশ ফাটারপেকারের নামে একটি এফআইআর দায়ের করেছেন সোনু নিগম (Sonu Nigam) । অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী ধারা ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করার জন্য শাস্তি), ৩৪১ (অন্যায়ভাবে সংযম), এবং ৩৩৭ (জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন করে এমন কাজ করে আঘাত করা)-এর অধীনে মামলা নথিভুক্ত করেছে।

    ঘটনায় লেগেছে রাজনৈতিক রঙও। উদ্ভব ঘনিষ্ঠ বিধায়কের ছেলে ও ভাইপো হামলা চালাতে গেল কেন? এটা কী পূর্বপরিকল্পিত? এ প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। ইতিমধ্যেই পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Sri Ramakrishna: আজ রামকৃষ্ণদেবের জন্মতিথি, মহাসমারোহে নানা উৎসবে পালিত হচ্ছে দিনটি

    Sri Ramakrishna: আজ রামকৃষ্ণদেবের জন্মতিথি, মহাসমারোহে নানা উৎসবে পালিত হচ্ছে দিনটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের (Sri Ramakrishna) ১৮৮-তম জন্মতিথি। ঠাকুরের ভক্তরা নিজ নিজ গৃহে পালন করছে এই দিনটি এছাড়াও বেলুড় মঠ, দক্ষিণেশ্বর মন্দির, জন্মস্থান কামারপুকুর , কাশীপুর উদ্যানবাটি, সারদা মায়ের বাড়ি সহ বিশ্বের যেখানে রামকৃষ্ণ মিশনের মঠ রয়েছে সর্বত্র ভক্তি-নিষ্ঠায় পালিত হচ্ছে এই দিনটি।

    বেলুড় মঠে সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে দিনটি

    বেলুড় মঠে ভোর সাড়ে চারটের সময় মূল মন্দিরে রামকৃষ্ণদেবের (Sri Ramakrishna) মূর্তির সামনে মঙ্গলারতি দিয়ে জন্মোৎসব পালনের সূচনা হয়। সেখানেই হয় বেদপাঠ ও স্তবগান।  এরপর সন্ন্যাসী ও ভক্তরা খোল-করতাল সহ সারা মঠ ঘুরে কীর্তন করেন। তারপর হয় বিশেষ পুজো ও হোম।

    সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান হবে রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠগুলিতে। রামকৃষ্ণ বন্দনা, রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ ও ব্যাখ্যা, ভক্তিগীতি, বংশীবাদন, ভজন, যন্ত্র সংগীত, ধর্মসভা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে চলবে অনুষ্ঠান। এরই মাঝে বেলা ১১টা থেকে ভক্তদের জন্য খিচুড়ি প্রসাদও দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে করোনা পরবর্তী কালে  বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বেলুড় মঠে পালিত হচ্ছে রামকৃষ্ণদেবের (Sri Ramakrishna) জন্মতিথি উৎসব।

    ঠাকুরের (Sri Ramakrishna) জন্মভিটেতেও মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে দিনটি 

     রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের (Sri Ramakrishna) জন্মস্থান হুগলির গোঘাট থানার কামারপুকুর মঠে এই দিনটি পালিত হচ্ছে মহাসমারোহে। ভোরে মঙ্গলারতির মধ্য দিয়ে ঠাকুরের পূজাপাঠ শুরু হয়। সকালে একটি শোভাযাত্রাও বের করা হয়। তাতে অংশ নেন অসংখ্য রামকৃষ্ণ ভক্ত। সারাদিন ধরে চলবে নানান ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান। এছাড়াও  প্রায় কয়েক হাজার ভক্তের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তিনদিন ধরে চলবে নানান ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই দিনগুলোতে অসংখ্য ভক্তরা ভিড়ে গমগম করে কামারপুকুর মঠ। স্থানীয়রা ছাড়াও দূর-দূরান্তের জেলা থেকে অসংখ্য মানুষ মঠ প্রাঙ্গণে হাজির হন। পাশাপাশি ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে মঠের কাছেই একটি মাঠে আজ থেকে শুরু হয়েছে মেলা। ১৫ দিন ধরে চলবে এই মেলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • International Mother Language Day: আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, জানেন ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস?

    International Mother Language Day: আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, জানেন ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!
    তোমার কোলে, তোমার বোলে, কতই শান্তি ভালবাসা!

    সালটা ছিল ১৯৪৮। ওই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানের গণপরিষদে একটি সংশোধনী প্রস্তাব আনেন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ ভাগ হয় গঠিত হয় ভারত এবং পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র। পাকিস্তানে সেসময়ে উর্দু ভাষায় যাবতীয় কাজ চালানো হত, তার সঙ্গে অবশ্যই ইংরেজিও ছিল কিন্তু পূর্ব পাকিস্তান যেখানে ১০০ শতাংশই বাঙালিদের বসবাস ছিল সেখানকার অধিবাসীদেরকেও সংসদে উর্দুর পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় বক্তব্য রাখতে হত এবং সরকারি কাজে এই দুটো ভাষাই ব্যবহার করতে হতো, স্বাভাবিকভাবে বাংলা ভাষা চেতনায় অথচ মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম উর্দু । ওই সংশোধনীতে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বলেন যে ইংরেজি এবং উর্দুর পাশাপাশি সংসদে বাংলায় বক্তৃতা করতে দিতে হবে এবং সরকারি কাজে বাংলা ভাষার ব্যবহারও শুরু করতে হবে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে সেই দাবি নস্যাৎ করে দেয় পাক প্রশাসন এবং জোর করে উর্দুকে চাপিয়ে রাখা হয় বাংলা ভাষার উপরে।

    কোন পরিস্থিতিতে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন

    জানা যায়, তৎকালীন সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এবং মহম্মদ আলি জিন্নাহ  সেসময়কার পূর্ব পাকিস্তান মানে এখনকার বাংলাদেশ সফরে এসে নানা কটূক্তিও করতে থাকেন বাংলাভাষাকে নিয়ে। এই সমস্ত ঘটনাপ্রবাহ আগুনে ঘৃতাহুতি দেয়। এই পটভূমিকাই জন্ম দেয় ভাষা আন্দোলনের। ১৯৫২ সালে সেই আন্দোলনে চরম আকার নেয়। ভাষা আন্দোলনকে অপ্রতিরোধ্য করে তোলে দলে দলে ছাত্রদের উন্মুক্ত যোগদান। প্রতিটি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বাংলা ভাষার জন্য রাস্তায় নামতে থাকে। সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের অধিকারের দাবিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা পথে নামে। ওই বছরেরই ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। 

    উর্দুর করাল গ্রাস থেকে বাংলা ভাষাকে রক্ষা করার জন্য এই আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দুপুর তিনটে নাগাদ গুলি চালায় তৎকালীন পাক-প্রশাসন, পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে মারা যান বেশ কয়েকজন। অবশেষে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। এবং ১৯৫৪ সালে পাকিস্তান গণপরিষদে সে দেশের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকেও স্থান দেওয়া হয়।

    উর্দু ভাষার আগ্রাসন থেকে  বাংলা ভাষাকে বাঁচানোর জন্য এই আন্দোলন, এই লড়াইকে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘ। সারা বিশ্বব্যাপী তাই প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (International Mother Language Day)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Dumdum: শহরতলির যাত্রীদের জন্য সুখবর! মেট্রো মানচিত্রে জুড়ছে দমদম ক্যান্টনমেন্ট 

    Dumdum: শহরতলির যাত্রীদের জন্য সুখবর! মেট্রো মানচিত্রে জুড়ছে দমদম ক্যান্টনমেন্ট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা শহরতলির রেলযাত্রীদের জন্য আবারও সুখবর। জানা গেছে, দমদম (Dumdum) ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে জুড়তে চলেছে ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা। এরফলে খুব সহজেই শহরতলির মানুষ অনেক কম সময়ে কলকাতায় পৌঁছতে পারবেন। রবিবার মেট্রোরেলের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নতুন এই রেলপ্রকল্পের বিষয়ে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিমানবন্দর হয়ে নোয়াপাড়া-বারাসাত মেট্রো রুটটি দমদম (Dumdum)  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের সঙ্গেও যুক্ত হবে।

    আরও পড়ুন: নবান্নের কড়া বার্তা উপেক্ষা করে অণ্ডাল ব্লক অফিসের কর্মচারীরা সামিল হলেন কর্মবিরতিতে

    কী বলছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ
     

    মেট্রো কর্তৃপক্ষ বলছে, নোয়াপাড়া বারাসত ভায়া বিমানবন্দর, নতুন এই মেট্রো লাইনের নবনির্মিত স্টেশনটি ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের পাশেই। এই লাইনে মেট্রো চলাচল শুরু হলে, বনগাঁ, বারাসত, বসিরহাট, টাকি, হাসনাবাদ এর মতো শহরতলি থেকে আসা মানুষ অনেক তাড়াতাড়ি ও কম সময়ে কলকাতা পৌঁছতে পারবেন। এছাড়াও হাওড়া, হুগলি, ব্যারাকপুরের যাত্রীরা নোয়াপাড়া থেকে দমদম (Dumdum)  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছাতে পারবেন। এবং সেখান থেকে ট্রেনও ধরতে পারবেন। 

    আরও পড়ুন: ১৫ বছর পুরনো মামলায় গ্রেফতার সাগরদিঘির কংগ্রেস নেতা! এখন কেন? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    শোনা যাচ্ছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে এই লাইনে পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে এবং প্রতিদিন গড়ে ৩৬ হাজার মানুষ দমদম (Dumdum)  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করবেন। নোয়াপাড়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ৭.০৪ কিমি রুটে শীঘ্রই পরিষেবা শুরু হতে পারে বলে আশা মেট্রোর। মেট্রো সূত্রে খবর নবনির্মিত দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে অত্যাধুনিক যাত্রী সুবিধা রাখা হয়েছে। দমদম (Dumdum)  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে দুটি প্ল্যাটফর্ম থাকবে। পর্যাপ্ত টিকিট কাউন্টার, বসার বেঞ্চ, প্রাথমিক চিকিৎসা কক্ষ, মহিলাদের জন্য টয়লেট, পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড থাকবে। এই স্টেশনে ৬টি এসকেলেটর, ৩টি লিফট থাকবে। পাশাপাশি ৭টি সিঁড়িও থাকবে। ১৬টি এফসি গেটও বসানো হবে। থাকবে আধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • DA Protest: নবান্নের কড়া বার্তা উপেক্ষা করে অণ্ডাল ব্লক অফিসের কর্মচারীরা সামিল হলেন কর্মবিরতিতে

    DA Protest: নবান্নের কড়া বার্তা উপেক্ষা করে অণ্ডাল ব্লক অফিসের কর্মচারীরা সামিল হলেন কর্মবিরতিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ এর (DA Protest) দাবিতে, সোম-মঙ্গল কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নগুলি। সোমবার অণ্ডাল ব্লক অফিসে বেশকয়েকজন কর্মচারি অ্যাটেনডেন্স-এ সই করেও কাজ করতে অস্বীকার করলেন, যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় ব্লক অফিসের মধ্যেই। বিষয়টি পঞ্চায়েত মন্ত্রী পর্যন্ত গড়ায়। আগেই নবান্ন কড়া বার্তা দিয়েছিল। সার্কুলার জারি করে জানানো হয়েছিল, সোম ও মঙ্গলবার কোনওভাবেই পূর্ণ বা অর্ধ দিবস ছুটি নেওয়া যাবে না। কর্মবিরতিতে সামিল হলে চাকরি জীবন থেকে বাদ যাবে একদিন। করা হবে শোকজ। তা সত্ত্বেও অণ্ডাল ব্লক অফিসের একাংশ কর্মচারী কর্মবিরতিতে সামিল হলেন নবান্নের হুঁশিয়ারিকে উপেক্ষা করে।

    গোটা ঘটনায় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিযোগ করলেন মন্ত্রীর কাছে

     জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতোই এদিন ব্লক অফিসে আসেন ওই কর্মীরা এবং অ্যাটেনডেন্স-এ সইও করেন, কিন্তু পরে কাজ করতে অস্বীকার করেন, এরফলে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ আটকে যায়। রুপশ্রী প্রকল্প, কাস্ট সার্টিফিকেটের কাজে এসে ঘুরে যেতে হয় সাধারণ মানুষকে। বিডিও গোটা ঘটনায় নিশ্চুপ ছিলেন, অন্তত এমনটাই অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি লক্ষ্ণী টুডুর। ব্লক অফিসের এই ঘটনায় লক্ষ্মী টুডু সঙ্গে সঙ্গে চিঠি করেন ভারপ্রাপ্ত পঞ্চায়েতমন্ত্রীকে। সেখানে তিনি লেখেন,” কর্মচারীদের একাংশের কর্মবিরতির কারণে হয়রানির শিকার হতে হয় সাধারণ মানুষকে। সরকারি পরিষেবা নিতে এসে ফিরে যেতে হয় সাধারণ মানুষকে। গোটা ঘটনাটি বিডিওকে জানালে তিনি নিশ্চুপ থাকেন এবং পরোক্ষভাবে কর্মচারীদের এই কর্মবিরতিকে উৎসাহিত করতে থাকেন। কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া কর্মচারীদের সঙ্গে বিডিও-এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। 

    দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তুষ্ট রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তুষ্ট রয়েছে রাজ্য সরকারের উপর। তাঁদের ডিএ বৃদ্ধির আন্দোলনের দাবি হাইকোর্টের অবধি পৌঁছেছে, কলকাতার রাজপথে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনে পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুঁষি মারা অভিযোগও তোলে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন। চলতি আর্থিক বর্ষে রাজ্য সরকারের পেশ করা বাজেটে দেখা যাচ্ছে মাত্র ৩ শতাংশ ডিএ (DA Protest) বৃদ্ধি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের জন্য যা অন্যান্য রাজ্যের সাপেক্ষে অনেক কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Ghee: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুপারফুড হতে পারে ঘি! কেন জানেন?

    Ghee: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুপারফুড হতে পারে ঘি! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়াবেটিস রোগীরা কি ঘি (Ghee) খেতে পারেন? এই নিয়ে আছে নানা বিতর্ক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ডায়াবেটিক রোগীদের অনেক খাবার থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে, ঘি ডায়াবেটিসের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে।

    আসুন জেনে নিই ঘি (Ghee) ডায়াবেটিসের জন্য কেন সুপারফুড

    ১. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

     ঘি’তে (Ghee) থাকা ওলিক অ্যাসিড এবং পামিটিক অ্যাসিডের মতো ফ্যাটি অ্যাসিডের উপস্থিতি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই কম গ্লাইসেমিক সূচক খাদ্য গ্রহন করা উচিত।  গবেষকরা বলছেন, প্রাচীনকাল থেকে ঘি (Ghee) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে এত পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে যে এটি ডায়বেটিস রোগীদেরও ভাল থাকতে সাহায্য করে। 

    ২. ঘি(Ghee) ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ওষুধের মতো বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ঘি (Ghee) ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ওষুধের মতো। এতে থাকা ফ্যাটি এসিড বিপাকক্রিয়া সম্পন্ন এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তবে পরিমিত পরিমানে খেতে হবে। আলু বা শর্করাযুক্ত খাবারে উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচক থাকে, এগুলোতে ঘি যোগ করে গ্লাইসেমিক সূচক কমানো যেতে পারে, এমনটাই বলছেন গবেষকরা। ঘি কখনই রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে একেবারেই প্রভাবিত হয় না, তাই ডায়াবেটিস রোগীরা সহজেই ঘি সেবন করতে পারেন কোনো ভয় ছাড়াই।

    ৩. ঘি’তে (Ghee) প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে  এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে
      
    বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ঘি’তে (Ghee) থাকা লিনোলিক অ্যাসিড বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। গাট হরমোনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে ঘি। যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।  ঘি’তে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে  এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ঘি ইনসুলিন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    ৪. ঘি (Ghee) কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করতে পারে

    ঘিতে (Ghee) রয়েছে ভিটামিন ডি যা ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য অপরিহার্য। ঘি কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করতে পারে কিন্তু মনে রাখবেন অল্পপরিমানে খেতে হবে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই লেখাটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Pakistan: আর্থিক সংকটের কারণে সুজুকি সমেত বেশকিছু সংস্থা উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তানে

    Pakistan: আর্থিক সংকটের কারণে সুজুকি সমেত বেশকিছু সংস্থা উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র আর্থিক সংকটে ভুগছে পাকিস্তান (Pakistan)। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আগেই আকাশ ছুঁয়েছে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, সুজুকি মোটর তাদের নতুন গাড়ি তৈরির কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রেখেছে। সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, কাঁচামালের অভাবের কারণেই বন্ধ রয়েছে কারখানা। অন্যদিকে টায়ার এবং টিউব প্রস্তুতকারক গান্ধরা টায়ার অ্যান্ড রাবার কোম্পানিও উৎপাদন বন্ধ রেখেছে কাঁচামালের অভাবে। এটা মাত্র ২টি উদাহরন। স্থানীয়ভাবে অজস্র কারখানা সেখানে বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে। সার,টেক্সটাইল সমেত অনেক কারখানা ইতিমধ্যে সেদেশে বন্ধ হয়ে গেছে। আর্থিক সংকটের কারণে সেদেশে চাহিদাতো তলানিতে ঠেকেছে আবার কাঁচামালের অভাবও রয়েছে আর্থিক সংকটকে কেন্দ্র করে।

    বৈদেশিক মুদ্রার আর্থিক ভাণ্ডার ঠেকেছে ৩১৯ কোটি মার্কিন ডলারে

     বর্তমানে পাকিস্তানের (Pakistan) বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার ঠেকেছে ৩১৯ কোটি মার্কিন ডলারে। স্বর্ণভাণ্ডার এবং বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিত ভাণ্ডার দেখেই বোঝা যায় যেকোনও দেশের অর্থনীতি কতটা মজবুত। সঙ্কটের মুখে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ক্রমশ কমে আসছে। ভারত এবং পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারের তুলনা করলে দেখা যায়, এ ক্ষেত্রেও এগিয়ে আছে ভারত। বর্তমানে ভারতে গচ্ছিত বৈদেশিক মুদ্রার মূল্য ৫৭ হাজার ৫২৭ কোটি ডলার। পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার সম্প্রতি বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। জানা গেছে, শেষ ৯ বছরে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার কখনও এত কম হয়নি। ঠিক এই কারণে আমদানি এখন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। উৎপাদন বন্ধ রেখেছে বেশিরভাগ সংস্থা, সরকারি বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মচারিদের চাকরিও প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে। সেদেশের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, গত ৫০ বছরে এমন মুদ্রাস্ফিতি পাকিস্তানে কখনও হয়নি।সেদেশের অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পাকিস্তানে বেকারত্ব ব্যাপক আকার ধারণ করতে চলেছে।  অর্থনীতিকরা আরও বলছেন, এমন পাকিস্তান (Pakistan) আগে কখনও দেখা যায়নি যেখানে একের পর এক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে সেদেশে গাড়ি বিক্রি গত ৩ বছরে ৬৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসেই ইন্দাস মোটর বন্ধ হয়েছিল সেদেশে। এবার সুজুকি! শুধু তাই নয় আন্তর্জাতিক ব্রান্ড রয়েছে এমন মোবাইল কোম্পানিগুলিও বন্ধ হয়ে গেছে সেদেশে আর্থিক সংকটের কারনে। বেশ কিছু ঔষধ প্রস্তুতকারক সংস্থাও বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। এককথায় পাকিস্তানের অর্থনীতি এখন চরম সংকটে। প্রবল সংকটে বেতন বন্ধ হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ক্রমশ শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতির দিকেই এগোচ্ছে পাকিস্তান (Pakistan)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Operation Dost: অপারেশন দোস্ত শেষ! দেশে ফিরল এনডিআরএফের বাকি দলটিও

    Operation Dost: অপারেশন দোস্ত শেষ! দেশে ফিরল এনডিআরএফের বাকি দলটিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১০ দিন উদ্ধারকাজ (Operation Dost) চালানোর পর তুরস্ক থেকে গতকালই দেশে ফিরল এনডিআরএফ-এর শেষ দলটি। প্রসঙ্গত, ৬ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে ৭.৮ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় তুরস্ক আর সিরিয়ায় বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বিপর্যয়ের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভারত এনডিআরএফ-এর দল পাঠিয়ে তুরস্কে অপারেশন দোস্ত শুরু করে। জানা গেছে, তুরস্ক আর সিরিয়ার ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪১ হাজারের বেশি মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। গত শুক্রবার এনডিআরএফ-এর সঙ্গে ডগ স্কোয়াডের সদস্য রেমবো এবং হানিও দেশে ফিরেছে। অপারেশন দোস্তকে (Operation Dost)  সফল করার জন্য এনডিআরএফ-এর অধিকর্তারা ভারতে ফিরে আসা এনডিআরএফ জওয়ানদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    তুরস্কে এনডিআরএফ-এর উল্লেখযোগ্য কাজ (Operation Dost) 

    তুরস্কের মাটিতে এনডিআরএফ-এর জওয়ানরা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গেই কাজ চালিয়ে গেছেন বিগত ১০ দিন ধরে। কিছুদিন আগেই দেখা গিয়েছিল তারা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে উদ্ধার করেছেন জীবন্ত ছয় বছরের এক শিশু কন্যাকে। যা নিয়ে ট্যুইট করেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে বিদেশমন্ত্রী।  উদ্ধারকার্যে ১০১ সদস্যের এই দলে সারমেয়গুলিও বড় ভূমিকা নিয়েছিল। এগুলির নাম জুলি, রোমিও, হানি এবং রেমবো। জানা গেছে, কুকুরগুলির ল্যাব্রাডর প্রজাতির। এরা গন্ধ শুঁকে পৌঁছে যেতে পারে নির্দিষ্ট স্থানে। ধ্বংসস্তূপের কোথায় মৃতদেহ চাপা পড়ে রয়েছে তা দ্রুত শনাক্ত করতে পারে। মেক্সিকোতে যখন ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল তখনও উদ্ধারকাজে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল এই কুকুরগুলি।

    ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৭ বিমানে এনডিআরএফ কর্মীরা ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে তুরস্কের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। যেখানে ছিল অত্যাবশ্যকীয় সরঞ্জাম, চিকিৎসা সরবরাহ, ড্রিলিং মেশিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস। পাশাপাশি ছিল বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড।

    এনডিআরএফ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচয়

    এনডিআরএফ-এর কাজ হল যেকোনও দুর্যোগে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান। NDRF বারটি ব্যাটালিয়ন নিয়ে গঠিত।  প্রতিটি ব্যাটেলিয়ানে মোট কর্মীর সংখ্যা ১১৪৯ জন। যখনই দেশ বা বিদেশে ভূমিকম্প, বন্যা, ভূমিধস, ঝড়, বড় আকারের অগ্নিকাণ্ড, বোমা বিস্ফোরণ ইত্যাদি দুর্যোগ ঘটে তখনই ঝাঁপিয়ে পড়ে ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স বা এনডিআরএফ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Falgun Amavasya: শিবরাত্রির পরে আজ সোমবতী অমাবস্যা, জানুন এর তাৎপর্য 

    Falgun Amavasya: শিবরাত্রির পরে আজ সোমবতী অমাবস্যা, জানুন এর তাৎপর্য 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পণ্ডিতরা বলছেন শিবরাত্রির পরের অমাবস্যা (Falgun Amavasya) বিশেষ ফলদায়ক। আবার সোমবার যে অমাবস্যা তিথি থাকে, তাকে সোমবতী অমাবস্যা (Falgun Amavasya) বলা হয়। বছরে একটি বা দুটি অমাবস্যাই সোমবারে পড়ে। তাই এর মাহাত্ম্য অন্য অমাবস্যার থেকে অনেক বেশি।   বিবাহিত মহিলারাও এই অমাবস্যার তিথিতে তাঁদের স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা করে উপবাস করেন এবং বট গাছের পূজা করার রীতিও দেখা যায়। ভক্তদের বিশ্বাস, এই তিথিতে স্নান ও দান করা শ্রেষ্ঠ, এর ফলে পুণ্যফল লাভ করা যায়। পণ্ডিতদের মতে ব্যাস বলে গেছেন যে, এই তিথিতে ধ্যান বিশেষ পুণ্য ফল লাভ করা যায়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদে, একজন ব্যক্তির জন্য উন্নতির নতুন পথ খুলে যায় সোমবতী অমাবস্যার (Falgun Amavasya) ব্রতপালনে। এর পাশাপাশি পরিবারে সুখ শান্তি বিরাজ করে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে পিতৃপুরুষদের ক্রোধের কারণে আমাদের অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। এ কারণে গৃহে কলহ ও হয় এবং ব্যক্তির উন্নতিতে বাধার সৃষ্টি হয়। 

    অমাবস্যায় (Falgun Amavasya) বট পুজোর তাৎপর্য-

    বিশ্বাসমতে, ত্রিদেব বাস করেন বট গাছে। ত্রিদেব অর্থাৎ ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর। এদিন বটগাছের মূলে জল ও দুধ নিবেদন করে ফুল, অক্ষত, চন্দন ইত্যাদি দিয়ে পূজা করতে হবে।

    ১. বট গাছটিকে একটি সুতো দিয়ে ১০৮ বার প্রদক্ষিণ করতে হবে।

    ২. বট গাছের নিচে প্রদীপ জ্বালাতে হবে।

    ৩. এরপর দান করাকেও শুভ বলে মনে করা হয়।

    ৪. শাস্ত্রবিদরা বলছেন, এই নিয়মগুলি মেনে চললে পিতৃদোষ, গৃহ দোষ ও শনি দোষ দূর হয়, পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।

     

    সোমবতী অমাবস্যায় (Falgun Amavasya) পুজো পদ্ধতি-

    ১. ব্রাহ্ম মুহূর্তে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে স্নান করা।

    ২. এই দিনে পবিত্র নদীতে স্নান করে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য নিবেদন করা হয়।

    ৩. সোমবতী অমাবস্যার দিনে গঙ্গাস্নানের গুরুত্ব বেশি। তাই গঙ্গায় স্নান করুন।

    ৪. আপনি যদি স্নান করতে বাইরে যেতে না পারেন তবে স্নানের জলে সামান্য গঙ্গাজল যোগ করে বাড়িতে স্নান করুন।

    ৫. পণ্ডিতরা বলছেন এইদিনে ভগবান শিব ও মাতা পার্বতীর পূজা করুন।

    ৬. সোমবতী অমাবস্যার দিন বিবাহিত মহিলারা বট গাছের পূজা করে।

    ৭. সোমবতী অমাবস্যার দিনে ভগবান শঙ্করকে যথাযথভাবে পূজা করা হয়, এটি বিশ্বাস করা হয় যে ভগবান শিবের পূজা চাঁদকে শক্তিশালী করে।

    ৮. এই দিনে গায়ত্রী মন্ত্র জপ করতে হবে।

    ৯. পূর্বপুরুষদের পূজা করা উচিত এবং মোক্ষ কামনা করা উচিত।

    ১০. পূজার পর যেকোনও ধরনের দান করা উচিত।

    ১১. এই দিনে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করাও শুভ বলে মনে করা হয়।

    আজ সোমবতী অমাবস্যার দিনে কিছু বিশেষ মন্ত্র জপ করলে সমস্ত কষ্ট লাঘব হতে পারে, আজ কোন কোন মন্ত্র জপ করবেন জানুন

    পণ্ডিতদের মতে, সোমবতী অমাবস্যার (Falgun Amavasya) দিনে গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে মানসিক ও শারীরিক বল পাওয়া যায়। পাশাপাশি আর্থিক লোকসান থেকেও মুক্তি পেতে পারেন।

    ওম ভূর্ভুবঃ স্বঃ তত্সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি ধিয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ

    সোমবতী অমাবস্যা (Falgun Amavasya) তিথিতে স্নানের সময়ে এই মন্ত্র জপ করলে ব্যক্তি জন্মমৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্তি পায়।

     গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী, নর্মদা, সিন্ধু কাবেরী জলেস্মিনেসংনিধি কুরু

    সোমবতী অমাবস্যায় (Falgun Amavasya) শিবের পঞ্চাক্ষরী মন্ত্র জপ করতে বলছেন পণ্ডিতরা। 

    অযোধ্যা, মথুরা, মায়া, কাশী, কাঞ্চী অবন্তিকাপুরী, দ্বারবতী জ্ঞেয়াঃসপ্তৈতা মোক্ষ দায়িকা

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

     

     

  • Indian Cricket Team: তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই

    Indian Cricket Team: তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য টিম ইন্ডিয়ার (Indian Cricket Team) স্কোয়াড ঘোষণাও করা হল। রঞ্জি জয়ের পর সৌরাষ্ট্র অধিনায়ককে সুযোগ দেওয়া হল ভারতীয় স্কোয়াডে।

    উইনিং স্কোয়াড অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে

    অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ দুটি টেস্টে কোনও পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। শুধু জয়দেব উনাদকাট দলে ফিরছেন। রঞ্জি ফাইনালের জন্য তাঁকে ভারতীয় দল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তিনি ফের ভারতীয় দলের (Indian Cricket Team) সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। এছাড়া ভারতের টেস্ট দল অপরিবর্তিত। জয়দেব উনাদকাট প্রথম দুটি টেস্টেও দলে ছিলেন। তাঁকে সৌরাষ্ট্রের হয়ে রঞ্জি ফাইনাল খেলার ছাড়পত্র দিয়েছিল বিসিসিআই।

    তবে রঞ্জি জয়ের উপহারস্বরূপ জয়দেব উনাদকাট জায়গা পেয়েছেন একদিনের দলেও। এর আগে তিনি সাতটি ওয়ানডে খেলেন। শেষ ওয়ানডে খেয়েছিলেন ২০১৩ সালে। সেই নিরিখে ১০ বছর পরে তাঁর ভারতীয় টিমে ‘ওয়াপসি’ হল। ২০১৩ সালে তিনি ওয়েস্টইন্ডিজের বিপক্ষে শেষবার খেলেছিলেন।

    জয়দেব উনাদকাট ছাড়াও হার্দিক পাণ্ডিয়ার জন্যও সুখবর রয়েছে ভারতীয় দলে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ান ডে-তে পাওয়া যাবে না অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে। পারিবারিক কারণে তিনি থাকতে পারছেন না। ফলে এই ম্যাচে অধিনায়কত্ব করবেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। কে এল রাহুলের অফ ফর্মের জন্য তাঁকে ব্যাটার হিসেবে রেখে দিলেও সহ অধিনায়ক রাখা হল না।

    প্রথম দুটি টেস্টে সহ অধিনায়ক ছিলেন কে এল রাহুল। কিন্তু তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টে কোনও সহ অধিনায়ক রাখা হল না। সহ অধিনায়ক ছাড়াই টিম ঘোষণা করা হল। টেস্ট স্কোয়ার অপরিবর্তিত থাকল। উল্লেখ্য. তৃতীয় টেস্ট ১ থেকে ৫ মার্চ ইন্দোরে হোলকার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। চতুর্থ টেস্ট খেলা হবে ৯ থেকে ১৩ মার্চ আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। তিনটি ওয়ানডে হবে ১৭, ১৯ ও ২২ মার্চ যথাক্রমে মুম্বই, বিশাখাপত্তনম ও চেন্নাইয়ে।

    অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় এবং চতুর্থ টেস্টের জন্য ভারতের টেস্ট স্কোয়াড

    রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), কে এল রাহুল, শুভমান গিল, চেতেশ্বর পূজারা, বিরাট কোহলি, কেএস ভরত (উইকেটরক্ষক), ঈশান কিষান (উইকেটরক্ষক), রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ, শ্রেয়াস আইয়ার, সূর্যকুমার যাদব, উমেশ যাদব ও জয়দেব উনাদকাট।

    অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ওডিআই স্কোয়াড: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, সূর্যকুমার যাদব, কে এল রাহুল, ঈশান কিষান (উইকেটরক্ষক), হার্দিক পান্ডিয়া (সহ-অধিনায়ক), রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, ওয়াশিংটন সুন্দর, যুজবেন্দ্র চাহাল,মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ, উমরান মালিক, শার্দুল ঠাকুর, অক্ষর প্যাটেল ও জয়দেব উনাদকাট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share