Blog

  • Rajkot: প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে নদীবাঁধ তৈরি হল গুজরাটে 

    Rajkot: প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে নদীবাঁধ তৈরি হল গুজরাটে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন প্রয়াত হয়েছেন কয়েকদিন আগেই। পূর্ণ করেছেন তাঁর একশোতম জন্মবার্ষিকী। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মায়ের নামে গুজরাটে একটি নদী বাঁধের নামকরণ হতে চলেছে। 

    কোন নদীর উপর গড়ে তোলা হয়েছে এই বাঁধ

    জানা যাচ্ছে সৌরাষ্ট্রের রাজকোট (Rajkot) জেলায় নয়ারি নদীতে স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ করে এই বাঁধটি তৈরি করেছে গির গঙ্গা পরিবার ট্রাস্ট নামে একটি জনসেবা সংস্থা। গত বুধবার এই বাঁধের উদ্বোধন ছিল। বাঁধটি গড়ে উঠেছে স্থানীয় ভগৌড়ার নামের একটি গ্রামে। এদিন এই বাঁধের উদ্বোধনে হাজির ছিলেন সংস্থার প্রধান দিলীপ সাক্য।  এদিনের উদ্বোধন কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক দর্শিতা শাহ এবং রাজকোটের (Rajkot)  মেয়র প্রদীপ দেব। সেখানেই গিরগঙ্গা পরিবার ট্রাস্টের কর্ণধার প্রস্তাব দেন সদ্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে এই সরোবরের নামকরণ হবে “হীরাবেন স্মৃতি সরোবর”।  ওই সভায় উপস্থিত সকলেই সেই প্রস্তাবে সায় দেন। প্রসঙ্গত ১৮ই জুন হলো হীরাবেনের জন্মদিন। গত বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর মায়ের ১০০ তম জন্মদিনে তাঁর নামে একটি গুজরাটের রাস্তার নামকরণ হবে বলে ঠিক হয়ে গিয়েছিল। গান্ধীনগরের একটি রাস্তার নাম হীরাবেনের নামে করার কথাও জানিয়েছিল স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই পরিকল্পনা বিশেষ কারণে পিছিয়ে যায়। গত ৩০ ডিসেম্বর আহমেদাবাদে প্রয়াত হন হীরাবেন।
    প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে এই নদী বাঁধটি ৪০০ ফুট লম্বা এবং ১০০ ফুট চওড়া, জলধারটিকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে একবার জলাধার পূর্ণ করলে তা নয় মাসে শুকনো হবে না, এমনটাই বলছেন ট্রাস্টের কর্ণধার। জলধারটি তৈরি করতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। গঙ্গা পরিবার ট্রাস্ট সূত্রে জানা যাচ্ছে যে মোট ৭৫টি নদী বাঁধ তারা নির্মাণ করেছে গত চার মাসে। দাতাদের দানের টাকায় এই সমস্ত বাঁধগুলি নির্মাণ করা হয়েছে। যার মধ্যে একটি হলো নয়ারি নদীর ওপর এই নদী বাঁধ। এটির জল ধারণ ক্ষমতা আড়াই কোটি লিটার। জলাধার সংলগ্ন স্থানীয় কৃষকদের উপকার হবে বলে আশাবাদী সংস্থার কর্ণধার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • WhatsApp New Feature: হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এল নতুন ফিচার “কেপ্ট মেসেজ”, জানুন বিস্তারিত

    WhatsApp New Feature: হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এল নতুন ফিচার “কেপ্ট মেসেজ”, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্ক জুকেরবার্গের মেটা কোম্পানির হোয়াটসঅ্যাপ, নতুন নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) এনেই চলেছে। বিভিন্ন রকমের ফিচার পেয়ে স্বভাবতই খুশি ব্যবহারকারীরা। যোগাযোগের মাধ্যম অনেক বেশি উন্নত হয়ে চলেছে নতুন নতুন ফিচারের (WhatsApp New Feature) দৌলতে। কিছুদিন আগেই এসেছে নতুন একটি ফিচার যেটির দ্বারা সহজেই অন্য অ্যাপসে কাজ করতে করতে করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও কল। এবার নতুন বছরে হোয়াটসঅ্যাপের উপহার তার ব্যবহারকারীদের জন্য “Kept” নামের ফিচার.

    কিভাবে কাজ করবেন নতুন এই ফিচার (WhatsApp New Feature)

    ফিচারের (WhatsApp New Feature) নাম শুনেই আন্দাজ করা যাচ্ছে এর কাজ সম্পর্কে। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন এর কাজ রেখে দেওয়া। মানে সেভ করে রাখা যেকোনও মেসেজ। জুকেরবার্কের মালিকাধীন সংস্থা সূত্রে জানা গেছে এই মেসেজ ফিচারের সাহায্যে হোয়াটসঅ্যাপে ডিস অ্যাপিয়ারিং মেসেজকেও রেখে দেওয়া সম্ভব। যদিও এই নতুন ফিচারের রোল আউট এখনও পর্যন্ত হয়নি। ডিস অ্যাপিয়ারিং মেসেজ ফিচারের সাহায্যে একজন ব্যবহারকারী যদি অন্য একজন ব্যবহারকারীকে মেসেজ পাঠান তাহলে চ্যাটে একটি নির্দিষ্ট সময় পর আপনা আপনি ওই মেসেজ ডিলিট হয়ে যাবে। তবে এই নতুন মেসেজ ফিচারের (WhatsApp New Feature) সাহায্যে হোয়াটসঅ্যাপে ওই মেসেজ রেখে দেওয়া সম্ভব হবে। এখনও পর্যন্ত এই ফিচার (WhatsApp New Feature) সর্বসাধারণের হাতের মুঠোতে আসতে বেশ কিছুটা দেরি রয়েছে বলেই সংস্থা সূত্রে জানা গেছে। “Kept” মেসেজ ফিচারের সাহায্যে  ডিস অ্যাপিয়ারিং মেসেজ অটোমেটিক ভাবে ডিলিট হয়ে যাবে না সাময়িকভাবে থেকেই যাবে।  ডিস অ্যাপিয়ারিং মেসেজ ফিচার আনা হয়েছিল যাতে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা বজায় থাকে, মূলত সেই কারণেই। এবার তার মধ্যে যদি কোন মেসেজকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় এবং ব্যবহারকারী যদি মনে করেন যে এই মেসেজ রেখে দেওয়া উচিত তাহলে তিনি “Kept” মেসেজ ফিচারের মাধ্যমে এই সুবিধা পাবেন। আবার Un-keep অপশনের সুবিধাও থাকবে ব্যবহারকারীদের জন্য, এই অপশন ক্লিক করলেই হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজগুলো ডিলিট হয়ে যাবে, সেভ হবে না।

  • Joshimath: জোশীমঠের ফাটল নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?

    Joshimath: জোশীমঠের ফাটল নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোশীমঠে (Joshimath) ফাটলের কারণ নৃতাত্ত্বিক এবং প্রাকৃতিক। এমনটাই বললেন ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অফ হিমালয়ান জিওলজির ডিরেক্টর কালাচাঁদ সাঁই।

    আরও পড়ুন: শুধুই কি যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য? অন্যদের থেকে কোথায় আলাদা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস?

    তাঁর আরও সংযোজন, “এই বিপর্যয়ের কারণ একদিনে গড়ে ওঠেনি। এর মূল কারণ হল, জোশীমঠ (Joshimath) গড়ে উঠেছে একটি দুর্বল ভিতের উপর। এক শতাব্দীরও বেশি আগে ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষের উপর তৈরি হয়েছিল এই জোশীমঠ (Joshimath)। ভূগোলের ভাষায় এটি seismic zone V এর উপর অবস্থিত, যা ভূমিকম্প প্রবন বলেই মনে করা হয়”।

    আরও পড়ুন: কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল জোশীমঠে

    এর আগেও অনেকেই বলে গেছেন জোশীমঠের (Joshimath)  বিপজ্জনক অবস্থান নিয়ে

    কালাচাঁদ সাঁইের মতে ইতিপূর্বে অনেকেই জোশীমঠের (Joshimath) বিপজ্জনক অবস্থান সম্পর্কে বলে গেছেন, যেমন ১৮৮৬ সালে অ্যাটকিন্স তাঁর প্রতিবেদনে লিখেছিলেন যে জোশীমঠ স্থাপন হয়েছে ভূমিধসের উপর।

    আরও পড়ুন: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

    আবার ১৯৭৬ সালে মিশ্র কমিটিরও ওই একই বক্তব্য ছিল।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে একটা বড় অংশ যাঁরা হিন্দু, তাঁদের ভোটে আমি জিতেছি, বললেন শুভেন্দু 

    জোশীমঠ (Joshimath) হল বদ্রীনাথের প্রবেশদ্বার, এখানকার হেমকুন্ড সাহিব, আউলি প্রভৃতি অঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাপক নির্মানকাজ চলেছে। শহরের চাপ মোকাবিলার ক্ষমতা যাচাই না করেই এগুলো চলেছে। অনেক কারনের মধ্যে এই কারনগুলিও ফেলে দেওয়ার মতো নয়, এমনটাই মত কালাচাঁদ বাবুর।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরের অনেক বাড়িই ধ্বংস হওয়ার মুখে। এ থেকে বাঁচার উপায় নেই। সকলকে নিরাপদে স্থানান্তরিত করার দায়িত্ব নিক সরকার।

    আরও পড়ুন: সহযাত্রীর গায়ে প্রস্রাবকাণ্ডে অভিযুক্ত শঙ্কর মিশ্রের খোঁজ দিল্লি পুলিশ কীভাবে পেল জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Aircraft Crash: মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ল বিমান, মৃত চালক

    Aircraft Crash: মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ল বিমান, মৃত চালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশিক্ষণরত বিমান উড়ছিল মধ্যপ্রদেশের আকাশে। হঠাৎই ঘটলো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মধ্যপ্রদেশের রেওয়া জেলার চোরহাটার ডুমরি গ্রামে এদিন মন্দিরে ধাক্কা খেয়ে প্রশিক্ষণরত বিমান মাটিতে ভেঙ্গে পড়ে (Aircraft Crash)
    , ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে প্রশিক্ষণরত বিমান চালকের, দুর্ঘটনার সময় বিমানে উপস্থিত ছিলেন আরও একজন, জানা যাচ্ছে তিনিও আহত হয়েছেন ব্যাপক গুরুতরভাবে। শুক্রবার ভোরে প্রশিক্ষণের সময় একটি মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খায় বিমানটি (Aircraft Crash)

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি! প্রকাশিত রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা
    । এরপরেই বিমানে আগুন লেগে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন যে বিমান ধাক্কা (Aircraft Crash)
     লাগার কারণে মন্দিরের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ভেঙে পড়েছে । 

    পুলিশ কী বলছে ?

    পুলিশ ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। জেলার পুলিশ সুপার নভনিত ভাসিন এদিন সাংবাদিকদের বলেন, “শুক্রবার ভোরে প্রশিক্ষণের জন্য বিমান নিয়ে বেরিয়েছিলেন চালক সঙ্গে ছিলেন আরও এক ব্যক্তি। বিমান চালানোর সময় হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চোরহাটার ডুমরি গ্রামে একটি মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খেয়ে বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে (Aircraft Crash)
    , এরপরই তাতে আগুন ধরে যায়”।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে এবারে সিউড়ির ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে তলব সিবিআইয়ের
     গুরুতরভাবে জখম পাইলটকে স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পাইলটের অন্যতম সহযোগী যিনি দুর্ঘটনার সময় বিমানে উপস্থিত ছিলেন তিনিও ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: প্রাথমিকে চাকরি হারালেন মোট ২৫২ জন! চাকরি হারিয়েও ফের নিয়োগ পেলেন জয়তী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Mediterranean Diet: স্বাস্থ্যসম্মত মেডিটেরানিয়ান ডায়েট সম্পর্কে জানুন

    Mediterranean Diet: স্বাস্থ্যসম্মত মেডিটেরানিয়ান ডায়েট সম্পর্কে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েটের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েট মানুষ বিভিন্ন কারণে মেনে চলে কারণ এতে শরীর যেমন সুস্থ থাকে তেমনি শরীরের ওজন স্বাভাবিক থাকে। মানুষ সাধারণ ভাবে এখন এড়িয়ে চলে জাঙ্ক ফুডগুলো কারণ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে বাড়তি ওজন বা ওবেসিটির সবথেকে বড় কারণ এই ফাস্ট ফুড। আর এই ওবেসিটিই হল বিভিন্ন ক্রনিক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। আলাদা আলাদা জনের ক্ষেত্রে ডায়েট সাধারণত আলাদা আলাদা হয়। 

    এই মুহুর্তে  সব থেকে বেশি জনপ্রিয় ডায়েট হল মেডিটেরানিয়ান ডায়েট (Mediterranean Diet)। বিভিন্ন সমীক্ষায় এই ডায়েট এক নম্বরে উঠে এসেছে সারা পৃথিবীব্যাপী সব ধরনের ডায়েট গুলির মধ্যে থেকে। উদ্ভিদজাত খাবারগুলির মধ্যে থেকেও এই ডায়েট প্রথম ডায়েট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। প্রসঙ্গত এই মেডিটেরানিয়ান ডায়েট (Mediterranean Diet) হল বিশ্বের ২১ টি দেশের খাদ্যাভ্যাস। যে দেশগুলির মধ্যে রয়েছে লেবানন, তুর্কি, ইতালি, গ্রিস ইত্যাদি।

    মেডিটেরিনিয়ান ডায়েটে (Mediterranean Diet) কী কী রয়েছে

    মেডিটেরানিয়ান ডায়েটে (Mediterranean Diet) বিভিন্ন ধরনের ফল, শাক-সবজি, বাদাম, তেল এসমস্ত কিছু দিয়েই তৈরি হয়। এই ডায়েটের অন্যতম উপাদান হিসেবে থাকে বিভিন্ন সামুদ্রিক খাবার এবং সামুদ্রিক নানারকমের মাছ। সপ্তাহে অন্তত দুইবার পোল্ট্রির মাংস, টক দই, ডিম এগুলোও থাকে ডায়েটে। আবার এই ডায়েটের মধ্যেই রয়েছে রেডমিট সমেত বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি। সমীক্ষায় আরও বলা হচ্ছে এই ডায়েট খাবারের কোয়ালিটির দিকে বেশি নজর দেয়। এই ডায়েটের মাধ্যমেই মানুষ পেয়ে যায় সেই সমস্ত খাবারগুলি যেগুলি রিসার্চের দ্বারা স্বাস্থ্যবিদরা মানুষকে খেতে বলেন।

    বিভিন্ন রিসার্চে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে মেডিটেরানিয়ান ডায়েট (Mediterranean Diet) ক্রনিক রোগকে প্রতিহত করে। ডায়াবেটিস, হার্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় মেডিটেরানিয়ান ডায়েট (Mediterranean Diet) অনুসরণ করলে। একটি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন এবং দীর্ঘ জীবন লাভ করা সম্ভব এই ডায়েটের (Mediterranean Diet) দ্বারা, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Weight Loss: ওজন কমাতে চান? ৭টি টোটকা অনুসরণ করুন, ফল পাবেনই

    Weight Loss: ওজন কমাতে চান? ৭টি টোটকা অনুসরণ করুন, ফল পাবেনই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের পর দিন ভারত তথা বিশ্বের অন্যান্য দেশে বাড়তি ওজন একটি বড় সমস্যার আকার ধারন করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই বাড়তি ওজন টেনে আনে বিভিন্ন ধরনের রোগ, যেমন হাইপারটেনশন থেকে ডায়াবেটিস এগুলোর প্রবণতা বাড়িয়ে দেয় ওবেসিটি। বাড়তি ওজন বা ওবেসিটি নানা কারণে হতে পারে। শুধুমাত্র বেশি খাবার খেলেই যে ওজন বৃদ্ধি পাবে এমন নয়। জীবন যাপনের পদ্ধতি, স্ট্রেস, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবনের কারনেও ওবেসিটি হয়। বাড়তি ওজন কম করতে (Weight Loss) অনেকে খাবার এড়িয়ে চলেন কিন্তু খাবার এড়িয়ে চললে ওজন কমে (Weight Loss) যাবে এমনটা নয়, ওজন কমানোর (Weight Loss) জন্য সকালে হাঁটাচলা, জগিং, জিম সবকিছুই করতে দেখা যায় ভুক্তভোগীদের। বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনের পরামর্শ দেন বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তবে আজকে আমরা আলোচনা করব ৬টি টিপস নিয়ে যেগুলি ওজন কমানোর (Weight Loss) জন্য আপনাদের কাছে মহৌষধ হতে পারে।

    ১) খাবার ধীরে ধীরে খান

    ব্যস্ততার জীবনে আমাদের অনেককেই অফিস টাইমে বা স্কুল টাইমে গোগ্রাসে খেতে হয়, সময়ে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য অথবা বাস, ট্রেন ধরার জন্য। চলতি ভাষায় আমরা বলি নাকেমুখে গুঁজে অফিস যাওয়া। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন এরকম করলে হবেনা এবং খাওয়ার সময় খাবারটাকে ধীরে ধীরে খেতে হবে, চিবিয়ে চিবিয়ে খেতে হবে।

    ২) ডায়েটে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ান

    ওজন বাড়ানোতে একটা বড় ভূমিকা থাকে কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাটের। তাই যতটা পারবেন ডায়েটে প্রোটিনের পরিমাণটাকে বেশি রাখার চেষ্টা করুন কারণ শরীরে প্রোটিন যত বেশি যাবে তত মনে হবে যে পেট ভর্তি আছে এবং খিদে কম পাবে। মাছ, টক দই, চিকেন এগুলো প্রোটিনের ভালো উৎস। এগুলো খাদ্য তালিকায় রাখুন।

    ৩) বেশি করে জল পান করুন

    অত্যধিক পরিমাণে জল পান করলে শরীর যেমন তরতাজা থাকে ত্বক যেমন উজ্জ্বল হয় তেমনি শরীরে ক্যালরিও খরচ হয়, এমনটাই নাকি মত রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। ক্যালরি খরচ হলে, সেটি ওজন কমাতে (Weight Loss) সাহায্য করে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন যেকোনও খাবার গ্রহণের ৩০ মিনিট আগে জল পান করুন।

    ৪) ভালো ঘুম

    সারাদিনের ব্যস্ততার জীবন যাপনের পর রাত্রে একটি ভাল ঘুম আপনাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে আবার শক্তি দিতে সাহায্য করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম ক্রনিক রোগ যেমন ডায়াবেটিস এই সমস্ত কিছুকে প্রতিহত করে তার সঙ্গে ওজন কমাতেও (Weight Loss) উপযোগী।

    ৫) খাবার কখনও এড়িয়ে যাবেন না

    ব্যস্ততার জীবনে মানুষ ভুলে গেছে যে ব্রেকফাস্ট কী? এবং অনেকে আবার ভাবে যে খাবার এড়িয়ে গেলেই হয়তো ওজন কমানো (Weight Loss) সম্ভব কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন এটা একেবারেই ভুল ধারণা। তাই সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ করতে বলছেন চিকিৎসকরা।

    ৬) শরীরে কখনও জলের ঘাটতি হতে দেবেন না

    চিকিৎসকরা বলছেন যে শরীরে জলের ঘাটতি অনেক রকমের ক্রনিক রোগকে ডেকে আনতে পারে। তাই খাবার আগে দু গ্লাস জল অবশ্যই পান করতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এর অন্য আরেকটা দিক হল, এর ফলে পেট ভর্তি থাকবে এবং খাবার কম খেতে ইচ্ছা করবে।

    ৭) শারীরিক অনুশীলন করুন নিয়মিত

    নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করলে বাড়তি ওজন কমে। এক্ষেত্রে সিট আপ একটি ভালো ব্যায়াম।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Hydration: শরীরে জলের অভাব টেনে আনে অকাল বার্ধক্য সমেত নানা রোগ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    Hydration: শরীরে জলের অভাব টেনে আনে অকাল বার্ধক্য সমেত নানা রোগ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দৈনিক পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না খাওয়ার ফলে শরীরে দেখা দেয় জলের ঘাটতি। যাকে বলা হয় ডিহাইড্রেশন।  ডিহাইড্রেশনের ফলে মানুষের মৃত্যু অবধি হতে পারে। শরীরে জলের অভাব টেনে আনতে পারে নানা সমস্যা। সুস্থ জীবন পেতে জলের কোনো বিকল্প নেই। শরীরে জলের অভাব থাকলে অকাল বার্ধক্য এবং বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ দেখা দিতে পারে, একথা বিশেষজ্ঞরা বলছেন। আবার যাদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল থাকে না অল্প বয়সে মৃত্যুর সম্ভাবনাও থাকে। এক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতে, শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল (Hydration) থাকলে চেহারা এবং ত্বক যেমন উজ্জ্বল থাকে তেমনি আপনার অকাল বার্ধক্য আসেনা এবং সুস্থ জীবন পাওয়া যায়।

    যে কোনও রোগ নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে জাক্তারবাবুরা প্রথমেই দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়ার (Hydration)পরামর্শ দেন। জল খাওয়ার মাধ্যমে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ হয় ও ক্লান্তি ভাব কাটে।

    চিকিৎসকরা বলছেন, একজন সুস্থ ও প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের উচিত দৈনিক আট গ্লাস জল পান করা। তবে অনেকেই এই পরামর্শ মেনে চলেন না।

    শরীরে জলের ঘাটতি হলে যে লক্ষণগুলি দেখা দেয়

    ১) জল তেষ্টা পাওয়া। শরীরে জলের ঘাটতি হওয়ার এটাই সবচেয়ে বড় লক্ষণ।

    ২) বিভিন্ন ওষুধ খেলে প্রস্রাবের রং হলুদ ও গাঢ় হলুদ হতে পারে। আবার জলের ঘাটতি থেকেও প্রস্রাবের রং বদলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বারবার গাঢ় হলুদ রঙের প্রস্রাব হয়।

    ৩) জলের ঘাটতিতে প্রস্রাবের সময় খুব জ্বালা করতে পারে। এরকম দেখলে ২০ মিনিট পর পর এক গ্লাস করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     ৪) স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিহাইড্রেশনের সঙ্গে মাথা যন্ত্রণার সরাসরি যোগ আছে। শরীরে কয়েক শতাংশ জলে ঘাটতি হলেই মাথা যন্ত্রণা শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    ৫) শরীরে জলের ঘাটতি হলেই রক্তচাপ কমতে শুরু করে। মস্তিষ্কেও কম পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছায়।

    ৬) চিকিৎসকদের মতে শরীর পর্যাপ্ত জল না থাকলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও কমে যায়। মানব মস্তিষ্কের ৭০ শতাংশই জলে পরিপূর্ণ।

    ৭) শরীরে জলের ঘাটতি হলে জিভ শুকিয়ে যায়। সঙ্গে লালারসের উত্‍পাদন কমে যায়।

    ৮) শরীরে জলের ঘাটতি হলে অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠার প্রবণতা দেখা যায়। পাশাপাশি শ্বাসকষ্টও হতে পারে!

    জল থেকেই তো জীবনের উৎপত্তি, জলের অপর নাম তাই জীবন। নীরোগ থাকতে, নিজেকে তরতাজা রাখতে বেশি বেশি জল পান করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Ancient Indian Scientists: প্রাচীন ভারতের চিকিৎসাবিদ সুশ্রুত, পদার্থবিদ কণাদের অজানা গল্পগুলো জানুন

    Ancient Indian Scientists: প্রাচীন ভারতের চিকিৎসাবিদ সুশ্রুত, পদার্থবিদ কণাদের অজানা গল্পগুলো জানুন

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়: বিগত পর্বে আমরা আলোচনা করেছি প্রাচীন ভারতের গণিত চর্চা সম্পর্কে। আজকে আমরা প্রাচীন ভারতের দুইজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী (Ancient Indian Scientists) সুশ্রুত এবং মহর্ষি কণাদের জীবনী এবং কাজ সম্পর্কে জানব।

    প্রথম পর্ব: সনাতন ধর্মে ঋষি এবং বেদের ভূমিকা জানুন

    সুশ্রুত

    সুশ্রুত ছিলেন একজন প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসক। বলা ভালো, শল্য চিকিৎসার জনক ছিলেন তিনি। তাঁর রচিত গ্রন্থ “সুশ্রুত সংহিতা” চিকিৎসা শাস্ত্রের একটি অমূল্য গ্রন্থ হিসেবে পরিগণিত হয়। প্রাচীন বিভিন্ন হিন্দু শাস্ত্রে তাঁকে বিশ্বামিত্রের পুত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে মনে করা হয়। আচার্য সুশ্রুত, প্লাস্টিক সার্জারি জনক হিসেবে সারা বিশ্বের কাছে আজ সমাদৃত।

    দ্বিতীয় পর্ব: আলোর গতিবেগ, মহাকর্ষ বল, পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব নির্ণয়ের বিষয়ে বেদে কী বলা আছে জানেন?

    সুশ্রুতের চিকিৎসার পদ্ধতি নিয়ে অনেক রকমের কাহিনী প্রচলিত আছে। সে সব  কাহিনীগুলি সম্পর্কে একটু জানা যাক। কথিত আছে আজ থেকে প্রায় ২৬০০ বছর আগেকার কথা, সে সময় বর্তমান ভারতের বারাণসীর কাছাকাছি কোনও একটি জনপদ ছিল। একদিন মধ্যরাত্রে এক চিকিৎসকের দরজায় হঠাৎ এক আগুন্তক উপস্থিত হল। জোরে জোরে দরজার কড়া নাড়ছেন আর চিকিৎসককে ডাকছেন। দরজা খুলতেই ওই আগুন্তক চিকিৎসকের পায়ের উপরে এসে পড়ল এবং কাঁদতে থাকল। চিকিৎসক লক্ষ্য করলেন আগুন্তকের নাক কাটা গেছে এবং ঝরঝর করে রক্ত পড়ছে।
    আচার্য সুশ্রুত তাকে অভয় বাণী দিলেন যে সব ঠিক হয়ে যাবে। শান্ত হয়ে বসো। এরপর ওই ব্যক্তিকে মাদুরের উপর বসালেন চিকিৎসক। জল ও ভেষজ নির্যাস দিয়ে তার মুখ পরিষ্কার করলেন। তারপর কিছুটা মদ্যপান করালেন রোগীটিকে। কিছুক্ষণের মধ্যে রোগী ঝিমিয়ে পড়ল। এবার একটি লতা থেকে বড় মাপের একটি পাতা ছিড়ে নিয়ে নাকের উপর বসিয়ে, নাকের মাপ অনুযায়ী পাতাটি চারপাশ থেকে কেটে নিলেন, এরপর রোগীর গাল থেকে ঠিক পাতার মাপের কিছুটা মাংস আগুনে পুড়িয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে সেটি তার বিকৃত নাকের উপর বসিয়ে নাকের মতো করে মুড়ে দিলেন এবং নিখুঁত সেলাই করে জুড়ে দিলেন সেই নতুন নাক। তার আগে অবশ্য দুটো সরু নল নাকের অস্থায়ী ছিদ্র হিসেবে স্থাপন করেছিলেন সুশ্রুত। গালে যে অংশ থেকে মাংস কেটে নেওয়া হয়েছিল সেখানে ওষুধ লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করা হয়েছিল তার আগেই। এরপর রোগীটিকে কিছু ওষুধ পত্র দিয়ে সেগুলি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দিলেন। এমন অজস্র কাহিনী প্রচলিত রয়েছে প্রাচীন ভারতীয় এই শল্যচিকিৎসক সম্পর্কে।
    আনুমানিকভাবে ৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আচার্য সুশ্রুত। শোনা যায় বিশ্বামিত্র মুনির বংশধর ছিলেন তিনি। কথিত আছে, বারাণসীতে দেবদাস ধন্বন্তরির কাছে চিকিৎসাবিদ্যা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেছিলেন সুশ্রুত। পরে শল্যবিদ্যার পাশাপাশি চিকিৎসার অন্যান্য শাখাতেও তিনি সমান দক্ষতা অর্জন করেন। শল্যবিদ্যার প্রথাগত পদ্ধতির উদ্ভাবক এবং ব্যাখ্যাকার ছিলেন আচার্য সুশ্রুত। সংস্কৃত ভাষায় তাঁর লেখা সুশ্রুত সংহিতা চিকিৎসাশাস্ত্রের একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। এই গ্রন্থে তিনি শল্য চিকিৎসার জন্য ১২ রকমের যন্ত্রপাতির কথা বলেছেন। সুশ্রুত সংহিতাতে ১৮৪টি অধ্যায় রয়েছে, এখানে তিনি আলোচনা করেছেন ১১২০টি বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে। ৭০০ এর অধিক বিভিন্ন উদ্ভিদের কথা তিনি এই গ্রন্থে বলেছেন যেখান থেকে ওষুধ তৈরি করা যায়, ৬৪ ধরনের খনিজেরও আলোচনা তিনি এই গ্রন্থে করেছেন যা থকে ওষুধ তৈরি হতে পারে। ৫৭ ধরনের প্রাণীজ উৎসের কথা বলেছেন যেখান থেকে ওষুধ তৈরি হতে পারে। সুশ্রুতই ছিলেন প্রথম চিকিৎসক যিনি পেট কেটে সন্তান প্রসব করানোর কথা বলেছেন, অর্থাৎ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে যার নাম “সিজারিয়ান সেকশন”। মূত্রস্থলীতে জমা পাথর বের করা, দেহের ভেঙে যাওয়া হাড় জুড়ে দেওয়া, চোখের ছানি অপারেশনের বিভিন্ন কাহিনী শোনা যায় সুশ্রুত সম্পর্কে। এখন যেমন রোগীকে অজ্ঞান করে অস্ত্র প্রচার করা হয় তখন তিনি রোগীকে মদ্যপান করাতেন। শিক্ষক হিসেবেও তিনি অনেক গুণী ছিলেন। লাউ, তরমুজ কেটে শিষ্যদের অস্ত্রোপচারের প্রাথমিক পাঠ দিতেন এবং ছুরি কীভাবে ধরতে হয় সেগুলো শেখাতেন। শল্যচিকিৎসা এবং ওষুধপত্র সম্পর্কে  গ্রিক দার্শনিক হিপোক্রিটাসের লেখা শপথ আজও নিতে হয় ডাক্তারি ছাত্রদের। সুশ্রুত তারও প্রায় দেড়শ বছর আগে তাঁর শিষ্যদের জন্য এমন শপথ চালু করেন।

    তৃতীয় পর্ব: প্রাচীন ভারতের গণিত চর্চা 

    মহর্ষি কণাদ

    সপ্তম শ্রেণীতেই পড়ানো হয় পরমাণুর গঠন সংক্রান্ত অধ্যায়। ডালটনের তাঁর পরমাণুবাদে পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার আগে ভারতীয় ঋষি কনাদ পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ সম্পর্কে ধারণা দিয়ে যান। কনাদ ভারতীয় দার্শনিক (Ancient Indian Scientists) ছিলেন বলে মনে করা হয় এবং খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ৬০০ বছর আগে তিনি পরমাণুর ধারণা দেন। তিনি বলেন যে সমস্ত পদার্থই ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা তৈরি। মহর্ষি কণাদ আরও বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন কনভুক, কনভক্ষ, যোগী, উলুক, কাশ্যপ। কথিত আছে দিনের বেলায় গহন অরণ্যে গভীর ধ্যানে তিনি মগ্ন থাকতেন এবং যখন রাত্রিবেলায় সবাই নিদ্রিত থাকতো তখন তিনি খাবারের সন্ধানে বের হতেন এরকম বৃত্তি উলূক বা প্যাঁচারই হয় সাধারণত। তাই অনেকে মনে করেন তাঁর উলূক নামকরণ হয়েছে। মহাভারতের শান্তি পর্বে এরকম একটি কাহিনীর উল্লেখ রয়েছে যদিও সেটি কণাদ সম্পর্কে বলা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়না। শ্লোকটি হল, উলুকঃ পরমো বিপ্র মার্কন্ডেয় মহামুনিঃ।

     আরও কথিত আছে যে কণাদ কঠোর যোগাভ্যাসের ফলে ভগবান শিবের বরপ্রাপ্ত হন। শিব কণাদের তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে উলূকের রূপ ধরে তাঁর সম্মুখে আবির্ভূত হন এবং ছটি পদার্থের উপদেশ দান করেন, বায়ু পুরাণেও কণাদের উল্লেখ পাওয়া যায়। এখানে বলা হচ্ছে যে কণাদ ছিলেন পরম শৈব। আবার কণাদ এই নাম ন্যায়-কন্দলিতেও উল্লেখ রয়েছে। ক্ষেতে পড়ে থাকা শস্য কণা ভক্ষণ করতেন বলেই তাঁকে কণভূক বা কণভক্ষ বলা হত বলে অনেকে মনে করেন। আবার এটাও মনে করা হয় যে কণাদ কাশ্যপ গোত্রীয় ছিলেন বলে তাঁর দর্শনকে কাশ্যপীয় দর্শন বলা হয়। কণাদের দর্শন বৈশেষিক দর্শন নামে পরিচিত।

    হিন্দু পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী কনাদ ছিলেন পদার্থ বিজ্ঞানী (Ancient Indian Scientists)। তিনি বিশেষ নামক একটি সূক্ষ্ম পদার্থ আবিষ্কার করেছিলেন। তাঁর মতে পদার্থ মূলত ১০ প্রকার। এর মধ্যে ছয়টি ভাব পদার্থ এবং বাকি চারটি অভাব পদার্থ। ছয়টি ভাব পদার্থ হল দ্রব্য, গুণ, কর্ম, সামান্য, বিশেষ, সমব্যয়। অভাব পদার্থগুলি হল প্রাগ অভাব, ধ্বংস অভাব, অনন্য অভাব, অত্যন্ত অভাব।পদার্থের পরমাণু সম্পর্কে প্রথম তথ্য ও প্রদান করেছিলেন এই প্রাচীন ভারতীয় দার্শনিক। তাঁর মতে একমাত্র পরমাণু সত্ রূপ নিত্য পদার্থ এবং সমস্ত জড় পদার্থ পরমাণুর সংযোগের ফলে উৎপন্ন হয়েছে।
    ভারতীয় ষড়দর্শনের মধ্যে অন্যতম হলো বৈশেষিক দর্শন। এই দর্শনের প্রবক্তা স্বয়ং ভারতীয় দার্শনিক কণাদ। এই দর্শনে উল্লিখিত পদার্থ তত্ত্বের জ্ঞান প্রাচীনকালে যে কোন ছাত্রদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হতো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • BIS:  ২০২৫ এর মধ্যে সারা দেশে চালু  হবে,  ‘এক দেশ এক চার্জার’

    BIS: ২০২৫ এর মধ্যে সারা দেশে চালু হবে, ‘এক দেশ এক চার্জার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন ফোন বা ল্যাপটপ যাই কিনুন না কেন তার সঙ্গে চার্জার কেনা বাধ্যতামূলক। এক একটি ডিভাইস এক একটি চার্জার দিয়ে চার্জ হয়। ফলে সমস্যা তৈরি হয়। তাই এই সমস্যা এড়ানোর জন্য এবার সারা দেশে চালু হতে চলেছে একই ধরনের চার্জার । একে এক দেশ এক চার্জার নীতি বললে ভুল কিছু হবে না। এই নিয়ম চালু হলে নতুন ডিভাইস কেনার সঙ্গে আলাদা করে আর চার্জার কিনতে হবে না। 

     ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (BIS) এর তরফে একটি স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে স্মার্টফোন, মোবাইল, ট্যাবলেট থেকে অন্যান্য সমস্ত ইলেকট্রনিক গ্যাজেটস যাতে USB টাইপ সি চার্জার দিয়েই চার্জ দেওয়া যায়। এটি সারা দেশে ২০২৫ এর মার্চের মধ্যে চালু হয়ে যাবে। জানা গিয়েছে সমস্ত মোবাইল প্রস্তুতকারক কোম্পানি এই নির্দেশ মানতে রাজি হয়েছে। তারা স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপের জন্য USB টাইপ সি পোর্ট চালু করতে রাজি বলেই জানিয়েছেন রোহিত কুমার সিং, যিনি উপভোক্তা মন্ত্রকের সেক্রেটারি। 

    আরও পড়ুন: নতুন ফিচার আসছে মাইক্রোসফট এক্সেলে, সময় বাঁচবে অনেকটাই

    ইউরোপে ঠিক এমন নীতিই চালু আছে

    এ প্রসঙ্গে বলা দরকার, ইউরোপ ইউনিয়নের মধ্যে থাকা সমস্ত দেশেই এখন USB টাইপ সি পোর্ট বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালেই একটি অর্ডার পাশ করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, সেখানেই বলা হয়েছে যে ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগেই অ্যান্ড্রয়েড এবং IOS এর ক্ষেত্রে কনজিউমার ইলেকট্রনিক প্রোডাক্ট আছে সেই সবগুলোতেই USB টাইপ সি পোর্ট ব্যবহার করতেই হবে। একই সঙ্গে সেই অর্ডারে বলা হয়েছে যে আগামী ২০২৬ এর মধ্যে এই নিয়ম ল্যাপটপের জন্য আনা হবে।

    আরও পড়ুন: ৩১ ডিসেম্বর থেকে এই ফোনগুলোতে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ! আপনারটা নেই তো? দেখুন তালিকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Gaganyaan: গগনযানের মাধ্যমে মহাকাশে মানুষ পাঠাতে চলেছে ইসরো

    Gaganyaan: গগনযানের মাধ্যমে মহাকাশে মানুষ পাঠাতে চলেছে ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম মহাকাশচারী ছিলেন রাকেশ শর্মা। রাকেশ শর্মা মহাকাশ থেকে ভারতবর্ষকে কেমন দেখছেন? এমনটাই প্রশ্ন ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর। প্রশ্নের উত্তরে নিজের মাতৃভূমিকে মহাকাশ থেকে বর্ণনা করেছিলেন রাকেশ শর্মা। আবারও গগনজানের (Gaganyaan)  মাধ্যমে মহাকাশে মানব পাঠাতে চলেছে আমাদের দেশ।

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কী বললেন ?

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং চলতি মাসের পয়লা দিনে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তৃতভাবে বলেন ২০২৩ সালে মহাকাশ গবেষণার বিষয়ে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে।
    এই সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ এর সালে ভারতবর্ষ মহাকাশে পাঠাবে গগনযান যার প্রস্তুতিপর্ব ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ভারতবর্ষের বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণার সাফল্যের দিকগুলিকে তুলে ধরেছেন এবং পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাপেক্ষে মহাকাশ গবেষণায় ভারতবর্ষ যে খুব পিছিয়ে নেই,সেটাও বলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী।
    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর কথায় জানা গেছে যে গগনজানের (Gaganyaan) পরিকল্পনা ২০২২ সালেই সম্পন্ন হত। ২০২২ সালেই হয়তো ভারতবর্ষের কোন মানবকে গগনযানের মাধ্যমে মহাকাশে দেখা যেত কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে সবকিছুই বদলে যায়।
    সূত্রমতে গগনজানের (Gaganyaan) ক্ষেত্রে দুটি প্রস্তুতি পর্ব নেওয়া হবে। তার কারণ গগনযান (Gaganyaan) ভারতের মাটি থেকে যেমন মহাকাশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে তেমনি মহাকাশ থেকে সুষ্ঠুভাবে ফিরে আসবে। প্রথম দুটি পরীক্ষামূলক উড়ানে কোনও মানুষ পাঠানো হবে না, রোবট পাঠানো হবে। তৃতীয় বারে মানুষ পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। তবে তৃতীয়বারে মানুষ তখনই পাঠানো হবে যদি প্রথম দুটি প্রস্তুতি পর্ব সফলভাবে সংঘটিত হয়।

    জানা গেছে এই গগনজান (Gaganyaan) তিনজন মানুষকে মহাকাশে নিয়ে যেতে সক্ষম। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ৪০০ কিলোমিটার উপরে এই গগনযান তিন দিন ধরে অবস্থান করবে মহাকাশে, তারপরে আবার তা পুনরায় পৃথিবী পৃষ্ঠে ফিরে আসবে।

    গগনযানে (Gaganyaan) চড়ে যাঁরা মহাকাশে যাবেন সেই সমস্ত মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বেঙ্গালুরুতে। ক্লাসরুম ট্রেনিং, ফিটনেস ট্রেনিং, এবং মহাকাশে থাকার বিভিন্ন রকমের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share