Blog

  • Weather Update: সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টির শঙ্কা! শীতের বিদায় লগ্নে ভিজবে কোন কোন জেলা?

    Weather Update: সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টির শঙ্কা! শীতের বিদায় লগ্নে ভিজবে কোন কোন জেলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের বিদায়বেলাতেও ফের একবার বৃষ্টির ভ্রুকুটি। সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই শহরে মেঘলা আকাশ। তাপমাত্রাও বেড়েছে বেশ খানিকটা। ইতিমধ্যেই হাওয়া বদলের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কমবে উত্তর-পশ্চিমের শীতল হওয়ার প্রভাব। বাড়বে দখিনা বাতাস ও পূবের বাতাসের দাপট। শীতের আমেজ কমে বাড়বে উষ্ণতা। বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে ৩-৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান।

    বৃষ্টির পূর্বাভাস

    শীতের গোটা মরশুমেই দফায় দফায় বৃষ্টির (Rainfall) মুখ দেখেছে বাংলা। শহর কলকাতার (Kolkata) পাশাপাশি বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী বুধবারের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে চার ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। আগামী মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়। মঙ্গলবার ও বুধবার সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja) এবং ভ্যালেন্টাইন্স ডে (Valentines Day)-র দিনে হালকা বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুুন: “লোকসভা ভোটে বিজেপি ছাড়াবে ৩৭০ আসন”, মধ্যপ্রদেশে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    শীত বিদায়

    গত সপ্তাহে শীতের শেষ স্পেল ভালোই অনুভব করেছে বঙ্গবাসী। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সোমবার থেকে ধীরে ধীরে বিদায় নেবে শীত। চড়বে তাপমাত্রার পারদ। কলকাতায় আপাতত সোমবার সকাল-সন্ধে শীতের হালকা আমেজ থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। আংশিক মেঘলা আকাশ। বুধবার সরস্বতী পুজো ও ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিন ও পরের দিন বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। গতকাল, রবিবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে যা ২ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৩০ থেকে ৯৪ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা শহরে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও ধীরে ধীরে পারদ চড়বে। শহর কলকাতার পারদও চড়ছে। উত্তরবঙ্গে এখনও রয়েছে শীতের আমেজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মুসলিমদের ভয়ের কিছু নেই”, বললেন আরএসএস নেতা

    UCC: “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মুসলিমদের ভয়ের কিছু নেই”, বললেন আরএসএস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তা ভোট কুড়োতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) ‘জুজু’ দেখিয়ে চলেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। তবে তার যে কোনও সারবত্তা নেই, তা সাফ জানিয়ে দিল আরএসএস। ভারতে বসবাসকারী সংখ্যালঘু মুসলমানদের এ বিষয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছেন আরএসএসের প্রবীণ নেতা ইন্দ্রেশ কুমার।

    ইন্দ্রেশের অভয়-বার্তা

    রবিরার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনও ধর্মের মানুষের প্রতিই হুমকি নয়। মুসলমানদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে কিছু নেতা তাঁদের এ ব্যাপারে ভুল বোঝাচ্ছেন। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে ইসলাম এবং মুসলমানদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।” আরএসএসের প্রবীণ এই নেতা বলেন, “ভারতীয় সংবিধান এবং সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বত্র শাসন করে চলেছে। দেশের প্রতিটি রাজ্যেই বৈচিত্র্য রয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তৈরি হওয়া উচিত সেই রাজ্যের মতো করে। এ ব্যাপারে এখনও কোনও কেন্দ্রীয় আইন তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

    ভয় দেখাচ্ছেন কিছু নেতা!

    তিনি বলেন, “এটা মনে রাখতে হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনও ধর্ম, বর্ণ এবং ভাষার প্রতি হুমকি স্বরূপ নয়। তাই এটি কারও মনে ভয়ের সঞ্চার করতে পারে না। আমাদের দেশের কিছু নেতা এ বিষয়ে মুসলমানদের মনে ভয়ের সঞ্চার করছে। প্রশ্ন হল, তাহলে অন্য সম্প্রদায়ের কী হবে? মুসলমানদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে তাঁদের ভুল বোঝাচ্ছেন ওই নেতারা। এ থেকে ইসলামের ভয়ের কিছু নেই।” ইন্দ্রেশ বলেন, “আমি সমস্ত মুসলমানদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়াবে, তাঁদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে।”

    আরও পড়ুুন: মুক্তি পেলেন কাতারের জেলে বন্দি ৮ ভারতীয়, দেশে ফিরে কি বললেন জানেন?

    উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানির হিংসা প্রসঙ্গে আরএসএসের এই প্রবীণ নেতা বলেন, “যাঁরা বলছেন অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) সঙ্গে হলদোয়ানির হিংসার যোগ রয়েছে, তাঁরা মিথ্যে বলছেন। এটি একটি আলাদা ষড়যন্ত্র। দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের ঐক্য, সৌভ্রাতৃত্ব এবং অগ্রগতির জয়যাত্রা স্তব্ধ করতেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।”

    রাম মন্দির প্রসঙ্গও উঠে এসেছে ইন্দ্রেশের ভাষণে। তিনি বলেন, “২২ জানুয়ারির পর অখিলেশ যাদব অযোধ্যা দর্শনে যাবেন বলেছিলেন। কংগ্রেস বলেছে পরে যাবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তিনি কালীর ভক্ত। একটি রাম মন্দির গড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। তাই বলি কী, ভক্তির মধ্যে কোনও ঘৃণার (UCC) বাতাবরণ তৈরি করা উচিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Qatar: চরবৃত্তির অভিযোগে কাতারে ধৃতদের মুক্তি, ঠিক কী ঘটেছিল গত ১৮ মাসে?

    Qatar: চরবৃত্তির অভিযোগে কাতারে ধৃতদের মুক্তি, ঠিক কী ঘটেছিল গত ১৮ মাসে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল ভারতীয় নৌবাহিনীর আট প্রাক্তন কর্মীকে। দীর্ঘ ১৮ মাস কাতারের (Qatar) জেলে বন্দি ছিলেন তাঁরা। শেষমেশ মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার কাকভোরে পা রেখেছেন ভারতভূমে। দেশে ফিরে তাঁরা যেমন ভারত মাতা কী জয় স্লোগান দিচ্ছেন, তেমনি উদাত্ত কণ্ঠে গাইছেন মোদি প্রশস্তিও।

    চরবৃত্তির অভিযোগ

    নৌবাহিনীর এই প্রাক্তন সদস্যরা কাজ করছিলেন আল ধারা নামের এক বেসরকারি সংস্থায়। চরবৃত্তির অভিযোগে ২০২২ সালের অগাস্টে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। ২০২২ সালের অক্টোবরে বন্দি করা হয় কাতারের কারাগারে। গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগ আনা হয় তাঁদের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। কাতারের (Qatar) আইনে শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। ওই বছরেরই মে মাসে আল ধারা গ্লোবাল দোহায় তাদের অপারেশন বন্ধ করে দেয়। এই অপারেশনে যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, যাঁদের সিংহভাগই ভারতীয়, তাঁরা দেশে ফেরেন।

    মৃত্যুদণ্ড

    ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ধৃত আট ভারতীয়কে মৃত্যুদণ্ড দেয় কাতারের আদালত। সে দেশের এই রায়কে দুঃখজনক বলে অভিহিত করে ভারত সরকার। এই রায়ের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত বৈধ অপশনগুলি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ৯ নভেম্বর মাসে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে ভারত। সেই আপিল গ্রহণও করে কাতারের উচ্চ আদালত। ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার আপিলের কথা জানায়। সরকারের তরফে এও জানানো হয় সদর্থক কিছু ঘটতে চলেছে।

    বিদেশমন্ত্রকের তৎকালীন মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, “কাতার সরকারের সঙ্গে এ ব্যাপারে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত ৮ ভারতীয়কে মুক্ত করতে যা যা করা প্রয়োজন, সরকার তা করবে।” ২৩ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে করা আপিল গ্রহণ করে কাতার আদালত। ডিসেম্বরের ৭ তারিখে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত কাতারে বন্দি আট ভারতীয়র সঙ্গে দেখা করেন। অরিন্দম বাগচী বলেন, “মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে যে আপিল করা হয়েছিল, তার দুটো শুনানি হয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৪ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, জায়গা পেলেন কারা?

    ২৭ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ড রদ করা হয় বলে জানায় কাতারের আদালত। বিষয়টিকে ভারতীয় কূটনীতির বিরাট সাফল্য বলে মনে করে বিদেশমন্ত্রক। তার আগে অবশ্য কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি কাতার আদালত জানায় মৃত্যুদণ্ড রদের কথা। ১২ ফেব্রুয়ারি মেলে কাঙ্খিত মুক্তি। এদিন ভোরেই দিল্লি এসে পৌঁছান সাত ভারতীয়। দেশে তাঁদের স্বাগত জানানো হয় সরকারের তরফে (Qatar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kelvin Kiptum: দুর্ঘটনায় প্রয়াত বিশ্বরেকর্ডকারী কেনিয়ার দৌড়বিদ কেলভিন কিপটাম

    Kelvin Kiptum: দুর্ঘটনায় প্রয়াত বিশ্বরেকর্ডকারী কেনিয়ার দৌড়বিদ কেলভিন কিপটাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাড়ি দুর্ঘটনায় মাত্র ২৪ বছর বয়সেই শেষ হয়ে গেল কেনিয়ার ম্যারাথন দৌড়বিদ কেলভিন কিপটামের (Death of Kelvin Kiptum) দৌড়। গত বছর অক্টোবর মাসে ম্যারাথনে বিশ্বরেকর্ড করেছিলেন কেলভিন। রবিবার স্থানীয় সময় রাত ১১টায় কেনিয়ার এলডোরেটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কেলভিনের অকালে চলে যাওয়ায় শোকস্তব্ধ অ্যাথলিট মহল। 

    কী ঘটেছিল

    পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় কিপটাম নিজেই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। সেই সময় গাড়িটিতে মোট তিন জন ছিলেন। ছিলেন তাঁর কোচ গারভাইস হাকিজিমানা। প্রচণ্ড গতিতে চলছিল গাড়িটি। আচমকাই তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং গাড়িটি উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কিপটাম ও তাঁর কোচের। তৃতীয় জন গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। অকাল প্রয়াণে ক্রীড়াজগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কেলভিনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সকলে।

    কেলভিনের কৃতিত্ব

    চার বছর আগে প্রথম বড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন কেলভিন। পরিবারে আর্থিক অনটন থাকার কারণে সেই প্রতিযোগিতার জন্য অন্য খেলোয়াড়দের থেকে জুতো ধার করতে হয়েছিল তাঁকে। কেলভিনের কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে ২০২৩ সালে এলিউড কিপছোগের বিরুদ্ধে।

    এর পরেই গত অক্টোবর মাসে তিনি কিপছোগের রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েন। শিকাগো ম্যারাথনে ৪২ কিলোমিটার মাত্র ২ ঘন্টা ৩৫ সেকন্ডে সম্পুর্ণ করেন কেলভিন। ২৪ বছর বয়সী কিপটম তৃতীয়বার ম্যারাথনে অংশ নিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Under-19 World Cup: ছোটদের বিশ্বকাপেও রানার্স! ভারতকে হারিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

    Under-19 World Cup: ছোটদের বিশ্বকাপেও রানার্স! ভারতকে হারিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোটরাও পারল না। রোহিতদের মতোই মাথা নীচু করেই মাঠ ছাড়তে হল উদয়দের। গত বছর এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল ভারত। সেই হারের বদলা নেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে গেল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলেরও। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। অস্ট্রেলিয়া নামক জুজু তাড়া করে বেড়াল ভারতীয় ব্যাটারদের। ৭৯ রানে ভারতকে হারিয়ে চতুর্থ বারের জন্য অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হল অস্ট্রেলিয়া।

    ব্যাটিং ব্যর্থতা

    এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হিউ ওয়েবগেন। শুরুটা ভাল হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। ওপেনার স্যাম কনস্টাস রান পাননি। রাজ লিম্বানীর ভিতরের দিকে ঢুকে আসা বলে শূন্য রানে ফেরেন তিনি। তবে অপর ওপেনার হ্যারি ডিক্সন ফর্মে ছিলেন। তিনি কয়েকটি বড় শট খেলেন। বাঁ হাতি পেসার নমন তিওয়ারিকে নিশানা করেন তিনি। ডিক্সনকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক ওয়েবগেন। দু’জনে মিলে দলের রানকে টেনে নিয়ে যেতে থাকেন। ৭৮ রানের জুটি হয় দু’জনের মধ্যে। ফাইনালে নজর কাড়লেন অস্ট্রেলিয়ার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যাটার হরজস সিং। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে একমাত্র অর্ধশতরান করেন হরজস। শেষ। পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই রানের গতি কমে যায় ভারতের। ১০ ওভারে মাত্র ২৮ রান হয়। সেখান থেকে রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করতেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ভারতের। অস্ট্রেলিয়ার বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ভারতীয় ব্যাটারেরা। ব্যর্থ সচিন-উদয়-সহ ভারতের প্রথম সারির ব্যাটাররা।  ৬৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত ১৭৪ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।

    কী বললেন অধিনায়ক

    ম্যাচ শেষে পুরো প্রতিযোগিতায় ভাল খেলার জন্য সতীর্থদের ধন্যবাদ জানান ভারত অধিনায়ক উদয় সাহারন। তবে ফাইনালে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার কথা মেনে নেন তিনি। উদয়  বলেন, “খুব বাজে শট খেলেছি আমরা। ক্রিজে থিতু হতে পারিনি। আমরা অনুশীলন করেছিলাম, প্রস্তুতি নিয়েছিলাম পুরোদমে। কিন্তু কাজে করে দেখাতে পারলাম না। তবে এটা আমাদের শুরু। এখন অনেক কিছু শেখার আছে। সকলের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আরও শিখতে চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মুক্তি পেলেন কাতারের জেলে বন্দি ৮ ভারতীয়, দেশে ফিরে কি বললেন জানেন?

    PM Modi: মুক্তি পেলেন কাতারের জেলে বন্দি ৮ ভারতীয়, দেশে ফিরে কি বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সয়েছেন দীর্ঘ জেল যন্ত্রণা। বিদেশে কারাবাসের যে যন্ত্রণা তা ভাষায় বলে বোঝানো যায় না কাউকে। শেষমেশ মিলল মুক্তি। গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে ভারতীয় নৌসেনার প্রাক্তন যে আট কর্মীকে বন্দি করেছিল কাতার, তাঁদের দেওয়া হয়েছে মুক্তি।

    “ভারত মাতা কি জয়”

    দেশে ফিরে তাঁরাই সমস্বরে বললেন, “ভারত মাতা কি জয়।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নামেও জয়ধ্বনি দেন তাঁরা। সোমবার ভোরে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ‘কাতারে আটক আট ভারতীয় নাগরিক, যাঁরা দাহরা গ্লোবাল কোম্পানিতে কাজ করছিলেন, তাঁদের মুক্তিকে ভারত সরকার স্বাগত জানায়। এঁদের মধ্যে সাতজন ভারতে ফিরে এসেছেন। এই নাগরিকদের মুক্তি ও দেশে ফিরে আসার ক্ষেত্রে কাতারের আমিরের সিদ্ধান্তের আমরা প্রশংসা করি।’

    কূটনৈতিক সাফল্য মোদির

    গত ডিসেম্বরে কাতারি আদালত আল দাহরা গ্লোবাল মামলায় গ্রেফতার হওয়া এই আট ভারতীয়ের মৃত্যুদণ্ড রদ করে। পরিবর্তে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কাতারে ধৃত নৌবাহিনীর এই (PM Modi) কর্মীরা হলেন, ক্যাপ্টেন নবতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্র কুমার বর্মা, ক্যাপ্টেন সৌরভ বাসিস্ট, কমান্ডার অমিত নাগপাল, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, কমান্ডার সুগুনাকর পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্তা এবং নাবিক রাজেশ। কাতারের আদালত এঁদের মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করলে, ভারত সরকার সেই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জানায়। তার পরেই মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে দেওয়া হয় কারাদণ্ড। শেষমেশ মেলে মুক্তি। আটজন ছাড়া পেলেও, ভারতে ফিরেছেন সাতজন। এই বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: “লোকসভা ভোটে বিজেপি ছাড়াবে ৩৭০ আসন”, মধ্যপ্রদেশে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মুক্তি পাওয়া নৌবাহিনীর এক কর্মী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির হস্তক্ষেপ ছাড়া আমাদের এখানে এসে দাঁড়ানো সম্ভব হত না। ভারত সরকারের ক্রমাগত প্রচেষ্টার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।” অন্য এক মুক্তি পাওয়া প্রাক্তন নৌবাহিনীর আধিকারিক বলেন, “আমি স্বস্তি বোধ করছি। নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পেরে আমি যারপরনাই খুশি। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি (PM Modi) হস্তক্ষেপ না করলে, মুক্তি মিলত না। কৃতজ্ঞতা জানাই কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে। মুক্তি পাওয়া নৌবাহিনীর আর এক প্রাক্তন কর্তা বলেন, ভারতে ফিরতে আমাদের প্রায় আঠারো মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। তাঁর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ ও কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছাড়া এটা সম্ভব হত না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Haldwani Violence: হলদোয়ানির হিংসায় ধৃত ৩০, “দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করা যাবে না”, বললেন ধামি

    Haldwani Violence: হলদোয়ানির হিংসায় ধৃত ৩০, “দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করা যাবে না”, বললেন ধামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারের হিংসার পর কেটে গিয়েছে আরও দুদিন। এখনও থমথমে উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি এলাকা (Haldwani Violence)। ফের অশান্তির আশঙ্কায় কাঁটা বনভুলপুরার বাসিন্দারা। ভয়ে তল্পিতল্পা গুটিয়ে ভিটে ছাড়ছেন অনেকে। যাঁদের সে উপায় নেই, তাঁরা রয়েছেন ঘরে সিঁটিয়ে।

    গ্রেফতার ৩০

    হিংসার ঘটনায় রবিবার বিকেল পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ৩০ জনকে। এদিকে, রাজ্য সরকারের তরফে আরও মিলিটারি ফোর্স মোতায়েন করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। বনভুলপুরা এলাকায় এখনও জারি রয়েছে কারফিউ। কয়েকটি এলাকায় দোকানদানি খুলেছে। ইন্টারনেট পরিষেবাও মিলছে। ঘটনায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। রবিবার তিনি (Haldwani Violence) বলেন, “দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হলদোয়ানিতে দুষ্কৃতীরা মহিলা পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গেও অশালীন আচরণ করেছে। দুর্ব্যবহার করেছে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গেও। দুষ্কৃতীরা তাঁদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারতে চেয়েছিল। দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করতে দেওয়া হবে না কোনওভাবেই। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    হিংসার নেপথ্যে

    প্রসঙ্গত, হলদোয়ানিতে সরকারি জমি দখল করে মাদ্রাসা ও মসজিদ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল। সেগুলি তুলে দিতে পদক্ষেপ করেছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। ওই মাদ্রাসা ও মসজিদকে বেআইনি নির্মাণ বলে ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। এর পরেই আদালতের নির্দেশে ওই নির্মাণ দুটি ভাঙতে যায় পুলিশ-প্রশাসন। তখনই ছড়ায় হিংসা। পুলিশের ওপর হামলা চালায় স্থানীয়দের একটা বড় অংশ। পুলিশকর্মী, পুরসভার কর্মীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথর। হামলায় জখম হয়েছেন পুলিশের কয়েকজন কর্মী। জখম হয়েছেন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরাও। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাইক এবং গাড়িতে।

    আরও পড়ুুন: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ কর্মী। দেরাদুন, হরিদ্বার ও উধম সিংহ নগরেও ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নজরদারির। গঠন করা হয়েছে টাস্কফোর্স। প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি রয়েছে নিয়ন্ত্রণে। দোষীদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ভয়ে ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে চলে যাচ্ছেন স্থানীয়দের অনেকেই। ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবারই হলদোয়ানি এলাকায় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মহিলা পুলিশ আধিকারিক সহ যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন (Haldwani Violence) তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indo Pak Border: সীমান্তে ফের মিলল চিনে তৈরি ড্রোন, তারপর…

    Indo Pak Border: সীমান্তে ফের মিলল চিনে তৈরি ড্রোন, তারপর…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে (Indo Pak Border) মিলল চিনা ড্রোন। তবে সেটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিএসএফ এই ড্রোনটি খুঁজে পেয়েছে। পঞ্জাবের অমৃতসর জেলার ছান্না কালান গ্রামের একটি খেতে মিলেছে ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ। বিএসএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে বিএসএফের টহলদারি দলটি খেতে ড্রোনটিকে পড়ে থাকতে দেখে। প্রোটোকল মেনে সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ করে বিএসএফের ক্যুইক রেসপন্স টিম। ড্রোনটিকে কোয়াডকপ্টার হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিএসএফ (Indo Pak Border)। ড্রোনটি ডিজেআই ম্যাভিক ৩ ক্লাসিকের। এই ধরনের ড্রোন চিনে তৈরি হয়।

    ব্যাপক তল্লাশি

    বিএসএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, যে এলাকায় ড্রোনটি পড়েছিল, সেই এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়েছে। রাত ৯টা ১২ মিনিট নাগাদ বিএসএফের টহলদারি ভ্যানটি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ছোট্ট ড্রোনের হদিশ পায়। সেটি পড়েছিল খেতে। উদ্ধার করার পরেই জানা যায়, ড্রোনটি কোন গোত্রের, তৈরিই বা হয়েছিল কোথায়। ড্রোনটির গতিবিধি সম্পর্কেও জানার চেষ্টা করছে বিএসএফ। গত শুক্রবারই চিনে তৈরি একটি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়েছিল বিএসএফ। ঘটনাটি ঘটেছিল পঞ্জাবেরই গুরুদাসপুরে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে।

    ড্রোনের মাধ্যমে পাচার

    পঞ্জাবে ভারত-পাক সীমান্তে ড্রোন উদ্ধারের ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার পাকিস্তান থেকে পাঠানো ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে বিএসএফ। এই ড্রোনের মাধ্যমে কখনও মাদক, কখনও আবার অস্ত্র পাচার করছে পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা দুষ্কতীরা।

    আরও পড়ুুন: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    জানা গিয়েছে, পঞ্জাব লাগোয়া পাকিস্তান সীমান্ত থেকে গত এক বছরে একশোরও বেশি ড্রোন উদ্ধার করেছে বিএসএফ। উদ্ধার করা হয়েছে ৫০০ কেজিরও বেশি মাদক। বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, গত বছর তারা সীমান্ত লাগোয়া এলাকা থেকে গুলি করে নামিয়েছে ১০৭টি ড্রোনকে। ৪৪৫ কেজি হেরোইন, ২৩টি অস্ত্র ও ৫০৫ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করেছে বিএসএফ (Indo Pak Border)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Shamik Bhattacharya: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    Shamik Bhattacharya: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সুবক্তা। দলের প্রতি আনুগত্য অটুট। দল বিরোধী কথা বলেননি কখনওই। তাঁর (Shamik Bhattacharya) প্রতি বরাবরই খুশি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি রয়েছেন দলের মুখপাত্র হিসেবে। এহেন একনিষ্ঠ নেতা শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি।

    কমিটির মাথায় শমীক

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ৩৫টি আসন পাওয়ার লক্ষ্যে লড়ছে বিজেপি। এজন্য গঠন করা হয়েছে ৩৫টি কমিটি। এরই একটি কমিটিতে রয়েছেন শমীক। কোন বক্তা কী বলবেন, প্রচারে গুরুত্ব দেওয়া হবে কোন কোন বিষয়কে, এসব ঠিক করতে যে কমিটি গড়া হয়েছে পদ্ম শিবিরে, সেই কমিটিরই মাথায় বসানো হয়েছে শমীককে (Shamik Bhattacharya)। সব সময় দলের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। বিজেপিতে কোনও প্রশিক্ষণ হলেও, তলব করা হয় শমীককে।

    বাংলায় পদ্ম চিহ্নের প্রথম বিধায়ক

    এসব ছাড়াও শমীকের আরও একটি পরিচয় রয়েছে। পদ্ম চিহ্নে জিতে বাংলার প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল-বিজেপি জোটের প্রার্থী হিসেবে শমীকের আগে জয়ী হয়েছিলেন বাদল ভট্টাচার্য। তবে বিজেপি একাই লড়ে যে বার বিধানসভায় প্রতিনিধি পাঠাতে সক্ষম হয়, সেবারই জিতেছিলেন শমীক। জিতেছিলেন বসিরহাট থেকে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে অবশ্য দমদম কেন্দ্রে হেরে যান তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শমীককে প্রার্থী করা হয় রাজারহাট নিউটাউনে। এবারও পরাস্ত হন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    তাঁকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করা হচ্ছে শুনে দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শমীক। বলেন, “দলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ, সংগঠনের কাছে কৃতজ্ঞ। সর্বোপরি, বাংলার মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জন্য মনোনীত করেছেন। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে বাংলার মানুষ আমাদের সেই সংখ্যা দিয়েছেন যাতে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় একজন সদস্য পাঠাতে পারি।”

    এদিন খানিকটা নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন শমীক। বলেন, “সেসব দিনের কথা খুব বেশি করে মনে পড়ছে, যখন আমি, রাহুলদা (রাহুল সিনহা) পার্টি অফিসে বসে থাকতাম। আটের দশক তখন। বুদ্ধদেববাবু বলতেন, যাঁদের বিধানসভায় কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই, সর্বদলীয় বৈঠকে আমরা তাঁদের ডাকি না। সেদিনের সেসব কথা খুব মনে পড়ছে। অনেকে হয়ত আমাদের মধ্যে নেই। থাকলে খুশি হতেন যে কলকাতা থেকে রাজ্যসভায় আমরা প্রতিনিধিত্ব করতে পারব। সেটাই বারবার মনে হচ্ছে (Shamik Bhattacharya)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে  তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    Sandeshkhali: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ শানালেন। রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ কিছুই করবে না, কেননা তারা শাহজাহানের পয়সায় লালিত-পালিত হয়। নারী নির্যাতনে আমরা মধ্যযুগীয় বর্বরতা (Sandeshkhali) দেখতে পাচ্ছি এই রাজ্যে।” এছাড়াও তিনি প্রশ্ন তোলেন, “অন্যের স্ত্রীকে কীভাবে পার্টি অফিসে নিয়ে যাওয়া যায় তৃণমূলের নেতাদের মনোরঞ্জন করার জন্য?”

    সন্দেশখালিতে নারীরা অসুরক্ষিত (Sandeshkhali)!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বোঝাই যাচ্ছে মহিলাদের কী চোখে দেখে তৃণমূল। হাজার টাকা দাও, তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে রাত কাটাও। এই অফার চলছে। হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে। কোনও ব্যক্তির স্ত্রীকে রাতে ডেকে নিয়ে সারা রাত রেখে পরের দিন সকালে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ কত ভাগ পায়, আমার জানা নেই। পুলিশ সেটাই করছে, মানুষ যাতে মুখ খুলতে না পারে, তাদের বক্তব্য না রাখতে পারে। যেভাবে মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে, তাতে বাঙালি চুপ করে বসে থাকতে পারে না। আর আজ চুপ থাকলে, আগামী দিনে আপনার-আমার বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে এমনটাই করবে তৃণমূল কংগ্রেস।”

    নিখোঁজ বিজেপি নেতা

    শেখ শাহজাহানের নিখোঁজ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “শাহজাহান কোথায় আছে পুলিশ জানে, শাহজাহানই (Sandeshkhali) পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে কাজ করাচ্ছে। শিবু হাজরা ও তাঁকে খুঁজে পাবে না। যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলবেন তখন পুলিশ গ্রেফতার করবে। আদালতের উচিত নির্দেশ দেওয়া যে শাহজাহানের কান ধরে টেনে নিয়ে আসা হয়। তারপর শুরু হবে খেলা।” আবার সন্দেশখালিতে বিজেপি কনভেনার বিকাশ সিংহকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিকাশ সিং আমাদের ওখানে বহু পুরনো নেতা। তাঁর স্ত্রী খুব চিন্তিত। আমরা শুনতে পাচ্ছিলাম তাঁকে নৌকায় করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উনাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিজ্ঞেস করায় এসপি বলেন, আমরা বলতে বাধ্য নই। সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক কাজ করছে পুলিশ।”

    “মুখ্যমন্ত্রী ঘুমচ্ছেন” (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করা প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা এমন একটা বাক্স খুলে দিয়েছে যেখানে তৃণমূলের প্রাণ ভোমরা লুকিয়ে আছে। তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন জায়গায় কীভাবে অত্যাচার করেছে তা সবার সামনে চলে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস ভয় পাচ্ছে। তারা চাইছে না, এটা সবার সামনে আসুক। কীভাবে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের উপর এই ধরনের অত্যাচার হল? এই বাংলার জন্য আমরা গর্ববোধ করি? মহিলাদের নিয়ে একটা কথা বলারও অধিকার নেই এই অভদ্র তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রী ঘুমচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রীর চিন্তা তাঁর বাড়ির মহিলাদের নিয়েই, আর কাউকে নিয়ে নয়।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share