Blog

  • Calcutta High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) জারি হওয়া ১৪৪ ধারা বাতিল করার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। পরিস্থিতি ভালোভাবে টেক কেয়ার করতে হবে বলে পুলিশকে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। এলাকায় আরও বেশি সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করতে হবে বলেও নির্দেশ আদালতের।

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, উত্তেজনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এ ক্ষেত্রে পুরো এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তাই ১৪৪ ধারা খারিজ করা হল। বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, যেহেতু ১৪৪ ধারা খারিজ করা হয়েছে, তাই শুভেন্দুর দায়ের করা মামলাটির আর গ্রহণযোগ্যতা আর নেই। এখন শুভেন্দু সেখানে যেতে পারেন। প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যেতে গিয়ে সোমবার বাধার সম্মুখীন হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর পরেই হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের করেন মামলা। ১৪৪ ধারা খারিজ হয়ে যাওয়ায় সেই মামলারও নিষ্পত্তি হয়ে গেল।

    কী বললেন বিচারপতি?

    মঙ্গলবার বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, “একটা-দুটো এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হলে বুঝতাম। আপনারা তো গোটা সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করে দিয়েছেন। এভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায় নাকি? এর পরে তো কোনও দিন গোটা কলকাতায় ১৪৪ ধারা জারি করে দেবেন।” বিচারপতি বলেন, “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ওঠা অভিযোগ গুরুতর। সেখানে জনজাতিভুক্ত মানুষের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। মেয়েদের সম্ভ্রম লুট করার অভিযোগ রয়েছে।” এর পরেই ১৪৪ ধারা জারির প্রশাসনিক নির্দেশকে বাতিল ঘোষণা করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, “কেন সেখানে (সন্দেশখালিতে) সর্বত্র ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, তা রাজ্যের ব্যাখ্যা থেকে স্পষ্ট নয়। বিস্তীর্ণ এলাকায় এভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায় না।”

    আরও পড়ুুন: সুকান্তর এসপি অফিস অভিযান ঘিরে অগ্নিগর্ভ বসিরহাট, লাঠিচার্জ-কাঁদানে গ্যাস

    মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা ব্যতিক্রমী। ৩-৪ বছর ধরে অত্যাচারের ঘটনা ঘটছে। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। দিন মজুরদের কাজ করিয়ে টাকা দেওয়া হয়নি। রাতে মহিলাদের ডেকে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা হয়েছে।” পুলিশ পদক্ষেপ করলেই পরিস্থিতি শান্ত হবে বলে দাবি তাঁর। রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি সেনগুপ্তের পর্যবেক্ষণ, গত তিন বছর ধরে পুলিশ কোনও অভিযোগ নেয়নি বলে দাবি। এলাকার মহিলারা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। এত অভিযোগের পরেও আদালত (Calcutta High Court) চোখ বন্ধ করে থাকতে পারে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: সন্দেশখালিকাণ্ডে বহরমপুরেও নির্বিচারে লাঠিচার্জ পুলিশের, কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্র এলাকা

    Murshidabad: সন্দেশখালিকাণ্ডে বহরমপুরেও নির্বিচারে লাঠিচার্জ পুলিশের, কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্র এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর এবার মুর্শিদাবাদেও (Murshidabad) বাম কর্মী-সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়েছে। উল্লেখ্য, আজ বহরমপুরে পুলিশের বিরুদ্ধে আইন অমান্য আন্দোলন ছিল। রাজ্য জুড়ে নারী নির্যাতন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই আন্দলেনের ডাক দিয়েছিল বামেরা। এরপর বামকর্মীরা পুলিশের উপর ইট ছুড়লে খণ্ডযুদ্ধ বাধে। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকদের উপর ব্যাপক লাঠচার্জ করে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত ওঠে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন এক ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, তিনি পোস্ট অফিসে কাজ করতে গিয়েছিলেন। পুলিশের মারে গুরুতর আহত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে রাস্তায় পড়েছিলেন। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    দাবি কী ছিল (Murshidabad)?

    শ্রমিক কৃষক খেতমজুরদের পক্ষ থেকে আজ ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জেলাশাসকের (Murshidabad) দপ্তর অভিযান করা হয়। আইন অমান্য ও জেলভরো আন্দোলনে সামিল হন সিপিএমের সমস্ত সহযোগী দলগুলি। বহরমপুরের পঞ্চাননতলা থেকে মিছিল শুরু হয়ে টেক্সটাইল মোড়ে এসে শেষ হয়। প্রথমে বাধা দেয় বহরমপুর পুলিশ প্রশাসন। এরপর পুরো এলাকাকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। মিছিল রুখতেই রীতিমতো শুরু হয় সিপিএম সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি। লাঠিচার্জ করে পুলিশ, তাতে অনেকে আঘাতপ্রাপ্ত হয় বলে জানা গিয়েছে। ছোড়া হয়ে টিআর গ্যাস, মিছিল বাঞ্চাল করাই উদ্দেশ্যে ছিল।

    পূর্ব বর্ধমানে বিক্ষোভ

    সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে, প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সরকারকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ, বিদুৎ বিল, স্মার্টমিটার বাতিল, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি বেসরকারিকরণ বন্ধ করা সহ বিভিন্ন দাবিতে আইন অমান্য কর্মসূচি হল বর্ধমানে। পূর্ব বর্ধমান জেলা সি.আই.টি.ইউর আহ্বানে আইন অমান্যের কর্মসূচীর জন্য জিটি রোডে বেশ কয়েকটি ব্যারিকেড গড়ে তোলে পুলিশ প্রশাসন। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো বর্ধমানেও শ্রমিক সংগঠনের আইন অমান্যের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ সঙ্গে একপ্রস্ত ধস্তাধস্তি চলে আন্দোলনকারীদের। তারপর বাদামতলার মোড়ে ব্যারিকেডে আটকে পড়ে আন্দোলনকারীরা।সেখানেই পথসভা করা হয় সিটুর পক্ষ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jayant Chaudhary: এনডিএতেই যোগ দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় লোক দল, ঘোষণা জয়ন্তর

    Jayant Chaudhary: এনডিএতেই যোগ দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় লোক দল, ঘোষণা জয়ন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএতে যোগ দিতে চলেছে রাষ্ট্রীয় লোক দল (Jayant Chaudhary)। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রীয় লোক দল সুপ্রিমো জয়ন্ত চৌধুরী। জয়ন্তর দল যে বিজেপি শিবিরে ভিড়তে চলেছে, সে খবর আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম। সে খবর যে নিছক গল্পকথা নয়, তার প্রমাণ মিলল সোমবার, যেদিন জয়ন্ত ঘোষণা করলেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ঢুকছে তাঁর দল।

    এনডিএতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত

    জয়ন্ত বলেন, “আমার দলের সব বিধায়ক ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে বড় কোনও বড় পরিকল্পনাও ছিল না। অনেক আগেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম। কিন্তু পরিস্থিতি বুঝে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দ্রুত।” তিনি বলেন, “আমরা দেশের ভালোর জন্য, মানুষের জন্য কিছু করতে চাই।” দিন কয়েক আগে জয়ন্ত চৌধুরীর (Jayant Chaudhary) দাদু চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। সে প্রসঙ্গ টেনে জয়ন্ত বলেন, “তার পরেই আমি কথা বলি দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে। কথা বলেছি, দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও। তার পরেই এনডিএ শামিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

    ইন্ডিতে ফাটল

    জয়ন্তর দল বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’তে ছিল। পরে জোটের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করে রাষ্ট্রীয় লোক দল। শেষমেশ ছিন্ন হল বন্ধন। জয়ন্ত ঘোষণা করলেন এডিএতে যোগ দিচ্ছে তাঁর দল। জয়ন্ত (Jayant Chaudhary) বলেন, “দেশ এবং দেশবাসীর জন্য ভালো কিছু করতে চাই আমরা। যখন ভারতরত্ন দেওয়া হল, তখন আমরা খুব খুশি হলাম। এই সম্মান কেবল আমার পরিবার কিংবা পার্টির মধ্যেই সীমাবন্ধ নয়। এই সম্মান প্রতিটি কৃষকের, তরুণের এবং দরিদ্রের।” প্রধানমন্ত্রী যখন চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন, তখন এক্স হ্যান্ডেলে জয়ন্ত লিখেছিলেন, “আপনি আমাদের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায়…’’, আরব সফরে যাওয়ার আগে বার্তা মোদির

    ঘনিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন। ঘর ভাঙছে ‘ইন্ডি’ জোটের। একের পর এক দল ভিড়ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরে। প্রত্যাশিতভাবেই আড়ে-বহরে বাড়ছে এনডিএ। আর ভাঙনের জেরে ক্রমেই শীর্ণকায় হচ্ছে বিরোধীদের সাধের ‘ইন্ডি’ জোট।

    লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত জোট টিকলে হয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

      

       

  • PM Modi UAE Visit: ‘‘ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায়…’’, আরব সফরে যাওয়ার আগে বার্তা মোদির

    PM Modi UAE Visit: ‘‘ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায়…’’, আরব সফরে যাওয়ার আগে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নিহানকে ভাই বলে সম্মোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi UAE Visit)। দু-দিনের আরব সফরে যাওয়ার আগে মঙ্গলবার সোশ্যাল সাইটে আবেগঘন পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উদ্দেশে নয়াদিল্লি থেকে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নিহান-সহ সেদেশের পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন মোদি।

    মোদির ট্যুইট বার্তা

    দু-দিনের এই সফরে রওনা হওয়ার আগে সোশ্যাল সাইটে মোদি লেখেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছি।’ ২০১৫ সাল থেকে এই নিয়ে সপ্তম বার এবং গত আট মাসে তৃতীয়বার আমিরশাহি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পিএমও সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত আমিরশাহির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কয়েক দফায় বৈঠক করবেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে শক্তি, ডিজিটাল পরিকাঠামো, বন্দর, রেলওয়ের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এরপর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ আবু ধাবির জায়জ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে প্রবাসী ভারতীয়দের ‘আহলান মোদি’ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদিকে স্বাগত জানাতে অনুষ্ঠান

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাতে এবং অভ্যর্থনা দিতেই ‘আহলান মোদি’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ৬৫ হাজারের বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাঁদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: বৈদিক নকশা নজরকাড়া! আবু ধাবির সর্ববৃহৎ হিন্দু মন্দিরে মৈত্রীর বার্তা

    মোদির ভাষণের পাশাপাশি নাচ-গানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে এবং ৭০০ শিল্পী সেসব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সকালে আমিরশাহিতে প্রথম হিন্দু মন্দিরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mount Everest: আর যত্রতত্র ত্যাগ নয়, মলের ব্যাগ বহন করতে হবে এভারেস্ট অভিযাত্রীদের

    Mount Everest: আর যত্রতত্র ত্যাগ নয়, মলের ব্যাগ বহন করতে হবে এভারেস্ট অভিযাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এভারেস্ট (Mount Everest) অভিযাত্রীদের জন্য নতুন নিয়ম আনছে নেপালের স্থানীয় প্রশাসন। পিঠে মলের ব্যাগ বহন করেই শৃঙ্গজয় করতে হবে আরোহীদের। অভিযানে যাওয়ার আগে বেসক্যাম্প থেকেই নিজেদের মল-মূত্রের ব্যাগ সংগ্রহ করে নিতে হবে। যাত্রাপথে নিজেদের মল-মূত্র সহ যাবতীয় বর্জ্য জমা রাখতে হবে ওই ব্যাগেই। পাহাড়ের প্রকৃতিক পরিবেশ যাতে নষ্ট বা দূষণ না হয় সেই জন্যই এই নিয়মের কথা বলা হয়েছে।

    পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভার সিদ্ধান্ত (Mount Everest)

    প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এভারেস্ট পর্বতে (Mount Everest) আরোহণ করার অভিসন্ধি অনেক আরোহীদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। দুর্গম শৃঙ্গজয়ের লক্ষ্যে ছুটে যান দেশ-বিদেশের নানা আরোহীরা। বহু পর্বত আরোহীদের আনাগোনার কারণে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট বা দূষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছিল। আর তাই এভারেস্ট এবং লোৎসে পর্বত অভিযানের সময় বর্জ্য-পদার্থ ব্যাগেই বহন করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। পরিবেশকে সুস্থ্য রাখতে এই নিয়মের কথা জানিয়েছে পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভা। আবার এসপিসিসি-এর প্রধান কর্মী ছিরিং শেরপা বলেছেন, “একজন পর্বতারোহী প্রতিদিন প্রায় ২৫০ গ্রাম মলমূত্র ত্যাগ করেন। একজন পর্বতারোহী প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চূড়ায় ওঠার চেষ্টা করেন। সেই হিসাবে আমরা দুটি ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছি, যার প্রতিটিকে পাঁচ থেকে ছয় বার ব্যবহার করা যাবে।“

    কী জানালো পুরসভার চিয়ারম্যন

    দিন দিন পাহাড়ের (Mount Everest) পরিবেশ মল-মূত্র এবং নানান বর্জ্য পদার্থের কারণের দুষণের মাত্রা ব্যাপক আকার নিয়েছে। এই বিষয়ে তাই প্রতিরোধ করতে পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভার চেয়ারম্যান মিঙ্গমা শেরপা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “পাহাড়ের গায়ে প্রচুর বর্জ্য পদার্থ পড়ে থাকার অভিযোগ মিলেছে। পর্বতারোহীরা ইতিমধ্যে প্রচুর পরিমাণে অভিযোগ জানিয়েছেন। ফলে পাহাড়ের জনস্বাস্থ্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা মাথায় রেখে আরোহীদের বর্জ্যপদার্থ জমা করার ব্যাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এবার থেকে অভিযান শুরুর আগে বেসক্যাম্প থেকেই এই ব্যাগ সংগ্রহ করতে হবে। একই ভাবে অভিযান শেষ করে বেস ক্যাম্পে এসেই সেই ব্যাগ জমা করতে হবে। ব্যাগকে পুরসভা থেকে নিরীক্ষণ করা হবে।”

    কীভাবে পাহাড়ে দূষণ হয়

    পর্বতারোহীরা (Mount Everest)  প্রথমে পাহাড়ের আবহাওয়া এবং উচ্চতা অনুসারে তাপমাত্রার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে কিছু দিন বেসক্যাম্প থাকেন। সেই সময় তাঁবু খাটিয়ে আলাদা করে শৌচক্রিয়া করতে হয়। এই সময় সঙ্গে থাকে ব্যারেল, তাতেই বর্জ্য জমা হয়। কিন্তু পাহাড়ে ওঠার সময় বেস ক্যাম্পে ফিরে শৌচক্রিয়া সম্ভব নয়, ফলে অপেক্ষাকৃত কম বরফে গর্ত করে করতে হয় প্রাকৃতিক কাজ। কিন্তু তাপমাত্রা কারণে সেই বর্জ্য মাটিতে মিশতে পারে না। বরফ এবং গলা জলের সঙ্গে চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। ফলে দূষণ বাড়ে। এই দূষণ থেকে রক্ষা পেতে পুরসভা দিতে চলেছে ব্যাগ।  

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Haldwani Violence: হলদোয়ানি হিংসার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মালিককে ২.৪৪ কোটি টাকার জরিমানা

    Haldwani Violence: হলদোয়ানি হিংসার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মালিককে ২.৪৪ কোটি টাকার জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলদোয়ানি পুরসভার (Haldwani Violence) তরফ থেকে যে অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙা হয় তা চালাতেন আব্দুল মালিক নামের একজন। সেদিন যে উত্তেজিত জনতা প্রশাসনের আধিকারিকদের উপর পাথর ছুড়ে বিক্ষোভ দেখায়, সেই ভিড়ের নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি। এ কথা জানিয়েছেন নৈনিতালের সিনিয়র পুলিশ অফিসার প্রহ্লাদ নারায়ণ। রবিবারই আবদুল মালিককে গ্রেফতার করা হয় দিল্লি থেকে। এবং তাঁকে দেরাদুনে নিয়ে আসা হয়। সোমবারই তাঁকে পুরসভার তরফ থেকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়। জনগণের সম্পত্তি ভাঙচুর (Haldwani Violence) এবং নষ্ট করার জন্য তাঁকে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার জরিমানা করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। জানা গিয়েছে, ১৫টি গাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য জরিমানা করা হয়েছে ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং জনগণের সম্পত্তি নষ্ট করার জন্য ফাইন করা হয়েছে বাকি ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

    মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মালিকের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল দাঙ্গাকারীরা

    হলদোয়ানির বাসিন্দা ওই আবদুল মালিক (Haldwani Violence) গত বছর রেলের জমি দখল ঘিরে একটি মামলায় অভিযুক্তদের বিনামূল্য আইনি সহায়তা দিয়েছিলেন। এর ফলে, সেখানকার মুসলিমদের জনগোষ্ঠীর একাংশের মনে তাঁর জন্য আলাদা সহানুভূতি তৈরি হয়। সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে নিজে সরকারি জমি দখল করে বেআইনি মাদ্রাসা গড়ে তোলেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশ মতো তা পুরসভা ভাঙতে এলে সেখানকার বাসিন্দারা তাঁর সঙ্গে প্রতিরোধে সামিল হয় এবং পাথর ছুড়তে থাকে। এবিষয়ে উত্তরাখণ্ডের হাইকোর্টের একটা আইনজীবী আহরার বৈগো সংবাদমাধ্যমকে বলেন যে আব্দুল মালিক জনগণের কাছ থেকে অনেকটাই সহানুভূতি পেয়েছেন। কারণ তিনি বিনামূল্যে আইনি পরিষেবা দিয়েছেন (Haldwani Violence) বিভিন্ন মানুষকে।

    অবৈধ মাদ্রাসার স্থানে নির্মাণ হবে পুলিশ স্টেশন

    উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানিতে যে স্থানে অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে গোষ্ঠী সংঘর্ষ ছড়ায়, সেই স্থানে পুলিশ স্টেশন নির্মাণের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। এদিন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘একটি পুলিশ স্টেশন নির্মাণ করা হবে বনভুলাপুরার সেই স্থানে যেখানে অবৈধ নির্মাণকে সরানো হয়েছে।’’ পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর আরও ঘোষণা, ‘‘এটা সেই দাঙ্গাকারীদের উদ্দেশে বার্তা দেওয়া হবে যারা দেবভূমির শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিনষ্ট করতে চেয়েছিল। আমাদের সরকারের তরফ থেকে এই বার্তা খুবই স্পষ্ট। যারা এই ধরনের কাজে জড়িত রয়েছে এবং শান্তি ভঙ্গের চেষ্টা করছে, সারা দেবভূমিকে অশান্ত করতে চাইছে। তাদের কোনও জায়গা নেই উত্তরাখণ্ডে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: শহরের আকাশ মেঘলা, সরস্বতী পুজোয় ‘কাঁটা’ বৃষ্টি! কী বলছে আলিপুর?

    Weather Update: শহরের আকাশ মেঘলা, সরস্বতী পুজোয় ‘কাঁটা’ বৃষ্টি! কী বলছে আলিপুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টির ভ্রূকুটি (Weather Update)। বৃষ্টি হতে চলেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের (South Bangal) অধিকাংশ জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে যা থেকে প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প এগিয়ে আসছে পশ্চিমবঙ্গের দিকে। তার ফলেই মঙ্গলবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা। আগামী কয়েকদিন কলকাতার (Kolkata) তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে।

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি

    মঙ্গলবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের বেশ কয়েকটি অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বুধ এবং বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, হাওড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকছে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বেশ কয়েকটি জেলায়। 

    আরও পড়ুন: বৈদিক নকশা নজরকাড়া! আবু ধাবির সর্ববৃহৎ হিন্দু মন্দিরে মৈত্রীর বার্তা

    বাড়বে তাপমাত্রা

    হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বৃষ্টির পর বিদায় নিতে পারে শীত। পারদ পতনের আর সম্ভাবনা নেই। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় এক ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকতে পারে। আগামী সপ্তাহে তা ৩০ ডিগ্রির ঘরে চলে যাবে ৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Farmers Delhi Chalo Protest: ফের পথে কৃষকরা, দুর্ভেদ্য ঘাঁটিতে পরিণত দিল্লি

    Farmers Delhi Chalo Protest: ফের পথে কৃষকরা, দুর্ভেদ্য ঘাঁটিতে পরিণত দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের পর ফের ২০২৪। আবারও পথে নেমেছেন কৃষকরা। ডাক দিয়েছেন দিল্লি চলো অভিযানের (Farmers Delhi Chalo Protest)। চার বছর আগে কৃষকরা পথে নেমেছিলেন তিন কৃষি আইন বাতিল ও কৃষির ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের দাবিতে। এবার তাঁদের আন্দোলনের প্রস্তুতি লখিমপুর খেড়িতে কৃষক খুনের তদন্ত সহ একগুচ্ছ দাবিতে।

    কৃষকদের দাবি

    বিদ্যুৎ আইন, কৃষিঋণ মকুব, লখিমপুর খেড়িতে কৃষক হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির শাস্তিরও দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা। মৃত কৃষকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতেও সোচ্চার হয়েছেন তাঁরা। ২০২০ সালে আন্দোলনের সময় বেশ কয়েকজন কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই সব মামলা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিলেও, তা করা হয়নি বলে অভিযোগ। সেই মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানানো (Farmers Delhi Chalo Protest) হয়েছে।

    অশান্তির আশঙ্কায় কড়া প্রহরা

    এদিকে, কৃষক বিক্ষোভের জেরে অশান্তির আশঙ্কায় বিভিন্ন জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি সীমানায় ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া প্রহরার। জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে জারি হওয়া ১৪৪ ধারা চলবে ১২ মার্চ পর্যন্ত। দিল্লি পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় অরোরা বলেন, “একমাস ধরে রাজধানীতে জারি থাকবে ১৪৪ ধারা। নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে যে কোনও বড় জমায়েতে। ট্রাক্টর নিয়েও প্রবেশ করা যাবে না দিল্লিতে। ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করলেই করা হবে গ্রেফতার।”

    আরও পড়ুুন: উত্তরাখণ্ডের পর এবার অসম, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ হচ্ছে বিধানসভায়

    কৃষকদের আন্দোলন থেকে বিরত করতে চেষ্টার কম কসুর করেনি সরকার। সোমবার মধ্যরাতে চণ্ডীগড়ে কৃষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা ও কেন্দ্রীয় ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রী পীযূষ গয়াল। তার পরেও আন্দোলনে অনড় কৃষকরা। মঙ্গলবার সাত সকালে পঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে দুশোটিরও বেশি কৃষক সংগঠন রওনা দেয় দিল্লির উদ্দেশে। অন্তত ২০ হাজার কৃষক শামিল হয়েছেন এই অভিযানে।

    আন্দোলনকারীরা যাতে দিল্লিতে ঢুকতে না পারেন, তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে পুলিশের তরফে। গাজিপুর, সিংগু, টিকরি সহ পুরো সীমানা রূপান্তরিত করা হয়েছে সেনানিবাসে। গাজিপুর সীমানায় যানবাহন চলছে শ্লথ গতিতে। কুরুক্ষেত্র, আম্বালা, কাইথাল, জিন্দ, হিসার, ফতেহাবাদ ও সিরসায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার পর্যন্ত (Farmers Delhi Chalo Protest)। এদিকে, পঞ্জাব ও হরিয়ানার মধ্যবর্তী সীমানায় কৃষকদের গতি রুদ্ধ করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। পুলিশ ও প্রতিবাদী কৃষকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়। 

       

  • ED Raid in Kolkata: ফিরল বড়ঞার ছবি! ইডি আসতেই পাশের বাড়িতে ফোন ছুড়লেন ব্যবসায়ী

    ED Raid in Kolkata: ফিরল বড়ঞার ছবি! ইডি আসতেই পাশের বাড়িতে ফোন ছুড়লেন ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলার মঙ্গলবার ফের একবার তল্লাশি অভিযানে নামে ইডি (ED Raid in Kolkata)। সকালে সল্টলেক-সহ ছয় জায়গায় হানা দেয় ইডি। এদিনের তল্লাশিতে ফিরে এল বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার ক্রিয়াকলাপের প্রতিচ্ছবি। গত বছরে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা হানা দেয়। সে সময়ই নিজের মোবাইল ফোনটি পুকুরে ফেলে দেন বিধায়ক। তা উদ্ধার করতে কালঘাম ছোটে তদন্তকারীদের। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা আসছেন এ খবর পেয়েই নিজের দু’টি মোবাইল পাশের বাড়ির ছাদে ছুড়ে দেন কৈখালির জনৈক ব্যবসায়ী। পরে পাশের বাড়ি থেকে সেই মোবাইল দু’টি উদ্ধার করেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ ছিল কি ফোনে?

    কৈখালির ওই ব্যবসায়ী ফোন ছুড়ে ফেলে দেওয়াতে, তদন্তকারী আধিকারিকরা মনে করছেন, দু’টি ফোনে ‘আর্থিক দুর্নীতি’ সংক্রান্ত অনেক তথ্য লুকিয়ে থাকতে পারে। আর সেই কারণেই তড়িঘড়ি প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়। আপাতত ফোন দু’টি বাজেয়াপ্ত করে সেই ফোনের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাত সকালেই ফের সক্রিয় ইডি। মঙ্গলবার সকাল ৭টা নাগাদ তদন্তকারীরা পৌঁছে যান সল্টলেকের আইবি ব্লকের একটি বাড়িতে। এছাড়াও বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে ইডি আধিকারিকেরা নিউ আলিপুর, পার্ক স্ট্রিট, রাসেল স্ট্রিট, বাগুইহাটি, কৈখালি এলাকার আরও পাঁচটি জায়গায় হানা (ED Raid in Kolkata) দিয়েছেন জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও।

    এক বিশ্বজিৎ দাসকে খুঁজছে ইডি, কে তিনি?

    সূত্রের খবর, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ সল্টলেকে আইবি ব্লকে যেখানে হানা দেয় ইডি-র (ED Raid in Kolkata) দল, তা বিশ্বজিৎ দাস নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি। জানা গিয়েছে, সেই সময় বিশ্বজিৎ বাড়িতে ছিলেন না। ‘সার্চ ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢোকেন ইডি আধিকারিকেরা। বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। খবর পেয়ে পৌঁছে যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এদিন বিশ্বজিতের দুটো ফ্ল্যাটে তল্লাশি চলে। তাঁর আমদানি রফতানির ব্যবসা আছে। পাশাপশি ফরেন মানি এক্সচেঞ্জেরও ব্যবসা আছে বলে জানা গিয়েছে। ইডি-র দাবি, এই বিশ্বজিৎ রেশনকাণ্ডে ধৃত শঙ্কর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ। এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে রেশনকাণ্ডের মাধ্যমে টাকা নয়-ছয় হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: উত্তরাখণ্ডের পর এবার অসম, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ হচ্ছে বিধানসভায়

    UCC: উত্তরাখণ্ডের পর এবার অসম, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ হচ্ছে বিধানসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগীরথ হয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। এবার তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চলেছে অসমের বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, রাজ্যে যে বাজেট অধিবেশন হবে, তখনই পেশ করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)। উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পাশ হয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। পাশ হয়েছে অসম মন্ত্রিসভায়ও। এবার সেটি পেশ করা হবে বিধানসভায় অনুমোদনের জন্য।

    মন্ত্রিসভায় পাশ

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, বহুবিবাহ বিল ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি দুটি বিলই পাশ হয়েছে মন্ত্রিসভায়। এবার এই দুটি বিলকে আইনে পরিণত করতে বিধানসভায় পাশ করানো হবে। বিলটি আইনে পরিণত হলে বহু বিবাহকারী ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লঙ্ঘনকারীকে সিভিল অফেন্স হিসেবে গণ্য করা হবে। হিমন্ত বলেন, “দেশের প্রয়োজন একটিই নীতি। তাই আমরা বিধানসভা বহু বিবাহ ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ করাব। বহু বিবাহ বিল ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধির মধ্যে ঐক্যসাধন করতে অসম সরকার একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। বিশেষজ্ঞ কমিটি বিল দুটি চূড়ান্ত করলে, চলতি বাজেট অধিবেশনেই তা পেশ করা হবে। তা না হলে এই বিল দুটি পেশ করা হবে পরবর্তী অধিবেশনে।”

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) পক্ষে সওয়াল করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। তিনি বলেছিলেন, “সব মুসলমান মহিলাদের ন্যায় বিচার দেওয়ার জন্য এই আইন প্রবর্তন করা প্রয়োজন। কারণ প্রতিটি মুসলিম মহিলা চান অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হোক। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আমার কোনও ইস্যু নয়, এটা মুসলমান মহিলাদের চাহিদা। কারণ কোনও মুসলমান মহিলাই চাইবেন না যে তাঁর স্বামী ঘরে আরও তিনটি স্ত্রী নিয়ে আসুক।” তিনি বলেন, ‘যদি তাঁদের ন্যায় বিচার দিতে হয়, তাহলে তিন তালাক বাতিল করার পরে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দিরের উদ্বোধনে মৈত্রীর বার্তা, দ্বারোদঘাটন করবেন মোদি

    বহু বিবাহ ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ করার আগেই অসমের মন্ত্রিসভায় পাশ হয়েছে আরও একটি বিল। এটি হল, ম্যাজিক্যাল হিলিং প্র্যাকটিসেস। এই পদ্ধতিতে রোগ সারানোর নামে খ্রিস্টান মিশনারিরা ধর্মান্তরিত করেন বলে অভিযোগ (UCC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share